Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur

Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur আপনার বিশ্বস্ত রুকইয়া ও হিজামা সেন্টার এখন রংপুরে!

10/08/2026

জিন শয়তানকে শাস্তির রুকইয়াহ

09/08/2026

আপনি কি কোনো কিছুতে খুব কষ্ট পাচ্ছেন?
নিচের এই দুটি হাদিস পড়ুন, অন্তরে শান্তি পাবেন!

১. আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"যদি কোনো বান্দার গুনাহ বা পাপ অনেক বেশি হয়ে যায় এবং তা মুছে ফেলার মতো পর্যাপ্ত নেক আমল তার না থাকে, তবে আল্লাহ তাআলা তাকে 'হতাশা বা চিন্তায়' (মনোকষ্টে) مبتلا (আক্রান্ত) করেন, যাতে তা তার গুনাহের কাফফারা (পাপমোচন) হয়ে যায়।"
[ মুসনাদে আহমাদ: ২৫২৩৬ ]

২. আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"কোনো মুসলিম যখনই কোনো ক্লান্তি, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট, মানসিক যন্ত্রণা বা উদ্বেগের সম্মুখীন হয়—এমনকি যদি তার পায়ে একটি কাঁটাও ফোটে—আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার কিছু গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
[ সহীহ আল-বুখারী: ৫৬৪১, ৫৬৪২ ]

08/08/2026

🛡️ বদনজর ও হিংসার অনিষ্ট থেকে বাঁচতে ১০টি আমল ও করণীয়

কেউ আপনার প্রতি হিংসা করল, বদনজর দিল বা আপনার ক্ষতি করতে চাইল, তাই বলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
মনে রাখুন, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো সৃষ্টিই আপনার ক্ষতি করতে পারে না।

আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বদনজর, হিংসা ও মানুষের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করেছেন:

১. আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন
সব ধরনের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান। নিয়মিত দোয়া ও মাসনূন যিকিরের মাধ্যমে নিজেকে আল্লাহর হেফাজতে সঁপে দিন।

২. তাকওয়া অবলম্বন করুন
আল্লাহর আদেশ পালন করুন এবং তাঁর নিষেধ থেকে দূরে থাকুন। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরি করেন।

৩. সবর করুন
হিংসুক বা শত্রুর আচরণে অস্থির না হয়ে ধৈর্য ধরুন। প্রতিটি কথার জবাব দেওয়া জরুরি নয়। অনেক সময় নীরবতা ও সবরই সবচেয়ে শক্তিশালী জবাব।

৪. আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করুন
মনে বিশ্বাস রাখুন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক: ৩)

৫. হিংসুককে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না
কে হিংসা করছে, কে কী বলছে, কে ক্ষতি করতে পারে, এসব নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তা করে নিজের মনকে দুর্বল করবেন না। আপনার হৃদয়কে আল্লাহর সঙ্গে ব্যস্ত রাখুন।

৬. আল্লাহর প্রতি ইখলাস রাখুন
আপনার ভয়, আশা, ভালোবাসা, ইবাদত ও নির্ভরতা আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করুন। ইখলাস বান্দার জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তার কারণ।

৭. আন্তরিক তওবা করুন
নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। কারণ আল্লাহ বলেন:
«“তোমাদের ওপর যে বিপদ আসে, তা তোমাদের হাতের কামাইয়ের কারণে; আর তিনি অনেক কিছু ক্ষমা করে দেন।” (সূরা আশ-শূরা: ৩০)

৮. সদকা ও ইহসান করুন
সাধ্যমতো দান-সদকা করুন এবং মানুষের উপকার করুন। নেক কাজ বিপদাপদ দূর হওয়ার অন্যতম মাধ্যম।

৯. মন্দের জবাব উত্তম আচরণ দিয়ে দিন
কেউ কষ্ট দিলে সম্ভব হলে উত্তম আচরণ করুন। আল্লাহ বলেন:
«“মন্দকে এমন পন্থায় প্রতিহত করো, যা উত্তম; তখন দেখবে, যার সঙ্গে তোমার শত্রুতা ছিল, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।” (সূরা ফুসসিলাত: ৩৪)

১০. তাওহীদকে দৃঢ় করুন এটাই সবচেয়ে বড় দুর্গ।

বিশ্বাস রাখুন, আল্লাহই সবকিছুর মালিক ও নিয়ন্ত্রক। তাঁর অনুমতি ছাড়া কোনো সৃষ্টিই স্বাধীনভাবে আপনার উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না।

⚠️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

বদনজর বা হিংসার ভয় যেন আপনাকে মানুষের প্রতি অতিরিক্ত ভীত না করে ফেলে।
রুকইয়াহ করুন, দোয়া করুন, প্রয়োজনীয় আমল করুন, কিন্তু অন্তরকে আল্লাহর ওপরই নির্ভরশীল রাখুন।

কারণ—
রুকইয়াহ মাধ্যম,
দোয়া মাধ্যম,
আমল মাধ্যম,
আর প্রকৃত হেফাজতকারী একমাত্র আল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বদনজর, হিংসা, যাদু এবং সব ধরনের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন।
آمين يا رب العالمين 🤲

📌 পোস্টটি উপকারী মনে হলে অন্যদের কাছে পৌঁছে দিন। হয়তো আপনার একটি শেয়ার কারও উপকারের কারণ হয়ে যাবে।

06/08/2026

বদনজর সত্য ⚡

কখনো কখনো জিন, যাদু, বদনজর কিংবা হিংসার প্রভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন কষ্টের মধ্যে থাকতে থাকতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।...
05/08/2026

কখনো কখনো জিন, যাদু, বদনজর কিংবা হিংসার প্রভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন কষ্টের মধ্যে থাকতে থাকতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মনে হয়, এই কষ্টের হয়তো কোনো শেষ নেই। চারপাশের মানুষও হয়তো তার কষ্ট বুঝতে পারে না। একাকীত্ব, ভয়, দুশ্চিন্তা ও হতাশা তখন হৃদয়কে আরও দুর্বল করে দেয়।

কিন্তু মনে রাখবেন, আপনার কষ্ট যত দীর্ঘই হোক, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত।

একাকী কোনো সময় একটু থেমে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলোর কথা চিন্তা করুন। আপনি এখনো শ্বাস নিতে পারছেন, খাবার খেতে পারছেন, আল্লাহকে ডাকতে পারছেন, কুরআন পড়তে পারছেন, তাওবা করতে পারছেন এবং নতুন করে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন। হয়তো সবকিছু আপনার মনের মতো নেই, কিন্তু আল্লাহ এখনো আপনাকে অসংখ্য নেয়ামতের মধ্যে রেখেছেন।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন দুনিয়ার সফর শেষ করে চলে গেলেন, তখন সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম কতটা গভীর শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছিলেন, তা কল্পনা করুন। যাঁর সান্নিধ্যে তারা ঈমানের প্রশান্তি পেতেন, যাঁর কাছে নিজেদের সব সমস্যা নিয়ে ছুটে যেতেন, যাঁকে তারা নিজেদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন, তিনি হঠাৎ তাদের মাঝে আর নেই।

সেদিনও পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম ভেঙে পড়েও থেমে যাননি। তারা আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছেন, দ্বীনের পথে অটল থেকেছেন এবং ধৈর্য ও ঈমানের মাধ্যমে সেই কঠিন সময় অতিক্রম করেছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন:
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।” (সূরা আলাম নাশরাহ: ৫-৬)

আপনার বর্তমান কষ্টই আপনার পুরো জীবনের গল্প নয়। আজ যে কষ্ট আপনাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, আল্লাহ চাইলে একদিন সেটিই আপনার ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি ভরসাকে আরও শক্তিশালী করে দিতে পারে।

আপনি যদি জিন, যাদু, বদনজর বা হিংসার কষ্টে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে ভয় ও হতাশার কাছে নিজেকে ছেড়ে দেবেন না। নিয়মিত সালাত আদায় করুন, কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ান, সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন যিকির করুন এবং সঠিক নিয়মে রুকইয়াহ চালিয়ে যান। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শও গ্রহণ করুন।

মনে রাখবেন, শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।
রুকইয়াহ হলো আল্লাহর কাছে শিফা প্রার্থনার একটি মাধ্যম। আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার জন্য কল্যাণের ফয়সালা করেন, তখন কোনো জিন, যাদু, বদনজর বা হিংসা তার ক্ষতি করতে পারে না, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া।

তাই হতাশ হবেন না।
আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন।
দোয়া ছাড়বেন না।
আমল ছাড়বেন না।
রুকইয়াহর পথ থেকে সরে যাবেন না।
ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাহায্যের অপেক্ষা করুন।

হয়তো আপনার শিফা খুব কাছেই। হয়তো এই কষ্টের পরেই আল্লাহ আপনার জন্য এমন প্রশান্তি রেখেছেন, যা আজ আপনি কল্পনাও করতে পারছেন না।

আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না। আপনার রব আপনাকে দেখছেন, আপনার কষ্ট জানেন এবং আপনার প্রতিটি অশ্রুর হিসাব রাখেন।

“আর যখন আমার বান্দারা তোমার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন নিশ্চয়ই আমি অতি নিকটে। আহ্বানকারী যখন আমাকে আহ্বান করে, আমি তার আহ্বানে সাড়া দিই।” -(সূরা বাকারা: ১৮৬)

04/08/2026

আমাদের কাছে মৃত্যুর চেয়ে, ভবিষ্যতের চিন্তা বেশী। অথচ মৃত্যুই ভবিষ্যৎ। যা আপনাকে আমাকে চিরস্থায়ী জান্নাত বা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে।

এজন্যই একজন উল্লেখযোগ্য সাহাবি (রা:) মৃত্যুর স্মরণ ও কবরের কথা শুনলে বেশী কাঁদতেন। বলতে পারবেন সেই সম্মানিত সাহাবির নাম কি?

03/08/2026

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম, তখন তিনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন।
আমি তাঁর ওপর আমার হাত রাখলে তাঁর গায়ের চাদরের ওপর থেকেই শরীরের প্রচণ্ড তাপ অনুভব করলাম।
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! কত তীব্র জ্বর আপনার। তিনি বলেন, আমাদের (নবী-রাসুলদের) অবস্থা এমনই হয়ে থাকে। আমাদের ওপর দ্বিগুণ বিপদ আসে এবং দ্বিগুণ পুরস্কারও দেওয়া হবে।
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! কার ওপর সর্বাধিক কঠিন বিপদ আসে? তিনি বলেন, নবীদের ওপর।
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! তারপর কার ওপর?
তিনি বলেন, তারপর নেককার বান্দাদের ওপর।
তাদের কেউ এতটা দারিদ্র্যপীড়িত হয় যে, শেষ পর্যন্ত তার কাছে তার পরিধানের কম্বল ছাড়া আর কিছুই থাকে না। তাদের কেউ বিপদে এত শান্ত ও উৎফুল্ল থাকে, যেমন তোমাদের কেউ ধন-সম্পদ প্রাপ্তিতে আনন্দিত হয়ে থাকে।
(ইবনে মাজাহ: ৪০২৪)

তাই মুমিন কখনো হতাশ হয় না, হীনমন্যতায়ও ভুগে না। বিপদ তার ঈমানকে আরও বাড়িয়ে দেয়। কষ্ট তাকে আরও শক্তিশালী গড়ে তোলে।

02/08/2026

রুকইয়াহ শুধু কিছু আয়াত পড়া বা শোনা নয়।
রুকইয়াহর সঙ্গে প্রয়োজন:

✓ ঈমানের উন্নতি
✓ সালাতের প্রতি যত্ন
✓ কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক
✓ নিয়মিত দোয়া ও যিকির
✓ গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা
✓ ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল
✓ নিজের চিন্তা ও জীবনযাপনের পরিবর্তন

আলহামদুলিল্লাহ! আজকের রুকইয়াহ সফর,        ঘোড়াঘাট,দিনাজপুর।
01/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ! আজকের রুকইয়াহ সফর,
ঘোড়াঘাট,দিনাজপুর।

31/07/2026

শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ

🔘 সূরা আল-কাহফ পাঠ করা

🔘 অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ”]

🔘 বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া
[“আস্তাগফিরুল্লাহ”]

🔘 আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা।

Address

Rangpur City
Rangpur

Telephone

+8801750435735

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur:

Shortcuts

Share