Dr.Debashish Saha

Dr.Debashish Saha Child's Physician

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) এর স্বনামধন্য এমডি (নবজাতক) ডিগ্রিধারী কনসালট্যান্ট ; নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ.

ডাঃ দেবাশীষ সাহা।
এমবিবিএস,ডিসিএইচ (শিশু) ;এমডি (নবজাতক)
কনসালট্যান্ট (নবজাতক)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল),শাহবাগ, ঢাকা।

MEDINOVA SERVICE LTD
প্রতিদিন বিকাল (৫ টা থেকে রাত ৮ টা)।
শুক্রবার সকাল (১০.৩০ থেকে ১২.০০টা)।
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগঃ 01703632174

02/08/2025
Thanks Medinova Medical Services Ltd.
18/10/2023

Thanks Medinova Medical Services Ltd.

"সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার"পরম করুনাময়ের অশেষ কৃপায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাতক বিভাগের সহকা...
18/10/2023

"সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার"

পরম করুনাময়ের অশেষ কৃপায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাতক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি শ্রদ্ধেয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা: মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ স্যার সহ প্রশাসনের সকলের প্রতি। শ্রদ্ধাভরে সম্মান জানাচ্ছি আমার সম্মানিত শিক্ষকগণের প্রতি। আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার সকল সহকর্মী , শুভাকাঙ্ক্ষী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছোট ছোট শিশু রোগীদের প্রতি।

এই সাফল্যর সর্বোচ্চ ভাগীদার আমার শ্রদ্ধেয় পিতামাতা, স্ত্রী , আমার সন্তান ও ভাইবোন।
আমার এই ক্ষুদ্র সাফল্যের দুয়ারে দাঁড়িয়ে খুব বেশী করে মনে পড়ছে আমার সদ্য প্রয়াত স্বর্গীয় পিতাকে, যার অনেক ভাবনার নায়ক ছিলাম আমার মত অতি সাধারণ একজনা। ভগবান আমার পিতাকে বৈকুন্ঠবাসী করুন।

সকলের কাছে আশীর্বাদ চাই, যেন আমার উপরে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি।
🙏🙏🙏

16/03/2022

"ভারনিক্স"

বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে। "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।

এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।

সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই!

সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।

(World Health Organization)

13/06/2021


Child's Physician

02/02/2021

করোনা ভ্যাকসিন গ্রহন পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাতে ATN Bangla'r আজকের এক বিশেষ সাক্ষাৎকার পর্বে..

15/10/2020

প্রচণ্ড গরম পরেছে... পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে... দুজনই ছাত্র...

কৌতূহল নিয়ে দেখছি কি করে!!

হাফ লিটার (৫০০ মি.লি) পানির বোতলে প্রথমে এক প্যাকেট খাবার স্যালাইন ঢালল... একটু ঝাঁকি দিল... এরপর আরেক প্যাকেট স্যালাইন বের করল... সব মিলে দুই প্যাকেট স্যালাইন ঢালল ঐ হাফ লিটার পানির মধ্যেই...

জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই দুই প্যাকেট কেন ঢাললেন?

- এক প্যাকেটে অত স্বাদ পাওয়া যায় না... তাছাড়া যে গরম পড়েছে, তাতে বেশি খাওয়াই ভাল।

এরকম ভুল প্রায় লোকই করে... সবাই ভাবে, স্যালাইনই তো... কি আর হবে!! কিন্তু এটা যে কত মারাত্মক ভুল, তা বেশিরভাগ লোকই জানে না...

বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরো বেশি বিপদজনক...

কয়েক মাস আগের কথা... ডায়রিয়া হওয়ার পর খিঁচুনি নিয়ে এক বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।

একটু সন্দেহ হল... জিজ্ঞাসা করলাম, কি খাওয়াইছেন বাবুকে?

- কেন? স্যালাইন।

- বানাইছেন কিভাবে?

- হাফ গ্লাসের মত পানিতে এক প্যাকেট স্যালাইন গুলছি।

- নিয়ম তো হাফ লিটার বা আধা সের পানিতে স্যালাইন গুলানো। কিন্তু হাফ গ্লাস পানিতে কেন?

- ছোট বাচ্চা, অত আর স্যালাইন খেতে পারবে?

তাড়াতাড়ি বাচ্চাকে মেডিকেলে রেফার করে দিলাম। অল্প পানিতে স্যালাইন গুলানোর কারণে বেশি ঘনত্বের লবণ শরীরের ভেতরে গিয়ে লবনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে খিচুনি শুরু হয়েছে, যা খুবই মারাত্মক... কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এভাবে অনেক বাচ্চা মারা যায় ডায়রিয়ার কারণে নয়, ভুলভাবে স্যালাইন বানানোর কারণে।

মনে রাখা উচিত, খাবার স্যালাইন কোন সাধারণ পানীয় নয় যে ইচ্ছেমত খাবেন। এটি ওষুধ... বমি, পাতলা পায়খানা বা গরমের ফলে প্রচন্ডরকম ঘেমে শরীর থেকে যে পানি, লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করার জন্য এটি খাওয়া হয়।

এটি নির্দিষ্ট নিয়মেই গুলতে হবে... ছোট-বড় সবার জন্য একই নিয়মে বানাতে হবে... আধা সের বা হাফ লিটার পানির মধ্যে পুরো এক প্যাকেট মিশিয়ে স্যালাইন দ্রবন প্রস্তুত করতে হবে। তবেই তা শরীরে গিয়ে কাজ করবে।

এর কম পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে কিডনির ক্ষতি করবে... বেশি পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব কমে গিয়ে সঠিকভাবে ঘাটতি পূরণ হবে না।

একবার স্যালাইন বানালে, তা সর্বোচ্চ বারো ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়, তবে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত রাখতেও অনেকে পরামর্শ দেন।

কখনো হাফ প্যাকেট স্যালাইন, এক গ্লাস পানি- এভাবে বানাবেন না... কিংবা পরবর্তিতে বানানোর জন্য প্যাকেটে কিছু স্যালাইন রেখেও দিবেন না... এক প্যাকেট দিয়ে একসাথে হাফ লিটারই বানাবেন...

একবার বানানোর পর, বয়স ও প্রয়োজনভেদে যতটুকু দরকার, সেখান থেকে নিয়ে সেভাবে খাবেন। শেষ হয়ে গেলে আবার হাফ লিটার পানিতে এক প্যাকেট গুলিয়ে নতুন করে বানাবেন।

ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কিডনি রোগ কিংবা হার্টের রুগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে স্যালাইন খাবেন।

আর হ্যাঁ, বাজারে "টেস্টি স্যালাইন" নামক যা পাওয়া যায়, সেগুলো অবশ্যই খাওয়া যাবে না.. এগুলোতে মাত্রার কোন ঠিক তো নেই-ই, এর পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসনেরও কোন অনুমোদন নেই। বরং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেক কোম্পানির টেস্টি স্যালাইনে স্যাকারিন ও কাপড়ের রং পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

(সংগৃহীত)

০১) কেএমসি মানে কি??-------------------------------------কেএমসি মানে হল ক্যাঙারু মাদার কেয়ার।এটি একটি বিশেষ পদ্ধতি যার ম...
08/10/2020

০১) কেএমসি মানে কি??
-------------------------------------
কেএমসি মানে হল ক্যাঙারু মাদার কেয়ার।এটি একটি বিশেষ পদ্ধতি যার মাধ্যমে মায়ের বুকে ছোট ছোট (২০০০ গ্রামের কম ওজনের) নবজাতককে ত্বকের সাথে ত্বক লাগিয়ে রেখে লালন করা হয়।এর মাধ্যমে এই সব ছোট নবজাতকের সবচে' বড় যে উপকার টা হয় তা' হল এরা উষ্ঞ থাকে, ফলে তাঁদের জীবন বেঁচে যায়...। তবে সঠিক ভাবে উষ্ঞ থাকা ছাড়াও এই পদ্ধতি (কেএমসি) তে শিশুকে ঠিকমতো বুকের দুধ খাওয়ানো হয়। ফলে তাঁদের ওজন ঠিকমতো বাড়ে, ইনফেকশন (সংক্রমণ) কম হয়, তাঁদের বুদ্ধিবিকাশ ভালো হয়, কম খরচে বেঁচে থাকার সম্ভবনা অনেক গুন বাড়ে...ইত্যাদি। তাই আমাদের মতো দরিদ্র দেশের জন্য এই পদ্ধতি খুবই সময়োপযোগী এবং জনপ্রিয় পদক্ষেপ হবে বলে আশা করা যায়।

০২) পেছনের কথাঃ
----------------------
দেশে প্রতিছর প্রায় ৩২ লক্ষ শিশু জন্ম গ্রহন করে।এটাকে বলা হয় 'বার্থ কোহর্ট'। দেশের জনসংখ্যায় এই বার্থ কোহর্ট অর্থাৎ বত্রিশ লাখ যোগ হয়, বিয়োগ হয় প্রায় দশ লাখ মানুষ...। নানা কারনে /দুর্ঘটনায়/ রোগে/ প্রতিহিংসায় প্রতি বছর মারা যায় প্রায় এই দশ লাখ। প্রতিবছর পানিতে পড়া সহ বিভিন্ন ইনজুরি / দুর্ঘটনায়ই মারা যাচ্ছে প্রায় অর্ধলক্ষ শিশু। কম ওজন নিয়ে জন্ম নেয় ছয়লাখের বেশি শিশু।তাঁদের মধ্যে এক লক্ষ ৪০ হাজার শিশুর কেএমসি প্রয়োজন।

০৩) গবেষণাঃ
--------------
গবেষণায় দেখা গেছে ইনকিইবেটরের তুলনায় ক্যাঙারু মাদার কেয়ার পদ্ধতিতে নবজাতককে সেবা দিলে, মৃত্যুঝুঁকি কমে ৪০%, রোগ জীবানুর সংক্রমণ কমে ৫৫% এবং শিশু উষ্ঞতর হয় ৬৬%। অপরিণত ও কম জন্ম-ওজনের নবজাতকের জীবন বাঁচাতে এই রকম কম খরচের চিকিৎসা ব্যবস্থা খুবই উপযোগী ও গ্রহণযোগ্য।

০৪) কেএমসি সেবা কিভাবে দিতে হয়??
--------------------------------------------------
♦ মা ও পরিবারকে মানসিক ভাবে প্রস্তুত করে নিন।
♦ প্রথমে সাবান দিয়ে ভালো করে দুই হাত ধূয়ে নিতে হবে।
♦ ক্যাঙারু মাদার কেয়ার পদ্ধতি প্রয়োগ করার জন্য নবজাতককে টুপি,ডায়াপার ও মোজা পরিয়ে নিন।
♦ এরপর নবজাতক কে মায়ের বুকের মাঝখানে রেখে ভালোভাবে মায়ের সাথে কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখুন।
♦ নবজাতকের মাথা একদিকে কাত করে, ওর কোমর ও হাত মায়ের বুকের ওপর রাখুন।

০৫) কিভাবে কেএমসি'র ধারনা এলো??
----------------------------------------------------------
দক্ষিন আমেরিকার ছোট্ট দেশ কলাম্বিয়ার রাজধানী বোগোটা। সেখানে এক বিশাল হাসপাতালে কাজ করতেন ডাঃ এডগার রে সানাব্রিয়া এবং তার দল। তাঁরা দেখলেন কম ওজনের নবজাতকরা খুব সহজেই ঠান্ডা হয়ে মারা পড়ছে, জটিল ইনফেকশন থেকে আর ফেরানো যাচ্ছে না, মৃত্যুহার বেড়েই চলেছে।তিনি দেখলেন, লক্ষ্য করলেন তাপমাত্রা বজায় রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথাগত ইনকিউবেটরে শিশুকে গরম রাখা যায় ঠিকই কিন্তু অনেক ঝক্কি...বিদ্যুত ছাড়া চলে না,শিশু বেশি গরম হয়ে মরে পুড়ে যায়, ইনফেকশনের বাড় বাড়ন্ত... বিশাল ব্যয় তো আছেই ইত্যাদি। তাই তিনি চিন্তা করতে লাগলেন কি করা যায়। চিন্তা করতে করতে একটা উপায়ও পেয়ে গেলেন। ... ইউরেকা!!! মায়ের বুকে শিশুকে রেখে দাও, ব্যস হয়ে গেল।
Kangaroo Mother Care (KMC) was first initiated by Dr. Edgar Rey Sanabria and Dr. Hector Martinez in Bogota, Columbia, in 1978

Address

Medinova Service Ltd
Narayanganj

Telephone

+8801648810164

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Debashish Saha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Debashish Saha:

Shortcuts

Share

Category