Gynae advice by Dr Sonia Nasrin

Gynae advice by Dr Sonia Nasrin Allah is almighty
FCPS, DGO, MCPS, MBBS

16/05/2026


চলে গেলেন করিনা কায়সার 🥹
অজ্ঞতা নয় সচেতনতায় পরিত্রাণ🦠
বাইরের খাবার খাবার আগে ভাবতে হবে একশবার🤞

আমি খুব আগ্রহ নিয়ে দেখছি, কীভাবে কারিনা কাইজারের গল্পটা “জীবনের জন্য লড়াই করা এক তরুণ রোগী” থেকে ধীরে ধীরে আরও নাটকীয় “ভুল চিকিৎসা” কাহিনিতে রূপ নিচ্ছে। কারিনার চিকিৎসা টিমের একজন সদস্য হিসেবে শুরু থেকে সবকিছু সরাসরি জানার পরও আমি চুপ থাকাই পছন্দ করেছি, যদিও অনেকেই তার বিষয়ে জানতে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সাধারণ মানুষের বোধগম্যের বাইরে থাকা জটিল চিকিৎসাবিষয়ক আলোচনা তাদের সঙ্গে করা প্রয়োজন মনে করিনি। কিন্তু সম্প্রতি দেখলাম, বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া আবারও পুরোনো “ভুল চিকিৎসা” অভিযোগ সামনে আনছে। তাই কয়েকটি কথায় বিষয়টা শেষ করা প্রয়োজন মনে করছি—
১. কারিনাকে যখন আমাদের ICU-তে ভর্তি করা হয়, তখন তার শরীর ফ্যাকাশে হলুদ (তীব্র জন্ডিস), মানসিকভাবে বিভ্রান্ত ও অস্থির ছিল। এই দুটি লক্ষণই যেকোনো চিকিৎসককে গুরুতর লিভার রোগের সন্দেহ করতে বাধ্য করবে—যে রোগ ইতোমধ্যেই তার মস্তিষ্ক ও চেতনাকেও প্রভাবিত করেছিল। সে ক্রমাগত চিৎকার করছিল, আশেপাশের সবাইকে গালাগাল দিচ্ছিল, বিছানা থেকে নামার চেষ্টা করছিল এবং চিকিৎসার জন্য লাগানো ক্যানোলা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি খুলে ফেলতে চাইছিল। তাই তার নিরাপত্তার জন্য আমাদের তাকে এমন ওষুধ দিয়ে সেডেট করতে হয়, যেগুলো লিভারের জন্য ক্ষতিকর নয়। ফলে “অতিরিক্ত সেডেশন তার অবস্থার অবনতি ঘটিয়েছে”—এই দাবি ভিত্তিহীন।
২. কারিনার পরিবার জানিয়েছিল, অবস্থা খারাপ হওয়ার আগে সে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ ছিল। সে পরিবারের কাউকে কিছু বলেনি (তার বাবাকেও সংবাদমাধ্যমে একই কথা বলতে দেখা যায়) এবং জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলসহ বিভিন্ন ওষুধ খেয়েছিল। মাঝারি থেকে গুরুতর লিভার ক্ষতিগ্রস্ত রোগীদের জন্য প্যারাসিটামল ক্ষতিকর হতে পারে। বাড়িতে নিয়মিত প্যারাসিটামল খাওয়া তার লিভারের অবস্থা আরও খারাপ করে থাকতে পারে।
৩. পরীক্ষায় তার শরীরে একসঙ্গে হেপাটাইটিস A ও হেপাটাইটিস E ভাইরাস শনাক্ত হয়। এই দুই ভাইরাস সাধারণত খাবারের মাধ্যমে ছড়ায় এবং আলাদাভাবে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। কিন্তু একই ব্যক্তির শরীরে একসঙ্গে পাওয়া গেলে পরিস্থিতি প্রায়ই ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায়। আলহামদুলিল্লাহ, কারিনা এখনো বেঁচে আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার এক বন্ধুকে একই রোগে, আরও কম বয়সে হারিয়েছি।
৪. যখন সে প্রায় শ্বাস নিতে অক্ষম হয়ে পড়েছিল, তখন তাকে ভেন্টিলেটরে (আপনাদের ভাষায় লাইফ সাপোর্ট) নেওয়া হয়। তাকে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। পৃথিবীর যেকোনো হাসপাতাল জানে, ভেন্টিলেটরে থাকা রোগীদের কেন অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। তাই “অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়েছে”—এই দাবিও ভিত্তিহীন।
৫. ভেন্টিলেটরে নেওয়ার অনেক আগেই তার পরিবারকে এমন হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, যেখানে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সম্ভব। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ও একটি বিস্তারিত কেস সামারি তাদের দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তার ভর্তি হওয়ার দিন থেকে সব তথ্য উল্লেখ ছিল। তারা আমাদের জানিয়েছিল, সেই কাগজপত্র নিয়ে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু রোগের বর্তমান অবস্থার কারণে তারা রোগী নিতে রাজি হয়নি। তবে আমাদের প্রতিবেশী একটি দেশ দ্রুত নিয়ে গেলে চেষ্টা করা যেতে পারে বলে আশ্বাস দেয়। সে দেশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা সাপোর্টিভ চিকিৎসা চালিয়ে গেছি।
৬. এরপর যখন সেই “প্রতিবেশী” দেশ বুঝতে পারল, কেন সিঙ্গাপুরের হাসপাতালগুলো শুরুতেই তাকে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, এবং রোগীর স্বজনরা ইতোমধ্যে তাদের দেওয়া আশ্বাসে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে সেখানে চলে গেছেন, তখন তারা সবচেয়ে সহজ পথ বেছে নেয়—সব দোষ আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া। এই দোষারোপের কৌশল তাদের রোগীর সংখ্যা বাড়াতেও সাহায্য করে।
কারিনার পুরো হাসপাতালে থাকার সময়কাল, চিকিৎসার ধাপ, ব্যবহৃত ওষুধ এবং আমাদের সঙ্গে তার পরিবারের সব কথোপকথন নথিভুক্ত ও সংরক্ষিত আছে ভবিষ্যতের জন্য। তাই স্থানীয় অর্ধশিক্ষিত মিডিয়া, স্বজন বা প্রতিবেশী রাষ্ট্র—কারও মিথ্যা দাবি করার সুযোগ নেই। আর আপনারা, সাধারণ “বাঙুস” জনগণ—যারা ইতোমধ্যে কারিনার ব্যক্তিগত জীবন ও অভ্যাস নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে তর্ক করছেন এবং তাকে নিয়ে আজেবাজে কথা বলছেন—আপনারা যা খুশি তাই করে যান। এসবের কোনোটাই কারিনা, তার পরিবার বা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং কোনো কিছু না জেনেই মানুষকে অপমান ও বদনাম করার দায় আপনাদেরই।
Copied

10/05/2026

জরায়ুতে জন্ম জরায়ুতেই মৃত্যু:

মানুষের জন্মের সূত্রপাত হয় জরায়ুতে, গর্ভাবস্থায় বেড়ে উঠা, মায়ের থেকে পুষ্টি নিয়ে বাচ্চার পরিপূর্ণতা অর্জন করা। এসময় মেয়েদের বিভিন্ন রকমের শারীরিক সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়। একটা বাচ্চা জন্ম দিয়ে একজন মা যে পরিমাণ আনন্দ বিলিয়ে যায় পরিবারের মাঝে ঠিক তার চেয়ে অনেক বেশি শারীরিক মানসিক জটিলতার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়।

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন জটিলতা যেমন উচ্চরক্ত চাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, রক্তক্ষরণ, খিঁচুনি, প্রসব জনিত জটিলতা, প্রদাহ ইত্যাদি একজন মায়ের মৃত্যুর কারণও হতে হতে পারে।

গর্ভধারণ ছাড়াও জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের নানা রকমের রোগ যেমন এবনরমাল ইউটেরাইন ব্লিডিং, ক্যান্সার ইত্যাদি মায়ের জীবনের হুমকি স্বরূপ দেখা দিতে পারে।

এছাড়াও বিভিন্ন অপারেশন এমনকি সিজারিয়ান অপারেশনের সময়ও বিভিন্ন জটিলতা মায়েদের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিনিয়ত এমন মরণাপন্ন রুগীর চিকিত্সা এবং অপারেশন করতে হয় আমাদের। ডাক্তারদের অপরিসীম চেষ্টা ও ধৈর্য লেগে থাকে রোগীদের সুস্থ করতে। এই সব মৃত্যু পথযাত্রী রুগীরা যখন সুস্থ হয়ে যায় , সত্যিই অবাক হই আর মহান আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করি। সব কিছুর মালিক মহান আল্লাহ তায়ালা ।

10/12/2025

#ডেঙ্গু_সিরিজ
ডেঙ্গুতে Hct (হেমাটোক্রিট )ই হচ্ছে রোগীর অবস্থা বুঝার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা।

🚫প্লেটলেট নয়
hct interpretation শেখা প্রয়োজন।
Hct বলে রোগী ক্যাপিলারি ফ্লুইড leak করছে কিনা, shock আসবে কিনা, নাকি bleeding হচ্ছে।

Baseline Hct জানাটা বাধ্যতামূলক:

যদি baseline জানা না থাকে ,তাহলে তো হিসেবই বুঝবোনা!

-Population average (male ~42–45%, female ~38–40%) approximate
critical phase এ এমনকি ৬ ঘন্টা পরপর hct দেখা জরুরী। (day 3–7) হচ্ছে ক্রিটিকাল।

🛑যখন Hct ↑ (rising Hct)

⭐ Meaning: Plasma leakage হচ্ছে

Hct Rise Interpretation:
-↑ 10% from baseline → mild leak
↑ 20% → significant leak → close monitoring needed
সাথে ↑ + Tachycardia / narrow PP → shock evolving → immediate fluid bolus....

এখানে ১০% বাড়বে বেইসলাইন থেকে।

ধরুন ৩৫ বছরের মহিলা,ওনার জন্য বেইসলাইন hct -38

5th day তে ওনার hct পেলাম:
early morning:→ 48%

তাহলপ hct Rise = 10%..এটা mild leak বুঝায়।

সন্ধ্যায় : 38 → 55%

Rise = 17–20% এটা সিভিয়ার লীক বুঝায়।

🛑যখন Hct ↓ এবং patient stable

⭐ Meaning: Hemodilution হয়েছে (fluid overload)

কখন হয়:
-Excess fluid resuscitation দিলে
Recovery phase start হলে leak বন্ধ হয় → 3rd-space fluid intravascular-এ ফিরে আসে,তখনও হয় এটা।

তখন সাথে সাথে ফ্লুইড অফ করে দিতে হবে।
fluid overload এর সাইনগুলো দেখবো।

🛑যখন Hct ↓ কিন্তু patient unstable
⭐ Meaning: BLEEDING

Interpretation:
-Leakage থাকলে Hct rise করার কথা
-But instead Hct falls → এটা সাজেস্ট করে internal bleeding:
-GI bleeding
-Intrabdominal bleed
-Rarely intracranial bleed

ডা তামিম
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর করে degue fever নিয়ে আলোচনা করার জন্য
#ডেঙ্গু_সিরিজ #মেডিসিন #ডেঙ্গু

08/04/2025

সেকালের ফেরাউন একালের ফেরাউন :

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ

ফিলিস্তিনী মজলুম মুসলমানদের ওপর, বিশেষত ফিলিস্তিনী শিশুদের ওপর জালেম ইসরাইল যে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে এটাকে অনেকেই ফেরাউনের সাথে, ফেরাউনের যুগের সাথে তুলনা করছে। এটি অনেকটা প্রাসঙ্গিক। বিগত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হত্যাযজ্ঞগুলো দেখলেও বিষয়টা স্পষ্ট হবে। আর গত শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে গোটা ফিলিস্তিনে ইহুদীদের যে অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞ চলেছে সেখানেও তারা বিশেষভাবে শিশুদেরকে টার্গেট করেছে। বিভিন্ন সময়ে হাসপাতালে কিংবা শিশুদের জটলা টার্গেট করে করে বোমা মেরেছে।

এ পর্যন্ত হাজার হাজার শিশু তাদের হাতে শহীদ হয়েছে। আহত হয়েছে অসংখ্য। এ সবকিছু স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে, ইসরাইল ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনী শিশুদের টার্গেট করছে। ইতিহাসে এধরনের শিশুহত্যাকাণ্ডের নজীর একমাত্র ফেরাউনী শাসনামলেই পাওয়া যায়। ঠিক ইসরাইলের পাশেই সেই ফেরাউনী শাসনের দেশটি অবস্থিত- এযুগের মিশর। এ জাতিও সে গোষ্ঠী থেকেই আসা; অন্তত আত্মিকভাবে তো বটেই।

ইসরাইলীদেরকে এখন অনেকেই ফেরাউন বলছে। বিভিন্ন দেশ থেকে জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, তারা এ যুগের ফেরাউন। সে হিসেবে তাদেরকে ফেরাউন বলা বা ফেরাউনী চরিত্রের বলা প্রাসঙ্গিক।

পবিত্র কুরআন পড়লেও বিষয়টা আমরা খুব সহজে বুঝতে পারব। যারা ইতিহাস সম্পর্কে অবগত তারাও জানেন, ফেরাউন কে? সে ছিল একসময়ের মহাসম্রাট। যার কথার বাইরে কারও কিছু করার সাহস ছিল না। তার হুকুমেই সবকিছু চলত। নিজেকে খোদাও দাবি করেছিল সে। সেই ফেরাউনকে একবার এক জ্যোতিষী বলেছিল, অচিরেই এক শিশু জন্ম নেবে, যে ভবিষ্যতে আপনার শাসনকে চ্যালেঞ্জ করবে। তার হাতেই আপনার পতন হবে। তখনকার মানুষ জ্যোতিষীদের বিশ্বাস করত।

দুনিয়ার আর দশজন একনায়ক ও জালেমের ক্ষেত্রে যা হয়, ফেরাউনের ক্ষেত্রেও তা ঘটেছে। বুদ্ধিমান হলে তো সে জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করে আগ থেকেই ক্ষমতা ছেড়ে পালাত- ‘শিশুর হাতে মরার দরকার নেই। আমি নিজেই চলে যাই।’ কিন্তু দুনিয়ার সব জালেম ও একনায়ক একই পথ অবলম্বন করে। তারা যখন শোনে, অমুক তার বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছে, সে তার বিরোধী, সে তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে, তখন তাকে দমিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করে। হিংস্রতার শেষ পর্যায়ে উপনীত হয়। কিছুতেই দমে না।

এযুগে আমরা দেখি, দেশে দেশে গুম-খুন-হত্যা-নির্বিচার হত্যা এরকম বহুকিছুই করতে থাকে জালেমরা। সে যুগে ফেরাউনও তা করেছিল। সে বলল, এটা তো সহজ কাজ। যে আমার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করবে সে তো কেবল জন্মলাভ করেছে, শিশু। সে ঠিক করল, সব শিশুকে মেরে ফেলবে। এতেই তো সব সমস্যা একসাথে সমাধা হয়ে যায়। ফেরাউন সকল নবজাতক শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ জারি করল। সে অনুযায়ী যার ঘরে যত ছেলে সন্তান হয়েছে সবাইকে হত্যা করা শুরু হয়ে গেল। কিন্তু আল্লাহ তাআলার সিদ্ধান্ত তো ভিন্ন ছিল। ফেরাউনের পতন অনিবার্য ছিল। যুগ যুগ থেকেই ফেরাউনদের পতন অনিবার্যই থাকে। কারো আগে হয়, কারো পরে।

পরের ইতিহাস সকলেরই জানা। একটি ঘরে মূসা নামক এক ছেলে জন্ম নিল। শিশুটি খুন হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় মা আকুল হয়ে গেলেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে তার মনে বুদ্ধি এল, শিশুটিকে নদীতে ভাসিয়ে দাও। তাকে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হল। সে শিশু বেড়ে উঠল ফেরাউনেরই ঘরে। পরবর্তীতে তাকেই ধাওয়া করতে গিয়ে ডুবে মরল ফেরাউন ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা। এটুকু ইতিহাস তো সকলেরই জানা।

এখান থেকে বারবারই একটা কথা মনে আসছে। সেটা হল, ইসরাইল যে চিন্তা থেকে শিশুদেরকে আগ বাড়িয়ে হত্যা করছে, টার্গেট করে করে শিশুদেরকে হত্যা করছে, একটু বেড়ে ওঠা শিশুদের পাথর নিয়ে প্রতিরোধ চেষ্টা তাদের অপছন্দ লাগে, এজন্য আগেই তাদের শেষ করে দিতে চায়। হয়তো তারা ভয় পায়, এ শিশুদের মধ্য থেকেই কেউ বড় হয়ে যায় কি না! বড় হয়ে আমাদেরকে মারে কি না? আমাদের পতনের কারণ হয় কি না? কিন্তু তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না। তারা মনে করছে, শিশুদের হত্যা করে শেষ করে ফেলবে। কোনো ইসরাইলী দম্ভ করে বলছিল, ‘গাজাকে তারা মিশিয়ে দিয়ে সেখানে পার্ক বানাবে।’ তারা দম্ভ দেখাচ্ছে। তারা জানে না, তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে। শিশুহত্যা করেই যে তারা পার পাবে না, এটা তাদের ইতিহাস থেকে শেখা উচিত। কালকে ফেরাউনের ঘরে পালিত শিশু আজ তাকেই চ্যালেঞ্জ করল। বর্তমানে কি সেটা অসম্ভব কিছু? এমন কি হতে পারে না যে, ইসরাইলের ভেতরেই হয়তো বড় হচ্ছে কোনো সালাহুদ্দীন আইয়ুবি কিংবা অন্য নামের কেউ। যে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করবে এবং তাদের ভরাডুবি তার হাতেই হবে।

এটা মনে রাখা দরকার, ইতিহাসে যারা সবকিছু উল্টে দেওয়ার জন্য আবির্ভূত হন তারা কিন্তু হঠাৎই হন। জানান দিয়ে আসেন না। সালাহুদ্দীন আইয়ুবির বিজয়ের দিনের আগে কেউ জানত না, এ লোকই আবার ক্রুসেডারদের থেকে উদ্ধার করবে ফিলিস্তিন, মসজিদুল আকসা। তাতারিদের আগে কে জানত, এরকম একটা শক্তি আসবে। ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে সবকিছু শেষ করে দেবে। শিশুহত্যা করে ইসরাইল যা করতে চায় এটা তার জন্য বিধিবাম হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। ইসরাইলের তথাকথিত বন্ধু আরবরাষ্ট্রগুলো... (এখানে মনে রাখতে হবে, এ বন্ধু মানে হল, মুখের বন্ধু এবং মনে রাখা দরকার, এরকম অনেক দেশেই থাকে, আমাদের দেশেও আছে। এগুলো একতরফা বন্ধুত্ব। তাবেদারির বন্ধুত্ব। শুধু দেওয়ার বন্ধুত্ব। পাওয়া খুবই সামান্য।)

এই যে আরবরা এখন মুসলিম ভাইদের, নিজ ভাষাভাষীর, সংস্কৃতির এবং স্বধর্মের মজলুমদের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে না, তারা ইসরাইলকে বন্ধু বানিয়ে নিয়েছে, ইনিয়ে-বিনিয়ে তার পক্ষই টানছে। বারবার তাঁরা লোকদেখানো মিটিংয়ে একত্রিত হয়। কিন্তু আসল ফয়সালা ইসরাইলের পক্ষেই যায়। কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত তারা নিতে পারেনি। তারা ভাবছে, ইসরাইলের কারণে যদি তাদের ক্ষমতার ক্ষতি হয়, অথবা তাদের এ ভয়ও ভেতরে থাকতে পারে, আজকে ফিলিস্তিনীরা মজবুত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলে, হামাস শক্তিশালী হয়ে উঠলে, তাদের ক্ষমতাকেই চ্যালেঞ্জ করে বসে কি না? এসব ভীতিও তাদের থাকতে পারে। কিন্তু একথা তো বোঝা দরকার এবং ইতিহাস বারবার পড়া দরকার।

ইতিহাসে কোনো সাহসী মহান ব্যক্তি, কোনো বীরসেনা যদি কোনো অঞ্চলে দাঁড়িয়ে যায় তখন সে অঞ্চলেই শুধু সীমিত থাকে না। আজকে ইসরাইলীরা শিশু হত্যা করছে, কালকে যদি বেঁচে যাওয়া কোনো শিশুই বড় হয়ে যায়, তাদেরকে চ্যালেঞ্জ দেয়, তখন কী হবে? আর সেক্ষেত্রে সে তো কেবল তাদেরকেই চ্যালেঞ্জ জানাবে না; সে আরো বড় থেকে বড় সাহেবদের দিকে আঙুল তুলবে নিশ্চয়। তখন এসব আরবদের কী হবে? এদের ক্ষমতা কি জায়গামতো থাকবে?

ইসরাইলের ধ্বংস অবধারিত সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু সময়ের অপেক্ষা। যারা এমন জুলুম করে তারা পৃথিবীতে বহুদিন টিকে থাকবে না। এটা তো সুনিশ্চিত। কিন্তু আজকে ইসরাইলকে যে আরবরা মৌন ও প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তাদের কি শেষরক্ষা হবে? এটা ব্যাখ্যা করে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।

24/03/2025

আমাদের সকল ইমারজেন্সি রুগীদের আমার দেশের ডাক্তার রা এভাবেই ম্যানেজ করে

The unsung heroes behind the scenes....

M Zaman Maruf ভাইয়া I'm so proud of you.
You made our community so proud.
THANK YOU.

ছবির মানুষটি হচ্ছে প্রখ্যাত ইন্টারভেনশন কার্ডিওলজিস্ট Dr. M Zaman Maruf .

ভাইয়ার নেতৃত্বে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক Tamim Iqbal এর সাভারের কেপিজে হাসপাতালে সফল এঞ্জিওগ্রাম ও প্রাইমারি পিসিআই (স্টেন্টিং) সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে কার্ডিয়াক টীম অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ২২ মিনিট সিপিআর (CPR) ও ৩ বার শক ( DC shock) দিয়ে এঞ্জিওগ্রাম করার পর ১০০% বন্ধ রক্তনালী(LAD) খুলে দেয়। ( Primary PCI)

"ডাক্তার"
যারা প্রচারের আলোয় না থেকেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মানুষের জন্য। আজ যদি তামিমের ঐ 22মিনিটে কিছু ঘটে যেত (যা অত্যন্ত ন্যাচারাল ছিল, তামিমের এই কামব্যাক এখন পর্যন্ত মিরাকল বটে, আল্লাহর অশেষ রহমত আর ডাক্তারদের প্রচেষ্টার ফসল, এখনও শঙ্কা আছে এটাও মনে রাখতে হবে) তাহলে কেউ বলতো না হায়াত নাই তাই এমন হয়েছে। বরং সাংবাদিকরা নিউজ করতো-- ভুল চিকিৎসা হয়েছে। সাধারণ জনগণ ছুটতো ডাক্তার পেটাতে,হাসপাতাল ভাঙতে।

যারা বোকা বোকা পোস্ট করছেন "তামিম ইকবাল বলেই এমন চিকিৎসা পেয়েছে ",
তাদের জন্য বলব--- আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আইডিয়া রাখবেন দয়া করে । ডাক্তাররা সামান্য একটা অংশ মাত্র হেলথ সেক্টরের।

আমাদের দেশে হেলথ ইন্সুরেন্স বলে কিছু আছে কি? প্লিজ গুগল করুন, জানুন। না জেনে আমাদেরকে গালাগাল করলে ভাল দেখায় না।

দেশের ভিইপির জন্য বিসিবি বা সরকার যে ব্যবস্থা করবেন তা আমার আপনার জন্য বা বাসার কাজের খালার জন্য কি করবেন ? এটা কি আশা করা ঠিক?

তাই কাজের খালা বা ড্রাইভার "এইম ইন লাইফ" ( সৎ পথের সব পেশাই সম্মানের)না করে বরং এইম এমন বানান যেন দেশেই ভিভিআইপি এটেনশন পান।

জেলাস হয়ে লাভ কি ভাই🙄 ? আমি নিজে চিকিৎসক হয়েও তো এতো দ্রুত চিকিৎসা পাব না। সেখানে আপনি মুদির দোকানদার, টিকটকার হয়ে কি করে আশা করেন? যদিও হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ হাসপাতালে হবার পরেও মৃত্যু আটকানো যায়নি। মৃত্যু আটকানো ডাক্তারদের কাজ না। রোগের চিকিৎসা করা আমাদের ডিউটি।
That's it.....

#মিম্ মি

It was an exhausting night just before sehri triplets were delivered by me with my beloved team . Mother n the babies we...
06/03/2025

It was an exhausting night just before sehri triplets were delivered by me with my beloved team . Mother n the babies were healthy,keep them in ur prayers❤️ n we smile when they smile😍

Address

Enam Medical College Hospital
Savar

Telephone

+8801918535006

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gynae advice by Dr Sonia Nasrin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category