RNG Health Care

Directions Website

RNG Health Care RNGhealthcare.com is a Medical Consultation and Diagnostic providing online consultation and home service in all areas of medicine, including radiology.

Utilizing the power of the internet, we are connecting patients around the Rangpur city with some of

হাতের কব্জি ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে আঘাত, নার্ভের সমস্যা, অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বিভিন্ন ধরনের বাত বা আর্থ্রা...
27/07/2026

হাতের কব্জি ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে আঘাত, নার্ভের সমস্যা, অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বিভিন্ন ধরনের বাত বা আর্থ্রাইটিস।কব্জির ব্যথার সুনির্দিষ্ট কারণগুলোকে নিচে কয়েকটি ভাগে সাজানো হলো: 🔻১. হঠাৎ লাগা আঘাত (Sudden Impacts)মচকে যাওয়া (Sprains): পড়ে যাওয়ার সময় হাত বাড়িয়ে দিলে কব্জির লিগামেন্ট বা টিস্যু টান খেয়ে মচকে যেতে পারে।হাড় ভাঙা (Fractures): তীব্র আঘাতের কারণে কব্জির ছোট হাড় (যেমন স্ক্যাফয়েড) বা হাতের বড় হাড় ভেঙে যেতে পারে। 🔺২. নার্ভ ও টেন্ডনের সমস্যা (Nerve & Tendon Issues)কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম: কব্জির ভেতরের প্রধান নার্ভ বা স্নায়ুর ওপর চাপ পড়লে হাত ঝিনঝিন করে, অবশ লাগে এবং রাতে তীব্র ব্যথা হয়।টেন্ডিনাইটিস (Tendinitis): কব্জির মাংসপেশি ও হাড়ের সংযোগকারী কণ্ডরা বা টেন্ডনে প্রদাহ হলে নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়। 🔽৩. জীবনযাত্রা ও অতিরিক্ত ব্যবহার (Repetitive Stress)একটানা কাজ: দীর্ঘ সময় ধরে টাইপিং, কম্পিউটার মাউস ব্যবহার, গেম খেলা বা ফোন স্ক্রল করা।ভুল ভঙ্গি: কাজ করার সময় হাতের পজিশন সঠিক না রাখা।নির্দিষ্ট খেলাধুলা: টেনিস বা গলফের মতো খেলা যাতে বারবার কব্জি ঘোরাতে হয়। 🔼৪. বিভিন্ন ধরনের রোগ (Medical Conditions)অস্টিওআর্থ্রাইটিস: বয়স বাড়ার কারণে কব্জির হাড়ের জোড়ের তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ ক্ষয়ে যাওয়া।রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস: এটি একটি অটোইমিউন রোগ যা সাধারণত দুই হাতের কব্জিতেই দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ও ফোলা তৈরি করে।গ্যাংলিয়ন সিস্ট: কব্জির পেছনে তরল পূর্ণ ছোট শক্ত টিউমার বা সিস্ট হওয়া।অন্যান্য: গর্ভাবস্থায় শরীরে পানি আসা, ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডের সমস্যা।ব্যথা তীব্র হলে, হাত অবশ হয়ে গেলে বা ফুলে গেলে নিজে থেকে ব্যথানাশক ওষুধ না খেয়ে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

05/07/2026

নেফ্রেক্টমি (Nephrectomy) হলো অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শরীর থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণ কিডনি অপসারণ করার একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। সম্পূর্ণ কিডনি অপসারণের ক্ষেত্রে জটিলতা ও প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে একে র‌্যাডিক্যাল নেফ্রেক্টমি (Radical Nephrectomy) বা সিম্পল নেফ্রেক্টমি (Simple Nephrectomy) বলা হয়।এই দুই ধরনের অস্ত্রোপচারের মূল পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:১. র‍্যাডিক্যাল নেফ্রেক্টমি (Radical Nephrectomy)পদ্ধতি: এতে সম্পূর্ণ কিডনির সাথে এর চারপাশের চর্বির স্তর (Gerota's fascia), মূত্রনালীর অংশ (Ureter) এবং ক্ষেত্রবিশেষে কিডনির উপরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি ও কাছাকাছি লিম্ফ নোড বা লসিকা গ্রন্থি কেটে ফেলা হয়।প্রধান কারণ: সাধারণত কিডনি ক্যান্সার (Kidney Cancer) বা টিউমার ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে এই অপারেশন করা হয়।২. সিম্পল নেফ্রেক্টমি (Simple Nephrectomy)পদ্ধতি: এই সার্জারিতে শুধুমাত্র সম্পূর্ণ কিডনিটি অপসারণ করা হয়, চারপাশের অন্যান্য অঙ্গ বা টিস্যু অক্ষত রাখা হয়।প্রধান কারণ: কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশন বা পাথর জমার কারণে কিডনি অকেজো হয়ে গেলে, কিংবা কিডনি প্রতিস্থাপনের (Kidney Transplant) জন্য সুস্থ দাতার শরীর থেকে কিডনি নেওয়ার সময় এটি করা হয়।

15/06/2026

ডিপ্রেশন ও ক্লান্তি দূর করতে ৩টি স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি, Vitamin D, TSH , CBC ,

28/05/2026

আরএনজি হেলথ কেয়ার (RNG Health Care)-এর পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবন আনন্দ, সুস্বাস্থ্য এবং শান্তিতে ভরে উঠুক। এই উৎসব সবার জন্য নিয়ে আসুক অনাবিল আনন্দ ও সমৃদ্ধি। ঈদ মোবারক!

কুরবানির ঈদে ফ্যাটি লিভারের বিড়ম্বনা:যাদের ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver / MASLD) আছে, তাদের কুরবানির ঈদে সচেতন থাকা জরুরি। ...
27/05/2026

কুরবানির ঈদে ফ্যাটি লিভারের বিড়ম্বনা:
যাদের ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver / MASLD) আছে, তাদের কুরবানির ঈদে সচেতন থাকা জরুরি। ফ্যাটি লিভার রোগীরা গরুর মাংস খেতে পারবেন না—এমন নয়। গরুর মাংস উচ্চমানের প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন B12-এর চমৎকার উৎস। সমস্যাটা গরুর মাংসে নয়, সমস্যা হলো এর পরিমান এবং মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট (Saturated Fat) এ।

কুরবানির ঈদে ফ্যাটি লিভার বা যাদের ওজন বেশি, ডায়াবেটিস, হাইপ্রেশার আছে তাদের করনীয়: ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঈদুল আজহায় গরু বা খাসির মাংস ১০০-১২০ গ্রামের বেশি খাবেন না। মাংসের দৃশ্যমান চর্বি পুরোপুরি কেটে ফেলে, অল্প তেলে বা মশলায় ঝোল-কাবাব বা সেদ্ধ (ভাপে) প্রক্রিয়ায় রান্না করে খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। অতিরিক্ত ভাজা, ভুনা ও কলিজা-মগজ এড়িয়ে চলাই ভালো।ঈদের খাবারে ফ্যাটি লিভারের রোগীরা যেসব সতর্কতা অবলম্বন করবেন:পরিমাণ: প্রতি বেলার খাবারে লাল মাংসের অংশটুকু হাতের তালুর আকারের ১-২ টুকরোর (সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১২০ গ্রাম) মধ্যে সীমিত রাখুন।প্রসেস বা রান্নার ধরন: রান্নার সময় মাংসের বাইরের সাদা চর্বি বাদ দিন। মাংস কড়া ভাজা বা অতিরিক্ত তেলে ভুনা না করে, কাবাব, স্যুপ, স্টু, অথবা অল্প মশলায় পাতলা ঝোল করে রান্না করুন।হাড়ের মজ্জা ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: গরুর মজ্জা (নলা বা পায়া), মগজ, এবং কলিজা বা কিডনির মতো অর্গান মিট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে।সালাদ ও ফাইবার: মাংস খাওয়ার আগে এক বাটি তাজা সালাদ খান। মাংসের চেয়ে সালাদ বা শাকসবজির পরিমাণ বেশি রাখুন, যা অতিরিক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরল শোষণ করতে সাহায্য করে।পানীয়: কোমল পানীয় বা মিষ্টি জাতীয় জুস পুরোপুরি বাদ দিয়ে, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন। .

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর রঙ, ঘ্রাণ এবং স্পর্শ পরীক্ষা করা। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের ত্বকে...
17/05/2026

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর রঙ, ঘ্রাণ এবং স্পর্শ পরীক্ষা করা। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের ত্বকে হলুদ ও সবুজের মিশ্রণ থাকে। তবে রাসায়নিক বা কার্বাইডের সাহায্যে পাকানো আম একরঙা ও অস্বাভাবিক উজ্জ্বল হলুদ দেখায় এবং বোঁটার দিকটি কালচে বা শুকনো হতে পারে।আম রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কি না, তা যেভাবে বুঝবেন:রঙ ও দাগ: প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম ধীরে ধীরে পাকে, তাই এতে হলুদ রঙের পাশাপাশি হালকা সবুজ আভা বা ছোট ছোট কালো দাগ (যা স্বাভাবিক) থাকতে পারে। রাসায়নিক দেওয়া আমের খোসা পুরোপুরি মসৃণ, চকচকে এবং নিখুঁত হলুদ হয়।ঘ্রাণ ও গন্ধ: আসল পাকা আম থেকে বোঁটার কাছে মিষ্টি ও তীব্র সুবাস ছড়ায়। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আমে কোনো সুগন্ধ থাকে না, অথবা ঝাঁঝালো রাসায়নিক বা অ্যালকোহলের মতো গন্ধ পাওয়া যেতে পারে।স্পর্শ বা গঠন: আমটি হাত দিয়ে টিপে দেখলে যদি দেখেন খোসা খুব নরম বা কুঁচকে আছে, কিন্তু ভেতরের অংশ শক্ত, তবে বুঝতে হবে এটি কার্বাইড দিয়ে কৃত্রিমভাবে পাকানো। আসল পাকা আম সব দিক থেকে সমানভাবে নরম ও রসালো হয়।জলে পরীক্ষা (ওয়াটার টেস্ট): আমগুলো একটি পাত্রে পানিতে ছেড়ে দিলে, প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম ও ভারী আমগুলো ডুবে যায়। কিন্তু রাসায়নিক দেওয়া আম অতিরিক্ত হালকা বা ভেতরটা ফাঁপা হওয়ার কারণে ভেসে থাকে।স্বাদ ও মুখের অনুভূতি: স্বাভাবিকভাবে পাকা আমের স্বাদ ও মিষ্টি হয় মিষ্টি ও আকর্ষণীয়। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম খেলে অনেক সময় স্বাদ পানসে লাগে এবং গলা বা মুখে হালকা জ্বলুনি অনুভূত হতে পারে। পরামর্শ: আম খাওয়ার আগে সবসময় পরিষ্কার পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন এবং ভালো করে ধুয়ে তারপর খোসা ছাড়িয়ে খান। এতে আমের গায়ে থাকা রাসায়নিকের বিষাক্ততা অনেকটা কমে যায়।

দীর্ঘদিন যাবৎ কোষ্ঠকাঠিন্য এবং রেক্টামে (মলদ্বারে) মলের বেগ না পাওয়া একটি গুরুতর বিষয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Chron...
08/05/2026

দীর্ঘদিন যাবৎ কোষ্ঠকাঠিন্য এবং রেক্টামে (মলদ্বারে) মলের বেগ না পাওয়া একটি গুরুতর বিষয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Chronic Constipation বা Re**al Inertia/Hyposensitivity (রেক্টাম সংবেদনশীলতা হারানো) বলা হতে পারে।

আপনার বর্ণিত লক্ষণগুলো অনুযায়ী, পায়ুপথে মলের অনুভূতি কমে গেছে এবং কোলনের পেশীগুলো মল সামনের দিকে ঠেলে দেওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছে।

⚠️ জরুরী সতর্কবার্তা: যদি আপনার তীব্র পেটে ব্যথা, বমি, মলে রক্ত, বা হঠাৎ ওজন কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকে, তবে অবিলম্বে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট (Gastroenterologist) বা কোলোরেক্টাল সার্জনের পরামর্শ নিন।

সাময়িকভাবে রেক্টাল মুভমেন্ট ফিরিয়ে আনতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

১. জরুরি ঘরোয়া উপায়

পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন। ডিহাইড্রেশন বা পানির অভাব মল শক্ত করে ফেলে।

আঁশযুক্ত খাবার (Fiber): শাকসবজি, ফলমূল (পেঁপে, কলা, আপেল), এবং লাল চালের ভাত বা আটার রুটি খান। ফাইবার মল নরম করে।

ইসবগুলের ভুষি: রাতে ঘুমানোর আগে বা সকালে ১ গ্লাস পানিতে ১-২ চামচ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে সাথে সাথে খেয়ে ফেলুন। এটি মলের পরিমাণ বাড়ায় এবং নরম করে।

সকালে কুসুম গরম পানি: সকালে ঘুম থেকে উঠে ২ গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন। এটি অন্ত্রের নড়াচড়া (Motility) বাড়াতে সাহায্য করে।

২. টয়লেট অভ্যাস ও ব্যায়াম

টয়লেট পজিশন: কমোডে বসার সময় পায়ের নিচে একটি ছোট টুল (Stool) ব্যবহার করুন, যাতে হাঁটু নিতম্বের চেয়ে উপরে থাকে। এটি মলত্যাগের পথকে সোজা করে।

নিয়মিত সময়: প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর মলত্যাগের জন্য ১০ মিনিট সময় দিন, বেগ না আসলেও।

হালকা ব্যায়াম: প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম অন্ত্রের পেশী সচল রাখতে সাহায্য করে।

৩. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ (সাময়িক)

ল্যাক্সেটিভ/মল নরম করার ওষুধ: ডাক্তারের পরামর্শে মল নরম করার ওষুধ (Stool Softener) বা সিরাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।

সাপোজিটরি (Suppository): রেক্টামে যদি মল জমে থাকে কিন্তু বের হতে না চায়, তবে গ্লিসারিন সাপোজিটরি ব্যবহার করা যেতে পারে।

বায়োফিডব্যাক থেরাপি: যদি পেলভিক ফ্লোরের পেশী ঠিকমতো কাজ না করে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে বায়োফিডব্যাক থেরাপি বা ব্যায়াম করা যেতে পারে।

কেন এমন হচ্ছে? (সম্ভাব্য কারণ)

রেক্টাল সংবেদনশীলতা কমে যাওয়া: দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকার ফলে রেক্টাম মল অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

কোলন বা রেক্টামের পেশী দুর্বলতা: মল সামনের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য কোলনের পেশীগুলো সংকুচিত হয় না।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: নিয়মিত ব্যথানাশক বা দীর্ঘমেয়াদী ল্যাক্সেটিভ ব্যবহার।

দ্রষ্টব্য: এই সমস্যাটি দীর্ঘদিন ধরে থাকলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কলোনিক ট্রানজিট স্টাডি (Colonic Transit Study) বা অন্য পরীক্ষা করাতে হতে পারে।

কেন আপনি সুস্থ হচ্ছেন না? এর আসল কারণ জানেন?ডায়াবেটিস, IBS, থাইরয়েড, PCOS, হৃদরোগ, কোলেস্টেরল, লিভারের সমস্যা, বন্ধ্যাত্...
08/05/2026

কেন আপনি সুস্থ হচ্ছেন না? এর আসল কারণ জানেন?
ডায়াবেটিস, IBS, থাইরয়েড, PCOS, হৃদরোগ, কোলেস্টেরল, লিভারের সমস্যা, বন্ধ্যাত্ব, গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটি, কিডনি সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বেতী, সোরিয়াসিস, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, জয়েন্ট পেইন ও আর্থ্রাইটিস—এগুলো দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যা অনেকের জীবনকে কঠিন করে তোলে।

diabetes
heart disease
liver problem treatment
thyroid treatment
infertility
chronic disease

08/05/2026

🔬প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন. 🦠 (UTI) হলে দ্রুত প্রচুর পরিমাণে পানি 🥛(দিনে অন্তত আড়াই লিটার) পান করুন, 🧑‍🔬চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষ করুন, এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। সাধারণত এটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে হয়।করণীয়সমূহ:প্রচুর পানি পান: প্রস্রাব পাতলা করতে এবং ব্যাকটেরিয়া বের করে দিতে দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।চিকিৎসকের পরামর্শ: লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক যেমন 💊Nitrofurantoin বা অন্য ওষুধ দিয়ে এর চিকিৎসা করা হয়।পরিচ্ছন্নতা: প্রস্রাব বা মলত্যাগের পর সামনে থেকে পেছনে পরিষ্কার করুন।অপেক্ষা না করা: প্রস্রাব চেপে রাখবেন না, চাপের সাথে সাথে প্রস্রাব করুন।পরিমিত খাবার: বেরি জাতীয়🍇 ফল, প্রোবায়োটিক 🍚(টকদই) জাতীয় খাবার খেতে পারেন।বর্জনীয়: 🍺অ্যালকোহল, ☕ক্যাফেইন, 🥃কফি, এবং 🧃কোমল পানীয় পরিহার করুন, কারণ এগুলো মূত্রাশয়কে জ্বালাতন করতে পারে।কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন:প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হলে ।জ্বর আসলে বা শরীর কাঁপুনি দিয়ে ঠান্ডা লাগলে ।প্রস্রাবের সাথে 🩸রক্ত গেলে ।তলপেটে বা পিঠে তীব্র ব্যথা হলে ।সতর্কতা: 🧑‍🔬চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো 💊অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না, এবং শুরু করলে কোর্স মাঝপথে বন্ধ করবেন না । Assistant Professor Dr. Esharat Ali MBBS, MS, Urology Rangpur Community Medical College Hospital,

* বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।১) ব্লাড প্রেসার।২) ব্লাড সুগার।* চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷১) বয়স ...
14/04/2026

* বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

* চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

* পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।

* পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

* মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।

* ছয়টি জিনিসের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন

* সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি

* পাঁচটি জিনিস কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

*সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন*
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”।

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RNG Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category