An-Naba Hijama And Physiotherapy Center

An-Naba Hijama And Physiotherapy Center ব্যবসা নয় সেবাই আমাদের লক্ষ্য।

02/10/2023

মাগরিব থেকে শুরু হলো অক্টোবর মাসের ১ম হিজামার সুন্নাহ তারিখ। ৩,৫,৭ অক্টোবর মাসের সুন্নাহ তারিখ। যোগাযোগ:01937364681

Frozen Shoulder Exercises
02/11/2021

Frozen Shoulder Exercises

কেন হিজামা করাবেন?আমাদের অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল ও খাদ্য  সহ বিভিন্ন কারণে অনেকেই ঘাড়ে ও কাঁধের ব্যাথায় ভুগছেন, অধিকাংশ...
25/07/2021

কেন হিজামা করাবেন?

আমাদের অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল ও খাদ্য সহ বিভিন্ন কারণে অনেকেই ঘাড়ে ও কাঁধের ব্যাথায় ভুগছেন, অধিকাংশ সময় এই ব্যথা মাংস পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া ও নার্ভের উপর প্রেসার এর কারণে হয়ে থাকে।
যার কারণে হাত নাড়াতে অসুবিধা হয় ও অনেক সময় হাতে শক্তি পাওয়া যায় না, এবং অনেক ক্ষেত্রে ঘাড় নাড়াতে অসুবিধা হয়।
Cupping therapy বা হিজামা মাংস পেশীর রিলাক্সেশন ও নার্ভ সিস্টেম এক্টিভ করা ও এটার উপর থেকে প্রেসার কমানোর ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে। এবং ব্লাড সার্কুলেশন বৃদ্ধির মাধ্যমে মাংস পেশীর মুভমেন্ট ইজি করে ও স্নায়ুর এক্টিভিটি বাড়ায়। যা আপনাকে মুক্তি দিতে পারে ঘাড়ের ও কাঁধের যন্ত্রণা থেকে। এটি শরীর থেকে টক্সিন দুর করার একমাত্র ন্যাচারাল পদ্ধতি ও বিভিন্ন ইনফেকশন এর ক্ষেত্রে শরীর থেকে Prostaglandin বের করে। এন্ড্রোফিন ও মরফিন এর পরিমাণ বাড়ায়।
📌 হিজামার উপকারিতা:
📎 হিজামা টিস্যু থেকে বিষ মুক্ত করতে সহায়তা করে।
📎 লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় করে।
📎 বড় রক্তনালী পরিষ্কার করে এবং রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে।
📎 লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি ও রক্ত নালী পরিষ্কার করে বিশেষ করে পায়ের পাতার, যাহা পরবর্তীতে সারা দেহে ছড়িয়ে পরে, ইহা দেহে থেকে যাওয়া ঔষধের পরিমাণও দেহ থেকে বের করে দেয়।
📎 চিকিৎসার পরে মানবদেহের ত্বক ও পেশীতে অবশিষ্ট ঔষধ ও বিষ দেহ থেকে শুষে নিতে কাপিং থেরাপি উপকারী। এর ফলে রক্ত থেকে ইউরিক এসিড ও জয়েন্ট থেকে ক্রিস্টাল বের করে দেয়া সহজ হয় ফলে গাউট রোগ ভাল হয়।
📎 দেহের কোন স্থানে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করতে বা কোন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন কম হলে তা দূর করতে কাপিং করার দরকার হয়।
📎 হরমোন নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘাড়ের ৭ম সার্ভাইকাল ভার্টিব্রা বরাবর কাপিং করা হয়।
📎 হিজামা করলে নার্ভাসনেস, রাগ, বিষন্নতা, অবসাদ, প্রতিক্রিয়া, নিষ্ঠুরতা ও বেপরোয়া ভাব নিয়ন্ত্রণ করে, রোগীর মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটায়। এবং আল্লাহর ইচ্ছায় রোগী দ্রুত সুস্থ্য হয়ে ওঠে।

🌷 হিজামা'র বিশেষ কিছু উপকারিতা❗
(১) শরীরের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড়, হাটু এবং কোমর ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।
(২) মাথা ব্যথার জন্য বিশেষ উপকারী।
(৩) শরীর থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ/Toxin বের করে নিয়ে আসে,
(৪) শরীরের ব্যথা/ জ্বালাপোড়া হৃাস করে,
(৫) ত্বক পরিষ্কার করে।
(৬) রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে,
(৭) ঘুমের উন্নতি করে
(৮) শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি

বিয়ের প্রশ্ন আসলেই বাবা-মায়েরা যেসব কথা বলে থাকেঃ১. বিয়ে যে করবি বউকে খাওয়াবি কি?২. আগে চাকরি-বাকরি কিছু কর এরপর ওসব ভেব...
02/07/2021

বিয়ের প্রশ্ন আসলেই বাবা-মায়েরা যেসব কথা বলে থাকেঃ
১. বিয়ে যে করবি বউকে খাওয়াবি কি?
২. আগে চাকরি-বাকরি কিছু কর এরপর ওসব ভেবে দেখা যাবে।
৩. এখন তোর ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবার সময় ওসব মাথা থেকে ঝরে ফেল।
৪. তোর এখনো বিয়ের বয়স হয় নি।

অথচ ছেলে-মেয়ের বিয়ের বয়স অনেক আগেই হয়ে গেছে। ছেলে ঘুমাতে গেলে, তার কল্পনায় চলে আসে ডানা কাটা পরী! মেয়ে ঘুমাতে গেলে কল্পনা করতে থাকে রাজপুত্রের মতো ছেলের! এসব কল্পনা ঘুরপাক খেতে খেতে শয়তান মশাইও বিশাল চান্স পেয়ে যায়। ব্যাস ছেলে-মেয়েরা হারাম রিলেশন করা শুরু করে দেয়। পর্নগ্রাফি দেখা হয়ে যায় নিত্য দিনের রুটিন। ঘন্টার পর ঘন্টা প্রেমিকার সাথে কথা বলা, পার্কে গিয়ে নষ্টামিতে জড়িয়ে পরা, রুমডেট করা, ধর্ষণ করা, ইভ টিজিং করা ইত্যাদি আজকাল ডাল ভাত হয়ে গেছে। আর পত্রিকার পাতা খুলে এসব যখন আংকেল আন্টিদের সামনে ভেসে উঠে তখন তারা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বলে-

“আজ কালকার যুবসমাজদের কি যে হলো! একেবারে গোল্লায় চলে গেছে, ছি! ছি! ছি! এদের এতো অধপতন!"

আমি বলি- ও আংকেল, ও আন্টি, আপনি কি জানেন এই অধপাতের জন্য আপনারা দু'হাতে সাহায্য করেছেন!
আংকেল আন্টি হয়তো চমকে গিয়ে বলবে - "কি বলো বাবা এসব!"
জ্বি ঠিকি বলছি, আপনি আপনার সন্তানকে বিয়ের বয়স হওয়া মাত্র বিয়ে দিলেন না কেনো?
আংকেল আন্টি হয়তো আরও অধিক চমকে গিয়ে বললে-
"কি যে বলো বাবা! ওর কি এখন বিয়ের বয়স হয়েছে? মাত্র তো অনার্স এ পড়ে!"

অথচ, ছেলেদের দাড়ি গজানোর দ্বারা আর মেয়েদের ঋতু শুরু হওয়ার দ্বারা বোঝায় বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। হিসেব করে দেখুন, সেই কয়েক বৎসর আগেই বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। তাহলে আপনি জেনে শুনে বিয়ে দিতে নারাজ কেনো? আপনার ছেলের বয়স ২০, মেয়ের বয়স ১৬ বছর। আর আপনার পরিকল্পনা হলো ছেলের ২৫/২৬ বছর আর মেয়ের ১৮/২০ বছরে বিয়ে দেওয়ার! অনেকে তো আবার ২৮ বছর হওয়ার পরেও বিয়ের কোনো পাত্তা নেই! ভেবে দেখুন, তাহলে তারা এই মধ্যবর্তী সময়টা কি করবে এতদিন?

প্রেম করবে?
যেনা করবে?
পর্ন গ্রাফী দেখবে?
ইভ টিজিং করবে?
ধর্ষন করবে?
আর আপনি বসে বসে এসব পেপার পত্রিকায় দেখে গাঢ় লিকারে চা খাবেন আর দোষ দিবে শুধু যুব সমাজকে? আপনার কোনো দোষই নেই, তাইনা?

অথচ, সময় মতো যদি ছেলে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া না হয়, আর একারণে ছেলে-মেয়ে কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, অন্য কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যায়, ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি দেখে, তাহলে এ গুনাহের দায়দায়িত্ব পিতা-মাতার উপর বর্তাবে। দলীল চান? আসুন একটা হাদিস শরিফ দেখি-

"সন্তান জন্মগ্রহণের পর পিতা-মাতার দায়িত্ব হলো তার সুন্দর নাম রাখা এবং দীন শিক্ষা দেয়া, আর বালেগ হয়ে গেলে বিবাহ করিয়ে দেয়া। যদি বালেগ হওয়ার পরও বিয়ে না করায়, আর সন্তান কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, তাহলে এর দায়ভার পিতার উপরই বর্তাবে।" - [বায়হাকী, হাদীস নং ৮২৯৯]

আপনার সন্তান গুনাহ করছে আর আপনি বসে বসে গুনাহের ভাগ পাচ্ছেন। কাল হিসাবের ময়দানে এই গুনাহ যদি আপনাকে জাহান্নামে যেতে হয়, তখন?
এই হাদিস শরিফ অনেক অবিভাবকরা জানেন, জানা সত্বেও বিয়ে দিতে নারাজ।
তাদের যুক্তি- "ছেলেকে বিয়ে দিলে সে খাওয়াবে কি? সে তো এখনো ছাত্র।"

অথচ, তিনিনজানে না, সে চিন্তা তার নয়, সে চিন্তা তো আল্লাহ পাকের। তিনি সকল মাখলুকের রিজিকের জিম্মাদারি নিয়ে নিয়েছেন। সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই রিযিকের ফায়সালা করে দিয়েছেন। তাছাড়া ছেলে কি পড়াশুনার পাশাপাশি দু’একটা টিউশনি করে কিছু রোজগার করতে পারবে না? যদি না-ও পারে তাহলে আমাদের প্রিয় রাসূল কি বলেছেন জানেন?
- রাসুল (সঃ) বলেছেন, "একজনের খাবার দু’জনের জন্য যথেষ্ট। দু’জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট।" [মুসলিম শরীফ, হাদীস নং ২০৫৯]

আপনার ফ্যামিলিতে দু’চারজন সদস্য অবশ্যই আছে, আরেক জন আসলে কি তার জন্য ব্যবস্থা হবে না? অবশ্যই হবে। তো পড়া লেখা শেষ হওয়ার আগেই বিয়ে দিচ্ছেন না কেনো? রিযিকের মালিক আল্লাহ। নাকি আপনি চাকরিকে মনে করছেন? আপনার ইমান ঠিক আছে তো! জবাব দিন। অনেক সময় দেখা যায় তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেটি নিজে লজ্জার কারণে বলতে না পেরে বন্ধু-বান্ধবদের মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়, "আংকেল আপনার ছেলে গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করার প্রয়োজন মনে করছে ।" আর আপনি তখন বলেন- তার তো এখনো লেখা-পড়াই শেষ হয়নি, বিয়ে করে বউকে খাওয়াবে কোত্থেকে?

আপনাকে বলছি আংকেল। আপনি আল্লাহর প্রতিজ্ঞার ব্যাপারে কতোটুকু বিশ্বাসী? আপনি জানেন না আল্লাহ্ তায়ালা প্রতিজ্ঞা করেছেন “ বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।” তবুও ছেলেকে বিয়ে দেন না আপনি! আবার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খুঁজেন। এটা কি আল্লাহ্ তায়ালার উপর অনির্ভরশীলতারই ইঙ্গিত বহন করে না?

অথচ, একটা ভালো চাকরির পূর্বশর্তই হওয়াই উচিত “বিয়ে”। কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।

আল্লাহ পাক বলেছেন -
"তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন।" [সূরা নুর, আয়াতঃ ৩২]

অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, আজ মুসলিম উম্মাহ ইহুদী-খ্রিষ্টানদের নানামুখি ষড়যন্ত্রের শিকার। এদেশে যত এন.জি.ও আছে, এর অধিকাংশই ইহুদী-খ্রিষ্টানদের অর্থে পরিচালিত। তারা সমন্বিত প্রচেষ্টায় সরকারকে দিয়ে এ আইন পাশ করিয়েছে যে, ১৮ বছরের আগে কোন মেয়ের বিয়ে দেওয়া যাবে না। তাদের ভাষায় এটা হল “বাল্যবিবাহ”। অথচ মেয়েরা সাধারণত আরো চার/পাঁচ বছর আগেই বালেগা হয়ে থাকে।

কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একবার বলেছিলেন, এই আইনটা ১৬ বছরে করা হোক, কারণ মেয়েরা এতটা সময় (১৮ বছর) বসে থাকে না। পারিপার্শিকতাসহ বিভিন্ন কারণে তাদের পক্ষে চারিত্রিক পবিত্রতা ধরে রাখা সম্ভবপর হয়না। বন্ধু-বান্ধবের হাত ধরে চলে যায়, নানা অঘটন ঘটায়। কিন্তু এনজিওদের হৈচৈয়ের কারণে সেটা আর সম্ভবপর হয়নি। এনজিওরা এই আইনটি পাশ করিয়েছে মূলত যিনা-ব্যভিচারকে ব্যাপক করার জন্য। এর জন্য তারা মুড়ি-মুড়কির মতো দেদারসে জন্মবিরতিকরণ ট্যাবলেট ও বিভিন্ন উপকরণ সাপ্লাই দেয়। এরপরও কোন মেয়ে যদি বিপদে পড়ে যায়, পেটে অবৈধ সন্তান চলে আসে- এর জন্য তারা ‘মেরী স্টোপস’ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার কাজ হল-মাতৃসেবার ছদ্মনামে অবৈধ গর্ভপাতের নিরাপদ আলয় তৈরি করা। আর মুসলমানরা মনে করছে, আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য সরকার কত রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। (হামারে আয়েলী মাসায়েল, ১৬০)

তাই অবিভাবকের প্রতি রিকুয়েষ্ট, আপনার ছেলে মেয়েকে গুনাহ থেকে বাঁচাতে, যেনা-ব্যাভিচার থেকে বাঁচাতে, ধর্ষন- ইভ টিজিং থেকে বাঁচতে, সমাজকে সুন্দর করতে, বিয়ের বয়স হওয়া মাত্র বিয়ের ব্যাবস্থা করে দিন। এটা সন্তানের হক।

সাহায্যকারী বয়ান: মুফতি মনসূরুল হক (দাঃ বাঃ)
শাইখুল হাদিস ও প্রধান মুফতি, জামিআ রাহমানিয়া মাদ্রাসা, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

হিজামা এমন একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিকাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবাহনাল্লাহ)। রাসূল ...
25/06/2021

হিজামা এমন একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিকাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবাহনাল্লাহ)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি সাল্লাম তাঁর নিজের জন্য এ চিকিৎসাটি করিয়েছিলেন।

হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা।

এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।

আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)। এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।

আবু_হুরাইরা_রাঃ_থেকে_বর্ণিত_রাসূলুল্লাহ (সা:)বলেছেন-

জিবরীল_আমাকে_জানিয়েছেন_যে_মানুষ_চিকিৎসার_জন্য_যতসব_উপায়_অবলম্বন_করে_তার_মধ্যে_হিজামাই_হল_সর্ব_উত্তম।

আল-হাকিম, হাদিস নম্বরঃ ৭৪৭০.

জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।

” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫

হিজামা_বা_wet_Cupping Therapy দ্বারা যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

১। দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা(মাইগ্রেনসহ)

২। রক্তদূষণ

৩। উচ্চরক্তচাপ(হাই প্রেসার)

৪। যেকোন ধরনের ব্যাথা

৫। ঘুমের ব্যাঘাত

৬। পায়ে ব্যথা

৭। বাতের ব্যথা

৮। জয়েন্ট পেইন

৯। আথর্রাইটিজ

১০।গেটে বাত

১১। ত্বকের বর্জ পরিস্কার

১২।ঘাড়ে ব্যথা

১৩। দীর্ঘ মেয়াদী চর্ম রোগ

১৪। কিডনী রোগ

১৫। মাংস পেশীর ব্যথা(Muscle pain)

১৬।হাড়ের স্হানচু্তি জনিত ব্যথা

১৭।সাইনুসাইটিস(nasal sinus)

১৮।অবস(প্যরালাইসিস)

১৯।গ্যাস্ট্রিক পেইন,এসিডিটি

২০।অবস(প্যরালাইসিস)

২১।হাঁপানি (Asthma)

২২।হৃদরোগ(Cardiac Disease)

২৩।থাইরয়েড

২৪। শারিরিক দুর্বলতা...

ইত্যাদি ভিবিন্ন রোগ...।।

যোগাযোগঃ

 আমাদের ঠিকানাঃ সাত্তার সুপার মার্কেট, ৪র্থ তলা, নওদাপাড়া বাজার, রাজশাহী।

চিকিৎসা নিতে ফোন করুনঃ ✆ 01937364681

 রাজশাহী সিটির ভিতরে হোমসার্ভিস দেওয়া হয়।

(বিঃদ্রঃ ফোনে যোগাযোগ করে আসবেন)

 আমাদের ঠিকানাঃ ভাই বন্ধু ফার্মাসী ,সদর হাসপাতাল,ঝিনাইদহ

চিকিৎসা নিতে ফোন করুনঃ ✆ 01937364681

Address

Uposhohor
Rajshahi
6203

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:45
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801937364681

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when An-Naba Hijama And Physiotherapy Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to An-Naba Hijama And Physiotherapy Center:

Shortcuts

Share