রাশিচক্র

রাশিচক্র Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রাশিচক্র, Astrologist & Psychic, Jorhat.

দৈনিক রাশিচক্র হলো প্রতিদিনের রাশিফল, জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে প্রতিটি রাশির জন্য সেই দিনের গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান বিচারে ভাগ্য, স্বাস্থ্য, প্রেম, কর্মজীবন সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
*The page is for educational and informational purposes only.

মার্চ মাসে একাধিক বড় গ্রহের অবস্থানে পরিবর্তন হবে। ২ অগস্ট শুক্র মীন রাশিতে গোচর করবে। এরপর ১৫ মার্চ সূর্যও যাবে মীন রা...
03/03/2026

মার্চ মাসে একাধিক বড় গ্রহের অবস্থানে পরিবর্তন হবে। ২ অগস্ট শুক্র মীন রাশিতে গোচর করবে। এরপর ১৫ মার্চ সূর্যও যাবে মীন রাশিতে। এর ফলে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে মীন রাশিতে গঠিত হবে শুক্রাদিত্য রাজযোগ। কুম্ভ রাশিতে ২১ মার্চ পর্যন্ত বুধ বক্রীদশায় থাকবে। ১১ মার্চ থেকে মিথুন রাশিতে বৃহস্পতি মার্গী হবে।

এর পাশাপাশি ১৩ মার্চ শনি অস্ত যাবে। বিভিন্ন গ্রহের এই অবস্থানের প্রভাবে মার্চ মাস ২০২৬ বিভিন্ন রাশির জাতকদের কার কেমন কাটবে তা জেনে নিন।

মার্চ ২০২৬ মেষ রাশিফল

কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়ার যোগ আছে।

সময়ের মধ্যে সব কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

ধর্মীয় বিষয়ে আগ্রহ বাড়বে।

স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, মানসিক ভাবেও চাঙ্গা থাকবেন।

কাউকে অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করবেন না।

মার্চ ২০২৬ বৃষ রাশিফল

আগের সব বাকি থাকা কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

নিজের লক্ষ্যের কাছে পৌঁছতে অতিরিক্ত পরিশ্রম করবেন।

মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগ গড়ে উঠবে

এই যোগাযোগ আপনার কেরিয়ারের জন্য লাভজনক হবে

রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন, বেশি অহংকার করবেন না।

মার্চ ২০২৬ মিথুন রাশিফল

পুরোনো কাজ চেষ্টা করেও সম্পূর্ণ করতে পারবেন না।

পার্টনারের সঙ্গে বোঝাপড়ার অভাব দেখা দেবে।

কাউকে নিয়ে বেশি ইয়ার্কি-ঠাট্টা করবেন না।

১৫ তারিখের পর অবস্থার উন্নতি হবে।

বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়বে।

মার্চ ২০২৬ কর্কট রাশিফল

গোটা মাস জুড়ে আপনার ব্যস্ততা থাকবে।

মাসের শুরুতে গোলমালে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

লোভের বশে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না।

সম্পত্তি সংক্রান্ত ঝামেলা মেটাতে অভিজ্ঞ ব্য়ক্তির পরামর্শ নিন।

ক্লান্তি ও দুর্বলতা আপনাকে গ্রাস করবে।

মার্চ ২০২৬ সিংহ রাশিফল

নিজের সময়ের সদ্ব্যবহার করবেন।

আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

আইনি পথে না গিয়ে আলোচনা করে সমস্যা মেটান।

বন্দুদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।

উপার্জনের নতুন পথ খুলে যাবে।

মার্চ ২০২৬ কন্যা রাশিফল

মাসের শুরুতে শত্রুদের সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কঠিন সময়ের মোকাবিলা করুন।

মাসের মাঝামাঝি পরিশ্রম বাড়বে।

সঠিক পরিকল্পনা মেনে কাজ করলে সাফল্য আসবে।

পার্টনারের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি হবে।

মার্চ ২০২৬ তুলা রাশিফল

মাসের শুরুতে সহকর্মীদের সঙ্গে অশান্তি হতে পারে

ধৈর্য্য হারাবেন না

অন্যের কথায় প্রভাবিত হয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না

শান্ত ভাবে দাম্পত্য জীবনের অশান্তি মেটানোর চেষ্টা করুন।

মাসের শেষে মনের সংশয় দূর হবে।

মার্চ ২০২৬ বৃশ্চিক রাশিফল

বিদেশে কর্মরতদের বড় সাফল্য পাওয়ার যোগ।

বিলাসিতার দ্রব্য কিনতে গিয়ে খরচ বাড়বে।

নতুন জমি, বাড়ি বা গাড়ি কিনতে পারেন।

সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখুন।

নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা করবেন না।

মার্চ ২০২৬ ধনু রাশিফল

অফিসে প্রোমোশন পাওয়ার যোগ আছে।

আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

জরুরি কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

নিজের ভাবমূর্তি নিয়ে সচেতন থাকুন।

মায়ের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

মার্চ ২০২৬ মকর রাশিফল

মাসের শুরুতে আর্থিক উন্নতির যোগ।

তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না।

বিরোধীরা আপনাকে ছোট করার চেষ্টা করবে।

বুদ্ধি খাটিয়ে তাদের হারাতে পারবেন।

অন্যের বিষয়ে মাথা ঘামাবেন না।

মার্চ ২০২৬ কুম্ভ রাশিফল

কেরিয়ারে সাফল্য পাবেন।

অফিসে পদোন্নতি হতে পারে।

তবে কাজের চাপ বাড়বে।

শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি গ্রাস করবে।

পার্টনারকে সব বিষয়ে পাশে পাবেন।

মার্চ ২০২৬ মীন রাশিফল

একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন।

পরিকল্পিত কাজ সম্পূর্ণ করতে বাধা আসবে।

শত্রুদের বিষয়ে সাবধান থাকুন।

মাসের মাঝামাঝি থেকে অবস্থার উন্নতি।

পারিবারিক সম্পর্কে মাধুর্য থাকবে।

বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানো ভারতীয় সংস্কৃতিতে শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি শুভ শক্তি ও ইতিবাচকতার প্রতীক। সকাল ও সন্ধ্যায় প্...
03/02/2026

বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানো ভারতীয় সংস্কৃতিতে শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি শুভ শক্তি ও ইতিবাচকতার প্রতীক। সকাল ও সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর রীতি বহু প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। সাধারণত বেশির ভাগ বাড়িতেই কাঁসা, পিতল, তামা কিংবা মাটির প্রদীপ ব্যবহার করা হয়।
এই প্রচলিত প্রদীপগুলির বাইরে আরও একটি বিশেষ প্রদীপ রয়েছে, যা নিয়মিত জ্বালালে সংসারে সুখ, শান্তি ও সৌভাগ্য স্থায়ী হয়।

কীভাবে তৈরি হয় এই বিশেষ প্রদীপ?

এই বিশেষ প্রদীপটি তৈরি হয় গমের আটা দিয়ে। গমের তৈরি আটার প্রদীপকে শাস্ত্রে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। গমকে মা অন্নপূর্ণার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। অন্ন, সমৃদ্ধি এবং জীবনের ধারাবাহিকতার সঙ্গে গমের গভীর যোগ রয়েছে। সেই কারণে গমের আটা দিয়ে তৈরি প্রদীপে যখন আলো জ্বলে ওঠে, তখন তা শুধু ঘর আলোকিতই করে না, বরং সংসারে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহও বৃদ্ধি করে।

শাস্ত্র মতে, আটার প্রদীপ মাটির প্রদীপের থেকেও বেশি পবিত্র। কারণ মাটির প্রদীপ ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয়, কিন্তু আটার প্রদীপ পুজোর শেষে প্রকৃতির মধ্যেই ফিরে যায়। এতে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হয় না। পাশাপাশি বিশ্বাস করা হয়, আটার প্রদীপ জ্বালালে দেবী লক্ষ্মী ও মা অন্নপূর্ণার কৃপা সংসারে বজায় থাকে।

মনোস্কামনা পূরণের জন্য আটার প্রদীপ অত্যন্ত কার্যকর বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। গমের আটা ও সামান্য জল মিশিয়ে একটি মণ্ড তৈরি করে পঞ্চমুখী প্রদীপ বানাতে হয়। পরপর পাঁচটি মঙ্গলবার হনুমান মন্দিরে গিয়ে সেই প্রদীপ জ্বালিয়ে বজরংবলির কাছে নিজের মনের ইচ্ছা জানালে ধীরে ধীরে সেই ইচ্ছা বাস্তবের পথে এগোয়। বিশ্বাস করা হয়, এতে ভক্তের সংকল্প শক্তিশালী হয় এবং মানসিক জড়তা কেটে যায়।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, কোষ্ঠীতে গ্রহের অশান্তি জীবনের নানা সমস্যার কারণ। এই গ্রহ শান্ত করার অন্যতম সহজ উপায় হল আটার প্রদীপ। শনি গ্রহ শান্ত করতে প্রতি মঙ্গলবার ও শনিবার হনুমান মন্দিরে আটার প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ। আবার অগ্নিকারক গ্রহ মঙ্গল শান্ত করার জন্য প্রতিদিন বাড়িতে আটার প্রদীপে চামেলির তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালানোর নিদান দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত এই কাজ করলে গ্রহের নেতিবাচক প্রভাব ক্রমশ কমে আসে।

বর্তমান সময়ে ঋণের বোঝা বহু মানুষের জীবনের বড় সমস্যা। শাস্ত্র মতে, ঋণমুক্তির জন্য তুলসীমঞ্চে আটার প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত ফলদায়ক। প্রতিসন্ধ্যায় নিষ্ঠাভরে তুলসীমঞ্চের সামনে আটার তৈরি প্রদীপ জ্বালালে ঋণ সংক্রান্ত জটিলতা কমতে শুরু করে। বিশ্বাস করা হয়, এতে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে এবং ভবিষ্যতে নতুন করে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

আর্থিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রেও আটার প্রদীপের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গমের আটার সঙ্গে সামান্য হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে একটি প্রদীপ তৈরি করে দিনে দু’বার সর্ষের তেল দিয়ে জ্বালালে সংসারে লক্ষ্মীর কৃপা বৃদ্ধি পায়। আয় বৃদ্ধির নতুন পথ খুলে যায় এবং দীর্ঘদিনের অর্থকষ্ট দূর হয়।

অনেকের জীবনেই বিয়ে নিয়ে নানা বাধা দেখা যায়। বয়স বাড়লেও সম্বন্ধ স্থির হয় না বা নানা কারণে বিঘ্ন ঘটে। শাস্ত্র মতে, হলুদ মেশানো আটার প্রদীপে সামান্য ঘি দিয়ে প্রতিসন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালালে বিবাহ সংক্রান্ত সমস্যাগুলি দূর হতে থাকে। এই প্রদীপের ঘি যতক্ষণ শেষ না হয়, ততক্ষণ জ্বলতে দিতে হয়। বিশ্বাস করা হয়, এতে দাম্পত্য জীবনের পথে থাকা অদৃশ্য বাধাগুলি কেটে যায়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কাঁসা, পিতল বা মাটির প্রদীপের পাশাপাশি যদি নিয়মিত গমের আটার প্রদীপ ব্যবহার করা যায়, তবে তা সংসারে শান্তি, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে সাহায্য করে। সহজ নিয়ম, কম খরচ এবং ঘরে বসেই করা সম্ভব হওয়ায় আটার প্রদীপ শাস্ত্রসম্মত এক অনন্য উপায় হিসেবে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

রাশিফল ২০২৬ (১ জানুয়ারি)১. মেষ রাশি:বছরের প্রথম দিন চন্দ্র আপনার দ্বিতীয় ভাবে অবস্থান করছে। চাকরির পরিবর্তনের জন্য এটি ...
31/12/2025

রাশিফল ২০২৬ (১ জানুয়ারি)
১. মেষ রাশি:
বছরের প্রথম দিন চন্দ্র আপনার দ্বিতীয় ভাবে অবস্থান করছে। চাকরির পরিবর্তনের জন্য এটি অনুকূল সময়। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সফল হবে। বন্ধুদের সহযোগিতায় অমীমাংসিত কাজ পূর্ণ হবে। প্রেমের জীবনে আনন্দ থাকবে।

২. বৃষ রাশি:
চন্দ্র আজ আপনার রাশিতেই অবস্থান করছে। ব্যবসায়িক পরিস্থিতি অনুকূল। চাকরিতে পদোন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবারের সাথে ধর্মীয় যাত্রা হতে পারে। সম্পত্তি নিয়ে আত্মীয়দের সাথে বিবাদ এড়িয়ে চলুন। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি ভালো।

৩. মিথুন রাশি:
চাকরি ও ব্যবসায় উন্নতির নতুন সুযোগ আসবে। শিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি খুব ভালো। বকেয়া টাকা ফেরত পেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে। প্রেমের জীবনে বিবাদ এড়িয়ে চলুন।

৪. কর্কট রাশি:
একাদশে চন্দ্র এবং দ্বাদশে বৃহস্পতির প্রভাবে ব্যবসায় ভালো ফল পাবেন। অর্থনৈতিক উন্নতিতে নতুন মোড় আসতে পারে। সঠিক সময়ের সদ্ব্যবহার করুন। দুপুরের পর যাত্রার যোগ রয়েছে।


৫. সিংহ রাশি:
ব্যবসায় কোনো বিশেষ প্রজেক্ট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কুম্ভ, মীন ও কর্কট রাশির বন্ধুদের সহায়তা পাবেন। স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন। প্রিয়জনের সাথে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারেন।

৬. কন্যা রাশি:
ভাগ্যস্থানে চন্দ্রের অবস্থান আপনার জন্য অত্যন্ত শুভ। রাজনীতির সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা সফল হবেন। সৃজনশীল কাজে সাফল্য মিলবে। শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের ফল পাওয়ার সময় এসেছে। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

৭. তুলা রাশি:
অষ্টমে চন্দ্র থাকলেও মিথুনে বৃহস্পতির প্রভাবে শিক্ষার্থীরা লাভবান হবেন। চাকরির উন্নতিতে আপনি খুশি থাকবেন। প্রেমের জীবনে রোমান্টিক ভ্রমণের যোগ রয়েছে। স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা করবেন না।

৮. বৃশ্চিক রাশি:
সপ্তমে চন্দ্র ও অষ্টমে বৃহস্পতি ব্যবসায়িক সাফল্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অর্থাগমন হবে। চাকরিতে পদোন্নতির চেষ্টা করুন। বন্ধুদের সহযোগিতা লাভদায়ক হবে। পারিবারিক জীবন সুখের হবে।

৯. ধনু রাশি:
ষষ্ঠে চন্দ্র ও সপ্তমে বৃহস্পতি আপনার জন্য মঙ্গলময়। পরিবারের সাথে ধর্মীয় যাত্রায় মন প্রসন্ন থাকবে। অর্থনৈতিক সমস্যা কিছুটা ভাবাতে পারে। ধর্মীয় কাজে ব্যস্ততা বাড়বে। প্রেমের জীবনে উৎসাহ বজায় থাকবে।

১০. মকর রাশি:
পঞ্চমে চন্দ্র ও তৃতীয়ে শনির প্রভাবে চাকরির পরিস্থিতি আগের থেকে ভালো হবে। আয়ের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা সাবধানতা অবলম্বন করুন। প্রেমের জীবন সুন্দর কাটবে।

১১. কুম্ভ রাশি:
চতুর্থ চন্দ্র ও পঞ্চম বৃহস্পতি শিক্ষার্থীদের জন্য শুভ ফল দেবে। চাকরিতে কাজের চাপ বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। অনেকদিনের আটকে থাকা টাকা ফেরত পেতে পারেন।

১২. মীন রাশি:
তৃতীয় চন্দ্র ও চতুর্থ বৃহস্পতি আপনার জন্য শুভ। ব্যবসায় বড় সাফল্য আসতে পারে। সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন। যানবাহনের যোগ রয়েছে। তবে প্রেমের ক্ষেত্রে রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন।

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ভুল দিকে দেওয়াল ঘড়ি রাখলে পরিবারে অশান্তি ও আর্থিক অনটন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ দিকে ...
29/12/2025

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ভুল দিকে দেওয়াল ঘড়ি রাখলে পরিবারে অশান্তি ও আর্থিক অনটন দেখা দিতে পারে।

বিশেষ করে দক্ষিণ দিকে ঘড়ি রাখা অত্যন্ত অশুভ, কারণ এটি যমরাজ ও পূর্বপুরুষদের দিক হিসেবে পরিচিত।
ঘরের দরজার ওপর ঘড়ি ঝোলানোও অমঙ্গলজনক, যা পরিবারের সদস্যদের অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে এবং নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ঘড়ি সর্বদা উত্তর, পূর্ব বা পশ্চিম দিকে রাখা উচিত।
গোল বা ডিম্বাকার ঘড়ি শুভ হলেও বাড়িতে কখনও ভাঙা কাচের ঘড়ি রাখা উচিত নয়; এতে লক্ষ্মী দেবী রুষ্ট হন এবং স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি বাড়ে।
সঠিক নিয়ম মেনে ঘড়ি স্থাপন করলে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে পরিবারে সৌভাগ্য ও শ্রী বজায় থাকে

নতুন বছর ২০২৬-কে স্বপ্নের মতো সাজাতে এবং কর্মক্ষেত্রে দ্বিগুণ গতিতে এগিয়ে যেতে জ্যোতিষশাস্ত্র ও ইতিবাচক শক্তির সমন্বয় ...
29/12/2025

নতুন বছর ২০২৬-কে স্বপ্নের মতো সাজাতে এবং কর্মক্ষেত্রে দ্বিগুণ গতিতে এগিয়ে যেতে জ্যোতিষশাস্ত্র ও ইতিবাচক শক্তির সমন্বয় অত্যন্ত কার্যকর। মানসিক ক্লান্তি ও নেতিবাচকতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করতে এই ৬টি সহজ অভ্যাস আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে:

মন্ত্রশক্তির প্রভাব:
প্রতিদিন নিয়ম করে গায়ত্রী মন্ত্র বা নিজের ইষ্টদেবতার মন্ত্র পাঠ করুন।

এটি মনের একাগ্রতা বাড়ায় এবং সিদ্ধান্তহীনতা দূর করে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

শুভ রঙের ব্যবহার:
রাশি অনুযায়ী শুভ রঙের পোশাক বা অন্তত একটি রুমাল সাথে রাখুন। সঠিক রঙের ব্যবহার অবচেতন মনে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলে।

নেতিবাচকতা বিসর্জন:
অতীতের ব্যর্থতা ভুলে বর্তমানের ওপর গুরুত্ব দিন। ইতিবাচক চিন্তা করলে শুভ গ্রহের প্রভাব সক্রিয় হয়, যা উন্নতির পথ প্রশস্ত করে।

ইচ্ছাপূরণের তেজপাতা:
বছরের প্রথম দিনে একটি তেজপাতায় নিজের লক্ষ্য লিখে তা প্রবাহিত জলে ভাসিয়ে দিন। এটি আপনার লক্ষ্যকে অবচেতন মনে গেঁথে দিতে সাহায্য করবে।

দারুচিনির জাদু:
পূর্ণিমার সন্ধ্যায় বাড়ির সদর দরজায় সামান্য দারুচিনি গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। এর সুগন্ধ বাড়িতে পজিটিভ ভাইবস আনে এবং পারিবারিক অশান্তি কমায়।

মানসিক শৃঙ্খলা:
এই টোটকাগুলো মূলত আপনার মানসিক শক্তিকে সুসংহত করার প্রক্রিয়া। নিয়মিত অভ্যাসে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে, যা ২০২৬-কে সাফল্যের বছরে পরিণত করবে।

হিন্দুধর্মে প্রবাহিত জলে তামার মুদ্রা বিসর্জনের প্রথা অত্যন্ত প্রাচীন ও তাৎপর্যপূর্ণ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, তামা সূর্...
26/12/2025

হিন্দুধর্মে প্রবাহিত জলে তামার মুদ্রা বিসর্জনের প্রথা অত্যন্ত প্রাচীন ও তাৎপর্যপূর্ণ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, তামা সূর্যের এবং জল চাঁদের প্রতীক হওয়ায় এই রীতি গ্রহের ভারসাম্য বজায় রেখে মানসিক শান্তি আনে। এছাড়া, প্রবাহিত জলে মুদ্রা অর্পণ করলে রাহু-কেতুর অশুভ প্রভাব ও পিতৃদোষ থেকে মুক্তি মেলে বলে ভক্তরা বিশ্বাস করেন।
আধ্যাত্মিক মতে, এই বিশেষ ধাতুটি ইতিবাচক শক্তি আকর্ষণ করে যা আর্থিক বাধা দূর করতে এবং কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরিতে সহায়ক। অমাবস্যা বা শনিবার এই প্রতিকার করলে পারিবারিক কলহ কমে এবং জীবনে স্থিতিশীলতা আসে। মূলত প্রকৃতির সাথে সংযোগ স্থাপন এবং অশুভ শক্তি বিনাশের লক্ষ্যেই যুগ যুগ ধরে এই ঐতিহ্য পালিত হয়ে আসছে।

বাস্তুশাস্ত্র ও হিন্দু ধর্মে হাতিকে শক্তি ও ঐশ্বর্যের প্রতীক মনে করা হয়। রুপোর ধাতব গুণের সাথে চন্দ্রশক্তির মিলনে বাড়ি...
23/12/2025

বাস্তুশাস্ত্র ও হিন্দু ধর্মে হাতিকে শক্তি ও ঐশ্বর্যের প্রতীক মনে করা হয়। রুপোর ধাতব গুণের সাথে চন্দ্রশক্তির মিলনে বাড়িতে রুপোর হাতি রাখা অত্যন্ত শুভ। বিশেষ করে উত্তর দিকে মুখ করে এটি রাখলে কুবেরের আশীর্বাদে আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটে এবং আটকে থাকা টাকা দ্রুত ফিরে আসে।
সঠিক নিয়মে এই প্রতীক ব্যবহারে পরিবারে সচ্ছলতা ও আয়ের নতুন উৎস তৈরি হয়।

অর্থভাগ্যের পাশাপাশি সংসারের শান্তি ও মানসিক স্থিরতা বৃদ্ধিতেও রুপোর হাতির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এটি ঘরের নেতিবাচক শক্তি দূর করে।

সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসা বাড়িয়ে তোলে।
পড়ার ঘরে বা বসার ঘরে রুপোর হাতি রাখলে কাজে একাগ্রতা বাড়ে এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ধৈর্য ও সাফল্য আসে। জীবনের সার্বিক উন্নতি ও পজিটিভ ভাইবস বজায় রাখতে এই বাস্তু টোটকাটি হতে পারে মহৌষধি।

রাতে ঘুমানোর আগে ছোট কিছু অভ্যাস মানুষের মনে এক ধরনের মানসিক শান্তি এনে দেয়। তেমনই একটি পুরোনো অভ্যাস হল রাতে বালিশের নী...
23/12/2025

রাতে ঘুমানোর আগে ছোট কিছু অভ্যাস মানুষের মনে এক ধরনের মানসিক শান্তি এনে দেয়। তেমনই একটি পুরোনো অভ্যাস হল রাতে বালিশের নীচে তেজপাতা রাখা। আধুনিক জীবনের চাপ, দুশ্চিন্তা ও অনিদ্রার মধ্যে মানুষ আবার ফিরে তাকাচ্ছে প্রাচীন বিশ্বাস ও প্রাকৃতিক আচারগুলোর দিকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভ্যাস নিয়ে ভিডিও ও পোস্ট ভাইরাল হওয়ায় অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে—এটা কি শুধুই কুসংস্কার, নাকি এর পেছনে আছে কোনও গভীর মানসিক বা সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যা?
তেজপাতা ভারতীয় রান্নায় সুপরিচিত হলেও, এর ব্যবহার শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রাচীন ভারত, গ্রিস ও রোমান সভ্যতায় তেজপাতাকে প্রজ্ঞা, সুরক্ষা এবং শুভ শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হত। গ্রিক দেবতা অ্যাপোলোর সঙ্গে তেজপাতার সম্পর্ক ছিল, যেখানে বিজয় ও জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে তেজপাতার মালা ব্যবহার করা হত। সেই সময় থেকেই বিশ্বাস জন্মায় যে তেজপাতা মনকে শান্ত করে এবং নেতিবাচক চিন্তা দূরে রাখতে সাহায্য করে।

ভারতীয় লোকবিশ্বাসে মনে করা হয়, তেজপাতার সুবাস ও প্রতীকী শক্তি ঘুমের সময় মানসিক অস্থিরতা কমাতে পারে। রাতে বালিশের নীচে তেজপাতা রাখলে দুঃস্বপ্ন কমে, মন শান্ত থাকে এবং ঘুম গভীর হয়—এমন ধারণা বহু প্রজন্ম ধরে প্রচলিত। যদিও আধুনিক বিজ্ঞানে এর সরাসরি প্রমাণ নেই, তবুও মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা যায় না।

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে সপ্তাহের কোন দিন কোন দেব-দেবীর পূজা করবেন?রবিবার: এই দিনটি সূর্যদেবকে উৎসর্গীকৃত। এই দিনে সূর্যদেবের ...
09/12/2025

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে সপ্তাহের কোন দিন কোন দেব-দেবীর পূজা করবেন?

রবিবার: এই দিনটি সূর্যদেবকে উৎসর্গীকৃত। এই দিনে সূর্যদেবের পূজা করলে জীবনে শক্তি, তেজ ও সুস্বাস্থ্য লাভ হয়, যা আপনাকে কর্মজীবনেও সফল হতে সাহায্য করে।

সোমবার: ভগবান শিবের দিন। সোমবারে মহাদেবের আরাধনা করলে মন শান্ত থাকে, স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং মনের একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়।

মঙ্গলবার: হনুমানজির দিন। এই দিনে বজরংবলীর পূজা করলে সাহস, শক্তি ও ভয় দূর হয়, এবং সমস্ত বাধা-বিপত্তি কেটে যায়।

বুধবার: গণপতি বা শ্রীকৃষ্ণের দিন। গণেশের পূজা করলে জ্ঞান লাভ হয় এবং যেকোনো কাজে সিদ্ধি আসে, আর কৃষ্ণের পূজা করলে ভক্তি ও আনন্দ বৃদ্ধি পায়।

বৃহস্পতিবার: ভগবান বিষ্ণু/রাম/কৃষ্ণের দিন। এই দিনে বিষ্ণুর উপাসনা করলে জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আসে এবং গ্রহের অশুভ প্রভাব কমে।

শুক্রবার: দেবী লক্ষ্মীর দিন। এই দিনে লক্ষ্মীর পূজা করলে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং গৃহে সুখ-শান্তি বিরাজ করে।

শনিবার: শনিদেবের দিন। এই দিনে শনিদেবের পূজা করলে তিনি প্রসন্ন হন এবং তাঁর পীড়া বা কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, যা ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলার প্রতীক।

বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে, প্রধান দরজা যদি ভাঙা, জং ধরা, ক্ষতিগ্রস্ত বা শব্দ করে, তবে এই স্থানের শক্তি অনেক বেশি প্রভাবিত হ...
09/12/2025

বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে, প্রধান দরজা যদি ভাঙা, জং ধরা, ক্ষতিগ্রস্ত বা শব্দ করে, তবে এই স্থানের শক্তি অনেক বেশি প্রভাবিত হয়। এছাড়াও, বাড়িতে আসা অর্থ, সুযোগ এবং ইতিবাচক শক্তিকে বাধা দেয়।

বাস্তুশাস্ত্রে বাড়ির প্রধান দরজাকে শক্তির প্রবেশদ্বারও মানা হয়, তাই প্রধান দরজার যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।
যদি বাড়ির মূল দরজা অর্ধেক খোলে অথবা মাঝে আটকে যায় অথবা সেখানে জুতো-চপ্পল রাখা হয়, তবে একে বাস্তু দোষের সবচেয়ে বড় কারণ হিসাবে মনে করা হয়। বাস্তু মতে, বাড়ির প্রধান দরজার চলাচল অবাধ হওয়া উচিত, অন্যথায় অর্থের প্রবাহে বাধার সম্মুখীন হতে পারে।

প্রধান গেটের কাছে অন্ধকার থাকাটাও বাস্তু মতে ভুল বলে মনে করা হয়। অন্ধকার সবসময় নেতিবাচক শক্তিকে আকর্ষণ করে। গেটের আলো নিভু নিভু বা অনেক দিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে থাকলে, এটি আর্থিক ক্ষতিরও কারণ হয়।ঘরের মূল দরজার কাছে ময়লা, স্যাঁতসেঁতে ভাব, ডাস্টবিন বা কাদার গন্ধও ইতিবাচক শক্তিতে বাধা সৃষ্টি করে। এর কারণে বাড়িতে খরচ বৃদ্ধি এবং সঞ্চয় শেষ হওয়ার সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পারে।

বাস্তু ও ধর্মীয় শাস্ত্র অনুসারে, নোংরা স্থানে সর্বদা দুঃখ, দারিদ্র্য এবং রোগের বাস হয়।
দরজার আশপাশের দেওয়াল পরিষ্কার রাখাটাও খুব জরুরি। দরজার উপরে লাগানো ছেঁড়া তোরণ, পোস্টার এবং ভাঙা নেম প্লেট বা নোংরা চিহ্ন বাড়ির আর্থিক অবস্থার উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। মূল দরজা সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, সাধারণ এবং শুভ প্রতীক দিয়ে সাজানো উচিত।

Address

Jorhat

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাশিচক্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share