28/07/2026
"
#ডিভোর্সের আরেক গোপন কারন যৌন দূর্বলতা।
#নারীদের তুলনায় এইরোগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষদের দেখা দেয়, এবং বেশিরভাগ নারীরাই পুরুষকে ডিভোর্স দেয়।
Premature Ej*******on ও Erectyle dysfunction, Impotency, ( যৌন দূর্বলতা) এসব রোগে যে সকল পুরুষ আক্রান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে সে ভীষণ লজ্জা বোধ করে, চিকিৎসা করতে অনেক বিলম্ব করে,এই বিলম্ব করতে করতে সে পুরুষের ঘর সংসার ভেঙে যায়। প্রায় রোগীর মুখেই শুনি, আমার প্রথম বউ চলে গেছে 🥹এবং প্রথম বউ চলে যাওয়ার পরে হুশ হয় তারপর চিকিৎসা শুরু করে। অনেকেই মনে করেন পুরুষ কখনো কাঁদে না, কিন্তু একজন চিকিৎসক জানেন পুরুষ কতটা অসহায় হয়ে পড়ে একজন স্ত্রীর থেকে পাওয়া মানসিক আঘাতে।
এবং এই রোগীদের তালিকায় যেটা প্রধান সমস্যা দেখা দেয়
সংসারে অশান্তি। স্ত্রীর সাথে প্রতিনিয়ত কলহ। একজন ভ্যান চালকের স্ত্রী টাও স্বামীকে ছেড়ে যাবার হুমকি দেয়। 😐
এমন অসংখ্য ঘটনা গোপনে নীরবে ঘটছে।আর নারীরা একজন পুরুষকে পুরুষত্বহীন বলে, কত সহসায়,ছেড়ে যায়।
তাই যৌনতা কে গুরুত্ব না দিয়ে কোন উপায় নেই। একজন পুরুষ যদি এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তারমানে যে সে পুরুষত্বহীন বিষয়টা এমন নয়,এইসব রোগের চিকিৎসা আছে। কিন্তু অনেক স্ত্রীর সেই ধৈর্য থাকেনা,তারা, স্বামী নামক মানুষটিকে পুরুষত্বহীন এর খেতাব দিয়ে পালিয়ে যান ডিভোর্স দেয়।
এবার আসি নারীদের কিছু রোগ নিয়ে যেমন লস ওফ লিবিডো,,ড্রাই ভাজাইনা,,স্বামীর প্রতি কোন আগ্রহ নেই, শারীরিক সম্পর্কের কোন আগ্রহ নেই, যদিও পুরুষের তুলনায় নারীদের এমন সমস্যা খুব কম দেখা দেয়, তবুও যেসব নারীদের এই সমস্যাগুলো দেখা দেয় সেই সমস্যা গুলো একটু জটিল হয়। এই সমস্যায় পড়া নারীদের নানান জটিলতা, থাকে, তারা মেন্টাল স্ট্রেসে দীর্ঘদিন ধরে ভুগতে থাকে। ঘুমের সমস্যা থাকে, হরমোনের সমস্যা থাকে। তাই মাসের পর মাস একজন পুরুষ যখন তার স্ত্রীকে কাছে না পাবে, তখন সেই পুরুষও নানান রোগ ও জটিলতায় জীবন কাটাতে থাকে। এতে অনেক স্ত্রীর কোন মাথা ব্যথা থাকে না।
স্বামী যেনো শুধু তার স্ত্রীর জন্য নিবেদিত থাকবে, স্বামীর মন ও শরীরের প্রতি স্ত্রীর কোন চোখ বা নজর ও থাকেনা। অতচ
সেই বউ তার স্বামীকে সারাক্ষণ নজরদারি করতে ও ভুলবেনা।
#একজন পুরুষ যুবক বয়সে স্ত্রীর যে সঙ্গ পাওয়া দরকার সেটা কোনভাবেই যদি তার স্ত্রীর কাছে না পাই, কোন চিকিৎসাতেও যদি তার স্ত্রীর সেই সমাধান না হয় তাহলে যদি সেই পুরুষ আরেকটা বিয়ের ডিশিশন নেয় সেটা তো অন্যায় কিছু নয়।
কিন্তু আমাদের, সমাজে যেমন খারাপ পুরুষ আছে, তেমনি অনেক ভালো পুরুষও আছে, যারা স্ত্রীকে সুখে রাখতে গিয়ে
নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে, তবুও এমন চিন্তা ভাবনা করেনি
এবং কিছু স্ত্রী যে শারীরিকভাবে অক্ষম, তারপরেও তারা স্বামীকে কোনো ভাবেই দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি দেয়না। এতে করে একজন পুরুষ ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তার বেঁচে থাকার কারণটাও একটা সময় সে ভুলে যায়।
অথচ একজন স্বামী অপারগ হলে তার স্ত্রী পুরুষত্বহীন বলে
ছেড়ে যেতে কোনো সংকোচ ই করেন না। এমনো অনেক অনেক নারী আছে,যারা শুধুই যৌনতার জন্য বাচ্চা সন্তান সব ছেড়ে চলে গেছেন।তাহলে যৌনতাকে এত ছোট করে দেখার কোন উপায় নেই।
অথচ একই সমস্যায়, পুরুষ যদি নারীকে ছেড়ে যায় তাকে নানাম মামলা,দেনমোহর, অপমানিত হতে হয়। এ সমাজে মানুষ মানুষকে অধীনস্থ করে রাখার প্রবণতাটা বেড়েই চলছে। বেশিরভাগই স্ত্রী তার স্বামীকে কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা করে। আর এজন্যই দাম্পত্য জীবনটা একটা সময় পর নিরানন্দ হয়ে যায়।
সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার জন্য, একজন নর -নারীর এই যৌনতাকে কোনো ভাবেই ছোট করে দেখার উপায় নাই। একজন ৭০-৭৫ বছর বয়সী পুরুষ যৌন চিকিৎসা করতে আসে। দাম্পত্য জীবনের মূলেই হলো স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুস্থ বন্ধন। সেই সুস্থ বন্ধন এর যদি ঘাটতি হয় যৌনতা ৩৫-৪৫ বছর বয়সী পুরুষের বউ যদি শীরিরীক ভাবে অক্ষম তাহলে তাদের জন্য বিয়ে করা অন্যায় নয়। বরং একাধিক নারীর সংস্পর্শে যাওয়াটা অন্যায়।