ডা: মো: জসিম উদ্দীন- মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • ডা: মো: জসিম উদ্দীন- মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ

ডা: মো: জসিম উদ্দীন- মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ Dr. Jasim Uddin (Psychiatrist )

22/08/2026
29/03/2026

অনিবার্য কারনে আগামী সোমবার(৩০.০৩.২৬) ও মঙ্গলবার(৩১.০৩.২৬) এ চেম্বার বন্ধ থাকবে। বুধবার (০১.০৪.২৬) বিকাল পাচটা থেকে চেম্বার শুরু হবে। ধন্যবাদ

শীত মানেই অনেকের কাছে উৎসব, পিকনিক, ঘোরাঘুরি। শীতকাল অনেকের কাছে আনন্দ আর আরামের সময় হলেও, অনেকের জন্য এটি মানসিক সমস্যা...
10/01/2026

শীত মানেই অনেকের কাছে উৎসব, পিকনিক, ঘোরাঘুরি। শীতকাল অনেকের কাছে আনন্দ আর আরামের সময় হলেও, অনেকের জন্য এটি মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শীতের সাথে আমাদের মনের এক গভীর ও বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক রয়েছে। শীতকাল শুধু শরীরেই নয়, মনেও প্রভাব ফেলে।
সহজভাবে বিষয়টা কয়েকটি অংশে বোঝানো যায়—

১. সূর্যালোক কমে যাওয়ার প্রভাব
শীতকালে দিনের আলো কমে যায় এবং রাত দীর্ঘ হয়। সূর্যের আলোর এই স্বল্পতার কারণে অনেকের মধ্যে এক ধরনের সাময়িক বিষণ্ণতা দেখা দেয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Seasonal Affective Disorder (SAD) বলা হয়। এর ফলে সারাক্ষণ মন খারাপ থাকা, ক্লান্তি এবং কাজে অনীহা তৈরি হতে পারে।

২. হরমোনের পরিবর্তন
শীতের আবহাওয়া আমাদের শরীরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন করে দেয়:
•সেরোটোনিন: সূর্যালোক কম পাওয়ায় মস্তিষ্কে 'সেরোটোনিন' (যা আমাদের মন ভালো রাখে) এর মাত্রা কমে যায়।
•মেলাটোনিন: অন্ধকার বেশি হওয়ায় শরীরে মেলাটোনিন হরমোন বেশি নিঃসৃত হয়, যা আমাদের সারাদিন অলস ও ঘুম ঘুম ভাব তৈরি করে।

৩. ভিটামিন-ডি এর অভাব
শীতকালে আমরা রোদে কম বের হই। শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব দেখা দিলে তা সরাসরি আমাদের মেজাজ বা মুডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন-ডি এর অভাব বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

৪. সামাজিক বিচ্ছিন্নতা
অতিরিক্ত শীতের কারণে মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া বা বাইরে ঘুরতে যাওয়া কমে যায়। এই সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বা একাকীত্ব অনেক সময় মানসিক চাপ বা বিষণ্ণতা তৈরি করে।

৫. পুরনো মানসিক সমস্যার অবনতি
যাদের আগে থেকেই—ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা, আনজাইটি বা অস্থিরতা, বাইপোলার রোগ আছে তাদের ক্ষেত্রে শীতে উপসর্গ বাড়তে পারে।

৬. খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কার্যকলাপ
শীতে বেশি মিষ্টি/কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার প্রবণতা, শারীরিক সক্রিয়তা কমে যায় যা মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে

মানসিকভাবে চনমনে থাকতে আপনি নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন:

*প্রাকৃতিক আলো ও বাতাসের সংস্পর্শ
•রোদে সময় কাটানো: প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট রোদে হাঁটাহাঁটি করুন বা বসে থাকুন। এটি শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরি করতে এবং মেজাজ উন্নত করতে সাহায্য করে।
•ঘর আলোকিত রাখা: দিনের বেলা ঘরের জানলা-কপাট খুলে দিন যাতে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ করে। জানলার পাশে বসে কাজ করা বা বই পড়াও ভালো ফল দেয়।

*শরীর সচল রাখা (Physical Activity)
•ব্যায়াম: প্রতিদিন হালকা ইয়োগা, স্ট্রেচিং বা দ্রুত হাঁটা শরীরের 'এন্ডোরফিন' (সুখী হরমোন) নিঃসরণ বাড়িয়ে মানসিক চাপ কমায়।
•সক্রিয় থাকা: ঘরের ছোটখাটো কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন যাতে অলসতা চেপে বসতে না পারে।

* খাদ্যাভ্যাস ও আর্দ্রতা
•ওমেগা-৩ ও প্রোটিন: সামুদ্রিক মাছ, বাদাম এবং ডিম ডায়েটে রাখুন। ডার্ক চকলেটও মাঝেমধ্যে মুড ভালো করতে সাহায্য করে।
•পর্যাপ্ত জল পান: শীতে তৃষ্ণা কম লাগে বলে আমরা জল কম খাই। শরীরে জলের অভাব হলে ক্লান্তি ও খিটখিটে মেজাজ তৈরি হতে পারে।
• গরম পানীয়: আদা চা, ভেষজ চা বা গরম স্যুপ আপনাকে ভেতর থেকে উষ্ণ ও আরামদায়ক অনুভব করাবে।

*সামাজিক যোগাযোগ ও শখের কাজ
•প্রিয়জনের সাথে আড্ডা: বন্ধু বা পরিবারের সাথে সময় কাটান। সরাসরি দেখা করা সম্ভব না হলে ফোনে কথা বলুন।
•শখের কাজ: ডায়েরি লেখা, বই পড়া, গান শোনা বা নতুন কোনো রান্না চেষ্টা করা আপনার মনকে সৃজনশীল রাখবে।

*ঘুমের সঠিক রুটিন
•প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
•ঘুমানোর আগে মোবাইল বা স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন যাতে শরীরের 'মেলাটোনিন' হরমোন সঠিকভাবে কাজ করতে পারে এবং গভীর ঘুম হয়।

Address

Rajshahi
6000

Telephone

+8801823411286

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা: মো: জসিম উদ্দীন- মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডা: মো: জসিম উদ্দীন- মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ:

Shortcuts

Share

Category