medical.bd

medical.bd To know human body things....internal & External

31/05/2020

হাগ কি জিনিস দেখলেই বুঝবেন.......গালফ্রেন্ড এর Just ফ্রেন্ড থাকলে সাবধান ।

আমাদের সবার খাবার খাওয়ার পর পানি পানের প্রবণতা থাকে যা হজমের জন্য ক্ষতিকর। খাওয়ার সময়ে কিছু স্টমাক অ্যাসিড এবং ডাইজেস্...
19/10/2018

আমাদের সবার খাবার খাওয়ার পর পানি পানের প্রবণতা থাকে যা হজমের জন্য ক্ষতিকর। খাওয়ার সময়ে কিছু স্টমাক অ্যাসিড এবং ডাইজেস্টিভ এনজাইম নিঃসৃত হয় যা হজমে সহায়তা করে। কিন্তু পানি পান করলে এসব এনজাইম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, আর তাই অবধারিতভাবে দেখা দেয় হজমের সমস্যা বা অ্যাসিডিটি। তাই খাবার খাওয়ার অন্তত ২০- ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন।

ধন্যবাদ
মার্কস ডায়েট মিল্ক কে

আমরা অনেকেই জানিনা বাংলাদেশের একটি সরকারি ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানা আছে। হ্যাঁ এ পানির নাম মুক্তা।(কি হাসি আসছে আমারও আসছি...
01/09/2018

আমরা অনেকেই জানিনা বাংলাদেশের একটি সরকারি ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানা আছে। হ্যাঁ এ পানির নাম মুক্তা।
(কি হাসি আসছে আমারও আসছিল কিন্তু পুরাটা পড়লে বুজতে পারবেন) এটি গাজীপুরে অবস্থিত, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। এর বিশেষত্ব হল এ কারখানা সম্পূর্ণরূপে প্রতিবন্ধীদের দ্বারা চলে, কোন স্বাভাবিক, সুস্থ মানুষকে এখানে কাজ দেওয়া হয় নি।আর এখান থেকে যে লাভ হয় তার পুরো অংশই প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। সরকারি হাই লেভেলের মিটিং ও প্রোগ্রামগুলোতে এ পানি ব্যবহার করা হয়। সহজেই বুঝা যায় এটি কেমন বিশুদ্ধ হতে পারে অথচ দাম একই। কোন বিজ্ঞাপন না থাকার কারণে এর প্রসার ঘটছেনা, সেই সাথে প্রতি জেলায় জেলায় ডিলার দরকার। এক বোতল পানি কিনেও যদি এই পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর উপকার করতে পারি এতে ক্ষতি কী পানি তো আমরা কিনিই। অন্তত এ পানিতে কখনোই শেওলা বা ময়লা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, কেউ কারখানাটি দেখলে অবাক হবে এখানে কীভাবে পানি মাটির নিচ থেকে তোলা হয়, বিশুদ্ধ করা হয় এবং বোতলজাত করা হয়।
প্রচারে প্রসার।অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নে আপনিও প্রচার করুন।মুক্তা ড্রিংকিং ওয়াটার এর বিজ্ঞাপন হউক আমাদের টেলিভিশন এর এবং আপনাদের মাধ্যমে।

#সংগ্রহীত

Collected
12/12/2017

Collected

এসো আইসক্রিম খাই,,, তবে ভালভাবে দেখে
23/11/2017

এসো আইসক্রিম খাই,,, তবে ভালভাবে দেখে

ঘুরে আসুন মালিবাগ সমুদ্র সৈকত থেকে। ছুটির দিন সহ যেকোনো দিনেই প্রশান্তির জন্যে মালিবাগ বিচের সাথে কক্সবাজার, কুয়াকাটা, প...
14/07/2017

ঘুরে আসুন মালিবাগ সমুদ্র সৈকত থেকে। ছুটির দিন সহ যেকোনো দিনেই প্রশান্তির জন্যে মালিবাগ বিচের সাথে কক্সবাজার, কুয়াকাটা, পার্কি বিচ বা বাঁশ বাড়িয়া বিচের তুলনা করা অমূলক। হালকা রিফ্রেশমেন্টের জন্যে কম খরচে মালিবাগ বিচের বিকল্প হতে পারেনা। প্রিয়জন সহ বালির উপর খালি পায়ে হেঁটে একইসাথে বৃষ্টি বিলাস ও ভালোবাসা বিলাস করা যায়। সিদ্ধেশ্বরী গলির কোণেই তেহারি দোকান থেকে সেরে নিতে পারেন অল্প টাকায় লাঞ্চ। মালিবাগ বিচকে ঠিকঠাক ইউটিলাইজ করতে পারলে পর্যটন শিল্পে বৃহৎ উন্নতির আশা রাখা যায়।

যেভাবে যাবেন: দেশের যেকোনো অঞ্চল থেকে ঢাকা চলে আসুন। এরপর সি এন জি, রিক্সা,বাস বা উবার যোগে চলে আসুন মালিবাগ সৈকতে।

collected

09/07/2017

collected...
সকলের অবগতির জন্য পোষ্ট করা হল।

আপনারা যদি এই রকম কিছু ফোন নাম্বার থেকে মিস কলের শিকার হন:-
+375602605281, +37127913091+37178565072 +56322553736 +37052529259+25 5901130460 ...
অথবা, এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে এই code গুলি +375 +371 +381 থাকে,
এই টাইপের নম্বর থেকে একটা মিসড কল হলে অথবা কিছুক্ষণ রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে,
আপনি যদি এই সকল নম্বরের মধ্যে কোনো একটায় কল ব্যাক করেন তবে আপনার ব্যালেন্স কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট এর সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে, তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে।

জেনে নিন, এই সকল ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠি করে থাকে...
+375 is from Belarus
+93 is From Afghanistan
+371 is code from Lativa
+381 is from Serbia
+563 is code of Valparaiso
+370 is code of Vilnius
+255 is code of Tanzania ... এই সকল ফোন ISIS জঙ্গিরা করে থাকে।
সবাই সাবধান হোন। ভুল করেও এই ফোন রিসিভ করবেন না ও কল ব্যাক করবেন না।

আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও #09 প্রেস করবেন না।
কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভনমূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনওই করবেন না।
এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা।
তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না।

ফোন ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন,
সর্বদা সতর্ক থাকুন।
সৌজন্যে
(Rapid Action Battalion (RAB)

অবাক করা তথ্য,, আমার পরিবারেও খুব প্রচলিত এই তেলাপিয়া মাছ,, কিন্তু একি??
22/06/2017

অবাক করা তথ্য,, আমার পরিবারেও খুব প্রচলিত এই তেলাপিয়া মাছ,, কিন্তু একি??

তেলাপিয়া খাচ্ছেন? এখনি ছেড়ে দিন !!
জেনে নিন তেলাপিয়া মাছের ভয়ংকর তথ্য !!!

কাঁচামরিচ-সর্ষে দিয়ে তেলাপিয়ার ঝাল, পেঁয়াজ-মরিচকুচি দিয়ে ভুনা কিংবা স্রেফ ঝোল। মাসে অন্তত কয়েকবার পাতে পড়ে না, এমন বাঙালি মেলা ভার। দামও তুলনামূলকভাবে কম। ডাক্তাররা বলেন, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা মেটাতে ছোট মাছের বিকল্প নেই। কিন্তু তেলাপিয়া মাছ থেকে সাবধান। কারণ, তেলাপিয়ায় ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে।

তেলাপিয়া রান্না করা সহজ, কাঁটা বেশি থাকে না, খেতে সুস্বাদু হলেও পারলে এখনই খাওয়া বন্ধ করুন। না-হলে অ্যাজমা, করোনারি ডিজিজ, হাড় ক্ষয়ের মতো নানা রোগ, এমনকি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও অচিরেই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, তেলাপিয়ায় ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অন্যসব মাছের তুলনায় কম। ফলে মাছ হিসেবে তেলাপিয়া খাওয়া হলেও তা অন্য মাছের মতো উপকারি নয়। পাশাপাশি এর ক্ষতিকর দিকগুলোও বিদ্যমান। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যারাচিডোনিক এসিড।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের প্রফেসর ড. ফ্লয়েড চিলটন বলেছেন, ‘আপনার চিকিৎসক বা কার্ডিওলজিস্ট যদি বেশি করে মাছ খেতে বলে তাহলে আপনার উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে এমন মাছ খেতে হবে। এখানে উচ্চমাত্রায় উদ্দীপনাময় বিকল্প বাদ দিতে হবে।’

তেলাপিয়ার মতো চাষের মাছগুলোতে ফ্যাটি এসিড ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬-এর ক্ষতিকর উপস্থিতি থাকে। এ থেকে মানবশরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে।

প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের চেয়ে চাষ করা মাছে ১০ গুণ বেশি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী দূষিত পদার্থ থাকে। মূলত চাষ করা মাছের খাবারে এসব পদার্থ থাকে। চাষ করা তেলাপিয়ায় এসব উপাদান থাকতে পারে। তাই এগুলো খাওয়া ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় পাওয়া যায়, চাষ করা তেলাপিয়ায় শরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। এসব প্রদাহের ফলে হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, আর্থাইটিস, অ্যাজমা হতে পারে। গবেষণায় এ-ও দেখা গেছে, হ্যামবার্গার খেয়ে শরীরে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তার চেয়ে বেশি হতে পারে তেলাপিয়া খেলে।

চাষ করা তেলাপিয়ায় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ডায়োক্সিন থাকতে পারে। এ ডায়োক্সিন মানবশরীরে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চক্রাকারে ক্রিয়া করতে পারে। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

একটি জলাশয়ে তেলাপিয়ার মতো মাছগুলো বিপুল পরিমাণে মাছ চাষ করা হয়। এসব মাছ রোগপ্রবণ। তাই এগুলোকে জিইয়ে রাখতে অ্যান্টিবায়োটিক ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় মাছ খেলে এ ক্ষতিকর উপাদানগুলো মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। এ থেকে হতে পারে প্রাণঘাতী রোগ।

আমাদের দেশে তেলাপিয়া চাষ করার সময় চাষিরা সরাসরি মুরগির বিষ্ঠা কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর বিষ্ঠা খেতে দেন। অনেক মাছের খামারে তেলাপিয়া মাছ এ খাবার খেয়েই বড় হয়। এমনকি কোনো কোনো মুরগির খামার সরাসরি পুকুরের ওপরই তৈরি হয় যেন মুরগির বিষ্ঠা সরাসরি তেলাপিয়া মাছ খেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি প্রাণীর বিষ্ঠা তেলাপিয়া মাছকে খাওয়ানো হলে তাতে উপস্থিত বিষাক্ত পদার্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করার আশঙ্কা থাকে।

বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি গবেষণায় তেলাপিয়া সম্পর্কে মারাত্মক তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। দেখা গিয়েছে, তেলাপিয়া মাছের থাকা উপাদান শরীরকে ধীরে ধীরে শেষ করে। এক কথায়, স্লো পয়জন। অর্থাৎ তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন! এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন।

19/06/2017

ছবি দেখে অনেকে হয়ত ভাবতে পারেন কোন গরীব ক্ষুধার্ত কেউ! কিন্তু ওনার সম্পর্কে জানলে চমকে উঠে অবাক হবেন। জানেন তিনি কে?
এই নিরহংকারী সাদাসিধে সুন্নতী মানুষটি...আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রফেসর, মেডিক্যাল স্কলার,অনেক পুরস্কার প্রাপ্ত গবেষক। নামঃ হুসেইন আবদ আল-সাত্তার ! (Dr. Husain A. Sattar)।
তিনি সরাসরি হাজার হাজার মেডিক্যাল ছাত্র/
ছাত্রীদের শিক্ষক। আবার পরোক্ষভাবে তাঁর রচিত "Fundamentals of Pathology" গ্রন্থের মাধ্যমে যেন বিশ্বের অন্যান্য ডাক্তারেরও ওস্তাদ।
তিনি বিশ্ববিখ্যাত Robbins Basic Pathology এরো অন্যতম লেখক.মেডিক্যাল জগতে তিনি Creator of pathoma হিসাবেও পরিচিত।

টুপি,পাঞ্জাবীর সাথে দাঁড়ি মানেই অনেকে মনে করেন মাদ্রাসার ছাত্র। এতে আবার কিছু লোকের চুলকানি বেড়ে যায়, জলাতঙ্ক দেখা দেয়! অথচ, এ মহান ব্যক্তির পোশাক দেখুন। জ্ঞান-বিজ্ঞান মানুষকে কত উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে তা ভাবুন।
মন-মানসিকতা উন্নত করুন।

© ডক্টরস ক্যাফে

07/06/2017

রোজা'র(অটোফেজি) উপর গবেষণা করে নোবেল জয়!

মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’। বিপ্লবীরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্সে রোজা রাখকে বলা হয় 'অটোফেজি’।
তবে মুসলিমদের রোজা রাখার ধরনের সাথে অন্যদের কিছু পার্থক্য আছে।
খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ‘ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।
youtube এ অনেক ভিডিও পাবেন । যেখানে রোজা রাখার জন্যে আধুনিক সচেতন নারী ও পুরুষেরা কেমন ব্যস্ত হয়ে পড়ছে, দেখুন!!! শত হলেও, মেডিক্যাল সাইন্স বলে কথা!!
যাই হোক, Autophagy কি? এবার তা বলি।
Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া।
না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়।
আরেকটু সহজভাবে বলি।
আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়।
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই।
মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।
জাস্ট এ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেল। শুনেছি প্রোফেসর ওশিনরি নিজেও সপ্তাহে দুটি করে রোজা রাখেন। আমার আফসোস হলো তাদের জন্যে, যারা স্বাস্থ্যের কথা ভেবে রোজা রাখেন না। আমরা তো প্রতিবছর একমাস রোজা রেখে শরীরের অটোফেজি করে ফেলি। কিন্তু, আপনারা কিভাবে শরীরের অটোফেজি করবেন?

courtesy: ফেসবুক থেকে নেয়া, তবে শিরোনাম ও ভিতরের একটি লাইন আমার সম্পাদনা। কয়েকটি আইডি থেকে পোষ্ট করায় প্রকৃত লেখক সনাক্ত করতে পারিনি বলে দুঃখিত।

Collected ***

Address

Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when medical.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share