31/05/2020
লজ্জা নয় জানতে হবে
স্বপ্নদোষ, হস্তমৈথুন এবং লিঙ্গের আকৃতি নিয়ে আমার তিনটি পোস্ট একসাথে।
#স্বপ্নদোষ
আসলে স্বপ্নে কোন দোষ হয়না তবুও এই নামেই পরিচিত। তাই আমিও এই নামটাই ব্যাবহার করছি। স্বপ্নদোষ নিয়ে আমাদের সমাজে বহু ধারণা এবং ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে। অনেকে বলে স্বপ্নদোষ হলে পুরুষত্ব নষ্ট হয়, ধ্বজভঙ্গ হয়, দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা হয়, লিঙ্গের রগ ঢিলা হয়, অনেক জটিল রোগ, শরীর ভেঙ্গে যায়, চোখ কোটরে ঢুকে যায়, বৌ চলে যাবে বিয়ে করলে ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক ভয়ানক কথাবার্তা সমাজে প্রচলিত। এবং এই ধরণের মিথ্য ও অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব শুনতে পাবেন হাটে বাজারের হকারদের কাছ থেকে এবং পোস্টার মারা কবিরাজদের কাছে। তারা নানা রকম চটকদার কথা বলে ঔষুধ বিক্রি করে। আবার অনেকেই বলে ৮০ ফোটা রক্ত থেকে নাকি ১ ফোটা বীর্য তৈরী হয়!!!! হাহাহাহা... এগুলো সম্পূর্ণ ভুল কথা এবং তারা তাদের ঔষুধ বিক্রির জন্যে এ ধরণের চটকদার কথা বলে। আসলে ওদের ঔষুধ খেলেই আপনার সমস্যা তৈরী হবে। তাই হকার/ ভন্ড কবিরাজ যারা পোস্টার মেরে প্রচার করে তাদের এড়িয়ে চলুন।
"স্বপ্নদোষ", আসলে এটা কোন রোগই না।
খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এটা।
একটি গ্লাস পানি দ্বারা পূর্ণ করার পর আবার যদি পানি ঢালা হয় তাহলে কিছু পানি উপচে পড়বে স্বাভাবিক। তেমনি পুরুষের শরীও প্রতিনিয়ত বীর্য তৈরী করছে যা বীর্যথলিতে জমা হচ্ছে। যখন বীর্য থলি পূর্ণ হয় তখনও বীর্য উৎপাদন অব্যাহত থাকে। আর এই কারনে কিছু বীর্য শরীরে নিষ্ক্রিয় হয় এবং কিছু বীর্য নিজেই বের করে দেয় শরীর। এখন বীর্য বের করার জন্য তো উত্তেজনা জরুরি তাই ছেলেরা স্বপ্নে দেখে সে কোন মেয়েকে জড়িয়ে ধরেছে, কিস করছে, বা যোনীতে বা পাছাতে ঢুকাতে যাচ্ছে এমন সময়ই বীর্য নির্গত হয়ে যায়। এটা শারিরিক মেকানিজম। এটা কোনও রোগনা। এটার জন্যে কোন ঔষুধ খেতে হবেনা। মাথায় রাখতে হবে বীর্যথলি পূর্ণ হয়েছে তাই বীর্য উপচে পড়ছে। যেমন কেউ যদি স্ত্রী সহবাস করে বা হস্তমৈথুন করে নিয়মিত তাহলে তার স্বপ্নদোষ হবেনা কারন তার বীর্যথলি পূর্ণ হওয়ার আগেই সে বীর্য বের করে দিয়েছে। সহবাস/ হস্তমৈথুন বন্ধ করলে আবার স্বপ্নদোষ হবে। সহবাস/ হস্তমৈথুন করলে ২৪/৪৮ ঘন্টা লাগে আবার বীর্যথলি পূর্ণ হতে।
স্বপ্নদোষ মাসে ৪-৫ বার হলেও তা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি প্রতিদিন হয় তাহলে হোমিও/ হামদর্দের সিরাপ খেতে হবে। তাহলেই আবার স্বাভাবিক হবে।
স্বপ্নদোষ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। পর্ণ দেখা বন্ধ করুন, হস্তমৈথুন বন্ধ করুন। হস্তমৈথুন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারনা নিয় পরবর্তীতে লিখবো।
# # # # # # # # # # # #-২- # # # # # # # # # # #
হস্তমৈথুনে কেন দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা হয় এবং উত্তরণের উপায়।
প্রথমেই বলি হস্তমৈথুন হারাম এবং কবিরাহ গুনাহ, হস্তমৈথুন চরম মাত্রার পাপ ইসলামের দৃষ্টিতে। হস্তমৈথুন করা যাবেনা, করা যাবেনা, করা যাবেনা। হস্তমৈথুন বন্ধ করুন।
এবার বিস্তারিত বলি। একটা ছেলে ১৩/১৪ বছর বয়সে যখন বুঝতে পারে সে ধীরে ধীরে পুরুষ হয়ে উঠছে যৌনতা তার শরীরে আসছে ঠিক সে সময়েই সে বন্ধু/ বয়সে বড় কারো প্ররোচনায় পড়ে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়। প্রথমে প্রচন্ড সুখ পায়। কারন হস্তমৈথুনে সে তখন নতুন। শরীর কাঁপিয়ে বীর্যপাত করে চরম সুখ লাভ করে। এবং একসময় এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। সে প্রতিদিন করতে থাকে এটা। দীর্ঘসময় পর যখন তার ম্যাচিউরিটি আসে তখন সে বুঝতে পারে এটা করা ঠিক হয়নি। এবং তখন সে সার্চ করে বা জিজ্ঞেস করে হস্তমৈথুনের ক্ষতি কি কি। এবং তখনই ঘটে অঘটন।
পুরুষের সেক্স তার মস্তিষ্ক থেকে লিঙ্গে। আর নারীর সেক্স পুরো শরীরে। পুরুষের সেক্স পাওয়ার নিয়ন্ত্রন করে তার মস্তিষ্ক। এখানেই চরম ট্রিক। একটা ছেলে হস্তমৈথুন কোথায় করে? টয়লেটে বা নিজের রুমের দরজা ভিড়িয়ে। পরিবারে সদস্যদের চোখ এড়িয়ে, কেউ জেনো দেখে না ফেলে তাই সে যত দ্রুত সম্ভব যৌন সুখ লাভ করতে চায়। হস্তমৈথুনের চরিত্রই হচ্ছে দ্রুত উত্তেজনা এবং দ্রুত বীর্যপাত (Rapid excitement rapid discharge)
ছেলেটা এই দ্রুত সুখ নিতে গিয়ে প্রতিবারই দ্রুত বীর্যপাত করে, আর তার মস্তিষ্ক এটা শিখতে থাকবে। এই দ্রুত নামের software টা তার মস্তিষ্ক install করে নেয়। যার ফলে তার দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দেয় কারন ব্রেণ এটাই ধরে রেখেছে যে "তার শরীরের চাহিদা দ্রুত উত্তেজনা দ্রুত বীর্যপাত"। যখন সে স্ত্রীর সাথে মিলন করতে যায় তখনও ব্রেণ একই সিগন্যাল পাঠায় যার কারনে সে নগ্ন স্ত্রীকে দেখা মাত্রই উত্তেজিত হয়ে যায় এবং অতি দ্রুত বীর্যপাত হয়।
এটা নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হয়ে যায় কারন দীর্ঘদিনের অভ্যাস হয়ে গেছে।
তারউপর সে প্রতিনিয়ত শুনছে যে এটা কঠিন রোগ এটা ভালো হবেনা, বিরাট ক্ষতি করে ফেলেছে। হকার, ভন্ড কবিরাজ এবং সমাজের কিছু মানুষ তার মাথায় এসব ঢুকিয়ে দিয়েছে যেমনঃ
১. এখন তার ধ্বজভঙ্গ হবে
২. রগ ঢিলা হবে
৩. বৌ পরকীয়া করবে সে চেয়ে চেয়ে দেখবে।
এসব শুনে ছেলেটা প্রচন্ড ভয় পায় এবং তার সমস্যা বাড়তে থাকে দিনে দিনে। কারন তার ব্রেণ আগে থেকেই তাকে অপরাধ বোধে ভুগাচ্ছে এবং এখন সে এসব ভয়ানক কথা শুনছে। এসব শুনতে শুনতে সে সত্যিই একসময় ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত হবে, সত্যিই তার লিঙ্গের রগ ঢিলা হবে। কারন ব্রেণ ব্লাড সার্কুলেশন করছেনা তার লিঙ্গে।একসময় সে নপুংসক হয়ে যাবে।
আসলে হস্তমৈথুনের কারনে সৃষ্ট দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা ভালো হয়। কারন এটা রোগ নয় এটা মানুষিক সমস্যা। সত্যিই ভালো হবে। কিন্তু সেটার জন্যে প্রচন্ড ধৈর্য লাগবে। পাপ করেছেন খেসারত তো একটু দিতেই হবে। এজন্যে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। কান্নাকাটি করে মাফ চাইতে হবে এবং প্রতিশ্রুতি দিতে হবে জীবনে আর এ কাজ করবোনা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে কোরআন পড়তে হবে। পর্ণ ভিডিও দেখা যাবেনা, প্রেমিকা থাকলে বেশি বিপদ। কারন শয়তানের কাজই হচ্ছে প্রেম করানো আবেগে ফেলে ঘনিষ্ট করা। প্রেমিকাকে যত দ্রুত সম্ভব বিয়ে করে নিতে হবে নয়ত আবেগি কথা বলা যাবেনা।
হস্তমৈথুনে পুরোপুরি ছেড়ে দিলে বীর্য আবার ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকবে এবং শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। শিমুলের মূল টানা ২ মাস সকাল বেলা খালি পেটে চিবিয়ে খেলে বীর্য ঘন হবে সাদা হবে।
তারপরও ভালো না হলে একজন যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বললেই আপনার সমস্যা দূর হবে। হোমিও ঔষুধেও কাজ হবে।
বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন সমস্যার খুব ভালো ট্রিটমেন্ট আছে।
সবাই হস্তমৈথুন পরিহার করুন, খেসারত দিতে হবে অনেক। সুস্থভাবে বাঁচুন। একসময় বিয়ে হবে তখন বৌকে দিয়ে চাহিদা মিটাবেন এটা মাথায় রাখুন। লিঙ্গ কি হাতে ব্যাবহার করার জন্যে??? তাই হস্তমৈথুন পরিহার করুন এবং সেই সাথে প্রচলিত ভুল ধারণা গুলোও পরিহার করুন। মাথাতে কোন দুঃশ্চিন্তা নিবেননা। পড়ালেখা বা নিজের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকুন সব ঠিক হয়ে যাবে ধীরে ধীরে।
# # # # # # # # # # # #-৩- # # # # # # # # # # # # #
পুরুষ লিঙ্গের আকৃতি এবং নারী পুরুষের বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণা:
লিখাটা অতি মাত্রায় ১৮+ তাই সবাই স্বাভাবিক ভাবে নিবেন আশা করি। (এখানে নারী বলতে নিজের স্ত্রীকে বুঝে নিবেন, স্ত্রী ব্যাতীত পরনারীর সাথে সম্পর্ক করা মহা পাপ এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে)
প্রতিটি পুরুষ চিন্তা করে তার লিঙ্গ নিয়ে এবং দুনিয়াতে ৯৯% পুরুষ তাদের লিঙ্গ নিয়ে অসন্তুষ্ট😄 বাকি ১% আছে যাদের লিঙ্গ থাকা বা না থাকাতে কিছু যায় আসেনা 😎
প্রতিটি পুরুষ ভাবে ইশশ আমার লিঙ্গ যদি আরো বড় হতো আরো মোটা হতো তাহলে কতোইনা ভালো হতো। তাই প্রতিদিন এই চিন্তাটা তার মাথাতে অাসবেই।.
এবার বলি কেন এমন চিন্তা আসে মাথাতে:
👉প্রথমত আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাটাই বাধ্য করেছে পুরুষকে লিঙ্গ নিয়ে ভাবতে। কারন সমাজ শিখিয়েছে ইয়া বড় তাগড়া মোটা লিঙ্গ হলে সে অাসল পুরুষ! নারীকে কাবু করতে হলে বড় লিঙ্গ হতেই হবে এমনটাই আমরা শুনছি যুগযুগ ধরে। এমনকি এদেশের অনেক নারীও বিয়ের আগে কল্পনা করে তার স্বামীর লিঙ্গ নিয়ে। রাস্তার ধারে হকার, বিজ্ঞাপন দেওয়া কবিরাজ আমাদের কানে এসব ঢুকিয়ে যাচ্ছে যুগেযুগে।
👉দ্বিতীয় কারন পর্ণ মুভি! এই স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের যুগে পর্ণগ্রাফি সহজলভ্য একটা জিনিস। পর্ণ মুভিতে আমরা দেখি বড় বড় লিঙ্গওয়ালা পুরুষদের। আর দেখি নারীদের যারা অনায়াসে সেসব বড় লিঙ্গ নিজের মধ্যে নিচ্ছে। ঘন্টা ধরে সেক্স করছে। আসলে পর্ণ মুভিতে যা দেখানো হয় তা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। ক্যামেরার এঙ্গেল চেঞ্জ করে করে অনেক কাট ছাঁট করে থেমে থেমে ওসব ভিডিও বানানো হয়। একটু খেয়াল করলেই বিষয়টা বুঝতে পারবেন। তাই পর্ণ মুভির পুরুষদের লিঙ্গের সাথে নিজের লিঙ্গের তুলনা করাটা নিছক বোকামী এবং এতে আপনার মনোবল ভেঙ্গে যাবে।
আরেকটা কথা দুনিয়ার কোন বীর পুরুষই একটানা জাস্ট একটানা ১০ মিনিটের বেশি টিকে থাকতে পারবেনা যদিনা সে থেমে থেমে না করে, এটা মাথায় রাখুন। তাই পর্ণ মুভি দেখা বাদ দিন।
লিঙ্গের সাইজ কেমন হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে বংশের উপর। আপনার পূর্বপুরুষের উপর। বাপ দাদা পরদাদার উপর। আর আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তাই দিয়েছেন যা আপনার জন্যে দরকার। একেক দেশের মানুষের একেক ধরণের লিঙ্গের আকৃতি হয়।
লিঙ্গের সাইজ হয় গড়ে ৫ ইঞ্চি। কারো এর চেয়ে ১ ইঞ্চি কম কারো বেশি। অর্থাৎ একটা রেঞ্জ যদি বলি তাহলে লিঙ্গের সাইজ দাঁড়ায় ৪-৬ ইঞ্চি। এমনকি সাড়ে ৩ ইঞ্চি লিঙ্গও যদি হয় তবুও তা স্বাভাবিক। আর দুনিয়াতে মাত্র ২% মানুষ আছে যাদের লিঙ্গ ৭ ইঞ্চির বেশি হয় এবং এদের মধ্যে আসলে যৌন তৃপ্তি কম। কারন এরা সম্পূর্ণ লিঙ্গ ঢুকিয়ে স্টিমুলেট করতে পারেনা। ফ্রিকুয়েন্সি কম এদের। নারীরা সুখের বদলে ব্যাথা পায় এতে।
আপনি হাতে একটা স্কেল/ টেপ নিয়ে দেখুন ৪ ইঞ্চি কত গভীরে যেতে পারে।
লিঙ্গ উত্তেজিত হলে আয়নার সামনে দাঁড়াবেন বা ছোট অায়না পাশ থেকে ধরবেন, নিচের দিক থেকে ধরবেন তাহলেই বুঝবেন যে আপনার লিঙ্গও অনেক বড় আর মোটা। আমরা উপর থেকে দেখি জন্যে ছোট দেখতে লাগে লিঙ্গ। উপর থেকে সব জিনিসই ছোট দেখায়।
নারীকে তৃপ্তি দিতে ইয়া বড় লিঙ্গের দরকার হয়না। দরকার হয়না অনেক্ষণ সেক্স করার।কারন নারীর মূখ্য যৌন সুখের সেন্সরগুলো তাদের পুরো শরীরে অবস্থিত এবং চুড়ান্ত সুখের সেন্সর যোনীর মাত্র ২.৫ ইঞ্চির মধ্যেই অবস্থিত । নারীকে কখনোই শুধু যোনীতে ঢুকিয়ে কাবু করা যাবেনা বা মন জয় করা যাবেনা। কারন নারীর সেক্স পুরু শরীরে থাকে। এটা নারীরাও জানেনা। স্ত্রীর মন জয় করতে হলে তাকে পর্যাপ্ত আদর করতে হবে। পুরো শরীরে আদর করতে হবে। অাস্তে আস্তে ভালোবাসার কথা বলতে হবে। সে আদরে তৃপ্তি পাচ্ছে কিনা তা জিজ্ঞেস করতে হবে, আপনি তার প্রতি কতোটা নিবেদিত তা জানাতে হবে। একটু n**e কথাও বলতে হবে, স্ত্রীর সাথে সব জায়েজ। শুধু আসলেন সুয়ে পড়লেন আর করা শুরু করে দিলেন তাহলে ঐ স্ত্রীকে আপনি কখনোই কমপ্লিট অর্গাজম দিতে পারবেননা। অর্গাজম দিতে হলে একজন যুবতী নারীকে গড়ে ২০ মিনিট আদর করতে হয়। আদর করা মানে তার শরীর নিয়ে ইচ্ছামত খেলা করা। তারপর সে পাগল হয়ে নিজেই চাইবে আপনাকে ভিতরে নিতে, আর তখন যদি আপনি করেন তাহলে খুব কম সময়েই তাকে কমপ্লিট অর্গাজম দিতে পারবেন। আপনি তখন তার চোখে সেরা পুরুষ। আপনার লিঙ্গের সাইজের দিকে তার খেয়ালই যাবেনা কখনো। সুখের আবেশে সে মুগ্ধ হয়ে থাকবে।
তাই নিজের লিঙ্গ নিয়ে আপসোস করা বাদ দিয়ে লিঙ্গের যত্ন নিন। নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। হস্তমৈথুন বাদ দিন। লিঙ্গের চামড়া সুস্থ হলে সেটা আপনার স্ত্রীর মনে পজেটিভ প্রভাব ফেলতে বাধ্য। সকল আবেগ ভালোবাসা যৌনশক্তি আপনার স্ত্রীর জন্যে সঞ্চয় করে রাখুন।
ভালো থাকবেন সবাই।😍😍