19/07/2026
মাইগ্রেনের তীব্র ব্যথা শুরু হওয়ার ২৪-৪৮ ঘণ্টা আগে অনেকের মধ্যে কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যেগুলোকে Predromal symptoms বলে। মাইগ্রেনের রোগীরা কিছু common Predromal symptoms সম্পর্কে জানেন। যেমন:
• বারবার হাই তোলা
• অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা ঘুম ঘুম ভাব
• মেজাজের পরিবর্তন, যেমন খিটখিটে ভাব বা মন খারাপ হওয়া
• মনোযোগ কমে যাওয়া বা চিন্তা ধীর হয়ে যাওয়া
• অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগা বা প্রস্রাব বেড়ে যাওয়া
• কোষ্ঠকাঠিন্য বা অন্যান্য পেটের সমস্যা
• ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা ব্যথা
• অতিরিক্ত আলো বা শব্দ অসহ্য মনে হওয়া
~
অনেকেই জানেন না যে মাইগ্রেনের তীব্র মাথাব্যথা শুরুর আগে কিছু খাবারের প্রতি craving বেড়ে যেতে পারে। যেমন: চকলেট, চিজ, salty foods।
সমস্যা হলো, এই খাবারগুলো আবার অনেকের ক্ষেত্রে মাইগ্রেন trigger করতে পারে। তাই অনেকে বুঝতে পারেন না, কোনটি Predromal symptom আর কোনটি trigger।
অথচ craving as a Predromal symptom identify করা জরুরি। কারণ, কেউ যদি বুঝতে পারেন যে মাইগ্রেনের আক্রমণ আসছে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যায়। এতে অনেকের ক্ষেত্রে আক্রমণের তীব্রতা বা স্থায়িত্ব কমতে পারে, এবং কিছু ক্ষেত্রে আক্রমণ প্রতিরোধ করাও সম্ভব হতে পারে।
এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মাইগ্রেনের কারণে পরীক্ষা, interview, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা সামাজিক অনুষ্ঠানের মতো সময়ে quality of life উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
"মাইগ্রেন attack হলে হবে, ওষুধ খেলেই তো চলে যায়" এভাবে যারা ভাবেন, তাদের quality of life-ও খারাপ থাকতে পারে।
কারণ, মাইগ্রেনের attack-এর পরও একটি কম আলোচিত phase আছে, postdrome phase, যাকে রোগীরা বলেন "migraine hangover"।
মাথাব্যথা কমে যাওয়ার পরও প্রায় ৭০-৯০% রোগী ক্লান্তি, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, মনোযোগে সমস্যা এবং আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা অনুভব করেন, যা গড়ে প্রায় ২৫ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। Brain imaging-এ দেখা গেছে, এই সময়ে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।
যাদের একাডেমিক পরীক্ষা থাকে বা যারা cognitively demanding চাকরি করেন, তাদের performance খারাপ হয়ে যেতে পারে।
~
এজন্যই মাইগ্রেনের রোগীদের উচিত migraine attack prevent করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
Migraine attack-এর Predromal symptoms একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম pattern অনুসরণ করে। এই pattern identify করার জন্য Migraine Diary maintain করা উচিত। এই ডায়েরির PDF template আছে, সেটা দেখে তথ্যগুলো পূরণ করলেই হয়। এই diary maintain করে অনেকেই উপকৃত হয়েছেন।
মাইগ্রেনের Predromal symptoms, সম্ভাব্য trigger, ব্যথার তীব্রতা, কতক্ষণ স্থায়ী হলো, কী ওষুধ খেয়েছেন এবং তাতে কতটা উপকার হয়েছে, এসব লিখে রাখার জন্য Migraine Diary খুবই উপকারী। এতে রোগী নিজের ব্যক্তিগত pattern শনাক্ত করতে পারেন, আর চিকিৎসকের জন্যও রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা করা সহজ হয়।