Kamalganj Physiotherapy Centre কমলগঞ্জ ফিজিওথেরাপি সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Maulvi Bazar
  • Kamalganj Physiotherapy Centre কমলগঞ্জ ফিজিওথেরাপি সেন্টার

Kamalganj Physiotherapy Centre কমলগঞ্জ ফিজিওথেরাপি সেন্টার Shipon Sinha,
Chairman Of Kamalganj Physiotherapy Center,
Kamalganj, Moulvibazar Physiotherapy Service and Rehabilitation

28/02/2026

মায়ের দুধ শুধু খাবার নয় — এটি প্রকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী জীবনরক্ষাকারী উপহার।
এই প্রামাণ্যচিত্রে আমরা বৈজ্ঞানিকভাবে দেখেছি কীভাবে একজন মায়ের শরীরে স্তন্যদুগ্ধ তৈরি হয়। গর্ভাবস্থায় ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন ও প্রোল্যাক্টিন হরমোনের পরিবর্তন থেকে শুরু করে সন্তান জন্মের পর অক্সিটোসিনের সক্রিয়তা এবং শক্তিশালী “লেট-ডাউন রিফ্লেক্স” — প্রতিটি ধাপ এখানে বাস্তবসম্মত ও বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
জানুন কীভাবে স্তনের অ্যালভিওলাই দুধ উৎপাদন করে, কীভাবে পুষ্টি উপাদান রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে পৌঁছে যায়, এবং কেন কলোস্ট্রামকে নবজাতকের প্রথম টিকা বলা হয়।
এই শিক্ষামূলক মেডিকেল ডকুমেন্টারিতে স্তন্যপানের চাহিদা-ও-যোগান (ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাই) প্রক্রিয়ার বিস্ময়কর বিজ্ঞান এবং মা ও শিশুর গভীর আবেগীয় বন্ধনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তুলে ধরা হয়েছে।
⚠️ সতর্কীকরণ: এই ভিডিওটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি, এটি কোনো চিকিৎসা নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।
Music: 'Last And First Light' by Scott Buckley - released under CC-BY 4 0

25/02/2026

ডোপামিন এর ক্রিয়া, আমাদের মস্তিষ্কে যে ডোপামিন নামে যে হরমোন আছে তা কিভাবে কাজ করে, এই ভিডিও টা দেখলে বুঝতে পারবেন। আশা করি ভিডিও টা সবাই উপকৃত পাবেন।

জোঁক বনাম লবণ — রসায়নের এক বাস্তব যু*দ্ধ!জানেন কি, জোঁকের শরীরে লবণ ছিটালে কেন সে কুঁকড়ে যায় বা মা*রা যায়? এর পেছনে লুক...
19/10/2025

জোঁক বনাম লবণ — রসায়নের এক বাস্তব যু*দ্ধ!

জানেন কি, জোঁকের শরীরে লবণ ছিটালে কেন সে কুঁকড়ে যায় বা মা*রা যায়? এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক আশ্চর্য রসায়ন—অসমোসিস (Osmosis) প্রক্রিয়া।

জোক একটি জলজ প্রাণী, যার শরীরের ভেতর পানির পরিমাণ অনেক বেশি (এই জন্যই জোঁককে হাতে স্পর্শ করলে অনেক নরম লাগে) এবং লবণের ঘনত্ব কম। যখন এর গায়ে NaCl বা সাধারণ লবণ ছিটানো হয়, তখন লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে Na⁺ এবং Cl⁻ আয়নে বিভক্ত হয়। এই আয়নগুলো চারপাশের দ্রবণের ঘনত্ব অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে জোকের শরীরের কোষের ভেতরে থাকা পানি বাইরে চলে যায়, কারণ পানি সবসময় কম ঘন দ্রবণ থেকে বেশি ঘন দ্রবণের দিকে যায়—এটাই অসমোসিসের মূল রাসায়নিক নীতি।

এর ফলে জোকের কোষগুলো তাদের ভেতরের পানি হারিয়ে ফেলে, কোষের ভেতরের চাপ কমে যায়, এবং পুরো দেহ শুকিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত কোষগুলো সঙ্কুচিত হয়ে ফেটে যায়, আর জোক মারা যায়।

এই প্রক্রিয়াটি কোনো বিষক্রিয়া নয়, বরং এক নিখাদ রাসায়নিক ভারসাম্য পরিবর্তন মাএ। রসায়নের এই মৌলিক নীতি শুধু জোকের মৃত্যুতেই সীমাবদ্ধ নয়, একই নীতি ব্যবহার করা হয় খাবার সংরক্ষণে—যেমন মাছ বা আচার শুকানোর সময় লবণ ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করা হয়। তাই দেখা যায়, লবণ শুধু রান্নাঘরের উপাদান নয়, এটি জীববিজ্ঞান ও রসায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা প্রকৃতির ভারসাম্য ও জীবনের রসায়ন বোঝাতে সাহায্য করে।

Post courtesy :Mahadi anwar Patuary

ভেকসিন বা টিকা সম্পর্কে রিউমার অনেক সময় ভয়ের কারণে ছড়িয়ে পড়ে — তবে অনেকটা “ভয়-ভীতি” ও ভুল তথ্যেই সে রিউমার গড়ে ওঠে। নিচে...
16/10/2025

ভেকসিন বা টিকা সম্পর্কে রিউমার অনেক সময় ভয়ের কারণে ছড়িয়ে পড়ে — তবে অনেকটা “ভয়-ভীতি” ও ভুল তথ্যেই সে রিউমার গড়ে ওঠে। নিচে ভারসাম্যপূর্ণ তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হলো – আপনি দেখতে পারবেন কোন রিউমারগুলোর ভিতর সত্য কতটা আছে:

✅ যেসব বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে

1. নতুন টাইফয়েড কনজুগেট টিকা (TCV) নিরাপদ ও কার্যকর

বেশ কয়েকটি ক্লিনিক্যাল গবেষণা দেখিয়েছে Typbar‐TCV নামে একটি কনজুগেট টাইফয়েড ভেকসিন ৯ মাস থেকে ১৬ বছরের শিশুদের মধ্যে নিরাপদ ও কার্যকর — ৭৮ % থেকে ৮৫ % পর্যন্ত সুরক্ষা প্রদান করেছে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে কি–DT (Vi-DT) নামে একটি নতুন ভেরিয়েন্ট ও TCV-র তুলনায় “non-inferior” অর্থাৎ কম নয়, যার মাইগ্রেশন রূপে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রায় সমান।

টিকা প্রয়োগের পর ১৪ দিন পর্যবেক্ষণ করলে কোন মৃত্যু, স্থায়ী অক্ষমতা বা গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (hospitalization) পাওয়া যায়নি — সর্বেশেষ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত হালকা জ্বর বা টিকাস্থল পেড়ে যাওয়া ছিল।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) নির্দেশ দিয়ে আছে যে, কনজুগেট টাইফয়েড ভেকসিন (Vi conjugate) বিভিন্ন দেশের শিশু টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

2. সল্প মেয়াদে সুরক্ষা কমে যেতে পারে – কিন্তু টিকা এখনও প্রয়োজন

একাধিক দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ গবেষণা দেখাচ্ছে যে টিকার সুরক্ষা ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে ৩–৫ বছরের মধ্যে, বিশেষভাবে যারা কম বয়সে টিকা পায় তাদের মধ্যে।

তবে এমন সুরক্ষা হ্রাস হওয়া সত্ত্বেও, টিকা যেসব মানুষ পায় তাদের মধ্যে অসংখ্য ক্ষেত্রে সংক্রমণ ও জটিলতা (complications) অনেক কম হয়।

3. ভেকসিন রিজিসট্যান্ট টাইফয়েড সংক্রমণের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

বাংলাদেশে ও অন্যান্য দেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী (drug-resistant) স্যালমোনেলা টাইফি জীবাণু পাওয়া যাচ্ছে, যার চিকিৎসা অত্যন্ত কঠিন ও ব্যয়বহুল। ফলে টিকা প্রয়োগ দ্বারা সংক্রমণ প্রতিরোধের গুরুত্ব আরও বাড়ে।

বাংলাদেশ ২০২৫ সালে ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) শিশুদের মধ্যে জাতীয়ভাবে এই টাইফয়েড টিকা প্রচার শুরু করেছে, এবং ইতিমধ্যে বলা হয়েছে “ভেকসিন নিরাপদ, বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি”।

❓ যেসব রিউমার বা ভিন্নমত–বিশ্বাস আছে — এবং তার ব্যাখ্যা

নিচে কিছু সাধারণ রিউমার ও ভুল ধারণা এবং সেগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:

রিউমার / ভুল ধারণা সত্যতা ও ব্যাখ্যা

“টিকা শরীরে বড় ক্ষতির কারণ হবে” কঠিন প্রমাণ নেই। যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে, সেগুলো সাধারণত হালকা (টিকাস্থল ব্যথা, জ্বর)
“টিকা দিয়ে সম্পূর্ণ ১০ বছর সুরক্ষা পাওয়া যাবে” গবেষণা এমনটা দেখায় না; সুরক্ষা ধীরে ধীরে কমতে পারে ৩–৫ বছরে।
“যারা আগে সংক্রমিত হয়েছিল, তাদের টিকা প্রয়োজন নেই” ভুল ধারণা — পূর্ব সংক্রমণ সব সময় দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ তৈরি করে না, তাই টিকা এখনও দরকার হতে পারে
“এটা সরকার ব্যবসা করছে / ভ্যাকসিন দিয়ে মানুষের ওপর পরীক্ষা চলছে” যদিও নতুন ভ্যাকসিন পরীক্ষা চলতে পারে, অনুমোদিত ও বৈজ্ঞানিক গবেষণামূলক ধাপ পার হয়েছে — অর্থাৎ কী-ডিটি, টাইপবার TCV ইত্যাদি ভ্যাকসিন অনুমোদিত হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হচ্ছে।

🔍 আমার মতামত ও সুপারিশ

রিউমারগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই ভিত্তিহীন বা অতিরঞ্জিত — টিকা নিয়ে ভয়ের চেয়ে তথ্য-ভিত্তিক বিশ্লেষণ জরুরি।

যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে, সেগুলো সাধারণ ও সাময়িক — ক্ষমতার বাইরে বড় ক্ষতি করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আপনার যদি সন্দেহ থাকে (যেমন শিশু প্রতিবেদকের জন্য বা কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে)– তাহলে আপনার স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পেডিয়াট্রিশিয়ান বা রোগতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ সঙ্গে কথা বলাই উত্তম।

রিউমার শোনলে — প্রথমে প্রশ্ন করুন: “এই তথ্যের উৎস কী?”, “ক্লিনিক্যাল গবেষণা করে কি দেখিয়েছে?” — কারণ অনেক রিউমার সোশ্যাল মিডিয়া বা জনমুখে ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভিত্তি থাকে না।

09/09/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ ...
01/09/2025

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়। দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়।
কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়।
ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে,নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়।
মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়।
17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে।
60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না।
90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়।
এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়।
আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।
অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন -
মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়?
সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়।
মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে?
মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।
5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়।
এটাই বাস্তবতা, যেটাকে অস্বীকার করার কোন কারণ নেই। ধন্যবাদ সবাইকে, পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন।।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোথাও গরমে , ডায়রিয়ায় মোট কথা পানিশূন্যতা হলে ডাবের পানি খাইতে হবে, কোথাও লিখা নাই। একটা ডাবে ১০০-১৫০ ...
31/08/2025

চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোথাও গরমে , ডায়রিয়ায় মোট কথা পানিশূন্যতা হলে ডাবের পানি খাইতে হবে, কোথাও লিখা নাই। একটা ডাবে ১০০-১৫০ টাকা দিয়ে কিনে খাওয়ার মতো পুষ্টি উপাদান কিছুই নেই।
এর চেয়ে আধা লিটার বিশুদ্ধ পানিতে একটা ৫ টাকার স্যালাইন খাওয়া রিহাইড্রেশন এর জন্য উপকারী, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ।
শখ করে ডাব খান। সেন্টমার্টিন কক্সবাজার যেয়ে খান। কিন্তু অসুস্থতায় এটাকে ঔষধ বানানোর কিছু নাই।আমাদের এই হুজুগ সাপ্লাই আর ডিমান্ড এর দফারফা করে, ডাবের দাম আকাশে তুলে দিয়েছে। অথচ ডাবের পানিতে অতিরিক্ত পরিমাণে পটাশিয়াম শিশুদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এটা কিডনি রোগী এবং হার্টের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হত পারে ।
অন্যদিকে খাবার স্যালাইন বানানো হয় মানবশরীর প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এর অনুপাত বুঝে, ঠিক রেখে।যা কয়েকগুণ দ্রুত শরীরের পানি শূন্যতা দুর করে।
ডায়রিয়া, জ্বর পানিশূন্যতায় খাবার স্যালাইন খান খাওয়ান। ডাব নয়......
সবাই সচেতন হোন ✅✅🌷🌷🌹🌹
Post credit :Prime Physiotherapy centre, Dhaka

30/08/2025

Good Night Everyone ✅✅💤💤

কোমড় ব্যথার জন্য সঠিক পরামর্শ। ✅✅🌻🌻   ゚
30/08/2025

কোমড় ব্যথার জন্য সঠিক পরামর্শ। ✅✅🌻🌻

Address

Maulvi Bazar
3221

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:29
Tuesday 09:00 - 18:30
Wednesday 09:00 - 18:30
Thursday 09:00 - 18:29
Saturday 09:00 - 18:30
Sunday 09:00 - 18:30

Telephone

+8801815981717

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kamalganj Physiotherapy Centre কমলগঞ্জ ফিজিওথেরাপি সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Kamalganj Physiotherapy Centre কমলগঞ্জ ফিজিওথেরাপি সেন্টার:

Shortcuts

Share