Dr. Iqbal Ahmed, Skin & Sexual Health Specialist, Sylhet.

Dr. Iqbal Ahmed, Skin & Sexual Health Specialist, Sylhet. Dr. Iqbal Skincare
Trusted skin care tips, dermatology education & aesthetic guidance for healthy, confident skin. Managed by Dr. Iqbal Ahmed, Dermatologist.

Evidence-based advice, simple routines & skin awareness. Dr. Iqbal Ahmed is a board-certified, practicing dermatologist and sexual health physician with over 10 years of experience who specializes in the diagnosis and treatment of conditions related to the skin, hair and nails; as well as the sexual health of men and women. Dr. Iqbal believes that patients deserve to get the best care possible and

it's important to have a doctor who truly listens to them, understands their concerns, and can help them find what works for them.

22/07/2026

Skin Tag

#বাংলাস্বাস্থ্য

01/11/2024

(ধাত সিন্ড্রোম)

- ধাত সিন্ড্রোম দক্ষিণ এশিয়ার সংস্কৃতিতে পাওয়া একটি মানসিক অবস্থা, যা মূলত বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, এবং শ্রীলঙ্কায় দেখা যায়।

- এটি সাধারণত যুবকদের মধ্যে বেশি লক্ষ্য করা যায়, যারা মনে করে তাদের যৌন রস বা “ধাতু” প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যাচ্ছে।

- এটি মূলত Semen বা বীর্যের ক্ষতি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণে হয়ে থাকে। এর ফলে তারা শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি, বিষণ্ণতা এবং বিভিন্ন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে।

#কারণ:

ধাত সিন্ড্রোম সাধারণত সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। দক্ষিণ এশীয় সমাজে যৌনতা নিয়ে বিভিন্ন ভুল ধারণা প্রচলিত আছে, যেমন বীর্যের ক্ষয় শরীরের ক্ষতি করে। এই সংস্কৃতিগত বিশ্বাসের কারণে অনেকেই মনে করেন, বীর্যের ক্ষতি হলে তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রচলিত হিন্দু আধ্যাত্মিকতায় বীর্যকে "জীবনীশক্তির তরল" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই "জীবনীশক্তির তরল" হস্তমৈথুনের মাধ্যমে নিঃসৃত হলে, এর সাথে প্রায়ই প্রবল উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতার অনুভূতি জড়িত থাকে। প্রায়শই রোগী প্রস্রাবের সাথে একটি সাদা তরল বের হওয়ার কথা বলে থাকেন। আবার, অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের জন্য রোগীর মধ্যে তীব্র অপরাধবোধ দেখা যায়, যা তাদের মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

#লক্ষণ:

- প্রস্রাবের সাথে বীর্য বেরিয়ে যাওয়ার ভয়।

- শরীরে দুর্বলতা অনুভব করা।

- মাথা ব্যথা ও ঘুমের সমস্যা।

- মনঃসংযোগে সমস্যা ও বিষণ্ণতা।

- ক্ষুধা কমে যাওয়া এবং ক্লান্তি।

#চিকিৎসা:

ধাত সিন্ড্রোম শরীরের বড় কোন স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, রোগীরা যখন এই বিষয়গুলো নিয়ে অত্যাধিক চিন্তাগ্রস্ত হন, তখন চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে আসেন।

সাধারণভাবে চিকিৎসার জন্য যে পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করা হয়:

1. মানসিক কাউন্সেলিং: রোগীর ভুল ধারণাগুলি সংশোধন করার জন্য সঠিক পরামর্শ প্রদান করা।

2. সাইকোথেরাপি: রোগীর উদ্বেগ ও হতাশা দূর করতে সাহায্য করা।

3. শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: যৌনতা এবং বীর্যের ক্ষয় নিয়ে সঠিক ধারণা প্রদান।

ধাত সিন্ড্রোমের চিকিৎসা সহজেই সম্ভব যদি রোগীরা সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেয় এবং এই সমস্যার সাথে যুক্ত ভ্রান্ত ধারণা থেকে মুক্ত হয়।

(কপিরাইট ডা: ইকবাল আহমদ)

25/10/2024

ইরেকটাইল ডিসফাংশন (ERECTILE DYSFUNCTION)

ইরেকটাইল ডিসফাংশন (ED) বা যৌন অক্ষমতা হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে পুরুষের যৌন উত্তেজনার সময় যৌনাঙ্গে যথেষ্ট রক্ত প্রবাহ না হওয়ার কারণে তা দৃঢ় অবস্থায় থাকে না বা তা ধরে রাখা সম্ভব হয় না।

ইরেকটাইল ডিসফাংশন একধরনের যৌন স্বাস্থ্যের সমস্যা, যা অনেক পুরুষের জীবনে মানসিক ও শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে।

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের কারণসমূহ:

ইরেকটাইল ডিসফাংশন বিভিন্ন কারণে হতে পারে। সাধারণ কিছু কারণ হল:

1. শারীরিক কারণ:

* হৃদরোগ

* ডায়াবেটিস

* উচ্চ রক্তচাপ

* স্থূলতা (অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া)

* হরমোনের সমস্যা

2. মানসিক কারণ:

* উদ্বেগ

* মানসিক চাপ

* বিষণ্নতা

* সম্পর্কের সমস্যা

3. জীবনধারার কারণ:

* ধূমপান

* অতিরিক্ত মদ্যপান

* অতিরিক্ত শর্করা ও চর্বি খাওয়া

#লক্ষণসমূহ:

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:

- যৌনমিলনের সময় দৃঢ়তা ধরে রাখতে না পারা।

- যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া।

- যৌনমিলনের সময় অল্প সময়েই সংবেদনশীলতা হারানো।

#চিকিৎসা:

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে।
কিছু সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি হলো:

1. ওষুধ: যেমন সিলডেনাফিল (ভায়াগ্রা), যা রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে যৌনাঙ্গ দৃঢ় করতে সহায়ক।

সতর্কতামূলক:
ভায়াগ্রা সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, বিশেষ করে যদি আপনার হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির সমস্যার মতো কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে। অতিরিক্ত ডোজ নেওয়া কখনোই উচিত নয়, কারণ এটি শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

2. সাইকোথেরাপি: মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে কাউন্সেলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

3. লাইফস্টাইল পরিবর্তন: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ।

#প্রতিরোধ:

ইরেকটাইল ডিসফাংশন প্রতিরোধে জীবনধারার কিছু পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে,
যেমন:

_স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ।

_নিয়মিত ব্যায়াম।

_মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ।

#পরিশেষে:

ইরেকটাইল ডিসফাংশন একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর কারণে অনেক পুরুষ মানসিকভাবে প্রভাবিত হতে পারেন। সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।

(কপিরাইট ডা: ইকবাল আহমদ)

24/10/2024

অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকারিয়া (Aquagenic Urticaria)

অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকারিয়া কী?
অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকারিয়া হলো এক ধরনের চর্মরোগ যেখানে পানি (Water) এর সংস্পর্শে ত্বকে অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই অবস্থায় শরীরের যেকোনো অংশে পানি লাগার কয়েক মিনিটের মধ্যে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি এবং লালচে ভাব দেখা যায়।

আমাদের দেশে রোগীরা সাধারণত গোসলের/স্নানের পরে চুলকানি নিয়ে চর্ম রোগের বিশেষজ্ঞের কাছে আসেন।

লক্ষণসমূহ:

১. পানির সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে ত্বকে লালচে ফুসকুড়ি বা দাগ দেখা দেয়।
২. আক্রান্ত স্থানে জ্বালা ও চুলকানি অনুভূত হয়।
৩. অনেক সময় ত্বকের আক্রান্ত অংশে ফুলে যাওয়া।
৪. ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে ব্যথাও অনুভূত হতে পারে।
৫. এই আর্টিকারিয়া সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকারিয়ার কারণ:

এই রোগের প্রকৃত কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পানি ত্বকের প্রোটিনের সাথে বিক্রিয়া করে এই সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
তাছাড়া জেনেটিক কারণ এবং ইমিউন সিস্টেমের কিছু অস্বাভাবিকতা এই অবস্থার জন্য দায়ী হতে পারে।

যাদের বেশি হয়:

১. অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকারিয়া সাধারণত নারীদের মধ্যে এর প্রকোপ তুলনামূলক বেশি। ২. সাধারণত বয়ঃসন্ধির সময় এ রোগের লক্ষণগুলো শুরু হয় এবং পরবর্তী জীবনে এটি বাড়তে পারে।

নির্ণয় পদ্ধতি:

১. চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ত্বকের লক্ষণ দেখে এবং রোগীর ইতিহাস জেনে এই রোগের নির্ণয় করতে পারেন।
২. এর জন্য কোন ল্যাবরেটরী পরীক্ষার প্রয়োজন সাধারণত পড়ে না।

চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা:

এই রোগের কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তবে কিছু ব্যবস্থার মাধ্যমে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
যেমন:
১. অ্যান্টিহিস্টামিন: ত্বকের ফুসকুড়ি ও চুলকানি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
২. ফিজিক্যাল বারিয়ার: পানি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে প্রতিরোধী পোশাক পরা বা ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়:

১. অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকেরিয়ায় আক্রান্ত হলে, যতটা সম্ভব পানি এড়িয়ে চলা।
২.খুব বেশি শীতল বা খুব বেশি গরম পানি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা।
৩. ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা, যাতে ত্বক শুষ্ক না হয় এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পরিশেষে:

অ্যাকোয়াজেনিক আর্টিকারিয়া বিরল একটি চর্মরোগ, তবে এটির প্রভাব জীবনযাপনের ওপর ব্যাপক হতে পারে। যদিও স্থায়ী চিকিৎসা এখনো নেই, কিছু প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

(কপিরাইট ডা: ইকবাল আহমদ)

24/10/2024

মাইক্রোপেনিস সিন্ড্রোম:

মাইক্রোপেনিস (Micropen*s) হল পুরুষের লিঙ্গের একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে লিঙ্গের দৈর্ঘ্য সাধারণের তুলনায় অনেক ছোট থাকে। সাধারণত, এটি একটি জন্মগত ত্রুটি, যা শিশুর জন্মের সময় থেকেই লক্ষ্য করা যায়। মাইক্রোপেনিস তেমনই একটি অবস্থা যেখানে লিঙ্গের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৫ স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশনের চেয়ে কম হয়। অর্থাৎ, গড় আকারের তুলনায় এটি বেশ ছোট থাকে, তবে গঠনগতভাবে বা কার্যকারিতায় এটি স্বাভাবিক।

মাইক্রোপেনিস কিভাবে নির্ণয় করা হয়?

মাইক্রোপেনিস নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসক সাধারণত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করেন। সদ্যোজাত শিশুর ক্ষেত্রে, উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ১.৯ ইঞ্চির (৪.৮ সেমি) কম হলে তাকে মাইক্রোপেনিস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে, উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ৩ ইঞ্চির (৭.৬ সেমি) কম হলে মাইক্রোপেনিস ধরা হয়।

মাইক্রোপেনিসের কারণসমূহ:

মাইক্রোপেনিস মূলত জন্মগত এবং হরমোনজনিত কারণগুলোর ফল। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

1. হরমোনের সমস্যা: শিশুর গর্ভধারণের সময় অ্যান্ড্রোজেন নামক পুরুষ হরমোনের ঘাটতি হলে শিশুর লিঙ্গের বৃদ্ধি যথাযথভাবে হয় না। অ্যান্ড্রোজেন লিঙ্গের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

2. জেনেটিক সমস্যা: কিছু নির্দিষ্ট জেনেটিক সমস্যা যেমন ক্রোমোসোমাল ত্রুটি মাইক্রোপেনিসের কারণ হতে পারে। এই ধরনের সমস্যার কারণে শিশুর শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়।

3. এনডোক্রাইন সমস্যা: এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের (হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থি) সমস্যার কারণেও মাইক্রোপেনিস হতে পারে। বিশেষ করে পিটুইটারি বা থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা মাইক্রোপেনিসের জন্য দায়ী হতে পারে।

4. প্রসবকালীন ও পরবর্তী জটিলতা: কিছু ক্ষেত্রে, গর্ভাবস্থার সময় মায়ের মধ্যে হরমোনজনিত জটিলতা থাকলে বা প্রসবকালীন সময়ে জটিলতা দেখা দিলে এটি শিশুর লিঙ্গের আকারে প্রভাব ফেলতে পারে।

মাইক্রোপেনিসের প্রভাব:

লিঙ্গের আকার ছোট হওয়ার কারণে সাধারণত যৌন জীবনে এবং মানসিক স্বাস্থ্যে কিছু প্রভাব পড়তে পারে। তবে, মাইক্রোপেনিস থাকা মানেই লিঙ্গের কার্যকারিতায় কোনো ঘাটতি থাকবে তা নয়। প্রজনন ক্ষমতা বা যৌনক্রিয়ায় সাধারণত তেমন কোনো বাধা থাকে না।

তবে মাইক্রোপেনিস নিয়ে যারা মানসিক সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ। লিঙ্গের আকার নিয়ে সামাজিক এবং মানসিক চাপের কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিতে পারে, যা ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

চিকিৎসা পদ্ধতি:

মাইক্রোপেনিসের চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যার তীব্রতার ওপর এবং এটি কখন নির্ণয় করা হয়েছে তার ওপর। সাধারণত নিচের পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করা হয়:

1. হরমোন থেরাপি: শিশু জন্মের পরপরই যদি মাইক্রোপেনিস শনাক্ত হয়, তবে হরমোন থেরাপি (বিশেষত টেস্টোস্টেরন থেরাপি) করা যেতে পারে। এটি লিঙ্গের আকার কিছুটা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

2. অপারেশন: কিছু ক্ষেত্রে লিঙ্গের আকার বাড়ানোর জন্য সার্জারি করা হয়, একে ফ্যালোপ্লাস্টি বলা হয়। তবে এই ধরনের অস্ত্রোপচার সবসময় কার্যকর হয় না এবং জটিলতাও থাকতে পারে।

3. মানসিক সহায়তা: যেসব পুরুষ মানসিকভাবে মাইক্রোপেনিস নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাদের জন্য সাইকোলজিকাল থেরাপি বা কাউন্সেলিং অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে। এর মাধ্যমে তারা তাদের আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধার করতে পারেন।

সামাজিক ও মানসিক দৃষ্টিকোণ:

মাইক্রোপেনিস থাকা মানে জীবনযাত্রায় বড় কোনো সমস্যা হবে এমন নয়। তবে, অনেক সময় সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্যক্তিগত চাপের কারণে এ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিরা মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। লিঙ্গের আকার নিয়ে সামাজিক ধ্যান-ধারণার প্রভাব ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস এবং সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে সমর্থন পাওয়া যায়।

পরিশেষে:

মাইক্রোপেনিস এমন একটি শারীরিক অবস্থা যা জন্মগত বা হরমোনজনিত সমস্যার কারণে ঘটে থাকে। এটি সাধারণত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য কম থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও, কার্যকারিতার কোনো বড় সমস্যা তৈরি করে না। চিকিৎসা এবং মানসিক সহায়তার মাধ্যমে মাইক্রোপেনিস নিয়ে জীবনযাপন করা সম্ভব, এবং এটি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন যাতে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো যায়।

(কপিরাইট ডা: ইকবাল আহমদ)

01/10/2024

চুল পাকার কারণ এবং এর প্রতিকার:

চুল পাকা একটি সাধারণ সমস্যা যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ঘটে। তবে অনেক ক্ষেত্রে কম বয়সেও চুল পাকতে দেখা যায়।

চুল পাকার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

১. বয়স এবং জেনেটিক্স:

বয়স বৃদ্ধির সাথে শরীরের মেলানিন উৎপাদন কমে যায়, যা চুলের রঙকে প্রভাবিত করে। এছাড়া, পারিবারিক ইতিহাসও একটি বড় ভূমিকা পালন করে। যদি পরিবারের সদস্যদের আগেই চুল পাকা হয়ে থাকে, তাহলে আপনারও সেই ঝুঁকি বেশি।

২. পুষ্টির অভাব:

ভিটামিন বি১২, আয়রন, এবং অন্যান্য পুষ্টির অভাব চুল পাকার একটি কারণ হতে পারে। পুষ্টির অভাবে চুলের রঙের জন্য দায়ী মেলানিন উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়।

৩. মানসিক চাপ:

অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরের নানা ক্ষতির মধ্যে চুল পাকার কারণ হতে পারে। মানসিক চাপের ফলে অকালে চুল পাকা শুরু হতে পারে।

৪. জীবনধারা এবং পরিবেশগত কারণ:

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, দূষণ, ধূমপান, এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন চুলের স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং চুল পাকার হার বাড়িয়ে দেয়।

প্রতিকার:

১. পুষ্টিকর খাদ্য:

খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেল যুক্ত করুন। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ এবং আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, পালংশাক, এবং বাদাম খাওয়া উচিত।

২. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ:

যোগব্যায়াম, মেডিটেশন, এবং নিয়মিত ব্যায়াম চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে, যা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার:

প্রতিদিন চুলে নারকেল তেল বা আমলা তেল ব্যবহার করলে চুলের পুষ্টি বৃদ্ধি পায় এবং চুল পাকার হার কমানো সম্ভব হয়।

৪. চুলের যত্ন:

চুলকে রাসায়নিক মুক্ত রাখতে হালকা শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত হিট বা স্টাইলিং এড়িয়ে চলুন।

৫. চিকিৎসা:
যদি চুল পাকার সমস্যা বেশি হয়, তাহলে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

(কপিরাইট ডা: ইকবাল আহমদ)

26/12/2022

Address

Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 17:00 - 19:30
Tuesday 17:00 - 19:30
Wednesday 17:00 - 19:30
Thursday 17:00 - 19:30
Saturday 17:00 - 19:30
Sunday 17:00 - 19:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Iqbal Ahmed, Skin & Sexual Health Specialist, Sylhet. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Iqbal Ahmed, Skin & Sexual Health Specialist, Sylhet.:

Shortcuts

Share

Category