Professor Dr. Md. Rashidul Hassan

Professor Dr. Md. Rashidul Hassan Mohammad Rashidul Hassan was born in the year of 1958 at Chilmari, Kurigram. He passed his childhood in Khulna.

He completed MBBS from Chittagong Medical College in the year 1982, became Member of College Physicians and Surgeons (M.C.P.S Medicine) in 1988

23/08/2026

ভোরের কুয়াশা ভেদ করে বাইক চালানো বা হাঁটাহাঁটি করতে খুব ভালোবাসে সাজিদ।
৩৭ বছর বয়সী সাজিদের কাছে সকালের ঠান্ডা বাতাস মানেই সতেজতা।

কিন্তু কয়েক সপ্তাহ ধরে একটা সমস্যা হচ্ছে।

ভোরে বাইরে বের হলেই শুরু হয় **শুকনো কাশি।**
কিছুক্ষণ পর মনে হয় বুকটা চেপে আসছে, ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছে না।

সাজিদের ধারণা—
“ঠান্ডা বাতাসে এমন একটু কাশি হতেই পারে। বাসায় গিয়ে গরম চা খেলেই ঠিক হয়ে যাবে।”

কিন্তু সত্যিই কি তাই?

আমরা অনেক সময় কাশি, বুক চাপ লাগা বা শ্বাসকষ্টকে খুব সহজভাবে নিই।
“ঠান্ডা লেগেছে”, “সিজন বদলের সমস্যা”, “একটু গরম পানি খেলেই ঠিক হয়ে যাবে”—এই ভেবে দিনের পর দিন পার করে দিই।

অথচ ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস কিছু মানুষের শ্বাসনালীকে উত্তেজিত করতে পারে। বিশেষ করে যাদের **অ্যাজমা বা সংবেদনশীল শ্বাসনালী** আছে, তাদের ক্ষেত্রে ঠান্ডা বাতাসে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে **কাশি, বুক চাপ লাগা বা শ্বাসকষ্ট** বাড়তে পারে।

তাই একই সমস্যা যদি বারবার হয়, শুধু কাশির সিরাপ বা ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে কারণটা খুঁজে দেখা জরুরি।

কারণ প্রশ্নটা শুধু—

**“কাশি কমছে কি না?”**

প্রশ্ন হলো—

**“কেন প্রতিবার ঠান্ডা বাতাসে গেলেই এই কাশি ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছে?”**

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিলে সমস্যার কারণ বোঝা যায় এবং শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
আপনার কি এমন হয়?

ভোরে বা সন্ধ্যায় বাইরে বের হলেই—

* টানা কাশি শুরু হয়?
* বুকে চাপ বা টান অনুভব করেন?
* শ্বাস নিতে কষ্ট হয়?
* হাঁটা বা বাইক চালানোর সময় শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়?
* একই সমস্যা বারবার ফিরে আসে?

তাহলে এটাকে শুধু **“ঠান্ডার সমস্যা”** বলে এড়িয়ে যাবেন না।

প্রয়োজনে আমাদের পেজে ইনবক্স করুন।

22/08/2026

ধূমপান ছেড়েও কাশি কমছে না? কারণটা কী?

ইমরান সাহেব ৬ মাস আগে ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছেন।

তিনি ভেবেছিলেন, “এবার নিশ্চয়ই আমার ফুসফুস ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যাবে।”

কিন্তু উল্টো হলো।

কাশি কমার বদলে আরও বিরক্ত করছে। একটু হাঁটলেই বুকের ভেতর শোঁ শোঁ শব্দ হয়, দম নিতে কষ্ট হয়।

তখন ইমরান সাহেব ভাবলেন,
**“সিগারেট ছেড়েই যখন কাশি কমল না, তাহলে ছেড়ে লাভ কী?”**

ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরও যদি দীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট বা হাঁটলে হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে এটাকে শুধু “সিগারেট ছাড়ার পর এমন হচ্ছে” ভেবে বসে থাকা ঠিক নয়।

দীর্ঘদিন ধূমপানের কারণে ফুসফুসে **COPD-এর মতো সমস্যা** তৈরি হতে পারে। এই ক্ষতি একদিনে ভালো হয় না। ধূমপান বন্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে শুধু ধূমপান ছাড়াই যথেষ্ট নয়—ফুসফুসের অবস্থা পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হয়।

তাই ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরও যদি আপনার কাশি বা শ্বাসকষ্ট থেকে যায়, হতাশ হয়ে আবার সিগারেট ধরবেন না।

**সিগারেট ছাড়াটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল না—বরং এটাই ছিল আপনার সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।**

এখন দরকার, ফুসফুসের সমস্যার আসল কারণটা খুঁজে বের করা।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি দীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট বা হাঁটলে হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন, আমাদের পেজে ইনবক্স করুন।** একজন প্রতিনিধি আপনার সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানিয়ে দেবেন।

গতকাল একটা প্রেসক্রিপশন লিখতে গিয়ে আমার হাত থেমে গেল। থামিয়ে দিল Ai। ঘটনাটা বলি।একজন কিডনি রোগী এলেন—পায়ের পাতা ফুলে ...
19/08/2026

গতকাল একটা প্রেসক্রিপশন লিখতে গিয়ে আমার হাত থেমে গেল। থামিয়ে দিল Ai।
ঘটনাটা বলি।
একজন কিডনি রোগী এলেন—পায়ের পাতা ফুলে গেছে।
পরিচিত সমস্যা, পরিচিত ওষুধ। টাইপ শুরু করার
ঠিক আগে, অভ্যাসমতো প্রেসক্রিপশনটা একবার Ai-কে দিয়ে রিভিউ করালাম।
দু'সেকেন্ড পর স্ক্রিনে ভেসে উঠল—
"এই রোগীর কিডনি ফাংশন বিবেচনায় এই ওষুধটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।"
আমি থমকে গেলাম।
শুধু সতর্ক করেই থামেনি। একটা নিরাপদ বিকল্পও সামনে এনে দিল।
সেই মুহূর্তে আবার মনে পড়ল আমাদের পেশার সবচেয়ে পুরনো সত্যটা

আমরা রোগের চিকিৎসা করি না। আমরা মানুষের চিকিৎসা করি।
বয়স, কিডনির অবস্থা, চলমান ওষুধ, সঙ্গে থাকা অন্য রোগ—সব মিলিয়েই একজন মানুষ।

আর ব্যস্ত চেম্বারে, দিনের ৪০তম রোগীর সামনে, এই "সব মিলিয়ে" দেখাটাই সবচেয়ে কঠিন।
এখানেই AI হয়ে উঠতে পারে চিকিৎসকের দ্বিতীয় জোড়া চোখ।
তবে একটা কথা পরিষ্কার করে বলি—

Ai চিকিৎসকের বিকল্প নয়।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চিকিৎসকেরই।
কিন্তু সঠিকভাবে ব্যবহার করলে Ai আমাদের এমন কিছু দেখতে, ভাবতে, যাচাই করতে সাহায্য করে—যা ক্লান্ত চোখ এড়িয়ে যেতেই পারে।
প্রশ্ন হলো—আপনি কি জানেন, কীভাবে?

ঠিক সেটা শেখাতেই আসছে—
Ai FOR MEDICAL DOCTORS Webinar
প্রেসক্রিপশন রিভিউ থেকে শুরু করে রোগ নির্ণয়, এভিডেন্স খোঁজা, পোস্ট গ্রাজুয়েট পড়াশোনা—দৈনন্দিন practice-এ Ai কীভাবে আপনার সময় বাঁচাবে আর রোগীকে নিরাপদ রাখবে, হাতে-কলমে।
📅 ১৭ সেপ্টেম্বর
⏰ দুপুর ঠিক ২:৩০টা

Registration Open হচ্ছে খুব শীঘ্রই। সিট সীমিত—তাই পোস্টটা save করে রাখুন, আর আগ্রহী সহকর্মীকে ট্যাগ করুন।
সত্যি বলতে—আমি নিজে বেশ excited!

আপনি Ai-ready ডাক্তার হতে প্রস্তুত?

18/08/2026

বন্ধুর বিয়ের দাওয়াতে গিয়ে পঁচিশ বছর বয়সী ফয়সাল প্লেটে একটু গরুর মাংস তুলে নিল। তার আগে থেকেই গরুর মাংসে তীব্র অ্যালার্জি আছে, কিন্তু বন্ধুরা জোর করল, "আরে ভাই, একদিন একটু খেলে কিছু হবে না, আগে একটা অ্যালার্জির বড়ি খেয়ে নে!" বন্ধুদের কথায় ভরসা করে ফয়সাল মাংস খেল। কিন্তু খাওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যেই শুধু তার সারা শরীরই চুলকালো না, হঠাৎ তার বুক জ্যাম হয়ে গেল এবং তীব্র শ্বাসকষ্টে তিনি প্রায় জ্ঞান হারানোর উপক্রম! ফয়সাল এবং তার বন্ধুরা কি জানতেন, 'অ্যালার্জির বড়ি খেয়ে সব খাওয়া যায়'—এই ভুল বিশ্বাস ফয়সালের ফুসফুসকে কতটা ভয়ংকরভাবে বন্ধ করে দিচ্ছিল?

আমাদের সমাজে একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও আত্মঘাতী লজিক হলো—'অ্যালার্জির ওষুধ (Antihistamine) খেয়ে গরুর মাংস, চিংড়ি বা ইলিশ খাওয়া যায়' অথবা 'একটু-আধটু খেলে ফুসফুসের কোনো ক্ষতি হয় না'। বক্ষব্যাধি চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য হলো, এটি আক্ষরিক অর্থেই নিজের জীবন নিয়ে জুয়া খেলা!

যাদের নির্দিষ্ট কোনো খাবারে তীব্র অ্যালার্জি (Food Allergy) এবং সাথে আগে থেকেই হাঁপানি বা অ্যাজমার সংবেদনশীলতা আছে, তাদের ইমিউন সিস্টেম সেই খাবারটিকে মারাত্মক 'বিষ' হিসেবে গণ্য করে। ফলে শুধু ত্বকে র‍্যাশ ওঠে না, বরং শ্বাসনালী মুহূর্তের মধ্যে মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে যায়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় সিভিয়ার ব্রঙ্কোস্পাজম (Severe Bronchospasm) বা অ্যানাফাইল্যাক্সিস (Anaphylaxis)। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, ফার্মেসির সাধারণ অ্যালার্জির বড়ি এই শ্বাসরোধকারী অ্যাটাক ঠেকাতে সম্পূর্ণ অক্ষম। সঠিক সময়ে ইমার্জেন্সি চিকিৎসা বা সঠিক ইনহেলার ব্যবহার না করলে এই 'একটু খাওয়া'-র জেদ বা ভুল লজিকের কারণেই রোগীর অকাল মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

আপনার বা আপনার পরিবারের কারও কি গরুর মাংস, চিংড়ি বা নির্দিষ্ট কোনো খাবারে অ্যালার্জি আছে এবং তা খেলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে? 'ওষুধ খেয়ে সব খাওয়া যায়'—এমন অবৈজ্ঞানিক ও দুর্বল যুক্তিতে নিজের বা প্রিয়জনের জীবন বিপন্ন করবেন না। আজই আমাদের পেজে ইনবক্স করুন। আমাদের একজন প্রতিনিধি আপনাকে ফোন দিয়ে রোগীর বিস্তারিত শুনবেন এবং বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে সঠিক অ্যালার্জি প্রোফাইলিং ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন জানিয়ে দেবেন।

৬৫ বছর বয়সী মজিবর সাহেব কয়েক মাস ধরে একটা বিষয় নিয়ে নিজেই চিন্তিত।সকালে নাশতা করার পর স্ত্রীকে বললেন,— “আমার ওষুধটা খেয়ে...
16/08/2026

৬৫ বছর বয়সী মজিবর সাহেব কয়েক মাস ধরে একটা বিষয় নিয়ে নিজেই চিন্তিত।

সকালে নাশতা করার পর স্ত্রীকে বললেন,
— “আমার ওষুধটা খেয়েছি তো?”

স্ত্রী বললেন,
— “এই তো একটু আগেই খেলে!”

কিছুক্ষণ পর আবার তিনি ওষুধের পাতা হাতে নিয়ে ভাবলেন,
**“আমি কি এটা আজ খেয়েছি?”**

কখনো একই ওষুধ একই বেলায় ভুল করে দুইবার খেয়ে ফেলছেন।
আবার কখনো ওষুধ খাওয়ার সময় চলে গেলেও মনে থাকছে না—**ওষুধটাই খাওয়া হয়নি।**

শুধু ওষুধ নয়।

চশমা কোথায় রেখেছেন মনে পড়ছে না।
কেন ঘরে ঢুকেছেন, সেটাও ভুলে যাচ্ছেন।
কখনো পরিচিত কারও নাম মনে করতে একটু সময় লাগছে।

পরিবারের সবাই বিষয়টাকে প্রথমে বয়সের স্বাভাবিক পরিবর্তন ভেবেছিল।

কিন্তু ছেলে বলল,
— **“আব্বু, ভুলে যাওয়া যদি এতটাই বাড়ে যে ওষুধ খাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও ভুল হচ্ছে, তাহলে একবার ডাক্তারকে দেখানো উচিত।”**

কারণ **সব ভুলে যাওয়া মানেই ডিমেনশিয়া নয়।**

ঘুমের সমস্যা, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, বিষণ্ণতা, ভিটামিনের ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা—এমন আরও কিছু কারণেও স্মৃতি ও মনোযোগে সমস্যা হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে এটি মস্তিষ্কের রোগের প্রাথমিক লক্ষণও হতে পারে।

তাই শুধু “বয়স হয়েছে, ভুলবেই”—বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

**বিশেষ করে ভুলে যাওয়া যদি দৈনন্দিন জীবন বা ওষুধ খাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তাহলে কারণটি খুঁজে দেখা জরুরি।**

আপনার বাবা-মা কি বারবার একই কথা জিজ্ঞেস করছেন?
ওষুধ খাওয়া নিয়ে বারবার ভুল করছেন?
প্রয়োজনীয় জিনিস কোথায় রেখেছেন মনে রাখতে পারছেন না?

তাহলে বিষয়টি অবহেলা না করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সিয়ামের বয়স ১৪। ছোটবেলা থেকেই তার একটাই স্বপ্ন—একদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পোশাক পরে দেশের জন্য কাজ করবে। স্কুলের মাঠে বন...
14/08/2026

সিয়ামের বয়স ১৪। ছোটবেলা থেকেই তার একটাই স্বপ্ন—একদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পোশাক পরে দেশের জন্য কাজ করবে। স্কুলের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে সে প্রায়ই বলত, “আমি বড় হয়ে আর্মিতে যাব।”

কিন্তু গত এক বছরে তার বাবা-মা একটি বিষয় নিয়ে খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন। বয়স বাড়ছে, কিন্তু সিয়ামের উচ্চতা তেমন বাড়ছে না। যখন তাকে মাপা হলো, দেখা গেল তার উচ্চতা ৪ ফুট ৩ ইঞ্চি।

এক সন্ধ্যায় বাবা তাকে নিয়ে চেম্বারে এলেন।

— “ডাক্তার সাহেব, ওর খুব ইচ্ছা আর্মিতে যোগ দেওয়ার। কিন্তু ও নিজের উচ্চতা নিয়ে খুব হতাশ হয়ে পড়েছে।”

সিয়ামের চোখেমুখেও সেই হতাশা স্পষ্ট ছিল। বন্ধুদের পাশে দাঁড়ালে নিজেকে ছোট মনে হতো। সে ভাবত, হয়তো তার স্বপ্ন আর পূরণ হবে না।

আমি তার বয়স, ওজন, খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, শারীরিক বৃদ্ধি এবং পারিবারিক ইতিহাস বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করলাম। কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বোঝা গেল, তার বৃদ্ধি নিয়ে আরেকটু নজর দিলে এখনো লম্বা হওয়া সম্ভব।

এর জন্য একটা বায়োটেক ওষুধ আছে যা ব্যবহারের ফলে হরমোনের গ্রোথ হয় এবং বাচ্চারা লম্বা হয়।

৮ সপ্তাহ পর সিয়াম আবার চেম্বারে এল।

দরজা খুলেই সে হাসিমুখে বলল,

— “ডাক্তার আঙ্কেল, সবাই বলছে আমি আগের চেয়ে একটু লম্বা দেখাচ্ছি!”

মাপ নেওয়ার পর দেখা গেল, তার উচ্চতায় আশানুরূপ উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ছিল তার আত্মবিশ্বাসে। যে ছেলেটি প্রথম দিন মাথা নিচু করে বসেছিল, সে আজ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে নিজের স্বপ্নের কথা বলছে।

আমি তাকে বললাম,

“স্বপ্ন পূরণ করতে শুধু উচ্চতা নয়, দরকার শৃঙ্খলা, পরিশ্রম, ফিটনেস আর নিজের উপর বিশ্বাস।”

সিয়াম মাথা নেড়ে বলল,

“আমি চেষ্টা চালিয়ে যাব। একদিন দেশের জন্য কাজ করবই।”
সেদিন তার বাবা-মায়ের মুখের স্বস্তির হাসিটাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

বাচ্চার বৃদ্ধি ও উচ্চতা কম হওয়ার কারণ সবসময় একই নয়। পুষ্টির ঘাটতি, হরমোনজনিত সমস্যা, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা বা অন্য কোনো শারীরিক কারণ থাকতে পারে। সঠিক বয়সে মূল্যায়ন করলে অনেক ক্ষেত্রেই শিশুর লম্বা হওয়া সম্ভব।

হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ পড়ে গেলেন শামসুন্নাহার খালাম্মা…শামসুন্নাহার খালাম্মার বয়স ৫৮। সারাজীবন সংসার সামলেছেন, সবার খেয়াল রে...
14/08/2026

হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ পড়ে গেলেন শামসুন্নাহার খালাম্মা…

শামসুন্নাহার খালাম্মার বয়স ৫৮। সারাজীবন সংসার সামলেছেন, সবার খেয়াল রেখেছেন, কিন্তু নিজের শরীরের দিকে কখনো তেমন নজর দেননি।

কয়েক মাস ধরে তিনি একটা অদ্ভুত সমস্যা টের পাচ্ছিলেন—ঘর ঝাড়ু দিতে গেলে কোমরে ব্যথা, নামাজ শেষে উঠতে কষ্ট, সিঁড়ি ভাঙলে হাঁটু কাঁপে। সবাই বলত, “বয়স হয়েছে, এগুলো স্বাভাবিক।”

একদিন সকালে রান্নাঘরে হাঁটতে গিয়ে সামান্য পিছলে পড়ে গেলেন। আঘাতটাও খুব বেশি ছিল না। কিন্তু তিনি আর দাঁড়াতে পারলেন না। হাসপাতালে এক্স-রে করার পর ডাক্তার জানালেন—

**তার কোমরের হাড় ভেঙে গেছে।**

পরিবারের সবাই অবাক। এত ছোট একটা পড়ে যাওয়ায় হাড় ভাঙে কীভাবে?

আরও পরীক্ষা করে জানা গেল, অনেক দিন ধরেই তার **হাড়ক্ষয় (Osteoporosis)** হচ্ছিল। হাড় ধীরে ধীরে পাতলা ও দুর্বল হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু কোনো বড় লক্ষণ না থাকায় বিষয়টি ধরা পড়েনি।

ডাক্তার তাকে বুঝিয়ে বললেন—

* হাড়ক্ষয়কে অনেক সময় **“নীরব রোগ”** বলা হয়।
* বিশেষ করে **মেনোপজের পর নারীদের** ঝুঁকি বেশি।
* শুধু ব্যথা নয়, **উচ্চতা কমে যাওয়া, পিঠ বাঁকা হয়ে যাওয়া, বা সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়া**—এসবও গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।

চিকিৎসা শুরু হলো। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, নিয়মিত হাঁটা, হালকা ব্যায়াম এবং সূর্যের আলোতে কিছু সময় থাকা—সবকিছুই তার জীবনের অংশ হয়ে গেল।

কয়েক মাস পর শামসুন্নাহার খালাম্মা ধীরে ধীরে আবার হাঁটতে শুরু করলেন। একদিন মেয়েকে বললেন—

**“ব্যথা আমি সহ্য করছিলাম, কিন্তু বুঝিনি হাড় ভেতর থেকে ক্ষয়ে যাচ্ছিল।”**

মনে রাখবেন--

হাড়ক্ষয় হঠাৎ একদিন শুরু হয় না। বছরের পর বছর চুপচাপ হাড় দুর্বল করে দেয়। তাই—

* দীর্ঘদিন স্টেরয়েডযুক্ত ওষুধ/ইনহেলার সেবন, ধূমপান বা শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
* বয়স ৫০-এর পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন,
* পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ করুন,
* প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন,

এই ৩০ মিনিট ঠিক কতটুকু জোরে হাটলে আপনার উপকার হবে এবং হার্ট এট্যাক অন্যান্য ঝুকি থেকে বেচে থাকবেন তা জেনে নিতে চাইলে আজই ইনবক্স করুন। আমাদের একজন প্রতিনিধি আপনার বয়স, ওজন, এবং হার্টের অবস্থা দেখে ঠিক করে দিবেন প্রতিদিন ঠিক কতটুকু জোরে কতক্ষন ধরে হাটবেন।

**আজকের ছোট সচেতনতা আগামী দিনের বড় ভাঙন থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে।**

13/08/2026

"শুকনো কাশি তো সাধারণ ব্যাপার…" — এই ভুলটাই প্রায় করছিলেন রফিক সাহেব**

রফিক সাহেবের বয়স ৪২। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিস, মিটিং, দৌড়ঝাঁপ—এক কথায় খুবই ব্যস্ত মানুষ।

হঠাৎ একদিন তার শুকনো, খুসখুসে কাশি শুরু হলো। জ্বর নেই, সর্দি নেই। তিনি ভাবলেন,

“আবহাওয়া বদলেছে, ধুলাবালির কারণে হচ্ছে। দু-একদিনে ঠিক হয়ে যাবে।”

কিন্তু দু-একদিনেও কাশি কমল না। অফিস থেকে ফেরার পথে ফার্মেসি থেকে কাশির সিরাপ কিনে খেলেন। পাশের একজন বললেন অ্যান্টিবায়োটিক খেলে ভালো হবে—সেটাও খেলেন।

কয়েকদিন পর কাশি আরও বেড়ে গেল। বিশেষ করে **রাতের বেলা একটানা শুকনো কাশি** তাকে ঘুমাতে দিচ্ছিল না। তিনি ভাবলেন,

**“সিরাপটা হয়তো কাজ করছে না, আরও কড়া একটা খেলেই ঠিক হবে।”**

এভাবেই কেটে গেল প্রায় এক মাস।

এরপর একদিন অফিসে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে তিনি থমকে দাঁড়ালেন। আগে যেখানে সহজে উঠতেন, এখন **দোতলায় উঠতেই হাঁপিয়ে যাচ্ছেন**। বুকের ভেতর চাপ লাগছে, শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।

ভয় পেয়ে এবার চলে এলেন চেম্বারে।

সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বললাম,

**“এটি সাধারণ সর্দি-কাশি নয়। আপনার ফুসফুসে ডিপিএলডি (DPLD) নামে একটি সমস্যা শুরু হয়েছে, যেখানে ফুসফুস ধীরে ধীরে শক্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।”**

রফিক সাহেব অবাক হয়ে বললেন,

**“আমি তো শুধু কাশি ভেবেছিলাম!”**

**“কাশি নিজে কোনো রোগ নয়। এটি অনেক সময় শরীরের ভেতরের বড় সমস্যার একটি সতর্কবার্তা। শুকনো কাশি যদি ৫–৭ দিনের বেশি থাকে, বিশেষ করে রাতের বেলা বাড়ে বা শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, তাহলে শুধু সিরাপ/এন্টিবায়োটিক খেয়ে সময় নষ্ট করা ঠিক নয়।”**

আমাদের অনেকেরই একই অভ্যাস

* কাশি হলেই সিরাপ খাই
* পরিচিত কারও পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করি
* ভাবি “আরও দুদিন দেখি”

কিন্তু কিছু কাশি হতে পারে **অ্যাজমা, যক্ষ্মা, ফুসফুসের অ্যালার্জি, হার্টের সমস্যা বা ডিপিএলডির মতো জটিল রোগের লক্ষণ**।

তাই মনে রাখুন

**শুকনো কাশি ২ সপ্তাহের বেশি থাকলে**

**রাতে কাশি বেড়ে গেলে**

**হাঁটলে বা সিঁড়ি উঠলে শ্বাসকষ্ট হলে**

**বুকে চাপ বা অস্বস্তি অনুভব হলে**

নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে একজন **বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন**।

**সময়মতো ডাক্তারের শরনাপন্ন হলে অনেক ক্ষতি কমানো সম্ভব। কাশি চেপে রাখবেন না—কাশির কারণটা খুঁজে বের করুন।**

গতকাল চেম্বারে এল ২১ বছরের এক কলেজপড়ুয়া মেয়ে, সঙ্গে তার মা। কয়েক মাস ধরে কাশি। প্রথম ভিজিটেই তাকে ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্ল...
12/08/2026

গতকাল চেম্বারে এল ২১ বছরের এক কলেজপড়ুয়া মেয়ে, সঙ্গে তার মা। কয়েক মাস ধরে কাশি। প্রথম ভিজিটেই তাকে ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম — কারণ তার শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার জন্য ফ্লু হলে জটিলতার ঝুঁকি বেশি।

জিজ্ঞেস করলাম,

“ভ্যাকসিনটা নিয়েছ?”

মা একটু অস্বস্তি নিয়ে বললেন,

“না ডাক্তার সাহেব… নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু শুনলাম, এটা নিলে নাকি ওজন বেড়ে যায়! তাই আর নেইনি।”

অবাক হয়ে জানতে চাইলাম,

“কে বলেছে?”

“পাড়ার একজন। তার এক আত্মীয় নাকি ভ্যাকসিন নেওয়ার পর মোটা হয়ে গেছে!”

এটাই আমাদের সমাজের খুব সাধারণ একটি সমস্যা —

কাকতালীয় ঘটনাকে “কারণ” ভেবে নেওয়া।

আমি বুঝিয়ে বললাম:

* ফ্লু ভ্যাকসিনের কাজ হলো শরীরে ফ্লু ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলা।

* এতে এমন কোনো উপাদান নেই যা শরীরের চর্বি বাড়ায় বা হঠাৎ ওজন বাড়িয়ে দেয়।

* ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কেউ ভালো বোধ করলে খাওয়াদাওয়া বাড়তে পারে, বা অন্য কারণে ওজন বদলাতে পারে — কিন্তু ওজন বাড়ার সঙ্গে ফ্লু ভ্যাকসিনের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক প্রমাণিত নয়।

তারপর বললাম,

“ভাবুন তো, সত্যিই যদি ফ্লু ভ্যাকসিন মানুষকে মোটা করে দিত, তাহলে কি সারা পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ প্রতি বছর এই ভ্যাকসিন নিত?”

তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে হেসে বললেন,

“তাহলে আমি ভুল শুনেছি?”

আমি বললাম,

“ভুল শোনা নয় — ভুল তথ্য বিশ্বাস করেছেন। আর সেই ভুল তথ্যের কারণে সুরক্ষার সুযোগটাই হারাতে বসেছিলেন।”

শেষ পর্যন্ত সেদিনই ভ্যাকসিন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলো

📌 মনে রাখুন

❌ মিথ: “ফ্লু ভ্যাকসিন নিলে ওজন বেড়ে যায়।”

✔️ সত্য: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন ওজন বাড়ায় না। বরং এটি ফ্লু ও তার জটিলতা থেকে সুরক্ষা দেয়, বিশেষ করে যাঁদের ঝুঁকি বেশি —

🔹 বয়স্ক ব্যক্তি

🔹 ডায়াবেটিস রোগী

🔹 হৃদরোগী

🔹 ফুসফুসের রোগী (অ্যাজমা, COPD ইত্যাদি)

🔹 দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ

💬 ভুল তথ্যের ভয়ে নয় — সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন।

কখনও কখনও একটি ছোট্ট ভ্যাকসিন শুধু জ্বর নয় — নিউমোনিয়া, হাসপাতালে ভর্তি, এমনকি জীবনহানির ঝুঁকি থেকেও রক্ষা করতে পারে।

📢 পোস্টটি শেয়ার করুন — আপনার একটি শেয়ার হয়তো কাউকে ভুল তথ্যের ফাঁদ থেকে বাঁচাবে।

#ফ্লুভ্যাকসিন #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ভুলধারণা_বনাম_সত্য

11/08/2026

৭৯ বছর বয়সী খলিল সাহেব ইদানীং ছোটখাটো বিষয়গুলো খুব ভুলে যাচ্ছিলেন। চশমাটা কোথায় রেখেছেন, সকালের ওষুধটা খেয়েছেন কি না—কিছুই মনে রাখতে পারছিলেন না। প্রথমে পরিবারের সবাই ভাবলেন, বয়স হয়েছে, একটু-আধটু ভুলে যাওয়া তো স্বাভাবিক বার্ধক্যেরই লক্ষণ।

কিন্তু গত সপ্তাহে এক ভয়ংকর কাণ্ড ঘটলো। খলিল সাহেব বিকেলে বাড়ির পাশের দোকানে চা খেতে গিয়ে আর পথ চিনে বাড়ি ফিরতে পারলেন না। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলেন। তাঁর এই তীব্র ভুলে যাওয়া দেখে পুরো পরিবার ডিমেনশিয়া বা আলঝেইমার্সের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়লো।

আমাদের দেশে বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া বা ভুলে যাওয়াকে আমরা সরাসরি মস্তিষ্কের রোগ কিংবা বার্ধক্যের স্বাভাবিক পরিণতি বলে ধরে নেই। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এক নীরব ঘাতক—ফুসফুসের অক্সিজেন স্বল্পতা (Hypoxia) এবং স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea)।

এই দিশেহারা অবস্থায় খলিল সাহেবের পরিবার তাঁকে নিয়ে আসেন আমার কাছে। কিছু সাময়িক স্মৃতির ওষুধ না দিয়ে, তাঁর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা এবং রাতের ঘুমের অক্সিজেন স্যাচুরেশন পরীক্ষা করে নিলাম।

দেখা গেল, খলিল সাহেবের স্মৃতিভ্রমের মূল কারণ আলঝেইমার্স নয়, বরং তাঁর ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা ও তীব্র স্লিপ অ্যাপনিয়া! সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও সঠিক নিয়মে অক্সিজেন থেরাপির পর খলিল সাহেবের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি দূর হলো। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে তাঁর স্মৃতিশক্তি আবার ফিরে আসতে শুরু করেছে, তিনি এখন আগের মতোই চটপটে এবং হাসিখুশি।

আপনার প্রিয়জনের স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখতে আজই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Address

Tejgaon

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Professor Dr. Md. Rashidul Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Professor Dr. Md. Rashidul Hassan:

Shortcuts

Share

Category