Dr. Farzana Islam Shaon

  • Home
  • Dr. Farzana Islam Shaon

Dr. Farzana Islam Shaon MBBS, FCPS (Gynecology & Infertility). Assistant Professor, OBGYN. Specialist in infertility, PCOS, pregnancy & women’s health.

Chamber:
Alliance Hospital, Dhaka: 5 PM –7 PM (Except Tue–Fri)
Kaliakair, Gazipur: Every Tuesday
Maona, Gazipur: Every Friday Welcome to the official page of Dr. Farzana Islam Shaon. MBBS, BCS (Health)
FCPS (Obstetrics & Gynecology)
FCPS (Reproductive Endocrinology & Infertility)
Assistant Professor (Obs & Infertility)

Dr. Farzana Islam Shaon is a highly experienced specialist in women’s health,

pregnancy care, reproductive endocrinology, and infertility management. She is dedicated to providing safe, ethical and evidence-based treatment for gynecological problems, hormonal disorders, PCOS, menstrual issues, and infertility.

📍 Chamber Schedule:
Alliance Hospital, Dhaka: 5 PM – 7 PM (Saturday–Thursday)
Kaliakair, Gazipur: Every Tuesday
Maona, Gazipur: Every Friday

Committed to ensuring quality healthcare for women with compassionate and professional service.

দীর্ঘদিন ধরে ফার্টিলিটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ে।সন্তান না হলে প্রথমেই সবাই তাকিয়ে থাকে স্ত্রীর...
24/08/2026

দীর্ঘদিন ধরে ফার্টিলিটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ে।

সন্তান না হলে প্রথমেই সবাই তাকিয়ে থাকে স্ত্রীর দিকে। শাশুড়ি, জা, প্রতিবেশী, এমনকি পরিবারের সবাই অনেক সময় ধরেই নেন যে সমস্যাটা মেয়েটির। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, সন্তান না হওয়ার পেছনে প্রায় সমান সমান কারণ থাকতে পারে স্বামীর দিক থেকেও। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় শুধু স্ত্রীকে একের পর এক পরীক্ষা, ওষুধ, ইনজেকশনের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, আর স্বামীর একটা সাধারণ সিমেন অ্যানালাইসিসও করানো হয় না।

সাথে যোগ হয় আরেকটা সমস্যা। শুরুতে সঠিক জায়গায়, সঠিক ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অনেকে বছরের পর বছর ঘুরতে থাকেন এখানে সেখানে, কখনো কবিরাজের কাছে, কখনো পরিচিতজনের পরামর্শে। ততদিনে বয়স বাড়ে, সময় ফুরিয়ে যায়, আর সমস্যাটাও জটিল হয়ে ওঠে।

এর ফল কী হয়?

সময় নষ্ট হয়, মানসিক কষ্ট বাড়ে, টাকা খরচ হয় ভুল জায়গায়। আর সবচেয়ে দুঃখজনক হলো একজন মেয়ে বছরের পর বছর নিজেকে দোষী ভাবতে থাকেন, এমন একটা সমস্যার জন্য যেটা হয়তো তার শরীরে ছিলোই না।

আমি রোগী দেখতে বসলে এখন প্রথম কথাটাই বলি, দুজনকেই আসতে হবে, দুজনেরই পরীক্ষা লাগবে। এটা কারো "দোষ" খোঁজার বিষয় না, এটা একটা মেডিকেল কন্ডিশন, যার সমাধান তখনই সহজ হয় যখন সঠিক জায়গায়, সঠিক ডাক্তারের কাছে গিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক কারণটা খুঁজে বের করা যায়।

তাই যাদের কনসিভ করতে দেরি হচ্ছে, তাদের বলবো, দেরি করবেন না আর একা এই বোঝা বইবেন না। স্বামী স্ত্রী দুজনে একসাথে আসুন, দুজনেই পরীক্ষা করান, আর শুরু থেকেই সঠিক জায়গায় সঠিক ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিন। এতে অনেক সমস্যার সমাধান অনেক সহজেই সম্ভব হয়।

আমার রোগীটা প্রথম যেদিন চেম্বারে এসেছিল, হাতে অনেকগুলো পুরনো রিপোর্টের ফাইল। কথা বলার সময় গলাটা কেঁপে উঠছিল বারবার। বহু...
20/08/2026

আমার রোগীটা প্রথম যেদিন চেম্বারে এসেছিল, হাতে অনেকগুলো পুরনো রিপোর্টের ফাইল। কথা বলার সময় গলাটা কেঁপে উঠছিল বারবার।

বহুদিন ধরে চেষ্টা করছে, অনেক জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছে, কিন্তু বারবার ব্যর্থতা। এমন গল্প আমার চেম্বারে নতুন নয়, কিন্তু প্রতিটা গল্পই আলাদা করে ছুঁয়ে যায়।

সাত সপ্তাহের গর্ভধারণ, ছোট্ট হৃদস্পন্দনটা আজ স্ক্রিনে স্পষ্ট দেখা গেল।

আলহামদুলিল্লাহ। ইনফার্টিলিটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রতিদিন এমন অনেক গল্প দেখি, যেখানে শুধু চিকিৎসা নয়, দরকার হয় সাহস, ভরসা আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের একটা জায়গা।

যখন ও প্রথম আমার চেম্বারে এসেছিল, চোখেমুখে একটা ক্লান্তি ছিল। বারবার ব্যর্থতার পর নতুন করে বিশ্বাস করাটা সহজ কাজ না। আমি সবসময় বলি, চিকিৎসক হিসেবে আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি, উত্তম ফলাফল দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।

আমরা মিলে ধাপে ধাপে এগিয়েছি, প্রতিটা পরীক্ষা, প্রতিটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সময় নিয়ে, সততার সাথে, আর বাকিটা রব্বুল আলামিনের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। আর আজ যখন রিপোর্টে দেখলাম বেবির হৃদস্পন্দন স্পষ্ট, মনটা ভরে গেল কৃতজ্ঞতায়। আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া।

আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটা মায়ের গল্প আলাদা, প্রতিটা যাত্রার নিজস্ব সময় আছে, আর আল্লাহ তায়ালার একটা নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত থাকে সবকিছুর জন্য। যারা এখনো অপেক্ষায় আছেন, হাল ছেড়ে দেবেন না, দোয়া চালিয়ে যান।

সঠিক পরামর্শ, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা, একটু ধৈর্য আর আল্লাহর উপর ভরসা, এই কয়টা জিনিস অনেক কিছু বদলে দিতে পারে ইনশাআল্লাহ।

এই রোগীটার জন্য অনেক দোয়া রইল, আল্লাহ তায়ালা যেন সামনের প্রতিটা দিন সহজ ও নিরাপদ করে দেন। আমিন।

দীর্ঘদিন সন্তানের জন্য অপেক্ষা করার পর যখন একজন মা তার কোলে একটা না, দুইটা সন্তান নিয়ে আসার সুসংবাদ পান, তখন সেই মুহূর্...
16/08/2026

দীর্ঘদিন সন্তানের জন্য অপেক্ষা করার পর যখন একজন মা তার কোলে একটা না, দুইটা সন্তান নিয়ে আসার সুসংবাদ পান, তখন সেই মুহূর্তটা আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটা হয়ে দাঁড়ায়।

আমার এই রোগী অনেকদিন ধরে সন্তান ধারণের চেষ্টা করছিলেন। আগে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সফল হননি।

হতাশ হয়ে যখন আমার কাছে আসেন, তখন প্রথমে তার সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য ইতিহাস আর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে তার জন্য আলাদা একটা চিকিৎসা পরিকল্পনা করি। এরপর নিয়মিত ফলোআপ আর ধাপে ধাপে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পর তার শরীর ভালোভাবে সাড়া দিতে শুরু করে।

কিছুদিন আগে আলট্রাসনোগ্রাফি করে জানা গেল তিনি জমজ সন্তান ধারণ করেছেন। সেদিন তার চোখেমুখে যে খুশি দেখেছিলাম তা আজও মনে গেঁথে আছে। দুটো সন্তানই সুস্থ আছে, স্বাভাবিকভাবে বড় হচ্ছে, হৃদপিণ্ড আর মস্তিষ্কসহ সবকিছু ঠিকঠাক আছে বলে রিপোর্টে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এই যাত্রাটা মোটেও সহজ ছিল না। ধৈর্য ধরে থাকা, নিয়মিত চেকআপে আসা আর চিকিৎসার প্রতি আস্থা রাখা এই তিনটা জিনিস একসাথে মিলেই আজকের এই সুন্দর ফলাফল এসেছে। আমি সবসময় বিশ্বাস করি সঠিক রোগ নির্ণয় আর ধৈর্যশীল চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তানহীনতার সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব।

যারা দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করছেন আর হতাশ হয়ে পড়েছেন, তাদের বলবো আশা হারাবেন না। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এমন সুন্দর ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

চেম্বার সময়সূচি:
📍 অ্যালায়েন্স হাসপাতাল,শ্যামলী, ঢাকা
🕔 বিকাল ৬টা – সন্ধ্যা ৯ টা
(মঙ্গলবার–শুক্রবার ব্যতীত)

📍 কালিয়াকৈর, গাজীপুর
🗓 প্রতি মঙ্গলবার

📍 মাওনা, গাজীপুর
🗓 প্রতি শুক্রবার

সিরিয়াল নিতে কল করুন: ০১৭২০৪২২৪৪৮

বাংলাদেশে সিজারিয়ান ডেলিভারির হার নিয়ে অনেকদিন ধরেই একটা কথা মনে হচ্ছিল, আজ সেটা শেয়ার করি।চিকিৎসাগত কারণে যেকোনো দেশ...
12/08/2026

বাংলাদেশে সিজারিয়ান ডেলিভারির হার নিয়ে অনেকদিন ধরেই একটা কথা মনে হচ্ছিল, আজ সেটা শেয়ার করি।

চিকিৎসাগত কারণে যেকোনো দেশে সিজারের স্বাভাবিক হার হওয়া উচিত ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে, এটাই স্বীকৃত মানদণ্ড। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা একদম উল্টো। WHO এর পরিসংখ্যান এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, এই হার বহু আগেই স্বাভাবিক সীমা পেরিয়ে গেছে। শহর থেকে গ্রাম, সব জায়গাতেই অপ্রয়োজনীয় সিজারের এই প্রবণতা এখন একরকম নীরব মহামারির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে, একজন চিকিৎসক হিসেবে এটা আমাকে সত্যিই ভাবায়।

প্রতিদিন রোগীদের আমি বলি, নরমাল ডেলিভারি একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। গর্ভাবস্থায় জটিলতা না থাকলে এবং সঠিক প্রস্তুতি নিলে বেশিরভাগ মা-ই স্বাভাবিকভাবে সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে পারেন। আমার পরামর্শ থাকে হালকা হাঁটাচলা ও নিরাপদ ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া, সুষম খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং প্রসব বেদনা নিয়ে সমাজে প্রচলিত ভয়ের গল্প থেকে দূরে থেকে মনকে শক্ত রাখা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রোগীকে নরমাল ডেলিভারির সুযোগ দেওয়াটাই আমার চেষ্টা থাকে সবসময়।

তবে এটাও পরিষ্কার করে বলতে চাই, সিজার কোনো ভুল পদ্ধতি নয়, এটা একটা জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা। বাচ্চার অবস্থান ঠিক না থাকলে, প্রসবের সময় বাচ্চার হার্টবিট কমে গিয়ে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে, প্ল্যাসেন্টা প্রিভিয়া থাকলে, মায়ের উচ্চ রক্তচাপ বা একলামসিয়ার মতো জটিলতা থাকলে, কিংবা প্রসবের পথ সংকীর্ণ হলে আমি নিজেও সিজারের সিদ্ধান্ত নিই, কারণ তখন সেটাই একমাত্র নিরাপদ পথ।

সমস্যা হয় তখনই, যখন সামান্য অজুহাতে বা তাড়াতাড়ি ডেলিভারি শেষ করার চিন্তা থেকে অপ্রয়োজনীয় সিজার করানো হয়। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী। বারবার সিজার করালে জরায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে, জরায়ু ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং পরবর্তী গর্ভাবস্থায় প্ল্যাসেন্টা অ্যাক্রেটার মতো জীবনঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে। অপারেশনের জায়গায় দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা থেকে যায়, পেটের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। সময়ের আগে সিজার করা হলে নবজাতকের ফুসফুস পুরোপুরি পরিপক্ব না হওয়ায় অনেক শিশু শ্বাসকষ্ট নিয়ে জন্ম নেয়, ফলে এনআইসিইউতেও রাখতে হয়।

আর্থিক দিক থেকেও সিজার নরমাল ডেলিভারির চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল। অপারেশন ফি, ওটি চার্জ, ওষুধ আর হাসপাতালে বেশি দিন থাকার কারণে অনেক পরিবার আর্থিক চাপে পড়ে, এটা আমি প্র্যাকটিসে বহুবার দেখেছি। মায়ের স্বাভাবিক কাজে ফিরতেও লেগে যায় দুই থেকে তিন মাস বা তারও বেশি সময়, যার প্রভাব পড়ে নবজাতকের যত্নেও।

আমার কাছে সিজার কখনোই সহজ সমাধান বা ফ্যাশন নয়। এটা হওয়া উচিত শুধু জটিল পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচানোর শেষ অস্ত্র। পরিবারের সচেতনতা, চিকিৎসকের সততা এবং গর্ভবতী মায়ের নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব। আসুন আমরা সবাই মিলে প্রাকৃতিক প্রসবের পরিবেশ তৈরিতে সচেতন হই এবং সিজারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে আনি।

কিছুদিন আগে আমার কাছে এক রোগী আসেন। এর আগে তিনি বহু জায়গায় দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েছিলেন, কিন্তু বার বার চেষ্টা করেও কাঙ...
11/08/2026

কিছুদিন আগে আমার কাছে এক রোগী আসেন। এর আগে তিনি বহু জায়গায় দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েছিলেন, কিন্তু বার বার চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। হতাশ আর ক্লান্ত হয়ে তিনি একদিন আমার চেম্বারে আসেন।

আমরা প্রথমে তার সমস্যাটা নতুন করে খুঁটিয়ে দেখি, প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা করাই এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা সাজাই।

এরপর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া হয়। কিছুদিন পর অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত সুখবরটা আসে, তিনি সফলভাবে গর্ভধারণ করেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ, আজ তার প্রেগন্যান্সি সুস্থভাবে এগিয়ে চলছে, বাচ্চার হার্টবিট স্বাভাবিক এবং সবকিছু ভালোভাবে চলছে।

যারা বার বার চেষ্টা করেও সফল না হয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সঠিক মূল্যায়ন আর সঠিক চিকিৎসা পেলে সমাধান অবশ্যই সম্ভব। তাই হাল ছেড়ে দেবেন না, চেষ্টা চালিয়ে যান।

আপনার যদি একই ধরনের সমস্যা থাকে বা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সফল না হয়ে থাকেন, নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন। 💚

আমার চেম্বারে যারা আসেন, তাদের চোখেমুখে প্রায়ই একটা হতাশা দেখতে পাই। অনেকে বছরের পর বছর চেষ্টা করেও ফল না পেয়ে মানসিকভ...
09/08/2026

আমার চেম্বারে যারা আসেন, তাদের চোখেমুখে প্রায়ই একটা হতাশা দেখতে পাই।

অনেকে বছরের পর বছর চেষ্টা করেও ফল না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

আজ তাই কিছু কথা শেয়ার করতে চাই, যা হয়তো আপনাদের কিছুটা স্বস্তি দেবে। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার সবচেয়ে বড় ভিত্তি তিনটা জিনিস। সঠিক রোগ নির্ণয়, সময়মতো চিকিৎসা, আর ধৈর্য।

প্রথমেই দরকার সমস্যাটা আসলে কী, সেটা জানা। নারীর হরমোন পরীক্ষা, ওভুলেশন ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, টিউব খোলা আছে কিনা, আবার পুরুষের শুক্রাণু পরীক্ষাও করা জরুরি। কারণ বন্ধ্যাত্ব শুধু নারীর সমস্যা নয়, প্রায় সমান হারে পুরুষের কারণেও হতে পারে। এই বিষয়টা অনেকে জানেন না, ফলে অনেক সময় শুধু নারীর চিকিৎসা করেই সময় নষ্ট হয়।
সমস্যা জানার পর দেরি না করে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। বিশেষ করে নারীর বয়স যত বাড়ে, চিকিৎসার সফলতার হার তত কমতে থাকে। তাই সময় নষ্ট না করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আর চিকিৎসা চলাকালীন সময়টায় নিজের প্রতি একটু নরম হোন। এটা একটা প্রক্রিয়া, রাতারাতি ফল আসে না। কখনো প্রথম চেষ্টায় ফল না আসতে পারে, কখনো ওষুধ বদলাতে হতে পারে। এটা ব্যর্থতা নয়, এটা চিকিৎসার স্বাভাবিক অংশ।

আপনি একা নন। সঠিক পথে এগোলে, ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে অনেকেই বাবা-মা হতে পারেন। প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় জিজ্ঞাসা করুন।

গত কয়েক বছরে আমার কাছে এমন অসংখ্য দম্পতি এসেছেন যারা বলেছেন, ম্যাডাম আমরা অনেক জায়গায় ঘুরেছি, ওষুধ খেয়েছি, ইনজেকশন ন...
05/08/2026

গত কয়েক বছরে আমার কাছে এমন অসংখ্য দম্পতি এসেছেন যারা বলেছেন, ম্যাডাম আমরা অনেক জায়গায় ঘুরেছি, ওষুধ খেয়েছি, ইনজেকশন নিয়েছি, এমনকি IUI পর্যন্ত করিয়েছি কিন্তু কোনো ফল পাইনি। শেষ পর্যন্ত আপনার কাছে এসে আলহামদুলিল্লাহ সুখবর পেলাম। এই কথাগুলো শুনতে শুনতে আমি একটা জিনিস বুঝেছি, আসল সমস্যাটা প্রায়ই থেকে যায় চিকিৎসার পদ্ধতিতে, রোগীর ভাগ্যে নয়।

আমি যখন কোনো দম্পতিকে প্রথমবার দেখি, প্রথমেই খুঁজি আসল কারণটা কী। শুধু স্ত্রীর ডিম্বাশয় দেখলেই চলে না। টিউব ব্লক আছে কিনা, এন্ডোমেট্রিওসিস আছে কিনা, হরমোনের কোনো অসামঞ্জস্য আছে কিনা, জরায়ুর ভেতরে কোনো সমস্যা আছে কিনা, সবকিছু খতিয়ে দেখতে হয়। কারণ ভুল হলে চিকিৎসাও ভুল পথে চলে যায়।

আমাদের দেশে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে সমস্যাটা থাকে পুরুষের দিকে। অথচ অনেক সময় দেখি শুধু স্ত্রীকেই বারবার পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো হয়েছে। আমি সবসময় দুজনকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখি।

প্রতিটা মানুষের শরীর আলাদা। একজনের জন্য যা কাজ করে আরেকজনের জন্য তা নাও করতে পারে। একই প্রোটোকল বছরের পর বছর চালিয়ে গেলে শুধু সময় আর টাকাই নষ্ট হয়, কষ্টটা বাড়ে। ফলিকল কতটা বড় হলো, এন্ডোমেট্রিয়াম কতটা প্রস্তুত, এই সূক্ষ্ম জিনিসগুলো ঠিকমতো না দেখলে IUI বা IVF এর সময়টাই ভুল হয়ে যায়। অথচ এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আর IVF বা ICSI তে সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করে এমব্রায়োলজি ল্যাবের দক্ষতার উপর, এটা আমি সবসময় নিশ্চিত করি।

ওজন বেশি থাকা, দুশ্চিন্তা, ঘুমের অভাব এসবও কিন্তু চিকিৎসার সাফল্যে প্রভাব ফেলে। আমি রোগীদের এই দিকগুলো নিয়েও কথা বলি, শুধু ওষুধ লিখে দিয়েই দায়িত্ব শেষ করি না।

আমার কাছে চিকিৎসা করালে আমি স্বামী স্ত্রী দুজনেরই সম্পূর্ণ মূল্যায়ন করি, প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা পরিকল্পনা তৈরি করি, নিয়মিত মনিটরিং করে সঠিক সময় নির্ধারণ করি, প্রয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিই এবং সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য ধরে আন্তরিকতার সাথে পাশে থাকি।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় অনেক ডাক্তারের কাছে ঘোরা মানেই কিন্তু ভালো চিকিৎসা পাওয়া নয়। দরকার সঠিক রোগ নির্ণয়, ব্যক্তিগতভাবে সাজানো পরিকল্পনা আর অভিজ্ঞ হাতের যত্ন। আপনি যদি অনেকদিন ধরে চেষ্টা করেও হতাশ হয়ে থাকেন দয়া করে আশা হারাবেন না। একবার সম্পূর্ণভাবে দেখিয়ে নিন। অনেক সময় শুধু আগের ভুলগুলো ঠিক করলেই আল্লাহর রহমতে সুখবর আসে।

ধৈর্য ধরুন, দোয়া করুন, আর সঠিক পথে এগিয়ে যান। সন্তানের মুখ দেখার যে স্বপ্ন আপনি দেখেন, ইনশাআল্লাহ তা পূরণ হবেই।

আমার পাশে যিনি দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি  আলহামদুলিল্লাহ গর্ভধারণ করেছেন।দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেও তিনি সফল হচ্ছিল...
01/08/2026

আমার পাশে যিনি দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি আলহামদুলিল্লাহ গর্ভধারণ করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেও তিনি সফল হচ্ছিলেন না। এ সময়ে তিনি অনেক চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি।

পরে তিনি আমার চেম্বারে আসেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে আমরা মূল সমস্যাটি শনাক্ত করি। এরপর সেই অনুযায়ী চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে কিছুদিনের মধ্যেই সুখবর আসে। তিনি গর্ভধারণ করেন।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক কারণ নির্ণয় এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা। তাই এ বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি। অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে বারবার সময় ও অর্থ ব্যয় না করে, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে ইনশাআল্লাহ অনেক দম্পতিরই সন্তান ধারণের স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।

আল্লাহ তাঁর গর্ভের সন্তানকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন। আমীন।

আলহামদুলিল্লাহ! এক অসাধারণ খুশির মুহূর্ত। দীর্ঘদিন বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা করেছি ছবির এই রোগীটির। পরে তিনি কনসিভ করতে সক্ষম...
27/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ! এক অসাধারণ খুশির মুহূর্ত।

দীর্ঘদিন বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা করেছি ছবির এই রোগীটির। পরে তিনি কনসিভ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। পুরো প্রেগন্যান্সি জার্নিতে তাকে নিয়মিত ফলোআপে রেখেছিলাম, এবং আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে আমি সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে সুস্থভাবে তার সন্তান প্রসব করিয়েছি।

বন্ধ্যাত্ব একটি দম্পতির জন্য মানসিকভাবে অনেক কষ্টের একটা সময়। বছরের পর বছর অপেক্ষা, হতাশা, আর বারবার চেষ্টার পর যখন এই খুশির খবর আসে, তখন সেই আনন্দের কোনো তুলনা হয় না। এই মায়ের ধৈর্য আর বিশ্বাস দেখে সত্যিই ভালো লাগে।

আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া, তাকে এই সুন্দর মুহূর্ত উপহার দেওয়ার জন্য। নবজাতক এবং মা উভয়েই এখন সুস্থ আছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

যারা দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের বলবো, ধৈর্য হারাবেন না। সঠিক চিকিৎসা আর আল্লাহর উপর ভরসা রাখলে এই আনন্দ একদিন আপনার জীবনেও আসবে ইনশাআল্লাহ।

নবজাতক ও তার মায়ের জন্য দোয়া চাই সবার কাছে।

ছবিতে আমার পাশে যিনি আছেন, তিনি আমার চিকিৎসায় আল্লাহর অশেষ রহমতে গর্ভধারণ করেছেন।দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়...
22/07/2026

ছবিতে আমার পাশে যিনি আছেন, তিনি আমার চিকিৎসায় আল্লাহর অশেষ রহমতে গর্ভধারণ করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও তিনি কোনো সুখবর পাননি। একসময় তিনি ও তাঁর পরিবার প্রায় আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন। তাঁদের মনে হয়েছিল, হয়তো জীবনে আর সন্তানের মুখ দেখা হবে না।

পরে আমার কাছে এসে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যার কারণ নির্ণয় করা হয় এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করা হয়। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি গর্ভধারণ করেন। বর্তমানে তাঁর গর্ভের সন্তান সুস্থ আছে। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, নির্ধারিত সময়ে সুস্থ ও নিরাপদভাবে সন্তান পৃথিবীর আলো দেখুক।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা। ভুল রোগ নির্ণয় বা অনভিজ্ঞ হাতে চিকিৎসা শুরু করলে অনেক সময় সমস্যা আরও জটিল হয়ে যেতে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে সন্তান ধারণের সম্ভাবনাও কমে যেতে পারে।

তাই দেরি না করে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন, সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন। ইনশাআল্লাহ, মহান আল্লাহ আপনাদেরও সন্তানের সুখ দান করবেন।

Address

Alliance Hospital Limited, 24/3 Khilji Road, Ring Rd

1207

Telephone

+8801912335039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Farzana Islam Shaon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share