Dr. MAAQ

Dr. MAAQ মোঃ আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম , স্বাস্থ্য-পুষ্টি পরামর্শক ও চিকিৎসক

হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ
(হোমিওপ্যাথিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রী প্রাপ্ত)

*** সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম ***

[ ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী (ঢা.বি); ]
সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

এইচ.ই.সি ( ভারত); ডি.এম.এস (মেডিসিন); সি.এম.ইউ (আল্ট্রাসনোগ্রাফি), সি.এম.ইউ ( বন্ধ্যাত্ব), সি.ডি.টি.এম (প্যাথলজি), সি.পিএইচ (ফার্মেসী)

সহকারী অধ্যাপক (প্রাক্তণ) : বাংলাদেশ

মেডিকেল ইন্সটিটিউট, ঢাকা
জুনিয়র কনসালট্যান্ট ( প্রাক্তণ) : গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল, ঢাকা
প্রভাষক (প্রাক্তণ): ঢাকা মেডিকেল ইন্সটিটিউট, ঢাকা

এক্স-এইচ.পি : সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
পরীক্ষক (প্রাক্তণ) : বাংলাদেশ রাস্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ
পরীক্ষক ও নিরীক্ষক (প্রাক্তণ): চিকিৎসা প্রযুক্তি, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

মেডিসিন, চর্ম ও যৌন রোগ, নাক-কান-গলা, স্ত্রী রোগ, শিশু রোগ, প্যাথলজি সহ শতাধিক মেডিকেল পুস্তক রচয়িতা (বাংলাদেশ ও ভারতে পঠিত)।

কম্পিউটার রেপার্টোরাইজেশন পদ্ধতিতে
পুরুষ মহিলা শিশুদের – নতুন-পুরাতন-জটিল রোগের চিকিৎসক
স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও চিকিৎসা পরামর্শক
হোমিওপ্যাথি, স্বাস্থ্য পুষ্টি, প্যারামেডিকেল ও ফার্মাসিস্ট প্রশিক্ষক

চেম্বার:-
সুপার প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি
কলেজ মোড়, শেরপুর টাউন, শেরপুর।

সাক্ষাতের সময়সূচি:

শনিবার থেকে বুধবার : সকাল ১১.০০ টা থেকে বিকাল ৪.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত ।

বৃহস্পতি বন্ধ।

শুক্রবার অগ্রিম সিরিয়াল সাপেক্ষে। বিকাল ৫.০০ টা থেকে ৮.০০ টা।


সময়সূচি পরিবর্তীত হতে পারে তাই সাক্ষাতের পূর্বে অবশ্যই মোবাইলে যোগাযোগ করে আসবেন।
ফেসবুক: fb.com/dr.maaq
ওয়েব: drmaaqbd.blogspot.com
মোবাইল: 01955-400939

28/05/2026
21/05/2026

🤰 গর্ভাবস্থায় প্রথম চেকআপ: মা ও শিশুর সুরক্ষায় প্রথম ধাপ 🩺
একটি সুস্থ ও সুন্দর আগামীর জন্য গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং সরকারের স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী প্রথম চেকআপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🗓️ কখন করবেন?
গর্ভাবস্থার ১০-১৬ সপ্তাহের মধ্যে (বা প্রথম ৪ মাসের মধ্যে) প্রথম চেকআপটি সম্পন্ন করা জরুরি।

🔍 প্রথম চেকআপে কী কী করা হয়?
১. শারীরিক পরীক্ষা:

মায়ের ওজন ও উচ্চতা অনুযায়ী বিএমআই (BMI) পরীক্ষা।

রক্তচাপ (Blood Pressure) পরিমাপ।

গর্ভবতীর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ইতিহাস নিয়ে সঠিক ঝুঁকি মূল্যায়ন।

২. প্রয়োজনীয় ল্যাব টেস্ট:

ক) আল্ট্রাসনোগ্রাফি (USG):

বাচ্চার হৃদস্পন্দন দেখা ও জরায়ুতে অবস্থান নিশ্চিত করা (একটোপিক বা টিউবাল প্রেগনেন্সি নেই তা নিশ্চিত করা)। উল্লেখ্য, একটোপিক প্রেগনেন্সি হলো বাচ্চা জরায়ুতে বৃদ্ধি না পেয়ে ফ্যালোপিয়ান টিউব বা অন্য কোথাও অবস্থান করা, যা অনেক ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী।

ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ (EDD) নির্ধারণ।

খ) রক্ত পরীক্ষা:

রক্তের গ্রুপ নির্ণয়: যাতে প্রয়োজনে রক্তের ডোনার আগে থেকেই সংগ্রহ করা যায়।

হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা: রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া শনাক্ত করা। গর্ভাবস্থায় এনিমিয়া থাকলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা: গর্ভকালীন ডায়াবেটিস আছে কি না যাচাই করা। দ্রুত ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে মা ও শিশু উভয়ই নিরাপদ থাকে।

ইনফেকশন যাচাই: রক্তে ইনফেকশনের উপসর্গ শনাক্ত করা, যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

প্রজনন সংক্রান্ত ইনফেকশন: হেপাটাইটিস-বি, সিফিলিস বা এইচআইভি পরীক্ষা। মা আক্রান্ত থাকলে তা 'ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ' হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

গ) প্রস্রাব পরীক্ষা: মূত্রতন্ত্রের ইনফেকশন যাচাই করা, যা শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশকে প্রভাবিত করে।

৩. পুষ্টি ও ঔষধ পরামর্শ:

বাচ্চার জন্মগত ত্রুটি রোধ এবং সঠিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট শুরু করা।

সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার সঠিক দিকনির্দেশনা।

জরুরি অবস্থা (বিপদ চিহ্ন) সম্পর্কে সচেতনতা।

✨ কেন এই চেকআপ জরুরি?
গর্ভাবস্থার শুরুতে কোনো ঝুঁকি থাকলে তা এই সময়েই শনাক্ত করা সম্ভব। সঠিক সময়ে পরীক্ষা আপনার ও আপনার আগত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

⚠️ মনে রাখবেন: সামান্য কিছু খরচ বাঁচাতে গিয়ে প্রথম চেকআপ না করানো বা অবহেলা করা মা ও সন্তানের জন্য মারাত্মক ক্ষতি, এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

🎁 বিশেষ সুযোগ: বিনা ভিজিটে পরামর্শ!
মাতৃস্বাস্থ্য ও নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গর্ভাবস্থায় প্রথম চেকআপের জন্য বিশেষ পরামর্শ দিচ্ছেন:

ডা. আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম
স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও চিকিৎসা পরামর্শক এবং হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
(বাংলাদেশের সর্বোচ্চ হোমিও ডিগ্রিধারী এবং প্রসূতিবিদ্যা, স্ত্রীরোগ ও শিশুরোগসহ শতাধিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক গ্রন্থের রচয়িতা)

📍 চেম্বার: সুপার প্যাথলজিক্যাল ল্যাব
কলেজ মোড়, শেরপুর টাউন, শেরপুর।
📞 যোগাযোগ: ০১৯৫৫ ৪০০ ৯৩৯

নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে এবং কোনো প্রকার ঝুঁকি এড়াতে আজই যোগাযোগ করুন। আপনার সচেতনতাই পারে একটি সুস্থ শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে। ❤️

#নিরাপদ_মাতৃত্ব #গর্ভাবস্থা #প্রথম_চেকআপ #স্বাস্থ্যসেবা #শেরপুর

05/05/2026

📢 শেরপুরসহ সারাদেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব: আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখুন!

বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে আমাদের শেরপুর জেলা ও আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে শিশুদের মধ্যে হাম (Measles) এর প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটি একটি অতি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সঠিক সময়ে সচেতন না হলে এটি নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

মা-বাবা ও অভিভাবকদের সচেতনতার জন্য হামের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

🔍 হাম কেন হয় ও কীভাবে ছড়ায়?
হাম মূলত 'মরবিলি ভাইরাস' এর কারণে হয়। আক্রান্ত শিশুর হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি বাতাসের সাহায্যে দ্রুত ছড়ায়।

⚠️ হামের প্রধান লক্ষণসমূহ (৩টি পর্যায়):
১. প্রাথমিক পর্যায়: তীব্র জ্বর (১০৩°-১০৫° ফারেনহাইট), সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং কাশি। গালের ভেতরে সাদাটে দানা দেখা দিতে পারে।
২. র‍্যাশ পর্যায়: ৩-৪ দিন পর মুখ ও কানের পেছন থেকে লালচে দানা বা র‍্যাশ শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
৩. পরবর্তী পর্যায়: র‍্যাশগুলো কালো হয়ে শুকিয়ে যায় এবং চামড়া উঠতে থাকে। এসময় শিশু খুব দুর্বল হয়ে পড়ে।

🚨 নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টের লক্ষণ (বিপদ চিহ্ন):
যদি আপনার শিশুর নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে বুঝবেন এটি জটিল আকার ধারণ করছে:
✅ মিনিটে ৫০ বারের বেশি শ্বাস নেওয়া (২-১২ মাস বয়সী)।
✅ পাঁজরের নিচের অংশ বা বুকের খাঁচা ভেতরে দেবে যাওয়া।
✅ শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ হওয়া।
✅ ঠোঁট বা নখ নীলচে হয়ে যাওয়া।

🏥 কখন হাসপাতালে ভর্তি করবেন?
র‍্যাশ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে শ্বাসকষ্ট, তীব্র ডায়রিয়া, খিঁচুনি বা শিশু অচেতন হয়ে পড়লে এক মুহূর্ত দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে (যেমন: শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) ভর্তি করুন।

💊 চিকিৎসার মূলনীতি
অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা:

এটি মূলত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা। জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল।

জটিলতা ও অন্ধত্ব রোধে চিকিৎসকের পরামর্শে উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ ক্যাপসুল।

ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক।

সতর্কতা: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা ভিটামিন-এ দেবেন না।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:

রোগীর সামগ্রিক লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে ঔষধ দেওয়া হয় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশিও সঠিক নিয়মে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়, যা শিশুকে দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে।

সতর্কতা: রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন নিষেধ।

🛡️ প্রতিরোধই সেরা উপায়:
আপনার শিশুকে সরকারি টিকাদান কর্মসূচির (EPI) আওতায় নির্দিষ্ট সময়ে এমআর (MR) টিকা দিন। আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখুন এবং প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।

📍 শেরপুর জেলার সকল সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকদের অনুরোধ করছি, পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদান্তে,
সহকারী অধ্যাপক মো: আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম
হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ
পরিচালক- হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল সেন্টার।

বি: দ্র: এটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রচারিত। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য সর্বদা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

#হাম #হাম_চিকিৎসা #শিশু_স্বাস্থ্য #সচেতনতা #শেরপুর #বাংলাদেশ

✨ সিজারিয়ান অপারেশন সেলাইয়ের স্থানে ইনফেকশন: কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধ👩‍⚕️ সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন হলো একটি অপারেশন (...
16/12/2025

✨ সিজারিয়ান অপারেশন সেলাইয়ের স্থানে ইনফেকশন: কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধ
👩‍⚕️ সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন হলো একটি অপারেশন (অস্ত্রোপচার), যা মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন হতে পারে। তবে যেকোনো অপারেশনের মতোই এর কিছু ঝুঁকি থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো সেলাইয়ের স্থানে ইনফেকশন। এটি মায়ের জন্য শারীরিক কষ্ট, অতিরিক্ত চিকিৎসা খরচ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

📊 বাংলাদেশে আক্রান্ত হওয়ার হার
একটি বেসরকারী জরিপে দেখা গেছে যে, আমাদের দেশে সিজারিয়ান অপারেশনের পর প্রায় ১০–২৫% রোগীর সেলাইয়ে ইনফেকশন দেখা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মতে এই হার উদ্বেগজনক।

❓ কোন রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়?
কিছু বিশেষ কারণ সিজারিয়ান সেলাইয়ের স্থানে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনার ঝুঁকি আর বাড়ায়:

🩸 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম: পুষ্টিহীনতার কারণে অনেক মায়ের শরীর সংক্রমণ প্রতিরোধে দুর্বল থাকে। যেমন—গর্ভাবস্থায় হেমোগ্লোবিন কম থাকা, রোগীর ওজন কম থাকা।

🩺 পূর্ববর্তী রোগ: ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

🧹 অপরিষ্কার পরিবেশ: হাসপাতাল বা ক্লিনিক পরিষ্কার না হলে, কিংবা যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত না থাকলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়।

⚖️ অতিরিক্ত ওজন: স্থূলতায় আক্রান্ত মায়েদের ক্ষেত্রে ইনফেকশন বেশি হয়।

🤧 সিজারিয়ানের পর কাশি বা কোষ্ঠকাঠিন্য: এতে পেটে চাপ পড়ে, সেলাইয়ের স্থানে টান লাগে এবং ইনফেকশনের সম্ভাবনা বাড়ে।

🚫 ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব: যারা পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সচেতন নন, তাদের ঝুঁকি বেশি।

🦠 ইনফেকশনের প্রধান কারণ
অপারেশনের সময় জীবাণুর প্রবেশ: অপারেশনের সময় বা পরে ক্ষতে জীবাণু প্রবেশ পড়া। সাধারণত নিম্নমানের ক্লিনিকে কম খরচে অপারেশন করালে এ ঘটনা বেশি ঘটে। এ ক্ষেত্রে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রোগীর প্রতি যত্নশীল হয় না এবং যন্ত্রপাতি ঠিকমতো জীবাণুমুক্ত করে না।

অপর্যাপ্ত পরিচর্যা: ক্ষত ভিজে থাকা বা সঠিকভাবে যত্ন না নেওয়া।

অস্ত্রোপচারগত ভুল: এ ধরনের ঘটনাও সাধারণত নিম্নমানের ক্লিনিকে বেশি দেখা যায়। ত্রুটিপূর্ণ সেলাই, জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ না করা ইত্যাদি। কখনো কখনো দেখা যায়, ডাক্তারের পরিবর্তে ওটি সহকারী সেলাই করেন, এর ফলে সমস্যা বাড়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব ক্লিনিক রোগীর প্রতি দোষারোপ করে যে রোগী নোংরা, তাই ইনফেকশন হয়েছে।

অপর্যাপ্ত ওষুধ: সিজারিয়ানের পরপর যে মানের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া দরকার তা না দেওয়া। অনেক সময় দেখা যায়, অপারেশন ঔষধসহ চুক্তিতে করা হয়। ফলে খরচ বাঁচাতে প্রথম তিন–চার দিন পর্যাপ্ত ও সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় না। পরে রোগীর প্রতি দোষারোপ করা হয়, যে রোগী অপরিস্কার তাই ইনফেকশন হয়েছে।

অপারেশনের পর জীবাণুর প্রবেশ: ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাবে ক্ষতস্থানে নবজাতকের মল-মূত্র, বুকের দুধ বা অন্য কিছু লেগে গেলে ইনফেকশন হতে পারে।

🛡️ প্রতিরোধের উপায়
👩‍🍼 ব্যক্তিগত যত্ন
সিজারের সেলাইয়ের স্থান সবসময় পরিষ্কার ও শুকনা রাখুন।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

প্রথম কয়েক মাস ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন। প্রথম ৪ সপ্তাহ টিউবওয়েল চাপা থেকে বিরত থাকুন। ভারী বস্তু তুলবেন না (যা উঠাতে গেলে পেটে চাপ অনুভব হয়)।

কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য, সেলাইয়ের স্থানে চুলকানি হলে দ্রুত চিকিৎসা করান।

প্রচুর পানি পান করুন এবং সুষম খাবার খান। পর্যাপ্ত প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। প্রতিদিন একটি লেবু খান, অন্তত এক মাস।

স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে ৬ ঘণ্টা পরপর পরিবর্তন করুন। সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করবেন না।

প্রতিদিন অন্তত তিনবার পরিধেয় বস্ত্র পরিবর্তন করুন—

(ক) সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর

(খ) দুপুরে

(গ) রাতে শোবার আগে বস্ত্র পরিবর্তনের পর পরিধেয় বস্ত্র ডিটারজেন্ট/সাবান দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে পরিস্কার করুন।

সিজারের সেলাই স্থানে শিশুর মল-মূত্র, মায়ের বুকের দুধ বা অন্য কিছু লাগতে দেবেন না।

হাত পরিষ্কার না করে সেলাইয়ের স্থানে স্পর্শ করবেন না।

গোসল করলে শরীর ও ক্ষতস্থান ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে, যাতে কাপড় ভিজে না যায়। কাপড় ভেজা থাকলে তা ক্ষতস্থানের সংস্পর্শে এসে ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে।

🩺 চিকিৎসা পরামর্শ
সবসময় ভাল মানের ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশন করান।

সম্ভব হলে ঔষধ নিজের মধ্যে রাখুন (ঔষধসহ চুক্তি না দেয়া)।

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়মিত ক্ষতস্থানের যত্ন নিন (যেমন—ড্রেসিং করুন)।

ডাক্তার যে ওষুধ দেন তা ঠিকমতো সেবন করুন। সঠিক নিয়মে ক্ষতস্থানে মলম ব্যবহার করুন।

ক্ষতের চারপাশে ফোলা, রস পড়া, ভেজাভাব, ফাঁটল, চুলকানি, স্থায়ী ব্যথা বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

🏥 হাসপাতালের মান নিয়ন্ত্রণ
অপারেশন কক্ষ ও রোগীর থাকার স্থান জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

অপারেশন থিয়েটারে দক্ষ লোকবল থাকতে হবে।

সব যন্ত্রপাতি ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

সঠিক এন্টিবায়োটিক পর্যাপ্ত পরিমানে দিতে হবে।

⚠️ সিজারিয়ান সেলাইয়ের স্থানে ইনফেকশন একটি গুরুতর সমস্যা। তবে সঠিক যত্ন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

✍️ স্বাস্থ্য সচেতনতায় আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম

প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক: বাংলাদেশ মেডিকেল ইন্সটিটিউট

প্রাক্তন জুনিয়র কনসালট্যান্ট: গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল, ঢাকা

চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক শতাধিক পুস্তকের রচয়িতা

চিকিৎসা - স্বাস্থ্য – পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, ন্যাচারাল মেডিসিন, লাইফস্টাইল পরামর্শক

📍 চেম্বার: সুপার প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি, কলেজ মোড়, শেরপুর টাউন, শেরপুর।

❤️ বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৫!  'tMissABeat 🫀​আজ ২৯ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব হার্ট দিবস! এই দিনটি আমাদের সকলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্...
29/09/2025

❤️ বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৫! 'tMissABeat 🫀
​আজ ২৯ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব হার্ট দিবস! এই দিনটি আমাদের সকলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে আসে— আপনার হৃদয়ের কোনো স্পন্দন যেন মিস না হয়।
​প্রতিটি হৃদস্পন্দন অমূল্য। হৃদরোগ বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক হলেও, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
​আসুন, আজ আমরা শপথ নিই:
​🏃‍♀️ সক্রিয় জীবন: নিয়মিত শরীরচর্চা ও হাঁটার অভ্যাস করি।
​🥗 স্বাস্থ্যকর খাবার: লবণ, চিনি ও তেল কমিয়ে ফলমূল, শাকসবজি বেশি খাই।
​🚭 ধূমপানকে না: ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পুরোপুরি পরিহার করি।
​🧘 মানসিক শান্তি: দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করি।
​🩺 নিয়মিত পরীক্ষা: উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের মতো ঝুঁকিগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করাই।
​আপনার হৃদয়ের যত্ন নিন, কারণ স্পন্দন থামলে থেমে যাবে জীবন। নিজেকে ও আপনার প্রিয়জনকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন।
​এই পোস্টে আপনার বন্ধুদের ট্যাগ করুন এবং সচেতনতা ছড়িয়ে দিন!
​ #বিশ্বহার্টদিবস #হৃদয়েরযত্ননিন #সুস্থজীবন #২৯সেপ্টেম্বর

বয়বৃদ্ধদের পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে।
23/09/2025

বয়বৃদ্ধদের পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে।

গর্ভাবস্থায় আয়রনের প্রয়োজনীয়তা
19/09/2025

গর্ভাবস্থায় আয়রনের প্রয়োজনীয়তা

Address

Sherpur
2100

Opening Hours

Monday 16:00 - 20:00
Tuesday 16:00 - 20:00
Wednesday 16:00 - 20:00
Saturday 16:00 - 20:00
Sunday 16:00 - 20:00

Telephone

+8801955400939

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. MAAQ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. MAAQ:

Share

Category