10/02/2026
দেগঙ্গার মানুষ আর বোকা নেই। আর চুপও থাকবে না। বছরের পর বছর এই এলাকাকে রাজনৈতিক ল্যাবরেটরি বানিয়ে রাখা হয়েছে—যেখানে পরীক্ষার ইঁদুর আমরা, আর সুবিধাভোগী বহিরাগতরা। আজ আবার সেই পুরনো চাল—প্যারাসুট ট্রুপার নামাও, ক্যামেরা ধরো, আর বলো “এই তোমাদের নেতা”! আমরা স্পষ্ট বলছি—দেগঙ্গা কারও দয়া-দাক্ষিণ্যের জমি নয়।
ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টকে আজ চোখে চোখ রেখে বলতে চাই—দেগঙ্গাকে হালকা ভাবে নেবেন না। মুসলিম পরিচয়কে ঢাল বানিয়ে, কর্মীদের ত্যাগকে পায়ে মাড়িয়ে, শেষ মুহূর্তে বহিরাগত মুখ চাপিয়ে দেওয়া—এই প্রতারণার রাজনীতি আমরা চিনি। ভোট চাইলে সম্মান দিতে হবে। সম্মান না দিলে ভোট নেই—এটাই দেগঙ্গার সিদ্ধান্ত।
যারা দিনের পর দিন রাস্তায় থেকেছে, যারা থানার গেট চিনেছে, যারা দলের জন্য সংসারকে পিছনে রেখেছে—তাদের বলা হচ্ছে, “তোমরা অপেক্ষা করো।” আর যে লোকটা পাঁচ বছরে একদিনও দেগঙ্গার মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি, তাকেই নাকি নেতৃত্ব! এ কোন রাজনীতি? এটা নেতৃত্ব নয়—এটা উপনিবেশ।
আজ দলের কর্মীদের বুকের ভেতর আগুন জ্বলছে। কারণ তারা বুঝে গেছে—তাদের শ্রম শুধু মই, যার ওপর উঠে অন্য কেউ ক্ষমতায় বসবে। এই অপমান আর সহ্য করা হবে না। আমরা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিচ্ছি—প্যারাসুট প্রার্থী চাপালে কর্মীরা দেয়াল হবে। এই দেয়াল ভাঙা সহজ নয়।
দেগঙ্গা কোন ট্রানজিট ক্যাম্প নয়। বহিরাগতরা পরিযায়ী শ্রমিকের মতো উড়ে এসে বিধায়ক হবে—আর ভূমিপুত্ররা সারাজীবন পতাকা ধরবে—এই অসম্মানজনক সমীকরণ আমরা ছুড়ে ফেলছি। আমাদের দাবি একটাই—দেগঙ্গায় ভূমিপুত্রকেই প্রার্থী করতে হবে।
আজ হুঁশিয়ারি দিচ্ছি—শোনো ISF, শোনো সব মেনস্ট্রিম দল—
আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবো না।
আমাদের নীরবতাকে সমর্থন ভেবো না।
দেগঙ্গার মানুষ সিদ্ধান্ত নিলে ইতিহাস বদলায়—এটা ভুলে যেও না।