Dr.Md.Golam Shaheed Nayan

Directions

Dr.Md.Golam Shaheed Nayan Want to provide advanced, compassionate care for your eyes.

Central Retinal Vein Occlusion (CRVO) বা চোখের সেন্ট্রাল রেটিনাল শিরা ব্লক হওয়া একটি গুরুতর নেত্ররোগ, যাকে সাধারণ ভাষায় ...
20/09/2026

Central Retinal Vein Occlusion (CRVO) বা চোখের সেন্ট্রাল রেটিনাল শিরা ব্লক হওয়া একটি গুরুতর নেত্ররোগ, যাকে সাধারণ ভাষায় "চোখের স্ট্রোক" (Eye Stroke)-ও বলা হয়।
​চোখের রেটিনা বা আলোকসংবেদী পর্দা থেকে ব্যবহৃত রক্ত হৃদপিণ্ডে ফেরত নিয়ে যাওয়ার প্রধান নালিকাটির নাম সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন। যখন এই রক্তনালীতে কোনো রক্তজমাট (Thrombus) বা বাধা তৈরি হয়, তখন রেটিনা থেকে রক্ত ঠিকমতো বের হতে পারে না। ফলে রেটিনার ভেতরের প্রেশার বেড়ে রক্ত এবং তরল চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।প্রধান লক্ষণসমূহ (Symptoms)
​CRVO-র সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো কোনো ব্যথা ছাড়াই হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া।
​হঠাৎ দৃষ্টি কমে যাওয়া: সাধারণত এক চোখে এই সমস্যা দেখা দেয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ দেখতে সমস্যা হতে পারে।
​ঝাপসা দৃষ্টি (Blurry Vision): ধীরে ধীরে বা এক নিমেষে পুরো চোখের সামনে ধোঁয়াশা নেমে আসা।
​চোখের সামনে কালো দাগ (Floaters): চোখের সামনে ছোপ ছোপ কালো ছায়া ভাসতে থাকা।
​দৃষ্টি সম্পূর্ণ হারিয়ে যাওয়া: জটিল আকার ধারণ করলে চোখে একেবারেই না দেখা।
​২. কেন হয় বা ঝুঁকির কারণ (Risk Factors)
​সাধারণত ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। প্রধান কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:ঝুঁকির ক্ষেত্রসম্পর্কিত স্বাস্থ্য সমস্যা
সাধারণ সিস্টেমিক রোগউচ্চ রক্তচাপ (Hypertension), ডায়াবেটিস (Diabetes), রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল (Atherosclerosis)
চোখের নিজস্ব রোগগ্লুকোমা (Glaucoma/IOP বৃদ্ধি), চোখের রেটিনার অন্যান্য ইনফেকশন
রক্তসংক্রান্ত জটিলতারক্তে অতিরিক্ত থ্রম্বোসিস বা জমাট বাঁধার প্রবণতা (Hypercoagulability), ভাস্কুলাইটিস
জীবনযাত্রাধূমপান, স্থূলতা (Obesity), শারীরিক ব্যায়ামের অভাব. CRVO-র প্রকারভেদ
​CRVO মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে:
​Non-Ischemic CRVO (কম মারাত্মক):
​এটি প্রায় ৭০-৮০% রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়।
​রেটিনায় রক্ত সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয় না।
​চিকিৎসা করালে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
​Ischemic CRVO (অত্যন্ত মারাত্মক):
​রেটিনার কৈশিক নালীগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং রেটিনায় অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়।
​চোখের ভেতরে ক্ষতিকারক নতুন রক্তনালী (Neovascularization) গজাতে শুরু করে, যা থেকে মারাত্মক গ্লুকোমা (Neovascular Glaucoma) হতে পারে।
​৪. পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ডায়াগনোসিস
​চোখের ডাক্তার (Retina Specialist) রেটিনা পরীক্ষা করে এটি শনাক্ত করেন:
​OCT (Optical Coherence Tomography): রেটিনার ভেতরের ফোলা বা মেকুলার ইডিমা (Macular Edema) কতটা গভীর তা মাপার জন্য।
​FFA (Fundus Fluorescein Angiography): রগে বিশেষ রঞ্জক (Dye) ইনজেক্ট করে রেটিনার রক্তনালীর ব্লকেজ ও রক্তপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা।
​Fundoscopy: চোখের ড্রপ দিয়ে মণি বড় করে রেটিনা সরাসরি পরীক্ষা করা।
​৫. আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা (Treatment)
​ব্লকেজ সরাসরি দূর করার উপায় না থাকলেও, এর ফলে সৃষ্ট ক্ষতি রোধে কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে:
​Anti-VEGF ইনজেকশন: (যেমন: Lucentis, Avastin, Eylea) এটি রেটিনার ফোলা কমায় এবং ক্ষতিকর নতুন রক্তনালী গজাতে বাধা দেয়। চোখের ভেতরে নি নির্দিষ্ট সময় পরপর দেওয়া হয়।
​স্টেরয়েড ইনজেকশন (Steroid Implants): মেকুলার ফোলা ভাব দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডেক্সামেথাসন ইমপ্লান্ট ব্যবহার করা হয়।
​লেজার থেরাপি (PRP Laser): Ischemic CRVO-র ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্ষতিকর রক্তনালী পোড়াতে এবং গ্লুকোমা প্রতিরোধে লেজার ব্যবহার করা হয়।
​সতর্কতা: CRVO শনাক্ত হলে কেবল চোখের চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। রোগীর রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের পূর্ণাঙ্গ চেকআপ করানো জরুরি, কারণ এগুলো নিয়ন্ত্রণ না করলে অপর চোখেও একই সমস্যা হতে পারে।

চেম্বার শেষে আড্ডা
13/09/2026

চেম্বার শেষে আড্ডা

👁️‍🗨️বেল্‌স পলসি (Bell's Palsy) হলো মুখের একপাশের স্নায়ু (Facial Nerve) হঠাৎ অকেজো বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার একটি শারীরি...
12/09/2026

👁️‍🗨️বেল্‌স পলসি (Bell's Palsy) হলো মুখের একপাশের স্নায়ু (Facial Nerve) হঠাৎ অকেজো বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার একটি শারীরিক অবস্থা। এটি ৭ম ক্রেনিয়াল নার্ভে (7th Cranial Nerve) প্রদাহ বা ফোলার কারণে ঘটে, যার ফলে মুখের একপাশের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে বা ঝুলে যায়।প্রধান লক্ষণসমূহ
👁️‍🗨️​মুখের একপাশ ঝুলে পড়া: হাসতে গেলে মুখ একদিকে বেঁকে যাওয়া এবং কপালের চামড়া কুঁচকাতে না পারা।
👁️‍🗨️​চোখের সমস্যা: আক্রান্ত পাশের চোখ পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া, চোখের পাতা ঝুলে পড়া এবং চোখ শুকিয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত পানি পড়া। (চোখ খোলা থাকার কারণে কন্টিনিউয়াস চোখের ড্রপ ও রাতে প্রটেক্টিভ প্যাচ ব্যবহার করা লাগে)।
👁️‍🗨️​লালা ও খাবারের সমস্যা: মুখের কোণ দিয়ে লালা পড়া এবং খাবার বা পানি চিবানো/গিলতে কষ্ট হওয়া।
👁️‍🗨️​স্বাদের পরিবর্তন: জিভের সামনের অংশে স্বাদের অনুভূতি কমে যাওয়া।
👁️‍🗨️​কানের সমস্যা: আক্রান্ত পাশের কানের পেছনে বা পেছনে ব্যাথা হওয়া এবং স্বাভাবিক শব্দ অতিরিক্ত জোরে শোনা (Hyperacusis)।
​কারণ
বেল্‌স পলসির সঠিক কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট নয়, তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে ভাইরাল সংক্রমণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ধরা হয়। স্নায়ু ফুলে গিয়ে অস্থির সংকীর্ণ ছিদ্রপথে চেপে গেলে এই সমস্যা তৈরি হয়। সম্ভাব্য ভাইরাল 👁️‍🗨️👁️‍🗨️👁️‍🗨️কারণসমূহ:
​হার্পিস সিমপ্লেক্স (Herpes Simplex - যা কোল্ড সোর তৈরি করে)
​ভ্যারিসেলা জোস্টার (Varicella Zoster - চিকেনপক্স ও শিনগলস-এর ভাইরাস)
​এপ্টেইন-বার ভাইরাস (Epstein-Barr virus)
​চিকিৎসা ও পুনরুদ্ধার
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে (প্রায় ৮০-৮৫%) রোগী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে চিকিৎসায় পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
👁️‍🗨️​মেডিকেল চিকিৎসা: লক্ষণ শুরুর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ওরাল স্টেরয়েড (যেমন Prednisolone) শুরু করলে স্নায়ুর ফোলা দ্রুত কমে এবং সুস্থতার হার বাড়ে। অ্যান্টিভাইরাল ওষুধও কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
👁️‍🗨️​চোখের যত্ন: চোখ বন্ধ না হলে কর্নিয়া শুষ্ক হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই দিনের বেলা কৃত্রিম অশ্রু (Lubricating Eye Drops) এবং রাতে আই অয়েন্টমেন্ট ও আই প্যাচ ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।
👁️‍🗨️​ফিজিওথেরাপি: মুখের পেশির কার্যক্ষমতা ফেরাতে নির্দিষ্ট ফেসিয়াল এক্সারসাইজ ও থেরাপি বেশ কার্যকর।
👁️‍🗨️​বি.দ্র. এটি স্ট্রোকের মতো মনে হতে পারে, তবে স্ট্রোকে সাধারণত হাত বা পায়ে দুর্বলতা থাকে এবং কপাল কুঁচকানোর ক্ষমতা বজায় থাকে, যা বেল্‌স পলসিতে থাকে না। লক্ষণ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

👁️‍🗨️জন্মগত ছানি (Congenital Cataract) শিশুদের চোখের দৃষ্টি বিকাশের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়...
09/09/2026

👁️‍🗨️জন্মগত ছানি (Congenital Cataract) শিশুদের চোখের দৃষ্টি বিকাশের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিশুদের চোখের ছানি বড়দের ছানির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে বাচ্চার চোখের দৃষ্টি স্থায়ীভাবে অন্ধত্ব বা আলসে চোখ (Amblyopia/Lazy Eye)-এ রূপ নিতে পারে।
👁️‍🗨️​জন্মগত ছানি কী ও কেন হয়?
​জন্মের সময় বা জন্মের পরপরই চোখের প্রাকৃতিক লেন্স ঘোলা হয়ে যাওয়াকে জন্মগত ছানি বলা হয়।
👁️‍🗨️​বংশগত বা জিনগত কারণ: পরিবারের কারও আগে এ ধরনের সমস্যা থাকলে।
​গর্ভাবস্থায় মায়ের ইনফেকশন: গর্ভাবস্থায় মা রুবেলা (Rubella), টক্সোপ্লাজমোসিস, সিএমভি (CMV) বা হার্পিস ভাইরাসে আক্রান্ত হলে।
👁️‍🗨️​মেটাবলিক সমস্যা: শিশুর গ্যালাক্টোসেমিয়া (Galactosemia) বা অন্য কোনো বিপাকীয় রোগ থাকলে।
👁️‍🗨️​চোখে আঘাত বা অন্যান্য রোগ: গর্ভকালীন সময় বা জন্মের সময় চোখে কোনো আঘাত লাগলে।
👁️‍🗨️​জন্মগত ছানির লক্ষণ
​চোখের মণির ভেতরে সাদা বা ধোঁয়াটে ভাব দেখা যাওয়া (Leukocoria)।
​বাচ্চা কোনো বস্তুর দিকে ঠিকমতো তাকাতে বা অনুসরণ করতে না পারা।
​শিশুর চোখ দ্রুত কাঁপতে থাকা (Nystagmus)।
​চোখের টেরা ভাব (Strabismus)।
​অপারেশন ও চিকিৎসা পরবর্তী করণীয়
​ গুরুত্বপূর্ণ।
👁️‍🗨️​স্টেরয়েড ও অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ও সঠিক সময়ে চোখের ড্রপ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, যেন ইনফেকশন না হয় এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
​দৃষ্টি পুনর্বাসন (Visual Rehabilitation):
👁️‍🗨️​চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স: প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক পাওয়ারের চশমা পরানো।
​প্যাচিং থেরাপি (Patching/Occlusion Therapy): যদি এক চোখে ছানি থাকে বা এক চোখের দৃষ্টি অন্য চোখের চেয়ে দুর্বল হয়, তবে ভালো চোখটি দিনে নির্দিষ্ট সময় ঢেকে রেখে (Patchিং করে) অপারেশনের চোখটিকে সচল ও শক্তিশালী করা হয়, যাতে 'অ্যাম্বলিওপিয়া' বা আলসে চোখ প্রতিরোধ করা যায়।
👁️‍🗨️​নিয়মিত ফলো-আপ (Follow-up): শিশুর চোখের পাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন হয় এবং গ্লকোমা বা সেকেন্ডারি ক্যাটারাক্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই নিয়মিত বিরতিতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে ফলো-আপ চেকআপে যাওয়া আবশ্যিক।৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ ❤️❤️ছোট ফাতেমা বয়স ৪ বছর, তার জন্মগত ভাবে তার দুই চোখে ছানি ছিল এবং আজ তার ছানি অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাই এখন তার দৃষ্টির সঠিক বিকাশের জন্য ফলো-আপ ও পরবর্তী যত্ন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

বেশি বেশি সবুজ দেখি চোখ সুস্থ রাখি☘️☘️☘️
06/09/2026

বেশি বেশি সবুজ দেখি চোখ সুস্থ রাখি☘️☘️☘️

চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে ভিটামিন এ, সি, ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (লুটি...
02/09/2026

চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে ভিটামিন এ, সি, ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (লুটিন ও জিয়াজেন্থিন) সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। নিচে চোখের জন্য প্রয়োজনীয় মূল খাবারগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:
​১. ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাবার🍊🍋🥭🥑🍌
​রঙিন ফল ও সবজি: গাজর, মিষ্টি আলু, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া এবং আম। এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে রাতের দৃষ্টিশক্তি ও চোখের রেটিনা ভালো রাখে।
​ছোট মাছ: 🦞🦞মলা, ঢেলা ও পুঁটি মাছ (বিশেষ করে কাঁটা ও মাথা সহ) চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
​২. সবুজ শাকসবজি 🥦🥦🥬🥬🥬(লুটিন ও জিয়াজেন্থিন)
​পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক ও ব্রকলি: এগুলোতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্ষতিকর নীল আলো (Blue Light) থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং ছানি (Cataract) পড়ার ঝুঁকি কমায়।
​৩. ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার
​সামুদ্রিক ও তেলের মাছ:🦐🦐 ইলিশ, রুই, সামুদ্রিক মাছ এবং সামুদ্রিক তেল। এগুলো চোখের ড্রাই আই (Dry Eyes) বা শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে।
​৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ খাবার
​টক জাতীয় ফল:🍋🥝🍍 আমলকী, লেবু, কমলা, মাল্টা ও পেয়ারা। এগুলো চোখের রক্তনালী সুস্থ রাখে এবং চোখের টিস্যুর ক্ষয় রোধ করে।
​৫. প্রোটিন ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার
​ডিম: 🍳🍳🍳ডিমের কুসুমে রয়েছে ভিটামিন এ, জিংক ও লুটিন, যা চোখের ম্যাকুলা সুরক্ষিত রাখে।
​বাদাম ও বীজ:🫘🥜🌰 কাঠবাদাম, আখরোট, চিনা বাদাম ও সূর্যমুখীর বীজ। এগুলোতে থাকা ভিটামিন 'ই' চোখের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়
​চোখে কোনো বিশেষ সমস্যা বা অস্বস্তি থাকলে একজন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞের (Ophthalmologist) পরামর্শ নেওয়া উচিত।

31/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ

Good friends, good vibes, and a day well spent! ❤️❤️❤️❤️
26/08/2026

Good friends, good vibes, and a day well spent! ❤️❤️❤️❤️

বন্ধু মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক ​সম্পাদক​সিটি বাজার,​মৎস্য আড়ত ব্যবসায়ী।চোখ এর সমস্যা ধরা পড়ায় আজ ডা. গোলাম শাহীদ নয়ন বন্ধ...
26/08/2026

বন্ধু মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক
​সম্পাদক
​সিটি বাজার,
​মৎস্য আড়ত ব্যবসায়ী।চোখ এর সমস্যা ধরা পড়ায় আজ ডা. গোলাম শাহীদ নয়ন বন্ধুর শরণাপন্ন। চোখ অমূল্য সম্পদ, তাই সামান্য সমস্যাকেও অবহেলা করা উচিত নয়। দ্রুত আরোগ্য কামনা করি বন্ধু। ❤️👀
​

চোখের নালি বন্ধ হয়ে যাওয়া (Nasolacrimal Duct Obstruction) একটি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সময়মতো চিকিৎসা ও সার্জারির মা...
20/08/2026

চোখের নালি বন্ধ হয়ে যাওয়া (Nasolacrimal Duct Obstruction) একটি পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সময়মতো চিকিৎসা ও সার্জারির মাধ্যমে পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব।
​চোখের নালির সমস্যা ও অপারেশন সংক্রান্ত তথ্য
​রোগের কারণ: চোখের পানি নাকের ভেতরে নিষ্কাশনের পথ বা 'অশ্রুনালি' কোনো কারণে ব্লক হয়ে গেলে প্রতিনিয়ত চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এর ফলে চোখ পিছুটি হওয়া, লাল হওয়া এবং নালির স্থানে পুঁজ বা ফোলা ভাব (Dacryocystitis) তৈরি হতে পারে।
​চিকিৎসা ও অপারেশন: এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা অপারেশন করা। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় DCR (Dacryocystorhinostomy) বলা হয়। এই অপারেশনের মাধ্যমে চোখের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি বিকল্প পথ তৈরি করে দেওয়া হয়, যা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর।
​অপারেশন পরবর্তী যত্ন: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ড্রপ বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা, চোখে ধুলাবালি না লাগানো এবং মুখ ধোয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।
​
​

Address

Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md.Golam Shaheed Nayan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category