Wafi health

Wafi health আর যেতে হবেনা সিলেট , এখন থেকে সব টেস্ট হবে সুনামগাঞ্জ

খিঁচুনি বা কনভালোশনখিচুনি আমাদের দেশের শিশুদের খুব পরিচিত সাধারণ রোগ। বিভিন্ন কারণে খিঁচুনি হতে পারে। শিশুদের নান কারণে ...
07/12/2022

খিঁচুনি বা কনভালোশন

খিচুনি আমাদের দেশের শিশুদের খুব পরিচিত সাধারণ রোগ। বিভিন্ন কারণে খিঁচুনি হতে পারে। শিশুদের নান কারণে খিঁচুনি বেশি হলেও বড়দের যে একেবারেই হয় না তা কিন্তু নয়। বড়দের মৃগীরোগ, মস্তিষ্কের টিউমার মস্তিষ্কের ম্যালেরিয়া ইত্যাদি রোগে সাধারণত খিঁচুনি হয়।

খিঁচুনি (Convulsion) : খিচুনি হলে রোগীর সমস্ত অঙ্গ প্রতঙ্গে ঝাঁকুনিসহ কাঁপতে থাকে। কখনো কখনো সা শরীরে খিঁচুনি না হলে কোনো একটি বিশেষ অঙ্গে খিঁচুনি হতে পারে। খিঁচুনি হলে রোগীর শরীর শক্ত হয়ে যেতে পারে। খিঁচুনি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন- কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে রোগের তীব্রতা ও ধরণের ও ভিত্তি করে কয়েক ঘণ্টা বা দিনে পর্যন্ত খিঁচুনি হতে পারে।

কারণ (Cause) :

* নবজাতকের শ্বাসরুদ্ধতা * শরীরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেড়ে গেলে প্রধানত শিশুদের (জ্বর খিচুনি) সেপটিসেমিয় (সংক্রমণের ফলে রক্ত আক্রান্ত হলে) * মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনকেফালাইটিস) * মস্তিষ্কের আবরক ঝিল্পীর প্রদর (মেনিনজাইটিস) * ধনুষ্টংকার রক্তে শর্করা ও খনিজ লবণের কম-বেশি হওয়া শিশুর নিউমোনিয়া হলে উচ্চ রক্তচাপের কারণে মৃগীরোগ (Epilepsy) মস্তিষ্কে আঘাত মস্তিষ্কের টিউমার।

চিকিৎসা (Treatment) : শিশুর খিঁচুনি হলে অস্থির না হয়ে ঠান্ডামাথায় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য হবে-

(ক) খিচুনি চলাকালীন সময়ে শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস যেন বাধা প্রাপ্ত না হয়, সে ব্যবস্থা নেয়া। দাঁত দিয়ে যেন জিহ্ব না কাটে এবং শ্বাস নেয়ার সুবিধার্থে এয়ারওয়ে টিউব মুখে দেয়া যেতে পারে।

(খ) যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি খিঁচুনি বন্ধ করা। (গ) খিঁচুনির কারণ উদঘাটন করে যথাযথ চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বা হাসপাতালে প্রেরণ ।

শিশুর খিঁচুনির সময় যা করা উচিত : * শিশুর গায়ের কাপড় ঢিলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বা হাসপাতালে প্রেরণ। শিশুর খিঁচুনির সময় যা করা উচিত : * শিশুর গায়ের কাপড় ঢিলা করতে হবে * শিশুকে একপাশে কাৎ করে শোয়ানো উচিত, * শিশুর নাক ও মুখ উন্মুক্ত রাখা যাতে সহজে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে ও মুখের লালা বা বমি ইত্যাদি বেরিয়ে আসতে পারে * প্রয়োজনবোধে শিশুর নাক-মুখ থেকে বেরিয়ে আসা শ্লেষ্মা মুছে দিতে হবে * শিশুর খিঁচুনি বন্ধের জন্য তার মলদ্বারে ডায়াজিপাম ইনজেকশন (০.৫ মিঃগ্রাম/প্রতি কেজি হিসেবে) বাটারফ্লাই নিডল সেটের প্লাস্টিকের টিউবের সাহায্যে দেয়া জ্বর থাকলে কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শিশুর সারা শরীর। স্পঞ্জ করা * শিশুকে নিকটস্থ হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নেয়ার ব্যবস্থা করা।

শিশুর খিচুনির সময় যা করা নিষেধ : দাঁতে দাঁতে খিচুনি কমানোর জন্য শিশুকে চেপে ধরা যাবে না শিশু পা ধরে মাথা নিচু করে ঝুলিয়ে রাখা যাবে না দাঁতে দাঁতে বাড়ি খাওয়া বা জিহ্বা কামড়ানো বন্ধ করার জন্য দুপাটি দাঁতের ফাঁকে চামচের ডাঁট, কাঠ বা বাঁশের কাঠি ঢুকিয়ে রাখা যাবে না। কেননা এতে কোন লাভ হয় না। বরং ক্ষতি হয় বাচ্চাকে কোন কিছু খেতে দেবেন না বা খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না, তা ঔষধ, পানীয় বা খাদ্য যাই হোক না কেন। এমতাবস্থায় শিশুকে খেতে দিলে মারাত্মক অবস্থান হতে পারে শিশুকে নাকে মুখে কিছু শুকতে দেয়া যাবে না। অনেকেই লোহা, ফুল, সাবান, ধূপ-ধূনা, জুতো-স্যান্ডেল এসময় শুঁকতে দিয়ে থাকেন, এটা খিঁচুনি থামাতে কোন উপকারই করে না। খিচুনি তার স্বাভাবিক নিয়মেই কিছুক্ষণ পর থামে আর কৃতিত্বটা পায় সেই জুতো-স্যান্ডেল।

খিচুনি সম্পর্কে সতর্কতা : * শিশুর খিঁচুনিকে কখনোই আলগা বাতাস, উপরি আছর, ভূত-প্রেতের নজর, কৃমির উস্কানী, নতুন দাঁত ওঠা, পেটের ব্যথা, রাগ বা জেদ মনে করা যাবে না। কারণ এসব কারণে কখনোই শিশুদের খিঁচুনি হয় না শিশুর খিঁচুনি কে সর্বদা গুরুতর রোগ মনে করতে হবে শিশুর খিঁচুনি যতই ক্ষীণ বা ক্ষনিকের হয়ে থাকুক না কেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এক বছর বয়সের কম বয়সী শিশুর জীবনের প্রথম খিঁচুনিতে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করতে হবে অনেকক্ষণ ধরে খিঁচুনি হলে মস্তিস্কের ক্ষতি হতে পারে, তাই শিশুকে খিঁচুনি মুক্ত করতে তাড়াতাড়ি যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

জটিলতা (Complication) : খিঁচুনি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে তা থেকে মস্তিষ্কের ক্ষতি পরে যা শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি এবং মেধার বিকাশকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। ধীরে ধীরে এ থেকে মৃগীরোগ হতে পারে ।

দাদ/দাউদ দাদ ছত্রাক ঘটিত একটি সাধারণ চর্ম রোগ। ইহা সকল বয়সের লোকদেরই হইতে পারে। ইহা ছোঁয়াচে এবং দ্রুত একজনের দেহ থেকে ...
06/12/2022

দাদ/দাউদ

দাদ ছত্রাক ঘটিত একটি সাধারণ চর্ম রোগ। ইহা সকল বয়সের লোকদেরই হইতে পারে। ইহা ছোঁয়াচে এবং দ্রুত একজনের দেহ থেকে অন্য দেহে যায়। ইহা মানুষের চামড়ার মধ্যে থাকে। ইহারা নিচে যায় না। ইহা শরীরের যে কোন স্থানে চামড়া আক্রান্ত হইয়া উহার চারিদিকে গোলাকার হইয়া ছড়াইয়া পড়ে। উহা দেখিতে আংটির মত হয় বলিয়া উহাকে রিং ওয়ার্ম বলে। শরীরের স্থান অনুসারে দাদের বিভিন্ন নাম হয়

১। টিনিয়া কেপিটিস (Tinea Capitis) : মাথার দাদ । ইহা সাধারণত : ছোট ছেলে-মেয়েদের মাথায় হইয়া থাকে।

২। টিনিয়া করপরিস (Tinea Coporis) : শরীরের দাদ। সাধারণত : ট্রাইকোফাইটন (Trichophyton) দ্বারা সংঘটিত হয়।

৩। টিনিয়া ক্রুরিজ (Tinea Cruris) : বগল বা কুচকিতে দাদ। ঘামাচির মত ফুস্কুড়ি হয়। ইহা আরও মারাত্মক। ইহা দ্রুত বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।

৪ । টিনিয়া বারবেয়ী (Tinea Barbae ) : দাড়ির দাদ। ইহা সচরাচর উপরের ঠোঁটে হয় না। ৫। টিনিয়া পেডিজ (Tinea Pedis ) : কোমর, পায়ের আঙ্গুলী, পায়ের পাতা, পায়ের তলার দাদ।

৬। টিনিয়া সারসিনিটা (Tinea Sarsineta) : হাত, পা, বুক, পিঠও পেটের দাদ।

লক্ষণ

১। প্রথমে আক্রান্ত স্থান খুব চুলকায়। তারপর ছোট ফুস্কুড়ি বাহির হয়।

২। দাদ গোলাকার আকারে ছড়ায়। গোলভাবে ছড়ায় বলিয়া ইহার নাম রিং ওয়ার্ম (Ringworm) |

৩। চুলকানোর পর এক ধরনের কষ বাহির হয়। ঐ কষে দাদের জীবাণু থাকে বলিয়া ইহা শরীরের অন্য অংশে ছড়ায়।

৪ ইহা পাকে না বা পুঁজও পড়ে না। ইহা কেবলই চুলকায় এবং কষ বাহির হয়। মামড়ি পড়ে পরে চুলকানোর সময় তাহা উঠিয়া যায় ।

৫ । ইহা সারা শরীরে হইতে পারে। মুখে বেশি হয় না। বেশি হয় দেহে, কোমরে হাতে, পাছায় এবং কুচলিতে। ৬। মাথাতেও দাদ হয়, তবে পরিমাণে নিতান্ত কম।

৭। বিনা ঔষধে ভাল হইতে চায় না। দ্রুত আরোগ্যের ব্যবস্থা না করিলে বিখাউজে (Eczema) পরিণত হয়।

কুষ্ঠরোগ (Leprosy) )ইহা মাইকোব্যাকটোরিয়াম লেপিরি নামক জীবাণু ঘটিত রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একত্রে বেশিদিন বা...
05/12/2022

কুষ্ঠরোগ (Leprosy) )

ইহা মাইকোব্যাকটোরিয়াম লেপিরি নামক জীবাণু ঘটিত রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একত্রে বেশিদিন বাস করিলে এই রোগ সংক্রামিত হয়। এই রোগে প্রথমে চামড়ার উপর কিছুটা হলদে ও লাল রং মিশ্রিত এক প্রকার দাগ পড়ে। ধীরে ধীরে আক্রান্ত স্থানটুকু ফুলিয়া উঠে এবং শেষ পর্যন্ত ঘায়ে পরিণত হয়। অনেক সময় পিতা-মাতা হইতে সন্তান এই রোগে আক্রান্ত হইয়া থাকে ।

কুষ্ঠরোগ দুই প্রকার : যথা- ১। লেপ্রোমেটাস টাইপ। ২। টিউবারকিউলয়েড টাইপ ।

১। লেপ্রোমেটাস টাইপ সংক্রামক : প্রথম দিকে আক্রান্ত স্থান লাল হয় এবং গোটা হয়। এই গোটাগুলি ধীরে ধীরে দুরারোগ্য ঘায়ে পরিণত হয়। ইহা কপালে, কানে, হাতে, পায়ে কিম্বা শরীরের যে কোন স্থানে হইতে পারে। হাতে হইলে হাত পচিয়া যায়, নখে হইলে নখ খসিয়া পড়ে, নাকে হইলে নাক বসিয়া যায় ।

২। টিউবারকিউলয়েড টাইপ অসংক্রামক : এই ধরনের কুষ্ঠরোগে প্রথমে ছোট ছোট গোটা হয় ও পরে তাহা শক্ত হইয়া যায়। আক্রান্ত স্থান হইতে রোগ জীবাণু ধীরে ধীরে স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে ঢুকিয়া তাহার ক্ষতি সাধন করে। আক্রান্ত স্থান অসাড় হয়, কখনও স্পর্শ শক্তি অত্যন্ত বেশি হয়। গরম ও ঠান্ডা অনুভুতি শক্তি নষ্ট হইয়া যায়। ধীরে ধীরে হাত ও পায়ের মাংস শুকাইয়া যায় ও হাত পা বিকৃত চেহারা ধারণ করে।

বিশেষ লক্ষণ :

১। অসাড়তা-গরম, ঠান্ডা স্পর্শ ও ব্যথা বোধ সম্পূর্ণ রহিত হয়।

২। গোটা দেখা দেওয়া-ছোট ছোট গোটা হয় বা বড় বড় গোটা হয়।

৩। হাত ও পায়ের পাতার মাংসগুলি আড়ষ্ট হয় এবং শুকাইয়া যায়।

৪। সংশ্লিষ্ট স্নায়ু তার- মোটা হয় ও টিপিলে ব্যথা করে।

৫। নাকে হইলে-নাকের চুড়া শেষ পর্যন্ত বসিয়া যায়।

৬। ভুরুতে হইলে-ভুরু পড়ে যায়।

৭। চোখের পাতা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে পারে না।

O টিউবার কিউলয়েড কুষ্ঠ রোগ ছড়ায় না, লেপ্রোমেটাস কুষ্ঠ রোগ ছড়ায়। তাই সকলের দূরে থাকা উচিত। ছোঁয়াচ লাগিলে কমপক্ষে দুই বছর যাবত ঔষধ খাওয়াইতে হইবে।

সুখবর,  সুখবর,  সুখবর, আগামী 9 ডিসেম্বর ২০২২ সিলেট থেকে আগত বাত ব্যথা স্পেশালিস্ট নর্থইস্ট মোডিকেল কলেজ হাসপাতালের  কনসা...
04/12/2022

সুখবর, সুখবর, সুখবর,
আগামী 9 ডিসেম্বর ২০২২ সিলেট থেকে আগত বাত ব্যথা স্পেশালিস্ট নর্থইস্ট মোডিকেল কলেজ হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডাক্তার নিঃসর্গ দাস অন্ত ওয়াফি হেলথ (বুবির পয়েন্ট হাসননগর) এ রোগী দেখবেন। সিরিয়াল এর জন্য কল করুন 01913 11 70 13

Address

Bubir Point, Hasannagar, Sunamganj, Sylhet.
Sunamganj
3000

Opening Hours

Monday 09:00 - 09:15
Tuesday 09:00 - 09:15
Wednesday 09:00 - 09:15
Thursday 09:00 - 09:15
Friday 09:00 - 09:15
Saturday 09:00 - 09:15
Sunday 09:00 - 09:15

Telephone

+8801913117013

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wafi health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Wafi health:

Shortcuts

Share