Dr. Farzana Islam Shaon

  • Home
  • Dr. Farzana Islam Shaon
Call Directions

Dr. Farzana Islam Shaon MBBS, FCPS (Gynecology & Infertility). Assistant Professor, OBGYN. Specialist in infertility, PCOS, pregnancy & women’s health.

Chamber:
Alliance Hospital, Dhaka: 5 PM –7 PM (Except Tue–Fri)
Kaliakair, Gazipur: Every Tuesday
Maona, Gazipur: Every Friday Welcome to the official page of Dr. Farzana Islam Shaon. MBBS, BCS (Health)
FCPS (Obstetrics & Gynecology)
FCPS (Reproductive Endocrinology & Infertility)
Assistant Professor (Obs & Infertility)

Dr. Farzana Islam Shaon is a highly experienced specialist in women’s health, pregnancy care, reproductive endocrinology, and infertility management. She is dedicated to providing safe, ethical and evidence-based treatment for gynecological problems, hormonal disorders, PCOS, menstrual issues, and infertility.

📍 Chamber Schedule:
Alliance Hospital, Dhaka: 5 PM – 7 PM (Saturday–Thursday)
Kaliakair, Gazipur: Every Tuesday
Maona, Gazipur: Every Friday

Committed to ensuring quality healthcare for women with compassionate and professional service.

বন্ধ্যাত্ব নিয়ে অনেকদিন ধরে কাজ করছি। চেষ্টা করি প্রতিটি রোগীর হিস্টরি মনোযোগ দিয়ে শুনতে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে এবং বন্...
22/09/2026

বন্ধ্যাত্ব নিয়ে অনেকদিন ধরে কাজ করছি। চেষ্টা করি প্রতিটি রোগীর হিস্টরি মনোযোগ দিয়ে শুনতে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে এবং বন্ধ্যাত্বের সঠিক কারণ খুঁজে বের করে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে।

আমার কাছ থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর যখন কোনো রোগী এসে বলেন, “ম্যাডাম, আমি কনসিভ করেছি” তখন যে কী আনন্দ লাগে, তা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করতে পারি না।

গতকাল হঠাৎ একজন রোগী আমাকে মেসেজ করে বললেন,

“ম্যাডাম, আমি গর্ভধারণ করেছি। ১০ বছর পর আপনার চিকিৎসা নিয়ে সন্তান ধারণ করতে পেরেছি। ম্যাডাম, আপনাকে ধন্যবাদ।”

একজন চিকিৎসক হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!

একটি দম্পতির দীর্ঘ অপেক্ষার পর যখন তাদের জীবনে নতুন অতিথির আগমনের খবর আসে, তখন সেই আনন্দের অংশ হতে পারাটাও আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।

দোয়া করি, আল্লাহ যেন এই অনাগত সন্তানকে সুস্থ ও নিরাপদে রাখেন এবং মায়ের গর্ভে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার তৌফিক দেন।

IUI নিয়ে অনেক রোগী আমাকে প্রশ্ন করেন, ঠিক কী এই চিকিৎসা পদ্ধতি। আজকে চেষ্টা করছি সহজভাবে বিষয়টা বোঝানোর।IUI বা ইন্ট্রা...
19/09/2026

IUI নিয়ে অনেক রোগী আমাকে প্রশ্ন করেন, ঠিক কী এই চিকিৎসা পদ্ধতি। আজকে চেষ্টা করছি সহজভাবে বিষয়টা বোঝানোর।

IUI বা ইন্ট্রাইউটেরাইন ইনসেমিনেশন হলো একটি fertility treatment, যেখানে স্বামীর শুক্রাণু ল্যাবে ভালোভাবে ওয়াশ ও প্রসেস করে তারপর সরাসরি স্ত্রীর জরায়ুর ভেতরে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য একটাই, শুক্রাণু যেন সহজে ডিম্বাণু পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এখন কথা হলো, সবার জন্য কিন্তু IUI উপযুক্ত না। যাদের unexplained infertility আছে, মানে কোনো নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু গর্ভধারণ হচ্ছে না, অথবা ovulation-এ সামান্য সমস্যা আছে, কিংবা husband-এর semen-এ mild সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে আমরা এই পদ্ধতি বিবেচনা করি। এর আগে অবশ্যই কিছু জিনিস দেখে নিতে হয়, ovulation ঠিকমতো হচ্ছে কি না, জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের অবস্থা কেমন, fallopian tube খোলা আছে কি না, আর semen analysis রিপোর্ট কী বলছে। সব মিলিয়ে বিশ্লেষণ করেই আমরা সিদ্ধান্ত নিই।

প্রসেসটা খুব একটা জটিল না। সাইকেলের নির্দিষ্ট সময়ে আমরা follicle monitoring করি, মানে ডিম্বাণুর থলি কেমন বড় হচ্ছে তা দেখি। দরকার হলে ওষুধ দিয়ে ovulation-এ সহায়তা করা হয়। এরপর সঠিক সময়ে semen sample নিয়ে ল্যাবে প্রসেস করে সুস্থ ও চলনশীল শুক্রাণু আলাদা করা হয়, আর একটি নরম সরু catheter দিয়ে সেটা জরায়ুতে পৌঁছে দেওয়া হয়। পুরো কাজটা মাত্র কয়েক মিনিটের, আর বেশিরভাগ রোগীই সহজে সহ্য করতে পারেন। হালকা cramping বা অস্বস্তি কারও কারও হতে পারে, এটা স্বাভাবিক।

তবে একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, IUI করলেই যে গর্ভধারণ নিশ্চিত হয়ে যাবে, এমন না। বয়স, s***m quality, ovulation কতটা নিয়মিত, infertility-এর মূল কারণ, এসব অনেক কিছুর ওপর ফলাফল নির্ভর করে। আর ওষুধ দিয়ে একাধিক follicle তৈরি হলে multiple pregnancy-এর সম্ভাবনাও কিছুটা বেড়ে যায়। তাই আমরা প্রতিটি সাইকেলে নিয়মিত monitoring করি।

কখনো কখনো আমরা IUI না করে সরাসরি IVF-এর পরামর্শ দিই। যেমন fallopian tube বন্ধ থাকলে, s***m-এর সমস্যা বেশি গুরুতর হলে, ovarian reserve কম থাকলে, বয়স একটা ফ্যাক্টর হলে দ্রুত চিকিৎসা দরকার হয়, অথবা কয়েক দফা IUI করেও রেজাল্ট না এলে, তখন IVF নিয়ে আলোচনা করি রোগীর সাথে।

আমি সবসময় বলি, অন্য কারও IUI সাকসেসফুল হয়েছে দেখে নিজের জন্য একই সিদ্ধান্ত নেবেন না। প্রতিটি দম্পতির বয়স, কারণ, রিপোর্ট আলাদা আলাদা। তাই সঠিক পরীক্ষা ও মূল্যায়নের পরই বোঝা যায়, আপনার জন্য IUI উপযুক্ত নাকি অন্য কোনো fertility treatment ভালো হবে।

আল্লাহ সবার জন্য সহজ করুন। আমিন।

আলহামদুলিল্লাহ আজ আমার একজন রোগীর একটি আনন্দের খবর আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।এই দম্পতি এর আগে কয়েকটি জায়গায় বন্ধ্যাত্...
07/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ

আজ আমার একজন রোগীর একটি আনন্দের খবর আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।

এই দম্পতি এর আগে কয়েকটি জায়গায় বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের পরও তারা গর্ভধারণে সফল হননি। দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পর স্বাভাবিকভাবেই তাদের মধ্যে হতাশা ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল।

পরবর্তীতে তারা আমার কাছে চিকিৎসার জন্য আসেন। রোগীর পূর্ববর্তী চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন ও পরীক্ষা করা হয়। এরপর তার সমস্যার কারণ ও চিকিৎসার প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা করে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

আলহামদুলিল্লাহ, এবার তারা গর্ভধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে রোগী ৮ মাসের গর্ভবতী এবং মা ও গর্ভের শিশুর অবস্থা ভালো আছে।

একজন ইনফার্টিলিটি চিকিৎসক হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের খবর খুব কমই আছে। চিকিৎসার শুরুতে যে দুশ্চিন্তা নিয়ে তারা আমার কাছে এসেছিলেন, আজ সেই দুশ্চিন্তার জায়গায় রয়েছে অনাগত সন্তানকে ঘিরে অনেক আনন্দ ও অপেক্ষা।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় সবার জন্য একই ধরনের চিকিৎসা কার্যকর হয় না। প্রতিটি দম্পতির চিকিৎসার ইতিহাস, বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ আলাদা। তাই সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে ব্যক্তিভেদে চিকিৎসার পরিকল্পনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন গর্ভাবস্থার বাকি সময়টুকুও ভালোভাবে কাটে এবং মা ও শিশু সুস্থ থাকেন।

আলহামদুলিল্লাহ, আরেকটি পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে।

সন্তানের জন্য ১০টি বছরের অপেক্ষা। কতটা দীর্ঘ এই সময়, তা কেবল তারাই বোঝেন যারা এই পথ পেরিয়ে এসেছেন।নওগাঁর প্রত্যন্ত অঞ্...
01/09/2026

সন্তানের জন্য ১০টি বছরের অপেক্ষা। কতটা দীর্ঘ এই সময়, তা কেবল তারাই বোঝেন যারা এই পথ পেরিয়ে এসেছেন।

নওগাঁর প্রত্যন্ত অঞ্চল সাপাহার থেকে একটি দম্পতি আমার কাছে এসেছিলেন। বিয়ের পর একটি বছর, দুটি বছর করে করে যখন দশটি বছর পার হয়ে গেল, তখনও তাদের কোল আলো করে কেউ আসেনি। রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়িয়েছেন চিকিৎসার আশায়, কিন্তু বারবার ফিরে এসেছেন খালি হাতে।

অবশেষে তারা আমার চেম্বারে আসেন। বিস্তারিত হিস্ট্রি নিলাম, প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করালাম এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করলাম।

আল্লাহর অশেষ রহমতে চিকিৎসায় সফলতা আসে। দীর্ঘ দশ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে তাদের কোল আলো করে এলো এই ছোট্ট সোনামণি।

আলহামদুলিল্লাহ। এমন মুহূর্তগুলো দেখলে মনটা প্রশান্তিতে ভরে যায়। বন্ধ্যত্ব কোনো ব্যর্থতা নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। ধৈর্য হারাবেন না, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিন।

সন্তান না হলে এখনো আমাদের সমাজে প্রথমেই প্রশ্ন ওঠে নারীর দিকে। শাশুড়ি, প্রতিবেশী, এমনকি পরিবারের মানুষও অনেক সময় না জে...
29/08/2026

সন্তান না হলে এখনো আমাদের সমাজে প্রথমেই প্রশ্ন ওঠে নারীর দিকে। শাশুড়ি, প্রতিবেশী, এমনকি পরিবারের মানুষও অনেক সময় না জেনে বউমাকেই দোষারোপ করেন। অথচ বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে পুরুষের কারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনেক স্বামী পরীক্ষা করাতে দ্বিধা করেন। কেউ কেউ মনে করেন, এতে সম্মান বা পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। কিন্তু এটি কোনো লজ্জার বিষয় নয়। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতোই বন্ধ্যাত্বও একটি চিকিৎসাযোগ্য মেডিকেল সমস্যা।

একটি সাধারণ সিমেন অ্যানালাইসিস বা বীর্য পরীক্ষার মাধ্যমে শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি ও গঠন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। প্রয়োজনে আরও কিছু পরীক্ষা করে কারণ নির্ণয় করা হয়।

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

• হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
• ভ্যারিকোসিল, অর্থাৎ অণ্ডকোষের শিরায় অস্বাভাবিক ফোলাভাব
• দীর্ঘদিনের ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ
• অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাব
• স্থূলতা ও অনিয়মিত জীবনযাপন
• কিছু জন্মগত বা জিনগত সমস্যা
• আগের কিছু সংক্রমণ, অস্ত্রোপচার বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা

কারণ অনুযায়ী জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ওষুধ, ভ্যারিকোসিলের মতো সমস্যায় সার্জারি কিংবা প্রয়োজনে IUI বা IVF-এর মতো সহায়ক প্রজনন চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক দম্পতির সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়ানো সম্ভব।

তাই সন্তান না হলে শুধু স্ত্রীকে দোষারোপ না করে দুজনই একসঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সময়মতো সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা অনেক সমস্যার সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে।

সন্তান না হওয়া কারও একার দোষ নয়। সচেতনতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সময়মতো চিকিৎসাই হতে পারে আপনাদের বাবা-মা হওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।

কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান বা মেসেজ করুন।

দীর্ঘদিন ধরে ফার্টিলিটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ে।সন্তান না হলে প্রথমেই সবাই তাকিয়ে থাকে স্ত্রীর...
24/08/2026

দীর্ঘদিন ধরে ফার্টিলিটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ে।

সন্তান না হলে প্রথমেই সবাই তাকিয়ে থাকে স্ত্রীর দিকে। শাশুড়ি, জা, প্রতিবেশী, এমনকি পরিবারের সবাই অনেক সময় ধরেই নেন যে সমস্যাটা মেয়েটির। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, সন্তান না হওয়ার পেছনে প্রায় সমান সমান কারণ থাকতে পারে স্বামীর দিক থেকেও। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় শুধু স্ত্রীকে একের পর এক পরীক্ষা, ওষুধ, ইনজেকশনের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, আর স্বামীর একটা সাধারণ সিমেন অ্যানালাইসিসও করানো হয় না।

সাথে যোগ হয় আরেকটা সমস্যা। শুরুতে সঠিক জায়গায়, সঠিক ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অনেকে বছরের পর বছর ঘুরতে থাকেন এখানে সেখানে, কখনো কবিরাজের কাছে, কখনো পরিচিতজনের পরামর্শে। ততদিনে বয়স বাড়ে, সময় ফুরিয়ে যায়, আর সমস্যাটাও জটিল হয়ে ওঠে।

এর ফল কী হয়?

সময় নষ্ট হয়, মানসিক কষ্ট বাড়ে, টাকা খরচ হয় ভুল জায়গায়। আর সবচেয়ে দুঃখজনক হলো একজন মেয়ে বছরের পর বছর নিজেকে দোষী ভাবতে থাকেন, এমন একটা সমস্যার জন্য যেটা হয়তো তার শরীরে ছিলোই না।

আমি রোগী দেখতে বসলে এখন প্রথম কথাটাই বলি, দুজনকেই আসতে হবে, দুজনেরই পরীক্ষা লাগবে। এটা কারো "দোষ" খোঁজার বিষয় না, এটা একটা মেডিকেল কন্ডিশন, যার সমাধান তখনই সহজ হয় যখন সঠিক জায়গায়, সঠিক ডাক্তারের কাছে গিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক কারণটা খুঁজে বের করা যায়।

তাই যাদের কনসিভ করতে দেরি হচ্ছে, তাদের বলবো, দেরি করবেন না আর একা এই বোঝা বইবেন না। স্বামী স্ত্রী দুজনে একসাথে আসুন, দুজনেই পরীক্ষা করান, আর শুরু থেকেই সঠিক জায়গায় সঠিক ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিন। এতে অনেক সমস্যার সমাধান অনেক সহজেই সম্ভব হয়।

আমার রোগীটা প্রথম যেদিন চেম্বারে এসেছিল, হাতে অনেকগুলো পুরনো রিপোর্টের ফাইল। কথা বলার সময় গলাটা কেঁপে উঠছিল বারবার। বহু...
20/08/2026

আমার রোগীটা প্রথম যেদিন চেম্বারে এসেছিল, হাতে অনেকগুলো পুরনো রিপোর্টের ফাইল। কথা বলার সময় গলাটা কেঁপে উঠছিল বারবার।

বহুদিন ধরে চেষ্টা করছে, অনেক জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছে, কিন্তু বারবার ব্যর্থতা। এমন গল্প আমার চেম্বারে নতুন নয়, কিন্তু প্রতিটা গল্পই আলাদা করে ছুঁয়ে যায়।

সাত সপ্তাহের গর্ভধারণ, ছোট্ট হৃদস্পন্দনটা আজ স্ক্রিনে স্পষ্ট দেখা গেল।

আলহামদুলিল্লাহ। ইনফার্টিলিটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রতিদিন এমন অনেক গল্প দেখি, যেখানে শুধু চিকিৎসা নয়, দরকার হয় সাহস, ভরসা আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের একটা জায়গা।

যখন ও প্রথম আমার চেম্বারে এসেছিল, চোখেমুখে একটা ক্লান্তি ছিল। বারবার ব্যর্থতার পর নতুন করে বিশ্বাস করাটা সহজ কাজ না। আমি সবসময় বলি, চিকিৎসক হিসেবে আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি, উত্তম ফলাফল দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।

আমরা মিলে ধাপে ধাপে এগিয়েছি, প্রতিটা পরীক্ষা, প্রতিটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সময় নিয়ে, সততার সাথে, আর বাকিটা রব্বুল আলামিনের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। আর আজ যখন রিপোর্টে দেখলাম বেবির হৃদস্পন্দন স্পষ্ট, মনটা ভরে গেল কৃতজ্ঞতায়। আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া।

আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটা মায়ের গল্প আলাদা, প্রতিটা যাত্রার নিজস্ব সময় আছে, আর আল্লাহ তায়ালার একটা নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত থাকে সবকিছুর জন্য। যারা এখনো অপেক্ষায় আছেন, হাল ছেড়ে দেবেন না, দোয়া চালিয়ে যান।

সঠিক পরামর্শ, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা, একটু ধৈর্য আর আল্লাহর উপর ভরসা, এই কয়টা জিনিস অনেক কিছু বদলে দিতে পারে ইনশাআল্লাহ।

এই রোগীটার জন্য অনেক দোয়া রইল, আল্লাহ তায়ালা যেন সামনের প্রতিটা দিন সহজ ও নিরাপদ করে দেন। আমিন।

দীর্ঘদিন সন্তানের জন্য অপেক্ষা করার পর যখন একজন মা তার কোলে একটা না, দুইটা সন্তান নিয়ে আসার সুসংবাদ পান, তখন সেই মুহূর্...
16/08/2026

দীর্ঘদিন সন্তানের জন্য অপেক্ষা করার পর যখন একজন মা তার কোলে একটা না, দুইটা সন্তান নিয়ে আসার সুসংবাদ পান, তখন সেই মুহূর্তটা আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটা হয়ে দাঁড়ায়।

আমার এই রোগী অনেকদিন ধরে সন্তান ধারণের চেষ্টা করছিলেন। আগে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সফল হননি।

হতাশ হয়ে যখন আমার কাছে আসেন, তখন প্রথমে তার সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য ইতিহাস আর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে তার জন্য আলাদা একটা চিকিৎসা পরিকল্পনা করি। এরপর নিয়মিত ফলোআপ আর ধাপে ধাপে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পর তার শরীর ভালোভাবে সাড়া দিতে শুরু করে।

কিছুদিন আগে আলট্রাসনোগ্রাফি করে জানা গেল তিনি জমজ সন্তান ধারণ করেছেন। সেদিন তার চোখেমুখে যে খুশি দেখেছিলাম তা আজও মনে গেঁথে আছে। দুটো সন্তানই সুস্থ আছে, স্বাভাবিকভাবে বড় হচ্ছে, হৃদপিণ্ড আর মস্তিষ্কসহ সবকিছু ঠিকঠাক আছে বলে রিপোর্টে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এই যাত্রাটা মোটেও সহজ ছিল না। ধৈর্য ধরে থাকা, নিয়মিত চেকআপে আসা আর চিকিৎসার প্রতি আস্থা রাখা এই তিনটা জিনিস একসাথে মিলেই আজকের এই সুন্দর ফলাফল এসেছে। আমি সবসময় বিশ্বাস করি সঠিক রোগ নির্ণয় আর ধৈর্যশীল চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তানহীনতার সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব।

যারা দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করছেন আর হতাশ হয়ে পড়েছেন, তাদের বলবো আশা হারাবেন না। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এমন সুন্দর ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

চেম্বার সময়সূচি:
📍 অ্যালায়েন্স হাসপাতাল,শ্যামলী, ঢাকা
🕔 বিকাল ৬টা – সন্ধ্যা ৯ টা
(মঙ্গলবার–শুক্রবার ব্যতীত)

📍 কালিয়াকৈর, গাজীপুর
🗓 প্রতি মঙ্গলবার

📍 মাওনা, গাজীপুর
🗓 প্রতি শুক্রবার

সিরিয়াল নিতে কল করুন: ০১৭২০৪২২৪৪৮

বাংলাদেশে সিজারিয়ান ডেলিভারির হার নিয়ে অনেকদিন ধরেই একটা কথা মনে হচ্ছিল, আজ সেটা শেয়ার করি।চিকিৎসাগত কারণে যেকোনো দেশ...
12/08/2026

বাংলাদেশে সিজারিয়ান ডেলিভারির হার নিয়ে অনেকদিন ধরেই একটা কথা মনে হচ্ছিল, আজ সেটা শেয়ার করি।

চিকিৎসাগত কারণে যেকোনো দেশে সিজারের স্বাভাবিক হার হওয়া উচিত ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে, এটাই স্বীকৃত মানদণ্ড। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা একদম উল্টো। WHO এর পরিসংখ্যান এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, এই হার বহু আগেই স্বাভাবিক সীমা পেরিয়ে গেছে। শহর থেকে গ্রাম, সব জায়গাতেই অপ্রয়োজনীয় সিজারের এই প্রবণতা এখন একরকম নীরব মহামারির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে, একজন চিকিৎসক হিসেবে এটা আমাকে সত্যিই ভাবায়।

প্রতিদিন রোগীদের আমি বলি, নরমাল ডেলিভারি একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। গর্ভাবস্থায় জটিলতা না থাকলে এবং সঠিক প্রস্তুতি নিলে বেশিরভাগ মা-ই স্বাভাবিকভাবে সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে পারেন। আমার পরামর্শ থাকে হালকা হাঁটাচলা ও নিরাপদ ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া, সুষম খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং প্রসব বেদনা নিয়ে সমাজে প্রচলিত ভয়ের গল্প থেকে দূরে থেকে মনকে শক্ত রাখা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রোগীকে নরমাল ডেলিভারির সুযোগ দেওয়াটাই আমার চেষ্টা থাকে সবসময়।

তবে এটাও পরিষ্কার করে বলতে চাই, সিজার কোনো ভুল পদ্ধতি নয়, এটা একটা জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা। বাচ্চার অবস্থান ঠিক না থাকলে, প্রসবের সময় বাচ্চার হার্টবিট কমে গিয়ে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে, প্ল্যাসেন্টা প্রিভিয়া থাকলে, মায়ের উচ্চ রক্তচাপ বা একলামসিয়ার মতো জটিলতা থাকলে, কিংবা প্রসবের পথ সংকীর্ণ হলে আমি নিজেও সিজারের সিদ্ধান্ত নিই, কারণ তখন সেটাই একমাত্র নিরাপদ পথ।

সমস্যা হয় তখনই, যখন সামান্য অজুহাতে বা তাড়াতাড়ি ডেলিভারি শেষ করার চিন্তা থেকে অপ্রয়োজনীয় সিজার করানো হয়। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী। বারবার সিজার করালে জরায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে, জরায়ু ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং পরবর্তী গর্ভাবস্থায় প্ল্যাসেন্টা অ্যাক্রেটার মতো জীবনঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে। অপারেশনের জায়গায় দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা থেকে যায়, পেটের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। সময়ের আগে সিজার করা হলে নবজাতকের ফুসফুস পুরোপুরি পরিপক্ব না হওয়ায় অনেক শিশু শ্বাসকষ্ট নিয়ে জন্ম নেয়, ফলে এনআইসিইউতেও রাখতে হয়।

আর্থিক দিক থেকেও সিজার নরমাল ডেলিভারির চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল। অপারেশন ফি, ওটি চার্জ, ওষুধ আর হাসপাতালে বেশি দিন থাকার কারণে অনেক পরিবার আর্থিক চাপে পড়ে, এটা আমি প্র্যাকটিসে বহুবার দেখেছি। মায়ের স্বাভাবিক কাজে ফিরতেও লেগে যায় দুই থেকে তিন মাস বা তারও বেশি সময়, যার প্রভাব পড়ে নবজাতকের যত্নেও।

আমার কাছে সিজার কখনোই সহজ সমাধান বা ফ্যাশন নয়। এটা হওয়া উচিত শুধু জটিল পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচানোর শেষ অস্ত্র। পরিবারের সচেতনতা, চিকিৎসকের সততা এবং গর্ভবতী মায়ের নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব। আসুন আমরা সবাই মিলে প্রাকৃতিক প্রসবের পরিবেশ তৈরিতে সচেতন হই এবং সিজারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে আনি।

কিছুদিন আগে আমার কাছে এক রোগী আসেন। এর আগে তিনি বহু জায়গায় দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েছিলেন, কিন্তু বার বার চেষ্টা করেও কাঙ...
11/08/2026

কিছুদিন আগে আমার কাছে এক রোগী আসেন। এর আগে তিনি বহু জায়গায় দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েছিলেন, কিন্তু বার বার চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। হতাশ আর ক্লান্ত হয়ে তিনি একদিন আমার চেম্বারে আসেন।

আমরা প্রথমে তার সমস্যাটা নতুন করে খুঁটিয়ে দেখি, প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা করাই এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা সাজাই।

এরপর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া হয়। কিছুদিন পর অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত সুখবরটা আসে, তিনি সফলভাবে গর্ভধারণ করেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ, আজ তার প্রেগন্যান্সি সুস্থভাবে এগিয়ে চলছে, বাচ্চার হার্টবিট স্বাভাবিক এবং সবকিছু ভালোভাবে চলছে।

যারা বার বার চেষ্টা করেও সফল না হয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সঠিক মূল্যায়ন আর সঠিক চিকিৎসা পেলে সমাধান অবশ্যই সম্ভব। তাই হাল ছেড়ে দেবেন না, চেষ্টা চালিয়ে যান।

আপনার যদি একই ধরনের সমস্যা থাকে বা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সফল না হয়ে থাকেন, নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন। 💚

Address

Alliance Hospital Limited, 24/3 Khilji Road, Ring Rd

1207

Telephone

+8801912335039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Farzana Islam Shaon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed clinic?

Share