DR. SANTANU SEN

DR. SANTANU SEN HMO of NHM

" ছদ্মবেশী ORS "ডায়রিয়া রোগীদের ORS খেতে বলা হলে তারা অনেক সময় বলেন অনুমতি দিলে Liquid ORS টা খাব , আসলে হাসপাতালের O...
29/07/2025

" ছদ্মবেশী ORS "
ডায়রিয়া রোগীদের ORS খেতে বলা হলে তারা অনেক সময় বলেন অনুমতি দিলে Liquid ORS টা খাব , আসলে হাসপাতালের ORS টা খেতে পারছি না ,মুখের স্বাদ নেই তো তাই । এই অবস্থার মুখোমুখি আমি প্রচুর হয়েছি।
সেদিন হঠাৎ দেখি এক ডায়রিয়া রোগী বসে আর হাতে একটা প্যাকেট । জিজ্ঞেস করতে বলল এটা " Liquid ORS " । আমি প্যাকেটটা হাতে নিয়ে দেখে চমকে উঠলাম। হ্যাঁ প্যাকেটের উপর লেখা ORSL, যেটা দেখে যে কারোরই মনে হবে এটাই হয়তো ORS , কিন্তু ভালো করে প্যাকেটটা পড়লেই দেখা যায় নিচে ছোট্ট করে লেখা " Ready To Serve Fruit Beverage
NOT AN ORS " আর প্যাকেটের পিছন দিকে লেখা " Do not use During Diarrhoea" । এটি আসলে নকল ORS যা FSSAI দ্বারা অনুমোদিত।
খুব ভালো করে দেখলে দেখা যায় WHO ( World Health Organization) অনুমোদিত ORS এ সোডিয়াম এর তুলনায় এই নকল ORS এ সোডিয়াম এর পরিমাণ অনেক কম, যার ফলে আমাদের শরীরে Electrolyte Imbalance হতে পারে। এছাড়াও এতে থাকে "Added Sugar" যা WHO অনুমোদিত ORS এ কখনো থাকে না।
তাই সাবধান। ওষুধের দোকানে যা আপনাকে ORS বলে বিক্রি করছে সেটা আসলেই আপনার রোগীর জন্য বা আপনার জন্য কতটা স্বাস্থ্যকর সেটা ডাক্তারবাবুকে জিজ্ঞেস করুন না হলে অন্ততপক্ষে নিজে প্যাকেটের ওপর লেখাগুলো পড়ুন।
ছবি সংগৃহীত।

আজ মর্যাদা পুরুষোত্তম, রঘুবীর শ্রীরামচন্দ্রের পূণ্য জন্মতিথিতে তাঁর শ্রীচরণকমলে সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি!🪷🪷🪷🙏🙏 🙏
06/04/2025

আজ মর্যাদা পুরুষোত্তম, রঘুবীর শ্রীরামচন্দ্রের পূণ্য জন্মতিথিতে তাঁর শ্রীচরণকমলে সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি!🪷🪷🪷🙏🙏 🙏

“ লিভারের চর্বি গলানোর পদ্ধতি”…🌺''স্বাস্থ্যকথা --লিভারের চর্বি গলানোর ঘরোয়া চিকিৎসা, সুস্থ থাকতে চাইলে জেনে রাখুন''-----...
26/12/2024

“ লিভারের চর্বি গলানোর পদ্ধতি”…🌺

''স্বাস্থ্যকথা --লিভারের চর্বি গলানোর ঘরোয়া চিকিৎসা, সুস্থ থাকতে চাইলে জেনে রাখুন''--------
,
লিভারের চর্বি গলানোর-আজকাল অনেকেই লিভারে চর্বি (ফ্যাটি লিভারে) রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।লিভারের এই রোগটি প্রাণ সংশয়ের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।শরীরে চর্বি বিপাকপ্রক্রিয়ার অসামঞ্জস্য এবং ইনসুলিন অকার্যকারিতার জন্য লিভারের কোষগুলোতে অস্বাভাবিক চর্বি, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড জমে।এতে লিভারের ওজন হিসেবে ৫ থেকে ১০ শতাংশ চর্বির পরিমাণবেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে,জীবনাচরণ ও খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব রয়েছে এ সমস্যার মূলে।অ্যালকোহল সেবনকারী এবংস্থূল ব্যক্তিদের মধ্যে এরোগেআক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৭৫ শতাংশ।নারী-পুরুষ উভয়ই এতে আক্রান্ত হতে পারেন।শিশু-কিশোররাও এ থেকে মুক্ত নয়।লিভারে চর্বি বা চর্বিজনিত রোগ মোটা দাগে দুই রকম অ্যালকোহল জনিত এবং অন্যান্য কারণ জনিত: উভয় ক্ষেত্রেই,সাধারণ চর্বি জমা থেকে শুরু করে রোগটি নানা জটিল ধাপে অগ্রসর হতে পারে,যেমন-লিভারে প্রদাহ,প্রদাহজনিত ক্ষত বা সিরোসিস লিভারে অকার্যকারিতা ইত্যাদি।অ্যালকোহলজনিত কারণে এথেকে যে সিরোসিস হয়,তাতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি প্রায় ১০ শতাংশ।যখন এই চর্বিযুক্ত সেলগুলো লিভার টিসুদের বাধা দেয়,তখনই লিভার ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়।এমন কী এই ধরনের পরিস্থিত তৈরি হলে কোন ও কোনও ক্ষেত্রে লিভার ফুলতেও শুরু করে।লিভারে মেদ জমা যদিঠিক সময়ে আটকানো না যায় তাহলে তা থেকে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি ও কারণ গুলোকে কেবল প্রতিরোধের মাধ্যমেই এ রোগের প্রতিকার সম্ভব।কেননা রোগটির কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।তবে আশাহত হবেন না।ঠিক সময়ে যদি চিকিৎসা শুরু করা যায় তাহলে লিভারের রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠা যায়।তবে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আছে যা অনুসরণ করলে লিভারের চর্বি গলে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হবে
লেবুপান:--প্রতিদিন লেবু জল পানের অভ্যাস করুন।এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে, যা লিভারকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে।
গ্রিন-টি :-প্রতিদিন সকালে ও বিকালে এক কাপ করে গ্রিন-টি পান করুন । এটি লিভার ফাংশন ঠিক করতে সাহায়তা করে।
অ্যাপেল সিডার ভিনিগার :-এক কাপ গরম জলেতে কেয়েক ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন খাবার আগে পান করুন। কয়েক মাস এটা খেলেই দেখবেন লিভারে জমে থাকা চর্বি সব গায়েব হয়ে গেছে।
আদাজল: --এক চা চামচ আদা গুঁড়া গরম জলেতে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন।এই পানীয় টানা ১৫ দিন খেলেই দেখবেন অনেক সুস্থ বোধ করছেন। কারণ এটি লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়াটি প্রায় বন্ধ করে দেয়। ফলে লিভার আস্তে আস্তে ঠিক হতে শুরু করে।
আমলার রস :--আমলায় ভিটামিন-সি থাকায় এটি লিভারকে দূষণমুক্ত করে।তাই লিভারের অসুখে আক্রান্ত রোগী যদি টানা ২৫দিন এই রস, এক চামচ করে প্রতিদিন সকালে খান,তাহলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।--সংগৃহীত🌹

🙏❤️ আজ 2 রা নভেম্বর,ডা: মহেন্দ্রলাল সরকারের জন্মদিন ।  ❤️🙏                     শ্রীরামকৃষ্ণের ডাক্তার,  ঘোর নাস্তিক, দুর...
02/11/2024

🙏❤️ আজ 2 রা নভেম্বর,ডা: মহেন্দ্রলাল সরকারের জন্মদিন । ❤️🙏

শ্রীরামকৃষ্ণের ডাক্তার, ঘোর নাস্তিক, দুর্মুখ, দুঃসাহসী! শ্রীরামকৃষ্ণকে ধমকাতেন আর তুমি করে কথা বলতেন একজনই।তিনি হলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েের দ্বিতীয় এম ডি ডাক্তার, ধন্বন্তরি ! লোকে মরা মানুষ কাঁধে করে নিয়ে এসে বলত, ডাক্তারবাবু আপনি বাঁচিয়ে দিন! এমন ডাক্তারের ফি ছিল সর্বকালীন রেকর্ড! কত? ১৮৬৫ সালে তাঁর ফি ছিল ৩২ টাকা!তখন সায়েব ডাক্তারের সর্বোচ্চ ফি ছিল ১৬ টাকা । তাহলে বুঝতেই পারছেন কত বড় ডাক্তার ছিলেন! তাহলে তাঁর নামটা এবার বলি? তিনি হলেন ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার! একটি নাম! একটি আলোকবর্তিকা!
" আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর... "
আনন্দলোকে জন্ম নিলেন মহেন্দ্রলাল সরকার ( ১৮৩৩- ১৯০৪)। হাওড়া জেলার পাইকপাড়ায়।
স্কুল হেয়ার। সেখান থেকে দারুণ রেজাল্ট করে হিন্দু কলেজ ( এখন প্রেসিডেন্সি) সেখান থেকে দারুণ, দারুণ রেজাল্ট করে এলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাক্তারি পড়তে। সেখানেই তাঁর প্রতিভা দেখে বিস্মিত হয়ে গেলেন শিক্ষকরা। তিনি যখন থার্ড ইয়ারের ছাত্র। তখন মেডিকেল শিক্ষ্যকরা তাঁকে মাঝেমধ্যে সেকেন্ড ইয়ারের ক্লাসে ছাত্রদের লেকচার দিতে পাঠাতেন। এটা রেকর্ড!
১৮৬০ সালে মেডিকেল কলেজ থেকে সসম্মানে মেডিসিন, সার্জারি, মিডওয়াইফেরিতে( গাইনোকলজি বিষয়ক) অনার্স নিয়ে পাস করলেন।
১৮৬৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম ডি হলেন। তিনিই হলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় এম ডি।

এরপর প্র্যাকটিস। ফি হল ৩২ টাকা। আজ পর্য্যন্ত এত ফি কোন ডাক্তারের হয়নি। সালটা হল ১৮৬৫৷
দারুণ মেজাজ। কঠোর নিয়ম মেনে চলেন। লোকে ভয় খেত। নাম হল দুর্মুখ ডাক্তার।
পুরো প্রফেশনাল। বড়লোকদের ১ টাকাও ছাড় নেই। আবার গরীবদের ভগবান। বিনাপয়সায়।
চিরকাল হোমিওপ্যাথিকে নিয়ে মজা করে এসেছেন। হঠাৎ হোমিওপ্যাথি লাইনে এলেন। হয়ে গেলেন এ্যালোপ্যাথি থেকে ১ নম্বর হোমিওপ্যাথি ডাক্তার। ফিস সেই ৩২ টাকা। কম নেই।

" আমার যে সব দিতে হবে সে তো আমি জানি - আমার যত বিত্ত প্রভু, আমার যত বাণী। "

ঠিক তাই। তাঁর যে সমাজকে অনেক কিছু দিতে হবে, সেজন্যই তো পৃথিবীতে আসা। গড়ে তুললেন ভারতবর্ষের সর্ব্যশ্রেষ্ঠ্য প্রাচীনতম গবেষণা কেন্দ্র" " Indian association for the cultivation of science, ১৮৭৬।
অনেক লড়াই করে শেষপর্য্যন্ত মেয়েদের বিবাহের বয়েস ঠিক করতে পারলেন ১৬ বছর।
আসামে চা শ্রমিকদের দুরবস্থা নিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন। শ্রমিকদের " কুলী " বলে ডাকা নিয়ে চরম আপত্তির কথা জানালেন সরকারকে।

আর অনুভব করলেন মহিলারা লেডি ডাক্তারদের কাছে তাদের সমস্যা যতটা খুলে বলতে পারে ততটা পুরুষ চিকিৎসকদের কাছে নয়।
তাই তাঁর ও দ্বারকানাথ গাঙ্গুলির প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতবর্ষের দ্বিতীয় এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিলেত ফেরত মহিলা ডাক্তার হলেন কাদম্বনি গঙ্গোপাধ্যায় ( বসু)। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা গ্র্যাজুয়েট।
আর দুর্ভাগ্য আর একজন মহিলা ডাক্তার হতে পারলেন না। চেন্নাই গেছলেন ডাক্তারি পড়তে। অসুস্থ হয়ে মাঝপথে ডাক্তারি পড়া কমপ্লিট করতে পারলেন না। তিনি হলেন স্যার জগদীশ বসুর সহধর্মিণী লেডি অবলা বসু।

এবার সেই যুগান্তকারী ঘটনা!

*" আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে।
এ জীবন পূণ্য করো দহন - দানে। "*

অনেক টাকাকড়ি, নাম সুখ্যাতি তো হল। এ জীবন তবু পূর্ণ হল না!
একদিন কাশীপুর থেকে আচমকা ডাক এল!

শ্রীরামকৃষ্ণের কর্কট রোগ ধরা পড়েছে । মহেন্দ্রলাল সরকার এলেন!
এসেই রোগীকে চোটপাট। ঠাকুরের বিছানায় সটান বসে পড়ে, "তুমি "করে ধমকাতে লাগলেন, তুমি নাকি আজকাল পরমহংসগিরি করছো?। চারপাশে সব আগামীদিনের বিখ্যাত হবেন সব মানুষরা দাঁড়িয়ে পড়েছেন। শ্রী মা ও আছেন।
জিভ টেনে ধরলেন। কথামৃতে ঠাকুর বলছেন, যেন গরুর জিভ টেনে ধরল, কি যন্ত্রণা! , কি যন্ত্রণা! ... এইসব মোটামুটি।
এদিকে শ্রীরামকৃষ্ণ্যকে ধমকাচ্ছেন আর ঠাকুর হাসছেন। হয়' ত মনে মনে বলছেন, ওরে দাঁড়া, দেখব তুই কতবড় নাস্তিক। কেশব সেন, বঙ্কিম, মাইকেল, বিদ্যাসাগর, গিরীশ, নরেন সব এখানে ড্রাইভ মারল। এবার দেখি মহেন্দ্র ডাক্তার তোমার দৌড়!

যাবার আগে মহেন্দ্রলাল বলে গেলেন, কথা বলা, নাচা গানা এসব চলবে না। তাহলে রোগ বেড়ে যাবে।
ডাক্তার সরকার নাস্তিক ছিলেন। কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ্যের কাছে এলেই কেমন দ্রবীভূত হয়ে যান।
চেম্বার ফেলে ৩২ টাকার ডাক্তার ছুটে আসছেন শ্রীরামকৃষ্ণ্যকে দেখতে।
বলছেন, শোনো তুমি শুধু আমার সঙ্গে কথা বলবে। কোন ধর্ম্যের কথা একবারও কেউ বলছেন না। অথচ মহেন্দ্রলাল চেম্বার ফেলে ঘন্টার পর ঘন্টা শ্রীরামকৃষ্ণ্যের সঙ্গে গল্প করছেন। আসছেন প্রায়ই চেম্বার ফেলে। ঠাকুর হাসেন। ঠাকুর হেসে বলেন, কি ডাক্তার চেম্বারে যাবেন না? ডাক্তার রাগ দেখিয়ে বলেন, সে তোমায় অত ভাবতে হবে না? ঠাকুর হাসেন, এ তো রাগ নয়, এ যে অনুরাগ!

এবার শ্রীরামকৃষ্ণ্য বিদায় নিলেন। মহেন্দ্রলাল সরকার খবর পেয়ে এলেন। দেখলেন। বললেন, প্রাণবায়ু নির্গত হয়ে গেছে।
নিঃশব্দে নেমে এলেন। একজনকে বললেন, শোনো একটা ফটো তোলার ব্যবস্থা কর। এই রইল আমার ১০ টাকা চাঁদা।

ডাক্তারকে কাঁদতে নেই। আবার যে সে ডাক্তার নয়। চরম নাস্তিক ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার! লোকে কি বলবে!নাস্তিক মহেন্দ্রলাল কাঁদছেন!
কিন্তু " ভালবাসি" কি শুধু মুখে বললেই ভালবাসা বলা হয়? হৃদয়ের ভাষা কি সবাই পড়তে পারে?
ভালবাসা মুখে বলা হয় নি। হৃদয় শুধু বলেছিল!
"আমি তোমায় ভালবাসি, ভালবাসি, হে শ্রীরামকৃষ্ণ!"
আমি নাস্তিক। কিন্তু মানুষ চিনি। তুমি মানুষটা একেবারে খাঁটি। মহেন্দ্রলাল সরকার চলে গেলেন নিঃশব্দে। আজ তাঁর নিজের একটা ওষুধ চাই, বুকের ভেতরটা এমন আনচান করছে কেন! ৩২ টাকার ডাক্তারকে কে এখন ব্যথা জুড়োনোর ওষুধ দেবে?
জুড়াইতে চাই, কোথায় জুড়াই... "

05/10/2024

🔴 বিশেষ সতর্কতামূলক পোস্ট: বাঁচতে হলে জানতে হবে। মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা⁉

আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি? নাকি আবর্জনা?

❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয় না। তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়।

🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেলো মিনিকেট চাল।

🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি।

💥এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক:- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ২৭ কেজি। যোগ করলে দেখা যায় এক হাজার কেজি চাল প্রসেস করার পর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬কেজি বেশী।

✅এই ছয় কেজি হচ্ছে জলীয় বাষ্প ও পানি। রাইস ব্রান তেল কারখানাগুলো পলিশ কিনে নেয়, সাদা খুদ বাজারে চালের অর্ধেক দামে বিক্রি হয়।

✅কালো খুদ আর মরা চাল পশুখাদ্য হিসেবে বিক্রি হয়। ভাবছেন চাল প্রসেসের খরচ কত? ১০০০ কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানাতে খরচ হয় মাত্র ৯০০ টাকা হতে ১৫০০ টাকা। অর্থাৎ কেজি প্রতি ৯০ পয়সা থেকে দেড় টাকা।

✅মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানিয়ে বিক্রেতা একটু বেশী লাভ করলে ক্রেতার ক্ষতি কী?

✅ছোট ক্ষতি হচ্ছে ক্রেতা চিকন চালের দামে মোটা চাল কিনছেন, অর্থাৎ কেজিতে ১৫থেকে ২০টাকা পর্যন্ত ঠকছেন।

✅বড় ক্ষতি হলো কেজিতে ১৫ থেকে ২০টাকা বেশী দিয়ে মিনিকেট চাল নয়, ক্রেতা কিনছেন মোটা চালের আবর্জনা। কারণ, প্রসেস করার মাধ্যমে চালের উপরি আবরণ (bran অর্থাৎ pericarp, seed coat, aleurone layer, embryo) বা পুষ্টিকর অংশ বাদ দেওয়া হয়।

✅উল্লেখ্য, চালের সর্বমোট ৮৫ ভাগ ভিটামিন B3 থাকে pericarp–এ, প্রোটিন আর ফ্যাট থাকে Aleurone layer -এ, খনিজের ৫১ ভাগ ও মোট আঁশের ৮০ ভাগ থাকে bran –এ, ভিটামিন B1 ও ভিটামিন E থাকে embryo -তে।

✅চালের সব পুষ্টিকর উপাদান তেলের মিলে বিক্রির জন্য প্রসেস করে আলাদা করার পর চাল আর চাল থাকেনা, হয়ে যায় চালের আবর্জনা।

❌ মিনিকেট চাল নামে চালের আবর্জনাকে যতোটা ক্ষতিকর মনে করছেন বাস্তবে আরও বেশী ক্ষতিকর। মোটা চালকে মিনিকেটে রূপান্তর করার বিভিন্ন পর্যায়ে সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড + টুথপেস্ট + এরারুটের মিশ্রণ, সোয়াবিন তেল, ফিটকারি, বরিক পাউডার ব্যবহার করা হয়। প্রতি মৌসুমেই বের হয় নিত্য নতুন কৌশল।

❌ মিনিকেট চালে কখনো পোকা ধরেনা। কারণ পোকাও জানে এই চাল খাওয়ার যোগ্য নয়, এতে পুষ্টিগুণ নেই।
অথচ দেখতে সুন্দর এই অখাদ্যকে আমি আপনি আমাদের পরিবারকে নিশ্চিন্তে খাওয়াচ্ছি এবং নিজেরাও খাচ্ছি!
কিন্তু কেন!?😕

✅শুধু চাল নয়, এমন আরও হাজারো অখাদ্য, আবর্জনা আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে যাচ্ছি জেনে, না জেনে আর তার ফলাফল স্বরূপ ভুগতে হচ্ছে কঠিন কঠিন রোগে সেই সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছি এক ভয়াবহ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবন ব্যবস্থা!

✅হিসেবটা মেলানো খুবই সহজ, বাড়িতে কোনো মুরব্বী থাকলে একটু জেনে নিতে হবে আগেকার দিনে তারা কেমন খাবার খেয়ে জীবন যাপন করেছে আর তাদের রোগ বালাই কেমন ছিলো এবং তাদের চিকিৎসা-ই বা কেমন ছিলো।

🔴আজকের দিনে আমরা হাজারো নিত্য নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি আর নিত্য নতুন ঔষধ সেবন করে চলেছি যা একটা রোগকে ঠিক করে আরো শত রোগের জন্ম দিচ্ছে আমাদের শরীরে। এ যেনো এক চোরাবালির মধ্যে ডুবে আছি আমরা।
"সুস্বাস্থ্য যেমন
সকল সুখের মূল,
ঠিক তেমন
স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থের মূল।"

সংগৃহীত

13/08/2024

Address

Math Bishupur
Debra
721136

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DR. SANTANU SEN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category