Dr. Rooh-E-Zakaria

Call Directions

Dr. Rooh-E-Zakaria MBBS | FCPS | FMAS | FACS
Infertility Trained (NUH, Singapore)
Gynaecologist & Laparoscopic/Infertility Specialist
Asst.
(1)

Prof., Obs & Gynae (SSMCH)

Chamber:
Popular Shyamoli: Sat/Sun/Mon/Wed ( 5–7 PM)
Labaid Mirpur-1: 8–10 PM (Fri: Closed)

আমার একজন পেশেন্ট মেসেজ দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি কনসিভ করেছেন। খবরটি পেয়ে সত্যিই খুব আনন্দিত হয়েছি। তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন,...
10/10/2026

আমার একজন পেশেন্ট মেসেজ দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি কনসিভ করেছেন।

খবরটি পেয়ে সত্যিই খুব আনন্দিত হয়েছি। তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন, বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাও নিয়েছেন, কিন্তু সফলতা পাননি। এরপর আমার কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কনসিভ করার সুখবরটি জানান।

একজন চিকিৎসক হিসেবে এমন খবর পাওয়া সত্যিই অনেক আনন্দের। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, দুশ্চিন্তা আর নানা অনিশ্চয়তার পর যখন একজন রোগী তাঁর কাঙ্ক্ষিত সুখবরটি জানান, তখন সেই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেক দম্পতিকেই নানা ধরনের বাধার মুখোমুখি হতে হয়। তবে সমস্যার কারণ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক রোগীর সমস্যা ও চিকিৎসার অভিজ্ঞতা আলাদা, তাই সবার জন্য একই ফলাফল আশা করা যায় না।

আমার কাছে যাঁরা আস্থা রেখে চিকিৎসা নিতে আসেন, তাঁদের প্রত্যেকের জন্যই আন্তরিক শুভকামনা রইল।

আমাদের এই পেশেন্টের জন্যও অনেক দোয়া ও ভালোবাসা। তাঁর গর্ভাবস্থার পরবর্তী সময়টুকু সুন্দর ও নিরাপদ হোক।

ল্যাবএইড লিমিটেড, মিরপুর
প্লট #০১, রোড #০৩, সেক্টর-০৩, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬

🕗 রোগী দেখার সময়
প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে ১০টা
শুক্রবার বন্ধ

📞 সিরিয়ালের জন্য
019707022

IUI নিয়ে অনেকের মনেই একটা ভয় বা দ্বিধা থাকে। কেউ ভাবেন এটা খুব কষ্টের কোনো চিকিৎসা, আবার কেউ মনে করেন অপারেশন করতে হবে। ...
07/10/2026

IUI নিয়ে অনেকের মনেই একটা ভয় বা দ্বিধা থাকে। কেউ ভাবেন এটা খুব কষ্টের কোনো চিকিৎসা, আবার কেউ মনে করেন অপারেশন করতে হবে। আসলে IUI তেমন কিছু নয়।

IUI-এর পুরো নাম Intrauterine Insemination। এটি কোনো অপারেশন নয়।

এই পদ্ধতিতে প্রথমে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। এরপর ল্যাবে ভালো ও চলনশীল শুক্রাণুগুলো আলাদা করে প্রস্তুত করা হয়। তারপর একটি খুব পাতলা ক্যাথেটারের মাধ্যমে সেই শুক্রাণু জরায়ুর ভেতরে দেওয়া হয়। এতে শুক্রাণুকে যোনিপথ পেরিয়ে জরায়ুতে পৌঁছাতে হয় না।

পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অ্যানেস্থেশিয়ার প্রয়োজন হয় না। কারও কারও সাময়িকভাবে মাসিকের সময়ের মতো হালকা ক্র্যাম্প বা চাপ অনুভূত হতে পারে। এরপর সাধারণত স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরে যাওয়া যায়।

তবে IUI সবার জন্য উপযুক্ত নয়। নারীর বয়স, ডিম্বস্ফোটন হচ্ছে কি না, ফ্যালোপিয়ান টিউব খোলা আছে কি না, জরায়ুর অবস্থা এবং শুক্রাণুর মানসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, কোনো চিকিৎসাতেই শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। একবারে সফল না হলে অনেক সময় একাধিক চেষ্টার প্রয়োজন হতে পারে। তাই নিজের পরিস্থিতি বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এগোনোই ভালো।

আমার কাছে অনেক দম্পতি IUI নিয়ে ভয় ও দ্বিধা নিয়ে আসেন। বিষয়টা ভালোভাবে বুঝিয়ে বলার পর তাদের অনেকেরই ভয়টা কমে যায়। আমি মনে করি, চিকিৎসা নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার চেয়ে সঠিক তথ্য জানা অনেক বেশি জরুরি।

IUI নিয়ে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন অথবা কল করুন ০১৬৭০০৩২০৭২।

📍 চেম্বার

ল্যাবএইড লিমিটেড, মিরপুর

প্লট #০১, রোড #০৩, সেক্টর-০৩, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬

🕗 রোগী দেখার সময়
প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে ১০টা
শুক্রবার বন্ধ

📞 সিরিয়ালের জন্য
019707022

🌸 AMH কম মানেই কি মা হওয়া যাবে না?সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। AMH পরীক্ষা করালেন, রিপোর্টে দেখলেন AMH একটু কম। এরপর অ...
05/10/2026

🌸 AMH কম মানেই কি মা হওয়া যাবে না?

সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। AMH পরীক্ষা করালেন, রিপোর্টে দেখলেন AMH একটু কম। এরপর অনেকেই খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।

আমার কাছে এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। আসলে শুধু AMH কম এসেছে বলেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

AMH বা Anti-Müllerian Hormone আমাদের ডিম্বাশয়ে থাকা follicles বা ডিম্বাণুর মজুত সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়। AMH কম হলে মজুত তুলনামূলক কম হতে পারে। আবার বেশি হলে follicles-এর সংখ্যা বেশি হতে পারে। তবে খুব বেশি AMH কিছু ক্ষেত্রে PCOS-এর সঙ্গেও দেখা যায়।

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, AMH কম মানেই গর্ভধারণ করা যাবে না, এমন নয়।

আবার AMH বেশি থাকলেই যে সহজে গর্ভধারণ হবে, সেটাও বলা যায় না।

কারণ AMH মূলত ডিম্বাণুর সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা দেয়, ডিম্বাণুর গুণমান সম্পর্কে নয়। আর ডিম্বাণুর গুণমানের ক্ষেত্রে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করলে শুধু AMH রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বয়স, মাসিক ও ovulation, AFC, Fallopian tube এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বামীর semen analysis সহ পুরো বিষয়টি একসঙ্গে দেখা হয়।

তাই আপনার AMH একটু কম এসেছে বলে হতাশ হবেন না। একটি রিপোর্ট দিয়ে কখনোই বলা যায় না যে আপনি মা হতে পারবেন কি না।

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ❤️

Dr. Rooh E Zakaria
OBGYN, Infertility Specialist & Laparoscopic Surgeon

ল্যাবএইড লিমিটেড, মিরপুর

প্লট #০১, রোড #০৩, সেক্টর-০৩, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬

🕗 রোগী দেখার সময়
প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে ১০টা
শুক্রবার বন্ধ

📞 সিরিয়ালের জন্য
019707022

আমার চেম্বারে আসা অনেক দম্পতিরই একটা প্রশ্ন থাকে, "ম্যাডাম, কী খেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়বে?"আমি তাঁদের বলি, গর্ভধারণ...
03/10/2026

আমার চেম্বারে আসা অনেক দম্পতিরই একটা প্রশ্ন থাকে, "ম্যাডাম, কী খেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়বে?"

আমি তাঁদের বলি, গর্ভধারণের জন্য কোনো জাদুর খাবার নেই। তবে আমাদের প্রতিদিনের খাবার, ঘুম, শারীরিক পরিশ্রম এবং কিছু অভ্যাস নারী ও পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রথমেই বলব জীবনযাত্রার কথা।

ধূমপান নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা ও গঠনে সমস্যা দেখা যেতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রেও ধূমপান গর্ভধারণে দেরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলুন।

অতিরিক্ত ওজন যেমন প্রজননস্বাস্থ্যে সমস্যা তৈরি করতে পারে, তেমনি অতিরিক্ত কম ওজনও ডিম্বস্ফোটনে বাধা দিতে পারে। নিয়মিত হাঁটাচলা, পরিমিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ সামলানোর চেষ্টা করুন।
এবার আসি খাবারের কথায়।

নারী ও পুরুষ উভয়ের খাদ্যতালিকায় রাখুন শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, ডিম, মাছ, বাদাম এবং লাল চাল বা অন্যান্য পূর্ণ শস্য। সবুজ শাকসবজি ও ডাল থেকে পাওয়া ফলেট গর্ভধারণের আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। মাছ, ডিম ও বাদামসহ পুষ্টিকর খাবার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।

পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যের জন্য জিংক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খেলেই শুক্রাণুর মান বাড়বে বা গর্ভধারণ নিশ্চিত হবে, এমন প্রমাণ নেই।
যেসব খাবার কমানো ভালো, সেগুলো হলো অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, ফাস্ট ফুড, প্রসেসড খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি পানীয়। অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণও এড়িয়ে চলুন। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে অ্যালকোহল ও তামাক পরিহার করা ভালো।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফলিক অ্যাসিড। গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন এমন নারীদের সাধারণত প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষ কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডোজ নির্ধারণ করতে হবে।

সবশেষে একটা কথা মনে রাখবেন। স্বাস্থ্যকর খাবার ও জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বন্ধ্যত্বের সব সমস্যার সমাধান নয়। নারীর বয়স ৩৫ বছরের কম হলে এক বছর এবং ৩৫ বছর বা তার বেশি হলে ছয় মাস নিয়মিত চেষ্টার পরও গর্ভধারণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মাসিক অনিয়মিত হলে বা আগে থেকেই কোনো প্রজননস্বাস্থ্যজনিত সমস্যা জানা থাকলে আরও আগেই পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে স্বামী ও স্ত্রী দুজনেরই পরীক্ষা করা দরকার।

আল্লাহ সবার কোল জুড়ে সুস্থ সন্তান দান করুন। আমিন।

চেম্বারে প্রায়ই দম্পতিরা একটু ভয় ভয় করে জিজ্ঞেস করেন,“ম্যাডাম, আমাদের কি অপারেশন করাতে হবে?”অপারেশনের কথা শুনলেই অনেকের ...
30/09/2026

চেম্বারে প্রায়ই দম্পতিরা একটু ভয় ভয় করে জিজ্ঞেস করেন,
“ম্যাডাম, আমাদের কি অপারেশন করাতে হবে?”

অপারেশনের কথা শুনলেই অনেকের মনে হয়, ব্যাপারটা হয়তো অনেক বড় কিছু। তাই সন্তান না হওয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত দুটো গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি খুব সহজ করে বলি। একটি ল্যাপারোস্কোপি, আরেকটি হিস্টেরোস্কোপি।

সহজ করে বললে, ল্যাপারোস্কোপিতে জরায়ুর বাইরের অংশ, ডিম্বনালী, ডিম্বাশয় ও আশপাশের জায়গা দেখা হয়। আর হিস্টেরোস্কোপিতে জরায়ুর ভেতরটা দেখা হয়।

ল্যাপারোস্কোপি:
পেটে বড় করে কাটতে হয় না। ছোট কয়েকটি ছিদ্র করে ক্যামেরা দিয়ে দেখা হয়। এন্ডোমেট্রিওসিস, অ্যাডহেশন, কিছু ধরনের সিস্ট বা ডিম্বনালীর সমস্যা থাকলে তা ধরা পড়তে পারে। প্রয়োজন হলে একই সময় কিছু সমস্যার চিকিৎসাও করা যায়।

ডিম্বনালীতে পানি জমে যাকে হাইড্রোস্যালপিংক্স বলা হয়, সেটি থাকলে বিশেষ করে IVF-এর আগে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

হিস্টেরোস্কোপি:
এতে পেটে কোনো কাটাই লাগে না। জরায়ুর মুখ দিয়ে ছোট ক্যামেরা ঢুকিয়ে ভেতরটা দেখা হয়। পলিপ, জরায়ুর ভেতরের কিছু ফাইব্রয়েড, সেপ্টাম বা অ্যাডহেশন থাকলে সেগুলো ধরা পড়ে এবং প্রয়োজন হলে একই সময় চিকিৎসাও করা যায়।

বারবার IVF ব্যর্থ হলে, বারবার গর্ভপাত হলে বা জরায়ুর ভেতরে কোনো সমস্যা সন্দেহ হলে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী হিস্টেরোস্কোপির প্রয়োজন হতে পারে।

সবার কি ল্যাপারোস্কোপি বা হিস্টেরোস্কোপি লাগে?

না, সবার লাগে না। বয়স, কতদিন ধরে চেষ্টা করছেন, আগের চিকিৎসা, সমস্যা ও পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

শুধু অপারেশন করানোর জন্য অপারেশন করা উচিত নয়। রোগীর যেখানে যেটা প্রয়োজন, সেটাই করা উচিত।

অপারেশনের পর কতদিন হাসপাতালে থাকতে হবে বা কবে আবার সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করা যাবে, সেটাও অপারেশনের ধরন ও রোগীর অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

সন্তান না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে মানসিক চাপ অনেক বেশি। তবে সঠিক কারণ জানা গেলে অনেক সমস্যারই চিকিৎসা সম্ভব।

আল্লাহ যা চান, সেটাই হয়। আমাদের দায়িত্ব হলো সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ নেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা করা এবং ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

আল্লাহ সব দম্পতিকে সুস্থ সন্তান দান করুন। আমিন।

আজ একটু ভিন্ন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই, যেটা নিয়ে আমাদের সমাজে এখনো অনেক নীরবতা এবং ভুল ধারণা কাজ করে। বিষয়টা হলো...
26/09/2026

আজ একটু ভিন্ন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই, যেটা নিয়ে আমাদের সমাজে এখনো অনেক নীরবতা এবং ভুল ধারণা কাজ করে। বিষয়টা হলো পুরুষ বন্ধ্যাত্ব।

আমাদের দেশে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা এলেই বেশিরভাগ সময় স্ত্রীর দিকেই সবার প্রথম আঙুল ওঠে। অথচ বন্ধ্যাত্বের প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে পুরুষের কারণ এককভাবে বা যৌথভাবে ভূমিকা রাখে। শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া, শুক্রাণুর গতিশীলতা কম থাকা কিংবা বীর্যে একেবারেই শুক্রাণু না পাওয়া, এই ধরনের সমস্যা নিয়ে অনেক পুরুষই বছরের পর বছর চুপ করে থাকেন লোকলজ্জার ভয়ে। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, এখন আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এসব সমস্যার চিকিৎসার বিভিন্ন কার্যকর পদ্ধতি রয়েছে।

যাদের শুক্রাণুর সংখ্যা কম বা গুণগত মানের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ICSI বা Intracytoplasmic S***m Injection একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে একটি উপযুক্ত শুক্রাণু মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়। ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা বা গতিশীলতা কম থাকলেও নিষেকের সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব হয়।

আর যেসব রোগীর বীর্যে একেবারেই শুক্রাণু পাওয়া যায় না, এই অবস্থাকে বলা হয় Azoos***mia। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে Micro-TESE বা Microscopic Testicular S***m Extraction-এর মাধ্যমে অণ্ডকোষের টিস্যুর ভেতর থেকে মাইক্রোসার্জারির সাহায্যে শুক্রাণু খুঁজে বের করা সম্ভব হতে পারে। শুক্রাণু পাওয়া গেলে পরবর্তীতে ICSI-এর মাধ্যমে নিষেকের চেষ্টা করা যায়।

আমি নিজের প্র্যাকটিসে এমন অনেক দম্পতিকে দেখেছি যারা বছরের পর বছর হতাশায় ভুগেছেন, আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু সঠিক পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে আল্লাহর রহমতে তাদের অনেকেই সন্তানের মুখ দেখেছেন।

তাই আমার অনুরোধ, এক বছর নিয়মিত চেষ্টা করার পরও যদি স্বাভাবিকভাবে সন্তান না আসে, তাহলে শুধু স্ত্রীর নয়, স্বামীরও প্রাথমিক টেস্ট করা উচিত। এর মধ্যে Semen Analysis একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। লজ্জা বা সংকোচ না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন, বন্ধ্যাত্ব কোনো ব্যর্থতা নয়। এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা, এবং অনেক ক্ষেত্রেই এর চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে আশার পথ তৈরি হতে পারে।

25/09/2026

# Ectopic Pregnancy

জরায়ুর বাইরে, যেমন ফ্যালোপিয়ান টিউব, ওভারি বা পেটের ভেতরের অন্য কোনো স্থানে গর্ভধারণ হলে তাকে Ectopic Pregnancy (এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি) বলা হয়।

এটি একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা, তাই সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির মাধ্যমে একজন রোগীর Ectopic Pregnancy-এর চিকিৎসা করে এলাম।

24/09/2026
আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন আমার একজন পেশেন্ট, সঙ্গে তার ছোট্ট সন্তান।বাচ্চার মায়ের বয়স ৩৪ বছর এবং বাবার বয়স ৪৫ বছর। দীর্ঘ ১০...
21/09/2026

আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন আমার একজন পেশেন্ট, সঙ্গে তার ছোট্ট সন্তান।

বাচ্চার মায়ের বয়স ৩৪ বছর এবং বাবার বয়স ৪৫ বছর। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করার পর IUI-এর মাধ্যমে তারা গর্ভধারণ করেছিলেন।

গর্ভধারণের পর তিনি নিয়মিত antenatal check-up করেছেন এবং পুরো গর্ভাবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ফলোআপের মধ্যে ছিলেন। গর্ভাবস্থার শেষের দিকে তার BP কিছুটা বেড়ে যায়। তাই তখন বাড়তি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শেষ পর্যন্ত Caesarean Section (CS)-এর মাধ্যমে তার সন্তানের জন্ম হয়।

দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার পর আজ যখন তাদের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি, সত্যিই খুব ভালো লাগছে।

আলহামদুলিল্লাহ। আমার চিকিৎসার উছিলায় আল্লাহ তাদের ঘরে সন্তান দিয়েছেন।

সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অপেক্ষা থাকলেও আশা হারানোর কিছু নেই। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা এবং নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে অনেক দম্পতিই তাদের কাঙ্ক্ষিত সন্তানের মুখ দেখতে পারেন।

আল্লাহ সব দম্পতির মনের আশা পূরণ করুন। আমিন।

অনেকে জানতে চান IUI আসলে কী, কখন এটা করা হয়, প্রসিডিউরটা কেমন আর সাফল্যের সম্ভাবনা কতটা। আজকে একটু সহজভাবে বিষয়গুলো নি...
19/09/2026

অনেকে জানতে চান IUI আসলে কী, কখন এটা করা হয়, প্রসিডিউরটা কেমন আর সাফল্যের সম্ভাবনা কতটা। আজকে একটু সহজভাবে বিষয়গুলো নিয়ে বলি।

IUI মানে হলো Intrauterine Insemination। Husband-এর semen sample ল্যাবে প্রসেস করে ভালোভাবে চলাচল করতে পারে এমন s***m আলাদা করে প্রস্তুত করা হয়। এরপর একটি পাতলা catheter দিয়ে সেই s***m সরাসরি স্ত্রীর জরায়ুর ভেতরে দেওয়া হয়।

স্বাভাবিকভাবে s***m-কে যোনিপথ থেকে জরায়ুমুখ পেরিয়ে অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু IUI-তে s***m সরাসরি জরায়ুর ভেতরে দেওয়া হয়, ফলে ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছানোর পথটা কিছুটা সহজ হয়ে যায়। তবে IUI করলেই যে গর্ভধারণ হবে, এমন কোনো গ্যারান্টি নেই।

সবার জন্য IUI প্রয়োজন হয় না। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এটি বিবেচনা করা হয়। যেমন, husband-এর s***m count বা motility কিছুটা কম থাকলে, কিন্তু একেবারে গুরুতর পর্যায়ে না থাকলে IUI করা যেতে পারে।

আবার অনেক দম্পতির সব পরীক্ষা মোটামুটি স্বাভাবিক আসার পরও গর্ভধারণ না হলে, যাকে আমরা **unexplained infertility (কারণ নির্দিষ্টভাবে জানা না যাওয়া বন্ধ্যত্ব)** বলি, তাদের ক্ষেত্রেও IUI বিবেচনা করা যেতে পারে।

যাদের ovulation নিয়মিত হয় না, তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ বা injection দিয়ে ovulation করানো বা এর সময় ঠিক করে IUI করা হতে পারে।

তবে শুধু semen analysis দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না। স্ত্রীর বয়স, infertility-এর কারণ, **fallopian tube (ডিম্বনালি)** খোলা আছে কিনা, **ovarian reserve (ডিম্বাশয়ে থাকা ডিম্বাণুর মজুত)** এবং অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনা করতে হয়।

প্রসিডিউরটা আসলে খুব সহজ। প্রথমে ultrasound করে দেখা হয় ডিম্বাণু কীভাবে বড় হচ্ছে এবং ovulation কখন হতে পারে। প্রয়োজন হলে ওষুধ বা injection দিয়ে ovulation-এর সময় নির্ধারণ করা হয়।

ঠিক সময়ে husband-এর semen sample নেওয়া হয়। ল্যাবে সেটি প্রসেস করে উপযুক্ত s***m আলাদা করে প্রস্তুত করা হয়। এরপর পাতলা catheter দিয়ে সেই s***m জরায়ুর ভেতরে দেওয়া হয়।

পুরো প্রসিডিউর সাধারণত কয়েক মিনিটেই হয়ে যায়। সাধারণত anesthesia লাগে না। কারও কারও হালকা cramp হতে পারে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সাধারণত বাসায় ফিরে যাওয়া যায়।

সাকসেস রেট নিয়ে সৎভাবেই বলি, প্রতি IUI cycle-এ গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় ২০ শতাংশের মতো হতে পারে। তবে এটা সবার জন্য এক নয়। বয়স, infertility-এর কারণ, ovulation, s***m-এর মান এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর ফলাফল কমবেশি হতে পারে।

একবারে সফল না হলেই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পরপর কয়েকটি cycle করলে **cumulative success rate (একাধিক cycle মিলিয়ে মোট সফলতার সম্ভাবনা)** একটি cycle-এর তুলনায় বাড়তে পারে।

তবে এখানে একটা ভুল ধারণা অনেকের থাকে। ২০ শতাংশকে তিনবার দিয়ে গুণ করে ৬০ শতাংশ ভাবা যাবে না। হিসাবটা এত সরল নয়, আর প্রত্যেক দম্পতির ফলাফলও আলাদা হতে পারে।

তাই আপনার জন্য IUI উপযুক্ত কিনা, কতগুলো cycle ট্রাই করা যেতে পারে, নাকি অন্য কোনো treatment-এ যাওয়া দরকার, এসব আপনার বয়স, history এবং রিপোর্ট দেখেই বলা সম্ভব।

আল্লাহ সবার জন্য সহজ করে দিন।

Address

Mirpur 1
Dhaka
1230

Telephone

+8801912335039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rooh-E-Zakaria posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category