Dr.Mahmuda Akter Mukta

Dr.Mahmuda Akter Mukta Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Mahmuda Akter Mukta, Doctor, Pabna.

তখন আরো বলা হয়, আপনি ডাক্তার, আপনার থেকেই তো ১০টাকা বেশি নিবো 😅বেচারা, ডাক্তার সমাজ!🙂
03/07/2026

তখন আরো বলা হয়, আপনি ডাক্তার, আপনার থেকেই তো ১০টাকা বেশি নিবো 😅
বেচারা, ডাক্তার সমাজ!🙂

28/06/2026

একজনের ডিভোর্স দেখে ১ বছরে ১৪ বার গার্লফ্রেন্ড পাল্টানো জদু মধু ও পোস্ট দিচ্ছে - " বদনজর এক্সিস্টস্ । আমিও তার প্রমাণ। "

ভাই তোরটা বদ নজর ছিল না রে, তোরটা বদ চরিত্র।

19/06/2026

Way to Cox’s Bazar 🥰🤗

ঢাকা মেডিকেলের শিশু বিভাগের ৮টি  ওয়ার্ড  আছে। এটি ৩নাম্বার  ইউনিট যার বেড সংখ্যা ১৪টি কিন্তু আজ এই ১৪ বেডে রোগী ভর্তি ছি...
18/06/2026

ঢাকা মেডিকেলের শিশু বিভাগের ৮টি ওয়ার্ড আছে। এটি ৩নাম্বার ইউনিট যার বেড সংখ্যা ১৪টি কিন্তু আজ এই ১৪ বেডে রোগী ভর্তি ছিল ৮৯ জন।প্রতি বেডে ৬-৭জন।এখানে কিভাবে ১৪ জনের জনবল ও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা সম্ভব!!! এখানে রোগীর অনেক অভিযোগ যেমন সত্য তেমনি চিকিৎসকের নিরলস চেষ্টা ও পরিশ্রম দেখার কেউ নাই। এখানে রোগী এবং চিকিৎসক কেউই এই পরিবেশে সন্তুষ্ট নয়।যার কারণে এত চেষ্টা করার পরেও বিভিন্ন অঘটন ঘটতেছে।অনেকে বলতে পারে বেডের বাহিরে রোগী ভর্তি না নিলেই হয়।কিন্তু এটা বলা যত সহজ, সরকারি হাসপাতালে বসে করা ততই কঠিন ও অমানবিকও বটে। অতএব এখান থেকে পরিত্রাণের একমাত্র সমাধান সরাকারি হাসপাতালের বেডের সংখ্যা বাড়ানো এবং আনুমানিক হারে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবলের পদ সৃষ্টি। এটা একবারে না পারলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করে বর্তমানের চেয়ে কমপক্ষে ৫ গুন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করতে হবে।এটা ছাড়া স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়।
ধন্যবাদ
ডাঃ কামাল হোসেন
ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

11/06/2026

গত ৯ তারিখ পাবনা গেছিলাম, হাসপাতালে একটা কাজ ছিলো তাই। মনে হলো একসাথে জান্নাত ও জাহান্নামের ফিল পেলাম।

৯ তারিখ রাতেই ডিউটি থাকায় প্ল্যান ছিলো সকালে গিয়ে কাজ শেষ করে সন্ধ্যার মধ্যেই টাংগাইল চলে আসব ইনশাআল্লাহ।
এই প্ল্যান বাসে গেলে সম্ভব না।তাই ট্রেনই ভরসা। তো সকালে ধুমকেতুর টিকেট পেলাম। কিন্তু ফেরত আসার জন্য চিত্রা / দ্রুতযান কোনটারই টিকেট পেলাম না। ভাবলাম স্ট্যান্ডিং
টিকেট কেটে দাঁড়িয়ে চলে আসব।যেই ভাবা সেই কাজ।
যাওয়ার সময় কোনো অসুবিধা হলো না, সব কাজ শেষ করলাম,কয়েকজনের সাথে দেখা করলাম,এরপর ফেরার পালা। ভেবেছিলাম চিত্রা মিস করবো, তবে লেইট আসায় টিকেট নিয়ে উঠে পরলাম। উঠে মনে হলো, এ আমি কোথায় আসলাম,এত্তো ভীর। ঠেলাঠেলি। তো খুব কষ্টে দঁড়িয়ে আসছিলাম, পাশে এক চাচা দাঁড়িয়ে, বয়স ৬০/৬৫ এমন হবে। উল্লাপাড়া এসে মানুষ যখন ধাক্কাধাক্কি করে নামছিলো, তখন উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি নামবা? আমি বললাম,না চাচা আমি টাংগাইল যাবো, তো উনি আমাকে বললো তাহলে এখানে বসো,একটু স্বস্তি পাবা। ইতোমধ্যে চাচা যে সিটের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন উনি নেমে গেছেন, আমি খেয়াল করি নি, উনি খেয়াল করেছেন। তো স্বাভাবিকভাবেই ওই সিটে বসার জন্য অনেক প্রতিযোগি, তো উনি আমাকে আগলে নিয়ে ওখানে বসালেন, তো আমি একটু ইতঃস্তত বোধ করছি,বয়স্ক মানুষ, উনি না বসে আমি বসছি, উনি আমাকে চোখ দিয়ে ইশারা দিলেন যে তুমি বসো, সমস্যা নেই। তো ইব্রাহিমাবাদ/ আগের যমুনা সেতু পূর্ব পাড়ে এসে ওই সিটের মালিক আসলেন, উনি নাকি ভুলে অন্য বগিতে উঠেছিলো। এ পর্যন্ত আসতে উনার এতোক্ষণ লেগেছে। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে কি পরিমাণ ভীর ছিলো।

এরপর আমি আবার দাঁড়িয়ে গেলাম।আর এই স্টেশন পরেই টাংগাইল। আবার সেই ধাক্কাধাক্কি, একটু পর পর হকার এসে আরও বেশি সমস্যা তৈরি করছে,সাইড দেওয়ারও জায়গা নেই। পরে আমার চোখে পরল লাস্টের ৩ সিটের পেছনে বেশ খানিকটা ফাঁকা জায়গা। এক মহিলা তার বাচ্চা নিয়ে বসে আছে। পরে ভাবলাম ধাক্কা খাওয়ার চেয়ে বরং ওখানে গিয়ে দাঁড়ায়। ওখানে দাঁড়ানোর ১ মিনিটের মধ্যে মহিলা উঠে দাঁড়িয়ে গেলো। এরপর ক্রমাগত হাত পাখা দিয়ে বাতাস করছে এবং প্রতি ৫ টা ঘুরানোর ৩ টা আমার মাথায় ও চশমায় লাগছে। আমি বললাম আপনি এভাবে বাতাস করছেন কেনো? আমার তো লাগতেছে বার বার। তো উনি বলল উনি উনার বাচ্চাকে বাতাস দিচ্ছে। অথচ ওই বাতাসের ছিটে ফোঁটাও তার মেয়ের গায়ে লাগছে না,আর মেয়ে তার উল্টো পাশে। বলার পরেও উনি থামছে না। বুঝতে পারলাম ইচ্ছে করে করছে। তখন আর উনার সাথে কথা বলার ইচ্ছে হলো না। আবার এসে আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে চলে আসলাম। ধৈর্য্যের সীমা অতিক্রম করে অবশেষে ট্রেন টাংগাইল পৌঁছালো।
ট্রেন থেকে নেমে খুব দ্রুত ২ টা জুস কিনলাম একটা ওই চাচার জন্য ও একটা নিজের জন্য। ট্রেনের জানালা দিয়ে চাচাকে দিতে চাইলাম কিন্তু উনি নিতে চান না,পরে বললাম আমি আপনার মেয়ের মতো নিলে আমি খুব খুশি হবো। অবশেষে উনি নিলেন এবং হাসিমুখে আমাকে বিদায় জানালেন।
তাই ভাবলাম পৃথিবীতে এখনো ভালো মানুষ আছেন, আর খারাপ মানুষ সে তো নিজেই দেখলাম 😂

শুধু বলব অকারণে মানুষকে কষ্ট দেওয়াটা আসলে ঠিক না। আল্লাহ হেদায়েত দিন সবাইকে😊

10/06/2026

গতকালের ঝটিকা সফর 🏃‍♀️
From Tangail to Pabna & Pabna to Tangail.

😂😂
09/06/2026

😂😂

07/06/2026

"ডাক্তারি কোনো সেবা নয়, এটা আমাদের পেশা। আমি ফ্রি তে চিকিৎসা করে দিলে সেটা আমার মহৎ গুণ, আপনার অধিকার নয়"

চলমান সময়ে ডাক্তারদের যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবিতেও বহু সাধারন মানুষের কটুক্তি দেখে এই লিখাটি না লিখে পারলাম না।

একজন ডাক্তার তার জীবনের ৫ বছর বহুকষ্টে পড়াশোনা করে ডাক্তার হওয়ার পদবি অর্জন করে। এই ৫ বছর ধর্মচর্চা, বিয়ে-শাদী, আত্মীয়তা, মা-বাবার খেয়াল, কোনো কিছুরই হক্ব ঠিকভাবে আদায় করা সম্ভব হয় না। আপনার নন-মেডিকেল বন্ধুরা ঘুরতে যাবে, আত্মীয়-স্বজন বিয়ে খেতে যাবে, আপনি ছুটি পাবেন না। পেলেও খুবই কম পাবেন সাথে পড়ার প্রেশারও থাকবে। আলটিমেটলি আপনি সবার মত হয়ে থাকতে পারবেন না। আপনাকে সবাই চিনবে চরম ব্যস্ত বন্ধু বা আত্মীয় হিসেবে৷

এত কষ্টের পর আপনি যখন ডাক্তার হবেন ইন্টার্ন লাইফে আপনার কোনো মর্যাদা থাকবে না। যেখানে সিনিয়রদের দায়িত্ব আদর, ভালবাসা এবং শাসন দিয়ে শেখানো- সেখানে আপনাকে দেখা হবে কামলার মত। দিন রাত কঠোর পরিশ্রমের পর আপনি আর পড়ার সময় পাবেন না। সাথে হেয়-প্রতিপন্নতার মানসিক কষ্ট তো আছেই। আর যেসব সিনিয়ররা আপনাকে শিখাবে বা অন্তত ডাক্তারের মত সম্মান করবে - মন থেকে তাদের প্রতি সম্মান আজীবন থেকে যাবে। যারা কষ্ট দিবে আজীবন তাদের প্রতি বদদোয়া এমনিতেই চলে আসবে। শেষ পর্যন্ত আপনি দেখবেন তারা নিজেরাও হ্যাপি না নিজেদের লাইফে😊। আপনার বদদোয়ায় কিনা কে জানে?

এতো গেলো নিজেদের কমিউনিটির সমালোচনা।

এবার আসি সাধারন মানুষ প্রসঙ্গে -

১) আমাদের দেশের আপামর জনগনের একটা ধারনা ডাক্তার মানেই সেবা। মহৎ পেশা। আমরা ডাক্তাররাও মহৎ হতে গিয়ে এমন অবস্থার সৃষ্টি করেছি এখন ন্যায্য বেতনটাকে তারা অপরাধ হিসেবে মনে করে। সাধারন মানুষকে বোঝাতে হবে যে ডাক্তারি মহৎ হলেও একটা পেশা । দিন শেষে এটা দিয়ে আমাদের জীবিকা নির্বাহ হয়।

তাই সেবার জায়গা থেকে নিয়মিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করা যেতে পারে, গরীব রোগীদের জন্য ফান্ড রাখা যেতে পারে- যেটা আমরা অনেক ডাক্তাররাই করে থাকি। কিন্তু আমি যখন চেম্বারে বসব, বিয়ে বা অন্য প্রোগ্রামে এটেন্ড করব তখন এই মহত্বতা আমার কাছে আশা না করাই ভাল। হ্যাঁ, কিছু ক্লোজ মানুষ আছে- যাদের ঋণ কখনো পরিশোধ করা সম্ভব না। এছাড়া বাকিরা যদি দেখলেই আমাকে মহৎ মনে করে রোগ ছাড়া আর কোনো ব্যাপারে আলাপ না করে, কথার শুরুতেই নিজের সমস্যার কথা চলে আসে তাহলে দুঃখিত, আমি মহৎ নই।

আমার ডাক্তারি করার একটা নির্দিষ্ট সময় আছে, ওই সময়ে আমি জান-প্রান দিয়ে, সর্বোচ্চ চেষ্টা করে রোগী দেখব, তাদের কষ্ট লাঘব করার চেষ্টা করব আমার জ্ঞান দিয়ে, সহানুভূতি দিয়ে। এজন্য আমি যে পড়াশোনা করব, ট্রেনিং করব এতে আপনাদেরই উপকার হবে। এর বাইরে বাকি সময় আমি একজন সাধারন মানুষ। তখন মহত্বতা দেখানো, সেবা করা আমার ইচ্ছা- আপনার অধিকার নয়।

আমার মনে হয় প্রত্যেক ডাক্তারের উচিত সাধারন মানুষকে এই জিনিস বোঝানো যে ডাক্তারি একটা পেশা, সেবা নয়। তাহলে সাধারন মানুষও এই ন্যায্য ভাতা চাওয়াটাকে ক্রাইম হিসেবে দেখবে না।

২) সাধ্যের চেয়ে ৩-৪ গুণ বা তারও বেশী রোগী দেখতে হয় বিধায় ডাক্তাররা অনেক সময় পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। আমাদের উচিৎ অতিরিক্ত লোড নিতে অস্বীকার করা। এতে বাকি রোগীদের কি হবে সেটা সরকার ঠিক করবেন। সাধারন মানুষ আমাদের উপর তিক্ত হওয়ার একটাই কারন, আমাদের অনেকের ব্যবহার- যেটা আসলে অতিরিক্ত লোডের কারনে হয়ে থাকে। আমাদের উচিত যথাসম্ভব সহানুভূতির সাথে রোগীদের সাথে কথা বলা।

আমাদের দেশের ডাক্তাররা পর্যাপ্ত লোকবল, অবকাঠামো না থাকা সত্ত্বেও যে চিকিৎসা দেন এটা পৃথিবীর অন্যদেশগুলোতে কল্পনাও করতে পারবেন না। আমাদের লিমিটেশন সাধারন মানুষদের বোঝা উচিৎ। ঢালাওভাবে ডাক্তাররা কসাই, এরা শুধু সেবা করবে, ভিজিট নিবে না -এসব চিন্তাধারা বদলানো উচিত।

আমার মনে হয় পাবলিক পোস্টে যারা বাংলাদেশের ডাক্তার খারাপ, কসাই, এরা কেন ভাতা নিবে- এসব বলে তাদের কোনো অসুখ হলে এদেশের ডাক্তারের শরনাপন্ন না হওয়াই ভাল৷

৩) অন্য কোনো পেশায় আপনি এমন খুবই কম পাবেন যে একজন ব্যবসায়ী ফ্রীতে আপনাকে তার দোকানের জিনিস দিয়ে দিচ্ছেন। বা একজন শিক্ষক বা উকিল ফ্রীতে সেবার উদ্দেশ্যে শিক্ষা বা পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা ফ্রীতে না দিলেও কেউ তাদের দোষারোপ করবে না। তাহলে ডাক্তারদেরই কেন ফ্রীতে সবসময় চিকিৎসা ( সেবা নয়) দিতে হবে? বেতন/ ভাতা চাওয়াটাও কি ডাক্তারদের অপরাধ?

৪) একজন ব্যবসায়ী, উকিল, শিক্ষক, বা অন্য পেশার মানুষের সেবা আপনার পছন্দ নাহলে কি তার গায়ে হাত তুলে ফেলেন, তাকে মেরে পিটিয়ে ICU তে পাঠিয়ে দেন? তাহলে ডাক্তারের চিকিৎসা পছন্দ না হলে কেন এমনটা করেন? আপনার চিকিৎসা পছন্দ হয় নি? আপনি অভিযোগ করেন, প্রয়োজনে মামলা করেন। গায়ে হাত তোলার অধিকার কে দিয়েছে আপনাকে? কর্মস্থলে সুরক্ষা চাওয়াটাও কি ডাক্তারদের অপরাধ?

বিলের পাড়ে তুমি,আমি আর সাথে এক কাপ চা ☕একদম পারফেক্ট কম্বিনেশন 🤗
04/06/2026

বিলের পাড়ে তুমি,আমি আর সাথে এক কাপ চা ☕
একদম পারফেক্ট কম্বিনেশন 🤗

04/06/2026

একটি সুন্দর সন্ধ্যা ✨

Address

Pabna

Telephone

+8801750645953

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Mahmuda Akter Mukta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category