চিকিৎসা বিজ্ঞান

চিকিৎসা বিজ্ঞান Medical Equipments

27/09/2022
রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য জরুরি। এই জরুরি কাজটিই স্রেফ এক ফোঁটা রক্ত ব্যবহারে জানা যায়...
21/11/2021

রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য জরুরি। এই জরুরি কাজটিই স্রেফ এক ফোঁটা রক্ত ব্যবহারে জানা যায়। সে জন্য প্রয়োজন হয় গ্লুকোমিটার নামের যন্ত্রটি। গ্লুকোমিটার থাকলে সহজে ঘরে বসে নিজেই কাজটি করতে পারেন আক্রান্ত রোগী। যন্ত্রটি হাতের কাছে রাখা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও জটিলতা প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

1. Blood Glucose Meter
Brand: MediTop
Category: Glucose and Blood pressure Monitor

2.Blood Glucose Test Strips
Brand: MediTop
Category: Glucose and Blood pressure Monitor

রক্তের গ্লুকোজ কখন মাপবেনবাড়িতে গ্লুকোমিটার দিয়ে সপ্তাহে বা দিনে কতবার রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে, তা নির্ভর করে ডা...
21/11/2021

রক্তের গ্লুকোজ কখন মাপবেন
বাড়িতে গ্লুকোমিটার দিয়ে সপ্তাহে বা দিনে কতবার রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে, তা নির্ভর করে ডায়াবেটিসের ধরন, কী ধরনের চিকিৎসা পাচ্ছেন এবং অন্য কোনো অসুস্থতা আছে কি না, তার ওপর।

টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দিনে ৪ থেকে ১০ বার (খাওয়ার ও নাশতার আগে, ব্যায়ামের আগে ও পরে, ঘুমানোর আগে এবং কখনো কখনো শেষ রাতে) পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগী যাঁরা ইনসুলিন নিচ্ছেন, তাঁদের সপ্তাহে কমপক্ষে তিন-চার দিন। এটা বিভিন্ন সময়ে পরীক্ষা করা যেতে পারে। কোনো দিন সকালের নাশতার আগে ও পরে, এক দিন দুপুরের খাবারের আগে ও পরে, অন্য দিন রাতের খাবারের আগে ও পরে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগী যাঁরা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও মুখে খাবার ওষুধ পাচ্ছেন, এমন রোগীদের ক্ষেত্রে শুধু যাঁরা সালফনাইল ইউরিয়া (গ্লিক্লাজাইড, গ্লিমেপিরাইড) গ্রহণ করছেন, তাঁদের সপ্তাহে তিন-চার দিন (সকালে নাশতার আগে-পরে, দুপুর ও রাতে খাওয়ার পর) পরীক্ষা করার প্রয়োজন। অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে গ্লুকোমিটারে রক্তের পরীক্ষা আবশ্যক নয়, তবে সপ্তাহে এক দিন সকালে অভুক্ত অবস্থায় এবং যে বেলায় সাধারণত বেশি খাওয়া হয়, তারপর গ্লুকোজ মাপা উচিত।

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস থাকলে সপ্তাহে অন্তত এক দিন সকালের নাশতার আগে-পরে, দুপুর ও রাতে খাওয়ার পর গ্লুকোজ মাপতে হবে।

তবে ডায়াবেটিস খুবই অনিয়ন্ত্রিত থাকলে, অন্য কোনো অসুস্থতা যেমন-জ্বর, ডায়রিয়া ইত্যাদি থাকলে, কোনো কারণে স্বাভাবিক রুটিনের ব্যত্যয় ঘটলে, ডায়াবেটিসের নতুন কোনো ওষুধ শুরু করলে আরও ঘন ঘন পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে। রক্তে গ্লুকোজ-স্বল্পতার (হাইপোগ্লাইসেমিয়া) কোনো উপসর্গ দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষা করতে হবে।

Bionime GM-700SB Blood Glucose Monitoring System

Brand:Non Brand

21/11/2021

ডায়াবেটিসের একজন রোগীর অব্যাহতভাবে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ জরুরি। কত থাকলে তাকে ভালো বলা যায়? খাওয়ার আগে প্রতি লিটারে ৪.২-৭.২ মিলিমোল এবং খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর ১০ মিলিমোলের নিচে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা রাখা উচিত। তবে বয়স, অন্যান্য অসুখ, ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা, গর্ভাবস্থা এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে রক্তে গ্লুকোজের লক্ষ্যমাত্রা ভিন্নতর হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে নিতে হবে।

কোনো কোনো গ্লুকোমিটার মিলিগ্রাম এককে গ্লুকোজের ফলাফল দেয়, এ ক্ষেত্রে এই মাত্রাকে ১৮ দিয়ে ভাগ করলে মিলিমোল এককে ফলাফল পাওয়া যাবে।

ডিজিটাল ওয়েট মেশিন কিনুন বাংলাদেশের সেরা দামে:ঢাকা শহরের মধ্যে আপনি  শরীরের ওজন মাপার মেশিনের দাম যদি এসকল ওজন মেশিন সং...
20/11/2021

ডিজিটাল ওয়েট মেশিন কিনুন বাংলাদেশের সেরা দামে:

ঢাকা শহরের মধ্যে আপনি শরীরের ওজন মাপার মেশিনের দাম যদি এসকল ওজন মেশিন সংগ্রহ করতে চান তাহলে আপনি খুব দ্রুতই এগুলো পেয়ে যাবেন মাত্র 48 ঘন্টা অর্ডার করার মধ্যেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার হাতে এবং ডেলিভারি চার্জ করবে মাত্র 50 টাকায় আজই সংগ্রহ করতে পারেন একটি ওজন মেশিন।

স্বাস্থ্যের সঠিক পরিমাপ, পরিচর্যা, নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনায় ওয়েট মেশিনের ব্যবহার:ওয়েট মেশিন হচ্ছে শরীরের ওজন মাপার যন্ত্র...
20/11/2021

স্বাস্থ্যের সঠিক পরিমাপ, পরিচর্যা, নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনায় ওয়েট মেশিনের ব্যবহার:
ওয়েট মেশিন হচ্ছে শরীরের ওজন মাপার যন্ত্র। আর স্বাস্থ্য সচেতনতায় শরীরের ওজন মাপার যন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই শরীরের ওজন মাপার যন্ত্রের উপর দাঁড়ালে, তা মানুষের ওজন সরাসরি অথবা কাঁটার মাধ্যমে প্রদর্শন করে। ওয়েট মেশিন অথবা ওজন মাপার যন্ত্র ব্যবহারে সহজবিধায় যে কেউ তার ওজন সহজে নির্ণয় করতে পারে। যারা শরীরচর্চা নিয়ে সচেতন, তাদের জন্য এটি একটি অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্র। এতে তারা পুষ্টি, খাদ্য গ্রহণ এবং কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতার দিক বিবেচনা করে ওজন পরিমাপক যন্ত্র ডিজিটাল ফিচারসমুহ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এই আধুনিক ‌ওয়েট মেশিনে শুধু ওজন মাপা হয় তাই নয়, পাশাপাশি উচ্চতা ও ক্যালরি মাপা যায়। এগুলো মাঝারি সাইজের হয়ে থাকে এবং সহজে অপারেট করা যায়। এই ডিজিটাল ওয়েট মেশিন এর কিছু উপকারিতা আছে, তা নিম্নরূপ:
• ডিজিটাল ওয়েট মেশিন শরীরের ওজন সঠিক পরিমাপ দেখিয়ে, ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।
• সঠিক ওজন পরিমাপ জানতে পারার ফলে মানুষ আরো স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছে।
• ব্যায়াম অথবা শরীরচর্চার ফলাফল এই ডিজিটাল ওয়েট মেশিনের দ্বারা জানতে পারেন।
• ডিজিটাল ওয়েট মেশিন শরীরের ওজন সরাসরি এবং সঠিক দেখানোর ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ রেখে যে কেউ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারে। পাশাপাশি ক্যালরি ও উচ্চতার মাপ প্রতিনিয়ত খেয়াল রাখতে পারবেন।
তবে বর্তমানে এই ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল ওয়েট মেশিন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কিনতে পাওয়া যায়। ঘরে বসে আপনি আপনার পছন্দের ওয়েট মেশিনটি কিনতে পারবেন এই অনলাইন সাইট থেকে।

1.Beurer PS 240 Soft Grip Personal Scale
2. Healthscale Doctor Weight Machine
3. Newlife Digital Weight Scale Machine 180 Kg Max Capacity

ব্লাড প্রেশার মাপার সঠিক ও সহজ নিয়মরক্তচাপ নির্ণয় করার যন্ত্রকে ইংরেজিতে বলা হয় স্ফিগমোম্যানোমিটার (sphygmomanometer)...
07/11/2021

ব্লাড প্রেশার মাপার সঠিক ও সহজ নিয়ম
রক্তচাপ নির্ণয় করার যন্ত্রকে ইংরেজিতে বলা হয় স্ফিগমোম্যানোমিটার (sphygmomanometer)। বাজারে ডিজিটাল ও অ্যানালগ দুই ধরনের যন্ত্র পাওয়া যায়। এছাড়া একটি স্টেথেস্কোপও লাগবে। বাজারে ওমরন (omron), এএলপিকে2 (ALPK2) ইত্যাদি অনেক ডিজিটাল ব্লাড প্রেশারের মেশিন পাওয়া যায়।

07/11/2021

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী করবেন
জীবনযাপনে পরিবর্তন আর নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এজন্য কয়েকটি বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে:

খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া - লবণের সোডিয়াম রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়, ফলে রক্তের আয়তন ও চাপ বেড়ে যায়।
ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করা - ধূমপান শরীরে নানা ধরণের বিষাক্ত পদার্থের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ধমনী ও শিরার নানারকম রোগ-সহ হৃদরোগ দেখা দিতে পারে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ করা - শরীরের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে হৃদযন্ত্রের অতিরিক্ত পরিশ্রম হয়। বেশি ওজনের মানুষের মধ্যে সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা যায়।
নিয়মিত ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম করা - নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম করলে হৃৎপিণ্ড সবল থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কম করা - রাগ, উত্তেজনা, ভীতি অথবা মানসিক চাপের কারণেও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘসময় ধরে মানসিক চাপ অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হতে পারে।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা - মাংস, মাখন বা তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খেলে ওজন বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত কোলেস্টোরেল যুক্ত খাবার খাওয়ার কারণেও রক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। কারণ, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টোরেল রক্তনালীর দেয়াল মোটা ও শক্ত করে ফেলে। এর ফলেও উচ্চ রক্তচাপ দেখা যেতে পারে।
এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ হলে অতিরিক্ত কোলেস্টরেল জাতীয় খাবার পরিহার করে ফলমূল শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

কপালে হাত দিলেই টের পাওয়া যায় কারো জ্বর আছে কি না। হাতের পেছন দিয়ে কপাল ছুঁয়েও জ্বরের ধারণা মেলে। তবে জ্বর হয়েছে, এটা নি...
30/10/2021

কপালে হাত দিলেই টের পাওয়া যায় কারো জ্বর আছে কি না। হাতের পেছন দিয়ে কপাল ছুঁয়েও জ্বরের ধারণা মেলে। তবে জ্বর হয়েছে, এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য থার্মোমিটার দিয়ে মেপে দেখতে হয়। জ্বর মাপার জন্য বিভিন্ন রকম থার্মোমিটার বাজারে প্রচলিত আছে। শিশুর জ্বর তখনই বোঝাবে, যখন তাপমাত্রা নিম্নরূপ পাওয়া যাবে।

♦ পায়ুপথে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড)

♦ মুখে ৯৯.৫ ডিগ্রি ফা. (৩৭.৫ ডিগ্রি সে.)

♦ বগলে ৯৯ ডিগ্রি ফা. (৩৭.২ ডিগ্রি সে.) কিন্তু এই থার্মোমিটার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম রয়েছে।

নিয়মাবলিঃ

♦ প্রথমে থার্মোমিটারটি স্পিরিট বা সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে শুকনো কাপড়ে মুছে নিন। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে খেয়াল রাখুন, ভেতরে যেন পানি প্রবেশ না করে।

♦ সাধারণ থার্মোমিটার হলে পারদের অবস্থান দেখুন। যদি তা ৯৭ ডিগ্রির ওপরে থাকে, তবে জোরে ঝাঁকিয়ে পারদ নিচে নামিয়ে আনুন। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে সুইচে চাপ দিয়ে চালু করুন।

♦ থার্মোমিটারের গোড়া বগলের নিচে রেখে হাত শরীরের সঙ্গে মিশিয়ে দু-তিন মিনিট চেপে ধরুন। বড়দের বেলায় মুখের ভেতর জিহ্বার নিচে রেখে ঠোঁট দিয়ে চেপে রাখতে বলুন এক থেকে দুই মিনিট। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে মিউজিক বাজলে বের করুন। এবার তাপমাত্রা দেখুন।

♦ ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে ধুয়ে মুছে রাখুন।

আসছে শীতকালে লাগামহীন ভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা। আর তাই এই সময় সব বাড়িতেই অক্সিমিটার রাখ...
26/10/2021

আসছে শীতকালে লাগামহীন ভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা। আর তাই এই সময় সব বাড়িতেই অক্সিমিটার রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অক্সিমিটার দেখে অযথা প্যানিক করবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হবে। অনলাইন থেকে শুরু করে ওষুধের দোকান। শহরের এখন নতুন ট্রেন্ড হল পালস অক্সিমিটার। যেভাবে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে এবং সেই সঙ্গে হাসপাতালে বেড পেতে অসুবিধে হচ্ছে সেসব থেকে বাঁচতেই অক্সিমিটারের দিকে ঝুঁকেছে শহরবাসী। করোনার অন্যান্য উপসর্গ কেমন হতে পারে তা অনেকেই জেনে গিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় শরীরে অক্সিজেন কমে গেলে। তখন তড়িঘড়ি করে রোগীকে হাসপাতালে দিতেই হয়। নইলে প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারে। আমাদের দেশে যত সংখ্যক রোগী করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন সেই তুলনায় এখন ভেন্টিলেশন কম। যাঁদের তেমন উপসর্গ পাওয়া যাচ্ছে না, তাঁদের ক্ষেত্রে বাড়িতেই চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। তবে সবসময় ডাক্তাররা বলছেন অক্সিজেনের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখে নিতে। আর পালস অক্সিমিটার দিয়ে সহজেই অক্সিজেনের পরিমাণ জানা যায়।

এবার প্রশ্ন হল কি এই পালস অক্সিমিটার?

পালস অক্সিমিটার দেখতে অনেকটা জামাকাপড় শুকোতে দেওয়ার ক্লিপের মতো। একপ্রান্ত টিপে ধরে খোলা অংশ হাতের আঙুলে ঢুকিয়ে স্যুইচ অন করলেই শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা জেনে নেওয়া যায়। হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে এই অক্সিমিটার ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও সবাইকে বাড়িতেও কিনে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের অবস্থা বেশ গুরুতর তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় একটু বড় মেশিন। অন্তত দিনের ক্ষেত্রে তিন-চারবার পরীক্ষা করে দেখা হয়।
অনেক সময় শ্বাসকষ্ট হলেও রোগী চট করে বুঝতে পারেন না। বা কোভিড হলেই যে শ্বাসকষ্ট থাকবে এমনটা নয়। আর তাই শ্বাসকষ্টের ফলে শরীরে হঠাৎ করে অক্সিজেন কমে গেলে তাকে বলে হ্যাপি হাইপক্সিয়া। পালস অক্সিমিটারের সাহায্যে খুব সহজেই তা ধরে ফেলা যায়। যদি কোনও সমস্যা দেখা যায় তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। তবে অক্সিজেনের মাএা গড়বড় হলেই প্যানিক হতে হবে এরকম নয়।
অনেক চিকিৎসকই বলছেন অক্সিমিটার কেনার মানে ফালতু অপচয়। সবরকম নিয়ম মানলে কোভিড বাড়িতেই সেরে যায়। এখন সবাই সবসময় শুনছেন শ্বাসকষ্ট হতে পারে, অক্সিজেনের মাএা কমলেই বিপদ ফলে দেখা যাচ্ছে মাপতে গিয়ে অনেকেই ভয় পেয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন এই বঝি শ্বাসকষ্ শর হল। এখান থেকেও কিন্ত প্যানিক অ্যাটাক হচ্ছে। এই রোগটাকে নিয়ে অত ভয় পাবার কিছুই নেই। মানসিক কারণ জনিত শ্বাসকষ্ট হল আর আপনি ভাবলেন কোভিড, হাসাতালে গেলেন চিকিৎসার স্বার্থে... এতে কিন্ত ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি।

পালস অক্সিমিটার যেভাবে কাজ করেঃ

যাঁরা বাডিতে এখন পালস অক্সিমিটার কিনছেন তাঁরা সকলেই যে সাধারণ মানুষ তা ধরে নেওয়াই যায়। অক্সিমিটারে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ এর উপরে থাকা মানেই নিরাপদ। এবার অক্সিমিটার যে সবসময় ১০০ শতাংশ খাঁটি রেজাল্ট দেবে এমন নয়। তাই ৯৩ কিংবা ৯৪ দেখানো মানেই যে খুব কঠিন অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন এরকম ভাবার কোনও কারণ নেই। টেনশন আনতে দেবেন না মনের মধ্যে। কারণ যন্ত্র মাত্রই খারাপ হতে পারে। আর এই যন্ত্রে আপনার শরীরে যদি অক্সিজেন ১০০ শতাংশ থাকে তাহলে রং দেখায় লাল, কম হলে সেই লালচে রঙে বদল আসে মাত্র। এবার হাতে যদি নেলপলিশ থাকে তখন সেই রঙে আসতে পারে বদল। এসব দেখে আপনি অযথা চিন্তা বাড়ালেন, তাতে সুগার আর প্রেসার দুই বেড়ে গেল। এর ফল কিন্তু তখন খারাপ হতে পারে। কাজেই ভরসা রাখুন চিকিৎসকের উপর।

তবে শ্বাসকষ্ট যদি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায় তাহলে অবশ্যই হাসপাতালে যাবেন। এছাড়াও নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। কারণ এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা, তাতে সবই যে হাতের নাগালের মধ্যে রয়েছে এমনটা বলা যায় না। ফলে মহামারীর সময়ে সকলে যদি নিয়মিত নিজেদের অক্সিজেনের মাত্রা নিজেরাই দেখে রাখেন তাহলে তার থেকে কিছুটা হলেও রোগীকে রক্ষা করা যেতে পারে। আর যাঁদের বাড়িতে বয়স্ক ব্যক্তি আছেন, যাঁরা সুগার, প্রেসার, কিডনি, ক্যান্সারের মতো সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা অবশ্যই ঘরে একটা অক্সিমিটার এনে রাখুন।

24/07/2020

হার্ট অ্যাটাক’ আর ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ দুই ধরনের রোগ। এই দুইয়ের পার্থক্য বুঝতে হলে হার্ট অ্যাটাক আর কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সময়ে শরীরে ঠিক কী ঘটে, সেটা বোঝা জরুরি।
কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কী?
হৃৎপিণ্ড যখন হৃৎকম্পন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, তখন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। হৃৎপিণ্ডে হঠাৎ গোলযোগের ফলে এটি হয় এবং এর ফলে হার্টবিট অনিয়মিত হতে শুরু করে। হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে এর প্রাথমিক পার্থক্য এটাই যে হার্ট অ্যাটাকের সময় হৃৎপেশিতে রক্তসঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেলেও হার্টবিট থেমে যায় না।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর কী হয়?
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে যেহেতু হার্টবিট বন্ধ হয়ে যায়, তাই প্রথমেই মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং নাড়ির স্পন্দন পাওয়া যায় না। অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া না গেলে, এমনকি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার মানুষের মাত্র কয়েক মিনিটেই মৃত্যু হতে পারে।
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণ:
১. উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী ওষুধ ব্যবহার
২. হৃদ্‌রোগের ওষুধ সেবন
৩. কোনো কারণে হৃৎপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া
৪. অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন অথবা হৃৎকম্পনজনিত কোনো ধরনের সমস্যা

জরুরি কথা:
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঝুঁকি এড়াতে হৃৎপিণ্ডের নিয়মিত চেকআপ ও স্ক্রিনিং জরুরি। রোগীর জীবন বাঁচাতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের বেলায় রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন। জরুরি চিকিৎসার আগপর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) শুরু করতে হবে।

Address

Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চিকিৎসা বিজ্ঞান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category