Bamdev Scan Centre

Bamdev Scan Centre BAMDEV SCAN CENTRE & NEW BAMDEV DIAGNOSTIC CENTRE ULTRASOUND (USG), COMPUTERISED PATHOLOGY, ECG, X-RAY, ECHO CARDIOGRAPHY, ENDOSCOPY, DOCTORS CONSULTATION.

আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাখি বন্ধন কেবল ভাই-বোনের ভালোবাসার উৎসব নয়, এটি আত্মিক পবিত্রতা, সুরক্ষা এবং দিব্য চেতনার এক ...
26/08/2026

আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাখি বন্ধন কেবল ভাই-বোনের ভালোবাসার উৎসব নয়, এটি আত্মিক পবিত্রতা, সুরক্ষা এবং দিব্য চেতনার এক পবিত্র বন্ধন। এই দিনে হাতের কবজিতে সুতো বাঁধার অর্থ হলো নিজের মন ও কর্মকে পবিত্র রাখার এক নিঃশর্ত অঙ্গীকার। এটি আমাদের ভেতরের সমস্ত নেতিবাচকতা মুছে আত্মিক শক্তি ও শান্তির আলো ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার।

"শুভ রক্ষা বন্ধন।"
ভালো থেকো সুস্থ থেকো

খালি পেটে কাঁচা বা টক লিচু বেশি খাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হতে পারে, বমি, মাথা ঘোরা, এবং রক্তে শর্...
01/06/2026

খালি পেটে কাঁচা বা টক লিচু বেশি খাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হতে পারে, বমি, মাথা ঘোরা, এবং রক্তে শর্করার মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

খালি পেটে টক লিচু বেশি খেলে যেসকল সমস্যা হয়:রক্তে শর্করা কমে যাওয়া (হাইপোগ্লাইসেমিয়া): লিচুতে হাইপোগ্লাইসিন-এ এবং এমসিপিজি নামক উপাদান থাকে। খালি পেটে লিচু খেলে এই উপাদানগুলো শরীরে নতুন গ্লুকোজ তৈরি হতে বাধা দেয়, যার ফলে রক্তে সুগার লেভেল হঠাৎ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

হঠাৎ বিষক্রিয়া ও মৃত্যুঝুঁকি: বিশেষ করে অপক্ক (কাঁচা বা টক) লিচু খালি পেটে শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে, যা থেকে খিঁচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

রক্তচাপ কমে যাওয়া: লিচু অতিরিক্ত খেলে বা খালি পেটে খেলে রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যেতে পারে, যা থেকে মাথাঘোরা, দুর্বলতা এবং বমি ভাব দেখা দেয়।

গ্যাস্ট্রিক ও এসিডিটি: টক লিচু খালি পেটে খেলে গ্যাসের সমস্যা, পেট ব্যথা, বুক জ্বালাপোড়া ও ডায়রিয়ার মতো হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পরামর্শ:পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, লিচু কখনই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। সবসময় ভরা পেটে বা খাবার খাওয়ার অন্তত ১-২ ঘণ্টা পর পরিমিত পরিমাণে লিচু খাওয়া উচিত।

079087 12411

Dr Samadul (M.D. Internal medicine)Medicine Specialists General physician 📱 079087 12411 (Appointment)
19/05/2026

Dr Samadul (M.D. Internal medicine)
Medicine Specialists
General physician
📱 079087 12411 (Appointment)

পটি করার সময় টকটকে লাল রক্ত বেরুচ্ছে,আর মনে করছেন—“একটু তো রক্তই পড়ে, ব্যথা তো করে না…এটা আবার কোনো ব্যাপার নাকি???”এই...
09/01/2026

পটি করার সময় টকটকে লাল রক্ত বেরুচ্ছে,
আর মনে করছেন—
“একটু তো রক্তই পড়ে, ব্যথা তো করে না…
এটা আবার কোনো ব্যাপার নাকি???”

এই কথাটা আমরা অনেকেই বলি।
কিন্তু বিশ্বাস করুন,
এখান থেকেই শুরু হতে পারে
অনেক বড় বিপদ।

এই ছবিটা একটু মন দিয়ে দেখুন—
মলদ্বারের ভেতরে যে রক্তনালিগুলো আছে,
সেগুলো ফুলে ফুলে থলির মতো ঝুলে গেছে।
এটাই পাইলস।

ডাক্তারি ভাষায় এর নাম—
Hemorrhoids।

শুরুর দিকে শুধু রক্ত পড়ে,
ব্যথা তেমন থাকে না,
তাই আমরা গুরুত্ব দিই না।
ভাবি, এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু ধীরে ধীরে কী হয় জানেন???
বসতে কষ্ট হয়,
জ্বালা করে,
ভেতরে একটা ভারী ভারী লাগে,
পরে বাইরে মাংসের মতো কিছু বেরিয়ে আসে।
অনেকের ক্ষেত্রে আবার
মলদার ফেটে গিয়ে
চামড়া ঝুলে থাকতে দেখা যায়।

আর যখন অবস্থা একেবারে সিরিয়াস হয়ে যায়,
তখন চুলকানি এমন হয়
যে সহ্য করা যায় না,
জ্বালা থামেই না,
রক্ত পড়া বন্ধ হয় না,
হাঁটতে বসতেও কষ্ট লাগে।
তখন জীবনটাই দুর্বিষহ হয়ে যায়।

এখন আপনি ভাবছেন,
এটা হয় কেন???

আমি সহজ করে বলি—
যখন আমরা বারবার কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগি,
পায়খানার সময় জোর দিতে হয়,
সারাদিন বসে থাকি,
জল ঠিকমতো পান করি না,
ঝাল-মসলা বেশি খাই,
শাকসবজি কম খাই—
তখন ভেতরের রক্তনালিগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
আর সেই চাপ থেকেই
ওগুলো ফুলে গিয়ে
পাইলস তৈরি হয়।

এখন ভালো খবরটা শুনুন—

একদম শুরুতেই যদি আমরা নিয়ম মেনে চলি,
খাবার ঠিক মত খায় বা সঠিক খাবার খায়,
লাইফস্টাইল ঠিক করি,
বেশি জল পান করি
তাহলে অনেক সময় অপারেশন ছাড়াই ঠিক হয়ে যায়।

কিন্তু আমরা কী করি???
লজ্জায় কাউকে বলি না,
সময় নষ্ট করি,
ভাবি পরে দেখব।

ফলাফল কী হয় জানেন???
অবস্থা এমন জায়গায় যায়
যেখানে শেষ পর্যন্ত অপারেশন করতেই হয়।

তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়া দরকার।

তাহলে কি করবো আমরা ???
কম ঝাল-মসলা খাব, ফাস্ট ফুড খাবোনা।
তেল, চর্বি বা মাংস জাতীয় খাবার একদম নয়।
হালকা খাবার খাব,
বেশি বেশি শাকসবজি খাব,
ফল খাব, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাবো
প্রচুর জল পান করব,
বিড়ি, সিগারেট, মদ্য পান একদম নয়।
পায়খানার চাপ চেপে রাখব না,
টয়লেটে বসে মোবাইল নিয়ে বসে থাকব না।

আর একটা কথা—
কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন জানেন???

যদি দেখেন
প্রায়ই রক্ত পড়ছে,
ব্যথা বাড়ছে,
বাইরে কিছু ঝুলে আছে,
চুলকানি অসহ্য হয়ে গেছে,
ঘরোয়া কিছুতেই কমছে না—
তাহলে আর দেরি নয়,
ডাক্তারের কাছে যান।
079087 12411

আজ যেটাকে ছোট সমস্যা ভাবছেন,
কাল সেটাই
আপনাকে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

তাই বলছি—
নিজের শরীরকে অবহেলা করবেন না।

এই পোস্টটা শেয়ার করুন,
আরেকজন যেন সময় থাকতে সাবধান হয়

ডাক্তারের পরামর্শ নিন
📱 7908712411

শীতকালে ফল ই হোক আপনার প্রাকৃতিক ঔষধ।শীতকালে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলালেবু, পেয়ারা, আপেল, ডাল...
06/01/2026

শীতকালে ফল ই হোক আপনার প্রাকৃতিক ঔষধ।

শীতকালে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলালেবু, পেয়ারা, আপেল, ডালিম, কিউই ও কুল (বরই) খাওয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বক ভালো রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং শক্তি জোগায়, যা এই ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য খুবই উপকারী। শীতের ফলগুলি প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

শীতের উপকারী ফল ও তাদের উপকারিতা:

কমলালেবু: প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখে।

পেয়ারা: ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা হজম ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আপেল: ফাইবার ও ভিটামিনের ভালো উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হজমে সহায়তা করে।

ডালিম: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।

কুল (বরই): বিভিন্ন ধরনের কুল (নারকেলি, আপেল কুল) পাওয়া যায়, যা পুষ্টিগুণে ভরপুর।

কিউই: ত্বক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আমলকি: ভিটামিন সি-এর অন্যতম সেরা উৎস, যা রোগ প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর।
কেন শীতকালে ফল খাবেন?

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন সি সংক্রমণ মোকাবিলায় সাহায্য করে।

ত্বকের স্বাস্থ্য: ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।

হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার হজম ভালো রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
শক্তি সরবরাহ: প্রাকৃতিক শর্করা তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়।

টিপস:
ঠান্ডা ফল সরাসরি ফ্রিজ থেকে না খেয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে খান।
দিনের বেলায় ফল খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

079087 12411

শীতে জয়েন্ট পেইন বা গাঁটে ব্যথা বাড়ছে?কারণ আছে!শীতে তাপমাত্রা কমলে গাঁটের চারপাশের পেশি ও লিগামেন্ট শক্ত হয়ে যায়। এর...
29/12/2025

শীতে জয়েন্ট পেইন বা গাঁটে ব্যথা বাড়ছে?
কারণ আছে!

শীতে তাপমাত্রা কমলে গাঁটের চারপাশের পেশি ও লিগামেন্ট শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে হাঁটু, কোমর, কাঁধ বা আঙুলে ব্যথা ও জড়তা বাড়ে- বিশেষ করে বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে।

শীতে জয়েন্ট পেইন বাড়ার কারণ :
১. ঠান্ডায় রক্তসঞ্চালন কমে যাওয়া
২. আর্থাইটিস বা পুরনো ব্যথা
৩. দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করা
৪. ভিটামিন ডি এর ঘাটতি

ব্যথা কমাতে করণীয় :
১. সকালে বা রাতে হালকা স্ট্রেচিং
২. গরম জল বা সেঁক নিন
৩. শরীর গরম রাখুন, বিশেষ করে হাঁটু ও কোমর
৪. পর্যাপ্ত রোদে থাকুন
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

মনে রাখুন : শীত থামানো যাবে না
কিন্তু সচেতনতায় গাঁটের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে
প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন
079087 12411

বামদেব স্ক্যান সেন্টারের পক্ষে জনস্বার্থে প্রচারিত।

OPD চেম্বারের সময় সূচি
11/09/2025

OPD চেম্বারের সময় সূচি

ভুলে যাচ্ছেন? শুধু ব্যস্ততা নয়, হতে পারে স্বাস্থ্যগত ইঙ্গিত!চাবি কোথায় রাখলেন ভুলে গেছেন? একই কথা বারবার জিজ্ঞেস করছেন...
05/08/2025

ভুলে যাচ্ছেন?
শুধু ব্যস্ততা নয়, হতে পারে স্বাস্থ্যগত ইঙ্গিত!

চাবি কোথায় রাখলেন ভুলে গেছেন? একই কথা বারবার জিজ্ঞেস করছেন? বারবার ভুলে যাওয়াকে হালকা করে দেখবেন না ।

সম্ভাব্য কারণ ঃ
১. অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা
২. ঘুমের অভাব
৩. ভিটামিন B12-এর ঘাটতি
৪. থাইরয়েডের সমস্যা
৫. বয়সজনিত স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা
৬. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস

আপনার করণীয় :
১. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন
২. মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন
৩. মস্তিষ্কচর্চার জন্য বই পড়ুন, পাজল খেলুন
৪. পুষ্টিকর খাবার খান (বাদাম, ডিম, শাকসবজি)
৫. ভুলে যাওয়া ক্রমাগত বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

সাধারণ ভুলে যাওয়ার কারণ

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ: চাপ এবং উদ্বেগ স্মৃতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যখন মানুষ খুব চিন্তিত থাকে, তখন তারা তাদের মনের তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন মনে করে।
অতিরিক্ত মদ্যপান: দীর্ঘমেয়াদী মদ্যপান স্মৃতিশক্তি হ্রাস করতে পারে এবং স্বাভাবিক মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে।
নিদ্রাহীনতা: পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্মৃতির সমস্যা হয়। ঘুমের অভাব মনোযোগ ও অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রক্রিয়াকরণে বাধা সৃষ্টি করে।
পুষ্টির অভাব: বিশেষ কোনও পুষ্টি (যেমন ভিটামিন B12) এর অভাব স্মৃতি এবং মানসিক শক্তি হ্রাস করতে পারে।

স্মৃতিশক্তি দুর্বল হাওয়ার লক্ষণ ও কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
স্মৃতিশক্তি দুর্বলতার প্রথম লক্ষণগুলির মধ্যে ধাপে ধাপে পরিবর্তন দেখা যায়। যখন স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়, তখন ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য চিন্তা করে মনে পড়তে পারে। তবে যদি নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে যাওয়া বা দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে এটি ডিমেনশিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

স্বাভাবিক স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা

পরিচিত কারও নাম মনে করতে দেরি হওয়া: সব সময়ই ঘটে, বিশেষ করে একনাগাড়ে কাজ করার সময়।
কোনো কাজ শুরু করার পর কী করতে চেয়েছিলেন তা ভুলে যাওয়া: এটি স্বাভাবিক, কিন্তু সময়ে সময়ে ঘটবে।
সময় নিয়ে চিন্তা করলে মনে পড়া: কিছু সময়ের জন্য চেষ্টা করলে অনেকসময় মনে পড়ে।

ডিমেনশিয়ার লক্ষণ

একই প্রশ্ন বারবার করা: একই কথার জন্য বারবার জিজ্ঞাসা করা।
পরিচিত মানুষের নাম বা মুখ ভুলে যাওয়া: পরিচিত মুখ দেখে গেঁতো স্বরূপ হতে পারে।
চিরপরিচিত জায়গায় রাস্তা ভুলে যাওয়া: প্রায়শই যাওয়া যায় এমন স্থানে পৌঁছাতে অসুবিধা।
দৈনন্দিন কাজ (যেমন রান্না করা বা বিল দেওয়া) করতে ভুলে যাওয়া: রুটিন কাজ সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হওয়া।
সাধারণ কথা বলতে সমস্যা হওয়া: যেমন "টেবিল" বলার জায়গায় "বিছানা" বলা।
আচরণ বা মেজাজে আকস্মিক পরিবর্তন: আকস্মিকভাবে বিষণ্ণতা বা উদ্বেগ বৃদ্ধি

এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে যদি সময়ের সাথে যদি এটি বাড়তে থাকে।

079087 12411 (বিপ্লব)

প্রায়শই বুক জ্বালা বা অম্বল হওয়া কি গ্যাস্ট্রিক নাকি কিছু আরও গুরুতর???বুকের মাঝে জ্বালা খাওয়ার পরে অম্বল বা গলায় ঢে...
15/07/2025

প্রায়শই বুক জ্বালা বা অম্বল হওয়া কি গ্যাস্ট্রিক নাকি কিছু আরও গুরুতর???
বুকের মাঝে জ্বালা খাওয়ার পরে অম্বল বা গলায় ঢেঁকুর - এসব উপসর্গকে আমরা গ্যাস্ট্রিক ভেবে উড়িয়ে দিই। অথচ এটি হতে পারে GERD (গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ)।
GERD কী ?
যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড বা খাবার উপরের দিকে উঠে খাদ্যনালীতে যায়, তখন অম্বল, বুক জ্বালা, গলায় টক স্বাদ, কাশি বা গলার স্বর ভেঙে যেতে পারে।

কেন হয় ?
১. তেল-ঝাল খাবার
২. অনিয়মিত খাওয়া
৩. খেয়েই শুয়ে পড়া
৪. অতিরিক্ত ওজন
৫. ধূমপান বা মদ্যপান

সতর্ক হোন যদিঃ
১. সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি অম্বল হয়
২. রাতে ঘুম ভাঙে বুক জ্বালা করে
৩. গলার স্বর বদলায় বা দীর্ঘদিন কাশি থাকে

কি করবেন ?
১. সময়মতো, হালকা খাবার খান
২. খাওয়ার পর ২ ঘন্টা না শোওয়া
৩. মাথা একটু উচুঁ করে ঘুমানো
৪. প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

অম্বলকে অবহেলা নয়। নিয়ম না মানলে এটা খাদ্যনালীর ক্ষত বা আলসারে রুপ নিতে পারে।

বিপ্লব
079087 12411

স্লিপ অ্যাপনিয়া কী?স্লিপ অ্যাপনিয়া একটি ঘুমের ব্যাধি যা ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের ওঠা-নামা বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে...
11/07/2025

স্লিপ অ্যাপনিয়া কী?
স্লিপ অ্যাপনিয়া একটি ঘুমের ব্যাধি যা ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের ওঠা-নামা বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এর ফলে ঘুমের গুণমান খারাপ হতে পারে এবং দিনের বেলায় ক্লান্তি দেখা যেতে পারে।
ডান দিকে ঘুমানোর উপকারিতা:
শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করে: ডান দিকে ঘুমালে শ্বাসনালীর উপর চাপ কমে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসকে সহজ করে তোলে।
স্লিপ অ্যাপনিয়ার উপসর্গ কমায়: এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে নাক ডাকা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
অন্যান্য ঘুমের অবস্থান:
বাম দিকে ঘুমানো: বাম দিকে ঘুমানোও অনেকের জন্য উপকারী হতে পারে, তবে এটি ব্যক্তির উপর নির্ভর করে। কিছু ক্ষেত্রে, এটি হার্টের সমস্যা বা হৃদরোগীদের জন্য ভাল বলে মনে করা হয়।
চিৎ হয়ে ঘুমানো: চিৎ হয়ে ঘুমানো স্লিপ অ্যাপনিয়ার উপসর্গ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
উপুড় হয়ে ঘুমানো: উপুড় হয়ে ঘুমালে পিঠ এবং ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে, তাই এটি সাধারণত স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য উপযুক্ত নয়।

ডান দিকে কাত হয়ে ঘুমানো (Right lateral sleeping position) শরীরের জন্য বেশ কিছু উপকারী দিক রয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও এতে কিছু ভালো দিক খুঁজে পেয়েছে। নিচে এর উপকারিতাগুলো তুলে ধরা হলো:

---

✅ ডান দিকে কাত হয়ে ঘুমানোর উপকারিতা:

১. হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ কমে

ডান দিকে কাত হয়ে ঘুমালে হৃদপিণ্ড বাম দিকে অবস্থান করার কারণে তা ফুসফুস ও শরীরের ওজন থেকে তুলনামূলক মুক্ত থাকে। এতে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা ভালো থাকে, বিশেষত যাদের হৃদরোগ আছে তাদের জন্য এটি উপকারী।

২. পাকস্থলীতে হজম ভালো হয়

বাম দিকে পাকস্থলীর ঢাল থাকায় বাম দিকে ঘুমালে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে। ডান দিকে ঘুমালে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।

৩. লিভার, ফুসফুস ও পেটের ওপর কম চাপ পড়ে

লিভার ও পাকস্থলী ডান দিকে হওয়ায় এভাবে ঘুমালে চাপ কম পড়ে, বিশেষ করে যাদের ফ্যাটি লিভার বা হজম সমস্যা আছে তাদের জন্য ভালো।

৪. নাক ডাকা ও স্লিপ অ্যাপনিয়া কমে

অনেক সময় চিত হয়ে ঘুমালে শ্বাসনালিতে চাপ পড়ে ও নাক ডাকার সমস্যা হয়। ডান দিকে ঘুমালে এসব সমস্যা হ্রাস পেতে পারে।

৬. রক্ত সঞ্চালনে সহায়ক

ডান দিকে ঘুমালে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভারসাম্যপূর্ণ হয় এবং ব্রেইন ও হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছায়।

⚠️ কিছু সতর্কতা:

গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে ডান কাত হওয়ার বদলে বাম কাত হয়ে ঘুমানো অধিকতর ভালো, কারণ তাতে গর্ভে শিশুর রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।

দীর্ঘক্ষণ এক পাশে ঘুমালে শরীরের ঐ পাশে ব্যথা হতে পারে, তাই মাঝে মাঝে পাশ পরিবর্তন করাও দরকার।

বিপ্লব
বামদেব স্ক্যান সেন্টার
079087 12411

Address

Calcutta Bara Bazar

Telephone

+917908712411

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bamdev Scan Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bamdev Scan Centre:

Shortcuts

Share