ডাক্তারখানা - GP Center

ডাক্তারখানা - GP Center Official page to promote DaktarKhana-GP Center

একজন মহিলা হঠাৎ করে অনুভব করেন তার শরীরের বাম পাশ তুলতে পারছেন না, উনি হাত দিয়ে কোন কিছু ধরতে পারছেন না, হাঁটতে পারছেন ...
22/08/2026

একজন মহিলা হঠাৎ করে অনুভব করেন তার শরীরের বাম পাশ তুলতে পারছেন না, উনি হাত দিয়ে কোন কিছু ধরতে পারছেন না, হাঁটতে পারছেন না । ৪ ঘণ্টা পর সবগুলো ঠিক হয়ে যায়। উনি হাঁটতে পারেন, হাত দিয়ে সব কিছু ধরতে পারেন। সব কিছু ঠিক হয়ে যাওয়ায় উনি আর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন না।

একদিন পর সেই রোগীর জীবনে ভয়াভয় দুর্ঘটনা ঘটে যায়, উনার বাম পাশ প্যারালাইজড হয়ে যায়, মুখ বেঁকে যায় এবং উনি ধীরে ধীরে জ্ঞান হারান। উনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়, পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায় উনি ব্রেন স্ট্রোক করেছেন।

এই স্ট্রোক কিন্তু এমনি এমনি হয় না। স্ট্রোক সাধারণত হাইপ্রেসার ও ডায়াবেটিস রোগীদের হয়, বিশেষ করে যাদের প্রেসার ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। তবে যারা প্রেসারের ঔষধ অনিয়মিত খান বা খেতে খেতে ঔষধ বন্ধ করেন অথবা যারা শুধুমাত্র ঘার ধরা বা মাথা ব্যথা হলে প্রেসারের ঔষধ খান তাদের স্ট্রোক হবার সম্ভবনা অনেক অনেক বেশি।

এই রোগী স্ট্রোক করার ৪ দিন পূর্বে প্রেসারের ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এই রোগীর আরও একটি বড় ভুল ছিল প্রথমবার হাত - পা অবশ হবার পর চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হওয়া। এটি একটি warning ছিল, এই সময়ে ব্যবস্থা নিলেও হয়ত স্ট্রোক এড়ানো সম্ভব হতো।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

প্রসঙ্গ অপ্রয়োজনীয় টেস্ট: আমাদের দেশে এই কথাটি রোগীদের মাঝে খুবই প্রচলিত যে ডাক্তারদের কাছে গেলেই ডাক্তাররা অপ্রয়োজনী...
04/08/2026

প্রসঙ্গ অপ্রয়োজনীয় টেস্ট:

আমাদের দেশে এই কথাটি রোগীদের মাঝে খুবই প্রচলিত যে ডাক্তারদের কাছে গেলেই ডাক্তাররা অপ্রয়োজনীয় টেস্ট দেয়। আসলে এই বিষয়টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? আমি একটি রুগীর কেস হিস্ট্রি শেয়ার করছি।

গতকালই আমি এই রোগীটি দেখেছি । রোগী আমার চেম্বারে ঢোকার সাথে সাথেই আমার ধারণা হয় যে রোগীটির ফুসফুসের ক্যান্সার । কারণ, রোগটির বয়স বেশি, রোগীটি অনেক ধূমপান করত, রোগটির গলা স্বর ভেঙে গেছে, রোগীর কাশির সাথে রক্তও আসে এবং রোগীর গলার পাশে ফোলা আছে । আমরা যারা ডাক্তার বা চিকিৎসকদের সাথে জড়িত তারা একটু দেখলেই বুঝতে পারি যে এটি একটা ফুসফুসের ক্যান্সারের রোগী ।

আমি এখন সেই গল্পের ডাক্তার বিধান রায়ের মতো আমি এই রোগীকে দেখেই যদি বলি যে ফুসফুসের ক্যান্সার, এখন এই রোগের ক্যান্সারের চিকিৎসা শুরু করেন, তাহলে সবাই আমাকে পাগল ভাববে। এখন আসেন এই রোগীর ফুসফুসের ক্যান্সার কনফার্ম করার জন্য কি কি পরীক্ষা করতে হবে । প্রথমত রক্তের একটা সিবিসি, এরপরে ব্লাড সুগার, ক্রিয়েটিনিন ইউরিন রুটিন, বুকের এক্সরে, ইসিজি । এক্সরেতে আমরা যে সমস্যা পাবো, সেটা টিউমার না যক্ষা না নিউমোনিয়া এটা কনফার্ম করার জন্য তাকে কন্ট্রাস্ট সিটি স্ক্যান করতে হবে । এরপর কন্ট্রাস্ট সিটি স্ক্যানে যদি দেখা যায় যে এটা টিউমার, তখন কোর বায়োপসি করতে হবে- এরপর কনফার্ম হবে যে রোগীর ফুস্ফুসের ক্যান্সার কিনা?

ক্যান্সার রোগ নির্ণয় হওয়ার পরে তার কি চিকিৎসা দিতে হবে? তার জন্য এই ক্যান্সারটা কোথায় কোথায় ছড়িয়েছে সেটা দেখতে হবে, সেটার জন্য পেটের সিটি স্ক্যান, ব্রেইনের সিটি স্ক্যান এগুলো করতে হবে । এখন যদি কেউ বলেন যে এই রোগীর সমস্যা কাশি, তার জন্য ডাক্তাররা অনেক অনেক পরীক্ষা দিয়েছেন তাহলে ভুল হবে।

বর্তমানে সারা পৃথিবীতে রোগী আসলেই সকল ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রোগ কনফার্ম করে তারপর চিকিৎসা দেয় । যারা আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চিকিৎসা নিতে গেছেন, তারাও অন্তত জানেন যে সেখানে গেলে এমন কোনো পরীক্ষা নাই তারা করায় না । সব পরীক্ষা করে, রোগ কনফার্ম করে তারপর তারা চিকিৎসা দেয় । সুতরাং কোন কিছু বলার আগে ভাবুন সে বিষয়ে যদি আপনার দক্ষতা বা জ্ঞান না থাকে তাহলে সে বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকাই ভালো । সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
প্রতিষ্ঠাতা- ডাক্তারখানা।

08/07/2026

শরীরের কোথায় কেটে গেলে অবহেলা নয়…

১১ বছরের ছোট একটা মেয়ে, চরম দুঃখিনী। জন্মের সময় মা মারা যান। বাবা বিয়ে করে বউ সহ আলাদা থাকে। মেয়েটি গ্রামে বড় হচ্ছিল চাচীর সাথে। হটাত করে তার বুকে ও পেটে ব্যথা হয়, কিছুক্ষন পর পর তার শরীর কেঁপে উঠে, ঐ সময় প্রচন্ড ব্যথা হয় তার, মুখ হা করতে পারে না। প্রথমে প্রাইভেটে একজন বিশেষজ্ঞ দেখানো হয়, এরপর জেলা সদর, এরপর বিভাগীয় হাসপাতালে দেখানো হয়। রোগ ধরা পড়ে না। এরপর প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। রোগী দেখে সন্দেহ হয় যে এটি টিটেনাস। শরীরের কোথাও কেটে গেছে কিনা জানতে চাইলে বাচ্চাটি জানায় ৪ দিন আগে মাটিতে পড়ে থাকা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পা কেটে যায়।

সে কথা কাউকে বলে নাই, ৩ দিন পর থেকে তার সমস্যা শুরু হয়। যাহোক, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়। তবে টিটেনাস রোগীর এত জটিল সমস্যা হয়, কষ্ট হয় তা অবর্ণনীয়। একটা অন্ধকার, নিঃশব্দ রুমে চিকিৎসা নিতে হয়, রোগী কিছুই খেতে পারে না, কারন মুখ বড় করে খুলতে পারে না। চিকিৎসার আজ ৭ দিন হলো। মেয়েটা ভালো আছে, খেতে পারছে এখন, শরীর কেঁপে উঠা কমে গেছে। ও মোবাইলে ভিডিও দেখছে গতকাল থেকে। দু-এক দিনের মধ্যে আশা করি ছুটি দেয়া হবে। ওর বাবা এবং সৎ মা পরম যত্নে দিন-রাত সেবা করেছে মেয়েটিকে।

এ যুগে টিটেনাস রোগ তেমন একটা হয় না। কারন ভ্যাক্সিন দেয়া। তবে অনেকের ভ্যাক্সিন দেয়া থাকে না বা ভ্যাক্সিন ফেইল হয়। তাই সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। বাচ্চা-বড় সবার শরীরের কোথায় কেটে গেলে টিটেনাস প্রতিরোধি ভ্যাক্সিন নিতে হবে। অবশ্যই মনে রাখতে হবে, শুধু লোহা দিয়ে কেটে গেলেই যে টিটেনাস হবে তা নয়।
ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,সেই স্বপ্ন পূরণে চরসিঁদুর বাজার শাখা, পলাশ, নরসিংদী তে ডাক্তারখানা।আলহামদুলিল্লাহ।অত্যন্ত ...
27/05/2026

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,
সেই স্বপ্ন পূরণে চরসিঁদুর বাজার শাখা, পলাশ, নরসিংদী তে ডাক্তারখানা।
আলহামদুলিল্লাহ।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ডাক্তারখানার ২০৯ তম শাখা হিসেবে খান মার্কেট, চরসিদুর বাজার রোড, পলাশ, নরসিংদী শাখার শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা সেন্টারের উদ্যোক্তা চিকিৎসক ডা. নাফিজ আহমেদ এর জন্য। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সবাই দোআ করবেন আমাদের জন্য, ডাক্তারখানার জন্য ও আমাদের স্নেহের চিকিৎসক ভাইয়ের জন্য।
সম্মানিত আগ্রহী চিকিৎসক গ্রুপ মেম্বারদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় জিপি সেন্টার শুরু করে সম্মানের সাথে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়ে জিপি রেফারেল সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য আন্তরিক আহবান জানাচ্ছি। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ( কমেন্ট এ প্রদত্ত লিংক ভিজিট করুন)।
যারা চেম্বার শুরু করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট না, তারা আমাদের ৩ মাসব্যাপী 'সার্টিফিকেট কোর্স ইন জেনারেল প্রাকটিস (সিসিজিপি)' তে এনরোল করুন।

দেখবেন - আপনার কোন কিছু ভালো লাগছে না।- কাউকেই ভালো লাগছে না। - কোন কিছুই খেতে ইচ্ছে করছে না। - কোথাও ঘুরতে যেতে ইচ্ছে ক...
11/05/2026

দেখবেন
- আপনার কোন কিছু ভালো লাগছে না।

- কাউকেই ভালো লাগছে না।

- কোন কিছুই খেতে ইচ্ছে করছে না।

- কোথাও ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করছে না।

- কোন কিছুতেই উৎসাহ পাচ্ছেন না।

তাহলে ভাববেন
- আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন অথবা

- আপনি বাবার বা অন্য কারো হোটেলে খান, জীবনে কোন দুঃখ, কষ্ট নেই, সমস্যা নেই। তার কষ্ট হলো অন্যের মতো ঘুরতে পারছে না, ফরেন ট্রিপে যেতে পারছে না। অথবা

- তার কলিগ বা পরিচিত অন্য কেউ দামী গাড়ী বা বাড়ি কিনেছে ইত্যাদি।

যদি আপনি ডিপ্রেশনে পড়ে থাকেন তাহলে দ্রুত মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞকে দেখান। যদি অন্যগুলো হয় তাহলে নিজেকে পরিবর্তন করুন। নিজের সুখ নিজের কাছে। অন্যের ভালো-মন্দ নয়, নিজেরটা দেখুন। অযাচিত তুলনা বন্ধ করুক। ...............................................................................
ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মণ্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

আমাদের বাচ্চাগুলোর অসহায়ত্ব দূর করা জরুরি..........সকাল ৭ টা থকেই স্কুলে যাবার প্রস্তুতি শুরু হয়। কোন রকম খেয়ে না খেয...
10/05/2026

আমাদের বাচ্চাগুলোর অসহায়ত্ব দূর করা জরুরি..........

সকাল ৭ টা থকেই স্কুলে যাবার প্রস্তুতি শুরু হয়। কোন রকম খেয়ে না খেয়ে বিশাল এক ব্যাগ নিয়ে স্কুল। ফিরতে ফিরতে দেড়টা বা দুইটা। এসেই ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার। এরপর শুরু হয় টেনিস বলের মতো ছুটাছুটি। ৩ টা থেকে কোচিং বা প্রাইভেট, সেটা শেষ হবার পর অন্য প্রাইভেট, এরপর নেক্সট প্রাইভেট, এরপরেও করো করো নাচ, গান, আবৃত্তির ক্লাস। এসবের পর বাচ্চাগুলো যখন আধমরা হয়ে যায়, তখন শুরু হয় হোমওয়ার্ক করা। হোমওয়ার্ক এর মাঝে মাঝে শুরু হয় অলিখিত কিছু অত্যাচার:

-ভালো করে পড়, গতবার ভালো করিস নাই, এবার ভালো করতেই হবে।

-আমার বান্ধবীর মেয়ে ফার্স্ট হয়, আর তুই কি করিস? তুই কি ভাত খাস না?

- অমুকের বাচ্চা লেখাপড়ার পাশাপাশি বাবমাকে হেল্প করে, তুই তো নিজের প্লেটটাও ধুতে পারিস না।

- এবার ফার্স্ট না হতে পারলে আমরা মুখ দেখাতে পারবো না।

- আত্নীয় স্বজন আসলেই সবার আগে জিজ্ঞাসা করে ক্লাস রোল কত, পড়াশুনা কেমন হচ্ছে ইত্যাদি।

এসব শুনে শুনে বাচ্চাগুলো মারাত্নক ভেঙে পড়ে, অনেকেই ডিপ্রেশন এ পড়ে। অনেকে নিজেকে খুবই অকর্মা মনে করে, ভাবে এই পৃথিবীতে আমার কোন দরকার নাই, এভাবে অনেকে সুসাইড পর্যন্ত চিন্তাভাবনা করে।

আমি নিজের বাচ্চাসহ অনেকগুলো বাচ্চার অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি। কয়েকটা বাচ্চা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ডিপ্রেশন নিয়ে। আমি যখন একা কথা বললাম তখন তারা জানালো - আমার উপর সবার এত expectation, আমি কিছুই পূরণ করতে পারছি না।

আমাদের দেশের স্কুল-কলেজে লেখাপড়া হয় বলে আমার মনে হয় না। এগুলো শুধু নিয়ম রক্ষার জন্য। বাচ্চারা লেখাপড়ার জন্য কোচিং, প্রাইভেটের উপর পুরোপুরি নির্ভর করে।

আমার বাচ্চার যত ক্রিয়েটিভিটি সব শেষ হয়ে গেছে এই স্কুল, কোচিং, পরীক্ষার চাপে। আমি চাই এমন একটা স্কুল হোক যেখানে বাচ্চারা সকালে যাবে, যা পড়াশুনা তা স্কুলেই করবে, স্কুল থেকে ফিরে কোচিং, প্রাইভেটে ছোটাছুটি করবে না। খেলাধুলা, বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা করবে। বাবামা বাচ্চাদের সময় দিবে, ভালোমন্দ আলাপ করবে।

অনেকে হয়ত মেলাবেন আমাদের সময় এসব কিছুই ছিল না, আমরা সব করেছি, ভালো রেজাল্ট করেছি ইত্যাদি। আসলে নব্বই দশকের সাথে ২০২৬ সাল মেলালে হবে না। নব্বই দশকে প্রাইভেট, কোচিং ছিল না। এত expectation, মানসিক চাপ বাচ্চাদের উপর ছিল না। বাচ্চাদের বিকশিত করার জন্য মানসিক চাপহীন বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা খুব জরুরি।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,সেই স্বপ্ন পূরণে জলেশ্বরীতলা শাখা, বগুড়া  তে ডাক্তারখানা।আলহামদুলিল্লাহ।অত্যন্ত আনন্দের স...
04/05/2026

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,
সেই স্বপ্ন পূরণে জলেশ্বরীতলা শাখা, বগুড়া তে ডাক্তারখানা।
আলহামদুলিল্লাহ।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ডাক্তারখানার ২০৮ তম শাখা হিসেবে আর.ডি টাওয়ার, শহীদ আব্দুল জব্বার সড়ক, জলেশ্বরিতলা, বগুড়া শাখার শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা সেন্টারের উদ্যোক্তা চিকিৎসক Peu Das এর জন্য। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সবাই দোআ করবেন আমাদের জন্য, ডাক্তারখানার জন্য ও আমাদের স্নেহের চিকিৎসক বোনের জন্য।
সম্মানিত আগ্রহী চিকিৎসক গ্রুপ মেম্বারদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় জিপি সেন্টার শুরু করে সম্মানের সাথে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়ে জিপি রেফারেল সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য আন্তরিক আহবান জানাচ্ছি। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আমাদের কমেন্ট এ প্রদত্ত লিংক ভিজিট করুন।
যারা চেম্বার শুরু করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট না, তারা আমাদের ৩ মাসব্যাপী 'সার্টিফিকেট কোর্স ইন জেনারেল প্রাকটিস (সিসিজিপি)' তে এনরোল করুন।

**সতর্কবার্তা: অপরিচিতের “সাহায্য” করতে গিয়েই সর্বনাশ—ঘুম, প্রতারণা, তারপর ডাকাতি!** 🚨আজ চেম্বারে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার গল্...
03/05/2026

**সতর্কবার্তা: অপরিচিতের “সাহায্য” করতে গিয়েই সর্বনাশ—ঘুম, প্রতারণা, তারপর ডাকাতি!** 🚨

আজ চেম্বারে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার গল্প শুনলাম, সবাইকে সচেতন করার জন্য শেয়ার করছি। পোস্টটি টাইপ করতে হেল্প করেছে চ্যাটজিপিটি।

একজন ভদ্রলোক, পেশায় বিকাশ দোকানের কর্মচারী। প্রায় ১৭ দিন আগে সন্ধ্যায় এক অচেনা পুরুষ ও মহিলা এসে একটি বাটন মোবাইল দিয়ে টাকা উত্তোলনে সাহায্য চান। সহজ-সরল মনে তিনি সাহায্য করতে যান। কিন্তু তারা বারবার ভুল তথ্য দেয়, পাসওয়ার্ড জানে না, আবার আসে—এভাবে দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলটি তার হাতে থাকে।

রাতে বাসায় ফিরে খাওয়া-দাওয়া করে ঘুমাতে যান…
এরপর কী হয় জানেন?

👉 তিনি আর স্বাভাবিকভাবে জাগতেই পারেন না!
👉 সারারাত, পরদিন সকাল, দুপুর—অস্বাভাবিক গভীর ঘুমে অচেতন!
👉 পরে হাসপাতালে নিতে হয়!

এর মধ্যেই ঘটে আরও ভয়ংকর ঘটনা—

❗ বাসায় সেই রাতে ডাকাতি
❗ ভাতিজাকে মারধর করে বেঁধে ফেলে
❗ মোটরসাইকেল, টিভি সহ সব লুট
❗ ডাকাতদের স্বীকারোক্তি—“আমরা আগের রাতেও এসেছিলাম!”

বর্তমানে রোগী এখনও অতিরিক্ত ঘুমে ভুগছেন, সারাদিন ঝিমাচ্ছেন—যদিও পরীক্ষায় বড় কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি।

⚠️ **এই ঘটনাটি আমাদের জন্য বড় একটি শিক্ষা:**

✔️ অপরিচিত কাউকে অন্ধভাবে সাহায্য করবেন না
✔️ বিশেষ করে মোবাইল, টাকা বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হাতে নেওয়ার আগে সতর্ক থাকুন
✔️ অস্বাভাবিক কিছু মনে হলে সাথে সাথে দূরে থাকুন
✔️ পরিবার ও নিজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন

🛑 **প্রতারণা, অজ্ঞান করা, পরিকল্পিত ডাকাতি—সব এখন একই চক্রে ঘটছে।**

আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে যেকোনো সময় এ ধরনের ফাঁদে পড়তে পারি।

🙏 সবাই সাবধান থাকুন, সচেতন থাকুন, অন্যকেও সতর্ক করুন।

#সচেতনতা #প্রতারণা #নিরাপত্তা #সতর্কবার্তা

Address

House No. 21, Road No. 10, Medical East Gate
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাক্তারখানা - GP Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাক্তারখানা - GP Center:

Shortcuts

Share

Category