Dr. Prosenjit Kumar Kundu

Dr. Prosenjit Kumar Kundu Consultant Homoeopathic Physician

🦴 ফ্রোজেন শোল্ডার (Frozen Shoulder) সম্পর্কে জানুনকাঁধে দীর্ঘদিন ব্যথা, শক্ত হয়ে যাওয়া বা হাত নাড়াতে অসুবিধা হলে তা ফ...
28/07/2026

🦴 ফ্রোজেন শোল্ডার (Frozen Shoulder) সম্পর্কে জানুন

কাঁধে দীর্ঘদিন ব্যথা, শক্ত হয়ে যাওয়া বা হাত নাড়াতে অসুবিধা হলে তা ফ্রোজেন শোল্ডারের লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও নিয়ম মেনে চললে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব। 💙

🔹 কাঁধে ব্যথা
ধীরে ধীরে ব্যথা শুরু হয় এবং রাতে অনেক সময় বেশি অনুভূত হয়।

🔹 কাঁধ শক্ত হয়ে যাওয়া
কাঁধ নাড়াতে কষ্ট হয়, ফলে হাতের স্বাভাবিক নড়াচড়া সীমিত হয়ে যায়।

🔹 দৈনন্দিন কাজে অসুবিধা
জামা পরা, চুল আঁচড়ানো বা মাথার ওপর হাত তোলা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

🔹 রাতে ব্যথা বেড়ে যাওয়া
রাতের সময় ব্যথা বেশি হওয়ায় ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

🔹 ধীরে ধীরে উন্নতি
এই সমস্যা ভালো হতে কয়েক মাস থেকে এক বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।

⚠️ সম্ভাব্য কারণ
• অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না।
• দীর্ঘদিন কাঁধ না নাড়ানো, অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পর ঝুঁকি বাড়ে।
• ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের রোগীদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
• আর্থ্রাইটিস বা টেনডনের সমস্যার কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

✅ করণীয়
💊 চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করুন।
🤸 হালকা ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যান।
🧊 প্রয়োজনে গরম বা ঠান্ডা সেঁক ব্যবহার করুন।
⏳ ধৈর্য ধরুন, নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়ে যান।
👨‍⚕️ উপসর্গ বাড়লে বা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

⚠️ এই পোস্টটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য শেয়ার করা হয়েছে। কোনো উপসর্গ বা স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য অবশ্যই একজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

23/07/2026
আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাতে একজন ইউটেরাস টিউমার (Uterine fibroid) এর রোগিণীর মাত্র ৬ মাসেই সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে ওঠা...Cu...
13/05/2026

আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাতে একজন ইউটেরাস টিউমার (Uterine fibroid) এর রোগিণীর মাত্র ৬ মাসেই সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে ওঠা...

Curing a case of Uterine fibroid with our Homoeopathic treatment within only 6months...

🦴 শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি? অবহেলা নয়, সচেতন হোন এখনই!আপনার শরীর কি এই লক্ষণগুলো দিচ্ছে?✅ মাসিকের আগে খিঁচুনি✅ দাঁত ব্...
12/05/2026

🦴 শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি? অবহেলা নয়, সচেতন হোন এখনই!
আপনার শরীর কি এই লক্ষণগুলো দিচ্ছে?
✅ মাসিকের আগে খিঁচুনি
✅ দাঁত ব্যথা
✅ পেশীতে টান বা খিঁচুনি
✅ নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া
✅ সারাদিন ক্লান্তিভাব

⚠️ এটি হতে পারে ক্যালসিয়ামের অভাবের ইঙ্গিত!
👉 সময় থাকতেই পরীক্ষা করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
📞 098308 31991

Kidney Stone expelled out by our Homoeopathic treatment within few days.
12/05/2026

Kidney Stone expelled out by our Homoeopathic treatment within few days.

ড্রেসিং টেবিলে সাজানো নামীদামী ব্র্যান্ডের সিরাম, ময়েশ্চারাইজার আর অ্যান্টি-এজিং নাইট ক্রিম। প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা...
31/01/2026

ড্রেসিং টেবিলে সাজানো নামীদামী ব্র্যান্ডের সিরাম, ময়েশ্চারাইজার আর অ্যান্টি-এজিং নাইট ক্রিম। প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা খরচ করছেন এই আশায় যে, এই ক্রিমগুলো আপনার ত্বককে টানটান রাখবে আর ভেতর থেকে গ্লো আনবে। কিন্তু বিজ্ঞানের কটু সত্যটা হলো—আপনি যা মাখছেন, তা আপনার ত্বকের 'জীবিত' কোনো অংশেই পৌঁছাচ্ছে না। আপনি মূলত টাকা খরচ করে চামড়ার ওপরের মৃত কোষগুলোকে খাওয়াচ্ছেন!

​শুনতে খুব খারাপ লাগছে, তাই না? কিন্তু আমাদের ত্বকের গঠনশৈলী বা অ্যানাটমি জানলে আপনি নিজেই বিষয়টি বুঝতে পারবেন। আমাদের ত্বকের মূলত দুটি প্রধান স্তর থাকে। ওপরের যে স্তরটি আমরা চোখে দেখি এবং স্পর্শ করি, তাকে বলা হয় 'এপিডার্মিস' (Epidermis)। অবাক করা বিষয় হলো, এই এপিডার্মিসের ওপরের দিকের কোষগুলো মূলত মৃত (Dead Cells) এবং এখানে কোনো রক্ত চলাচল নেই। এর কাজ শুধুই শরীরকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা।
​অথচ, আপনার ত্বকের আসল প্রাণকেন্দ্র হলো এর ঠিক নিচের স্তরটি, যার নাম 'ডার্মিস' (Dermis)। এখানেই থাকে কোলাজেন (যা ত্বক টানটান রাখে) এবং ইলাস্টিন (যা নমনীয়তা দেয়)। আপনার ত্বক বুড়ো হবে নাকি জৌলুসপূর্ণ থাকবে—তা ঠিক হয় এই ডার্মিসে।

​সমস্যা হলো, বিজ্ঞাপনে যতই বলুক "ত্বকের গভীরে গিয়ে কাজ করে", বাস্তবতা হলো—কোনো সাধারণ কসমেটিক ক্রিম বা লোশনের ক্ষমতা নেই এপিডার্মিসের শক্ত দেয়াল ভেদ করে নিচের ডার্মিস পর্যন্ত পৌঁছানোর। তাই আপনি যখন দামী ক্রিম মাখছেন, তা মূলত ওই ওপরের মৃত কোষ বা এপিডার্মিসকেই ভিজিয়ে রাখছে। অনেকটা ভাঙা দেয়ালের ওপর রঙচঙে 'পুটি' লাগানোর মতো—বাইরে থেকে চকচকে দেখাবে, কিন্তু ভেতরের ইট ঠিক হবে না।

​তাহলে আসল 'গ্লো' বা উজ্জ্বলতা আসবে কোথা থেকে?
জীবিত ডার্মিস স্তরে পুষ্টি পৌঁছানোর একমাত্র রাস্তা হলো 'রক্তনালী'। আপনার সারা শরীরে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা রক্তনালীগুলোই কেবল ডার্মিসে অক্সিজেন, ভিটামিন, প্রোটিন এবং ফ্যাট পৌঁছে দিতে পারে। আর রক্তে এই পুষ্টিগুলো তখনই যাবে, যখন আপনি সঠিক খাবার খাবেন।

​তাই ড্রেসিং টেবিলের ওপর ভরসা কমিয়ে খাবার টেবিলের দিকে নজর দিন। ওপর থেকে যতই ক্রিম মাখুন, ভেতর থেকে যদি ভালো ফ্যাট (ওমেগা-৩), প্রোটিন আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট না পাঠান, তবে ডার্মিস শুকিয়ে যাবেই। আসল সৌন্দর্য কোনো বয়ামে ভরে বিক্রি হয় না, আসল সৌন্দর্য আপনার প্লেটে সাজানো থাকে।
​মরা চামড়ায় পালিশ না করে, জীবন্ত কোষকে খাবার দিন।

বয়স মাত্র পঁচিশের কোঠায়, জীবনটা যেখানে রঙিন হওয়ার কথা, সেখানে আয়নার সামনে দাঁড়ালে আপনার মনটাই কি ধূসর হয়ে যায়? মাথার এক...
31/01/2026

বয়স মাত্র পঁচিশের কোঠায়, জীবনটা যেখানে রঙিন হওয়ার কথা, সেখানে আয়নার সামনে দাঁড়ালে আপনার মনটাই কি ধূসর হয়ে যায়? মাথার একরাশ ঘন কালো চুলের ভিড়ে হঠাত করেই যখন দু-একটা ধবধবে সাদা চুল উঁকি দেয়, তখন বুকের ভেতরটা কি অজান্তেই হাহাকার করে ওঠে না? বন্ধু-বান্ধব বা অফিস কলিগরা হয়তো হাসাহাসি করে বলে, "কিরে, এত অল্প বয়সেই তো বুড়ো হয়ে গেলি! প্রেমিকা পালিয়েছে নাকি? সারাদিন কী এত চিন্তা করিস?" এই কথাগুলো শুনতে শুনতে আপনি হয়তো মানসিকভাবে ক্লান্ত। লজ্জায় বা অস্বস্তিতে বারবার পার্লারে ছুটছেন, ক্ষতিকর কেমিক্যাল ডাই বা মেহেদি দিয়ে সেই সাদা চুল ঢাকার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছেন। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি, ওপর থেকে রং মেখে সাময়িকভাবে সাদা চুল ঢাকা গেলেও, ভেতর থেকে কেন চুলগুলো তার স্বাভাবিক রং হারিয়ে ফেলছে? আমরা অনেকেই ভাবি, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস থেকেই বুঝি চুল পাকে। স্ট্রেস অবশ্যই পরোক্ষভাবে একটি কারণ, কিন্তু অকালে চুল পাকার নেপথ্যে থাকা আসল জৈব-রাসায়নিক কারণটি প্রায়শই আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের গভীরে গেলে দেখা যায়, এই সমস্যার মূলে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলের অভাব, যার নাম 'কপার' (Copper) বা তামা। বিষয়টি একটু সহজ করে বুঝিয়ে বলি। আমাদের চুলের গোড়ায় প্রাকৃতিকভাবেই মেটাবোলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়ার ফলে 'হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড' তৈরি হয়। আমরা অনেকেই জানি, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড একটি শক্তিশালী 'ব্লিচিং এজেন্ট', যা সাধারণত রং ফর্সা করতে বা ব্লিচ করতে ব্যবহৃত হয়। স্বাভাবিক ও সুস্থ অবস্থায় আমাদের শরীরে 'ক্যাটালেজ' (Catalase) নামক একটি সুপার-হিরো এনজাইম থাকে। এই এনজাইমের কাজ হলো চুলের গোড়ায় তৈরি হওয়া ওই বিষাক্ত ব্লিচ বা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডকে ভেঙে জল ও অক্সিজেনে রূপান্তর করা, যাতে তা চুলের কালো পিগমেন্ট বা মেলানিনকে ধ্বংস করতে না পারে। কিন্তু সমস্যা বাধে তখন, যখন আপনার শরীরে কপারের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেয়। কারণ, এই ক্যাটালেজ এনজাইমটি সক্রিয় হতে এবং কাজ করতে কপারের ওপর নির্ভরশীল। শরীরে পর্যাপ্ত কপার না থাকলে ক্যাটালেজ এনজাইমটি অলস বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ফলে চুলের গোড়ায় ধীরে ধীরে জমতে থাকে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। ফলাফল? আপনার চুল ভেতর থেকেই প্রাকৃতিকভাবে ব্লিচ হয়ে সাদা হয়ে যায়।

তাই অযথা দুশ্চিন্তা বা শুধুই 'বংশগত দোষ' বলে হাল ছেড়ে না দিয়ে নিজের খাবারের প্লেটের দিকে নজর দিন। বাজার থেকে দামী হেয়ার কালার বা কলপ কিনে চুলের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি না করে, রান্নাঘরে প্রাকৃতিক কপারের জোগান বাড়ান। সপ্তাহে অন্তত একদিন খাসির মেটে (লিভার) খাওয়ার অভ্যাস করুন, যা কপারের খনি হিসেবে পরিচিত। বিকেলের খাবারের তালিকায় ভাজাপোড়ার বদলে এক মুঠো সাদা তিল (Sesame seeds), কাজুবাদাম, বা এক টুকরো ৭০% ডার্ক চকলেট খান। এছাড়া মাশরুম এবং বিভিন্ন ধরণের বীজ কপারের দারুণ উৎস। মনে রাখবেন, মেলানিন বা চুলের রং ধরে রাখার ক্ষমতা আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব, যদি আপনি শরীরকে তার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা পুষ্টি সঠিক সময়ে সরবরাহ করতে পারেন। সাদা চুল ঢাকতে নয়, বরং চুলকে ভেতর থেকে কালো ও সজীব রাখতে পুষ্টির ওপরেই ভরসা রাখুন।

টয়লেটে বসে এক টান বিড়ি না দিলে আমার 'প্রেসার' আসে না!"—এই কথাটি আমাদের সমাজে বেশ প্রচলিত। অনেকেই আছেন যারা টয়লেটে দীর্ঘক...
31/01/2026

টয়লেটে বসে এক টান বিড়ি না দিলে আমার 'প্রেসার' আসে না!"—এই কথাটি আমাদের সমাজে বেশ প্রচলিত। অনেকেই আছেন যারা টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন, কিন্তু যতক্ষণ না ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট বা বিড়ি ছোঁয়াচ্ছেন, ততক্ষণ পেট পরিষ্কার হওয়ার কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। অনেকে বিষয়টিকে নিছক মানসিক সমস্যা বা সাধারণ 'বদভ্যাস' মনে করলেও এর নেপথ্যে রয়েছে নিকোটিনের এক শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক ক্রিয়া, যা আদতে আপনার শরীরকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। বিড়ি বা সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা নিকোটিন দ্রুত রক্তে মিশে আমাদের শরীরের 'প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম'কে উত্তেজিত করে তোলে এবং অন্ত্রের মাংসপেশীকে কৃত্রিমভাবে সংকুচিত হতে বাধ্য করে। বিজ্ঞানের ভাষায় অন্ত্রের এই ঢেউয়ের মতো নড়াচড়াকে বলা হয় 'পেরিস্তালসিস' (Peristalsis), যা মলের বেগ তৈরি করে। অর্থাৎ, নিকোটিন অনেকটা অন্ত্রকে জোর করে ধাক্কা দিয়ে মল বের করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদ বা 'পাভলভিয়ান কন্ডিশনিং'ও বটে; দীর্ঘদিন অভ্যাসের ফলে মস্তিষ্ক শিখে নেয় যে টয়লেটে সিগারেট পেলেই কেবল বাউয়েল মুভমেন্টের সুইচ অন করতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে এটিকে সমাধান মনে হলেও এটি মূলত একটি ভয়ঙ্কর 'ল্যাক্সেটিভ ট্র্যাপ'। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে কোলন বা অন্ত্র তার নিজস্ব বা প্রাকৃতিক সংকোচন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং পুরোপুরি নিকোটিন-নির্ভর হয়ে পড়ে। ফলে যখন কেউ ধূমপান ছাড়তে চান বা রোজা রাখেন, তখন তিনি তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। তাই টয়লেটে বসে ফুসফুস ও পেট—উভয়কেই বিষাক্ত না করে প্রাকৃতিক উপায়ে ফেরা জরুরি। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস উষ্ণ গরম জল পান করা, যা 'গ্যাস্ট্রো-কলিক রিফ্লেক্স' তৈরি করে চাপ বাড়ায় এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা ইসবগুল খাওয়া এই সমস্যার সুস্থ সমাধান। বিড়ি দিয়ে পেট সাফ করা কোনো কৃতিত্ব নয়, বরং এটি অন্ত্রের অক্ষমতা; তাই মস্তিষ্কের ভুল কন্ডিশনিং ভেঙে শরীরকে বিষমুক্ত ও স্বাভাবিক অভ্যাসে ফিরিয়ে আনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

চিনির চেয়েও ভয়ংকর ময়দা? ইনসুলিনের আসল শত্রু কে? আমরা ছোটবেলা থেকে জানি, "চিনি খাওয়া খারাপ, চিনিতে ডায়াবেটিস বাড়ে।" তাই আ...
31/01/2026

চিনির চেয়েও ভয়ংকর ময়দা? ইনসুলিনের আসল শত্রু কে?

আমরা ছোটবেলা থেকে জানি, "চিনি খাওয়া খারাপ, চিনিতে ডায়াবেটিস বাড়ে।" তাই আমরা চায়ে চিনি খাওয়া বন্ধ করে দিই, কিন্তু অবলীলায় বিস্কুট, পরোটা, পুরি বা সাদা পাউরুটি খেয়ে যাচ্ছি। ভাবছি—"এগুলো তো আর মিষ্টি না, এগুলো নিরাপদ।"
কিন্তু বিজ্ঞান বলছে এক ভয়ংকর সত্য কথা— আপনার রক্তে সুগার বা ইনসুলিন স্পাইক করার ক্ষেত্রে সাদা চিনি (Table Sugar)-এর চেয়েও বেশি শক্তিশালী হলো সাদা ময়দা (Refined Flour)।
শুনতে অবাক লাগছে? চিনি তো মিষ্টি, আর ময়দা তো পানসে! তাহলে ময়দা কেন বেশি ক্ষতিকর? এর উত্তর লুকিয়ে আছে বায়োকেমিস্ট্রি বা রাসায়নিক গঠনের ভেতরে।

১. গ্লুকোজ বনাম ফ্রুক্টোজ (The Structure):

চিনি (Table Sugar): চিনি বা সুক্রোজ হলো ৫০% গ্লুকোজ এবং ৫০% ফ্রুক্টোজের মিশ্রণ। আপনি যখন চিনি খান, এর অর্ধেক অংশ (ফ্রুক্টোজ) লিভারে চলে যায় প্রসেস হওয়ার জন্য (যা ফ্যাটি লিভার বানায়, কিন্তু তাৎক্ষণিক রক্তে সুগার বাড়ায় না)। বাকি অর্ধেক (গ্লুকোজ) রক্তে যায়।

ময়দা (Maida): ময়দা হলো ১০০% স্টার্চ। আর স্টার্চ মানেই হলো হাজার হাজার গ্লুকোজের অণু দিয়ে তৈরি একটি লম্বা চেইন (Chain of Glucose)। এতে কোনো ফ্রুক্টোজ নেই। অর্থাৎ, ময়দা খাওয়া মানে আপনি সরাসরি ১০০% গ্লুকোজ খাচ্ছেন।

২. অ্যামাইলোপেকটিন-এ (The Super Starch):

গমের মধ্যে এক বিশেষ ধরণের স্টার্চ থাকে যার নাম 'অ্যামাইলোপেকটিন-এ' (Amylopectin A)। এটি এতটাই দুর্বল বন্ধনে আবদ্ধ থাকে যে, মুখের লালায় থাকা এনজাইম (Amylase) স্পর্শ করার সাথে সাথেই এটি ভেঙে গ্লুকোজ হয়ে যায়।

৩. মিহি কণা (Surface Area):
ময়দাকে মেশিনে পিষে এতটাই মিহি পাউডার করা হয় যে, এর হজম হতে কোনো সময়ই লাগে না। পেটে যাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই এটি গ্লুকোজ হয়ে রক্তের স্রোতে মিশে যায়।

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) এর খেলা:
খাবার কত দ্রুত রক্তে সুগার বাড়ায়, তার মাপকাঠি হলো জিআই (GI)।
সাদা চিনির GI: ৬৫ (মাঝারি)
সাদা ময়দার GI: ৮৫ (অনেক বেশি!)
তার মানে, এক চামচ চিনি খাওয়ার চেয়ে এক টুকরো সাদা পাউরুটি বা বিস্কুট খাওয়া আপনার ইনসুলিনকে আরও দ্রুত এবং উঁচুতে (Spike) নিয়ে যায়।

ফলাফল:
এই তীব্র ইনসুলিন স্পাইক আপনার শরীরকে ৩টি নির্দেশ দেয়:
১. ফ্যাট জমাও: ইনসুলিন হলো 'ফ্যাট স্টোরেজ হরমোন'।
২. তেল বাড়াও: ইনসুলিন সিবাম বা ত্বকের তেল উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় = ব্রণ (Acne)।
৩. ক্ষুধা বাড়াও: দ্রুত সুগার বেড়ে আবার দ্রুত কমে যায় (Crash), ফলে কিছুক্ষণ পরেই আবার প্রচণ্ড ক্ষুধা পায়।

মিষ্টি খাচ্ছেন না বলে আত্মতুষ্টিতে ভুগবেন না। যদি সকালের ব্রেকফাস্টে পরোটা, বিকেলে বিস্কুট বা নুডলস আর রাতে ময়দার লুচি-পরোটা বা নানরুটি খান—তবে আপনি চিনির চেয়েও খারাপ কিছু প্রবেশ করিয়ে ফেলছেন শরীরে। ইনসুলিন এবং ত্বক ঠিক রাখতে চাইলে চিনি এবং ময়দা—দুটোকেই 'না' বলুন।

Address

B. S. Road (Near B. S Road Club Durga Mandir)
English Bazar
732101

Opening Hours

Monday 7pm - 9pm
Tuesday 7pm - 9pm
Wednesday 7pm - 9pm
Thursday 7pm - 9pm
Friday 7pm - 9pm
Saturday 11am - 1pm
Sunday 11am - 1pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Prosenjit Kumar Kundu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category