15/08/2026
সুস্থতার জন্য জমজমের পানি তৃপ্তি সহ পান করুন ।
🔹জমজমের পানি পান করার আদব।
জমজমের পানি পান করার সময় কিছু আদব উল্লেখ করা হয়েছে:
১,কিবলামুখী হয়ে পান করা।
২,“বিসমিল্লাহ” বলা।
৩, তিন শ্বাসে পান করা।
৪, পান শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা।
৫, তৃপ্তি মিটিয়ে পান করা।
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা.) বলেছেন:
“মুনাফিকদের সাথে আমাদের পার্থক্য হলো, তারা জমজমের পানি তৃপ্তি সহকারে পান করতে পারে না।”
🔹দাঁড়িয়ে পান করার মাসআলা।
কিছু বর্ণনায় এসেছে, রাসূল(সা.) দাঁড়িয়ে জমজমের পানি পান করেছেন।
আবার অনেক বর্ণনায় সাধারণভাবে দাঁড়িয়ে পানি পান করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এ কারণে আলেমগণ বলেন: প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে পান করা জায়েয। তবে সাধারণ সুন্নাহ হলো বসে পান করা
জমজমের ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে পান করার বর্ণনা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে হতে পারে। আবার অনেকে জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করাকে উত্তম বলেছেন।
🔹জমজমের পানি পান করার দোয়া।
জমজমের পানি পান করার সময় নিচের দোয়া করবেন:
اللهم اني اسئلك علما نافعا ورزقا واسعا وشفاء من كل داء
“আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিআ, ওয়া রিযকান ওয়াসিআ, ওয়া শিফাআ’আম মিন কুল্লি দা’।”
অর্থঃ“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, প্রশস্ত রিযিক এবং সকল রোগ থেকে আরোগ্য কামনা করছি।”
📌কোন নিয়তে জমজমের পানি পান করবেন?
আপনি উপরের দোয়াটা মনোযোগ দিয়ে পড়ে পন করবেন এটাই আপার সহজ হবে ইন শা আল্লাহ।তার সাথে আপনার জ্বীন, যাদু, বদনজর,ওয়াস ওয়াসা থেকে মুক্তির কামনা করবেন।
সালাফরা কী নিয়তে পান করতো তার কিছু বিবরণ নিচে উল্লেখ করলাম।
শায়খ ইবনে হুমাম রহ. বর্ণনা করেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. কেয়ামতের দিন পিপাসা হতে বাঁচার নিয়তে জমজমের পানি পান করেছিলেন। ইমাম শাফেয়ি রহ. এ জন্য পান করেছিলেন, যাতে তীরান্দাজিতে তাঁর লক্ষ্যবস্তু ঠিক হয়। সুতরাং তিনি প্রতি ১০টির মধ্যে ৯টির ক্ষেত্রেই ঠিক করতেন। ভুল হতো না।
ইবনে হাজার আসকালানি রহ. বলেন, এ রকম অসংখ্যা বিষয় আছে যেসব কারণে আয়িম্মায়ে কেরাম জমজমের পানি পান করেছেন, তারপর তারা সে উদ্দেশ্য সকলকাম হয়েছেন। স্বয়ং তিনি নিজের সম্পর্কে বলেন, আমি ইলমে হাদিস অন্বেষণের সূচনাতে জমজমের পানি পান করেছিলাম এই নিয়তে, যাতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাকে ইমাম জাহাবি রহ.-এর মতো হাদিস মুখস্থ করার শক্তি দান করেন। তারপর প্রায় বিশ বছর পর আমি পুনরায় হজ করলাম। তখন আমি আমার অন্তরে সে মর্যাদার তুলনায় আরো অনেক বেশি অনুভব করলাম। তারপর তার চেয়েও উঁচু মর্তবার দরখাস্ত করলাম। আমি আশা করি আল্লাহর কাছ হতে তা পাবো
যদি এখানে বর্তমানেও এই পানি পান করে মানুষ যে সুস্থ হচ্ছে তার বিবরণ দিতে যাই তাহলে লিখা অনের দীর্ঘ হয়ে যাবে। আপনারা এই পানির ফজিলত ও আশ্চর্য গল্প গুলো পড়তে চান তাহলে, কাবার আঙিনায় আশ্চর্য গল্প,কাবা ও বাইতুল্লাহ র সফর সংক্রান্ত বই গুলো পড়ুন। আপনার আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে, জমজমের পানি পান করে তেমনও তৃপ্তি পাবেন। সাথে জমজমের পানি পান করে আপনার সুস্থতাও তরান্বিত হবে ইন শা আল্লাহ।
🖋️Raqi Zubayer Ahmed
Consultant Raqi: Hijama planet Cupping & Ruqyah Canter, Noakhali branch
যোগাযোগ: 01894430677
www.hijamaplanet.com