09/08/2026
"জানুন" হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় কোন টেস্টের প্রয়োজন আছে কি-না??
হ্যাঁ,হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্যাথলজিক্যাল বা ডায়াগনস্টিক টেস্টের ব্যবহার নিয়ে সাধারণ কিছু ধারণা ও বাস্তব প্রয়োগ নিচে আলোচনা করা হলো:
১. মূল চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশনের ক্ষেত্রে
হোমিওপ্যাথির মূল নীতি হলো "রোগীর চিকিৎসা করা, রোগের নয়" (Treat the patient, not the disease) এবং "লক্ষণ সাদৃশ্য" (Similia Similibus Curentur)।
লক্ষণ সংগ্রহ: একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক মূলত রোগীর শারীরিক, মানসিক, বংশগত এবং সার্বদৈহিক লক্ষণ (Symptom Profile) বিশ্লেষণ করে ওষুধ নির্বাচন করেন।
ওষুধ নির্বাচনে টেস্টের ভূমিকা: কেবল একটি ব্লাড টেস্ট বা এক্স-রে রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে নতুন কোনো হোমিওপ্যাথি ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয় না, কারণ একই রোগে ভিন্ন ভিন্ন রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী ভিন্ন ওষুধ আসতে পারে।
২. কেন বা কখন টেস্টের প্রয়োজন হয়?
যদিও ওষুধ নির্বাচনের জন্য সার্বিক লক্ষণই প্রধান, তবুও আধুনিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় বিভিন্ন কারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা (Test) করা হয়:
সঠিক রোগ নির্ণয় (Diagnosis): রোগটি আসলে কী এবং তা কতটুকু গুরুতর (যেমন: ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা, লিভারের প্রদাহ বা টিউমার) তা নিশ্চিত হতে।
রোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ (Prognosis): চিকিৎসার ফলে রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে নাকি অবনতি হচ্ছে (যেমন: রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়ছে কি না, সিরাম ক্রিয়েটিনিন কমছে কি না) তা জানার জন্য।
জরুরি অবস্থা নির্ধারণ: রোগটি শুধুমাত্র ওষুধ দিয়ে নিরাময়যোগ্য নাকি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছে (যেমন: অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বা জরুরি আইসিইউ সাপোর্ট) তা বুঝতে।
লাইফস্টাইল ও পথ্য নির্ধারণ: যেমন—রক্তে ইউরিক এসিড বেশি থাকলে খাবারের বিধিনিষেধ কী হবে, তা প্যাথলজিক্যাল টেস্ট ছাড়া সঠিকভাবে নির্ধারণ করা কঠিন।
হোমিওপ্যাথিতে ওষুধ প্রধানত লক্ষণ দেখে নির্বাচন করা হলেও, আধুনিক যুগের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা সঠিক রোগ শনাক্তকরণ এবং রোগীর নিরাপত্তা ও অগ্রগতির মূল্যায়নের জন্য বিভিন্ন ব্লাড টেস্ট, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (USG), এক্স-রে বা এক্স-রে জাতীয় প্রয়োজনীয় পরীক্ষার সাহায্য নিয়ে থাকেন।
Dr Latif Sirazy.
Chamb: Dhaka Homoeo clinic laxmipur gpo north side Rajshahi
apartment 01789-652190
WhatsApp 01714-065108