08/05/2026
আজ ৮ই মে। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস৷
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাতে হয়, গত ৭-৮ বছরে আমাদের দেশে থ্যালাসেমিয়ার বাহকের সংখ্যা ২‰ থেকে বেড়ে ১৪‰ এ পৌঁছেছে৷
আর থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে অসংখ্য। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তানের শেষ পরিণতি মৃত্যু। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় ১৫-৩৫ বছরের সন্তানের মৃত্যুর হার বেশি৷
প্রতিমাসে রক্ত ম্যানেজ করা সাথে একটু সুস্থ রাখার চেষ্টায় দামি ঔষধ ক্রয়, প্লিহা বেড়ে যাওয়ায় অপারেশন এসব করতে করতে অধিকাংশ পরিবারই হয়ে যায় সম্বলহীন।
থ্যালাসেমিয়া থেকে সন্তানদের সুরক্ষিত রাখার উপায় আছে৷ বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় একজন ব্যক্তি থ্যালাসেমিয়ার বাহক কিনা৷ যদি স্বামী স্ত্রী উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয়, অর্থাৎ থ্যালাসেমিয়র জীবাণু যদি স্বামী-স্ত্রী উভয়ের শরীরে থাকে তবেই সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে পৃথিবীতে জন্মাবে৷
আসুন সচেতন হই, সচেতন নাগরিক হই৷ বিয়ের আগে অবশ্যই থ্যালাসেমিয়ার বাহক কিনা তা পরীক্ষা করে নেই৷ না হলে আপনার আমার সন্তানকেও এই অভিশাপ নিয়ে পৃথিবীতে এসে ধুকে ধুকে মরতে হতে পারে। আর সন্তানের করুন কষ্ট ও মৃত্যু চোখের সামনে বছরের পর বছর দেখে দেখে নিজের সব শেষ করতে হবে৷
মনে রাখবেন, সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মানোর একমাত্র কারণ বাবা-মা।