আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার,শেরপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Sherpur
  • আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার,শেরপুর

আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার,শেরপুর Sherpur’s first woman-led eye hospital, founded & directed by a female entrepreneur.

ড্রাই আই (Dry Eye) বা চোখের শুষ্কতা বর্তমানে একটি সাধারণ সমস্যা, বিশেষ করে যারা দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহার করেন। এটি থেকে...
10/05/2026

ড্রাই আই (Dry Eye) বা চোখের শুষ্কতা বর্তমানে একটি সাধারণ সমস্যা, বিশেষ করে যারা দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহার করেন।

এটি থেকে আরাম পেতে এবং চোখ ভালো রাখতে নিচের উপদেশগুলো মেনে চলতে পারেন।

১. ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার কমান ও নিয়ম মানুন
২০-২০-২০ নিয়ম: প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য অন্তত ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকুন।কম্পিউটার বা ল্যাপটপ স্ক্রিন চোখের লেভেলের চেয়ে কিছুটা নিচে রাখুন, যাতে চোখ কম খুলতে হয়।
২. বারবার চোখের পলক ফেলুন:স্ক্রিন দেখার সময় আমরা পলক কম ফেলি। সচেতনভাবে বারবার চোখের পলক ফেললে চোখ স্বাভাবিকভাবে ভেজা থাকে।
৩. পরিবেশের যত্ন নিন:ধোঁয়া, ধুলোবালি এবং সরাসরি বাতাসের প্রবাহ (যেমন ফ্যান বা এসি) থেকে চোখ রক্ষা করুন।বাইরে বের হলে রোদচশমা (Sunglasses) ব্যবহার করুন।ঘরের বাতাস শুষ্ক হলে হিউমিডিফায়ার (Humidifier) ব্যবহার করতে পারেন।

৪. চোখ আর্দ্র বা ভেজা রাখুন:কৃত্রিম অশ্রু (Artificial Tears): চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভালো মানের লুব্রিকেন্টিং আই ড্রপ বা আর্টিফিশিয়াল টিয়ার্স ব্যবহার করুন।গরম সেঁক: একটি পরিষ্কার কাপড় হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে চোখ বন্ধ করে ৫-১০ মিনিট চোখের পাতার ওপর রাখুন।

Upper Eyelid Cyst
12/09/2024

Upper Eyelid Cyst

Severe Traumatic perforation of cornea with AC&PC 👁️👁️
04/02/2022

Severe Traumatic perforation of cornea with AC&PC 👁️👁️

Traumatic Sub Conjuctival Haemorrhage 👁️
22/01/2022

Traumatic Sub Conjuctival Haemorrhage 👁️

Congenital Microcornea 👁️
15/01/2022

Congenital Microcornea 👁️

Give The Gift Of Sight👁️
11/01/2022

Give The Gift Of Sight👁️

আমি প্রতিদিন কন্ট্যাক্ট লেন্স পরেই ঘুমাই এবং আমার কখনোই কোনো সমস্যা হয়নি”-একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রায়ই রোগীর এমন কথ...
16/11/2019

আমি প্রতিদিন কন্ট্যাক্ট লেন্স পরেই ঘুমাই এবং আমার কখনোই কোনো সমস্যা হয়নি”-
একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রায়ই রোগীর এমন কথা শোনেন আমাদের দেশের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু আসলেই কি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে ঘুমালে কোনো সমস্যা হয় না?

উন্নততর প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে অথবা চশমার প্রতি অনীহা থাকায় দিন দিন কন্ট্যাক্ট লেন্সের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। একটি সমীক্ষা হতে জানা যায় বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে প্রায় ১৫০ মিলিয়নের মত মানুষ কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যাবহার করে থাকেন। সেই সাথে বর্তমানে নারীদের সৌন্দর্য্য বর্ধন ও সাজসজ্জার অংশ হিসেবেও ব্যাবহৃত হয় লেন্স। তাই লেন্স ব্যাবহারের যথাযথ নিয়ম সম্পর্কে সকলের অবহিত থাকা বাঞ্ছনীয়। এক্ষেত্রে যাদের দূরদৃষ্টি বা ক্ষীণ দৃষ্টির সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে সর্বদা সঠিক পাওয়ারের লেন্স ব্যবহার করতে হবে। লেন্স ক্রয়ের সময় তা ভালো ব্র্যান্ডের কিনা , মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং প্যাকেটের গায়ে লেখা ব্যবহার বিধি মেনে চলতে হবে। মেয়াদ উত্তীর্ণ লেন্স ব্যাবহার করা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকতে হবে। এছাড়াও ঘুমানোর আগে অবশ্যই পরিহিত লেন্স অপসারণের পরই ঘুমাতে হবে। লেন্স পরিহিত অবস্থায় ঘুমালে চোখের অভ্যন্তরীণ অংশে সিউডোমোনাস নামক এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। উল্লেখিত ব্যাক্টেরিয়া কেবল কয়েক দিনের ব্যাবধানে ব্যক্তির কর্নিয়ার অংশ ভক্ষণ করে ফেলে এবং বাকি অংশ স্যুপ জাতীয় সাদা বর্ণের মৃত কোষসমূহে পরিণত করে। এমন কি এতে অনেক সময় রোগীর বরণ করতে হতে পারে স্থায়ী অন্ধত্ব । এছাড়াও গুরুতর অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকের নিকট আসা রোগীদের ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে নাও আসতে পারে।

গ্লুকোমা কি? এর কারন ও প্রকারভেদ, ঝুঁকি, লক্ষন এবং চিকিৎসা  গ্লুকোমা চোখের অপটিক নার্ভের একটি অসুখ। এর কারণে অপটিক নার্ভ...
24/04/2018

গ্লুকোমা কি? এর কারন ও প্রকারভেদ, ঝুঁকি, লক্ষন এবং চিকিৎসা
গ্লুকোমা চোখের অপটিক নার্ভের একটি অসুখ। এর কারণে অপটিক নার্ভের উপর প্রচুর চাপ পড়ে যা অপটিক নার্ভের ক্ষতি করতে পারে। অপটিক নার্ভ আমাদের চোখ থেকে ব্রেইনে সিগনাল পাঠায়। ব্রেইন সেই সিগনালকে চিত্রে রূপান্তরিত করে, যেটা আমরা দেখতে পাই। অপটিক নার্ভ ঠিকমত কাজ না করলে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা শুরু হয়। এমনকি সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারানোরও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

গ্লুকোমা সব বয়সের মানুষদেরই হতে পারে। তবে এটা সাধারণত ৭০-৮০ বছর বয়সীদের হয়।

গ্লুকোমা কেন হয়?

আপনার চোখ একটা তরল পদার্থ তৈরি করে, যেটা টিস্যুকে পুষ্ট করে। সাধারণত এই তরল পদার্থটি ড্রেইনেজ এঙ্গেল নামে একটি চ্যানেল দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই চ্যানেলটা যখন ঠিকমতো কাজ করে না, তখন তরল পদার্থগুলো ঠিক মতো প্রবাহিত হতে না পেরে আটকা পড়ে যায় এবং আপনার চোখে চাপ দেয়া শুরু করে। এই অবস্থাকেই গ্লুকোমা বলে।

গ্লুকোমা হওয়ার ঝুঁকি যাদের বেশী

আপনার পিতা-মাতা, ভাই-বোন, কিংবা অন্য কোন নিকট আত্মীয়ের যদি এটা থাকে, তাহলে আপনার এটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া যেসব জিনিসের কারণে গ্লুকোমা হওয়ার সম্ভাবনা থাকেঃ

আপনার বয়স ৪০ এর বেশি
আপনার চোখে আঘাত লেগেছে, কিংবা অপারেশন করা হয়েছে
আপনার ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেশার, কিংবা হার্টে সমস্যা আছে
আপনার অপটিক নার্ভে সমস্যা আছে
আপনি স্টেরয়েড চোখের ড্রপ কিংবা পিল ব্যবহার করেছেন

ডাক্তাররা নিশ্চিত না গ্লুকোমা প্রতিরোধ করা সম্ভব কিনা। তবে নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করলে এটা ধরে পড়ে যায়।

গ্লুকোমা এর প্রকারভেদ

সাধারণত চার ধরণের গ্লুকোমা মানুষকে আক্রান্ত করে। সবচেয়ে কমন হচ্ছে open-angle গ্লুকোমা

Open-Angle গ্লুকোমাঃ গ্লুকোমা হওয়া ৯০% মানুষের open-angle গ্লুকোমা হয়। এটাকে open-angle বলা হয়, কারণ এতে ড্রেইনেজ চ্যানেলে একটা স্পষ্ট ফাকা থাকে যার ভেতরে চোখের তৈরি করা তরল পদার্থ আটকা পড়ে। এটা খুব আস্তে আস্তে হয়। প্রথম প্রথম আপনি কোন লক্ষণ নাও বুঝতে পারেন।

Angle-Closure গ্লুকোমাঃ এটা খুব দ্রুত হয় এবং হলে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। যাদের ড্রেইনেজ চ্যানেল সম্পূর্ণ বন্ধ না হয়ে অল্প একটু ফাকা থাকে, তাদের সাধারণত এটা হয়। ড্রেইনেজ চ্যানেলে অল্প একটু ফাকা থাকার কারণে চোখের ভিতরে দ্রুত প্রেশার বাড়া শুরু হয় এবং একটু পড়ে চোখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হওয়া শুরু হয়।

যদি আপনার চোখে তীব্র ব্যাথা হয়, মাথা ব্যাথা, বমি বমি ভাব, কিংবা চোখ দিয়ে দেখতে সমস্যা হয়, তাহলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করেন। ডাক্তার অপারেশনের মাধ্যমে আপনার ড্রেইনেজ চ্যানেলের মুখ খুলবেন। যদি দ্রুত ডাক্তারের কাছে না যান, তাহলে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন।

Normal-Tension গ্লুকোমাঃ যদি আপনার এই ধরণের গ্লুকোমা হয়, তাহলে আপনার চোখে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ পড়ে না। তবুও আপনার অপটিক নার্ভের ক্ষতি হতে পারে। কিজন্য এটা হয়, তা নিয়ে ডাক্তাররা নিশ্চিত না। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তারের আপনার চোখের উপর চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কমানোর চিকিৎসা করবেন।

Congenital গ্লুকোমাঃ এটা অত্যন্ত বিরল এবং সাধারণত ছোট বাচ্চাদের হয়। গর্ভে থাকার সময় যদি ড্রেইনেজ ক্যানাল ঠিকমত বিকশিত না হয়, তাহলে এই সমস্যা হয়। এটা হলে বাচ্চার চোখ অস্পষ্ট হয়ে থাকে এবং চোখ দেখতে স্বাভাবিকের চেয়ে বড় মনে হয়। অপারেশন করে এই সমস্যা ঠিক করে ফেলা যায়। অধিকাংশ সময়ই যদি দ্রুত এটার চিকিৎসা করে ফেলা হয়, তাহলে সারা জীবন স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি থাকে।

গ্লুকোমা এর লক্ষণ

Open-angle গ্লুকোমা এবং normal-tension গ্লুকোমা আস্তে আস্তে কয়েক বছর ধরে হয়। তাই কোন লক্ষণ সাধারণত প্রথম প্রথম বোঝা যায় না। একারণে অধিকাংশ মানুষ বুঝতে পারে না যে তাদের গ্লুকোমা আছে। এটা সাধারণত ডাক্তারের কাছে চোখের পরীক্ষা করার সময় ধরা পড়ে।

যদি কোন লক্ষন দেখা দেয়, তাহলে আপনি চোখ দিয়ে ঝাপসা ঝাপসা দেখবেন অথবা উজ্জল আলোর উপরে রাঁধুনি-রঙ্গিন বৃত্ত দেখবেন। এটা সাধারণত দুই চোখেই হয়, তবে এক চোখে বেশি হতে পারে।

মাঝে মাঝে গ্লুকোমা খুব দ্রুত হতে পারে। তখন এসব লক্ষন দেখা দিতে পারেঃ

চোখে তীব্র ব্যাথা
মাথা ব্যাথা
বমি বমি ভাব
চোখ লাল হয়ে যাওয়া
আলোর পাশে বৃত্ত দেখা
ঝাপসা দৃষ্টি

যদি চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে আপনি আপনার পেরিফেরাল (সাইড) দৃষ্টিশক্তি হারাবেন। তারমানে যেসব জিনিস সাধারণত চোখের কোনা দিয়ে দেখেন, সেগুলো দেখতে পারবেন না।

গ্লুকোমা নির্নয়ের পরীক্ষাঃ

গ্লুকোমা ধরার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা। আপনার গ্লুকোমা হয়েছে কিনা তা বোঝার জন্য ডাক্তার সাধারণত নিচের কয়েকটা কিংবা সবগুলো পরীক্ষা করবেনঃ

Eye pressure test: এই টেস্টে tonomete নামক একটা যন্ত্র ব্যবহার করে আপনার চোখের ভিতরে কতটুকু চাপ পড়ছে তা মাপা হয়। প্রথমে ডাক্তার আপনার চোখে একটা পেইনকিলিং ঔষধ দিবেন। এরপর আপনার চোখে লাইট ধরে tonomete দিয়ে আপনার চোখে আস্তে আস্তে চাপ দিবেন।

Gonioscopy: আপনার কোন ধরণের গ্লুকোমা আছে, তা বোঝার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। এটাতে ডাক্তার আপনার ড্রেইনেজ চ্যানেল খোলা নাকি বন্ধ তা পরীক্ষা করবেন।

Visual field test: এই পরীক্ষায় আপনি চোখের সব জায়গা দিয়ে দেখতে পাচ্ছেন কিনা ডাক্তার তা পরীক্ষা করবেন। আপনাকে কয়েকটা লাইট স্পট দেখানো হবে এবং জিজ্ঞাসা করা হবে আপনি কোনগুলো দেখতে পাচ্ছেন। কিছু কিছু একেবারে আপনার দৃষ্টির শেষ সীমায় থাকবে। অধিকাংশ সময় গ্লুকোমা হলে আপনি ওগুলো দেখতে পাবেন না।

Optic nerve assessment: যেহেতু গ্লুকোমা হলে আপনার অপটিক নার্ভের ক্ষতি হতে পারে, তাই ডাক্তার আপনার অপটিক নার্ভ ভালো আছে কিনা সেটার পরীক্ষা করতে পারেন। এই পরীক্ষার চোখের একটি ড্রপ ব্যবহার করে আপনার চোখের তারাকে বড় করা হয়।

এরপর slit lamp (উজ্জল আলোযুক্ত একটি অণুবীক্ষণ যন্ত্র) কিংবা optical coherence tomography (একটা বিশেষ আলোর রশ্মি দিয়ে আপনার চোখকে স্ক্যান করে চোখের ছবি প্রিন্ট করা হয়) ব্যবহার করে আপনার অপটিক নার্ভ পরীক্ষা করা হয়।

যদি চোখের সাধারণ পরীক্ষার সময় আপনার গ্লুকোমা ধরা পরে, তাহলে আপনাকে একজন বিশেষজ্ঞ (ophthalmologist) এর কাছে আরো টেস্ট করার জন্য পাঠানো হতে পারে। Ophthalmologist আপনার গ্লুকোমা কতটুকু ছড়িয়েছে, আপনার চোখের কতটুকু ক্ষতি করেছে, এবং এটা হওয়ার কারণ পরীক্ষা করবেন।

গ্লুকোমা এর চিকিৎসা

দৃষ্টিশক্তি নিয়ে আপনার যদি কোন উদ্বেগ থাকে তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। যদি আপনার গ্লুকোমা থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা করলে এটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যদি দ্রুত চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে আপনি আপনার দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন।

গ্লুকোমা এর কমন চিকিৎসা সমুহ হচ্ছেঃ

ঔষধঃ গ্লুকোমা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ডাক্তার আপনাকে চোখের ড্রপ কিংবা পিল দিতে পারেন। এগুলো আপনার চোখের তরল পদার্থ তৈরি করা কমিয়ে দিবে। যদি ডাক্তার আপনাকে ঔষধ দেয়, তাহলে তা নিয়মিত ব্যবহার করুন। ঔষধ ব্যবহার করার কারণে যদি আপনার কোন সাইড ইফেক্ট যেমন চোখ জ্বলা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি দেখা দেয়, তাহলে ডাক্তারকে জানান।

লেজার সার্জারিঃ Open-angle গ্লুকোমা ভালো করার জন্য ডাক্তার আপনাকে laser trabeculoplasty নামক একটা চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারেন। এটাতে ডাক্তার আপনার চোখকে অবশ করে লেজার বীম এর সাহায্যে আপনার ড্রেইনেজ চ্যানেলে ছোট একটা ছিদ্র করবেন। এটা সাধারণত প্রথমত এক চোখে এবং পরে আরেক চোখে করা হয়। লেজার সার্জারির কারণে আপনার চোখের উপর চাপ কমে যায়। তবে এটা কতদিন থাকবে তা বলা সম্ভব না। দীর্ঘ-মেয়াদি ফলাফল পেতে কারো কারো এটা কয়েকবার করা লাগতে পারে।

সার্জারিঃ যদি ঔষধ এবং লেজার সার্জারি দিয়ে আপনার সমস্যা ভালো না হয়, তাহলে ডাক্তার আপনাকে trabeculectomy নামক একটা চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারেন। এটাতে ডাক্তার আপনার চোখের সাদা অংশে একটা ছিদ্র করবেন যেটা দিয়ে তরল পদার্থ বের হতে পারে। এটা করার পড়ে অধিকাংশ মানুষের গ্লুকোমা এর কোন ঔষধ খেতে হয় না। তবে কিছু কিছু মানুষের এই ছিদ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং আবার আরেকবার সার্জারি করা লাগতে পারে।

সময়মতো চিকিৎসা করা না হলে গ্লুকোমা অন্ধত্বের কারন হতে পারে
সময়মতো চিকিৎসা করা না হলে গ্লুকোমা অন্ধত্বের কারন হতে পারে
আপনার দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করুন

গ্লুকোমা থাকা প্রচুর মানুষ জানে না যে তাদের এই সমস্যা আছে। যেহেতু চোখের পরীক্ষায় এটা ধরা পড়ে যায়, সেহেতু প্রতি দুই বছর পর পর একবার আপনার চোখের পরীক্ষা করুন।

এছাড়া আপনার পরিবারের কারো গ্লুকোমা আছে কিনা দেখুন। যদি থাকে তাহলে আপনার এটা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই আপনার উচিত ঘন ঘন চোখের পরীক্ষা করা।

যদি ডাক্তার বলে যে আপনার গ্লুকোমা আছে, তাহলে তিনি যা বলেন, তা করুন। যদি আপনার চোখের কোন পরিবর্তন হয়, তাহলে দ্রুত ডাক্তারকে জানান।

চোখের ড্রপ, সার্জারি, এবং অন্যান্য চিকিৎসার সাহায্যে গ্লুকোমা কে নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব। তবে দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখতে আপনাকে সারাজীবন ঔষধ খেতে হতে পারে। এছাড়া বছরে কয়েকবার আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।
অনুরোধঃ আমরা বাংলা ভাষায় প্রথম মেডিক্যাল তথ্যকোষ তৈরির উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। এটি সফল করতে আপনাদের সবার সহায়তা প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে আমাদের এই পোস্টটি শেয়ার করে আরও মানুষকে এটি জানতে সহায়তা করুন!!

গ্লুকোমা কি, কেন হয়, ঝুঁকি ও তার প্রতিকার ?গ্লুকোমা এমন একটি রোগ যা আপনার চোখের স্নায়ুকে ধ্বংস করে। এটা সাধারণত চোখের সা...
06/08/2017

গ্লুকোমা কি, কেন হয়, ঝুঁকি ও তার প্রতিকার ?
গ্লুকোমা এমন একটি রোগ যা আপনার চোখের স্নায়ুকে ধ্বংস করে। এটা সাধারণত চোখের সামনের অংশে ফ্লুইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে দেখা দেয়। অতিরিক্ত ফ্লুইড চোখের প্রেশার বাড়ায় এবং স্নায়ুর ক্ষতি করে।

৬০ ঊর্ধ্ব মানুষের ক্ষেত্রে গ্লুকোমা অন্ধত্বের একটি প্রধান কারন। কিন্তু যথাসময়ে চিকিৎসায় এই অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা অনেকটাই সম্ভব। গ্লুকোমা হলে শুরুতে আপনার কোন উপসর্গ দেখা নাও দিতে পারে এবং এই অসুখ খুব ধীরে ধীরে কাজ শুরু করে, যে কারণে খুব আস্তে আস্তে আপনার চোখের জোত্যি চলে যেতে থাকে। সৌভাগ্য এই যে, যথাসময়ে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসায় আপনার চোখের দৃষ্টি ধরে রাখা সম্ভব।

সুস্থ চোখে এক ধরনের স্বচ্ছ পানি থাকে যাকে আমরা অ্যাকুয়াস হিউমার বলি, যা চোখের সামনের অংশে চলাচল করে। চোখের স্বাভাবিক চাপ ঠিক রাখতে আমাদের চোখ প্রতিনিয়ত অল্প পরিমাণে অ্যাকুয়াস হিউমার তৈরি করছে আবার সমপরিমাণ পানি চোখ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। আপনার যদি গ্লুকোমা থাকে, এই অ্যাকুয়াস হিউমার ঠিকমতো চোখ থেকে বের হয়ে যেতে পারেনা, যার ফলে ফ্লুইড এর প্রেশার চোখে বাড়তেই থাকে আর সময়ের সাথে সাথে স্নায়ুকে ক্ষতি করে।

গ্লূকোমা অনেক ধরণের হতে পারে, যার মধ্যে সব থেকে বেশি হয়ে থাকে “ওপেন-এঙ্গেল গ্লুকোমা”। সাধারণত ওপেন এঙ্গেল গ্লুকোমাতে প্রাথমিক ধাপে কোনও উপসর্গ থাকে না এবং দৃষ্টি স্বাভাবিক থাকে। চোখের স্নায়ু যত খারাপ হতে থাকে, ততই আপনার দৃষ্টিতে ব্ল্যাংক স্পট পড়তে থাকবে। প্রতিদিনের কাজকর্মে এই ব্ল্যাংক স্পট আপনার নজরে নাও পড়তে পারে যতক্ষণ না এই স্পট বড় হতে থাকে অর্থাৎ আপনার স্নায়ু গুরুত্বপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব স্নায়ু যখন অকেজো হয়ে যাবে, তখন অন্ধত্বের সৃষ্টি হয়।.

গ্লুকোমা রোগ হওয়ার বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেনঃ

৪০ঊর্ধ্ব বয়সীরা
বংশগত গ্লুকোমা রোগ
আফ্রিকান এবং হিস্পেনিক গোষ্ঠী
এশিয়ান গোষ্ঠী (এশিয়ানদের মধ্যে এঙ্গেল ক্লোসার গ্লুকোমা আর জাপানিসদের লো টেনশন গ্লূকোমার ঝুঁকি বেশি)
উচ্চ অক্ষিচাপ যাদের আছে
যাদের দূর দৃষ্টি এবং নিকট দৃষ্টি সমস্যা আছে
চোখের কোনও ক্ষত থাকলে
ডায়াবেটিস, মাইগ্রেন, উচ্চ রক্তচাপ, স্বল্প রক্ত চলাচল ক্ষমতা অথবা অন্যান্য শারীরিক অসুবিধা

আপনি গ্লুকোমার কতটুকু ঝুঁকির মধ্যে আছেন সে ব্যাপারে আপনার চক্ষু বিশেষজ্ঞ এর সাথে কথা বলুন। উপরোক্ত যে কোনও একটির বেশি সমস্যা থাকলে আপনার গ্লুকোমা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।

এঙ্গেল ক্লোসার গ্লুকোমা নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। এটা সাধারণত হয় হঠাত চোখের প্রেশার বেড়ে গেলে। সেজন্য আগে থেকে কোনও লক্ষণ বা উপসর্গ বোঝা যায়না। চোখের প্রেশার হঠাত বেড়ে যাওয়ার কারণে লক্ষণ সমূহও হঠাৎ দেখা দেয়ঃ

প্রচণ্ড চোখে ব্যথা
বমি ভাব এবং বমি
মাথাব্যথা
চোখে ঝাপসা দেখা
অনবরত চোখ দিয়ে পানি পরা

সাধারণত যে কোন একটি চোখে এই সমস্যা দেখা দেয়। এই ধরনের গ্লুকোমা একটি জরুরি সমস্যা, তাই এরকম লক্ষণ দেখা দিলেই আপনার চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন। আপনার চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিস্থিতি অনুযায়ি লেজার থেরাপি অথবা সার্জারি করতে পারেন। এখন সব থেকে প্রচলিত চিকিৎসা হল লেজার আইরিডোটোমি যেখানে চোখের আইরিসে লেসার বিম এর সাহায্যে ছোট ছিদ্রমত করা হয় যাতে চোখের প্রেশার কমে যায়। কোন কারণে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা না গেলে সার্জারি হিসেবে আইরিডেক্টোমি করা হয়, যেখানে সার্জারির মাধ্যমে আইরিসে ছিদ্র করে দেয়া হয়। এছাড়াও অ্যাকুয়াস হিউমার উৎপাদনের পরিমাণ কমাতে, চোখের অভ্যন্তরীণ প্রেশার কমাতে বিভিন্ন ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

গ্লুকোমার প্রতিকারঃ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্লুকোমা প্রতিকারের একমাত্র উপায় হল, যথাসময়ে রোগ নির্ণয় করা। ২০ বছর বয়সের পর থেকে সবারই গ্লুকোমা স্ক্রিনিং টেস্ট করানো উচিত। যারা ঝুঁকির তালিকায় রয়েছেন তাদের নির্দিষ্ট সময় পরপর চোখের পরীক্ষা করানো উচিত। যদিও গ্লুকোমা হয়ে যাওয়ার পর সম্পূর্ণ প্রতিকার সম্ভব নয় তবে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। গ্লুকোমা আক্রান্ত সকল ব্যক্তির নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা এবং ঔষধ সেবন অপরিহার্য।

মনে রাখবেন অসম্পূর্ণ এবং বিনা চিকিৎসায় গ্লুকোমা স্থায়ী অন্ধত্বের কারণ।

Address

Usman Goni Super Market, Bottola
Sherpur
2100

Telephone

+8801782451864

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার,শেরপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার,শেরপুর:

Shortcuts

Share

Category