Dr.A S M Aktaruzzaman Jibon

Dr.A S M Aktaruzzaman Jibon সচেতনতাই হতে পারে আপনার
আমার রোগ মুক্তির প্রধান কারণ।

‎৬ মাস ধরে দাদ (দাউদ)—বারবার একই ভুল, তাই পুরো শরীরে ছড়িয়ে গেছে।‎‎আজ চেম্বারে একজন রোগী এলেন গলা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায়...
28/03/2026

‎৬ মাস ধরে দাদ (দাউদ)—বারবার একই ভুল, তাই পুরো শরীরে ছড়িয়ে গেছে।

‎আজ চেম্বারে একজন রোগী এলেন গলা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দাদ (দাউদ) নিয়ে।

রোগীর কাছ থেকে যে ইতিহাস পাওয়া গেল—
‎👉 প্রায় ৬ মাস ধরে দাদ (দাউদ)।
‎👉 বারবার ব্যবহার করেছেন Dermomix ও Pevison cream.
‎👉 ব্যবহার করলে অল্প সময়ের জন্য ভালো হয়।
‎👉 বন্ধ করলেই আবার নতুন করে ওঠে।
‎👉 ধীরে ধীরে এখন পুরো শরীরে ছড়িয়ে গেছে।

এটিকে আমরা বলি —Tinea corporis.
‎এবং এটি এখন chronic dermatophytosis আকার নিয়েছে। যাকে এখন বলা হয় Tinea Incognito.

‎কেন বারবার দাদ ফিরে আসে?
‎সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো—
‎🔴 স্টেরয়েড মিশ্রিত ক্রিম ব্যবহার করা
‎যেমন—
‎👉 Dermomix
‎👉 Betnovate-N
‎👉 Pevisone
‎👉 Fungidal Hc
‎👉 Ezex
‎👉 Facid HC, BT
‎👉 Topiclo S, NN
‎👉 Combosid
‎👉 Combo 4
‎👉 Debolin (যদিও স্টেরয়েড নয়, তবে এটি Psoriasis রোগের ঔষধ)।
‎এই ধরনের ক্রিমে সাধারণত স্টেরয়েড + অ্যান্টিফাঙ্গাল + অ্যান্টিবায়োটিক থাকে।
‎এগুলো সাময়িকভাবে চুলকানি কমায়, কিন্তু ভিতরের ছত্রাক পুরোপুরি নষ্ট করতে পারে না।
‎ফলে—
‎✔ দাগ সাময়িকভাবে হালকা হয়।
‎✔ কিন্তু রোগ ভিতরে থেকে যায়।
‎✔ পরে আরও বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

‎⚠️ কখন বুঝবেন রোগ জটিল হয়ে গেছে?
‎🔹 ২–৩ মাসের বেশি সময় ধরে আছে।
‎🔹 বারবার একই জায়গায় ফিরে আসে।
‎🔹 শরীরের অনেক জায়গায় ছড়িয়ে গেছে।
‎🔹 আগের চিকিৎসায় পুরোপুরি ভালো হয়নি।
‎🔹 স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার করার ইতিহাস আছে।

‎আপনাদের এমন সমস্যা থাকলে করণীয় (সাধারণ নির্দেশনা)—
‎✔ সঠিক রোগ নির্ণয় করে পূর্ণ সময় চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নেওয়া।
‎✔ মাঝপথে ওষুধ বন্ধ না করা।
‎✔ ব্যক্তিগত কাপড়, তোয়ালে আলাদা ব্যবহার করা।
‎✔ শরীর পরিষ্কার ও শুকনা রাখা।
‎✔ পরিবারের অন্য সদস্যদের থাকলে একসাথে চিকিৎসা দেওয়া।

‎দাদ (দাউদ) একটি সাধারণ রোগ, কিন্তু ভুল চিকিৎসা করলে এটি দীর্ঘস্থায়ী ও ছড়ানো রোগে পরিণত হয়।
‎বিশেষ করে স্টেরয়েড মিশ্রিত ক্রিম নিজের ইচ্ছায় ব্যবহার করলে রোগ আরও জটিল হয়ে যেতে পারে।
‎সঠিক চিকিৎসা ও ধৈর্যই দাদ সম্পূর্ণ ভালো হওয়ার মূল চাবিকাঠি।

‎চিকিৎসার প্রয়োজনে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। "ধন্যবাদ"

‎৩ মাস ধরে দাদ, এখন আক্রান্ত পুরো পরিবার — ভুল চিকিৎসায় রোগ দীর্ঘস্থায়ী।‎‎আজ চেম্বারে আসা একজন রোগী প্রায় ৩ মাস ধরে দাদ ...
27/03/2026

‎৩ মাস ধরে দাদ, এখন আক্রান্ত পুরো পরিবার — ভুল চিকিৎসায় রোগ দীর্ঘস্থায়ী।

‎আজ চেম্বারে আসা একজন রোগী প্রায় ৩ মাস ধরে দাদ (ringworm) নিয়ে ভুগছেন।
‎শুধু একজন নয়, তার পরিবারের ৫ জন সদস্য একই রোগে আক্রান্ত।
‎রোগীর ভাষ্য অনুযায়ী—
‎👉 শুরুতে ছোট একটি দাগ ছিল।
‎👉 মানুষের কথা শুনে নিজে নিজে বিভিন্ন মলম ব্যবহার করেছেন।
‎👉 বিশেষ করে স্টেরয়েড মলম ব্যবহার করেছেন।
‎👉 ব্যবহার করলে কিছুদিন আরাম হয়েছে।
‎👉 পরে আবার নতুন করে দাগ হয়েছে।
‎👉 এভাবে ৩ মাস পার হয়ে গেছে।
‎অবশেষে আজ চিকিৎসার জন্য এসেছেন।


‎🎯 এটি হলো Tinea corporis.
‎দীর্ঘদিন ভুল বা অসম্পূর্ণ চিকিৎসার কারণে এখন 👉 এটি Tinea incognito আকার নিয়েছে।
‎অর্থাৎ, স্টেরয়েড ব্যবহারের কারণে রোগের স্বাভাবিক চেহারা বদলে গিয়ে আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।

‎⚠️ কেন রোগটি এতদিন ভালো হয়নি?
‎মূল কারণগুলো—
‎🔹 নিজের মতো ওষুধ ব্যবহার।
‎🔹 স্টেরয়েড মলম ব্যবহার।
‎🔹 নির্দিষ্ট সময়ের আগে ওষুধ বন্ধ করা।
‎🔹 পরিবারের সবাই একসাথে চিকিৎসা না নেওয়া।
‎🔹 কাপড়, তোয়ালে, বিছানা শেয়ার করা।


‎এই রোগী ৩ মাস ধরে ভুল চিকিৎসা করেছেন এবং পরিবারে একাধিক সদস্য আক্রান্ত।
‎তাই এখন সম্পূর্ণ ভালো হতে সময় লাগতে পারে—
‎প্রায় ৪–৬ মাস নিয়মিত ও সঠিক চিকিৎসায়।
‎কারণ—
‎👉 ফাঙ্গাস গভীরে ছড়িয়ে গেছে।
‎👉 স্টেরয়েড ব্যবহারে রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে।
‎👉 বারবার reinfection হয়েছে।

‎🚨 গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা—
‎⚠️ দাদ হলে কখনোই নিজের মতো স্টেরয়েড মলম ব্যবহার করবেন না।
‎⚠️ এতে সাময়িক আরাম হলেও রোগ ভেতরে ভেতরে বাড়তে থাকে।
‎⚠️ পরে চিকিৎসা কঠিন ও দীর্ঘ সময় লাগে।

‎যাদের পরিবারে এমন সমস্যা আছে তাদের জন্য করণীয় ও পরামর্শ —
‎✔ পরিবারের সব আক্রান্ত সদস্য একসাথে চিকিৎসা নিন।
‎✔ ব্যক্তিগত কাপড় ও তোয়ালে আলাদা ব্যবহার করুন।
‎✔ আক্রান্ত জায়গা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
‎✔ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পূর্ণ সময় ওষুধ ব্যবহার করুন।
‎✔ মাঝপথে ওষুধ বন্ধ করবেন না।

‎দাদ একটি সাধারণ রোগ, কিন্তু ভুল চিকিৎসা করলে এটি—
‎👉 মাসের পর মাস চলতে পারে এবং পুরো পরিবারে ছড়িয়ে যেতে পারে।
‎👉 সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে রোগ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে,
‎👉 আর দেরি করলে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে।

‎সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

‎Tinea corporis রোগে যখন না বুঝে স্টেরয়েড দেওয়া হয়—তখন কী হয়? দেখুন বাস্তব চিত্র—‎‎চেম্বারে প্রায়ই এমন রোগী আসেন—‎👉 শরীর...
24/03/2026

‎Tinea corporis রোগে যখন না বুঝে স্টেরয়েড দেওয়া হয়—তখন কী হয়? দেখুন বাস্তব চিত্র—

‎চেম্বারে প্রায়ই এমন রোগী আসেন—
‎👉 শরীরে দাদ ছিল।
‎👉 ফার্মেসি বা অন্য জায়গা থেকে স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম দেওয়া হয়েছে।
‎👉 প্রথমে একটু ভালো লেগেছে।
‎👉 তারপর দাগ বড় হয়েছে, ছড়িয়ে গেছে, চুলকানি বেড়েছে।
‎এটাই হলো ভুল চিকিৎসার ক্লাসিক উদাহরণ।

‎স্টেরয়েড দিলে আসলে কী ঘটে?
‎স্টেরয়েড লাগালে—
‎🔹 লালভাব কমে যায়
‎🔹 চুলকানি সাময়িক কমে
‎🔹 রোগী ভাবে “ভালো হয়ে গেছে”
‎কিন্তু ভিতরে ভিতরে—
‎👉 ফাঙ্গাস মারা যায় না।
‎👉 রোগের আসল চেহারা বদলে যায়।
‎👉 ইনফেকশন আরও গভীরে ও বড় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
‎এই অবস্থাকে বলা হয়—
‎👉 Tinea incognito.

‎⚠️ তখন রোগের চেহারা কেমন হয়?
‎🔸 দাগের সীমানা স্পষ্ট থাকে না।
‎🔸 জায়গা বড় ও ছড়িয়ে যায়।
‎🔸 রঙ কালচে/লালচে/সাদা হয়ে যায়।
‎🔸 বারবার ফিরে আসে।
‎🔸 চিকিৎসা কঠিন হয়ে যায়।

‎ সবচেয়ে বড় ভুল—
‎🚫 দাদ দেখলেই স্টেরয়েড দেওয়া।
‎🚫 combo cream (স্টেরয়েড + antifungal) ব্যবহার।
‎🚫 ২–৩ দিন ভালো লাগলে চিকিৎসা বন্ধ।
‎🚫 অন্যের প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ নেওয়া।

‎✅ সঠিক করণীয় ও পরামর্শ —
‎✔ শুরুতেই সঠিক রোগ নির্ণয়।
‎✔ শুধুমাত্র উপযুক্ত antifungal treatment.
‎✔ পুরো সময় ধরে চিকিৎসা চালানো।
‎✔ শরীর শুকনো রাখা।
‎✔ পরিবারের অন্যদেরও চিকিৎসা নেওয়া।

‎📣 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ —
‎👉 দাদ রোগে স্টেরয়েড দেওয়া মানে আগুনে ঘি ঢালা।
‎👉 সাময়িক আরাম দিলেও শেষ পর্যন্ত রোগকে আরও জটিল করে তোলে।

‎“দাদ ভালো না হয়ে বারবার বাড়ছে—এটাই সবচেয়ে বড় সংকেত যে কোথাও ভুল চিকিৎসা হয়েছে।

‎দাদ দাউদ নিয়ে সমাধান বা চিকিৎসা নিতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। "ধন্যবাদ"

‎বারবার চুলকায়, শুষ্ক হয়, দাগ পড়ে যাচ্ছে?‎‎আজ চেম্বারে এমন একজন রোগী এলেন, যার হাতে ছোট ছোট দাগ, শুষ্কতা, হালকা রুক্ষভাব...
22/03/2026

‎বারবার চুলকায়, শুষ্ক হয়, দাগ পড়ে যাচ্ছে?

‎আজ চেম্বারে এমন একজন রোগী এলেন, যার হাতে ছোট ছোট দাগ, শুষ্কতা, হালকা রুক্ষভাব এবং চুলকানির সমস্যা রয়েছে।

‎অনেকেই এগুলোকে সাধারণ এলার্জি, ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা সামান্য চর্মরোগ ভেবে অবহেলা করেন।

‎👉 এই রোগীর রোগর নাম Atopic Dermatitis.


‎Atopic Dermatitis কী?
‎Atopic Dermatitis হলো ত্বকের একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত ও চুলকানিযুক্ত সমস্যা।
‎এতে ত্বক সাধারণত হয়—
‎🔹 শুষ্ক
‎🔹 সংবেদনশীল
‎🔹 চুলকানিযুক্ত
‎🔹 কিছু জায়গায় কালচে বা খসখসে

‎এটি অনেক সময় ওঠানামা করে, মানে কিছুদিন ভালো থাকে, আবার কিছুদিন বেড়ে যায়।


‎⚠️ সাধারণ লক্ষণ:
‎🔹 ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।
‎🔹 বারবার চুলকানি।
‎🔹 রুক্ষ বা খসখসে ভাব।
‎🔹 ছোট ছোট দাগ বা patch.
‎🔹 চুলকাতে চুলকাতে কালচে দাগ পড়ে যাওয়া।
‎🔹 ভাঁজের জায়গায় বেশি হওয়া।

‎কেন হয়?
‎এর পেছনে কয়েকটি কারণ থাকে—
‎👉 ত্বকের barrier দুর্বল হয়ে যাওয়া।
‎👉 এলার্জির প্রবণতা।
‎👉 অতিরিক্ত শুষ্কতা।
‎👉 ধুলাবালি, ঘাম, সাবান, ডিটারজেন্ট।
‎👉 পারিবারিক history.


‎কী করলে বাড়তে পারে?
‎🔸 অতিরিক্ত চুলকানো।
‎🔸 কড়া সাবান ব্যবহার।
‎🔸 বারবার ডিটারজেন্ট বা কেমিক্যালের সংস্পর্শ।
‎🔸 ত্বক শুকনো রেখে দেওয়া।
‎🔸 নিজের মতো করে স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার।

‎করণীয় ও পরামর্শ:
‎✔ নিয়মিত moisturiser ব্যবহার করা।
‎✔ সাবান, ডিটারজেন্ট কম ধরা।
‎✔ ত্বক বেশি ঘষাঘষি না করা।
‎✔ ট্রিগার এড়িয়ে চলা।
‎✔ প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।


‎Atopic Dermatitis ছোঁয়াচে নয়,
‎কিন্তু অবহেলা করলে চুলকানি, দাগ, মোটা হয়ে যাওয়া ত্বক এবং secondary infection হতে পারে।
‎তাই এটিকে ছোট সমস্যা ভেবে ফেলে না রেখে
‎শুরুতেই সঠিকভাবে যত্ন নেওয়া দরকার।

‎💬 আপনার কি শুষ্ক ত্বক আর চুলকানির সমস্যা আছে?
‎💬 শীতকালে কি এটা আরও বেড়ে যায়?
‎কমেন্টে জানাতে পারেন।
‎📨 চিকিৎসার প্রয়োজনে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। "ধন্যবাদ"
‎✅
‎📢 পোস্টটি শেয়ার করুন, কারণ অনেকেই Atopic Dermatitis-কে সাধারণ চুলকানি ভেবে ভুল চিকিৎসা করেন।

‎আজকের কেস,  গলা জ্বালাপোড়া, জিহবা ফাটা ও ফুলে যাওয়া।‎আজ একজন রোগী আসেন যিনি কয়েকদিন ধরে-‎👉 গলা জ্বালাপোড়া‎👉 জিহবা ফে...
21/03/2026

‎আজকের কেস, গলা জ্বালাপোড়া, জিহবা ফাটা ও ফুলে যাওয়া।
‎আজ একজন রোগী আসেন যিনি কয়েকদিন ধরে-
‎👉 গলা জ্বালাপোড়া
‎👉 জিহবা ফেটে যাওয়া
‎👉 জিহবা ফুলে যাওয়া
‎👉 মুখে অস্বস্তি ও জ্বালা
‎👉 খাবার খেতে কষ্ট
‎এই সমস্যা নিয়ে ভুগছেন।
‎এই সমস্যাগুলোর জন্য তিনি নিজে নিজে ফার্মেসি থেকে ওষুধ খাচ্ছিলেন।
‎কিন্তু সমস্যা কমার বদলে দিনে দিনে বেড়েছে।


‎এ ধরনের লক্ষণ সাধারণত দেখা যায়-
‎👉 Vitamin B complex (B2, B6, B12) এর ঘাটতিতে
‎👉 মুখ ও গলার ফাঙ্গাল ইনফেকশনে (Oral Candidiasis)
‎👉 দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি থাকলে
‎👉 অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিক খেলে
‎👉 ধূমপান, জর্দা বা তামাক ব্যবহারে
‎👉 মুখ পরিষ্কার ঠিক না থাকলে
‎অনেক সময় একসাথে একাধিক কারণ কাজ করে।


⚠️ যে লক্ষণগুলো সতর্কতার-
‎👉 জিহবা লাল বা ফেটে যাওয়া
‎👉 জিহবার উপর জ্বালা ও ব্যথা
‎👉 গিলতে কষ্ট
‎👉 মুখে বাজে স্বাদ
‎👉 জিহবা ফুলে মোটা লাগা
‎👉 দীর্ঘদিন না সারা
‎এসব হলে নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক।


‎রোগীরা যেসব ভুল করেন-
‎👉 ফার্মেসির পরামর্শে বারবার অ্যান্টিবায়োটিক
‎👉 স্টেরয়েডযুক্ত মাউথ জেল ব্যবহার
‎👉 গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসা না করা
‎👉 ধূমপান বা জর্দা বন্ধ না করা
‎ এতে সমস্যা আরও জটিল হয়।


‎✅ করণীয় ও চিকিৎসা-
‎✔️ সঠিক কারণ নির্ণয়
‎✔️ প্রয়োজনে অ্যান্টিফাঙ্গাল চিকিৎসা
‎✔️ Vitamin B complex সাপোর্ট
‎✔️ গ্যাস্ট্রিক থাকলে তার চিকিৎসা
‎✔️ মুখ পরিষ্কার রাখা
‎✔️ ধূমপান, জর্দা, তামাক সম্পূর্ণ বন্ধ
‎সময়মতো চিকিৎসা নিলে
‎👉 বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরোপুরি ভালো হয়।


‎পরামর্শ:
‎গলা জ্বালাপোড়া বা জিহবা ফেটে যাওয়াকে
‎সাধারণ সমস্যা ভাববেন না।
‎বিশেষ করে
‎👉 ৫–৭ দিনের বেশি থাকলে
‎👉 বারবার হলে
‎👉 জিহবা ফুলে গেলে
‎তখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

জেনে নিন👇
22/01/2026

জেনে নিন👇

Address

Rangpur
5611

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.A S M Aktaruzzaman Jibon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.A S M Aktaruzzaman Jibon:

Shortcuts

Share