Inaya Care

Inaya Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Inaya Care, Health & Wellness Website, saddma market matuail demra dhaka, Matuail.

জ্বীন দীর্ঘদিন রক্তে চলাচল করে রক্ত দুষিত করে, আর "হিজামা" রক্ত পরিশোধন করে, রক্তের ক্ষতি অপসারণ করে, ফলে মানুষ সহজেই সুস্থতার নেয়ামত ভোগ করতে পারে
Raqi Johirul Islam

মানুষের জীবনে যৌ/নতা শুধু শারীরিক প্রয়োজন নয়; এটি ভালোবাসার ভাষা, মানসিক ঘনি/ষ্ঠ/তার প্রকাশ, আত্মিক প্রশান্তির এক রূপ। ক...
17/06/2026

মানুষের জীবনে যৌ/নতা শুধু শারীরিক প্রয়োজন নয়; এটি ভালোবাসার ভাষা, মানসিক ঘনি/ষ্ঠ/তার প্রকাশ, আত্মিক প্রশান্তির এক রূপ।
কিন্তু যখন সেই স্বাভাবিক চাহিদা অপূর্ণ থেকে যায় যখন দে*হ ও মন দু’জনের মধ্যে এক অদৃশ্য দেয়াল গড়ে ওঠে, তখন জন্ম নেয় এক নিঃশব্দ যন্ত্রণা, যার নাম যৌ/ন হতাশা বা (S e x u al Frustration।)

এই যন্ত্রণা কাউকে কাঁদায় না, কিন্তু নিঃশব্দে ক্ষয়ে দেয় ভালোবাসা, আত্মবিশ্বাস আর সম্পর্কের ভিত।
যখন দে/হ চুপ থাকে, কিন্তু মন চিৎকার করে
সব কিছু ঠিকঠাক দেখায় সংসার চলছে, কথাও হয়, হাসিও ফোটে ঠোঁটে।
তবু কোথাও এক অজানা দূরত্ব।
স্পর্শ আছে, তাপ নেই। আলিঙ্গন আছে, আকুলতা নেই।
সঙ্গী পাশে, কিন্তু হৃদয়ের দরজায় যেন তালা ঝুলে আছে।এই নীরবতাই আসলে সেই হতাশা, যা সম্পর্ককে ধীরে ধীরে শুকিয়ে ফেলে ভালোবাসার ভিত থেকে।

★ যৌ*ন হতাশা কী?

যৌ*ন হতাশা হলো এমন এক মানসিক ও শারীরিক অস্বস্তি, যা তৈরি হয় দীর্ঘ সময় ধরে যৌ/ন চাহিদা পূরণ না হলে, বা যৌ/ন জীবনে সন্তুষ্টি না পেলে। এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে।

যৌ/ন ইচ্ছা প্রাকৃতিক; কিন্তু যখন সমাজ, ভয়, লজ্জা বা পারস্পরিক দূরত্বের কারণে সেই ইচ্ছা দমে যায়, তখন দে/হে জমে যায় এক অদৃশ্য চাপ, আর মনের মধ্যে জন্ম নেয় অস্থিরতা, খিটখিটে মেজাজ, একাকীত্ব।

★ কীভাবে বুঝবেন আপনি যৌ/ন হতাশায় ভুগছেন?

যৌ/ন হতাশার কোনো স্পষ্ট বাহ্যিক চিহ্ন নেই। কিন্তু শরীর ও মনের গভীরে এটি ধীরে ধীরে ছাপ ফেলে যায়। কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো-

1. বারবার রাগ বা খিটখিটে মেজাজে থাকা

2. মনোযোগ কমে যাওয়া, অকারণে ক্লান্তি

3. যৌ/ন ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তৃপ্তি না পাওয়া

4. সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ বা ভালোবাসা কমে যাওয়া

5. ঘুমের সমস্যা, দুশ্চিন্তা বা হালকা ডিপ্রেশন

6. প/র্নো/গ্রা/ফি বা একাকী যৌ/ন আচরণের প্রতি অতিনির্ভরতা

এসব লক্ষণ শুধু যৌ/ন/তার অভাব নয় গভীর মানসিক টানাপোড়েনেরও ইঙ্গিত দেয়।

★ দাম্পত্য সম্পর্কে এর প্রভাব
যৌ/ন হতাশা নিঃশব্দে সম্পর্কের মধ্যে দেয়াল তুলে দেয়।
একসময় যা ছিল ভালোবাসার স্পর্শ, তা হয়ে ওঠে রুটিন বা দায়িত্ব।

স্ত্রী ভাবে— “সে আর আমাকে চায় না,”
স্বামী ভাবে— “সে আমাকে বুঝতে পারে না।”

ফলে শুরু হয় অবিশ্বাস, অভিমান, নীরবতা, কখনো পরকীয়া বা মানসিক দূরত্ব। অথচ অনেক সময় সমস্যা শারী/রি/ক নয় কেবল কথার অভাব, বোঝাপড়ার অভাব।

★ কারণসমূহ
১. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
২. পারস্পরিক সময়ের অভাব
৩. হরমোনজনিত সমস্যা
৪. সম্পর্কের আবেগীয় দূরত্ব
৫. অতীতের ট্র'মা বা যৌ/ন ভয়
৬. শা/রী/রিক ক্লান্তি, ঘুমের অভাব, বা অসুস্থতা

★ সমাধান কী?
যৌ/ন হতাশা কোনো লজ্জার বিষয় নয় এটি একেবারে মানবিক ও চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা।

1. খোলামেলা আলোচনা: সঙ্গীর সঙ্গে নিজের অনুভূতি ও চাহিদা নিয়ে কথা বলুন। নীরবতা সবচেয়ে বড় বি/ষ।

2. মানসিক থেরাপি ও কাউন্সেলিং: অনেক সময় মনোবিদের সঙ্গে আলোচনা যৌ/ন জীবনে নতুন ভারসাম্য আনে।

3. শারীরিক ফিটনেস ও হরমোন চেকআপ: নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, হরমোন টেস্ট প্রয়োজন হতে পারে।

4. ফোরপ্লে ও পারস্পরিক আবেগ: যৌ/ন সুখের মূল শুরু হয় ভালোবাসার স্পর্শ থেকে, কেবল দে//হ নয়, মনকেও ছোঁয়া জরুরি।

★ নারীর ও পুরুষের জন্য
নারীদের জন্য: নিজের যৌ/ন চা'হি'দা নিয়ে লজ্জা পাবেন না। এটি লালসা নয়, প্রাকৃতিক আকাঙ্ক্ষা।

পুরুষদের জন্য: যৌ/নতা কেবল নিজের আনন্দ নয়, এটি পারস্পরিক অভিজ্ঞতা। সঙ্গীর অনুভূতি বোঝা ও মূল্য দেওয়া দাম্পত্য সুখের মূল।

পেটে থাকা যাদুর লক্ষণ সমূহ👇👇👇ক) গলার নালীতে দলা পাকিয়ে আছে এমন অনুভূতি হওয়া এবং ডাক্তারি চিকিৎসায় গলায় কোন রোগ ধরা না পর...
15/06/2026

পেটে থাকা যাদুর লক্ষণ সমূহ👇👇👇

ক) গলার নালীতে দলা পাকিয়ে আছে এমন অনুভূতি হওয়া এবং ডাক্তারি চিকিৎসায় গলায় কোন রোগ ধরা না পরা।

খ) রুকইয়াহ চলাকালিন সময় গলায় কিছু আটকে আছে এমন ভাব অনুভূতি হওয়া বা বমি আসলে তা গলার নিকট এসে বাঁধাগ্রস্থ হওয়া।

গ) পেটর ভেতরে শব্দ করা অথচ পেট খারপ হয় নাই।

ঘ) রুকইয়াহ চলাকালীন পেটে মোচড় দিয়ে ওঠা।

৫) পেট ভরা অনুভূত্ব হওয়া এবং ক্ষুদার অনুভুতি হলেও খাবারের রুচি না থাকা বা অনিহা সৃষ্টি হওয়া।

চ) রোগী চোখ বন্ধ করলে চোখের উপর গিট, রশি, চুল, রক্ত দেখতে পাওয়া।

ছ) ঢেকুরের মাধ্যমে পাকস্থলি থেকে দূর্গন্ধ বের হওয়া বিশেষ করে রুকইয়াহ চলাকালীন সময়।

জ) চেহারা বিবর্ণ হয়ে যাওয়া। চেহারায় অধিক মাত্রায় ব্রণ বা মেসতা দেখা দেওয়া।

ঞ) দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠ কাঠিন্য হওয়া।

ট) পেটে যাদু থাকলে পেটে গোল গোল বস্তু থাকার অনুভূতি হতে পারে অথবা পেটে কিছু একটা নাড়াচাড়া করছে এমন অনুভুতি হওয়া।

ঠ) শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া এবং শরীর নিস্তেজ হয়ে যাওয়া ও ঘামে ভিজে যাওয়া।

ন) দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া। চোখে আলোক বিন্দু মৃদু নাড়াচাড়া করছে মনে হওয়া।

ত) রোগীকে স্পর্শ করলে খুবই বিরক্ত হয় বিশেষ করে যেখানে যাদু আছে সেখানে স্পর্শ করলে বেশি রেগে যায়।

থ) পাকস্থলিতে প্রায় ব্যাথা হওয়া এবং খাবার খেলে খনিক পরে বমি করে দেয়া।

দ) আক্রান্ত ব্যক্তির সর্বদা পেট ফেঁপে থাকে হযম শক্তি খুবই দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং ডাক্তারি টেস্ট করলে রিপোর্টে কিছু ধরা না পড়া।

ধ) পেটে জ্বালা পোড়া, লিভার দুর্বল হয়ে পড়া, প্রসাব-পায়খানা ঠিক মতো না হওয়া।

✍️Raqi Johirul
🌿Inaya Care
☎️01732364241

অবিবাহীত মহিলাদের অক্ষমতার যাদুর লক্ষণঃক) কোন কারণ ছাড়াই বিয়ে করতে না চাওয়া।খ) বিয়ের প্রস্তাবের কথা শুনলেই কান্না পাওয়া।...
14/06/2026

অবিবাহীত মহিলাদের অক্ষমতার যাদুর লক্ষণঃ

ক) কোন কারণ ছাড়াই বিয়ে করতে না চাওয়া।

খ) বিয়ের প্রস্তাবের কথা শুনলেই কান্না পাওয়া।

গ) বিয়ের কথা শুনলে মথা ভার, ব্যাথা, চেহারায় ব্রণ উঠা, চেহারা শুকিয়ে যাওয়া, চেহারার ত্বকের লাবণ্যতা নষ্ট হওয়া।

ঘ) মাথায় জিম ধরে থাকা বা মাথায় বিয়ের ব্যাপারে ভয় ও দুশ্চিন্তা ঘোরপাক খাওয়া।

ঙ) বিয়ে হয়ে গেলে স্বামীকে দেখা মাত্র বিরক্ত লাগা। স্বামীর সব কিছুই অপছন্দ করা।

চ) যৌণ মিলনে অধিক পরিমাণ ইচ্ছা জাগ্রত হওয়া কিন্তু মিলনের পরে নিজেকে অপরাধী মনে হওয়া।

✍️Raqi Johirul
🌿Inaya Care
☎️01732364241

বিবাহিত মহিলার অক্ষমতার যাদুর লক্ষণক) ইন্টার কোর্সের সময় তার উরুগুলি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে থাকে। স্বামীর প্রতি ভালোবা...
12/06/2026

বিবাহিত মহিলার অক্ষমতার যাদুর লক্ষণ

ক) ইন্টার কোর্সের সময় তার উরুগুলি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে থাকে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ও ইন্টার কোর্সের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সে তার উরু খুলতে পারে না। এই লক্ষণ যাদু নির্ণয়ের জন্য যথেষ্ঠ।

খ) মাথা ব্যাথা ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী।

গ) পিঠের নিচের অংশে ব্যাথা।

ঘ) পেট ও নাভির তলদেশে ব্যাথা।

৩) পাকস্থলিতে ব্যাথা থাকবে।

চ) সহ্বাসের প্রতি ঘৃণ্য।

ছ) শরীল দুর্বল লাগা।

জ) কারণ ছাড়া ইন্টারকোর্সের সময় ব্যাথা হওয়া।

ঞ) ইন্টারকোর্সের সময় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

ট) ইন্টারকোর্সের সময় যৌণাঙ্গ শক্ত না হওয়া। অন্য সময় শক্ত হয়।

ঠ) যৌণাঙ্গ থেকে তরল অদ্ভুত কিছু বের হওয়া।

ড) যৌণাঙ্গ ফুলে যাওয়া ও যৌণাঙ্গে মুখ না খোলা।

ঢ) ইন্টারকোর্সের সময় জিন এক্টিভ হওয়া।

ন) ইন্টারকোর্সের সময় অসাভাবিক রক্ত বের হওয়া।

উপরে উল্লেখিত ৩/৪টি লক্ষণ মিলে গেলেই বুঝতে হবে সিহরুল মারবুত (অক্ষমতা) যাদুতে আক্রান্ত।
🖊️Raqi Johirul
🌿 Inaya Care
☎️01732364241

12/06/2026

রুকইয়াহ শোনার নিয়ম হলো-
বিসমিল্লাহ বলে চোখ বন্ধ করে, পুরো শরীরের কন্ট্রোল ছেড়ে দিয়ে শুনতে হবে। রুকইয়াহ শোনা অবস্থায় কোনকিছু পাঠ করবেন না এবং কোন রিয়াকশন হলে তা রিলিজ করবেন। আল্লাহ আপনাদেরকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুক আমীন।

অডিও শোনার সময় এবং পর আপনার নিচের রিয়্যাকশন গুলো হতে পারে যদি কোন প্রকার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে ।

যেমন :মাথা ব্যাথ্যা,বার বার চোখের পলক পড়া,চোখে পানি চলে আসা,কান্না আসা,হাসি আসা,শরীর চুলকানো,জ্বালাপোড়া করা,শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা করা,শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গোস্ত লাফানো,বুকের মাঝে ধড়ফড় করা,গা দুলতে থাকা,পিঠে ব্যথা অনুভব করা, শরীরে সুচ দিয়ে খোচার মতো অনুভূতি হওয়া,লজ্জাথানে চাপ অনুভব করা, হাত পায়ের তালু ঝিমঝিম করা,হাত পা ছুড়াছুড়ি করতে থাকা বা মনে চাওয়া,হাত পা অবস হয়ে যাওয়া, চোখের সামনে বিভিন্ন জায়গা বস্তু,মন্দির,জ্বীন, সাপ,কোন প্রাণী ভেসে উঠা, প্রচন্ড পরিমানের ঘুম চলে আসা, শরিরের মাঝে অস্থরিতা কাজ করা,পেট ব্যথা করছে বা বমি হতে চাচ্ছে বা বমি হচ্ছে হচ্ছে করেও হচ্ছে না,রুকইয়াহ শুনার সময় কারো উপস্থিত বুঝতে পারা অথচ আশেপাশে কেউ নেই, তাহলে বুঝে নিবেন আপনার প্যারানরমাল জনিত কোনো সমস্যা রয়েছে।
তাহলে যোগাযোগ করুন
01732364241

এ উপদেশ আমি মুসলিম নারীদের উদ্দেশে পেশ করছি। সেটি হলো, কোনো স্ত্রী চাইলে তার স্বামীকে হালাল পদ্ধতিতে জাদু করতে পারে। যেম...
11/06/2026

এ উপদেশ আমি মুসলিম নারীদের উদ্দেশে পেশ করছি। সেটি হলো, কোনো স্ত্রী চাইলে তার স্বামীকে হালাল পদ্ধতিতে জাদু করতে পারে। যেমন: স্বামীর জন্য
রূপচর্চা ও সাজসজ্জা করা। এর ফলে স্বামী সর্বদা তাকে সুন্দর রূপেই দেখবে, তার থেকে কেবল সুগন্ধির ঘ্রাণই পাবে। অনুরূপ স্বামীকে হালাল পদ্ধতিতে জাদু করার উপায় হলো, তাকে উজ্জ্বল হাসি উপহার দেওয়া, সুন্দর সুন্দর কথা বলা, ভালো আচরণ করা, স্বামীর সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করা, তার সন্তানদের প্রতি লক্ষ রাখা, তাদের যত্ন নেওয়া, গুনাহ ছাড়া সকল বিষয়ে তার আনুগত্য করা।

কিন্তু আমরা আমাদের সমাজের দিকে তাকালে এসব ব্যাপারে আশ্চর্যকর বৈপরীত্য দেখতে পাই। লক্ষ করলে দেখবেন, নারীরা যখন কোনো অনুষ্ঠান বা বান্ধবীর সাক্ষাতের জন্য বেরোয়, তখন সে সবচেয়ে সুন্দর সাজসজ্জা করে, তার সব গহনা-অলংকার পরিধান করে। তখন সে ঘর থেকে বধূর সাজে বের হয়। এরপর বাড়িতে ফিরে এলে সেসব সাজসজ্জা ধুয়ে-মুছে ফেলে। সাথে গহনা-অলংকার সব খুলে পরবর্তী কোনো অনুষ্ঠান বা সাক্ষাতের জন্য আগের জায়গায় রেখে দেয়। আর এদিকে যে স্বামী বেচারা তাকে এসব পোশাক ও গহনা কিনে দিয়েছিল, সে এগুলো উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত থাকে। ঘরে সে তার স্ত্রীকে কেবল পুরাতন-জীর্ণ পোশাকেই দেখতে পায়, সারাক্ষণ যার শরীর থেকে রান্নাবান্না ও পেঁয়াজ-রসুনের গন্ধ আসে।

নারীদের বুদ্ধি-বিবেক থাকলে অবশ্যই তারা বুঝত, একমাত্র স্বামীই তার এসব রূপচর্চা ও সাজসজ্জা দেখার অধিক উপযুক্ত। তাই আপনার স্বামী তার (চাকরি বা ব্যবসার) কাজে বের হয়ে গেলে আপনি (যথাসম্ভব) দ্রুত ঘরের কাজকর্ম শেষ করে গোসল সেরে নিন এবং সুন্দরভাবে সাজসজ্জা করে পরিপাটি হয়ে তার জন্য অপেক্ষা করুন। তাহলে সে যখন তার কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে আসবে, তখন সে তার সামনে একজন সুন্দরী স্ত্রী, প্রস্তুতকৃত খাবারদাবার ও পরিচ্ছন্ন ঘর দেখতে পাবে। এতে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা, আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে। আল্লাহ তাআলার শপথ! এটাই হলো (স্বামীর ভালোবাসা অর্জনের জন্য) হালাল জাদু। বিশেষত আপনার এ সাজসজ্জার উদ্দেশ্য যদি হয় আল্লাহ তাআলার আনুগতা ও হারাম দৃশ্য থেকে স্বামীর দৃষ্টি রক্ষায় সহযোগিতা করা, (তাহলে তা আরও উত্তম হালাল ও অধিক সাওয়াবের কাজ হবে)। বস্তুত যার পেট ভরা থাকে, খাবারের প্রতি তার আগ্রহ থাকে না; কিন্তু যার কাছে (উপযুক্ত ও ভালো) খাবার নেই, সে তো খাওয়ার জন্য লোভ করবেই। সুতরাং (হে স্বামীদের প্রিয়তমা স্ত্রীরা, আপনারা) আমার এ কথাগুলো ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন। কারণ, স্বামীকে বশে আনবার কার্যকরী টোটকা তো এটাই।

✍️Raqi Johirul Islam
☎️01732364241
Inaya Care

10/06/2026

রুকইয়াহ শোনার নিয়ম হলো- বিসমিল্লাহ বলে চোখ বন্ধ করে, পুরো শরীরের কন্ট্রোল ছেড়ে দিয়ে শুনতে হবে। রুকইয়াহ শোনা অবস্থায় কোনকিছু পাঠ করবেন না এবং কোন রিয়াকশন হলে তা রিলিজ করবেন। আল্লাহ আপনাদেরকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুক আমীন।

অডিও শোনার সময় এবং পর আপনার নিচের রিয়্যাকশন গুলো হতে পারে যদি কোন প্রকার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে ।

যেমন :মাথা ব্যাথ্যা,বার বার চোখের পলক পড়া,চোখে পানি চলে আসা,কান্না আসা,হাসি আসা,শরীর চুলকানো,জ্বালাপোড়া করা,শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা করা,শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গোস্ত লাফানো,বুকের মাঝে ধড়ফড় করা,গা দুলতে থাকা,পিঠে ব্যথা অনুভব করা, শরীরে সুচ দিয়ে খোচার মতো অনুভূতি হওয়া,লজ্জাথানে চাপ অনুভব করা, হাত পায়ের তালু ঝিমঝিম করা,হাত পা ছুড়াছুড়ি করতে থাকা বা মনে চাওয়া,হাত পা অবস হয়ে যাওয়া, চোখের সামনে বিভিন্ন জায়গা বস্তু,মন্দির,জ্বীন, সাপ,কোন প্রাণী ভেসে উঠা, প্রচন্ড পরিমানের ঘুম চলে আসা, শরিরের মাঝে অস্থরিতা কাজ করা,পেট ব্যথা করছে বা বমি হতে চাচ্ছে বা বমি হচ্ছে হচ্ছে করেও হচ্ছে না,রুকইয়াহ শুনার সময় কারো উপস্থিত বুঝতে পারা অথচ আশেপাশে কেউ নেই, তাহলে বুঝে নিবেন আপনার প্যারানরমাল জনিত কোনো সমস্যা রয়েছে।
তাহলে যোগাযোগ করুন
01732364241

05/06/2026
কুরবানির দিনে জিন-জাদু ও বদনজরের রোগীর করণীয় — একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইনঈদুল আদহা বা কুরবানির দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য ত...
26/05/2026

কুরবানির দিনে জিন-জাদু ও বদনজরের রোগীর করণীয় — একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

ঈদুল আদহা বা কুরবানির দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগের মহিমা, আল্লাহর নৈকট্য অর্জন এবং অনাবিল আনন্দের এক মহান উৎসব। তবে এই পবিত্র উৎসবের আনন্দময় মুহূর্তগুলোর পাশাপাশি, জিন-জাদু বা বদনজরে আক্রান্ত একজন রোগীর জন্য এই দিনের রয়েছে এক গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও অদেখা লড়াই, যা নিয়ে আমাদের সমাজে সাধারণত আলোচনা হয় না।

কুরবানির ইতিহাসটি একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করুন। এর মূলে রয়েছে সাইয়্যিদুনা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের ত্যাগের সেই ঐতিহাসিক ও ঈমানদীপ্ত ঘটনা। মহান আল্লাহ তাঁকে তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটি দিলেন— নিজের হাতে তাঁর প্রিয়তম সন্তান ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে কুরবানি দিতে বললেন। আল্লাহর হুকুম পালনের জন্য ইবরাহীম আলাইহিস সালাম যখন প্রস্তুত হলেন, তখন শয়তান তাঁকে বারবার প্ররোচনা দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল। কিন্তু তিনি শয়তানের কোনো ধোঁকায় পা না দিয়ে তাকে পাথর মেরে তাড়িয়ে দিলেন। হজের সময় হাজিরা মিনায় জামারাতে যে পাথর নিক্ষেপ করেন, তা মূলত শয়তানকে প্রত্যাখ্যান করার ওই ঐতিহাসিক ঘটনারই স্মৃতি।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা এই ঘটনার চিত্রায়ন করে বলেন:

فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ ۝ وَنَادَيْنَاهُ أَن يَا إِبْرَاهِيمُ ۝ قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا ۚ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ

"যখন তারা উভয়ে আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে কাত করে শুইয়ে দিল, তখন আমি তাকে ডেকে বললাম — হে ইবরাহীম! তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করি।" (সূরা আস-সাফফাত: ১০৩-১০৫)

রুকইয়াহ বা আধ্যাত্মিক চিকিৎসার দৃষ্টিকোণ থেকে এই আয়াতটি এবং কুরবানির পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কুরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; এটি মূলত শয়তানের বিরুদ্ধে মুমিনের তাওহিদের এক চূড়ান্ত ঘোষণা। আপনি যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি দেন, তখন আপনি কেবল একটি পশুর রক্তই প্রবাহিত করেন না; বরং ইবরাহীম আলাইহিস সালামের মতো আল্লাহর সামনে নিজের পূর্ণ আত্মসমর্পণের প্রমাণ দেন এবং শয়তানকে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। আর মনে রাখবেন, আল্লাহর প্রতি এই একনিষ্ঠ আত্মসমর্পণই হলো জিন ও জাদুর বিরুদ্ধে একজন মুমিনের সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল।

তবে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, এই কুরবানির মৌসুম আসলেই অনেক রোগীর শারীরিক, মানসিক বা আধ্যাত্মিক সমস্যাগুলো হঠাৎ করে তীব্র আকার ধারণ করে। অনেকের ক্ষেত্রে পুরোনো রোগগুলো নতুন করে জেগে ওঠে, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, কাঁপুনি বা প্রচণ্ড অস্থিরতা শুরু হয়। এমনকি কেউ কেউ এই দিনে জ্ঞানও হারিয়ে ফেলেন। এর পেছনে মূলত দুটি বড় ও শক্তিশালী কারণ রয়েছে।

প্রথম কারণটি হলো রক্তের সাথে জিনের নিবিড় সম্পর্ক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাদিসে বলেছেন:

إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنَ الإِنْسَانِ مَجْرَى الدَّمِ

"নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের শরীরে রক্তের শিরা-উপশিরায় চলাচল করে।" (সহীহ বুখারী: ২০৩৮)

এই হাদিসের ব্যাখ্যায় আলেমগণ বলেন, শয়তান ও জিন মানুষের শরীরে রক্তপ্রবাহের মাধ্যমেই তাদের প্রভাব বিস্তার করে। কুরবানির দিনে যেহেতু চারদিকে বড় পরিমাণে রক্ত প্রবাহিত হয়, তাই এটি সরাসরি জিনের কার্যকলাপকে উদ্দীপ্ত ও প্রভাবিত করে। রক্তের এই আধিক্য রোগীর শরীরে থাকা জিনের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে।

তবে এর চেয়েও ভয়ংকর এবং মূল কারণটি হলো জাদুকরদের কুফরি কাজ। জাদুকর বা কবিরাজরা তাদের জাদুকে শক্তিশালী করার জন্য শয়তানের নামে পশু বা পাখি উৎসর্গ করে থাকে। ঈদের দিন আমরা যখন একমাত্র আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করি, তখন এই নিখাদ তাওহিদের ইবাদতের কারণে শয়তানের নামে করা জাদুগুলো মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং প্রতিক্রিয়া (React) দেখাতে শুরু করে। আল্লাহর নামে প্রবাহিত রক্তের তাওহিদী শক্তির কারণে জাদুর গিটগুলো দুর্বল হতে থাকে, আর ঠিক তখনই রোগীর শরীরে তীব্র প্রতিক্রিয়া, ব্যথা বা খিঁচুনি দেখা দেয়।

তাই এই দিনে কোনো সমস্যা দেখা দিলে মোটেও ভয় পাবেন না। সমস্যা কুরবানিতে নয়, সমস্যা রোগীর শরীরে লুকিয়ে থাকা জাদুতে। সঠিক আমল, রুকইয়াহ ও সতর্কতা অবলম্বন করলে এই দিনটি আপনার জাদুর শেকড় চিরতরে উপড়ে ফেলার সেরা দিন হতে পারে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য এবং জাদু নষ্ট করতে একটি অত্যন্ত পরীক্ষিত ও কার্যকরী রুকইয়াহর আমল রয়েছে। কুরবানির দিন সকাল থেকে নিচের আয়াতটি গভীর মনোযোগের সাথে, এর অর্থ ও তাৎপর্য অনুধাবন করে কমপক্ষে ৩০ মিনিট ধরে তিলাওয়াত করুন। যদি নিজে তিলাওয়াত করতে না পারেন বা কষ্ট হয়, তবে পরিবারের কাউকে আপনার ডান কানের কাছে উঁচু আওয়াজে পাঠ করতে বলুন:

قُلْ اِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِيْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعٰلَمِيْنَ ۙ

উচ্চারণ: ক্বুল ইন্না সালা-তী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়া-ইয়া ওয়া মামা-তী লিল্লা-হি রব্বিল ‘আ-লামীন।

অর্থ: "বলে দাও, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানি (যাবতীয় ইবাদত), আমার জীবন ও আমার মরণ সবই জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।" (সূরা আল-আন‘আম: ১৬২)

এই আয়াতটি পড়ার সময় আপনার মনের মধ্যে দৃঢ়ভাবে এই নিয়ত রাখবেন যে, "হে আল্লাহ! শয়তানের নামে উৎসর্গ করার মাধ্যমে আমার ওপর যে জাদু করা হয়েছে বা আজ নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে, এই পবিত্র আয়াতের বরকতে আপনি তা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট ও বাতিল করে দিন।" এই আয়াতটি জাদুর বিরুদ্ধে সরাসরি অ্যান্টি-ডোট (Anti-dote) বা প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।

তিলাওয়াত শেষ হলে আপনার সামনে রাখা বিশুদ্ধ খাবার পানি ও অলিভ অয়েলের বোতলে বারবার ফুঁ দিয়ে রুকইয়াহর পানি ও তেল প্রস্তুত করুন। শরীরের যে সকল স্থানে আপনি ব্যথা, যন্ত্রণা, সুই ফোটার মতো অনুভূতি বা জ্বালাপোড়া অনুভব করছেন, সেখানে এই রুকইয়াহ করা অলিভ অয়েল আলতোভাবে, প্রয়োজনে একটু প্রেশার দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ইনশাআল্লাহ, এতে দ্রুত উপশম হবে। আর রুকইয়াহর পানিটা সারাদিন কিছুক্ষণ পরপর অল্প অল্প করে পান করতে থাকুন।

যদি শারীরিকভাবে সম্ভব হয় এবং আপনি ভয় না পান, তবে আপনার কুরবানির পশু জবাই করার দৃশ্যটি স্বচক্ষে দেখার চেষ্টা করুন। এটি শয়তানের নামে উৎসর্গ করা পশুর মাধ্যমে যে জাদু করা হয়, তার বিপরীতে আল্লাহর নামে কুরবানির প্রতি আপনার একনিষ্ঠতা ও তাওহীদের একটি জীবন্ত সাক্ষ্য বহন করবে। জবাইয়ের সময় বেশি বেশি তাকবীর পড়ুন এবং এই মাসনুন দুআটি পাঠ করুন:

بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা, আল্লাহুম্মা তাকাব্বাল মিন্নি।

অর্থ: "আল্লাহর নামে, আল্লাহ সবচেয়ে মহান। হে আল্লাহ! এটি আপনার পক্ষ থেকে এবং আপনার জন্য। হে আল্লাহ! আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন।" (সহীহ মুসলিম: ১৯৬৭)

জবাই চলাকালীন সময়ে যখন পশুর রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে, তখন আপনি মনে মনে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন, "হে আল্লাহ! যেভাবে আপনার সন্তুষ্টির জন্য এই পশুর রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, আপনি ঠিক সেভাবেই আমার শরীর থেকে জাদুর প্রতিটি কণা, প্রতিটি গিট, বিষক্রিয়া এবং আমাকে কষ্ট দেওয়া জিন-শয়তানকে চিরতরে বের করে দিন।"

জবাই দেখা বা বরকতের নিয়তে কুরবানির মাংস খাওয়ার পর যদি আপনার পুরোনো সমস্যা হঠাৎ বেড়ে যায়, নতুন করে অস্বস্তি শুরু হয় বা মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে মোটেও ঘাবড়াবেন না। এটি মূলত জাদু নষ্ট হওয়ার পূর্বলক্ষণ। এমন পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে সূরা আনআমের ওই ১৬২ নং আয়াতটি তিলাওয়াত করতে থাকুন, শরীরে রুকইয়াহ করা তেল ম্যাসাজ করুন এবং রুকইয়াহর পানি বেশি পরিমাণে পান করতে থাকুন। যতক্ষণ পর্যন্ত না জাদুর প্রভাবে সৃষ্ট এই প্রতিক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত হচ্ছে, ততক্ষণ ধৈর্য ধরে এই আমল চালিয়ে যান। ইনশাআল্লাহ, কিছুক্ষণের মধ্যেই সমস্যা শান্ত হয়ে আসবে।

কুরবানির যাবতীয় কাজ শেষে আপনার তৈরি করা রুকইয়াহর পানি অথবা আরাফার দিনে যদি কোনো পড়া পানি তৈরি করে থাকেন, তা দিয়ে ভালোভাবে গোসল করে নিন। সম্ভব হলে গোসলের পানিতে ৭টি বরই পাতা বেটে বা ব্লেন্ড করে মেশাবেন। তবে বরই পাতা সংগ্রহে না থাকলে শুধু রুকইয়াহর পানি দিয়েই গোসল করবেন। গোসলের সময় দৃঢ়ভাবে নিয়ত করবেন যেন জাদুর প্রভাব এবং জিন-শয়তানের আছর এই পবিত্র পানির উসিলায় আপনার শরীর থেকে ধুয়ে মুছে একদম পরিষ্কার হয়ে যায় এবং গোসলের পানির সাথে তা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

ঈদের দিন থেকে শুরু করে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রতিটি ফরজ সালাতের পর তাকবীরে তাশরিক পড়া আমাদের ওপর ওয়াজিব। জিন-জাদুতে আক্রান্ত একজন রোগীর জন্য এটি কেবল একটি ওয়াজিব আমলই নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী অতিরিক্ত সুরক্ষা বলয়। তাকবীরের শব্দে জিন ও শয়তান প্রচণ্ড কষ্ট পায়, কারণ "আল্লাহু আকবার" হলো আল্লাহর বড়ত্বের এমন এক অকাট্য ঘোষণা, যা কোনো শয়তান সহ্য করতে পারে না।

পাশাপাশি কুরবানির মাংস তিন ভাগ করে গরিব ও মিসকিনদের যে অংশটি দেবেন, তা শুধু মাংস বিতরণ হিসেবে নয়, বরং নিজের সুস্থতা ও শিফার (আরোগ্য) নিয়তে সাদাকাহ হিসেবে প্রদান করবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

دَاوُوا مَرْضَاكُمْ بِالصَّدَقَةِ

"তোমরা তোমাদের রোগীদের সাদাকাহ দ্বারা চিকিৎসা করো।" (তাবারানী, আলবানী হাসান বলেছেন)

আরেকটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরি। আমাদের দেশের কিছু এলাকায় কুরবানির পশুর চামড়া ও হাড় দিয়ে জাদু করার জঘন্য শয়তানি কালচার প্রচলিত রয়েছে। তাই আপনার কুরবানির পশুর চামড়া ও হাড় যেন অপরিচিত বা সন্দেহজনক কারো হাতে না যায়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন। চামড়া বিক্রি করলে পরিচিত ও বিশ্বস্ত ক্রেতার কাছে বিক্রি করবেন অথবা কোনো বিশ্বস্ত মাদরাসা বা ইসলামী প্রতিষ্ঠানে দান করবেন। আর হাড় যত্রতত্র না ফেলে যথাযথভাবে পরিষ্কার জায়গায় বা মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করবেন।

সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটি মনে রাখতে হবে তা হলো— ঈদের আনন্দ বা ব্যস্ততার অজুহাতে নিজের দৈনন্দিন আমল ও রুকইয়াহ কোনোভাবেই ছেড়ে দেবেন না। ভুক্তভোগী রোগীদের পতনের সবচেয়ে বড় কারণ হলো এটিই। ঈদের এই আনন্দের দিনগুলোতে মানুষ সাধারণত আমল থেকে দূরে সরে যায় এবং এক ধরনের উদাসীনতায় ভোগে। আর শয়তান ঠিক এই সুযোগটির অপেক্ষাতেই থাকে। আপনি যদি ঈদের এই সময়ে এসে অসতর্ক হন, তবে আপনি ঠিক সেই ফাঁদেই পা দেবেন যেটা শয়তান চায়।

তাই কুরবানির দিন থেকেই আপনার সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার, ঘরে সূরা বাকারাহর অডিও শোনা, রুকইয়াহর পানি পান করা এবং রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস) পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে বুলিয়ে নেওয়া— এই আমলগুলো কঠোরভাবে চালু রাখুন।

ইখলাস, একনিষ্ঠতা ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখে এই রুকইয়াহ ও আমলগুলো চালিয়ে গেলে, আশা করা যায় শক্তিশালী জাদুগুলোও আল্লাহর হুকুমে চিরতরে ধ্বংস হয়ে যাবে বি-ইযনিল্লাহ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের কুরবানি কবুল করুন এবং আমাদের সকলকে সকল প্রকার জিন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব থেকে পূর্ণ সুস্থতা ও সুরক্ষা দান করুন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামিন।
✍️Raqi Abdul Malek

Address

Saddma Market Matuail Demra Dhaka
Matuail
1236

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Inaya Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share