19/08/2020
করোনায় দাঁত-মুখের যত্ন🦷🦷🦷
👉প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ভয়াল তাণ্ডবে যেন ভেঙেচু্রে যাচ্ছে আমাদের পৃথিবী। এই মরণব্যাধির বিষাক্ত ছোবলে প্রতিদিনই যেভাবে দেশে হাজার জনের সংক্রমণের খবর আসছে, এতে সবাই রয়েছি শঙ্কায়।এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ অসুস্থতা অনেককে আরও বিড়ম্বনায় ফেলছে তাই মাস্ক, স্যানিটাইজার সামাজিক দূরত্ব-এসব মেনে চলার পাশাপাশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ঠেকাতে দাঁত-মুখেরও নিতে হবে বিশেষ যত্ন।
👉এই সময় দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কিছু পরামর্শ ।
১. করোনাকালীন এই সময় যেহেতু বাড়িতেই বেশি সময় থাকছেন এজন্য দাঁত ভালো রাখতে সারাদিন কী খাচ্ছেন সে ব্যাপারে যত্নবান হোন।
২. সুস্থ দাঁতের জন্য দিনে দুবার ব্রাশ করুন।
৩. দাঁতের ফাঁক থেকে ময়লা খাদ্যকণা বের করে আনার জন্য ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা উচিত। বিছানার যাওয়ার আগে দিনে অন্তত একবার ফ্লস করতে ভুলবেন না।
৪. সকালে এবং রাতে হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলিকুচি করতে পারে।
৫. দাঁতে ফাটল হতে পারে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। যেমন- বোতল বা চুলের পিন খুলতে দাঁত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. পরিষ্কার আঙুল দিয়ে দুই মিনিট ব্রাশ করার পরে মাড়ি ম্যাসাজ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে।
৭. সকালে এবং রাতে জিহ্বা পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। অনেক ওষুধের দোকানে জিহ্বা ক্লিনার পাওয়া যায়। এটা ব্যবহার করে জিহ্বা পরিষ্কার করতে পারেন। এতে মুখের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে। সেই সঙ্গে দুর্গন্ধজনিত সমস্যা কমে যাবে।
৮. দাঁতের মধ্যে আটকে থাকা খাবার সরাতে কখনই টুথ পিক বা পিন ব্যবহার করবেন । এতে মাড়ির ক্ষতি হতে পারে। বরং ব্রাশ করে এবং ফ্লস করে তা পরিষ্কারের চেষ্টা করুন।
৯. শিশু ও বয়স্কদের দাঁতের সুরক্ষায় বেশি যত্নবান হতে হবে।
১০. মাড়ি ফুলে গেলে হালকা গরম পানিতে লবন দিয়ে কুলি করতে পারেন।
১১. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। ফাস্ট ফুড, অ্যালকোহল, সোডা, চকলেট, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।
* অন্য সময়গুলোতে একটি ব্রাশ তিন-চার মাস ব্যবহার করলেও এই করোনা কালে সম্ভব হলে প্রতিমাসে ব্রাশ বদলে নিন।
* অনেকেরই অভ্যাস দাঁত দিয়ে নখ কাটা, এটি হতে পারে বড় ক্ষতির কারণ।
* দাঁত মাজার আগে ব্রাশটি ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
* খাবার আগে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ও মুখ ধুয়ে নিন।
* হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে গার্গল করুন দিনে অন্তত তিন বার।
* থুতু, কফ থেকেও সংক্রমণ হতে পারে। তাই যেখানে সেখানে থুতু, কফ ফেলবেন না।
* প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করুন, খাবারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
* টাটকা শাক-সবজি ও দেশি ফল খান নিয়মিত।
এছাড়াও জিভের স্বাদ ও গন্ধের বোধ কমে যাওয়া বা দাঁতে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে, অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।