Dr Parasambit Mukherjee

Dr Parasambit Mukherjee Orthopaedics & Traumatology Surgeon
Joint Replacement Surgery
(Ex RG KAR Medical College & Hospital)
(1)

অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি গেছিলাম মুম্বাই, একবছরের ট্রমাকন এ অংশ নিতে। তাই কাজের ফাঁকে একটু মুম্বাই দর্শন। ইন্ডিয়া গেট, তাজ...
25/08/2026

অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি গেছিলাম মুম্বাই, একবছরের ট্রমাকন এ অংশ নিতে। তাই কাজের ফাঁকে একটু মুম্বাই দর্শন।
ইন্ডিয়া গেট, তাজ হোটেলে ছাড়াও যেটা সবথেকে ভালো লেগেছে, সেটা হলো ইরানি ক্যাফেতে সহযোদ্ধাদের সাথে সময় কাটানো।
ডাক্তার হলেই বা, দিল তো বাচ্চা হ্যা জী 😅

আমাদের অর্থোপেডিকস জগতের পথপ্রদর্শক, প্রবাদপ্রতিম শিক্ষক এবং শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক ডক্টর ডি. ডি. তান্না (Dr. D. D. Tanna) স্য...
17/08/2026

আমাদের অর্থোপেডিকস জগতের পথপ্রদর্শক, প্রবাদপ্রতিম শিক্ষক এবং শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক ডক্টর ডি. ডি. তান্না (Dr. D. D. Tanna) স্যারের সাথে দেখা হওয়াটা একজন সার্জন হিসেবে আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং অনুপ্রেরণাদায়ক একটি মুহূর্ত। ভারতে ফ্র্যাকচার ম্যানেজমেন্ট এবং ইন্টারলকিং নেলিং-এর ক্ষেত্রে ওনার অবদান আমাদের প্রতিদিনের ওটি (OT)-তে গাইড করে।কনফারেন্সের ব্যস্ততার মাঝে স্যারের সাথে এই চমৎকার ও প্রাণবন্ত মুহূর্তটি সবসময় স্মৃতির পাতায় অমলিন থাকবে। ওনার সান্নিধ্য যেন নিজের কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দেয়

15/08/2026
যখন আমার সবে মাস্টার্স শেষ হয়েছে, রুরাল বন্ড পোস্টিং পেয়েছি ওন্দা সুপারস্পেশালিটি হসপিটাল। সপ্তাহে একদিন নাইট শিফট পড়...
08/08/2026

যখন আমার সবে মাস্টার্স শেষ হয়েছে, রুরাল বন্ড পোস্টিং পেয়েছি ওন্দা সুপারস্পেশালিটি হসপিটাল। সপ্তাহে একদিন নাইট শিফট পড়ত। জীবনের ১২ বছর আর জি কর হাসপাতালে থাকার যখন ওই হাসপাতালে জয়েন করলাম, সব কিছুই নতুন। যদিও ছিলাম অর্থোপেডিক সার্জন কিন্তু ইমার্জেন্সিতে সব রোগীই দেখতে হতো। আর রাতের বেশিরভাগ পেশেন্ট ছিল হয় সাপের কাপড় অথবা বিষ পান।

বর্ষার রাত। বাইরে ঝড়-বৃষ্টি চলছে। হঠাৎ জরুরি বিভাগে এক তরুণকে নিয়ে এলেন তার পরিবার — পা ফুলে গেছে, মুখ ফ্যাকাশে, চোখে বুঁজে আসছে। তারা বলল, “ধানক্ষেতে কাজ করছিল, হঠাৎ কিছু একটা কামড়েছে, বিকেল থেকে পেট ব্যথা দিয়ে শুরু হয়ে এখন এই অবস্থা।"
এটাই সমস্যা, গ্রাম বাংলার খুব পরিচিত সাপ কালাচ, অসম্ভব বিষ, একদম সরু মুখ একটি টিকটিকির মতো। তাই কামড়ালে কোনো ব্যথা হয়না বোঝাও যায়না। যখন বোঝা যায় তখন অনেকটাই দেরি হয়েছে।
এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটত। গ্রামের মানুষ অনেক সময় ভয় পেয়ে ভুল কাজ করতেন — কেউ ক্ষত কেটে রক্ত বের করতেন, কেউ মুখ দিয়ে বিষ চুষে বের করার চেষ্টা করতেন, কেউ আবার ওঝার কাছে দৌড়াতেন।
কিন্তু এইসব কাজ জীবনকে আরও বিপদে ফেলে।আমরা প্রথমে রোগীকে শান্ত করতাম, পা নড়াচড়া না করতে বলতাম। তারপর প্রোটোকল অনুযায়ী দ্রুত অ্যান্টি-ভেনম ইনজেকশন দিতাম। অনেক সময় রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হতো, কারণ বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়লে শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

গ্রামীণ এলাকায় সাপের কামড় হলে ভয় নয়, দ্রুত চিকিৎসাই জীবন বাঁচায়।কামড়ের জায়গা নড়াচড়া করবেন না।কাপড় বা দড়ি দিয়ে শক্ত করে বাঁধবেন না।যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান।সাপের রঙ বা আকৃতি মনে রাখার চেষ্টা করুন, কিন্তু ধরার চেষ্টা করবেন না।

ধানক্ষেতে কাজ করার সময় পা ঢাকা জুতো পরুন। রাতে হাঁটার সময় টর্চ ব্যবহার করুন। বাড়ির আশেপাশে ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখুন। আর সাপের কামড়ে anti-venom ছাড়া আর কোনো গতি নেই। কোনো দড়ি, ওঝা , পুজো বা কিছুই আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী হাসপাতালে চলে যান, সময় নষ্ট না করে।

হাঁটু প্রতিস্থাপন: কখন এবং কেন প্রয়োজন?হাঁটুর ব্যথা অনেক সময় আমাদের জীবনকে থামিয়ে দেয়। হাঁটা, বসা, সিঁড়ি ওঠা—সব কাজই কষ্...
07/08/2026

হাঁটু প্রতিস্থাপন: কখন এবং কেন প্রয়োজন?

হাঁটুর ব্যথা অনেক সময় আমাদের জীবনকে থামিয়ে দেয়। হাঁটা, বসা, সিঁড়ি ওঠা—সব কাজই কষ্টকর হয়ে যায়। অনেকেই ভাবেন ওষুধ, মালিশ বা বিশ্রামেই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে হাঁটু প্রতিস্থাপন ছাড়া উপায় থাকে না।
কখন হাঁটু প্রতিস্থাপন দরকার হয়?
এমন পরিস্থিতি অনেকের জীবনে আসে।
হাঁটু প্রতিস্থাপন দরকার হয় তখনই, যখন—
হাঁটতে গেলে বা সিঁড়ি উঠতে গেলে হাঁটুতে তীব্র ব্যথা হয়।

বিশ্রামে বা ঘুমের সময়ও ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না।

হাঁটু শক্ত হয়ে যায়, ফলে বসা বা দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।লাঠি বা অন্যের সাহায্য ছাড়া হাঁটা সম্ভব হয় না।

হাঁটুর আকৃতি বদলে যায় — যেমন বাঁকা হয়ে যাওয়া বা ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া।

দৈনন্দিন কাজ যেমন রান্না, বাজার করা, বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো অসম্ভব হয়ে পড়ে।

চিকিৎসাগত কারণ
অস্টিওআর্থ্রাইটিস → বয়সজনিত কারণে কার্টিলেজ ক্ষয়ে গিয়ে হাড়ে হাড় ঘষা লাগে।
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস → শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জয়েন্ট আক্রমণ করে।
আঘাতজনিত আর্থ্রাইটিস → দুর্ঘটনা বা বড় আঘাতের পর জয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হাঁটু প্রতিস্থাপন কেন দরকার?

যখন হাঁটুর ব্যথা অনেকদিন ধরে থাকে এবং ওষুধ, মালিশ বা বিশ্রামে আর কমে না, তখন ডাক্তাররা হাঁটু প্রতিস্থাপনের কথা বলেন। এই অপারেশন করলে পুরনো ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটু জয়েন্টের জায়গায় নতুন কৃত্রিম জয়েন্ট বসানো হয়।এতে রোগী দীর্ঘদিনের ব্যথা থেকে মুক্তি পান। হাঁটা, বসা বা সিঁড়ি ওঠা আবার সহজ হয়ে যায়। রান্না করা, বাজারে যাওয়া বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোও আর বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।সবচেয়ে বড় কথা, লাঠি বা অন্যের সাহায্য ছাড়াই আবার নিজের মতো করে চলাফেরা করা যায়।

হাঁটু প্রতিস্থাপন মানে শুধু অপারেশন নয়, বরং নতুনভাবে হাঁটা ও নতুনভাবে বাঁচা।

06/08/2026

বটবৃক্ষ বাবা
ডাঃ মৈনাক মিত্র

রোজ অনেক রোগী দেখার ফাঁকে এমন কিছু রোগী থাকে যাদের সাথে সখ্যতা তৈরী হয়ে ওঠে। যেসব রোগীরা অনেকদিন ধরে চিকিৎসা পাচ্ছে তারা সুস্থ হয়ে ওঠার পর ও যখন চেক আপ এ আসে তখন যেন মুখ গুলো চেনা হয়ে ওঠে।
সেরকমই এক রোগী আমাদের সুলতানা (নাম পরিবর্তিত)। সুলতানার গত বছর আমাদের হাসপাতালে অন্তঃকর্ণ প্রতিস্থাপন (cochlear implantation) হয়েছে। সেই সূত্রে পরিচয় ওর মা বাবার সাথে। অপারেশনের আগে, অপারেশনের সময় ও পরবর্তীকালে একটা লোক বরাবরের সাক্ষী - তার বাবা, আব্দুল মিয়ান (নাম পরিবর্তিত )। মেয়ের চিকিৎসার জন্য তার আত্মত্যাগ সত্যি ভাবা যায়না। বরাবরই শুনেছি হাসপাতালে দেখাতে আসার আগের রাতে স্বপরিবারে সুলতানা চলে আসে, এবং রাত টা হাসপাতালের রাস্তাতে কাটিয়ে পরের দিন চেকআপ করায় আমাদের কাছে। তাতে ভদ্রলোক ও তার স্ত্রীর কোন অভিযোগ নেই।
একদিনের কথা, সুলতানা চেকআপ এ এসেছিল আমাদের কাছে। হঠাৎ দেখলাম আব্দুল মিয়ার জামা অস্বাভাবিক রকমের ভেজা ও সেও বিভৎস ঘেমে গিয়েছে। আমি বাধ্য হয়ে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, "আপনার শরীর ঠিক আছে? এতো অস্বাভাবিক রকমের ঘেমে গেছেন, জামা ভিজে গেছে।"
উত্তরে যা শুনলাম তা শুনে একটু অসহায় বোধ করলাম। আব্দুল মিয়ান বললেন একটু লাজুক হয়ে - " ডাক্তারবাবু কি আর বলব। আজ ভোরে হাসপাতালের ওই গাইনি বিল্ডিংয়ের ওখানে রাস্তায় শুয়ে ছিলাম আমরা। হঠাৎ একটা কুকুর এসে গায়ে পেচ্ছাপ করে দিল। আর জামা ছিল না তাই স্নান করে জামা ধুয়ে ওই ভেজা জামাটাই পড়তে বাধ্য হলাম। " শুনে কিছুক্ষন কি বলব বুঝতে পারিনি।
সুলতানা কথা বলা শিখছে আসতে আসতে। সেই আনন্দেই যেন তার বাবা আব্দুল মিয়ান মত্ত।
আশাকরি সুলতানা কোন একসময় বড় হয়ে ওর বাবার তার প্রতি এই আত্মত্যাগ বুঝতে পারবে আর মনে রাখবে। বাবারা আসলে এরকমই হন, সন্তানকে সবকিছু দিয়ে আগলে রাখে। এই জন্যই হয়তো কথাটা "মা - বাবা"।

© ডাঃ মৈনাক মৈত্র

আজকাল অনেকেই ভাবে ডাক্তাররা নাকি শুধুই টাকার জন্য কাজ করে। আমাদের নাকি ক্লান্ত হওয়ার সুযোগ নেই, আবেগ নেই, শুধু মনিটারি ...
06/08/2026

আজকাল অনেকেই ভাবে ডাক্তাররা নাকি শুধুই টাকার জন্য কাজ করে। আমাদের নাকি ক্লান্ত হওয়ার সুযোগ নেই, আবেগ নেই, শুধু মনিটারি গেইন দেখে।
কিন্তু বাস্তবে কিছু কথা না বললেই না।
মাস্টার্স ডিগ্রির সময়গুলো আমাদের জীবনের সবথেকে শিক্ষামূলক কিন্তু অসবব কঠিন সময় গুলোর মধ্যে একটি ।
সেই সময় ডিউটির দিনগুলো অনেকটাই আলাদা ছিল।সকাল শুরু হতো ওয়ার্ড রাউন্ড দিয়ে। রাতভর জরুরি রোগী সামলানোর পরও সকালে প্রতিটি রোগীর কাছে গিয়ে তাদের অবস্থা দেখা, রিপোর্ট পড়া, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা — এই সবকিছু সামলে আবার পড়াশোনা করে প্রতিটা পরীক্ষায় পাস করা।
এমন অনেকদিন গেছে শুধু ফ্রুট জুস খেয়ে একটা গোটা দিন কেটেছে, খাবার খাওয়া সময় হয়নি। 3 ঘণ্টা ফাঁকা পেয়েছি, মনে হয়েছে খাবার থেকে ঘুমটা বেশি জরুরি।
অপারেশন থিয়েটারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অপারেশন করা, সেলাই করা, প্লেট বা স্ক্রু বসানো — এগুলো শুধু দক্ষতার কাজ নয়, বরং ধৈর্য আর মনোযোগের পরীক্ষা।
দিনের মাঝখানে হঠাৎ ইমার্জেন্সিতে অসংখ্য পেশেন্ট আসতে থাকে ;
বিশেষ করে দুর্ঘটনার ফলে আশা মানুষ, তখন সবকিছু ছেড়ে দ্রুত প্রস্তুত হতে হয়। আপৎকালীন অবস্থায় রোগীর চিকিৎসা, পরিবারের আতঙ্ক — সবকিছুর মাঝেও ডাক্তারকে শান্ত থাকতে হয় এবং নিজের কাজ করতে হয়।
বাইরে থেকে হয়তো মনে হয় আমরা শক্ত, কিন্তু প্রতিটি সিদ্ধান্তই রোগীর ভবিষ্যৎ জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।
এরপরেও রিপোর্ট লেখা, এমার্জেন্সি ডিউটি, নাইট, পরের দিনের অপারেশনের প্রস্তুতি — সবকিছুই চলতে থাকে।
এমন দিন গেছে যে আমরা টানা ৭২ ঘণ্টায় ডিউটি করেছি হাসি মুখে। তাই ডাক্তারের প্রতি একটু বিশ্বাস এর সহানুভূতিশীল হওয়ার আশা আমরা সব ডাক্তারই রাখি। কারণ আবারও একবার জানাই, আপনাদের সেবায় আমরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছি যেদিন প্রথমবার শপথ গ্রহণ করেছিলাম।

04/08/2026

অনেকেই ভাবেন হাড় ভাঙলেই ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার দিতে হয়। আসলে চিকিৎসা নির্ভর করে ফ্র্যাকচার কেমন হয়েছে তার ওপর। রোগীরা যেন সহজে বুঝতে পারেন, তাই ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করছি।
🔍 ১. পরীক্ষা ও নির্ণয়প্রথমে ডাক্তার শারীরিক পরীক্ষা করেন।এরপর এক্স-রে বা স্ক্যান করে দেখা হয় হাড়ে ফাটল নাকি পুরো ভাঙা।ফ্র্যাকচার কোথায় হয়েছে (হাত, পা, জয়েন্টের কাছে) তা নির্ধারণ করা হয়।

🪢 ২. স্থিতি বজায় রাখা (Immobilization)
ছোট ফ্র্যাকচার হলে শুধু ব্যান্ডেজ বা ব্রেস দিয়ে হাড়কে স্থির রাখা হয়।বড় ফ্র্যাকচার হলে প্লাস্টার বা স্প্লিন্ট ব্যবহার করা হয় যাতে হাড় নড়াচড়া না করে।

৩. হাড় সোজা করা (Reduction)
যদি হাড় জায়গা থেকে সরে যায়, ডাক্তার সেটিকে সঠিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনেন।অনেক সময় এটি হাতে করা যায়, আবার কখনও অপারেশন দরকার হয়।

💊 ৪. সাপোর্টিভ কেয়ার
ব্যথা কমানোর জন্য ওষুধ দেওয়া হয়।রোগীকে বিশ্রাম নিতে বলা হয় এবং হাঁটা-চলা সীমিত করা হয়।

🏃 ৫. Rehabilitation
হাড় জোড়া লাগার পর ধীরে ধীরে ফিজিওথেরাপি শুরু হয়।এতে জয়েন্ট আবার নড়াচড়া করতে পারে এবং পেশি শক্ত হয়।

সহজভাবে বললে: সব ফ্র্যাকচারে ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। ছোট ফাটলে শুধু বিশ্রাম ও হালকা সাপোর্টই যথেষ্ট হতে পারে। বড় ফ্র্যাকচারে প্লাস্টার বা সার্জারি দরকার হয়।

হাড়ের চিকিৎসার অনেক দিক আর পদ্ধতি আছে, সাথে আছে ডাক্তারের অভিজ্ঞ চিকিৎসা পদ্ধতি।
রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও ফ্র্যাকচারের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা ভিন্ন হতে পারে। তাই সবসময় একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন ।🥗হাড়কে শক্ত রাখতে শুধু মাঝে মাঝে ভালো খাবার খেলেই...
03/08/2026

হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন ।
🥗হাড়কে শক্ত রাখতে শুধু মাঝে মাঝে ভালো খাবার খেলেই হবে না, বরং প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সঠিক উপাদানগুলো যোগ করতে হবে।

🌅 সকালের খাবার
দিন শুরু করুন দুধ বা দই দিয়ে। এর সঙ্গে ওটস, চিড়া বা ফল খেলে ক্যালসিয়াম ও ফাইবার একসঙ্গে পাওয়া যায়। চাইলে সেদ্ধ ডিম বা পনির যোগ করতে পারেন — এতে প্রোটিনও যুক্ত হবে। সাথে ফল যোগ করতে ভুলবেন না।

☀️ অফিসে মাঝ সকাল
অফিসে ডেস্কে বসে কাজের ফাঁকে ছোট্ট স্ন্যাকস হিসেবে দই, বাদাম বা তিল খাওয়া যায়। এগুলো ক্যারি করা যায় এবং হাড়ের জন্য উপকারী।

🍲 দুপুরের খাবার
লাঞ্চে রাখুন মাছ , বিশেষ করে ছোট মাছ বা ডাল, সঙ্গে সবুজ শাক যেমন পালং , ভেন্ডী বা ব্রকলি। এগুলো ক্যালসিয়াম, ভিটামিন K ও প্রোটিন সরবরাহ করে। ভাত বা রুটি সঙ্গে থাকলে সুষম খাবার হয়।

🌇 বিকেলের নাশতা
অফিস থেকে ফেরার পথে বা কাজের ফাঁকে গ্রিলড পনির টুকরো, ফল বা গ্রিন টি খেতে পারেন। এতে হাড়ের জন্য প্রোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।

🌃 রাতের খাবার
ডিনারে রাখুন পনির বা মাংস, ডাল, মিষ্টি আলু বা মিলেট বা ডালিয়ার খিচুড়ি। এগুলো হাড়ের জন্য ভালো এবং হজমেও সহজ।

🌙 ঘুমানোর আগেএক গ্লাস গরম দুধ সঙ্গে সামান্য হলুদ — এটি শুধু হাড় নয়, জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।

🌟 কেন জরুরি
ক্যালসিয়াম: দুধ, দই, পনির, পালং শাক
ভিটামিন D: মাছ, ডিম, সূর্যের আলো
প্রোটিন: ডিম, ডাল, মাছ, পনির, টোফু
ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন K: বাদাম, তিল, শাকসবজি

আমি একজন পুষ্টিবিদ নই। এই খাদ্য তালিকা সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন, বয়স, শারীরিক অবস্থা বা কোনো চিকিৎসাজনিত সমস্যা থাকলে অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

02/08/2026

সকালের নরম রোদ, ঠান্ডা হাওয়া আর শান্ত পরিবেশ — হাঁটার জন্য এর চেয়ে ভালো সময় আর নেই। হাঁটা শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি আমাদের হাড়কে শক্ত করে এবং মনকে শান্ত রাখে।
হাঁটার সময় শরীরের ওজন গোড়ালি, হাঁটু ও কোমরের হাড়ে পড়ে, যা হাড়কে স্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে। নিয়মিত হাঁটা হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্টিওপোরোসিস এর ঝুঁকি কমায়। একই সঙ্গে এটি জয়েন্টকে নমনীয় রাখে, ফলে আঘাতের সম্ভাবনা কমে যায়।
শুধু শরীর নয়, হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও আশ্চর্য কাজ করে। সকালের হাঁটা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, স্ট্রেস কমায় এবং মনকে সতেজ করে।
প্রতিদিন সকালে ২০–৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। প্রথমে ধীরে শুরু করুন, তারপর গতি বাড়ান। চাইলে বন্ধু বা পরিবারের কাউকে সঙ্গে নিতে পারেন — এতে হাঁটা আরও আনন্দদায়ক হবে।
🌟 মনে রাখবেন, সকালের হাঁটা হলো এক সহজ অভ্যাস যা একসঙ্গে দেয় হাড়ের শক্তি আর মানসিক শান্তি।
💬 আপনারা কি প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস করেন? যদি না করেন, আজ থেকেই শুরু করুন — ছোট্ট এই পরিবর্তনই আপনার জীবনে বড় পার্থক্য আনতে পারে।

Address

Burdwan

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Parasambit Mukherjee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Parasambit Mukherjee:

Shortcuts

Share

Category