ক্যানিং ওয়েলকিন কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং পলিক্লিনিক

  • Home
  • India
  • Canning
  • ক্যানিং ওয়েলকিন কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং পলিক্লিনিক

ক্যানিং ওয়েলকিন কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং পলিক্লিনিক Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ক্যানিং ওয়েলকিন কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং পলিক্লিনিক, Medical and health, canning Hospital more beside matrima Hospital, Canning.

আপনার সুস্বাস্থ্যের বিশ্বস্ত ঠিকানা। এখানে কলকাতার অভিজ্ঞ সুপার স্পেশালিস্ট চিকিৎসকদের পরামর্শ, আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং আন্তরিক স্বাস্থ্যসেবা একসাথে পাওয়া যায়। রোগীর সঠিক চিকিৎসা ও যত্নই আমাদের অঙ্গীকার।

07/09/2026

🦋 **থাইরয়েড বেড়ে গেলে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?**

থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

🔴 **সম্ভাব্য লক্ষণগুলি—**
• অস্বাভাবিকভাবে ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া
• অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
• সবসময় ঠান্ডা বা গরম লাগা
• হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা অনিয়মিত হওয়া
• অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
• চুল পড়া ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া
• ঘুমের সমস্যা
• মেজাজের পরিবর্তন, অস্থিরতা বা মনমরা ভাব
• কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেটের সমস্যা
• মহিলাদের মাসিকের অনিয়ম
• গলায় ফোলা বা ঢোক গিলতে অসুবিধা

🩺 **করণীয় কী?**

উপরের এক বা একাধিক লক্ষণ থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী **TSH, Free T4 (FT4), Free T3 (FT3)** এবং অন্যান্য পরীক্ষা করা হতে পারে।

⚠️ **নিজে থেকে থাইরয়েডের ওষুধ শুরু বা বন্ধ করবেন না।**

💙 **সঠিক সময়ে পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন।**

**ক্যানিং ওয়েলকিন কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও পলিক্লিনিক**
🩺 *সুস্থ জীবন আমাদের অঙ্গীকার*

04/09/2026
অবশ্যই। লিভার সুস্থ রাখতে শুধু একটি নির্দিষ্ট খাবার নয়—**সুষম খাদ্য, ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, অ্যালকোহল এড়ান...
08/08/2026

অবশ্যই। লিভার সুস্থ রাখতে শুধু একটি নির্দিষ্ট খাবার নয়—**সুষম খাদ্য, ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, অ্যালকোহল এড়ানো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ** সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার ও ওজন নিয়ন্ত্রণে লিভারের চর্বি ও প্রদাহ কমতে পারে।

# # # 🥗 লিভারের সুস্থতার জন্য ভালো খাবার

**১. সবুজ ও রঙিন শাকসবজি**

* পালং শাক
* লালশাক
* লাউ
* ঝিঙে
* পটল
* করলা
* বাঁধাকপি
* ফুলকপি
* ব্রোকলি
* গাজর
* টমেটো
* শসা
* কুমড়ো

**২. সম্পূর্ণ শস্য**

* ওটস
* লাল/ব্রাউন চাল
* আটার রুটি
* ডালিয়া

কম পরিশোধিত বা কম-গ্লাইসেমিক খাবার বেছে নেওয়া ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। ([NIDDK][1])

**৩. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার**

* ডাল
* ছোলা
* রাজমা
* মুগ ডাল
* মাছ
* ডিম
* চামড়া ছাড়া মুরগি
* বাদাম ও বীজ

**৪. ফল**

* আপেল
* পেয়ারা
* কমলা
* পেঁপে
* ডালিম
* বেরি জাতীয় ফল

👉 **ফল চিবিয়ে খাওয়া ভালো; ফলের রস নিয়মিত পান করার অভ্যাস এড়ানো ভালো**, কারণ রসে সহজে বেশি চিনি গ্রহণ হয়ে যেতে পারে।

**৫. স্বাস্থ্যকর চর্বি**
পরিমিত বাদাম, বীজ ও অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাট কমানো গুরুত্বপূর্ণ।

# # # 🚫 কোন খাবার কমাবেন?

* মিষ্টি, রসগোল্লা, মিষ্টিজাতীয় খাবার
* কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত চিনি দেওয়া পানীয়
* প্যাকেটজাত জুস
* অতিরিক্ত ভাজাভুজি
* ফাস্ট ফুড
* অতিরিক্ত মাখন/ঘি
* অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস
* অতিরিক্ত লবণ
* অতিরিক্ত পরিমাণ সাদা ভাত/ময়দার খাবার

বিশেষ করে **চিনি ও ফ্রুক্টোজযুক্ত মিষ্টি পানীয়** ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

# # # 🍺 অ্যালকোহল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

লিভারের রোগ থাকলে অ্যালকোহল সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অ্যালকোহল লিভারের ক্ষতি বাড়াতে পারে এবং কোনো অ্যালকোহলিক পানীয়কে “লিভার পরিষ্কার করার” উপায় হিসেবে ধরা ঠিক নয়।

🚶 ডাক্তারবাবুদের গুরুত্বপূর্ণ জীবনযাপনের পরামর্শ

* প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা বা শরীরচর্চা করুন।
* সপ্তাহে মোটামুটি **১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ** লক্ষ্য করা যেতে পারে।
* ওজন বেশি হলে ধীরে ধীরে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন।
* অতিরিক্ত দ্রুত ওজন কমানো এড়িয়ে চলুন।
* পর্যাপ্ত **জল** পান করুন।
* পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত জীবনযাপন বজায় রাখুন।
* নিজের ইচ্ছায় ভেষজ ওষুধ বা “লিভার ডিটক্স” সাপ্লিমেন্ট খাবেন না—কিছু সাপ্লিমেন্ট উল্টো লিভারের ক্ষতি করতে পারে।

# # # 🩺 ফ্যাটি লিভার থাকলে বিশেষভাবে মনে রাখুন

ওজন বেশি থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে ওজন কমানো ফ্যাটি লিভারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। NIDDK অনুযায়ী, শরীরের ওজনের প্রায় **৩–৫% কমলে লিভারের চর্বি কমতে পারে**, আর কিছু ক্ষেত্রে **৭–১০% ওজন কমানো** প্রদাহ ও ফাইব্রোসিস কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে ওজন কমানোর লক্ষ্য ব্যক্তিভেদে চিকিৎসক/ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে ঠিক করা উচিত।

**গুরুত্বপূর্ণ:** জন্ডিস, পেট ফুলে যাওয়া, পা ফুলে যাওয়া, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, রক্তবমি/কালো পায়খানা, তীব্র পেটব্যথা বা বিভ্রান্তি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আর যদি ইতিমধ্যেই **ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিস, সিরোসিস বা অন্য কোনো লিভারের রোগ** থাকে, তাহলে সাধারণ “হেলদি ডায়েট” যথেষ্ট নাও হতে পারে—খাবারের পরিমাণ ও প্রোটিন/লবণসহ খাদ্য পরিকল্পনা রোগ অনুযায়ী বদলাতে হয়।

Address

Canning Hospital More Beside Matrima Hospital
Canning
743329

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ক্যানিং ওয়েলকিন কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং পলিক্লিনিক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share