Psychologist Rachayita - Empowering Mental Health

Psychologist Rachayita - Empowering Mental Health Psychologist | Creating a safe space for healing, clarity & emotional strength. Your mind deserves care, not silence.

Mindfulness exercises • Yoga • Meditation
📞 Contact: 8918037391

চেম্বারে আসা ছোট্ট মেয়েটি আসলে কী বলতে চেয়েছিল?সেদিন চেম্বারে একটি আট বছরের মেয়েকে নিয়ে তার মা এসেছিলেন। মায়ের অভিযো...
12/08/2026

চেম্বারে আসা ছোট্ট মেয়েটি আসলে কী বলতে চেয়েছিল?

সেদিন চেম্বারে একটি আট বছরের মেয়েকে নিয়ে তার মা এসেছিলেন। মায়ের অভিযোগ ছিল, মেয়েটি গত কয়েক মাস ধরে খুব জেদি হয়ে গেছে। সামান্য কিছু হলেই রেগে যায়, পড়তে বসতে চায় না, মায়ের সঙ্গে তর্ক করে এবং মাঝে মাঝেই নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে থাকে। মা বলছিলেন, ছোটবেলায় মেয়েটি খুব শান্ত ছিল, কিন্তু এখন যেন একেবারে বদলে গেছে।

প্রথমে মেয়েটি খুব চুপচাপ ছিল। মায়ের পাশে বসে ছিল, কিন্তু আমার দিকে খুব একটা তাকাচ্ছিল না। আমি তাকে পড়াশোনা বা তার সমস্যা নিয়ে কোনো প্রশ্ন করিনি। বরং তার স্কুল, বন্ধু, পছন্দের খেলা এবং অবসরে কী করতে ভালো লাগে সেসব নিয়ে ধীরে ধীরে কথা বলতে শুরু করলাম।

কিছুক্ষণ পর সে একটু স্বাভাবিক হলো। তারপর কথায় কথায় জানাল, সে এখন স্কুলে যেতে খুব একটা ভালোবাসে না। কারণ তার কয়েকজন সহপাঠী তার পড়াশোনা নিয়ে মজা করে এবং ক্লাসে কোনো উত্তর ভুল হলে হাসাহাসি করে। কয়েকদিন আগে সে একটি উত্তর ভুল বলেছিল এবং সবাই হেসেছিল। সেই ঘটনার পর থেকে ক্লাসে হাত তুলে উত্তর দিতে তার ভয় লাগে।

মেয়েটি আরও বলল, বাড়িতে ফিরে সে যখন পড়তে বসে, তখন তার মনে হয় আবার যদি ভুল হয়। তখন পড়তে বসতে তার খুব বিরক্ত লাগে। মা তাকে অলস ভাবেন, পড়াশোনার জন্য বকাঝকা করেন এবং সে আরও রেগে যায়।

মায়ের কাছে যে আচরণটি ছিল জেদ, শিশুটির কাছে সেটিই ছিল নিজের ভয় এবং অস্বস্তি সামলানোর একটি উপায়।

অনেক সময় আমরা শিশুদের আচরণ দেখি, কিন্তু সেই আচরণের পেছনে থাকা অনুভূতিটা দেখতে পাই না। একটি শিশু যখন পড়তে চায় না, তখন তার সমস্যা সবসময় অলসতা নাও হতে পারে। একটি শিশু যখন স্কুলে যেতে চায় না, তখন তার কারণ সবসময় পড়াশোনার প্রতি অনীহা নাও হতে পারে। একটি শিশু যখন হঠাৎ রেগে যায়, তখন তার ভেতরে হয়তো এমন কোনো কষ্ট রয়েছে যা সে ভাষায় প্রকাশ করতে পারছে না।

সেদিন মেয়েটির সঙ্গে আরও কিছুক্ষণ কথা বলার পর তার মা বুঝতে পারলেন যে এতদিন তিনি মেয়েটির আচরণ ঠিক করার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু আচরণের কারণটি বোঝার চেষ্টা করেননি।

শিশুরা সবসময় বলতে পারে না যে তারা ভয় পাচ্ছে। তারা সবসময় বলতে পারে না যে তারা অপমানিত বোধ করছে। তারা সবসময় বলতে পারে না যে স্কুলে তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে। কখনও কখনও তারা শুধু চুপ হয়ে যায়, কখনও রেগে যায়, কখনও পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যায়, আবার কখনও বাবা মায়ের সঙ্গে অকারণে তর্ক করতে শুরু করে।

তাই কোনো শিশুর আচরণ হঠাৎ বদলে গেলে প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়, কীভাবে ওকে ঠিক করা যায়। প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত, ওর সঙ্গে কী ঘটছে?

শিশুর আচরণকে সীমা দেওয়া অবশ্যই জরুরি। কিন্তু সীমা দেওয়ার পাশাপাশি তার অনুভূতিটাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে যে ভুল করা স্বাভাবিক, সাহায্য চাওয়া স্বাভাবিক এবং কোনো সমস্যা হলে বড়দের সঙ্গে কথা বলা নিরাপদ।

শিশুকে শুধু ভালো ফল করতে শেখানো নয়, তাকে নিজের অনুভূতি চিনতে এবং প্রকাশ করতে শেখানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ একটি শিশু যখন বলে আমি পারব না, তখন কখনও কখনও তার কথার ভেতরে লুকিয়ে থাকতে পারে আমি ভুল করলে সবাই আমাকে নিয়ে হাসবে।

যখন সে বলে আমি স্কুলে যাব না, তখন তার ভেতরে থাকতে পারে স্কুলে গেলে আমি নিরাপদ বোধ করি না।

আর যখন সে রেগে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়, তখন হয়তো সে আসলে বলতে চাইছে আমার কষ্টটা কেউ বুঝতে পারছে না।

তাই শিশুকে বিচার করার আগে একটু থামুন। তার আচরণ দেখুন, কিন্তু সেই আচরণের পেছনে থাকা অনুভূতিটাকেও বোঝার চেষ্টা করুন।

একটি শিশুকে পরিবর্তন করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় অনেক সময় তাকে আরও বেশি শাসন করা নয়। বরং তাকে এমন একটি নিরাপদ সম্পর্ক দেওয়া, যেখানে সে নিজের কথা বলতে পারে, ভুল করতে পারে এবং সাহায্য চাইতে পারে।

শিশুর আচরণের পেছনের কারণটি বুঝতে পারলে অনেক সময় সেই আচরণটিই আমাদের কাছে নতুন একটি অর্থ নিয়ে ফিরে আসে।

✍️ Psychologist Rachayita Das

11/08/2026

Couple counselling #45
নতুনের জন্য জায়গা ছাড়তে শিখতে হবে , তবেই সুস্থ পরিবার তৈরি হবে ….

10/08/2026

আপনার সন্তানের রাগের করণ খুঁজেছেন?

✍️ Psychologist Rachayita Dasমেয়েটা চেম্বারে এসে প্রথমেই বলেছিল আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাই না। কথাটা শুনতে খুব সুন্দর, কিন্...
08/08/2026

✍️ Psychologist Rachayita Das
মেয়েটা চেম্বারে এসে প্রথমেই বলেছিল আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাই না। কথাটা শুনতে খুব সুন্দর, কিন্তু কিছুক্ষণ কথা বলার পর বোঝা গেল, সে আসলে কাউকে কষ্ট দিতে চায় না, এর থেকেও বেশি সে ভয় পায় কেউ তার জন্য কষ্ট পেলে তাকে ছেড়ে যাবে। অফিসে নিজের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সহকর্মীর কাজ করে দিত, বন্ধু ফোন করলে নিজের গুরুত্বপূর্ণ কাজ থামিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলত, বাড়িতে সবাই তার কাছ থেকে কিছু চাইলে না বলতে পারত না। এমনকি কোনো সিদ্ধান্ত তার ভালো না লাগলেও বলত ঠিক আছে, তোমরা যেটা ভালো মনে করো। তারপর রাতে একা ঘরে বসে নিজের কাছেই প্রশ্ন করত, আমি কেন নিজের জন্য কিছু বলতে পারলাম না।

একদিন তার পার্টনার তাকে বলেছিল তুমি সবসময় এত understanding কেন, তোমার নিজের কোনো opinion নেই। কথাটা সেদিন তাকে খুব কষ্ট দিয়েছিল। কারণ সে সারাজীবন ভেবেছিল, adjust করাই ভালোবাসা। চেম্বারে আমি তাকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম। আপনি যখন কাউকে না বলতে চান, তখন আসলে কীসের ভয় হয়। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে সে বলেছিল, ভয় হয় মানুষটা ভাববে আমি selfish। ভয় হয় ও রাগ করবে। ভয় হয় ও আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসবে না।

সেখানেই আসল সমস্যাটা ছিল। সে মানুষকে খুশি করার জন্য নিজের ইচ্ছা, প্রয়োজন এবং সীমারেখাকে বারবার পিছিয়ে দিচ্ছিল। প্রতিবার অন্য কাউকে খুশি করতে গিয়ে নিজের সঙ্গে তার সম্পর্কটা একটু একটু করে দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল। আমরা অনেক সময় People pleasing কে kindness বা ভালো মানুষ হওয়ার লক্ষণ ভাবি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে People pleasing এর পেছনে থাকে rejection এর ভয়, conflict এর ভয়, abandonment এর ভয় অথবা নিজের মূল্য অন্যের approval এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার অভ্যাস।

সুস্থ সম্পর্কের জন্য সবসময় agreeable হওয়া প্রয়োজন নেই। কাউকে না বলা মানে তাকে ভালো না বাসা নয়। নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করা selfishness নয়। আপনার boundary কারও প্রতি অসম্মান নয়, আপনার boundary হলো নিজের প্রতিও সম্মান। সেদিন মেয়েটা একটা ছোট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরেরবার কেউ তাকে এমন কিছু করতে বললে, যেটা সে সত্যিই করতে চায় না, সে সঙ্গে সঙ্গে হ্যাঁ বলবে না। আগে নিজেকে প্রশ্ন করবে, আমি সত্যিই এটা করতে চাই, নাকি আমাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার ভয় থেকে আমি রাজি হচ্ছি। কারণ People pleasing থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম ধাপ হয়তো অন্য মানুষ কী চাইছে, তার আগে একবার নিজের মনটা কী চাইছে সেটা শোনা।

07/08/2026

আপনি কি কাউকে না বলতে পারেন না ? তাহলে এই ভিডিও আপনার জন্যে …..
সাইকোলজিকাল ফ্যাক্ট এপিসোড 45

06/08/2026

স্বীকৃতি পাওয়ার ফাঁদ…..

05/08/2026

Cue-Dependent Memory (কিউ-ডিপেনডেন্ট মেমোরি) যখন কোনো নির্দিষ্ট সংকেত (গন্ধ, গান, রাস্তা, ঋতু) পুরোনো স্মৃতি ফিরিয়ে আনে ….. ✍️
🧠Psychologist Rachayita Das

04/08/2026

আপনিও কি এই প্রশ্নটাই করছেন? …..

📍Urbana complex Kolkata
03/08/2026

📍Urbana complex Kolkata

Emotionally Immature Parents: বাবা-মা সবসময় বড় হন না, অনেক সময় সন্তানকেই বড় হয়ে যেতে হয়আমরা সাধারণত মনে করি বাবা ম...
03/08/2026

Emotionally Immature Parents: বাবা-মা সবসময় বড় হন না, অনেক সময় সন্তানকেই বড় হয়ে যেতে হয়

আমরা সাধারণত মনে করি বাবা মা সবসময় সন্তানের আবেগ বুঝবেন, নিরাপত্তা দেবেন এবং প্রয়োজনে পাশে থাকবেন। কিন্তু কিছু পরিবারে দেখা যায়, বাবা মা নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, সন্তানের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেন না, কিংবা সবকিছু নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করেন। Psychology তে এদের Emotionally Immature Parents বলা হয়।

এমন বাবা-মায়ের সন্তানরা ছোটবেলা থেকেই নিজের আবেগ চেপে রাখতে শেখে। তারা প্রায়ই অনুভব করে, “আমার কষ্টের কথা বললে কেউ বুঝবে না”, “আমাকেই সব সামলাতে হবে”, অথবা “ভালোবাসা পেতে হলে আমাকে নিখুঁত হতে হবে।” ফলে বড় হয়ে তাদের মধ্যে Low Self-Esteem, People Pleasing, Relationship Anxiety, Boundary Setting-এর সমস্যা এবং নিজের চাহিদা প্রকাশে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

Emotionally Immature Parent মানেই খারাপ বাবা মা নয়। অনেক সময় তারাও এমন পরিবেশে বড় হয়েছেন যেখানে আবেগ প্রকাশ বা মানসিক চাহিদার গুরুত্ব দেওয়া হতো না। কিন্তু এর প্রভাব সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

সুস্থ সম্পর্কের প্রথম ধাপ হলো নিজের অভিজ্ঞতাকে স্বীকার করা এবং বোঝা যে আপনার অনুভূতিগুলো বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে Counselling এর মাধ্যমে এই পুরনো আবেগগত ক্ষতগুলো নিয়ে কাজ করা সম্ভব।

আপনি কি ছোটবেলায় নিজের অনুভূতির চেয়ে বাবা-মায়ের মুডকে বেশি গুরুত্ব দিতে বাধ্য হয়েছিলেন?

✍️ Psychologist Rachayita Das

Address

C/O : Swasti Distributor, 8 Deshbandhu Lane , Anandapuri Khelar Math
Barrackpore
700122

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Psychologist Rachayita - Empowering Mental Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category