Dr Debasis Paramanik's Orthopaedic & Joint Replacement Clinic

  • Home
  • India
  • Bankura
  • Dr Debasis Paramanik's Orthopaedic & Joint Replacement Clinic

Dr Debasis Paramanik's Orthopaedic & Joint Replacement Clinic Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr Debasis Paramanik's Orthopaedic & Joint Replacement Clinic, Doctor, Dr Debasis Paramanik(M. S. Orthopaedics) Taragati Samanta Road, Kenduadihi, Bankura.

যে কোন ভাঙা হাড় সোজা ভাবে জোড়ার ও তাড়াতাড়ি কার্য-ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য অপারেশন বা প্লাস্টারএর মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন 9474649668 নাম্বার এ।

নিত্য নতুন আপডেট পেতে ফলো করুন -

https://youtube.com/?si=xfJT4_IkdBgE3sCm

একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিন আমি অসংখ্য রোগী দেখি, যারা বুক ধড়ফড় করা, সারা শরীরে ক্লান্তি, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ব...
17/06/2026

একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিন আমি অসংখ্য রোগী দেখি, যারা বুক ধড়ফড় করা, সারা শরীরে ক্লান্তি, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বা অনিদ্রার মতো উপসর্গ নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায় সব রিপোর্ট নরমাল। তখন একটু গভীরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেই আসল সত্যটা বেরিয়ে আসে—
"ডাক্তারবাবু, ইদানীং মেজাজটা একদম নিয়ন্ত্রণে থাকে না।"

​আমরা অনেকেই ভাবি, “একটু রাগ হয়েছিল, চিৎকার করেছি, ব্যস ওখানেই শেষ!” কিন্তু মেডিকেল সায়েন্স বলছে, গল্পটা মোটেও এত সরল নয়। মাত্র ২ মিনিটের একটা তীব্র রাগ আপনার শরীরের ভেতরে যে ভাঙচুর চালায়, তা মেরামত করতে শরীরের পুরো ২৪ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লেগে যায়।

​আসুন আপনাকে বোঝাই যে মাত্র ২ মিনিটের রাগের জন্য আপনার শরীরকে কী ভয়ানক চড়া মূল্য চোকাতে হয়:

​২ মিনিটের রাগের মেডিকেল পোস্টমর্টেম

​১. স্ট্রেস হরমোনের বিষাক্ত ঢেউ (Hormonal Imbalance)
​আপনি যখনই রেগে যান, আপনার মস্তিষ্ক এটাকে একটা 'জরুরি অবস্থা' বা থ্রেট মনে করে। ফলে শরীর থেকে বিপুল পরিমাণে কর্টিসল (Cortisol) এবং অ্যাড্রেনালিন (Adrenalin) হরমোন নিঃসৃত হয়।
​ফলাফল: রাগ কমে যাওয়ার পরও এই হরমোনগুলোর প্রভাব রক্তে ঘণ্টার পর ঘণ্টা থেকে যায়। এর কারণে আপনি কোনো কারণ ছাড়াই তীব্র ক্লান্তি অনুভব করেন, মেজাজ খিটখিটে থাকে এবং শান্ত মাথায় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

​২. ইমিউন সিস্টেমের সাময়িক পক্ষাঘাত (Suppressed Immunity)
​মেডিকেল গবেষণায় দেখা গেছে, তীব্র রাগের ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর সরাসরি পড়ে। রেগে যাওয়ার পর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবডি (যেমন: Immunoglobulin A) উৎপাদন কয়েক ঘণ্টার জন্য মারাত্মকভাবে কমে যায়।

​ফলাফল: রাগ = অসুখের জন্য খোলা দরজা। এই সময়ে আপনার শরীর বাইরের সাধারণ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

​৩. শরীরের 'হিলিং সিস্টেম' বা নিরাময় প্রক্রিয়া থমকে যাওয়া

​আমাদের শরীর প্রতিনিয়ত নিজের ভেতরকার ক্ষত মেরামত করে— যাকে আমরা বলি সেলুলার রিপেয়ার (Cellular Repair)। নতুন কোষ তৈরি এবং শক্তি পুনর্গঠনের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি তীব্র রাগের কারণে ধীর বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

​ফলাফল: দীর্ঘমেয়াদে এর অর্থ হলো দ্রুত বার্ধক্য (Premature Aging), কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া এবং সামান্য পরিশ্রমেই শরীর ভেঙে পড়া।

​৪. ২৪ ঘণ্টার জন্য ঘুমের দফারফা (Sleep Disruption)

​মাত্র ২ মিনিটের রাগ আপনার শরীরের স্বাভাবিক বায়োলজিক্যাল ক্লক বা স্লিপ সাইকেলকে এলোমেলো করে দেয়। রাগের মাথায় ঘুমাতে গেলে বা দিনের বেলা তীব্র রাগ করলেও রাতে অবচেতন মন শান্ত হয় না।

​ফলাফল: রাতে হয়তো আপনার চোখ বন্ধ থাকবে, কিন্তু ঘুম হবে অগভীর এবং অকার্যকর (Lack of REM sleep)। সকালে উঠে মনে হবে ঘুমিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু শরীর একটুও বিশ্রাম পায়নি।

​প্রেসক্রিপশন: ফিজিক্যাল ইন্টেলিজেন্স (Physical Intelligence)

​রাগ আসাটা একটা স্বাভাবিক মানবিক অনুভূতি, একে একেবারে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। কিন্তু রাগকে আপনার শরীরের চালকের আসনে বসিয়ে দেওয়াটা এক ধরনের আত্মহনন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে নিয়ন্ত্রণ করাকে আমরা বলি Physical Intelligence বা শারীরিক বুদ্ধিমত্তা।

​প্রেসক্রিপশন হিসেবে পরের বার রাগ উঠলে এই ৩টি থেরাপি অ্যাপ্লাই করুন:

​স্টপ থেরাপি (Stop Therapy): রাগ ওঠার সাথে সাথে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। মনে মনে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনুন। এটি আপনার মস্তিষ্কের লজিক্যাল পার্টকে সচল করার সময় দেয়।

​অক্সিজেন ফ্লাশ (Deep Breathing): নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। অতিরিক্ত অক্সিজেন রক্তে কর্টিসলের মাত্রা দ্রুত কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

​স্থান পরিবর্তন (Environmental Shift): যে পরিবেশ বা মানুষের কারণে রাগ হচ্ছে, সেখান থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সরে যান। এক গ্লাস ঠান্ডা জল খান।
​আমার শেষ কথা

​একজন ডাক্তার হিসেবে আপনাকে একটি কঠোর সত্য মনে করিয়ে দিই— যে মানুষটি বা যে বিষয়টি আপনাকে রাগিয়ে দিল, সে হয়তো নিজের মতো শান্তিতেই আছে। কিন্তু রেগে গিয়ে সেই রাগের বিষটা আপনি নিজের শরীরে ঢাললেন এবং নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে শাস্তি দিলেন।
​নিজের ওপর একটু মায়া করুন। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য হলেও রাগ কমান। কারণ আপনার শরীরটাই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ, আর রাগ হলো সেই সম্পদের সবচেয়ে বড় এবং নীরব চোর।

​এখন সিদ্ধান্ত আপনার— মাত্র ২ মিনিটের একটা জেদ বা চিৎকারের জন্য আপনি কি আপনার অমূল্য শরীরের আস্ত একটা দিন (২৪ ঘণ্টা) ধ্বংস করবেন? ভেবে দেখবেন।

🚨 চিকিৎসা বিজ্ঞানে অভাবনীয় আবিষ্কার: কোভিড ভ্যাকসিন কি ক্যানসার চিকিৎসায় সাহায্য করছে?🩺🦠​একটি সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণ...
31/05/2026

🚨 চিকিৎসা বিজ্ঞানে অভাবনীয় আবিষ্কার: কোভিড ভ্যাকসিন কি ক্যানসার চিকিৎসায় সাহায্য করছে?

🩺🦠
​একটি সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় (Nature Journal-এ প্রকাশিত) অত্যন্ত চমকপ্রদ এবং ইতিবাচক একটি তথ্য সামনে এসেছে। গবেষকরা দেখেছেন, কোভিড-১৯ mRNA ভ্যাকসিন ক্যানসারের একটি বিশেষ চিকিৎসা—‘ইমিউনোথেরাপি’ (Immunotherapy)-র কার্যকারিতা প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে!

​এটি কোনো অনুমান নয়, প্রায় ১,০০০ জন ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর ওপর পরীক্ষা করে এই প্রমাণ পাওয়া গেছে।

​📊 তথ্যে কী দেখা গেছে?
​অ্যাডভান্সড ফুসফুসের ক্যানসার (Lung Cancer) এবং মেলানোমা (Skin Cancer) রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে:
​ভ্যাকসিন ছাড়া শুধু ইমিউনোথেরাপি: রোগীরা গড়ে ২০ থেকে ২৬ মাস বেঁচে ছিলেন।

​ভ্যাকসিন + ইমিউনোথেরাপি (১০০ দিনের মধ্যে): রোগীদের বেঁচে থাকার গড় সময় বেড়ে ৩৭ থেকে ৪০+ মাস হয়েছে! অর্থাৎ, বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

​(নোট: সাধারণ ফ্লু বা নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিনে এই উপকার দেখা যায়নি, এটি কেবল mRNA ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেই ঘটছে।)

​🧠 এটা কীভাবে কাজ করে?

​ক্যানসার কোষগুলো খুব চতুর হয়, তারা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) থেকে নিজেদের লুকিয়ে রাখে। যখন একজন ক্যানসার রোগীকে কোভিড mRNA ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, তখন শরীরে সাময়িকভাবে একটি ভাইরাসের আক্রমণের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। এতে ঘুমিয়ে থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হঠাৎ ‘জেগে ওঠে’।
​এই জেগে ওঠা ইমিউন সিস্টেম তখন ক্যানসার কোষগুলোকে সহজে চিনে ফেলে এবং ইমিউনোথেরাপির ওষুধগুলো অনেক বেশি শক্তিশালীভাবে ক্যানসার ধ্বংস করতে শুরু করে।

​⚠️ কিছু জরুরি বিষয় যা জানা প্রয়োজন:

​১. এটি সরাসরি ক্যানসারের ওষুধ নয়: কোভিড ভ্যাকসিন নিজে ক্যানসার ভালো করে না। এটি কেবল মূল ক্যানসার চিকিৎসার (ইমিউনোথেরাপি) ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

2. সময়ের গুরুত্ব: ইমিউনোথেরাপি শুরু করার ১০০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হলেই কেবল এই উপকারিতা দেখা গেছে। অনেক বছর আগে নেওয়া ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

​💡 শেষ কথা:
​বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত আমাদের অবাক করছে। কোভিড ভ্যাকসিনের এই "সারপ্রাইজ সাইড ইফেক্ট" ভবিষ্যতে ক্যানসারের আরও সহজ এবং ইউনিভার্সাল ভ্যাকসিনের পথ খুলে দিতে পারে।
​তথ্যটি জানুন এবং অন্যদের সচেতন করতে শেয়ার করুন! 🌐✨

10/05/2026

আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস 👩‍🍼
𝐈𝐧𝐭𝐞𝐫𝐧𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐌𝐨𝐭𝐡𝐞𝐫'𝐬 𝐃𝐚𝐲 👩‍🍼

𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐂𝐥𝐢𝐧𝐢𝐜 👨🏻‍⚕️☤

♥ ডাঃ দেবাশিস পরামানিক
অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জেন ♥ 👨🏻‍⚕️☤

MBBS (Cal), M.S (Ortho.), D.P.H. (AIIH & PH) (Consultant Orthopaedic Surgeon)

🏥 তারাগতি সামন্ত রোড (রামকৃষ্ণ মিশন এর বিপরীতে) কেন্দুয়াডিহি, বাঁকুড়া
📍 https://maps.app.goo.gl/5nMRvXiP2MmRnShd9?g_st=awb

𝐅𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 ☎️ : +𝟵𝟭 𝟵𝟰𝟳𝟰𝟲𝟰𝟵𝟲𝟲𝟴 / +𝟵𝟭 𝟴𝟵𝟳𝟮𝟴𝟲𝟲𝟮𝟲𝟮

09/05/2026

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মজয়ন্তীর শুভেচ্ছা 📖 ✍️
𝟏𝟔𝟓𝐭𝐡 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡 𝐚𝐧𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐚𝐫𝐲 𝐨𝐟 𝐑𝐚𝐛𝐢𝐧𝐝𝐫𝐚𝐧𝐚𝐭𝐡 𝐓𝐚𝐠𝐨𝐫𝐞 📖 ✍️

𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐂𝐥𝐢𝐧𝐢𝐜 👨🏻‍⚕️☤

♥ ডাঃ দেবাশিস পরামানিক
অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জেন ♥ 👨🏻‍⚕️☤

MBBS (Cal), M.S (Ortho.), D.P.H. (AIIH & PH) (Consultant Orthopaedic Surgeon)

🏥 তারাগতি সামন্ত রোড (রামকৃষ্ণ মিশন এর বিপরীতে) কেন্দুয়াডিহি, বাঁকুড়া
📍 https://maps.app.goo.gl/5nMRvXiP2MmRnShd9?g_st=awb

𝐅𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 ☎️ : +𝟵𝟭 𝟵𝟰𝟳𝟰𝟲𝟰𝟵𝟲𝟲𝟴 / +𝟵𝟭 𝟴𝟵𝟳𝟮𝟴𝟲𝟲𝟮𝟲𝟮


Call now to connect with business.

সাম্প্রতিককালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে একটি বিষয় নিয়ে প্রবল আলোড়ন শুরু হয়েছে— আমেরিকার 'স্পেশাল ৩০১ রিপোর্ট'। এই রিপোর্...
02/05/2026

সাম্প্রতিককালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে একটি বিষয় নিয়ে প্রবল আলোড়ন শুরু হয়েছে— আমেরিকার 'স্পেশাল ৩০১ রিপোর্ট'। এই রিপোর্টে ভারতকে আবারো 'প্রায়োরিটি ওয়াচ লিস্ট' বা বিশেষ নজরদারির তালিকায় রাখা হয়েছে। ভারতের মেধাস্বত্ব (Intellectual Property) আইন, বিশেষ করে জীবনদায়ী ওষুধের পেটেন্ট নীতি নিয়ে আমেরিকার দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এই তালিকায় প্রতিফলিত। কিন্তু কেন বিশ্বের শক্তিশালী দেশটি ভারতের ওপর এত ক্ষুব্ধ? আর কেনই বা ভারত নিজের অবস্থানে অনড়? এর গভীরে লুকিয়ে আছে কোটি কোটি মানুষের জীবন এবং ওষুধ শিল্পের কয়েক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।

ভারতের পেটেন্ট আইনের সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত অংশ হলো 'ইন্ডিয়ান পেটেন্টস অ্যাক্ট' এর ৩(ডি) ধারা। আমেরিকার বড় বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা বা 'বিগ ফার্মা'র দাবি, ভারত তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতার অমর্যাদা করছে। অন্যদিকে, ভারতের যুক্তি হলো জনস্বাস্থ্য এবং ওষুধের সহজলভ্যতা রক্ষা করা। এই সংঘাতকে বুঝতে গেলে প্রথমে 'এভারগ্রিনিং' (Evergreening) বা পেটেন্ট নবীকরণের কৌশলটি বুঝতে হবে। সাধারণত একটি নতুন ওষুধের পেটেন্ট ২০ বছরের জন্য থাকে। এই সময়কালে অন্য কোনো কোম্পানি ওই ওষুধ তৈরি করতে পারে না। ফলে উদ্ভাবক কোম্পানি ইচ্ছামতো দাম ধার্য করে। আমেরিকা চায়, ২০ বছর শেষ হওয়ার মুখে ওষুধের ফর্মুলায় সামান্য পরিবর্তন (যেমন— একটি অণুর সামান্য বদল বা নতুন কোনো আবরণ) করে আরও ২০ বছরের জন্য পেটেন্ট হাতিয়ে নিতে। কিন্তু ভারতের ৩(ডি) ধারা স্পষ্ট জানায়, যদি না নতুন সংস্করণটি আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর বা 'থেরাপিউটিকালি সুপিরিয়র' হয়, তবে তাকে নতুন পেটেন্ট দেওয়া হবে না।

এই কড়াকড়ির ফলেই ভারতে জেনেরিক বা সস্তা ওষুধের বাজার এত শক্তিশালী। ভারত আজ বিশ্বের ২০ শতাংশ জেনেরিক ওষুধ সরবরাহ করে। বিশেষ করে এইচআইভি (HIV), ক্যানসার এবং যক্ষ্মার মতো মরণব্যাধির ওষুধ ভারত যে দামে বিশ্ববাজারে জোগান দেয়, তা আমেরিকান কোম্পানিগুলোর মূল দামের তুলনায় অনেক সময় ১০০ গুণ পর্যন্ত কম। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ক্যানসারের ওষুধের দাম যদি আমেরিকায় মাসিক ২ লক্ষ টাকা হয়, ভারতের জেনেরিক কোম্পানিগুলো সেই একই ওষুধ হয়তো মাত্র ২ হাজার টাকায় তৈরি করছে। এই পরিসংখ্যান থেকেই পরিষ্কার যে, কেন আমেরিকা ভারতকে তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের পথে বাধা হিসেবে দেখে।

আমেরিকা ভারতকে যে 'নজরদারি তালিকায়' রেখেছে, তার প্রভাব বহুমাত্রিক। ২০২৪ সালের রিপোর্টে ভারতের বিরুদ্ধে 'ডেটা এক্সক্লুসিভিটি' না থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। আমেরিকার দাবি, একটি নতুন ওষুধ বাজারে আনার আগে যে ক্লিনিকাল ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানো হয়, তার তথ্য গোপন রাখতে হবে। যদি সেই তথ্য গোপন রাখা হয়, তবে ভারতের জেনেরিক কোম্পানিগুলো সেই ওষুধ নকল করতে পারবে না। কিন্তু ভারত মনে করে, জনস্বার্থের খাতিরে এই তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত যাতে দ্রুত সস্তা ওষুধ বাজারে আনা যায়। এর পাশাপাশি 'কম্পালসারি লাইসেন্সিং' বা বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের বিষয়টিও আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, যদি কোনো জীবনদায়ী ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়, তবে সরকার জরুরি ভিত্তিতে অন্য কোম্পানিকে সেই ওষুধ তৈরির অনুমতি দিতে পারে। আমেরিকার চোখে এটি তাদের বাণিজ্যে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ভারতের এই জেনেরিক ওষুধ শিল্পের বাজার এখন প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ১৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক এবং জেনেরিক ওষুধের প্রধান রপ্তানিকারক। ইউনিসেফ (UNICEF) থেকে শুরু করে 'ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস'-এর মতো সংস্থাগুলো ভারতের সস্তা ওষুধের ওপর প্রবলভাবে নির্ভরশীল। যদি ভারত আমেরিকার চাপে পড়ে তার পেটেন্ট আইন শিথিল করে, তবে শুধু ভারতেই নয়, গোটা আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার গরিব দেশগুলোতে ওষুধের হাহাকার পড়ে যাবে। কয়েক কোটি মানুষের জীবন বিপন্ন হবে শুধু ওষুধের দাম দিতে না পারার কারণে।

আমেরিকা যে 'প্রায়োরিটি ওয়াচ লিস্ট'-এ ভারতকে রেখেছে, তার মানে এই নয় যে ভারতের ওপর এখনই কোনো বড় নিষেধাজ্ঞা নেমে আসবে। এটি মূলত একটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল। চীন, রাশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোও এই তালিকায় রয়েছে। আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) প্রতি বছর এই তালিকা প্রকাশ করে মূলত আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার জন্য। তারা বোঝাতে চায় যে, ভারতে বিনিয়োগ করলে মেধাস্বত্ব বা আইডিয়া চুরির ভয় থাকতে পারে। যদিও বাস্তবে দেখা গেছে, ভারতের বিশাল বাজার এবং দক্ষ শ্রমশক্তির টানে মাইক্রোসফট, গুগল বা অ্যাপলের মতো সংস্থাগুলো ভারতে তাদের বিনিয়োগ বেড়েই চলেছে। ফলে এই তালিকাটি যতটা না অর্থনৈতিক, তার চেয়েও বেশি রাজনৈতিক।

ভারতের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক বারবার জানিয়েছে যে, ভারতের মেধাস্বত্ব আইন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা বা ডাব্লুটিও (WTO)-র 'ট্রিপস' (TRIPS) চুক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভারত কোনো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে না, বরং নিজের দেশের নাগরিকদের স্বার্থে আইনের মধ্যেই থেকে সুযোগ নিচ্ছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও ২০১৩ সালে 'নভার্টিস' বনাম ভারত সরকারের ঐতিহাসিক মামলায় সরকারের পক্ষেই রায় দিয়েছিল। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, ওষুধের সামান্য পরিবর্তন করে পেটেন্ট বাড়ানোর চেষ্টা ভারতের মাটিতে চলবে না।

এই সংঘাত আসলে দুটি ভিন্ন দর্শনের লড়াই। একদলের কাছে এটি নিখাদ ব্যবসা এবং মুনাফা অর্জনের পথ। উদ্ভাবনের পেছনে যে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হয়, তা উসুল করা তাদের লক্ষ্য। অন্যদলের কাছে এটি জীবনের অধিকার। ভারত নিজেকে 'বিশ্বের ওষুধের দোকান' হিসেবে তুলে ধরেছে এবং এই তকমা ধরে রাখতে হলে তাকে এই আন্তর্জাতিক চাপ সহ্য করতেই হবে। নজরদারি তালিকায় নাম থাকাটা হয়তো সম্মানের নয়, কিন্তু কোটি কোটি মানুষের হাতে সস্তা ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার লড়াইটা ভারতের জন্য অনেক বেশি জরুরি। আমেরিকার এই রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ভারতকে তার জনমুখী নীতি বজায় রাখতে হবে, কারণ দিনশেষে মুনাফার চেয়ে মানুষের জীবনের দাম অনেক বেশি। এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন আগামী কয়েক বছর চললেও, ভারত যে সহজে তার পেটেন্ট নীতিতে বড় কোনো বদল আনবে না, তা নিশ্চিত।

লিখেছেন - লাফালাফি

19/04/2026

সুখ, সমৃদ্ধি আর শান্তির বার্তা নিয়ে আসুক এই শুভ দিন।
শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐂𝐥𝐢𝐧𝐢𝐜 👨🏻‍⚕️☤

♥ ডাঃ দেবাশিস পরামানিক
অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জেন ♥ 👨🏻‍⚕️☤

MBBS (Cal), M.S (Ortho.), D.P.H. (AIIH & PH) (Consultant Orthopaedic Surgeon)

🏥 তারাগতি সামন্ত রোড (রামকৃষ্ণ মিশন এর বিপরীতে) কেন্দুয়াডিহি, বাঁকুড়া
📍 https://maps.app.goo.gl/5nMRvXiP2MmRnShd9?g_st=awb

𝐅𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 ☎️ : +𝟵𝟭 𝟵𝟰𝟳𝟰𝟲𝟰𝟵𝟲𝟲𝟴 / +𝟵𝟭 𝟴𝟵𝟳𝟮𝟴𝟲𝟲𝟮𝟲𝟮







18/04/2026

সারেঙ্গার পাশের ছোট্ট সাঁওতাল পাড়া। সেখানে থাকে ফুলমনি—চঞ্চল, পরিশ্রমী, হাসিখুশি এক মহিলা। প্রতিদিন ভোরে মাঠে কাজ, তারপর বাড়ির সব দায়িত্ব—সবই সে একাই সামলায়।
একদিন সকালে, জঙ্গল থেকে কাঠ কুড়িয়ে ফেরার সময় ভিজে মাটিতে পা পিছলে যায়। হঠাৎই জোরে পড়ে যায় সে। সঙ্গে সঙ্গে বাঁ কাঁধে তীব্র ব্যথা—হাত নড়াতেই পারছে না। গ্রামের মানুষজন তাকে তুলে বাড়ি আনে, কিন্তু ব্যথা ক্রমশ বাড়তেই থাকে।
পরের দিন তাকে আমাদের কাছে আনা হয়। পরীক্ষা করে বোঝা গেল—বাঁ দিকের প্রোক্সিমাল হিউমেরাসে ফ্র্যাকচার। ফুলমনি ভয় পেয়ে গিয়েছিল, কারণ সে জানে—হাত ঠিক না হলে তার সংসার চলবে না।
আমি ধৈর্য ধরে সব বোঝালাম—অপারেশন করলে ভালোভাবে জোড়া লাগবে, আবার আগের মতো কাজ করতে পারবে। পরিবারের সম্মতিতে অপারেশন করা হলো।
কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল। প্রথমে ব্যথা, তারপর ধীরে ধীরে ফিজিওথেরাপি। ফুলমনি লড়াই ছাড়েনি। প্রতিদিন একটু একটু করে হাত উঠাতে শিখলো।
আজ সে আবার আগের মতোই হাসিখুশি। আপনার চেম্বারে এসে সে গর্ব করে তার বাঁ হাতটা পুরো উপরে তুলে দেখায়—
“ডাক্তারবাবু, এখন আমি আবার সব কাজ করতে পারি!”
তার সেই হাসি আর আত্মবিশ্বাস—এটাই আসল সাফল্য।

https://youtube.com/shorts/vFqpZoSOEDo?si=nVrQMXaAbuu8z3BV

১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা           🐚🪕শুভ নববর্ষ  🐚🪕𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐂𝐥𝐢...
15/04/2026

১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা
🐚🪕শুভ নববর্ষ 🐚🪕

𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐂𝐥𝐢𝐧𝐢𝐜 👨🏻‍⚕️☤

♥ ডাঃ দেবাশিস পরামানিক
অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জেন ♥ 👨🏻‍⚕️☤

MBBS (Cal), M.S (Ortho.), D.P.H. (AIIH & PH) (Consultant Orthopaedic Surgeon)

🏥 তারাগতি সামন্ত রোড (রামকৃষ্ণ মিশন এর বিপরীতে) কেন্দুয়াডিহি, বাঁকুড়া
📍 https://maps.app.goo.gl/5nMRvXiP2MmRnShd9?g_st=awb

𝐅𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 ☎️ : +𝟵𝟭 𝟵𝟰𝟳𝟰𝟲𝟰𝟵𝟲𝟲𝟴 / +𝟵𝟭 𝟴𝟵𝟳𝟮𝟴𝟲𝟲𝟮𝟲𝟮


15/04/2026

শুভ নববর্ষের আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা... 🙏

|| আন্তর্জাতিক নারী দিবস || ♀️ 👩 🌷|| 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐫𝐧𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐖𝐨𝐦𝐞𝐧'𝐬 𝐃𝐚𝐲 || ♀️ 👩 🌷𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥...
08/03/2026

|| আন্তর্জাতিক নারী দিবস || ♀️ 👩 🌷
|| 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐫𝐧𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐖𝐨𝐦𝐞𝐧'𝐬 𝐃𝐚𝐲 || ♀️ 👩 🌷

𝐃𝐫. 𝐃𝐞𝐛𝐚𝐬𝐢𝐬 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐦𝐚𝐧𝐢𝐤'𝐬 𝐎𝐫𝐭𝐡𝐨𝐩𝐚𝐞𝐝𝐢𝐜 & 𝐉𝐨𝐢𝐧𝐭 𝐑𝐞𝐩𝐥𝐚𝐜𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭 𝐂𝐥𝐢𝐧𝐢𝐜 👨🏻‍⚕️☤

♥ ডাঃ দেবাশিস পরামানিক
অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জেন ♥ 👨🏻‍⚕️☤

MBBS (Cal), M.S (Ortho.), D.P.H. (AIIH & PH) (Consultant Orthopaedic Surgeon)

🏥 তারাগতি সামন্ত রোড (রামকৃষ্ণ মিশন এর বিপরীতে) কেন্দুয়াডিহি, বাঁকুড়া
📍 https://maps.app.goo.gl/5nMRvXiP2MmRnShd9?g_st=awb

𝐅𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭 ☎️ : +𝟵𝟭 𝟵𝟰𝟳𝟰𝟲𝟰𝟵𝟲𝟲𝟴 / +𝟵𝟭 𝟴𝟵𝟳𝟮𝟴𝟲𝟲𝟮𝟲𝟮



Address

Dr Debasis Paramanik(M. S. Orthopaedics) Taragati Samanta Road, Kenduadihi
Bankura
722102

Opening Hours

Monday 9am - 12:30pm
5pm - 7:30pm
Tuesday 6pm - 7:30pm
Wednesday 9am - 12pm
Thursday 9am - 12pm
5pm - 8pm
Friday 9am - 12pm
5pm - 7:30pm
Saturday 9am - 12pm
5pm - 7:30pm
Sunday 9am - 12pm
5pm - 7:30pm

Telephone

+918972866262

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Debasis Paramanik's Orthopaedic & Joint Replacement Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Debasis Paramanik's Orthopaedic & Joint Replacement Clinic:

Shortcuts

Share

Category