ডা: মোঃ নাসির উদ্দিন - কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • ডা: মোঃ নাসির উদ্দিন - কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ

ডা: মোঃ নাসির উদ্দিন - কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডা: মোঃ নাসির উদ্দিন - কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ, Doctor, Popular Diagnostic Center Ltd, Rajshahi.

কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (নেফ্রোলজি)
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চেম্বার- পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, রাজশাহী
সিরিয়ালের জন্য কল করুন-০৯৬৬৬৭৮৭৮১১, ০১৭১৬৮৩২৩৬০

🩺 কিডনি রোগীদের জন্য ব্যায়াম কতটা উপকারী?আমরা অনেকেই মনে করি, কিডনি রোগ ধরা পড়লে শরীরচর্চা বন্ধ রাখাই ভালো। কিন্তু বাস...
17/09/2026

🩺 কিডনি রোগীদের জন্য ব্যায়াম কতটা উপকারী?

আমরা অনেকেই মনে করি, কিডনি রোগ ধরা পড়লে শরীরচর্চা বন্ধ রাখাই ভালো। কিন্তু বাস্তবতা হলো— চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত ব্যায়াম কিডনি রোগীদের জন্য বরং অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।

✅ কেন ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ?
🔸 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, যা কিডনির উপর চাপ কমায়
🔸 রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে
🔸 কিডনি সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমিয়ে আনে
🔸 স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সহায়তা করে
🔸 হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
🔸 মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা কমাতে সহায়ক

🏃 কিডনি রোগীদের জন্য উপকারী কিছু ব্যায়াম:
▪️ হাঁটা — সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে শুরু করে ধীরে ধীরে সময় ও গতি বাড়ানো যেতে পারে
▪️ হালকা থেকে মাঝারি গতিতে সাইকেল চালানো
▪️ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাঁতার কাটা
▪️ যোগব্যায়াম ও স্ট্রেচিং — নমনীয়তা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য
▪️ হালকা রেজিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ (চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে)

⚠️ মনে রাখবেন: ব্যায়ামের ধরন ও মাত্রা রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে। তাই কিডনি রোগীরা ব্যায়াম শুরুর আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
পোস্টটি কাজে লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন! 💬 আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান।

#কিডনিরোগ #ব্যায়াম #কিডনিস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যসচেতনতা #রাজশাহীমেডিকেল #রক্তচাপনিয়ন্ত্রণ #ডায়ালাইসিস

🩺 নীরব ঘাতক কিডনি রোগ - আপনার কিডনি কি সুস্থ আছে?কিডনি আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক ফিল্টার। কিন্তু অনেক সময় ক্রনিক কিডনি ডিজ...
14/09/2026

🩺 নীরব ঘাতক কিডনি রোগ - আপনার কিডনি কি সুস্থ আছে?

কিডনি আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক ফিল্টার। কিন্তু অনেক সময় ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, অথচ শুরুতে তেমন কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। তাই কিডনির সমস্যাকে অনেক সময় বলা হয় "নীরব ঘাতক"।

⚠️ যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না:

প্রস্রাবে ফেনা বা রক্ত আসা
পা, গোড়ালি বা চোখের চারপাশ ফুলে যাওয়া
প্রস্রাবের পরিমাণ বা অভ্যাসে পরিবর্তন
অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব বা বমি
ত্বকে চুলকানি ও শুষ্কতা
শ্বাসকষ্ট
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকা

কিডনি সুস্থ আছে কি না জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তের Creatinine/eGFR এবং প্রস্রাবের uACR পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

কিডনির বিষয়ে কোনো সমস্যা বা সন্দেহ থাকলে অবহেলা না করে সময়মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
পোস্টটি কাজে লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন! 💬 আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান।

#কিডনি_রোগ #কিডনি_সচেতনতা #ডাঃ_নাসির_উদ্দিন

🔴 সলিটারি কিডনি (Solitary Kidney) — একটি কিডনি নিয়েও সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব! 🔴আমাদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে দুটি কিডনি থাকে,...
10/09/2026

🔴 সলিটারি কিডনি (Solitary Kidney) — একটি কিডনি নিয়েও সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব! 🔴

আমাদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে দুটি কিডনি থাকে, কিন্তু কিছু মানুষের জন্মগতভাবেই একটি কিডনি থাকে, আবার কারো ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার বা অন্য কোনো কারণে একটি কিডনি অপসারণ করতে হয়। এই অবস্থাকেই বলা হয় "সলিটারি কিডনি" বা একক কিডনি।

😟 সলিটারি কিডনি কেন হয়?
✅ জন্মগত কারণ — জন্ম থেকেই একটি কিডনি না থাকা বা সঠিকভাবে বিকশিত না হওয়া
✅ অস্ত্রোপচারজনিত কারণ — কিডনির রোগ, টিউমার বা আঘাতের কারণে একটি কিডনি অপসারণ
✅ কিডনি দান — জীবিত দাতা হিসেবে একটি কিডনি দান করার পর
✅ কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া — দীর্ঘমেয়াদি রোগে একটি কিডনি কার্যক্ষমতা হারালে

সুখবর হলো, একটি সুস্থ কিডনি দিয়েও একজন মানুষ পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন — যদি সঠিক নিয়ম মেনে চলেন।

💚 সলিটারি কিডনির যত্নে করণীয়:
🔹 পর্যাপ্ত পানি পান করুন
🔹 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
🔹 সুষম খাবার খান, অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন
🔹 নিজে থেকে ব্যথার ওষুধ (বিশেষ করে NSAID/ibuprofen, naproxen) খাবেন না
🔹 ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য পরিহার করুন
🔹 নিয়মিত ব্যায়াম করুন
🔹 BMI অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

🩺 নিয়মিত যেসব পরীক্ষা করাবেন:
🔸 Serum Creatinine / eGFR (রক্তের পরীক্ষা)
🔸 Albumin/UACR (প্রস্রাবের পরীক্ষা)
🔸 নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা

⚠️ কিডনি নিয়ে যেকোনো সমস্যা বা সন্দেহ হলে দেরি না করে দ্রুত একজন কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
পোস্টটি কাজে লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন! 💬 আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান।

#কিডনি #সলিটারিকিডনি #কিডনিরযত্ন

🚻 প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা — লজ্জার নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা!হাঁচি দিলে, কাশি দিলে বা হঠাৎ জোরে হাসলে কি অজান...
07/09/2026

🚻 প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা — লজ্জার নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা!

হাঁচি দিলে, কাশি দিলে বা হঠাৎ জোরে হাসলে কি অজান্তেই প্রস্রাব বের হয়ে যায়? কিংবা প্রস্রাবের বেগ আসার পর তা আর ধরে রাখতে পারেন না? 😟

এই সমস্যাটির নাম ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্স। এটি যেকোনো বয়সেই হতে পারে — তবে সঠিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব।

📌 কেন হয়?
✔️ ডায়াবেটিস, স্নায়ুর সমস্যা, স্ট্রোক বা মেরুদণ্ডের সমস্যা
✔️ কাশি, হাঁচি, হঠাৎ জোরে হাসা বা ভারী কিছু তোলা
✔️ প্রসব (স্বাভাবিক বা সিজারিয়ান)
✔️ বয়স বাড়া ও হরমোনের পরিবর্তন
✔️ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
✔️ অতিরিক্ত ওজন ও কোষ্ঠকাঠিন্য

⚠️ কখন সতর্ক হবেন?
🔹 হাঁসি-কাশি বা ব্যায়ামের সময় প্রস্রাব বেরিয়ে যাওয়া
🔹 ঘুমের সময় বারবার প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভাঙা
🔹 তীব্র বেগ অনুভবের পরপরই বের হয়ে যাওয়া
🔹 অল্প অল্প করে প্রস্রাব পড়তে থাকা
🔹 প্রস্রাবের পরেও অসম্পূর্ণ অনুভূতি

🩺 ইনকন্টিনেন্সের ধরন: স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স, আর্জ ইনকন্টিনেন্স, ফাংশনাল ইনকন্টিনেন্স, মিক্সড ইনকন্টিনেন্স ও ওভারফ্লো ইনকন্টিনেন্স — প্রতিটির কারণ ও লক্ষণ ভিন্ন, তাই সঠিক রোগ নির্ণয় জরুরি।

লজ্জা না পেয়ে আজই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সঠিক চিকিৎসায় এই সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি সম্ভব।

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
পোস্টটি কাজে লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন! 💬 আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান।

#প্রস্রাবেরসমস্যা #ইউরিনারিইনকন্টিনেন্স #কিডনিবিশেষজ্ঞ #রাজশাহী #স্বাস্থ্যসচেতনতা

🚽 বারবার প্রস্রাব হচ্ছে? প্রস্রাবের বেগ সামলাতে পারছেন না? কিন্তু সব টেস্ট রিপোর্ট নরমাল?তাহলে এই পোস্টটা আপনার জন্যই! 👇...
03/09/2026

🚽 বারবার প্রস্রাব হচ্ছে? প্রস্রাবের বেগ সামলাতে পারছেন না? কিন্তু সব টেস্ট রিপোর্ট নরমাল?

তাহলে এই পোস্টটা আপনার জন্যই! 👇

আপনি কি প্রতিদিন বারবার প্রস্রাব করেন (Frequency) অথবা হঠাৎ তীব্র প্রস্রাবের বেগ (Urgency) অনুভব করেন, কিন্তু ইউরিন টেস্ট, ব্লাড টেস্ট, সুগার, কিডনি ফাংশন — সব রিপোর্টই নরমাল?

জেনে রাখুন, এটা সবসময় বড় কোনো রোগের লক্ষণ নয় — তবে এটা আপনার দৈনন্দিন জীবন, ঘুম ও মানসিক শান্তি নষ্ট করে দিতে পারে।

🔍 এটা আসলে কী? দিনে ও রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং হঠাৎ প্রবল প্রস্রাবের বেগ, যা ধরে রাখা কঠিন — অথচ ইউরিন ইনফেকশন, ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না।

⚠️ টেস্ট নরমাল হলেও যেসব কারণে হতে পারে:

✅প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি পান করলে
✅অতিরিক্ত চা, কফি, কোলা, এনার্জি ড্রিংক, অ্যালকোহল, ঝাল ও টক খাবার খেলে /অতিরিক্ত স্ট্রেস, দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থাকলে
✅আইবিএস (IBS) বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে
✅ওভারঅ্যাকটিভ ব্লাডার (Overactive Bladder) অর্থাৎ মূত্রথলির পেশি অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে যাওয়া
✅কিছু ওষুধ - যেমন ডাই-ইউরেটিক বা প্রেশারের ওষুধ খেলে
✅পেলভিক ফ্লোর পেশির দুর্বলতা থাকলে
✅ইন্টারস্টিশিয়াল সিস্টাইটিস / পেইনফুল ব্লাডার সিনড্রোম থাকলে
✅মহিলাদের ক্ষেত্রে মেনোপজ বা প্রেগন্যান্সিজনিত হরমোনের পরিবর্তন হলে

🚩 যেসব লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন:

🔴প্রস্রাবে রক্ত গেলে
🔴কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসলে
🔴প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা করলে
🔴প্রস্রাব আটকে গেলে
🔴কোমর বা তলপেটে তীব্র ব্যথা থাকলে
🔴হঠাৎ ওজন কমে গেলে
🔴অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও রক্তে উচ্চ শর্করা থাকলে

🩺 কী কী পরীক্ষা করানো হয়?
প্রস্রাব পরীক্ষা (R/E, Culture), ব্লাড সুগার-ক্রিয়েটিনিন, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (KUB) + পোস্ট-ভয়েড রেসিডিউয়াল, প্রয়োজনে STD সেরোলজি ইউরোফ্লোমেট্রি/ইউরোডাইনামিক স্টাডি।

✨ কী করবেন?

1️⃣ পর্যাপ্ত পানি পান করুন, তবে অতিরিক্ত নয় — রাতে ঘুমানোর ২-৩ ঘণ্টা আগে তরল কমান
2️⃣ ব্লাডার ট্রেনিং করুন — নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রস্রাব করার অভ্যাস গড়ুন
3️⃣ কেগেল এক্সারসাইজ (Kegel Exercise) করুন — পেলভিক ফ্লোর মজবুত করতে
4️⃣ স্ট্রেস কমান — ধ্যান, প্রাণায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম
5️⃣ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন — আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
6️⃣ প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ নিন

💡 মনে রাখবেন টেস্ট রিপোর্ট নরমাল মানেই সমস্যা উপেক্ষা করার কারণ নয়। উপসর্গ চলতে থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811

পোস্টটি কাজে লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন! 💬 আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান।
#বারবারপ্রস্রাব #প্রস্রাবেরসমস্যা #ইউরিনইনফেকশন #কিডনিরসমস্যা #ইউরোলজিস্ট #স্বাস্থ্যটিপস #প্রস্রাবেরবেগ #স্বাস্থ্যসচেতনতা

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিনসহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ ...
30/08/2026

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811

25/08/2026

🔴 কিডনি রোগের লক্ষণ: শুরুতেই সাবধান হোন! 🔴

আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের মূল কারিগর কিডনি। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো, কিডনি রোগের লক্ষণ প্রথম দিকে খুব একটা বোঝা যায় না। তাই "সাইলেন্ট কিলার" নামেও পরিচিত এই রোগ। আজকের পোস্টে জেনে নিন কিডনি সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে।

✅ কিডনি রোগের প্রধান লক্ষণসমূহ:

১. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া ২. প্রস্রাবে ফেনা বা রক্ত দেখা যাওয়া ৩. চোখের নিচে ও পায়ে পানি জমা / ফোলাভাব ৪. শরীরে দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করা ৫. খাবারে অরুচি ও বমি বমি ভাব ৬. ত্বকে চুলকানি ও শুষ্কতা ৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকা ৮. ঘুমের সমস্যা বা রাতে বারবার ঘুম ভাঙা ৯. শ্বাসকষ্ট অনুভব করা ১০. পেশিতে টান বা খিঁচুনি ধরা

⚠️ কাদের ঝুঁকি বেশি?

ডায়াবেটিস রোগী
উচ্চ রক্তচাপের রোগী
পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে
অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনকারী
ধূমপায়ী ও অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তি

💧 কিডনি ভালো রাখার সহজ উপায়: 🔹 পর্যাপ্ত পানি পান করুন 🔹 লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান 🔹 নিয়মিত ব্লাড প্রেসার ও ব্লাড সুগার পরীক্ষা করুন 🔹 বছরে অন্তত একবার কিডনি ফাংশন টেস্ট (creatinine, eGFR) করান 🔹 ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না

উপরের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক নিজের মধ্যে খেয়াল করলে দেরি না করে একজন নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সচেতন করুন। 💚

#কিডনিরোগ #কিডনিরলক্ষণ #কিডনিসমস্যা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #কিডনিভালোরাখারউপায় #ডায়াবেটিসওকিডনি

ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
সচেতন হোন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্থ থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিত কিডনি রোগীদের সঠিক তথ্য জানতে সাহায্য করুন!

🛑 আপনার পিঠের ব্যথা কি কেবলই সাধারণ মাংসপেশির টান, নাকি ভেতরে লুকিয়ে আছে কিডনির মারাত্মক কোনো সমস্যা?পিঠে বা কোমরে ব্যথা...
23/08/2026

🛑 আপনার পিঠের ব্যথা কি কেবলই সাধারণ মাংসপেশির টান, নাকি ভেতরে লুকিয়ে আছে কিডনির মারাত্মক কোনো সমস্যা?

পিঠে বা কোমরে ব্যথা আমাদের সবার জীবনেই খুব পরিচিত একটি সমস্যা। আমরা অনেকেই পিঠের নিচের দিকের ব্যথাকে সাধারণ 'লো ব্যাক পেইন' ভেবে দিনের পর দিন অবহেলা করি, আর ফার্মেসি থেকে ইচ্ছেমতো ব্যথার ওষুধ কিনে খেয়ে সাময়িক আরাম খুঁজি। আবার একটু ব্যথা হলেই অনেকে 'কিডনি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে' ভেবে মারাত্মক আতঙ্কে ভুগে থাকি।

কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এই দুই ব্যথার পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরি। চলুন, আজ বিস্তারিতভাবে জেনে নিই কীভাবে বুঝবেন আপনার ব্যথাটি কোথা থেকে আসছে:

📍 ১. ব্যথার ঠিক কোন জায়গায় হচ্ছে? (অবস্থান)
লো ব্যাক পেইন: সাধারণত পিঠের একেবারে নিচের অংশে বা কোমরের ঠিক আশপাশে এই ব্যথা অনুভূত হয়। এটি বেশিরভাগ সময় দুই পাশেই হতে পারে, তবে মাঝে মাঝে এক পাশেও সীমাবদ্ধ থাকে।

কিডনি পেইন: এই ব্যথা সাধারণত পিঠের একটু ওপরের দিকে, পাঁজরের ঠিক নিচে অনুভূত হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি এক পাশে বেশি হয়, তবে কারণভেদে দুই পাশেও হতে পারে।

⚡ ২. ব্যথাটা কেমন এবং কখন বাড়ে? (ধরন ও নড়াচড়া)
লো ব্যাক পেইন: এই ব্যথা সাধারণত ধীরে ধীরে শুরু হয়। সামনে ঝুঁকলে, ভারী কিছু তুললে, হাঁচি-কাশি দিলে বা বসার ভঙ্গি পরিবর্তন করলে ব্যথা তীব্র হয়। অর্থাৎ, পিঠ বা কোমর নাড়ালে ব্যথা বাড়ে।

কিডনি পেইন: ব্যথা হঠাৎ করেই শুরু হতে পারে। এটি অত্যন্ত তীব্র, তীক্ষ্ণ বা মোচড় দিয়ে ওঠা (Colicky) ধরনের ব্যথা, যা অনেকটা তরঙ্গের মতো বাড়ে আর কমে। নড়াচড়ার সাথে এই ব্যথার কোনো সম্পর্ক নেই; বরং ব্যথায় রোগী এতই অস্থির থাকেন যে একটু আরাম পেতে বারবার এপাশ-ওপাশ করেন।

🦠 ৩. সাথে আর কী কী লক্ষণ দেখা যাচ্ছে? (জ্বর ও অন্যান্য)
লো ব্যাক পেইন: সাধারণত এর সাথে কোনো জ্বর থাকে না বা প্রস্রাবের কোনো সমস্যা হয় না। তবে সায়াটিকা নার্ভের সমস্যা থাকলে ব্যথা কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কিডনি পেইন: কিডনির সমস্যার সাথে প্রায়ই কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, বমি বমি ভাব বা ঠান্ডা লাগার অনুভূতি থাকে (বিশেষ করে ইনফেকশন হলে)। এছাড়াও প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাব কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। ব্যথা অনেক সময় পিঠ থেকে সামনের দিকে অর্থাৎ পেট বা উরুর দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

⚙️ ৪. কেন হয় এবং রোগ নির্ণয় কীভাবে হয়?
লো ব্যাক পেইন: মূলত ব্যায়াম, বেশি হাঁটা, পেশিতে টান পড়া, একটানা বসে থাকা, হাড় বা স্পাইনাল ডিস্কের সমস্যার কারণে হয়। এক্স-রে বা MRI-এর মাধ্যমে এটি নির্ণয় করা হয়। বিশ্রাম, ফিজিওথেরাপি, সঠিক ব্যায়াম ও বসার ভঙ্গি সংশোধনের মাধ্যমে এটি সারিয়ে তোলা সম্ভব।

কিডনি পেইন: কিডনিতে পাথর, প্রস্রাবে ইনফেকশন (UTI), মূত্রনালিতে বাধা বা টিউমারের কারণে এমন হয়। ইউরিন টেস্ট, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (USG KUB) বা সেরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষার মাধ্যমে এটি ধরা পড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, পাথর ভাঙার চিকিৎসা বা পর্যাপ্ত তরল পানের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা হয়।

🚨 কখন বিন্দুমাত্র দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
হঠাৎ তীব্র পিঠ বা কোমর ব্যথা শুরু হলে এবং বিশ্রাম নিলেও কোনো আরাম না পেলে।

ব্যথার সাথে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর বা বারবার বমি হলে।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, রক্ত যাওয়া বা প্রস্রাব একেবারে কমে গেলে।

ব্যথার কারণে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে, মাথা ঘুরলে বা রক্তচাপ কমে গেলে।

✅ আমাদের করণীয়:
ব্যথার ধরন, স্থান ও স্থায়িত্ব সতর্কতার সাথে খেয়াল করুন।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে কোনো ব্যথানাশক (Painkiller) বা অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। ভুল ওষুধের কারণে কিডনির আরও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

উপরের লক্ষণগুলো মিলে গেলে দ্রুত একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা নেফ্রোলজিস্টের (কিডনি বিশেষজ্ঞ) পরামর্শ নিন।

জনসচেতনতা বাড়াতে পোস্টটি শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন এবং প্রিয়জনদের মেনশন করে জানিয়ে দিন।

আপনার কি কখনো এমন দ্বিধা হয়েছে যে আপনার কোমর ব্যথাটি আসলে মাংসপেশির নাকি কিডনির? কমেন্টে আমাদের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন!

🦵 পায়ে ফোলা (Leg Swelling/Edema) এবং কিডনি রোগের সম্পর্ক — আপনার পা ফোলা কি কিডনি রোগের লক্ষণ হতে পারে?পায়ে ফোলা বা Ed...
20/08/2026

🦵 পায়ে ফোলা (Leg Swelling/Edema) এবং কিডনি রোগের সম্পর্ক — আপনার পা ফোলা কি কিডনি রোগের লক্ষণ হতে পারে?

পায়ে ফোলা বা Edema একটি সাধারণ সমস্যা। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বা অন্য কিছু সাধারণ কারণেও পা ফুলতে পারে। তবে কখনো কখনো এটি কিডনি রোগ, প্রোটিন লিক, রক্তে অ্যালবুমিন কমে যাওয়া, অতিরিক্ত সোডিয়াম ও পানি জমে যাওয়া কিংবা অন্যান্য গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

তাই বারবার বা অস্বাভাবিকভাবে পা ফুললে কারণ নির্ণয় করা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔴 কিডনি রোগে পা ফোলা কেন হয়?

কিডনি শরীরের অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের করে এবং রক্তের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে শরীরে পানি ও সোডিয়াম জমতে পারে।

পা ফোলার সম্ভাব্য কিডনি-সম্পর্কিত কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

🔹 প্রোটিনিউরিয়া (Proteinuria/প্রোটিন লিক)
যেমন— নেফ্রোটিক সিনড্রোম ও ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি। প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রোটিন বের হয়ে গেলে শরীরে পানি জমে ফোলা হতে পারে।

🔹 রক্তে অ্যালবুমিনের মাত্রা কমে যাওয়া
অ্যালবুমিন কমে গেলে রক্তনালীর ভেতরে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে পানি জমতে পারে।

🔹 অতিরিক্ত সোডিয়াম ও পানি জমে যাওয়া
কিডনি পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণ ও পানি বের করতে না পারলে শরীরে তরল জমে পা ও অন্যান্য অংশ ফুলে যেতে পারে।

🔹 দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ (CKD)
কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে Edema হতে পারে।

🔹 কিছু ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস
কিছু ওষুধ—বিশেষ করে কিছু NSAIDs—এবং অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস কিডনির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

⚠️ যে লক্ষণগুলোকে অবহেলা করবেন না

পা ফোলার সঙ্গে নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ—

* পায়ের গোড়ালি, পায়ের পাতা বা পায়ের পাতার ফোলা
* সকালে মুখ বা চোখের চারপাশে ফোলা
* প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা হওয়া — বিশেষ করে প্রোটিন লিকের ক্ষেত্রে
* প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া বা আগের তুলনায় পরিবর্তন হওয়া
* রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া
* শ্বাসকষ্ট, বিশেষ করে শোয়ার সময়
* হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া — যেমন ২–৩ দিনে ২ কেজি বা তার বেশি
* অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
* ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব বা বমি

🧪 কোন কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে?

পা ফোলার কারণ ও কিডনির অবস্থা বোঝার জন্য চিকিৎসক পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা দিতে পারেন—

🔹 প্রস্রাব পরীক্ষা
প্রোটিন, অ্যালবুমিন, RBC, Cast ইত্যাদি দেখার জন্য।

🔹 রক্ত পরীক্ষা
Serum Creatinine, Urea, Albumin, Electrolytes ইত্যাদি।

🔹 eGFR পরীক্ষা
কিডনির কার্যক্ষমতা বা filtration কতটা ভালোভাবে হচ্ছে তা বোঝার জন্য।

🔹 কিডনির আল্ট্রাসোনোগ্রাফি
কিডনির গঠন ও সম্ভাব্য অন্যান্য সমস্যা সম্পর্কে ধারণা পেতে।

🔹 রক্তচাপ পরীক্ষা
উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🔹 Urine Albumin/Creatinine Ratio (ACR) বা Protein পরীক্ষা
প্রস্রাবের মাধ্যমে কতটা প্রোটিন বের হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য।

💊 চিকিৎসা কীভাবে হয়?

চিকিৎসা মূলত পা ফোলার কারণের ওপর নির্ভর করে।

✅ মূল রোগের চিকিৎসা— যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও প্রোটিন লিক নিয়ন্ত্রণ।

✅ প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে Diuretic (প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ) ব্যবহার করা হতে পারে।

✅ কিছু ক্ষেত্রে ACE inhibitor/ARB জাতীয় ওষুধ প্রোটিন লিক কমাতে ব্যবহৃত হতে পারে— তবে এগুলো অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

✅ লবণ কম খাওয়া— সাধারণভাবে দৈনিক লবণ গ্রহণ সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়; আপনার কিডনি ও অন্যান্য শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসক নির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক করতে পারেন।

✅ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করুন। কিডনি রোগে সবার জন্য একই পরিমাণ পানি উপযুক্ত নয়।

✅ নিয়মিত Follow-up করে কিডনির কার্যক্ষমতা ও রোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

🏠 নিজে থেকে কী কী করতে পারেন?

✔️ খাবারে অতিরিক্ত লবণ কমিয়ে দিন
✔️ প্রতিদিন একই সময়ে ওজন মাপুন এবং হঠাৎ ওজন বাড়ছে কি না লক্ষ্য করুন
✔️ চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়মিত গ্রহণ করুন
✔️ চিকিৎসকের অনুমতি অনুযায়ী পর্যাপ্ত ব্যায়াম করুন
✔️ পা উঁচু করে বসা/শোয়ার চেষ্টা করতে পারেন
✔️ ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
✔️ নিজের ইচ্ছায় Painkiller বা NSAID জাতীয় ওষুধ দীর্ঘদিন খাবেন না
✔️ নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা ও চিকিৎসকের Follow-up করুন

🚨 কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন—

🔺 হঠাৎ পা বা মুখের ফোলা দ্রুত বেড়ে গেলে
🔺 শ্বাসকষ্ট হলে
🔺 বুক ব্যথা বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা হলে
🔺 প্রস্রাবের পরিমাণ খুব কমে গেলে বা একেবারেই না হলে
🔺 রক্তচাপ খুব বেশি থাকলে
🔺 বমি, বিভ্রান্তি বা চেতনার পরিবর্তন হলে
🔺 কয়েক দিনের মধ্যে অস্বাভাবিকভাবে ওজন বেড়ে গেলে

📌 মনে রাখবেন:
পা ফোলা মানেই কিডনি রোগ নয়। হার্ট, লিভার, শিরার সমস্যা, কিছু ওষুধ, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এবং অন্যান্য কারণেও পা ফুলতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে নিজে নিজে কিডনি রোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা জরুরি।

🩺 সময়মতো পরীক্ষা, সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাপনে পরিবর্তনের মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখা এবং জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

👨‍⚕️ পরামর্শ ও চিকিৎসায়:
ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
সচেতন হোন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্থ থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিত কিডনি রোগীদের সঠিক তথ্য জানতে সাহায্য করুন!

🛑 কিডনি রোগীদের জন্য শাকসবজি খাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকরী পদ্ধতি: 'লিচিং' (Leaching) 🥦🩺কিডনি রোগ হলে অনেকেই ভয় পেয়ে স...
16/08/2026

🛑 কিডনি রোগীদের জন্য শাকসবজি খাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকরী পদ্ধতি: 'লিচিং' (Leaching) 🥦🩺

কিডনি রোগ হলে অনেকেই ভয় পেয়ে সব ধরনের শাকসবজি খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দেন। কিন্তু এটা একদমই ঠিক নয়! শাকসবজি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশের মূল উৎস। সবজি সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া নয়, বরং সঠিকভাবে প্রস্তুত করাই হলো মূল বিষয়।

কিডনি রোগীদের আসল সমস্যা হলো সবজিতে থাকা অতিরিক্ত পটাশিয়াম। আর এই পটাশিয়াম কমানোর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জাদুকরী পদ্ধতির নামই হলো 'লিচিং' (Leaching)। চলুন, বিস্তারিত জেনে নিই লিচিং কী, কেন করবেন এবং এর সঠিক নিয়মাবলি।

❓ লিচিং (Leaching) আসলে কী?
লিচিং হলো রান্নার বিশেষ একটি পদ্ধতি, যেখানে সবজিকে ছোট ছোট টুকরো করে প্রচুর পানিতে কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর সেই পানি ফেলে দিয়ে নতুন পানিতে সিদ্ধ করে রান্না করা হয়। এই পদ্ধতিতে সবজির স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকলেও ক্ষতিকর পটাশিয়াম উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।

👨‍🍳 লিচিং করার সঠিক ধাপ (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী):
১️⃣ প্রথমে সবজিগুলো যতটা সম্ভব ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। (এতে পটাশিয়াম সহজে বের হতে পারে)।
২️⃣ একটি পাত্রে প্রচুর পরিমাণ পানি নিয়ে তাতে সবজির টুকরোগুলো ২ থেকে ৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।
৩️⃣ নির্দিষ্ট সময় পর ভেজানো পানি সম্পূর্ণ ফেলে দিন।
৪️⃣ এবার পাত্রে নতুন প্রচুর পানি নিয়ে সবজিগুলো ৫-১০ মিনিট বা নরম হওয়া পর্যন্ত সিদ্ধ করুন।
৫️⃣ সিদ্ধ করার পর ওই পানিও অবশ্যই ফেলে দিন।
৬️⃣ সবশেষে আপনার পছন্দমতো মশলা দিয়ে রান্না করুন এবং পরিবেশন করুন!

✅ সাধারণত নিরাপদ শাকসবজি (পটাশিয়াম স্বাভাবিক থাকলে যা খাওয়া যায়):
লাউ, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, করলা, কুমড়া, পটল, বাঁধাকপি, ফুলকপি, শসা, মুলা, বেগুন, ঢেঁড়স, বরবটি এবং পরিমিত পরিমাণে শিম।

⚠️ উচ্চ পটাশিয়ামযুক্ত শাকসবজি (যেগুলো অবশ্যই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ ও লিচিং করে খেতে হবে):
আলু, মিষ্টি আলু, পালং শাক, লাল শাক, পুঁই শাক, কলমি শাক, বিট, কচু, কচুশাক এবং টমেটো (বেশি পরিমাণে)। রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে এই সবজিগুলো কম পরিমাণে খাবেন এবং খাওয়ার আগে অবশ্যই লিচিং করে নেবেন।

💡 লিচিং করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

ভিজানোর সময় পানি সবজির পরিমাণের ৬-৮ গুণ হওয়া উচিত।

ভিজানোর সময় ২-৪ ঘণ্টা হলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

সবসময় প্রতিদিনের তাজা সবজি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

লিচিং করলে পটাশিয়াম কমে, তবে ভিটামিন বি ও সি কিছুটা কমে যেতে পারে, যা স্বাভাবিক।

🌟 লিচিং কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর উপকারিতা কী?

সবজির ধরন ও লিচিংয়ের সময়ের ওপর নির্ভর করে এটি পটাশিয়াম ৩০% থেকে ৬০% পর্যন্ত কমিয়ে ফেলতে পারে।

উচ্চ পটাশিয়াম কমানোর মাধ্যমে এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমশক্তি বাড়ায়।

অতিরিক্ত পটাশিয়াম কমিয়ে কিডনি রোগীর জন্য নিরাপদ সবজি খাওয়া সম্ভব করে তোলে।

🛑 বিশেষ সতর্কতা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

শুধু "কিডনি রোগ" ধরা পড়লেই সব শাকসবজি বাদ দেবেন না।

উচ্চ পটাশিয়ামযুক্ত সবজি খাওয়ার প্রয়োজন হলে বা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকলেই চিকিৎসক লিচিংয়ের পরামর্শ দেন।

রোগীর বর্তমান অবস্থা (CKD-এর স্টেজ, ডায়ালাইসিস হচ্ছে কি না, ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে কি না এবং রক্তের পটাশিয়াম লেভেল) বিবেচনা করে খাদ্য পরিকল্পনা করা উচিত। ডায়ালাইসিস রোগীদের জন্য পটাশিয়ামের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

তাই খাবারে বড় কোনো পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই আপনার নেফ্রোলজিস্ট বা রেনাল ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিন।

🩺 নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করুন: পটাশিয়াম, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন এবং eGFR মাত্রা নজরে রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।

আপনার সচেতনতাই পারে আপনাকে সুস্থ রাখতে। কিডনি রোগ নিয়ে অযথা ভয় না পেয়ে সঠিক নিয়মগুলো মেনে চলুন।

👉 লেখাটি আপনার পরিচিত অন্য কিডনি রোগী বা তাদের পরিবারের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সচেতন করুন! 💙

👨‍⚕️ পরামর্শ ও চিকিৎসায়:
ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন
সহকারী অধ্যাপক - কিডনি রোগ বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(কিডনি রোগ ডায়ালাইসিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ)
🏥 চেম্বার:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
ভবন-১, হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
রুম নং-৪২২, ৪র্থ তলা।
🕒 রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা - রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 সিরিয়ালের জন্য কল করুনঃ 01716832360
🎧 হটলাইন:- 09666787811
সচেতন হোন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্থ থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিত কিডনি রোগীদের সঠিক তথ্য জানতে সাহায্য করুন! 💙

Address

Popular Diagnostic Center Ltd
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা: মোঃ নাসির উদ্দিন - কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share