23/07/2026
⚠️ কবিরাজ ও ভণ্ড রাকিদের প্রতারণামূলক কথাবার্তা থেকে সতর্ক থাকুন
অনেক কবিরাজ ও ভণ্ড রাকি রোগীদের ভয় দেখিয়ে বা বিভ্রান্ত করে বিভিন্ন ভিত্তিহীন কথা বলে থাকে। যেমন—
• "জ্বীন রোগীকে নিয়ে যাবে।"
• "জ্বীন রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে।"
• "শরীরে হাজার, লক্ষ বা কোটি জ্বীন রয়েছে।"
• "জ্বীন শরীরের ভেতর বংশবিস্তার করেছে।"
• "রোগীর সন্তান বা স্বজনকে জ্বীন নিয়ে যাবে।"
• "জ্বীন রোগীকে বিয়ে করে ফেলেছে।"
• "উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব বা পশ্চিম দিক থেকে জাদু করা হয়েছে।"
• "জ্বীনকে জবাই করা হয়েছে।"
• "জ্বীনকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।"
• "গরু-ছাগল কোরবানি বা অন্য কিছু দিতে হবে।"
• "জ্বীনের জন্য খাবার দিতে হবে।"
• "জ্বীনের সর্দারকে ডেকে সমস্যা সমাধান করতে হবে।"
• "অমাবস্যা বা পূর্ণিমায় নির্দিষ্ট স্থানে মিষ্টি, আগরবাতি বা মোমবাতি রাখতে হবে।"
• "তিন রাস্তা বা সাত রাস্তার মোড়ে কিছু ফেলে আসতে হবে।"
• "অমুক ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে জাদু করেছে।"
• "পানিতে কিছু ভাসিয়ে দিতে হবে।"
• "কোনো গাছে কিছু বেঁধে বা রেখে আসতে হবে।"
• "তাবিজ ঝুলাতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।"
• "বাড়ি বন্ধ করার নামে কিছু পুঁতে রাখতে হবে।"
• "কোনো মাজার বা মসজিদে কিছু বেঁধে দিয়ে আসতে হবে।"
• "বিশেষ রাশির লোক এনে হাত দেখাতে হবে।"
• "পাথর দিয়ে হাত দেখতে হবে।"
• "সাত ঘাটের পানি বা সাত জায়গার মাটি সংগ্রহ করতে হবে।"
• "রোগীর জ্বীন খুব শক্তিশালী, তাই আরও বড় শক্তিশালী জ্বীন ডাকতে হবে।"
এসব কথার কোনো শরয়ি ভিত্তি নেই। বরং এগুলোর মাধ্যমে মানুষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া বা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়।
✅ রুকইয়াহ চিকিৎসা হতে হবে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী। ভয়ভীতি, কুসংস্কার, শিরক ও বিদআত থেকে সর্বদা দূরে থাকুন।
হিজামা ও শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা এবং পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন—
আস-সুন্নাহ হিজামা, হোমিও এ্যান্ড রুকইয়া সেন্টার