Dr.Pritam Gupta

Dr.Pritam Gupta Homoeopathic Physician and Homoeopathic Consultant

Your aura is so… divine tonight...❤️
27/05/2026

Your aura is so… divine tonight...❤️

The smallest feet leave the biggest footprints on our hearts 👣❤️My cutest little patient so far — just 7 days old, yet a...
23/05/2026

The smallest feet leave the biggest footprints on our hearts 👣❤️

My cutest little patient so far — just 7 days old, yet already everyone’s favourite.

Tiny hands, magical toes, and a heart full of pure miracle 🌸🩺✨

বীরভূমের মাটিতে লুকিয়ে আছে এক আলাদা বিশেষত্ব; এ যেন  সহজ, সরল রঙিন এবং প্রকৃতিপূর্ণ সম্পূর্ণ পৃথক এক জগৎ
22/05/2026

বীরভূমের মাটিতে লুকিয়ে আছে এক আলাদা বিশেষত্ব; এ যেন সহজ, সরল রঙিন এবং প্রকৃতিপূর্ণ সম্পূর্ণ পৃথক এক জগৎ

এত সুন্দর সুন্দর রং! 🌶️❤️আচ্ছা, এই সুন্দর ক্যাপসিকাম দিয়ে কাউকে propose করা যায় না ? 🤔সবসময় 🌹 আর  💍 দিয়েই propose করতে হ...
14/05/2026

এত সুন্দর সুন্দর রং! 🌶️❤️
আচ্ছা, এই সুন্দর ক্যাপসিকাম দিয়ে কাউকে propose করা যায় না ? 🤔

সবসময় 🌹 আর 💍 দিয়েই propose করতে হবে কেন?

কেউ যদি বলে —
“তুমি আমার জীবনে ঠিক এই ক্যাপসিকামের মতোই colourful…” 😌✨

আর practical দিক থেকেও ভাবুন —
Rose দুদিনে শুকিয়ে যাবে…
কিন্তু Capsicum দিয়ে অন্তত chowmein তো বানানো যাবে! 🍜😂

Bee & Mustard flower...❤️
08/05/2026

Bee & Mustard flower...❤️

08/05/2026

তথ্যযুদ্ধ, সামাজিক বিভাজন ও দক্ষিণ এশিয়ার অস্থিরতা: নতুন যুগের নীরব সংঘর্ষ

ডা. প্রীতম গুপ্তা
এম. ডি. (হোমিওপ্যাথি)

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধের সংজ্ঞা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এক সময় যুদ্ধ বলতে বোঝানো হত সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ, গোলাবর্ষণ কিংবা সামরিক সংঘর্ষ। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পৃথিবীতে যুদ্ধের একটি বড় অংশ এখন আর যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা প্রবেশ করেছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে, মোবাইল ফোনে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তথ্য, গুজব, মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এবং বিভাজনের রাজনীতি আজ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়া বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চল। ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মায়ানমারকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বার্থ, সীমান্ত রাজনীতি, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের লড়াই চলছে। এই অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় ভাষা, ধর্ম, জাতিগত পরিচয় এবং রাজনৈতিক বিভাজনকে অনেক সময় অস্থিরতা তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বহু দশক ধরেই নানা ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন, সীমান্ত সমস্যা ও সামাজিক উত্তেজনার সাক্ষী। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বহিরাগত প্রভাব, অবৈধ তথ্যপ্রচার এবং সংগঠিত গুজব বহু সময়ে এই অঞ্চলের সামাজিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করেছে। তবে এই প্রভাব এখন আর কেবল সীমান্ত এলাকায় সীমাবদ্ধ নেই; ডিজিটাল যুগে এর প্রভাব দ্রুত দেশের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি ঘিরেও নানা ধরনের উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মেরুকরণ, ধর্মীয় বিভাজন এবং সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া উস্কানিমূলক প্রচার পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও সমাজে যখন মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়তে শুরু করে, তখন গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য খুব সহজেই বড় অস্থিরতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আজকের দিনে সামাজিক মাধ্যম কেবল যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি মানুষের আবেগ, মতামত এবং আচরণ প্রভাবিত করার শক্তিশালী মাধ্যম। ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার), হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে মুহূর্তের মধ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে কোনও তথ্য পৌঁছে যেতে পারে। এই সুযোগকে ব্যবহার করেই অনেক সময় সংগঠিতভাবে ভুয়ো খবর, বিকৃত ছবি, পুরনো ভিডিও অথবা সম্পাদিত অডিও ছড়ানো হয়।

বিশ্বজুড়ে এখন “ডিজিটাল সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার” বা মানসিক তথ্যযুদ্ধ একটি স্বীকৃত বাস্তবতা। এর মূল উদ্দেশ্য হল মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি, ভয়, ক্ষোভ এবং সামাজিক অবিশ্বাস তৈরি করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের প্রচারের সবচেয়ে বড় বিপদ হল—মানুষ অনেক সময় না জেনেই সেই প্রচারের অংশ হয়ে পড়েন। একটি উত্তেজনাপূর্ণ পোস্টে অযাচিত “লাইক”, “শেয়ার” বা “কমেন্ট” অনেক সময় সেই বিভ্রান্তিকর প্রচারকেই আরও শক্তিশালী করে তোলে।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঝুঁকি আরও বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমানে Deepfake ভিডিও, নকল অডিও এবং অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ভুয়ো ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে কোনও ভিডিও বা বক্তব্য চোখে দেখে বা কানে শুনেই সেটিকে সত্যি ধরে নেওয়া আর নিরাপদ নয়।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নাগরিক সচেতনতা। কোনও ছবি, ভিডিও বা খবর দেখেই সেটিকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। তথ্য যাচাই করা, একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র মিলিয়ে দেখা এবং উত্তেজনাপূর্ণ বিষয় নিয়ে সংযত থাকা এখন সময়ের দাবি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একটি সমাজকে দুর্বল করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল মানুষের মধ্যে বিভাজন ও অবিশ্বাস তৈরি করা। তাই সচেতনতা, ধৈর্য এবং যুক্তিবোধই এই তথ্যযুদ্ধের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা।

একটি গণতান্ত্রিক দেশের শক্তি শুধু তার সেনাবাহিনী বা প্রশাসনে নয়; তার নাগরিকদের সচেতনতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধেও নিহিত থাকে। তাই বর্তমান সময়ে প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব হল—যাচাই না করে কোনও তথ্য প্রচার না করা, উস্কানিমূলক প্রচার থেকে দূরে থাকা এবং সমাজে শান্তি ও সংহতি বজায় রাখতে সচেতন ভূমিকা পালন করা।

কারণ আধুনিক বিশ্বের অনেক সংঘর্ষের শুরু হয় বন্দুকের গুলিতে নয়, বরং একটি মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে।

Dragonfly
07/05/2026

Dragonfly

©Dr.PritamGupta
09/06/2024

©Dr.PritamGupta


20/12/2022

Address

Kalyani

Opening Hours

Monday 9am - 12:30pm
2pm - 8pm
Tuesday 9am - 12:30pm
2pm - 8pm
Wednesday 9am - 12:30pm
2pm - 8pm
Thursday 9am - 12:30pm
2pm - 8pm
Saturday 9am - 12:30pm
2pm - 8pm
Sunday 9am - 12:30pm
2pm - 8pm

Telephone

+919432101234

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Pritam Gupta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Pritam Gupta:

Share

Category