Doctor Liton Rana PHD India

Doctor Liton Rana PHD India Dr.Liton Rana
©Official Fan Page' Celebrety On Facebook

15/11/2020

অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার কারনে যাদের লিঙ্গ ছোট ও গোড়া চিকন হইছে তাদের জন্য সুখবর

28/01/2020

যৌন রোগের স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা
একটু পড়ুন আপনার ই উপকার হবে।
*******************************
১। লিঙ্গ উত্তেজিত হবার পরেই পানির
মতো তরল পদার্থ বেরিয়ে যাওয়া।
২। একটুতেই লিঙ্গ উত্তেজিত হওয়া
দুই/এক মিনিট পরেই লিঙ্গ আউরে আসা।
৩। প্রসাবের আগে বা পরে শরীর
ঝকিমারা বা প্রসাবের বেগ ধিরে
ধিরে হওয়া।
৪। আটকা আটকা প্রসাব বা প্রসাবের
শেষে মনে হয় আরও কিছু প্রসাব
ভিতরে আছে এমন অবস্থা।
৫। সকালের প্রসাব বোতলে ধরলে
নিচে গামের মতো নারীকেলের মতো
ঘন পদার্থ জমে থাকা।
৬। মিলনে সময় খুবই সীমত পাওয়া।
৭। যথেষ্ট ভিটামিন খাবার খেয়েও
বীর্য ঘন হতে না পারা।
৮। সহবাসের পরে শরীর একেবারে
ক্লান্ত হয়ে যাওয়া এবং ২য় বার যাওয়ার
অনুভূতি হারিয়ে ফেলা।
৯। অধিক মিলনে বা হস্থমৈথনে যৌন
তৃপ্তি হারিয়ে ফেলা।
১০। ফোটা ফোটা প্রসাব এবং প্রসাবের
বেগ ধরে রাখতে না পারা।
১১। অস্থায়ী ঔষধ সেবন না
করে মিলনে যেতে না পারা।
১২। আগের তুলনায় লিঙ্গ অনেক ছোট
লাগা ও গোড়ার দিকটা চিকন হওয়া।
১৩। অণ্ডকোষ সারাক্ষণ ঝুলে থাকা বা
বীর্যের আঠা হারিয়ে যাওয়া।
১৪। প্রসাব পায়খানার শুরুতে বা শেষে
ঘন ভাতের মারের মতো আঠা আঠা
পদার্থ লিঙ্গ দিয়ে বেরিয়ে আসা।
এই সব লক্ষন দেখা দিলে অতি তারাতারি যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডক্টর কে দেখান এবং চিকিৎসা নিয়ে যৌন রোগ হতে স্থায়ী সুস্থ্য হোন। যত বেশী দেরি করবেন ততই বেশি আপনার ক্ষতি হবে।চিকিৎসার সময়কাল বৃদ্ধি পাবে চিকিৎসার ব্যয় বেশি হবে।
ডঃ লিটন মাহমুদ
ডি এইচ এম এস
বি এইচ বি
ঢাকা
01746006100

31/12/2019

#সেক্স_টাইম_বাড়াবেন_কিভাবে?

অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক পুরুষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই বীর্যপাত করেন, যার ফলে নারী অতৃপ্ত থেকে যায়। তাই যৌন মিলনের সময় নারীর চাওয়া পাওয়াকে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত। তাই যৌন মিলনের সময় বাড়ানোর উপায়গুলো নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ

মিলন পর্ব শুরুর পূর্বেঃ

শোবার ঘরটি সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন, এটি শুধু ঘুম এবং যৌন মিলনের জন্য ব্যবহার করুন । মিলনের সময় ঘরে হালকা আলো জ্বালিয়ে রাখুন, রোমান্টিক গান চালু রাখুন।

মিলন পর্ব শুরুর পরেঃ

১. নিজেকে অযথা উত্তেজিত হতে দিবেন না, আপনি জানেন যে ব্যপার টি হতে চলেছে তাই ধৈর্য ধরুন ।

২. ব্যাপারটি নিয়ে তাড়াহুড়া করবেন না, ধীরে শুরু করুন।

৩. সঙ্গিনীর গায়ে হাত দেয়ার আগে তার সাথে রোমান্টিকতা করুন, তাকে আপনার দেয়া আদুরে নাম ধরে ডাকুন, তাকে জানান যে আপনি তাকে ভালবাসেন। এর কারন হল পুরুষ এর যৌন চাহিদা জৈবিক, কিন্তু নারীদের তা নয়। তাদের এই চাহিদা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত, তাই উত্তেজিত হতে সময় লাগে। যদি সঙ্গিনির মন খারাপ, শরীর খারাপ থাকে তাহলে মিলন করবেন না কারন তখন তার শরীর সাড়া দেবে না।

৪. চুম্বন দিয়ে শুরু করুন এবং তা দীর্ঘায়িত করুন।

৫. স্পর্শ কাতর অংশে প্রথমেই হাত দিবেন না, তার আশে পাশে স্পর্শ করুন, যখন বুঝবেন আপনার সঙ্গিনীর উত্তেজনা উঠছে তখন স্পর্শ কাতর অংশে মৃদু ভাবে আদর করুন।

৬. আপনার সঙ্গিনী পুরোপুরি উত্তেজিত হবার ১-২ মিনিট পর মিলনের প্রস্তুতি নিন।

৭. সঙ্গিনীর দেহে লিঙ্গ প্রবেশ এর পূর্বে আপনার যৌনাঙ্গ দিয়ে দিয়ে তার যৌনাঙ্গে হালকা ভাবে আদর করুন, সঙ্গীকে জানান যে আপনি এখন প্রবেশ করতে যাচ্ছেন, এর ফলে সে আপনাকে ভিতরে নেয়ার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হবে ।

৮. কক্ষনোই জোর করে ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না, যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ আপনাকে নেয়ার জন্য প্রস্তুত নয় তবে তাকে আশ্বাস দিন যে অসুবিধা নেই, সঙ্গিনীকে রাগ দেখাবেন না। যৌনাঙ্গ সবসময় এক ধরনের Response নাও দিতে পারে। যদি রাগ দেখান তাহলে পরবর্তীতে সে উত্তেজিত হবার বদলে ভয় পাবে এবং তার মস্তিস্ক Response করতে প্রচুর সময় নিবে।

৯. প্রবেশ এর পর আস্তে আস্তে আদর করুন, সঙ্গিনীকে মন থেকে ভালোবাসার কথা বলুন, তার সারা শরীর এ হাত বুলান। মনে রাখবেন যে, যদি আপনার সঙ্গী আপনার কাছ থেকে ভালবাসা পূর্ণ শারীরিক আদর লাভ করে তাহলে এটি তার কাছে আনন্দময় মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে , এবং তা সুখকর স্মৃতি হিসেবে তার মস্তিস্কে জমা হবে। ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে যৌন মিলনের সময় তার Response অনেক ভালো হবে।

১০. সঙ্গিনীকে ব্যথা দিবেন না। মাঝে মাঝে প্রশ্ন করুন যে তার কেমন লাগছে। যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যোনি রস কমে আসছে বা শুকিয়ে আসছে তাহলে সঙ্গম শেষ করে দিন, জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না।

১১. মিলনের এক পর্যায়ে যখন আপনি অনুভব করছেন যে আপনার একটি শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে এবং এই অনুভূতি আর একটু বাড়লেই আপনার বীর্যপাত হয়ে যাবে, তখন কোমর সঞ্চালন বন্ধ করুন । চুপচাপ সঙ্গিনীর উপর শুয়ে থাকুন এবং তাকে গলায় বা কানে চুমু দিন। চোখ বা চুলের প্রশংসা করুন। আলতো ভাবে তাকে আদর করুন। এতে আপনার মনোযোগ অন্য দিকে সরবে এবং শিরশিরে অনুভূতি কমে গিয়ে যৌনাঙ্গ আবার স্বাভাবিক হবে। এরপর আবার মিলন শুরু করুন । প্রক্রিয়া টি ২-৩ বার এর বেশী প্রয়োগ করবেন না।

১২. আসন পরিবর্তন করুন। এক এক দম্পতি এক এক আসনে তৃপ্তি বোধ করেন, তাই ধীরে ধীরে জেনে নিন আপনাদের কোন আসন পছন্দ। সেগুলো প্রয়োগ করুন। ব্লোজব পছন্দ করলে তা করতে পারেন।

১৩. মিলনের সময় যদি অল্প সময়ে নারী সঙ্গির যোনি রস শুকিয়ে আসে বা পুরুষ সঙ্গির লিঙ্গ তেমন শক্ত না হয় বা দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না। নিয়মিত যৌন জীবন এর মাঝে মাসে ২-৪ বার এরকম হতেই পারে। সঙ্গীকে জানান যে কোন অসুবিধা নেই। পরের বার ভালো হবে। প্রত্যেক বার যে পূর্ণ যৌন মিলন করতেই হবে এমন কথা নেই।

১৪. বিভিন্ন দম্পতি উত্তেজিত হবার এক এক নিয়ম ( যেমনঃ চুম্বন, ব্লো-জব ) পছন্দ করেন, জেনে নিন আপনাদের কোনটি পছন্দ। সেটি করুন। একক সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার সঙ্গী যদি কোনটি পছন্দ না করেন তবে সেটি করবেন না।

১৫. আপনার ইচ্ছা করছে কিন্তু আপনার সঙ্গীর করছে না। তাহলে নিজেকে সংযত করুন।

১৬. ঘরে নগ্ন চলাফেরা করবেন না তাহলে শরীরের প্রতি আকর্ষণ কমে যেতে পারে।

১৭. নারী সঙ্গীরা রাতে শোবার আগে পোশাক পরিবর্তন করে যৌন উত্তেজক পোশাক পড়ুন। এক্ষেত্রে ব্রা, পেন্টি আদর্শ পোষাক হতে পারে।

১৮. নারী সঙ্গীরা ভাববেন না যে পুরুষ সঙ্গিরাই সবসময় আমন্ত্রণ জানাবে। আপনিও জানান। নিজের যৌন চাহিদা প্রকাশ করুন। মনে রাখবেন, পুরুষরা সবসময়ই চায় যে, তার সঙ্গীনী তাকে আমন্ত্রণ করুক, তার সাথে জোর করে যৌন মিলন করুক, তাকে উত্তেজিত করুক। তাই সবসময় পুরুষদের আমন্ত্রণের জন্য অপেক্ষা করবেন না।
-

15/09/2019

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারনে যৌনরোগ দেখা দেয় ।

* দ্রুত বীর্যপাত* লিঙ্গ ছোট* উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গ শক্ত হয়না* লিংগের আগা মোটা গোড়া চিকন* লিঙ্গ বাঁকা* স্বপ্নদোষ ইত্যাদি...
19/08/2019

* দ্রুত বীর্যপাত
* লিঙ্গ ছোট
* উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গ শক্ত হয়না
* লিংগের আগা মোটা গোড়া চিকন
* লিঙ্গ বাঁকা
* স্বপ্নদোষ ইত্যাদি
এসমস্ত রোগের সুচিকিৎসা এবার সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে করা হবে।
আপনি যদি উপরোক্ত যৌনরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার নাম, বয়স, ঠিকানাসহ আপনার যৌনরোগের সমস্যা বিস্তারিত আমাদের পেজে ইনবক্স করুন।
রিপ্লায় দিবেন Ðr Liton Mahmud
ডি এইচ এম এস
বাংলাদেশ হোমিও মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঔষধ পাঠানো যাবে।
আপনার গোপনীয় রোগের যাবতীয় তথ্য আমাদের নিকট সম্পূর্ন গোপনীয়ভাবেই থাকবে।..

10/04/2019

যক্ষ্মা কখন সন্দেহ করবেন

যক্ষ্মা এখনো বড় একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। যক্ষ্মা যে কারোরই হতে পারে। যক্ষ্মারোগীর কাছাকাছি থাকেন, এমন ব্যক্তি, যেমন পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, নার্স বা সেবা-শুশ্রূষাকারীর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, মাদকাসক্তি, বার্ধক্য, অপুষ্টি ইত্যাদি যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়ায়। যাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম, যেমন এইডস রোগী, দীর্ঘ মেয়াদে স্টেরয়েড বা ইমিউনোথেরাপি ওষুধসেবীরাও যক্ষ্মার ঝুঁকিতে আছেন।

শতকরা ৮৫ ভাগ যক্ষ্মা ফুসফুসে হয়ে থাকে। ফুসফুসের আবরণী, লসিকাগ্রন্থি, মস্তিষ্ক ও এর আবরণী, অন্ত্র, হাড় বা ত্বকেও হতে পারে যক্ষ্মা।

যক্ষ্মার জীবাণু চারদিকেই আছে

চারপাশের পরিবেশে, বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু। শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে ছড়ায় বলে আমরা যক্ষ্মার জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকি। অনেক সময় জীবাণু সুপ্ত অবস্থায় থাকে, এর উপসর্গ বোঝা যায় না এবং রোগ ছড়ায় না। কোনো একসময় পরে সুপ্ত যক্ষ্মা সক্রিয় যক্ষ্মায় রূপ নিতে পারে।

কখন সন্দেহ করবেন

তিন সপ্তাহের অধিক সময় ধরে কাশি (শুকনো/ কফযুক্ত), কাশির সঙ্গে রক্ত, বুকে ব্যথা, ওজন হ্রাস, অবসাদ, অরুচি, সন্ধ্যায় হালকা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (৯৯-১০১ ডিগ্রি), রাতে ঘাম হলে অবশ্যই যক্ষ্মা সন্দেহ করে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা উচিত। লসিকাগ্রন্থির স্ফীতি, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন, পেটব্যথা, বুকে বা পেটে পানি জমা, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে পড়া ইত্যাদিও যক্ষ্মার ভিন্ন উপসর্গ।

যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে

চিকিৎসায় যক্ষ্মা সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়। দুই ধরনের চিকিৎসা আছে। এক, ছয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া। দুই, আট–নয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া। যক্ষ্মা প্রতিরোধে জন্মের পরপর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। হাঁচি, কাশি ও কফের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। তাই রাস্তাঘাটে হাঁচি-কাশির বেগ এলে মুখে রুমাল চাপা দেওয়া উচিত। যত্রতত্র কফ ফেলা উচিত নয়।

23/11/2018

ায়_হোমিওপ্যাথিঃ-

1. আঘাত পেয়ে যেকোন রোগ হলে- Arnica
2. হঠাৎ আসা তরুণ বা যেকোন রোগে- Aconite
3. গলায় মাছের কাটা বিধলে-Silicia 200
4. ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে গেলে-Staphysagria
5. পিন, তারকাটা, পেরেক, লোহা বিধলে-Ledum Pal 200
6. অতিরিক্ত হাঁচি আসলে-Natrum Mur 30
7. যানবাহনে চড়ে বমি হলে-Cocculus Ind
8. ঘুমের মাঝে নাক ডাকলে- O***m
9. ঘুম না আসলে- O***m
10. অত্যধিক ঘুমের জন্য লেখা পড়ার ক্ষতি হলে-Ferrum Phos 3x
11. চোখের পাতায় বার বার অঞ্জলি/তেলেঙ্গা হলে-Staphysagria
12. যেকোন স্থানে, যেকোন ব্যথায়-Mag phos 6x
13. ক্ষুধা ও বলশক্তি বৃদ্ধির জন্য-Nux Vom Q
14. খাবারে রুচি না থাকলে-Amloki Q
15. শরীরের কোন স্থান কেটে রক্তপাত ঘটলে-Calendula Q (বাহ্যিক)
16. বর্ষা/বৃষ্টির কারণে যেকোন রোগ হলে-Rhus Tox
17. আমাশয় হলে-Merc Sol
18. আমাশয়ে রক্ত গেলে-Merc Cor
19. শরীরের যেকোন স্থান দিয়ে টাটকা লাল রক্ত স্রাব হলে-Sinaberis
20. কি ঔষধ প্রয়োগ করবেন না জানলে-NuxVom- 30
21. নড়াচড়া বা চাপলে আরাম-RhusTox
22. চুপচাপ থাকলে আরাম-Bryonia Alb
23. স্কুল কলেজ/অবিবাহিত যুবকদের কামরিপু দমনের জন্য Cantharis
24. গায়ক/বক্তার স্বর ভেঙ্গে গেলে-Custicum/Arg Nit
25. স্মরণশক্তি লোপ পেলে-Anacardium
26. খিটখিটে মেজাজ বদ-রাগি লোকদের যেকোন রোগে-Camomila
27. আগুন, গরম ও রৌদ্রজনিত যেকোনো রোগে বা সমস্যায়-Glonoine
28. শুঁচিপায়ি রোগির জন্য- Syphillinum-10m
29. বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করলে-Cina
30. মৌমাছি হুল ফুটালে-Apis Mel
31. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়লে/সমস্যা হলে-Causticum
32. পিঠে ব্যথায়-Lycopodium
33. ঘাড় ব্যথার জন্য-Conium
34. দুরগন্ধযুক্ত যেকোন স্রাব হলে-Achinesia
35. সোরাইসিসের জন্য-Gynocardium Q
36. যা খায় তাই বমি করে, কোন খাবার হজম হয়না-Symphoricur pus 30
37. মাথায় যন্ত্রনা বা ব্রেনের যেকোন সমস্যায়- Kali Phos 6x
38. মহিলাদের জরায়ু ঝুলে গেলে-Sipia 200
39. মহিলাদের তল পেটে ব্যথা হলে-Colophylom Q
40. প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা-Causticum 200
41. গুরুপাক খাবার খেয়ে অসুখ হলে-Pulsitilla
42. যেকোনো বাতের জন্য -Guacum
43. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে-Calcaria phos-6x
44. শরীরে আইরনের অভাব হলে-Ferum phos-6x
45. শরীরে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন হলে- Five Phos
46. ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে গেলে মাথাব্যথা-Calcaria phos
47. রোগী কথায় কথায় “ #যদি” শব্দ থাকলে- Arg Nit 200
48. মুখ ও গলার ভিতর যেকোন রোগে- Marc Sol
49. ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঔষধ- Eupatorium Perfoliatum
50. হৃদরোগের মহা ঔষধ- Crataegus Oxyacantha

21/11/2018

স্বপ্নদোষ কেন হয় ও স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন !
স্বপ্নদোষ কেন হয় ?
স্বপ্নদোষ কেন হয় ও স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায় । স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ।তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি।
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। এদের অজ্ঞতার সুযোগ নেন অনেকে। স্বপ্নদোষকে ভয়াবহ রোগ হিসেবে অভিহিত করে রোগীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।
স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায়
১) ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন।যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়।তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরিরকে সাহায্য করে।
২) ঘুমাতে যাওয়ার আগে এককাপ ঋষি পাতা(sage leaves- Google এ search করে দেকতে পারেন। হয়ত এটি আপনার অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত) এর চা পান করলে অতিরিক্ত হস্থমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
৩) অশ্বগন্ধা স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যার উপকরণ সহ সর্বোপরি যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি হরমুন ব্যালেন্স এবং হস্থমৈথুন এর ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশিশক্তি ফিরে পাওয়া ও ছোট খাটো ইঞ্জুরি সারিয়ে তুলতে পারে।
৪) ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না।যদি সামান্য পরিমাণ প্রস্রাবের লক্ষণও থাকে বিছানায় যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন।
৫) রাতে খাবার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না।কিছুক্ষণ হাটা হাটি করুন।
৬) প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরি খাবার অভ্যাস করুন।
৭) পবিত্র কোরানের ৩০ নাম্বার পারার ” সুরা তারিক” পরে শয়ন করুন। হালকা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পরে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
এতেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

21/11/2018

যৌন মিলন দুশ্চিন্তা রোধ করে:

যৌন মিলনের একটি বড় সুবিদা হল এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে এবং মোটের উপর দুশ্চিন্তা রোধে সহায়তা করে। স্কটল্যান্ড থেকে প্রকাশিত বায়োলজিক্যাল পিজিওলজি জার্নালে প্রকাশিত এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া যায়। জরিপে ২৪ জন নারী এবং ২২ জন পুরুষের যৌন কর্মকান্ড লিপিবদ্ধ করা হয়।

জরিপ চলা কালে তাদেরকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঝামেলা যুক্ত কাজ দেওয়া হয় (যেমন ফ্রন্ট ডেস্কে কাজ করা ইত্যাদি)। এ অবস্থায় দেখা যায় যারা শাররীক মিলন করেছেন তার অন্যদের তুলনায় কম দুশ্চিন্তা/ঝামেলায় উদ্ভিগ্ন হন।

একই জার্নলে প্রকাশিত অন্য একটি আর্টিক্যালে জানা যায় নিন্ম রক্তচাপ অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত যৌন মিলনের সাথে সম্পৃক্ত। ডাক্তারগন আলিঙ্গনের সাথে নারীর নিন্ম রক্তচাপের একটা সম্পর্ক পেয়েছেন।

আপনার যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। পরামর্শ নিতে কল করুন: Dr Liton Mahmud. 01746006100

বিঃদ্রঃ- জীবনের জন্য এই শিক্ষা। অনৈতিক সম্পর্ক আমরা সমর্থন করিনা এবং করবোনা তাই যারা অবিবাহিত তারা আমাদের পেইজ থেকে তথ্য জেনে রাখুন এবং বিবাহের পর তা কাজে লাগেবন। একটা কথা অবশ্যয় মনে রাখবেন আপনার যৌন জীবনে অশান্তি মানেই আপনার জীবন তেজপাতা.. !

Address

Shakipur, Dhaka_Road_Nalua
Tangail

Telephone

+8801746006100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor Liton Rana PHD India posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Doctor Liton Rana PHD India:

Share

Category