রাজমনি হেল্থ সেন্টার

রাজমনি হেল্থ সেন্টার আপনার সু-স্বাস্থ্যেই আমাদের কাম্য ।

রক্তশুন্যতা দূর করতে যা যা করতে পারবেন তার বিস্তারিত লিখেছেন ডা. তারিক হাসান।
01/09/2024

রক্তশুন্যতা দূর করতে যা যা করতে পারবেন তার বিস্তারিত লিখেছেন ডা. তারিক হাসান।

16/09/2021

#সাহচর্যে_প্রভাবঃ-

১. স্ত্রীর পাশে ১-মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন বড় কঠিন।

২. মাতালের কাছে ১০- মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন খুব সহজ।

৩. সাধুদের সাথে ৩-মিনিট বসুন, আপনার সবকিছু দান করে অবসর নিতে ইচ্ছে করবে।

৪. রাজনীতিবিদের সাথে ৪-মিনিট বসুন, বুঝবেন আপনার পড়াশুনা সব বেকার, অনর্থক।

৫. একজন জীবন বীমা এজেন্টের সাথে ৫-১০ মিনিট বসুন, বুঝবেন বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।

৬. একজন ব্যবসায়ীর সাথে ৬-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উপার্জন কিছুই না।

৭. একজন বিজ্ঞানীর সাথে ৭-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মধ্যে খারাপটা আপনার অজ্ঞতার কারণে।

৮. একজন ভালো শিক্ষকের সাথে ৮-মিনিট বসুন, আপনি একজন ছাত্র হয়ে ফিরে আসতে চাইবেন।

৯. একজন কৃষক বা শ্রমিকের সাথে ৯-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনি কঠোর পরিশ্রম করেন না।

১০. একজন সৈনিকের সাথে ১০-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কাজ এবং ত্যাগ অত্যন্ত ঘৃণ্য।

১১. কবরস্থানে ১০/১১ মিনিটের জন্য যান মনে হবে জীবনের সবকিছু তুচ্ছ মায়া, হাল ছেড়ে দেই।

১২. একজন ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন ভালো, উদার মনের প্রকৃত বন্ধুর সাথে ১০-মিনিট বসুন, মনে হবে আপনার জীবন স্বর্গের চেয়েও সুন্দর।

আপনি আপনার শিশুকে যে শিক্ষা দিবেন।
17/03/2021

আপনি আপনার শিশুকে যে শিক্ষা দিবেন।

অধিকাংশ মানুষের খাবারে রুচি নেই?এই রুচি ফিরিয়ে আনতে যা করবেন......কভিড সংক্রমণ চলাকালীন বা সংক্রমণ থেকে কাটিয়ে ওঠার পর অ...
18/07/2020

অধিকাংশ মানুষের খাবারে রুচি নেই?
এই রুচি ফিরিয়ে আনতে যা করবেন......

কভিড সংক্রমণ চলাকালীন বা সংক্রমণ থেকে কাটিয়ে ওঠার পর অনেকেরই খাবারে রুচি থাকছে না। ফলে সুস্থতার বদলে খাবার খেতে না পেরে আরো দুর্বল হয়ে পড়ছে লোকজন। এতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্যের ওপর। এই সময়ে রুচি বাড়াতে যা করনীয়.....

➡ করোনাকালীন অসুস্থতা ও অরুচির কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই এ সময় অনন্ত ৮-১০ গ্লাস পানি ও পানীয়জাতীয় খাবার খান প্রতিদিন।

➡ নিয়মিত খেতে পারেন আদাপানি, লেবুপানি, ডাবের পানি, মাল্টার জুস, বাতাবি লেবুর রস, হালকা লিকারের মসলা চা ইত্যাদি। এগুলো পানিশূন্যতা পূরণের পাশাপাশি স্বাদের বিভিন্নতার জন্য মুখে রুচি ফিরিয়ে আনতে বেশ সহায়তা করে।

➡সহজপাচ্য খাবার, যেমন—জাউ ভাত, সিদ্ধ ভাত, সাবু দানার তৈরি খাবার এই সময়ে হতে পারে উত্তম কার্বোহাইড্রেটের উৎস। এসব খাবার সহজে খাওয়া যায়, যা রুচি বাড়াতে বেশ সহায়ক।

➡খেতে পারেন মুরগির মাংস, মুরগির স্যুপ, বিভিন্ন ডাল, বাদাম এবং বিচিজাতীয় খাবার, যা আগের শক্তি ও রুচি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

➡সয়াবিন বা অনান্য ভোজ্য তেলের বদলে রান্নায় নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন কিছুদিন। এতে উপস্থিত লরিক এসিড এবং ক্যাপ্রিলিক এসিড ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভালো প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি খাবারের স্বাদেও নিয়ে আসবে ভিন্নতা।

➡মুখের স্বাদ ফেরাতে দুধ, দই, পনির, মিল্কশেক হতে পারে দারুণ খাবার।

➡আদা, পেঁয়াজ, রসুন, হলুদ, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতার মতো মসলা ব্যবহার খাবারকে সুগন্ধি করতে পারে, যা রুচি আনে।

➡খাবার যা-ই খান আকর্ষণীয় করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন আগে। দেখতে ভালো লাগলে সেই খাবারে রুচি আসে।

➡খাবারে বৈচিত্র্য রাখুন। পছন্দের পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দিন। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খাবেন না।

➡ দিন-রাতে অনন্ত দুই-তিনবার দাঁত ব্রাশ করুন।

➡ কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে বা তেজপাতা সিদ্ধ পানিতে কয়েকবার কুলকুচা করতে পারেন, এতে জিভের স্বাদ ফিরে আসবে।

➡পরিবারের সবার সঙ্গে বসে খাবার খান। এটা রুচি বাড়াতে টনিকের মতোই কাজ করবে।

➡খাবারের আগে এবং পরে সঙ্গে সঙ্গে পানি খাবেন না।

➡দুধ চা, কড়া লিকারের চা, অ্যালকোহলিক বেভারেজ খাওয়া ও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

➡ প্রতিদিন কিছুক্ষণ হাঁটুন। দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এটাও হারানো রুচি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।

সংগৃহীত

কিভাবে বুঝবেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা !সতর্কীকরণঃ করোনা ভাইরাস নতুন করোনা ভাইরাস প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দ...
06/03/2020

কিভাবে বুঝবেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা !সতর্কীকরণঃ

করোনা ভাইরাস নতুন করোনা ভাইরাস প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে . তবে , মৃত্যুর হার বিগত ভাইরাস গুলোর তুলনায় অনেক কম . যেমন , " সার্স " ভাইরাসে মৃত্যুর হার ছিলো ১০%, কোভিড ১৯ " এ এখন পর্যন্ত মৃত্যর হার ততোটা ভয়ঙ্কর নয় .

নতুন করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর হার ২% রেকর্ড করা হয়েছে .

তবে যেহেতু ভাইরাসটি সহজেই দ্রুততার সাথে ছড়াচ্ছে, তাই বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে . “ Human to human” transmission ( মানুষ থেকে মানুষে ), যাকে আমরা বলি " ছোঁয়াচে রোগ"

দুশ্চিন্তার বিষয় হলো ,
এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক ( ভ্যাকসিন ) তৈরী করতে পারেনি কেউ . প্রায় ২০ টি সংস্থা ইতিমধ্যে নিজেদের তৈরিকৃত ভ্যাকসিনের আবিষ্কার দাবী করলেও , বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা এখনো কোনো ভ্যাকসিন নির্ভরতা করতে পারেনি . এখনো সবগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে .

লক্ষণ :

সাধারণ ভাইরাস জ্বরের মতোই উপসর্গ দেখায় . তবে এই রুগীর ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে সাথে নিঃশাস প্রশ্বাসের জটিলতা কঠিন ভাবে লক্ষণীয় হবে .

* নিউমোনিয়া

* কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা,মাথা ব্যথা

* শরীরের অভ্যন্তরে যে কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিষ্ক্রিয় হতে পারে .

চিকিৎসা:

এমন কোনো লক্ষণ দেখা দিলে রুগীকে সম্পূর্ণ একটি রুমে আলাদা করে দিন .

অন্তত ১৪ দিন আলাদা করে রাখুন .

কমপক্ষে ৪/৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন . অবশ্যই নাক মুখে মাস্ক পরিধান করুন .

হাত পরিষ্কার করুন বারবার . নোংরা হাত দিয়ে মুখমন্ডল স্পর্শ করবেন না .

বার বার হাত ধুয়ে পরিষ্কার রাখাটাই সবচে বেশি গুরুত্বপূর্ণ .

সুস্থতা :

যেহেতু কোনো প্রতিষেধক নেই . শুধুমাত্র নিজের শরীরের ইমিউন সিস্টেম এর উপর নির্ভর করবে রুগীর সুস্থ হওয়া না হওয়া . যার শরীর যত বেশি শক্তিশালী সে ততো তাড়াতাড়ি সুস্থ হবে .

এই কারণেই মৃত্যুর হার বেশি বয়স্ক রুগীদের . শারীরিক ভাবে দুর্বল ব্যক্তিদেরকেও প্রচন্ড রিস্কে থাকতে হবে .

" সতর্কতা চিকিৎসার থেকেও শ্রেয় "
পরিছন্ন থাকুন , সুস্থ থাকুন .

সূত্র : দ্যা গার্ডিয়ান
বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা,

এই গরমে করনীয়  ঃ- (সেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন)
29/04/2019

এই গরমে করনীয় ঃ- (সেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন)

28/08/2018

✬ সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায়
- আয়োডিন।
✬ আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি
- শুটকী মাছ।
✬ হাড় ও দাতকে মজবুত করে
- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
✬ সহজে সর্দি কাশি হয়
- ভিটামিন সি এর অভাবে।
✬ বিষাক্ত নিকোটিন থাকা
- তামাকে।
✬ কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান
- লৌহ উপাদানের জন্য।
✬ সুষম খাদ্যের উপাদান
- ৬ টি।
✬ প্রোটিন বেশি থাকে
- মসুর ডালে।
✬ চা পাতায় থাকে
- ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
✬ ম্যালিক এসিড
- টমেটোতে পাওয়া যায়।
✬ ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে
- ভিটামিন কে।
✬ খিটামিন সি হলো
- অ্যাসকরবিক এসিড।
✬ তাপে নষ্ট হয়
- ভিটামিন সি।
✬ গলগল্ড রোগ হয়
- আয়োডিন অভাবে।
✬ মানবদেহ গঠনে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি
- আমিষের।
✬ আয়োডিন বেশি থাকে
- সমুদ্রের মাছে।
✬ কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে আছে
- ক্যালসিয়াম অক্সালেট।
✬ রাতকানা রোগ হয়
- ভিটামিন এ এর অভাবে।
✬ মুখে ও জিহবায় ঘা হয়
- ভিটামিন বি₂ এর অভাবে।
✬ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন
- ভিটামিন বি ও সি।
✬ শিশুদের রিকেটাস রোগ হয়
- ভিটামিন ডি এর অভাবে।
✬ মিষ্টি কুমড়া
- ভিটামিন জাতীয় খাদ্য।
✬ মিষ্টি আলু
- শ্বেতস্বার জাতীয় খাদ্য।
✬ শিমের বিচি
- আমিষ জাতীয় খাদ্য।
✬ দুধে থাকে
- ল্যাকটিক এসিড।
✬ আয়োডিন অভাবে
- গলগন্ড রোগ হয়।
✬ লেবুতে বেশি থেকে
- ভিটামিন সি।
✬ আমলকী, লেবু, পেয়ারা ভিটামিনের উৎস
- ভিটামিন সি।
✬ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান
- দুধে।
✬ রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
- আয়রনের অভাবে।
✬ দুধের রং সাদা হয়
- প্রোটিনের জন্য।
✬ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম
- অ্যাসকরবিক এসিড।
✬ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
- অ্যামাইনো এসিড।
✬ কচুশাকে বেশি থাকে
- লৌহ।
✬ সুষমখাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত
- ৪:১:১।
✬ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে
- খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন।
✬ সবচেয়ে বেশি পাটাশিয়াম পাওয়া যায়
- ডাবে।
✬ মাড়ি দিয়ে পুজি ও রক্ত পড়ে
- ভিটামিন সি এর অভাবে।
✬ মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন
- আমিষ জাতীয় খাদ্যে।
✬ সূর্য কিরণ হতে পাওয়া যায়
- ভিটামিন ডি।
✬ ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন থাকে
- অ্যালবুমিন।
✬ আমিষের কাজ
- দেহ কোষ গঠনে সহয়তা করা।
✬ মোটামুটি সম্পূর্ণ বা আদর্শ খাদ্য বলা হয়
- দুধকে।
✬ কোলেস্টরল
- এক ধরণের অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল।
✬ হাড় ও দাত তৈরির জন্য প্রয়োজন
- ডি ভিটামিন।
✬ ভিটামিন ডি এর অভাবে
- রিকেটস রোগ।
✬ অস্থির বৃদ্ধির জন্য পোয়োজন
- ক্যালসিয়াম।
✬ মলা মাছে থাকে
- ভিটামিন ডি।
✬ ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে
- আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ।
✬ শরীরে শক্তি যোগাতে দরকার
- খাদ্য।
✬ সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
- পেয়ারা।
✬ ভিটামিন এ সবচেয়ে বেশি
- গাজরে।
✬ আয়োডিন পাওয়া যায়
- শৈবালে।
✬ আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির
প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন
- ২৫০০ ক্যালরি।
✬ ল্যাথারাইজম রোগ
- খেসারি ডাল খেলে।
✬ শরীরের হাড় ও দাতের গঠনের কাজে বেশি
প্রয়োজন
- ক্যালসিয়াম।

ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ডাক্তারের তালিকা । শেয়ার করে নিজের ওয়ালে রাখুন প্রয়োজনের সময় দ্রুত খুঁজে পাবেন -------- ১. ডা: খুরশি...
30/05/2018

ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ডাক্তারের তালিকা । শেয়ার করে নিজের ওয়ালে রাখুন প্রয়োজনের সময় দ্রুত খুঁজে পাবেন --------

১. ডা: খুরশিদ জাহান
সিনি: কনসালটেন্ট
০১৭২০-৪৩৬৭৭৩
২.ডা: পার্থ সারথী রায়
কন: সার্জারী
০১৭২৬-১০২১৬৬
৩. ডা: মো: আব্দুস সামাদ
কনসালটেন্ট চক্ষু
০১৭১২-৫০৪৭০১
৪. ডা: মো: আব্দুল মান্নান
কন: কার্ডিক
০১৮১৯-৮২৩২৬৫
৫.ডা: মো: আবুল হোসেন
কন: ইএনটি
৬. ডা: মো: শাহ্জাহান নেওয়াজ
সি: কন: শিশু
০১৭২৭-৩৭৪১৪৩
৭. ডা: নাজমা বেগম
জুনি: কন: গাইনী
০১৭১২-৭৩৯৩৬৭
৮. ডা: মনির উদ্দিন আহমেদ
জু: কন: এনেসথেসিয়া
০১৭১২-৯২৯৫৬৩
৯. ডা: এ এস এম সুলতান আলম
আর এম ও
০১৭১৬-০৯২০৮৯
১০. ডা: মির্জা আসগর আলী
প্যাথলজিস্ট
০১৮১৮-৬৪১৩৮২
১১. ডা: মো: রুহুল আমিন
মেডিকেল অফিসার
০১৯১৭-৮০৯৫১১
১২. ডা: মো: আবুল কাশেম
মেডিকেল অফিসার
০১৭১২-৪৮১৭৪৯
১৩. ডা: মো: ফিরোজ জামান
মেডিকেল অফিসার
০১৭১১-৭০৯১০৩
১৪. ডা: গুরু পদ সাহা
মেডিকেল অফিসার
০১৭১১-০৭৭৭৫১
১৫. ডা: মো: নুরুজ্জামান
মেডিকেল অফিসার
০১৭১২-৭৭৫২০৫
১৬. ডা: ধীরেন্দ্র নাথ রায়
রেডিওলজিস্ট
০১৭১৮-৬৯১৩০৩
১৭. ডা: এনামুল হক
অর্থপেডিক
০১৮১৯-২৯৩৪০৩
১৮. ডা: শুভেন্দু কুমার দেবনাথ
মেডিকেল অফিসার
০১৮১৯-৮০৪৭১৯
১৯. ডা: নাদিরুল আজিজ
মেডিকেল অফিসার
০১৯১৫-০৫৫৩৯০
==============
বক্ষব্যাধী হাসপাতাল :
১ ডা: আবু মো: খায়রুল কবির
জুনি: কনসালটেন্ট
০৫৬১-৫২০৮৬
০১৮১৯-৮২০৯৯৪
২. ডা: এ কে এম জিয়াউল আলম
মেডিকেল অফিসার
০১৭১২-৭৮৯২২৫
===================
ঠাকুরগাঁও সদর :
১. ডা: মো: রুহুল আমিন
ইউএইচএনএফপিও
০৫৬১-৫৩৫৪৯
০১৭১১-৩৪০৭৩২
২. ডা: ফাহমিদা নাহিদ
মেডিকেল অফিসার
০১৭১১-৩৪০৮৭১
৩. ডা: মণিকা রাণী মহন্ত
মেডিকেল অফিসার
০১৭১৭-৮২৭২৭৫
৪. ডা: অঞ্জনা বসাক
সহ: সার্জন
০১৭১৭-৪১২৩০১
============================
পীরগঞ্জ উপজেলা :
১. ডা: কাজল কুমার রায়
ইউএইচএনএফপিও
০৫৬২৪-৫৬২১৮
০১৭২১-০০৯৬৩৩
২. ডা: পরিমল রায়
জুনি: কনসালটেন্ট
০১৭১৬-৬৯৬৬৮৮
৩. ডা: কামরুজ্জামান
মেডিকেল অফিসার
০১৭১৬-৩০৭৩৭৩
৪. ডা: নজরুল ইসলাম
মেডিকেল অফিসার(অব:)
০১৭১৮-০০৯৮০৬
৫. ডা: রাজিব হুমায়ুন কামাল
সহ: সার্জন
০১৭১৭-৪৫৯৩৪২
=============================
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা :
১. ডা: নুরুল হুদা
ইউএইচএনএফপিও
০৫৬২২-৫৬০১১
০১৮১৯-৮২৩২৬১
২. ডা: মো: রিয়াজুল ইসলাম
আরএমও
০১৭১২-৭৬৩৫৫৫
৩. ডা: মো: আব্দুল মতিন
সহ: সার্জন
০১৭১৬-৭৩১৮১৮
৪. ডা: মো: রেজাউল করিম
মেডিকেল অফিসার
০১৮১৯-১২২১০৬
৫. ডা: মো: এম আর রেজা
মেডিকেল অফিসার
০১৯২০-৩৭৬০৮৭
==============================
রাণীশংকৈল উপজেলা :
১. ডা: মো: আনিসুর রহমান
ইউএইচএনএফপিও
০১৭১২-০৯৫৭৭৮
২. ডা: মো: জাহাঙ্গীর আলম
মেডিকেল অফিসার
০১৭১৮-০১৮৬৩৬
৩. ডা: রইচ উদ্দিন আহমেদ
জু: কন: শিশু
০১৭১২-০২৯৫৭৯
৪. ডা: মো: নজরুল ইসলাম
মেডিকেল অফিসার
০১৭১২-৫২৯৮৪৭
৫. ডা: মো: আবু জাফর
সহ: সার্জন
০১৭১২-২০৯৭২৩
৬. ডা: মো: আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
সহ: সার্জন
০১৭৩২-০৯৯০৬৬
============================
হরিপুর উপজেলা :
১. ডা: মো: রিয়াজুল ইসলাম
ইউএইচএনএফপিও
০৫৬২৩-৫৬০০৯
০১৭২১-০০৯৬৩৩
২. ডা: সাদ্দাম মন্ডল
মেডিকেল অফিসার
০১৭১৪-০৯৪২৫৭
(কিছু পদবি পরিবর্তন হতে পারে পূর্বের সংগ্রহীত তাই)

 #ডায়াবেটিস কি, কেন হয় ও কি করা উচিত? ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনস্যুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপে...
08/01/2018

#ডায়াবেটিস কি, কেন হয় ও কি করা উচিত?

ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনস্যুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। এই রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেড়ে যায়। সুস্থ লোকের রক্তে প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৫.৬ মিলি মোলের কম এবং খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে। অভুক্ত অবস্থায় রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.১ মিলি মোলের বেশি হলে অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোলের বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।

ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স কী
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। কিন্তু যা সঠিকভাবে কাজ করে না অর্থাৎ শরীরে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা সঠিকভাবে কমাতে পারে না। কোনো ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হলে পরবর্তীতে তার ডায়াবেটিস দেখা দেয়, সাধারণত টাইপ-২ ডায়াবেটিস।
ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হলে সাধারণত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, তন্ত্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে। মস্তিষ্কস্থূলতা দেখা দেয়, ওজন বাড়ে। শরীরে চর্বি জমে, রক্তচাপ বাড়ে, ক্ষুধা ও তৃষ্ণা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।

ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ
ক. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
খ. খুব বেশি পিপাসা লাগা
গ. বেশি ক্ষুধা পাওয়া
ঘ. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
ঙ. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা
চ. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া
ছ. খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেওয়া
জ. চোখে কম দেখা।

ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয় উপায়
রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার ঐনঅ১প% পরিমাপ করে ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে হয়। সুস্থ ব্যক্তির রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৬.১ মিলি মোলের কম এবং খাবার ২ ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলিমোলের কম থাকে। কোনো ব্যক্তির রক্তের প্লাজমায় অভুক্ত অবস্থায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.০ মিলি মোল বা তার বেশি হলে এবং খাবার খাওয়ার অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোল বা তার বেশি হলে অথবা রক্তের ঐনঅ১প ৬.৫%-এর বেশি হলে তাকে ডায়াবেটিস রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ ও তাদের পার্থক্যসমূহ
টাইপ-১, ২. টাইপ-২, ৩. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। ৪. অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী।
টাইপ-১
এই ধরনের রোগীদের শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয় না। সাধারণত ৩০ বছরের কম বয়সে এ ধরনের ডায়াবেটিস দেখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতেই হয়। অন্যথায় রক্তের শর্করা অতি দ্রুত বেড়ে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই রক্তে অম্লজাতীয় বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
টাইপ-২
এই শ্রেণীর রোগীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ত্রিশ বছরের ওপরে হয়ে থাকে। আজকাল ত্রিশ বছরের নিচেও এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দেখা দিচ্ছে ও দিনে দিনে বেড়ে চলছে। এদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। তবে, প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন না দিলে টাইপ-১ রোগীর মতো এদের বিষক্রিয়া হয় না। অর্থাৎ এরা ইনসুলিন নির্ভরশীল নয়। অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়ামের সাহায্যে এদের চিকিৎসা করা সম্ভব।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস
অনেক সময় গর্ভবতী অবস্থায় প্রসূতিদের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। আবার প্রসবের পর ডায়াবেটিস থাকে না। এই প্রকার জটিলতাকেই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বলা হয়। গর্ভবতী মহিলাদের ডায়াবেটিস হলে গর্ভবতী মা ও গর্ভবতী শিশু উভয়ের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। বিপদ এড়ানোর জন্য গর্ভকালীন অবস্থায় ইনসুলিনের মাধ্যমে বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক।

অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী
ক. জেনেটিক কারণে ইনসুলিন তৈরি কম হওয়া।
খ. জেনেটিক কারণে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়া।
গ. অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ।
ঘ. অন্যান্য হরমোন আধিক্য
ঙ. ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শ।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার কারণসমূহ
যে কেউ যে কোনো বয়সে যেকোনো সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে নিম্নোক্ত শ্রেণীর ব্যক্তিদের মধ্যে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে:
ক. যাদের বংশে বিশেষ করে বাবা-মা বা রক্ত সম্পর্কিত নিকটাত্মীয়ের ডায়াবেটিস আছে।
খ. যাদের ওজন অনেক বেশি ও যারা ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করেন না।
গ. যারা বহুদিন ধরে কর্টিসোল জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন।
ঘ. যেসব মহিলার গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ছিল আবার যেসব মহিলা ৯ পাউন্ডের বেশি ওজনের বাচ্চা প্রসব করেছেন।
ঙ. যাদের রক্তচাপ আছে এবং রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকে।

মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস কী?
অনেক সময় গর্ভধারণ করার পর ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। এবং প্রসবের পর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। তাকে মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস বলে। গর্ভবতী অবস্থায় মায়ের শরীরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে ইনসুলিন প্রয়োজন হয়, রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখার জন্য। যদি এই ইনসুলিন তৈরিতে শরীর অক্ষম হয় তাহলে ওই গর্ভবতী মায়ের গর্ভাবস্থায় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, অর্থাৎ মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস হয়। মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিসের জন্য প্লাসেন্টাল হরমোনও দায়ী।

ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে কী ধরণের জটিলতা হতে পারে?
পক্ষাঘাত স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা, হৃদরোগ, পায়ে পচনশীল ক্ষত, চক্ষুরোগ, প্রস্রাবে আমিষ বের হওয়া ও পরবর্তীতে কিডনির কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া। পাতলা পায়খানা, যক্ষ্মা, মাড়ির প্রদাহ, চুলকানি, ফোঁড়া, পাঁচড়া ইত্যাদি। তাছাড়া রোগের কারণে যৌনক্ষমতা কমে যায়। মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি ওজনের শিশু জন্ম, মৃত শিশুর জন্ম, অকালে সন্তান প্রসব, জন্মের পরেই শিশুর মৃত্যু এবং নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে।

ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় করণীয় কি?
ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় চারটি নিয়ম মেনে চলতে হয়-
১. খাদ্য ব্যবস্থা
২. সাধ্যমতো কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম
৩. ওষুধ
৪. ডায়াবেটিস সম্পর্কিত শিক্ষা

খাদ্য ব্যবস্থা:
ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার প্রধান উদ্দেশ্য ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্বাস্থ্য ভালো রাখা।

খাদ্য গ্রহণের নীতি
ক. শরীরের ওজন বেশি থাকলে কমানো বা কম থাকলে বাড়িয়ে স্বাভাবিক করা এবং স্বাভাবিক থাকলে সেটা বজায় রাখা।
খ. চিনি, মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ দেওয়া।
গ. শর্করাবহুল খাবার কিছুটা হিসাব করে খাওয়া।
ঘ. আঁশবহুল খাবার বেশি খাওয়া।
ঙ. সম্পৃক্ত ফ্যাট কম খাওয়া এবং অসম্পৃক্ত ফ্যাট খাওয়ার অভ্যাস করা।
চ. ক্যালরিবহুল খাবার নির্দেশিত পরিমাণে খাওয়া।
ছ. নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া। জ. কোনো বেলার খাবার খাওয়া বাদ না দেওয়া।
ঝ. আজ কম, কাল বেশি এভাবে না খাওয়া।

সাধ্যমতো কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম
রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ব্যায়াম বা শরীরচর্চার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম বা দৈহিক পরিশ্রম মাংসপেশির জড়তা দূর করে এবং রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। শরীর সুস্থ থাকে। ফলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট এবং সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন হাঁটলে শরীর যথেষ্ট সুস্থ থাকবে।

ওষুধ
সব ডায়াবেটিস রোগীকেই খাদ্য ব্যবস্থা, ব্যায়াম ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। কিন্তু টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খাবার বড়ি এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন ব্যবহার করতে হয়।

শিক্ষা
ডায়াবেটিস আজীবনের রোগ; সঠিক ব্যবস্থা নিলে এই রোগকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য ডায়াবেটিস সম্পর্কে রোগীর যেমন শিক্ষা প্রয়োজন, তেমনি রোগীর নিকটাত্মীয়দেরও এই রোগ সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। কারণ শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

Blue Whale’ যেই গেম খেললেই মৃত্যু অনিবার্য!7 Oct 2017    অ্যাপ স্টোর, প্লে স্টোর, ইন্টারনেট বা গুগল কোথাও খুঁজে পাবেন না...
09/10/2017

Blue Whale’ যেই গেম খেললেই মৃত্যু অনিবার্য!
7 Oct 2017

অ্যাপ স্টোর, প্লে স্টোর, ইন্টারনেট বা গুগল কোথাও খুঁজে পাবেন না এই গেম, খুঁজে পেতে পারেন কারো পাঠানো কোনো গোপন লিংকের মাধ্যমে । এটি একটি সুইসাইড গেইম অর্থাৎ গেম খেললে মৃত্যু অনিবার্য।
আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন – একটি গেম খেললে কিভাবে মৃত্যু হবে? কি বলেন ডাক্তার সাহেব!

ওয়েট, আমি ব্যাখ্যা দিচ্ছি।
‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale এর অর্থ নীল তিমি। নীল তিমিরা মৃত্যুর আগে সাগরের তীরে উঠে আসে – তারা আত্মহত্যা করে বলে অনেকের ধারণা! একারণেই গেমের নাম রাখা হয়েছে ‘Blue whale’ বা নীল তিমি । মনে রাখবেন – গেমনি বাধ্য করে তার ইনস্টলকারীকে সবগুলো স্তর খেলার জন্য।

‘ব্লু হোয়েল’ গেমটি ৫০ টি লেভেলে বিভক্ত। F57 নামক রাশিয়ান হ্যাকার টিম গেমটি তৈরি করে। ২০১৩ সালে তৈরি হয়েছিলো গেমটি, কিন্তু ২০১৫ সালে VK. com নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এবং প্রচুর ডাউনলোড হয় গেমটি। ফিলিপ বুদেকিন নামক রুশ হ্যাকার যে কিনা সাইকোলজির ছাত্র ছিলো এবং ভার্সিটি থেকে বহিষ্কার হয়েছিলো – তার মাথার বুদ্ধি থেকেই জন্ম নেয় এই গেমটি। রাশিয়ান আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের পর সে জানায় হতাশাগ্রস্হদের পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার জন্যই সে গেমটি বানিয়েছে। হতাশা গ্রস্হদের পৃথিবীত বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।

রাশিয়ায় এ গেম খেলে মৃতের সংখ্যা ১৫১ জন, এবং রাশিয়ার বাইরে মারা গেছে ৫০ জন। জুলিয়া ওভা ও ভের্নিকা ওভা নামক দুই বোন প্রথম এই গেইমের শিকার। গেমটির ৫০ তম লেভেলে গিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে ওরা সুইসাইড করেছিলো। জুলিয়া ওভা মৃত্যুর ঠিক আগে সোশাল নেটওয়ার্কে নীল তিমির ছবি আপলোড দিয়ে লিখেছিলো – ‘The end!’

গেমটি মূলত একটি ডার্ক ওয়েভের (dark wave) গেম। ডার্ক ওয়েভ হলো ইন্টারনেটের অন্ধকার জগৎ। মনে রাখবে- গেমটি আপনি একবার ডাউনলোড করলে আর কখনোই আনইনস্টল করতে পারবেন না। গেমটি আপনার ফোনের সিস্টেমে ঢুকে আপনার আপনার আই পি এড্রেস, মেইলের পাসওয়ার্ড, ফেসবুক পাসওয়ার্ড কনট্যাক্ট লিস্ট, গ্যালারী ফটো এমনকি আপনার ব্যাংক ইনফর্মেশান! আপনার লোকেশান ও তারা জেনে নিচ্ছে!

‘ব্লু হোয়েল’ গেম ওপেন করা মাত্র আপনাকে একজন এডমিন পরিচালনা শুরু করবে। আপনাকে জিজ্ঞেস করবে – ‘গেমটি খেলা শুরু করলে আপনি কোনোভাবেই এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন না, আপনি সর্বশেষে মৃত্যু বরণও করতে পারেন, আপনি কি চ্যালেন্জ গ্রহন করতে আগ্রহী?’

আপনি ইয়েস বা নো অপশনের মধ্যে ‘ইয়েস’ অপশন ক্লিক করা মাত্রই পা দিয়ে দেবেন মৃত্যু ফাঁদে।

গেমটির প্রথম দশটা লেভেল খুবই আকর্ষনীয়। ইউজার এডমিন কিছু মজার মজার নির্দেশনা দেন – যেমন রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠে হরর ছবি দেখা, চিল্লাচিল্লি করা, উঁচু ছাদের কিনারায় হাঁটাহাঁটি করা, পছন্দের খাবার খাওয়া ইত্যাদি নির্দেশনা দিতে দিতে এডমিন হাতিয়ে নেবেন আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন। প্রথম দশ টা লেভেল পার করার পর আপনাকে তৈরি করা হবে পরবর্তী দশটি লেভেলের জন্য। পনেরো লেভেল পর্যন্ত চলবে আপনার ইনফরমেশান হাতানোর কাজ! পনেরো লেভেলের পর আপনাকে কঠিন মিশন দেয়া শুরু হবে! যেমন অ্যাডমিন আপনাকে বলতে পারে আপনার হাতে ব্লেড দিয়ে নীল তিমির ছবি আঁকুন!

প্রথম বিশটা চ্যালেন্জ অতিক্রম করার পর অ্যাডমিন তার কৌশল পরিবর্তন করতে শুরু করে।

আপনি টেরই পাবেন না প্রথম বিশ ধাপে সংগ্রহ করে ফেলা আপনার তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনাকে মোহাক্রান্ত বা হিপনোসিস পদ্ধতি প্রয়োগ শুরু করা হবে।
আপনি তখন ভাববেন এই গেম ছাড়া আপনার বেঁচে থাকা অসম্ভব। আপনাকে শীতের দিনে খালি গায়ে ঘুরতে বলা হবে, বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করা, বন্ধুর মোবাইল চুরি করা, আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটার সাথে দুর্ব্যবহারের মিশন দেয়া হবে আপনাকে! আবার এসবের প্রমাণের ছবি বা ফটো এডমিনকে পাঠাতে হবে আপনার! এভাবেই কৌশলে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের থেকে কৌশলে আলাদা করে ফেলা হবে আপনাকে এবং আপনি পৌঁছে যাবেন পঁচিশ লেভেলে!

পঁচিশ লেভেলের পর নির্দেশনা আসবে মাদক বা ড্রাগ নেবার! এভাবেই সম্মোহিত করে করে আপনাকে তিরিশ লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে।

তিরিশ তম লেভেল আপনি অতিক্রম করার পর গেম এডমিন হঠাৎ আপনার সাথে একটু চিট শুরু করবে! ৩১ তম লেভেল আনলক করবে না, এদিকে আপনি হয়ে উঠবেন ক্রেজী!

তারপর কিছুদিন আপনাকে সারপ্রাইজ দিয়ে হঠাৎ এডমিন – বলবে একত্রিশ তম লেভেল আনলকড! আপনার নগ্ন ছবি চাওয়া হবে এই স্তরে! আপনি হিপনোসিস ও মাদকের কারণে নিজের নগ্ন ছবি পাঠাতেও চিন্তা করবেন না, ড্রাগ নেবার র মাত্রা বাড়াতে থাকবেন আপনি! এরপর নির্দেশনা আসবে আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথে সেক্স করে গোপনে ছবি তুলে আপলোড করতে বা নিজের শরীরে একাধারে শ খানেক সুঁই ফোটাতে এবং ফটো আপলোড করে পাঠাতে।
এভাবেই চলে যাবেন আপনি চল্লিশ তম লেভেলে!

এবার আপনি ভীত হয়ে গেমার টিমকে অনুরোধ করবেন আপনাকে মুক্তি দেবার জন্য!আপনি কাঁদবেন , হাতজোর করবেন, চাইবেন গেমটি আনইনস্টল করার জন্য!
তখন শুরু হবে ব্ল্যাকমেইলিং! গেমার টিম বা এডমিন তখন আপনারই পাঠানো সকল তথ্য ফাঁস করে দেবার হুমকি দেবে, আপনি বাধ্য হয়ে প্রবেশ করবেন একচল্লিশ তম স্তরে!

একচল্লিশ থেকে ঊনপন্চাশ তম লেভেলে আপনি প্রচন্ড হতাশ আর মাদকাসক্ত হবেন……. পঞাশ তম স্তরে আপনাকে মুক্তির শর্ত দেয়া হবে! বলা হবে আপনাকে নিজের শরীরে অ্যানাসথেসিয়ার ড্রাগ ক্যাটামিন পুশ করে তাদের কে ছবি পাঠাতে এবং নিশ্চিত দশ তলার চেয়েও উঁচু কোনো ছাদের একেবারে কিনারায় দাঁড়িয়ে যদি সেলফি আপলোড দিতে পারেন তবে আপনি মুক্ত!
আপনি সেটা পারবেন না আর, কারণ শরীরে পুশ করা ক্যাটামিন আপনার মস্তিষ্কে চলে যাবে ততোক্ষণে! আপনি মোবাইলের স্ক্রীণে তখন নির্দেশ আসবে – ‘ নিচের দিকে তাকাও! লাফ দাও, মুক্তি পাও!’

আপনি মুক্তি পেতে গিয়ে আত্মহত্যা করবেন!
এই ব্লু হোয়েল গেমটিতে ব্যবহার করা হয়েছে চমৎকার গ্রাফিক্স, ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক ভীষণ করুন! All i want ও Ranway গানের মিউজিক ব্যবহার করা হয়েছে।
দুটো মিউজিক শুনলেই শরীরের রক্ত হীম হয়ে যাবে!

সবশেষে বলবো –
এসব আজেবাজে গেম যাতে কেও আপলোড করবেন না

নিজেকে ভালোবাসুন, পরিবারকে সময় দিন, জীবনকে ভালোবাসুন।

লেখক : Dr.Asif Soikot
Anaesthesiologist and ICU Specialist
(লেখক, সমালোচক)

জন্ডিস আসলে কোনো রোগ?অনেককে বলতে শোনা যায় জন্ডিস রোগ, জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়। এটি রোগের উপসর্গ মাত্র। রক্তে বিলিরুবিন ন...
20/08/2017

জন্ডিস আসলে কোনো রোগ?
অনেককে বলতে শোনা যায় জন্ডিস রোগ, জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়। এটি রোগের উপসর্গ মাত্র। রক্তে বিলিরুবিন নামক এক ধরনের হলুদ বর্ণের পিগমেন্টের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়।
জন্ডিস যেভাবে হয়
রক্তের লোহিত কণিকা (জইঈ) একটি স্বাভাবিক নিয়মে ভেঙে গিয়ে বিলিরুবিন তৈরি করে, যা লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের সঙ্গে পিত্তনালির মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে। অন্ত্র থেকে বিলিরুবিন পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। বিলিরুবিনের এ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলে রক্তে বিলিরুবিন বেড়ে গিয়ে জন্ডিস দেখা দেয়।
জন্ডিসের কারণ
১. লিভারের রোগ
ক. হেপাটাইটিস এ বি সি ডি ও ই ভাইরাস। এরা লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে যাকে বলা হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস। এর মধ্যে হেপাটাইটিস এ ও ই স্বল্পমেয়াদি, যা পানিবাহিত। হেপাটাইটিস বি সি ও ডি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ, যা রক্তবাহিত। ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, গর্ভবতী মা থেকে নবজাতকে আসে।
খ. অ্যালকোহল বা মদপান। গ. কিছু ওষুধ যেমন যক্ষ্মার ওষুধ, প্যারাসিটামল, ব্যথার ওষুধ, খিঁচুনি কমানোর ওষুধ। ঘ. ফ্যাটি লিভার। ঙ. লিভার ক্যান্সার। চ. বংশগত ও অটোইমোনো।
লিভার সমস্যা ছাড়াও জন্ডিস হতে পারে যেমনথ
২. পিত্তনালির সমস্যা : পিত্তনালির পাথর, কৃমি, ক্যান্সার, থপ্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) ক্যান্সার।
৩. রক্তনালি ভাঙার কারণ : থ্যালাসেমিয়া থহিমোগ্লোবিন ই ডিজিজ
৪. এ ছাড়া রক্ত সঞ্চালন সমস্যা
থম্যালেরিয়ার জ্বর থেকে জন্ডিস হতে পারে।
জন্ডিসের লক্ষণ
১. জন্ডিসের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া। পরে হাত-পায়ের তালু, মুখম-ল থেকে শুরু করে সমস্ত শরীরেই হলদেটে হয়ে যেতে পারে। ২. প্রসাবের রং হালকা থেকে গাঢ় হলদেটে হয়ে যাওয়া। ৩. বমি বমি ভাব, খাবার দেখলে বা খাবারের গন্ধ পেলে অস্বস্তি লাগা, আহারে অরুচি, ক্ষুধামন্দা। ৪. পায়খানার রং কখনো কাদার মতো, কখনো কালো, কখনো ফেকাসে হয়। ৫. শরীর অত্যন্ত দুর্বল, জ¦র আসা। ৬. পেটে ব্যথা এমনকি লিভার বড় হতে পারে। ৭. ক্ষেত্রবিশেষ এটি জীবননাশকারী অবস্থায় চলে যেতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে অবশ্যই একজন লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। বিশেষজ্ঞ শারীরিক লক্ষণ এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জন্ডিসের তীব্রতা ও কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
চিকিৎসা
১. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া। ভাইরাল হেপাটাইটিস ৪-৬ সপ্তাহে ভালো হয়ে যায়। ক্ষেত্রবিশেষ হাসপাতালে ভর্তি লাগতে পারে। ২. ব্যথার ওষুধ প্যারাসিটামল, এসপিরিন, ঘুমের ওষুধ, কবিরাজি ওষুধ, ঝাড়-ফুঁক দেয়া উচিত নয়। ৩. প্রচুর তরল, শাক-সবজি, ঝোল খাওয়া।
৪. পায়খানা যাতে শক্ত না হয় তার জন্য জাতীয় ওষুধ সেবন। ৫. হেপাটাইটিস বি ও সি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ, এমনকি লিভারসিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার হতে পারে। তাই এ দুটি ভাইরাস আক্রান্ত হলে দীর্ঘমেয়াদি লিভার বিশেষজ্ঞের ফলোআপে থাকতে হবে। প্রয়োজনে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের চিকিৎসা নিতে হবে।
বাঁচার উপায়
১. সব সময় বিশুদ্ধ খাদ্য ও পানি খেতে হবে কারণ হেপাটাইটিস এ ও ই খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমিত। ২. শরীরে রক্ত নেয়ার দরকার হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিন, ডিসপোসেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার জরুরি। ৩. হেপাটাইটিস বির টিকা দেশে পাওয়া যায়, বিশেষ করে হেপাটাইটিস বির টিকা প্রত্যেকেরই নেয়া উচিত। ৪. যারা সেলুনে শেভ করেন খেয়াল রাখবেন যেন আগে ব্যবহার করা বেস্নড বা ক্ষুর আবারো ব্যবহার না করা হয়।
জন্ডিস অনেক সময় মৃত্যুর কারণও হতে পারে। তাই বাঁচতে হলে আমাদের সবাইকে জানতে হবে, হতে হবে সচেতন।

Address

Boro Khochabari Hat
Thakurgaon
THAKURGAON

Telephone

+8801713713239

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাজমনি হেল্থ সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category