Raiyan Homoeo Hall রাইয়ান হোমিও হল

Raiyan Homoeo Hall রাইয়ান হোমিও হল আসসালামু আলাইকুম।
রাইয়ান হােমিও হলে আপনাকে স্বাগতম ।

10/08/2026
Azoospermia মানেই চূড়ান্ত অক্ষমতা নয়। অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক diagnosis, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং লক্ষণভিত্তিক homoeopathi...
18/05/2026

Azoospermia মানেই চূড়ান্ত অক্ষমতা নয়। অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক diagnosis, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং লক্ষণভিত্তিক homoeopathic চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক অবস্থার উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে।

Azoospermia কি ?
Azoospermia হলো বীর্যে শুক্রাণু অনুপস্থিত। পুরুষ বন্ধ্যাত্ব ।

পুরুষ বন্ধ্যাত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো Azoospermia, যেখানে বীর্য পরীক্ষায় (Semen Analysis) শুক্রাণু অনুপস্থিত পাওয়া যায়।
এবং অনেক ক্ষেত্রে বীর্যের শুক্রাণু থাকলেও তাহা অনেক দুর্বল হয়ে থাকে।
অনেক রোগী দীর্ঘদিন বিষয়টি বুঝতে পারেন না; সন্তান গ্রহণে ব্যর্থ হওয়ার পর পরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যা ধরা পড়ে।

বর্তমানে মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, হরমোনীয় ভারসাম্যহীনতা, যৌনরোগ, Varicocele, অতিরিক্ত যৌন অপব্যবহার ও পরিবেশগত প্রভাবের কারণে পুরুষ বন্ধ্যাত্বের হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Azoospermia-এর ধরন :

Obstructive Azoospermia

শুক্রাণু উৎপন্ন হলেও কোনো বাধার কারণে বাইরে আসতে পারে না।

Non-Obstructive Azoospermia

অণ্ডকোষে শুক্রাণু উৎপাদন কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়।

সম্ভাব্য কারণসমূহ :

• Hormonal imbalance
• Testicular degeneration বা atrophy
• Varicocele
• পূর্বের যৌনরোগ বা সংক্রমণ
• দীর্ঘদিন হস্তমৈথুন বা sexual excess
• ধূমপান, মাদক, অ্যালকোহল
• Genetic factor
• অতিরিক্ত মানসিক চাপ
• দীর্ঘদিন অতিরিক্ত তাপ বা chemical exposure

রোগীর সাধারণ লক্ষণ

• বীর্যে শুক্রাণু অনুপস্থিত
• দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়া
• Erectile dysfunction বা premature ej*******on
• যৌন দুর্বলতা ও আত্মবিশ্বাসহীনতা
• যৌন ইচ্ছা হ্রাস
• মানসিক হতাশা
• অণ্ডকোষ ছোট, নরম বা ক্ষয়প্রবণ অনুভব হওয়া

হোমিওপ্যাথিতে Azoospermia চিকিৎসা শুধুমাত্র রিপোর্টনির্ভর নয়। রোগীর বিভিন্ন লক্ষণ ভিত্তিক ঔষধ নির্বাচন হয়।

রেপার্টরি বিশ্লেষণে নিম্নোক্ত ঔষধসমূহ গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হতে পারে।

Conium Maculatum
Aurum Metallicum
Carbo Animalis
Medorrhinum
Pituitaria Posterior
Sulfanilamidum
Staphysagria
Te**is
Tocopherolum
X-Ray
Iodium
Syphilinum
Agnus Cast
Selenium
Lycopodium
Te**is ইত্যাদি।

Azoospermia রোগে শুধুমাত্র ঔষধ নির্বাচন নয়, সঠিক কারণ নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ :

• ধূমপান ও মাদক বর্জন
• পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
• অতিরিক্ত তাপ এড়িয়ে চলা
• নিয়মিত ব্যায়াম।

13/05/2026

১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যে ঘটনাটি আজ ও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এএই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন, আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন।

গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে...

১৯৫০ সাল, আমেরিকা

বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়। খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম।

ব্যবস্থা এমন ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে, তার মস্তিস্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল। আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি

সহজ ভাষায় বললে, বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে-যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়।

শুরু হলো সেই মরণনেশা

শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর।

মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে। ইঁদুরটি থমকে গেল "এই সুখ এলো কোথা থেকে?"

সে আবার বোতাম চাপল। আবারও সেই অনুভূতি।

এবার সে বুঝে গেল এই লাল বোতামই আনন্দের উৎস।

তারপর? তারপর শুরু হলো এক ভয়ংকর পাগলামি।

ইঁদুরটি বারবার... শুধু বোতামহ চাপতে লাগল।

যখন সুখ জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাকে আরও কঠিন করলেন।

খাঁচায় রাখা হলো দামী খাবার।

ইঁদুরটির নিঃসঙ্গতা দূর করতে ছাড়ানো হলো একটি স্ত্রী ইঁদুর।
এখন আপনার কী মনে হয়?

সে কি খাবার ফেলে দিলো, নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল?

না।

সে কিছুই করল না।

খাবার পড়ে রইল যে তাকাল না। সঙ্গিনী ডাকল সে সাড়া দিল না।

দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে যে শুধু একটাই কাজ করতে লাগল লাল বোতাম চাপা।

কারণ,

খাবার বা সঙ্গ থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার চেয়েও হাজার গুণ বেশি আনন্দ এই কৃত্রিম সুখে।

শেষ পরিণতি

এক দিন... দুই দিন... তিন দিন...

ইঁদুরটির শরীর শুকিয়ে গেল। শক্তি ফুরিয়ে এলো। কিন্তু বোতাম চাপা থামল না।

শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি মারা গেল।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার জানেন? মৃত্যুর সময়ও তার হাতটি ছিল লাল বোতামের ওপর।

মরার আগের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে ওই কৃত্রিম সুখটাই চেয়েছিল।

এই পরীক্ষা কি সত্যিহ শেষ?

আপনি ভাবতে পারেন ১৯৫০ সালের সেই পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ!

বিন্তু ভয়ংকর সত্য হলো পরীক্ষাটি আজও চলছে।

শুধু ইঁদুর বদলেছে।

আজ সেই খাঁচার ইঁদুর আপনি... আর আমি।

লাল বোতাম বদলে গেছে

১৯৫০ সালের সেই লাল বোতাম ৮০ দশক হতে হাতে এসে নিয়েছে একটি চারকোনা আয়তাকার স্ক্রিনের রূপ। প্রযুক্তির সাহায্যে বেড়ে গেছে এর বিশাল ব্যাবহার। নিম্নবিও থেকে উচচ শ্রেণীর কোন প্রকার বয়সের বাধা ছাড়া এটার মধ্যে ডুবে আছে। যে হেমিলনের বাঁশিওয়ালা।

একটু ভেবে দেখুন

আমরা কি খাবারের টেবিলেও ওই স্ক্রিনে সুখ খুঁজি

আপনার পাশের মানুষটিকে উপেক্ষা করে কি স্ক্রিনেই ডুবে থাকি না?

◆ ঘুম নেই, শান্তি নেই তবু কি মাঝরাতে স্ক্রল থামে..?

ইঁদুরটি যেমন সুখের নেশায় জীবন দিয়েছিল,
আমরাও কি প্রতিদিন আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবন এই চারকোনা যন্ত্রটার কাছে তুলে দিচ্ছি না..?

আমরা আনন্দের পেছনে ছুটতে গিয়ে জীবনকে উপভোগ করতেই ভুলে গেছি এবং প্রযুক্তির খাঁচায় এক একজন আধুনিক ইঁদুর হিসেবে বন্দি হয়ে পড়েছি।

যদি চান আপনাদের সন্তানকে এই মরণ নেশা থেকে বাঁচাতে দূরে রাখুন
Smart Mobile
সিদ্ধান্ত আপনার

30/04/2026

বায়োকেমিক ১২টি ঔষধের সংক্ষিপ্ত পরিচয়।

বায়োকেমিক চিকিৎসা দেহের কোষে খনিজের অভাব পূরণ করে রোগমুক্তি আনে।
এই ঔষধগুলো সাধারণত পাউডার বা ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়।
শক্তির মাত্রা হয় – 3x, 6x, 12x ইত্যাদি।

ঔষধ গরম পানিতে গুলে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়, না হলে চুষে খাওয়াও যেতে পারে।

এই ১২টি ঔষধ হোমিওপ্যাথির নীতিতেও (সদৃশ্য বিধান) শক্তিকৃতভাবে ব্যবহার করা হয় —
শক্তির মাত্রা: 3 / 6 / 30 / 200 / 1000 / 10000 / 100000 পর্যন্ত হতে পারে।

১২টি মূল বায়োকেমিক ঔষধ ও তাদের প্রয়োগ ক্ষেত্র
প্রযায় ক্রমে আসবে ।
---

1. Calcarea Fluorica

ব্যবহার:
সাধারণ টিউমার, চোখের ছানি, কোমর ব্যথা, মচকানো, স্তনে গুটি, দাঁত উঠতে দেরি, দাঁতের ক্ষয় ও প্রদাহ, চামড়া ফাটা, সহজে রক্তপাত, বংশগত সিফিলিস, অ্যাডিনয়েডস ইত্যাদি।

🌹 সতর্কতা:
নিজে নিজে চিকিৎসা না করে অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

26/12/2025

যদি প্রস্রাবের আগে–পরে বীর্য + অল্প উত্তেজনায় বীর্যপাত + একাধিক মিলনে অক্ষমতা → Selenium প্রথম পছন্দ
যদি উত্তেজনা আছে কিন্তু শক্তি নেই → Caladium
যদি ইচ্ছা ও শক্তি দুটোই প্রায় নেই → Agnus castus

বায়োকেমিক ১২টি ঔষধের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও তাদের প্রয়োগ।১,Calcarea Fluoricaচোখের ছানি, কোমর ব্যথা, মচকানো, স্তনে গুটি, দাঁত ...
04/11/2025

বায়োকেমিক ১২টি ঔষধের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও তাদের প্রয়োগ।
১,Calcarea Fluorica
চোখের ছানি, কোমর ব্যথা, মচকানো, স্তনে গুটি, দাঁত উঠতে দেরি, দাঁতের ক্ষয় ও প্রদাহ, চামড়া ফাটা, সহজে রক্তপাত, বংশগত সিফিলিস, অ্যাডিনয়েডস ইত্যাদি।

২,Calcarea Phosphorica
স্নায়ু দুর্বলতা, মৃগী, অন্ত্র প্রদাহ, ক্ষয়রোগ, শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি, হজমের সমস্যা, মস্তিষ্ক অবসাদ, ডায়াবেটিসে হাড় ভাঙা, রসযুক্ত চর্মরোগ ইত্যাদি।

৩,Calcarea Sulphurica
ফোঁড়া, পুঁজযুক্ত ব্রণ, পোড়া ঘাঁ, চুলকানি, গ্রন্থিস্ফীতি, ফিস্টুলা, চর্মরোগ, পায়ের তালুতে জ্বালা, মানসিক পরিবর্তনশীলতা, দুর্বলতা ইত্যাদি।

৪,Kali Muriaticum
হৃদপিণ্ড দুর্বলতা, বুক ধড়ফড়, ফুসফুস প্রদাহ, পিত্ত নিঃসরণে সমস্যা, অজীর্ণতা, লিভার দুর্বলতা, গলাব্যথা, নিউমোনিয়া ইত্যাদি।

৫,Kali Phosphoricum
মানসিক অবসাদ, স্নায়ু দুর্বলতা, মানসিক চাপজনিত মাথাব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, দুর্গন্ধযুক্ত পায়খানা, স্নায়বিক ক্লান্তি, যৌন দুর্বলতা ইত্যাদি।

৬,Kali Sulphuricum
হাম, বসন্ত, চর্মরোগ, বিকালের জ্বর, আঠালো সবুজ স্রাব, হাঁপানি, চুলকানি ও খুশকি—চর্মে কার্যকর ঔষধ।

৭,Natrum Muriaticum
নুনপ্রিয়তা, কোষ্ঠকাঠিন্য, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, হাপানি, সর্দি-কাশি, টাইফয়েডে প্রলাপ, লিভার গোলমাল, বুদ্ধি হ্রাস, ক্রিমি ইত্যাদি।

৮,Natrum Phosphoricum
অম্লরোগ, পাকস্থলীর গোলযোগ, অতিরিক্ত দুধ খাওয়ানো শিশুর হজমে সমস্যা, বুকের বাঁ পাশে ব্যথা, ধাতুক্ষয়, কানে পুঁজ, চোখের প্রদাহ ইত্যাদি।

৯,Natrum Sulphuricum
গ্যাসট্রিক, লিভার রোগ, পেটে বায়ু, তন্দ্রা, আঁচিল, মাথা ও ঘাড়ে ব্যথা, কিডনির সমস্যা, মেরুদণ্ড ব্যথা ও প্রদাহে কার্যকর।

১০,Ferrum Phosphoricum
অ্যানিমিয়া, রক্তপাতজনিত দুর্বলতা, দ্রুত নাড়ির গতি, মাথাব্যথা, জিভের প্রদাহ, ক্ষুধামান্দ্য, শীর্ণতা, শিশুদের বলহীনতা ইত্যাদি।

১১,Magnesia Phosphorica
বিভিন্ন ব্যথা (মাথা, পেট, স্নায়ু), খিঁচুনি, স্নায়ু দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, স্প্যাজম, চলার সময় পায়খানা ইচ্ছা—স্নায়ু কোষে পুষ্টি জোগায়।

১২, Silicea
রিকেটস, বাতরোগ, প্রস্টেট বৃদ্ধি, কানে প্রদাহ, শরীরে পুঁজ, পুরোনো কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য, গেঁটেবাত ইত্যাদি।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি ও মাত্রা নির্বাচনের সঠিক কৌশল-(একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট — চিকিৎসক ও সচেতন পাঠকের জন্য)হোমিওপ্যাথ...
02/11/2025

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি ও মাত্রা নির্বাচনের সঠিক কৌশল-
(একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট — চিকিৎসক ও সচেতন পাঠকের জন্য)

হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে সূক্ষ্ম ও প্রভাবশালী বিষয় হলো “ঔষধের শক্তি (Potency)” ও “মাত্রা (Dose)”
একই ওষুধ —
🔹 সঠিক শক্তি ও মাত্রায় দিলে রোগ সারায়,
🔹 ভুলভাবে দিলে রোগ জটিলও হয়ে যেতে পারে।

বিষয়টি সহজভাবে-

১,হোমিওপ্যাথিক শক্তি (Potency)-

এটি বোঝায়- ওষুধটি কতবার Dilution ও Succussion করা হয়েছে।
ডাইলিউশন যত বেশি, তত সূক্ষ্ম শক্তি বা ঔষধি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

🔹 প্রধান ৩ ধরণের Potency:-

1. Low Potency,
2. Medium Potency
3. High Potency ইত্যাদি।

1. Potency (নিম্ন শক্তি) 3X, 6X, 12X, 6C, 12C শারীরিক বা অর্গানিক রোগে; বারবার দেওয়া যায়।

2. Medium Potency (মধ্যম শক্তি) 30C, 200C মানসিক + শারীরিক মিশ্র রোগে (যেমন টেনশনজনিত গ্যাস্ট্রিক)।

3. High Potency (উচ্চ শক্তি) 1M, 10M, 50M, CM গভীর মানসিক বা দীর্ঘস্থায়ী রোগে

২,শক্তি নির্বাচনের কৌশল-

(ক) রোগের প্রকৃতি অনুযায়ী-

রোগের ধরন প্রযোজ্য শক্তি-
১. তীব্র রোগ (Acute) 6C – 30C
২. দীর্ঘস্থায়ী রোগ (Chronic) 200C – 1M
৩. মানসিক / স্নায়বিক রোগ 1M – 10M
৪. আঘাত / ক্ষত / পুঁজ 6X – 30C
৫. শিশু / দুর্বল রোগী 3X – 30C

(খ) রোগীর গঠন অনুযায়ী-

রোগীর ধরন প্রযোজ্য শক্তি-
১. তরুণ, শক্তপোক্ত 200C – 1M
২. দুর্বল, বৃদ্ধ, শিশু, গর্ভবতী 6X – 30C
৩. সংবেদনশীল / মানসিকভাবে অস্থির 30C – 200C

(গ) রোগের স্থায়িত্ব অনুযায়ী

সময়কাল শক্তি-
নতুন / স্বল্পমেয়াদি 6C – 30C
কয়েক মাস পুরনো 200C
বহু বছরের পুরনো 1M – 10M (বা 50M)

৩,মাত্রা (Dose) নির্বাচনের নিয়ম-

🔹 তীব্র রোগে (Acute): প্রতি ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর ১ ডোজ, উপসর্গ কমলে ব্যবধান বাড়ান।
🔹 দীর্ঘস্থায়ী রোগে (Chronic): দিনে ১ বার বা সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার যথেষ্ট।
🔹 উচ্চ শক্তির ওষুধে: একক ডোজ দিন, কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করুন।
🔹 নিম্ন শক্তির ওষুধে: দিনে ২ থেকে ৩ বার দেওয়া যায়।

৪,পুনরাবৃত্তি ও পর্যবেক্ষণ-

✅ উপসর্গ কমলে ওষুধ বন্ধ করুন।
✅ নতুন উপসর্গ এলে- পুরনো ওষুধ বন্ধ করে পুনর্মূল্যায়ন করুন।

⚠️ উচ্চ শক্তির ওষুধ ঘন ঘন দিলে “Homoeopathic aggravation” (উপসর্গ সাময়িক বৃদ্ধি) হতে পারে।

🕊️ সারসংক্ষেপে-

নির্দেশনা প্রয়োগ-
নিম্ন শক্তি শারীরিক রোগে, ঘন ঘন ডোজ
মধ্যম শক্তি মানসিক-শারীরিক মিশ্র রোগে
উচ্চ শক্তি গভীর / মানসিক / দীর্ঘস্থায়ী রোগে, একক ডোজে
পর্যবেক্ষণ উপসর্গ উন্নতি দেখা দিলেই বন্ধ করুন।

✨ স্মরণ রাখুন:
হোমিওপ্যাথি সূক্ষ্ম বিজ্ঞান —
“যে ওষুধ সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়, সেটাই হয় অলৌকিক চিকিৎসা!”

19/10/2025

প্রাণী হতে প্রাপ্ত ৫০টি হোমিও ঔষধ – উৎস ও প্রধান ব্যবহার ~

১ Lachesis mutus সাপের বিষ উচ্চ রক্তচাপ, বাম দিকের সমস্যা, গলা ব্যথা
২ Crotalus horridus সাপের বিষ রক্তক্ষরণ, সেপটিসেমিয়া
৩ Crotalus cascavella সাপের বিষ হেমোরেজ, মানসিক বিভ্রম
৪ Bothrops lanceolatus সাপের বিষ রক্ত জমাট বাঁধা, স্ট্রোক
৫ Elaps corallinus সাপের বিষ শীতলতা, রক্তক্ষরণ, কালো বমি
৬ Naja tripudians সাপের বিষ হৃদরোগ, বুক ধড়ফড়
৭ Vipera সাপের বিষ শিরায় ব্যথা, ভ্যারিকোজ ভেইন
৮ Bungarus সাপের বিষ খিঁচুনি, স্নায়বিক দুর্বলতা
৯ Apis mellifica মৌমাছি ফোলা, লালচে, জ্বালা
১০ Vespa crabro বোলতা অ্যালার্জি, প্রস্রাবের জ্বালা
১১ Vespa vulgaris বোলতা ফোলা ও ব্যথা
১২ Formica rufa পিঁপড়া বাত, সন্ধি ব্যথা
১৩ Cantharis স্প্যানিশ ফ্লাই প্রসাবে জ্বালা, পুড়ে যাওয়া
১৪ Tarentula hispanica মাকড়সা অস্থিরতা, নাচতে ইচ্ছে
১৫ Mygale lasiodora মাকড়সা খিঁচুনি, স্প্যাজম
১৬ Theridion মাকড়সা মাথা ঘোরা, শব্দে সংবেদনশীল
১৭ Latrodectus mactans ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা হার্ট পেইন, বুকে চাপ
১৮ Aranea diadema মাকড়সা কাঁপুনি, শীতলতা
১৯ Scorpio বিচ্ছু বিষ স্নায়বিক ব্যথা
২০ Pediculus উকুন চুলকানি, ত্বকের সমস্যা
২১ Sepia officinalis কাটলফিশের কালি মহিলা রোগ, গর্ভাশয়ের সমস্যা
২২ Ambra grisea হোয়েল সিক্রেশন লাজুক, বৃদ্ধদের দুর্বলতা
২৩ Medusa জেলিফিশ অ্যালার্জি, ত্বকের ফুসকুড়ি
২৪ Spongia tosta সামুদ্রিক স্পঞ্জ শুকনো কাশি, ক্রুপ
২৫ Asterias rubens স্টারফিশ স্তনের গুটি, ক্যান্সার প্রবণতা
২৬ Oleum jecoris (Cod liver oil) মাছ হাড়ের দুর্বলতা, শিশুদের সমস্যা
২৭ Homarus লবস্টার বাত, স্নায়বিক সমস্যা
২৮ Echinus সি আর্চিন রক্তশূন্যতা, টিউমার
২৯ Bufo rana ব্যাঙের বিষ মৃগী রোগ, যৌন দুর্বলতা
৩০ Lac caninum কুকুরের দুধ গলা ব্যথা, নার্ভাসনেস
৩১ Lac vaccinum গরুর দুধ হজম সমস্যা, মাথাব্যথা
৩২ Lac felinum বিড়ালের দুধ মানসিক পরিবর্তন, উত্তেজনা
৩৩ Lac equinum ঘোড়ার দুধ শারীরিক দুর্বলতা
৩৪ Lac humanum মানব দুধ শিশুদের রোগ, স্নায়বিক দুর্বলতা
৩৫ Castoreum বিবারের স্রাব খিঁচুনি, অস্থিরতা
৩৬ Moschus হরিণের মস্ক অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, স্নায়বিক সমস্যা
৩৭ Sanguis humanus মানব রক্ত দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা
৩৮ Fel tauri ষাঁড়ের পিত্ত হজম সমস্যা, যকৃতের রোগ
৩৯ Oophorinum প্রাণীর ডিম্বাশয় নারীর হরমোনজনিত সমস্যা
৪০ Thyroidinum প্রাণীর থাইরয়েড হাইপোথাইরয়েডিজম
৪১ Adrenalinum অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি শক, নিম্ন রক্তচাপ
৪২ Pancreatinum অগ্ন্যাশয় হজমের সমস্যা
৪৩ Insulinum প্রাণীর অগ্ন্যাশয় ডায়াবেটিস
৪৪ Cholesterinum প্রাণীজাত ফ্যাট লিভার ও গলব্লাডারের রোগ
৪৫ Ornithogalum (Pigeon milk) কবুতরের দুধ পেটের আলসার
৪৬ Lac defloratum স্কিমড দুধ মাথাব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য
৪৭ Hepar suis শুকরের লিভার লিভার রোগ
৪৮ Medorrhinum নোসোড (গনোরিয়া) যৌন রোগ, অস্থিরতা
৪৯ Psorinum নোসোড (স্ক্যাবিস) ত্বকের চুলকানি, ঠান্ডা লাগা
৫০ Tuberculinum নোসোড (টিবি) পরিবর্তনশীল লক্ষণ, দুর্বলতা।

এভাবে প্রাণীজাত উৎস থেকে প্রাপ্ত ঔষধগুলো দেখা যায় মূলত সাপের বিষ, পতঙ্গ, সামুদ্রিক প্রাণী, দুধ ও গ্রন্থিজাত পদার্থ, এবং রোগজাত নোসোড থেকে।
🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।

Address

সাভার
Savar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raiyan Homoeo Hall রাইয়ান হোমিও হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Raiyan Homoeo Hall রাইয়ান হোমিও হল:

Shortcuts

Share