Badrunnessa private hospital

Badrunnessa private hospital Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Badrunnessa private hospital, Islambag, Sreemongle Road, Moulvibazar, Moulvi Bazar.

21/07/2026
02/07/2026

আপেল সাইডার ভিনেগার কোনো জাদুকরী পানীয় নয়। এর কিছু সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল বেনিফিট যেমন আছে, তেমনি কিছু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে। চলুন চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে এর আদ্যোপান্ত জেনে নেওয়া যাক।

মেটাবলিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে যে কয়েকটি অর্গানিক উপাদান বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত, তার মধ্যে আপেল সাইডার ভিনেগার (ACV) অন্যতম শীর্ষস্থানীয়।

🔰🔰আপেল সাইডার ভিনেগার (ACV) আসলে কী?

আপেল সাইডার ভিনেগার মূলত আপেলের রসে ইস্ট (Yeast) এবং ব্যাকটেরিয়া মিশিয়ে ফারমেন্টেশন বা গাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় আপেলের শর্করা প্রথমে অ্যালকোহলে এবং পরে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে (CH3COOH) রূপান্তরিত হয়। এই অ্যাসিটিক অ্যাসিডই মূলত ভিনেগারের মূল কার্যকরী উপাদান।

সবচেয়ে ভালো মানের ভিনেগার হলো "র' এবং আনফিল্টারড" (Raw and Unfiltered) ভিনেগার, যার নিচে ঘোলাটে একটি আস্তরণ থাকে। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় "মাদার" (The Mother)। এই মাদারে থাকে প্রচুর পরিমাণে উপকারী প্রোবায়োটিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া), এনজাইম এবং প্রোটিন যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের (Gut Health) জন্য দারুণ উপকারী।

🔰🔰 কাদের আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়া উচিত?

যারা প্রাকৃতিকভাবে মেটাবলিজম ঠিক রাখতে চান বা নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন, তাদের জন্য ACV চমৎকার কাজ করে:

✔️ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং প্রি-ডায়াবেটিক রোগী:
গবেষণায় দেখা গেছে, শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ার পর আপেল সাইডার ভিনেগার পোস্টপ্রান্ডিয়াল গ্লাইসেমিয়া (খাবারের পর রক্তে শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি) কমাতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়, ফলে মেটাবলিক সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে এটি দারুণ কার্যকরী।

✔️ ওজন নিয়ন্ত্রণে আগ্রহীরা:
অ্যাসিটিক অ্যাসিড আমাদের পরিপাকতন্ত্রে গ্যাস্ট্রিক এম্পটিং (পাকস্থলী থেকে খাবার অন্ত্রে যাওয়ার প্রক্রিয়া) ধীর করে দেয়। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকার অনুভূতি হয় (Satiety) এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

✔️ হাইপোক্লোরহাইড্রিয়া (Hypochlorhydria) বা লো-স্টমাক অ্যাসিডের রোগী:
অনেকের পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবেই অ্যাসিডের পরিমাণ কম থাকে, ফলে প্রোটিন ঠিকমতো হজম হয় না এবং বদহজম হয়। খাওয়ার আগে পাতলা করা ACV খেলে পাকস্থলীর অ্যাসিডিক পরিবেশ উন্নত হয় এবং হজমপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

পিসিওএস (PCOS) আক্রান্ত নারী:
পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের মূল কারণগুলোর একটি হলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। যেহেতু ACV ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়, তাই এটি পরোক্ষভাবে হরমোনাল ব্যালেন্স ফেরাতে সাহায্য করে।

🔰🔰কাদের আপেল সাইডার ভিনেগার ভুলেও খাওয়া উচিত নয়?

কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় আপেল সাইডার ভিনেগার মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে:

✔️ পেপটিক আলসার ডিজিজ (PUD) ও তীব্র গ্যাস্ট্রিকের রোগী:
যাদের পাকস্থলী বা অন্ত্রে আলসার আছে, অথবা ইসোফ্যাগাসে (খাদ্যনালী) প্রদাহ বা GERD আছে, তাদের জন্য এটি বিষের সমতুল্য। অ্যাসিটিক অ্যাসিড আলসারের ক্ষত বা মিউকোসাল লাইনিংকে (পাকস্থলীর ভেতরের আবরণ) আরও পুড়িয়ে দিতে পারে।

✔️ ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) বা কিডনি ফেইলিউরের রোগী:
কিডনির অন্যতম কাজ হলো শরীরের অ্যাসিড-বেইজ ভারসাম্য (Acid-base balance) রক্ষা করা। কিডনি রোগীরা অতিরিক্ত অ্যাসিডিক খাবার শরীর থেকে বের করতে পারেন না। ফলে ACV খেলে রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

✔️ হাইপোক্যালেমিয়া (Hypokalemia) বা রক্তে পটাশিয়ামের ঘাটতি যাদের আছে:
অতিরিক্ত আপেল সাইডার ভিনেগার রক্ত থেকে পটাশিয়াম বের করে দেয়। পটাশিয়াম কমে গেলে হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা (Arrhythmia) এবং পেশিতে টান লাগার মতো মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

✔️ ডায়াবেটিক গ্যাস্ট্রোপেরেসিস (Diabetic Gastroparesis) রোগী:
দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকলে অনেকের পাকস্থলীর নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়, ফলে খাবার এমনিতেই দেরিতে হজম হয়। যেহেতু ACV গ্যাস্ট্রিক এম্পটিং আরও ধীর করে দেয়, তাই এই রোগীদের ক্ষেত্রে এটি বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা এবং বুক জ্বালাপোড়া বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

✔️ যারা নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবন করছেন:
যারা ডাইউরেটিকস (প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ যেমন: Furosemide) বা ইনসুলিন নিচ্ছেন, তারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ACV খাবেন না। কারণ ঔষধ এবং ভিনেগার একসঙ্গে রক্তে পটাশিয়াম বা সুগার বিপজ্জনক মাত্রায় কমিয়ে দিতে পারে।

🔰🔰খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

আপেল সাইডার ভিনেগার কখনোই সরাসরি বা কাঁচা খাওয়া যাবে না। এর উচ্চমাত্রার অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে দিতে পারে এবং খাদ্যনালীতে পুড়ে যাওয়ার মতো ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।

সঠিক পদ্ধতি:
✔️ ১ গ্লাস (২৫০-৩০০ মিলি) কুসুম গরম বা সাধারণ তাপমাত্রার পানিতে ১-২ চা চামচ (সর্বোচ্চ ১ টেবিল চামচ) আনফিল্টারড ACV মেশান।
✔️ দাঁতের সংস্পর্শ এড়াতে অবশ্যই স্ট্র (Straw) ব্যবহার করে পান করবেন।
✔️ খাওয়ার পরপরই সাধারণ পানি দিয়ে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ব্রাশ করবেন না, কারণ অ্যাসিডের কারণে এনামেল নরম থাকে, তখন ব্রাশ করলে দাঁত ক্ষয় হতে পারে।
✔️ সেরা ফলাফলের জন্য ভারী খাবার খাওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে পান করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন এবং পোস্টটি সবাই শেয়ার করে দিবেন যেন অন্যরা উপকৃত হতে পারে।

গর্ভাবস্তায় টিটেনাস ভেক্সিন :
22/06/2026

গর্ভাবস্তায় টিটেনাস ভেক্সিন :

12/06/2026

🤰 গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড: TSH একটু বাড়লেই কি ওষুধ লাগবে?

অনেক মা-ই থাইরয়েডের রিপোর্টে TSH একটু বেশি দেখলেই ভয় পেয়ে যান—"আমার কি এখন সারাজীবন ওষুধ খেতে হবে?" 🤔

✅ উত্তর হলো: সবসময় নয়।

📌 সহজ নিয়মে মনে রাখুন

🔹 TSH < 2.5 mIU/L ➡️ সাধারণত কোনো ওষুধের প্রয়োজন নেই।

🔹 TSH 2.5–4.0 mIU/L ➡️ এটি একটি "গ্রে জোন"। ➡️ সবার ওষুধ প্রয়োজন হয় না। ➡️ তবে Anti-TPO positive, বারবার গর্ভপাত বা IVF-এর ইতিহাস থাকলে চিকিৎসক ওষুধ বিবেচনা করতে পারেন।

🔹 TSH 4.0–10.0 mIU/L ➡️ গর্ভাবস্থায় সাধারণত Levothyroxine শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

🔹 TSH >10.0 mIU/L ➡️ দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা জরুরি।

👶 কেন এত গুরুত্ব?

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য মায়ের থাইরয়েড হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রয়োজন হলে চিকিৎসা নিতে হবে, আবার অপ্রয়োজনীয় ওষুধও খাওয়া উচিত নয়।

🤱 সন্তান জন্মের পর

অনেক ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার জন্য শুরু করা কম ডোজের থাইরয়েডের ওষুধ পরে কমানো বা বন্ধ করা যায়। তাই প্রসবের ৬–১২ সপ্তাহ পর TSH পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

❤️ মূল কথা

❌ TSH 2.8 মানেই আজীবন ওষুধ নয়।

❌ আবার TSH 6–8 থাকলেও অবহেলা করা ঠিক নয়।

✅ আতঙ্ক নয়, সঠিক পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এক্স রে তে কামড় দেওয়া আপেলের মতো যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটাই কোলন ক্যান্সার। প্রতিদিন আমরা কত কিছুই না খাই, কিন্তু শরীরের ছ...
03/06/2026

এক্স রে তে কামড় দেওয়া আপেলের মতো যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটাই কোলন ক্যান্সার। প্রতিদিন আমরা কত কিছুই না খাই, কিন্তু শরীরের ছোট ছোট সতর্কবার্তাগুলোকে গুরুত্ব দিই না।

দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য, পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন, রক্ত যাওয়া বা অকারণে ওজন কমে যাওয়া কখনও কখনও হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের নীরব সংকেত।

এই এক্স-রেতে দেখা যাচ্ছে বৃহদান্ত্রের একটি অংশ মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে গেছে, যেখানে ক্যান্সার স্বাভাবিক পথকে আটকে দিয়েছে।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যত দ্রুত ধরা পড়ে, চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি।

03/06/2026

⚠️ “ গর্ভাবস্তায় কখন পায়ে পানি আসা জরুরি বিপদের লক্ষণ? কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?”

প্রেগন্যান্সিতে পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া (Pregnancy Oedema) খুবই সাধারণ একটি বিষয়।
অনেক ক্ষেত্রে এটি শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনের অংশ। তবে কিছু পরিস্থিতিতে swelling হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

তাই একজন গর্ভবতী মায়ের জানা উচিত—কখন এটি স্বাভাবিক, আর কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

🚨 যেসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়

🔴 হঠাৎ করে মুখ, চোখের চারপাশ বা হাত ফুলে যাওয়া

🔴 স্বল্প সময়ের মধ্যে দ্রুত swelling বেড়ে যাওয়া

🔴 পায়ে পানি আসার সাথে উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) থাকা

🔴 তীব্র মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা বা আলো ঝলক দেখা

🔴 উপরের পেটে (বিশেষ করে ডান পাশে) ব্যথা বা অস্বস্তি

🔴 এক পা অন্য পায়ের তুলনায় অনেক বেশি ফুলে যাওয়া, ব্যথা বা লালচে ভাব থাকা

🔴 বেবির নড়াচড়া কমে যাওয়া

---

🩺 কেন এই লক্ষণগুলো গুরুত্বপূর্ণ?

কারণ এগুলো কখনো কখনো—

✔️ Preeclampsia (প্রি-এক্লাম্পসিয়া)
✔️ Deep Vein Thrombosis (DVT)
✔️ কিডনি বা অন্যান্য জটিলতার

প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষ করে Preeclampsia একটি গুরুতর গর্ভকালীন জটিলতা, যা মা ও বাচ্চা উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে যদি সময়মতো শনাক্ত না করা যায়।

---

🌸 মনে রাখবেন

✔️ দিনের শেষে দুই পায়ে সামান্য swelling অনেক সময় স্বাভাবিক

✔️ কিন্তু হঠাৎ, দ্রুত, অসমান বা অন্যান্য উপসর্গসহ swelling কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়

✔️ নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা, বেবির movement পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় follow-up scan নিরাপদ মাতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

---

🌿
Pregnancy oedema বা গর্ভাবস্থায় শরীরে পানি আসা সবসময় রোগ নয়, আবার সবসময় স্বাভাবিকও নয়।

কোন swelling স্বাভাবিক আর কোনটি বিপদের সংকেত—এই পার্থক্য জানা থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সচেতনতা, নিয়মিত চেকআপ এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ—এই তিনটিই মা ও বেবির নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। 🤍

02/06/2026

হার্ট_অ্যাটাক_হলে_তাৎক্ষণিক_করণীয়:

হার্ট অ্যাটাক (মেডিক্যালি: Myocardial Infarction) হলে প্রথম ১ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়কে “Golden Hour” বলা হয়। নিচে ধাপে ধাপে তাৎক্ষণিক করণীয় দেওয়া হলো—
🔴 হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাব্য লক্ষণ
বুকে চাপধরা/জ্বালাপোড়া/ভারী ব্যথা (২০ মিনিটের বেশি)
ব্যথা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়ানো
শ্বাসকষ্ট
ঠান্ডা ঘাম
বমি বমি ভাব বা বমি
অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

🚑 তাৎক্ষণিক করণীয় (Step by Step)
১️⃣ রোগীকে বসান বা শুইয়ে দিন
আধা-বসা (half-sitting) অবস্থায় রাখুন
টাইট জামা-কাপড় ঢিলা করুন
সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখুন
২️⃣ দ্রুত জরুরি সাহায্য ডাকুন
বাংলাদেশের জরুরি নম্বর: ৯৯৯
নিকটবর্তী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দ্রুত নেওয়ার ব্যবস্থা করুন
সম্ভব হলে কার্ডিয়াক সেন্টার (যেখানে PCI সুবিধা আছে) বেছে নিন
৩️⃣ লোডিং ডোজ খাওয়া
৩০০ mg Aspirin চিবিয়ে খেতে হবে( Ecosprin 75mg ৪টা ট্যাবলেট একসাথে)
৩০০ মিগ্রা Clopidogrel চিবিয়ে খেতে হবে( Clopid 75mg ৪ টা ট্যাবলেট একসাথে)
৪০-৮০ মিগ্রা Atorvastatin চিবিয়ে খেতে হবে ( Atova 20mg ২-৪ টা ট্যাবলেট একসাথে) প্লাস এগুলোর সাথে একটি গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাবেন
এগুলোকে একসাথে লোডিং ডোজ বলে
এটি রক্ত জমাট বাঁধা কমাতে সাহায্য করে
৪️⃣ Nitroglycerin (যদি আগে থেকে প্রেসক্রাইব করা থাকে)
জিভের নিচে ০.৫ mg ট্যাবলেট বা স্প্রে নিতে হবে
৫ মিনিট পরও ব্যথা থাকলে পুনরায় দেওয়া যায় (সর্বোচ্চ ৩ বার)
লো ব্লাড প্রেসার থাকলে দেবেন না
৫️⃣ অক্সিজেন দিন (যদি শ্বাসকষ্ট বা SpO₂ কম থাকে)
৬️⃣ রোগী অজ্ঞান হলে
শ্বাস ও পালস চেক করুন
না থাকলে সঙ্গে সঙ্গে CPR শুরু করুন
আশেপাশে AED থাকলে ব্যবহার করুন

❌ যা করবেন না
রোগীকে হাঁটাবেন না
নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যেতে দেবেন না
ব্যথা কমার অপেক্ষা করবেন না
পানীয়/খাবার জোর করে দেবেন না

⏳ কেন দ্রুত চিকিৎসা জরুরি?
হার্ট অ্যাটাক হলে করোনারি ধমনীতে ব্লক হয়। যত দ্রুত ব্লক খোলা যায় (Primary PCI বা thrombolysis), তত বেশি হার্টের মাংসপেশি বাঁচানো যায়।

25/05/2026

🟢ডায়াবেটিস ও উচ্চর*ক্তচাপ জনিত দীর্ঘমেয়াদী কিডনির রোগীদের (CKD) সবাই হৃদরোগ ও রক্তনালীর রোগের ঝুঁকিতে থাকেন। তাই প্রায় সবাইকে এন্টি-প্লেটলেট ও রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখার ঔষধ খেয়ে চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন যদিনা রক্তক্ষরণ জাতীয় সমস্যা বা অন্য কোন বাধা না থাকে।

এই রোগে প্রায়শই পস্রাবের সাথে অতিরিক্ত প্রোটিন নিঃসরন হতে দেখা যায় । কিডনি টিউবিউলের মধ্য দিয়ে প্রোটিন নিঃসরন কিডনির জন্য ক্ষতিকর । তাই এই প্রোটিন নিঃসরন নিয়ন্ত্রন করার জন্য ACE inhibitor বা ARB জাতীয় ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে ।
ব্লাড প্রেশার বা র*ক্তচাপ নিয়ন্ত্রনও এখানে মূখ্য বিষয়
ACR (Albumin creatinine ratio) যদি ৩ এর কম হয় তাহলে র*ক্তচাপ রাখতে হবে ১৪০/৯০ এর নীচে। ACR যদি ৩ এর বেশী হয় তাহলে র*ক্তচাপ রাখতে হবে ১৩০/৮০ এর নীচে।

ACE inhibitor বা ARB জাতীয় ঔষধ র*ক্তচাপ নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি কিডনির প্রোটিন নিঃসরণ ৩০% থেকে ৪০% পর্যন্ত রোধ করে থাকে । এই জাতীয় ঔষধ দীর্ঘমেয়াদী কিডনির রোগ ও হৃদরোগ উভয় ক্ষেত্রেই উপকারী ।

কখন ACE inhibitor বা ARB জাতীয় ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা প্রয়োজন ?

✅১ ) ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ র*ক্তচাপ এর যে কোন একটি যদি থাকে এবং ACR (Albumin creatinine ratio) ৩ এর উপরে থাকে তাহলে ACE inhibitor বা ARB জাতীয় ঔষধ সেবন করা যেতে পারে কিন্তু ACR ৩ এর নীচে থাকলে কিডনির প্রোটিন নিঃসরণ কমানোর জন্য উক্ত ঔষধ সেবন করার প্রয়োজন নেই ।

তবে উচ্চ রক্তচাপ এর জন্য ACE inhibitor বা ARB জাতীয় ঔষধ খেতে কোন আপত্তি নেই ।

✅২) ডায়াবেটিস এবং উচ্চর*ক্তচাপ দুইটাই থাকলে ACR যাই থাকুক না কেন উক্ত ঔষধ সেবন করা যেতে পারে ।

✅৩) যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চর*ক্তচাপ কোনটাই না থাকে এবং ACR ৩০ এর উপরে থাকলে উক্ত ঔষধ সেবন করা যেতে পারে

ইনজেকশন দিয়ে ফোলানো গরু চেনার উপায়:কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেই পশুর হাটগুলো জমজমাট হয়ে ওঠে। আর এই সুযোগে কিছু অসাধু মানুষ বেশ...
25/05/2026

ইনজেকশন দিয়ে ফোলানো গরু চেনার উপায়:
কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেই পশুর হাটগুলো জমজমাট হয়ে ওঠে। আর এই সুযোগে কিছু অসাধু মানুষ বেশি লাভের আশায় ক্ষতিকর ইনজেকশন, হরমোন বা স্টেরয়েড দিয়ে গরুকে কৃত্রিম উপায়ে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে হাটে তোলেন। চকচকে আর অতিরিক্ত মোটাতাজা দেখে এই ধরনের গরু কিনলে আপনি বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। কারণ এসব গরুর মাংস খেলে মানুষের লিভার, কিডনি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

হাটে গিয়ে প্রতারিত না হতে এবং সুস্থ-সবল পশু চিনতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সহজ উপায় নিচে দেওয়া হলো।

আঙুলের চাপ :

স্টেরয়েড বা হরমোন দেওয়া গরুর শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে থাকে। এটি পরীক্ষা করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো গরুর মাংসল অংশে চাপ দেওয়া। গরুর পিঠের দিকে বা রানের কোনো মাংসল অংশে আঙুল দিয়ে জোরে একটু চাপ দিন। যদি বসে যায় ও সমান ( পূর্বাবস্তায়) ফিরে আসতে সময় লাগে তাহলে এই গরু কিনবেন না।

23/05/2026

॥ কুরবানীর মাংস কিভাবে খাবেন (যাদের ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ফ্যাটি লিভার এবং ইউরিক এসিড বেশি আছে) ॥

১) একবারে বেশি মাংস খাবেন না৷ অল্প অল্প করে (মাঝারি মাপের ২-৩ টুকরা) তিন বেলায় খাবেন৷

২) চর্বিবিহীন মাংস খাবেন৷ যেমন রানের মাংস বা চর্বি ছেঁটে ফেলা মাংস৷

৩) বেশি তেল মশলা দিয়ে রান্না মাংস না খেয়ে, বলবেন আপনার জন্য অল্প তেল মশলা দিয়ে রান্না করে দিতে৷

৪) গ্রীল করা মাংস বেশি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত৷ তাই মাংসের গ্রীল আইটেমও তরকারী মাংসের পাশাপাশি করতে পারেন৷ যারা সিদ্ধ এবং স্ট্যু মাংস খেতে পারেন, তাদের জন্য এসব রান্না পদ্ধতি আরো নিরাপদ৷

৫) বারবার গরম করে একই মাংস কয়েকদিন ধরে খাবেন না৷

৬) ফ্রাই করা মাংস যেমনঃ গরুর চাপ, টিকিয়া খাবেন না৷ ভুনা, কালাভুনা এবং পোড়া বার বি কিউ না খাওয়া ভালো৷

৭) কলিজা, মগজ, ভুঁড়ি এসব এড়িয়ে চলা ভালো৷ আর খেলেও সামান্য পরিমানে খাবেন৷

৮) ডেজার্ট হিসেবে Cold drinks খাবেন না৷ টকমিস্টি দই খেলে ভালো৷ এতে আপনার হজম ভালো হবে এবং রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রনে থাকবে৷

৯) পর্যাপ্ত সালাদ, সব্জি এবং ভাত রুটি সহকারে মাংস খাওয়া ভালো৷ পোলাও দিয়ে খেলে, কম ঘি বা তেল দিয়ে রান্না করা পোলাও খাবেন।৷

সবাই ভালো থাকবেন৷ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা৷ ঈদ মোবারক৷

Address

Islambag, Sreemongle Road, Moulvibazar
Moulvi Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Badrunnessa private hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Badrunnessa private hospital:

Shortcuts

Share