12/09/2026
ন্যায্য পে স্কেল—দাবিটা ন্যায্য বলেই লড়াইটা গুরুত্বপূর্ণ।
হাইকোর্টে আগের সরকারের পক্ষের আইনজীবী বলেছেন—
নার্সদের কাজ এমন কিছু বাড়ানো হয়নি, যার জন্য পে স্কেল বাড়াতে হবে।
হাসপাতালগুলোতে
নার্স রুগী অনুপাত দেখলেই বোঝা যাবে ,
আরও কি কি কাজ বেড়েছে সেটা নাহয় পরে আবার বলব ...
আমাদের প্রশ্ন খুব সহজ—
যদি সত্যিই নার্সদের পে স্কেলের দাবি অযৌক্তিক হয়, তাহলে সরাসরি বলা হচ্ছে না কেন—
“নার্সরা গ্রেড-টু ডিপ্লোমা স্কেল পাওয়ার যোগ্য নন”.....
সেটা যখন বলা হচ্ছে না, তখন প্রশ্ন থেকেই যায়—নার্সদের দাবির ন্যায্যতা এবং যুক্তি অস্বীকার করতে পারছেন না আগের সরকার পর্যন্ত কারন মধ্য যুগীয় সংকীর্ণতা ।
মিথ্যার আশ্রয় নিতে হচ্ছে মানে
আবার প্রমাণিত আমাদের দাবি কতটা ন্যায্য .... আগের সরকারের কাছে
বা তার আগের সরকারের আমলে
কোন logical argument নেই।
তাই ...
নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ,দীর্ঘ বঞ্চনার অবসান তারা করবে ,
বাড়তি টাকা দেওয়া নয়
মর্যাদার বেতন কাঠামো, যেটা উপেক্ষিত হয়ে আসছে
যুগ যুগ ধরে।
আজকের বাস্তবতা আমরা সবাই জানি।
নার্সিং পেশায় কাজের পরিধি, দায়িত্ব, জবাবদিহিতা এবং মানসিক চাপ—সবই বেড়েছে। রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে নার্সরা প্রতিদিন যে দায়িত্ব পালন করেন, তার যথাযথ মূল্যায়ন ও মর্যাদা পাওয়া কোনও দয়া নয়—এটা অধিকার।
মনে করিয়ে দিতে চাই ,
কোভিডে নার্সদের ভূমিকার কথা।
আর সেই কারণেই এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের উপস্থিতি এবং ঐক্য।
সরকার যখন কোনও দাবির পিছনে কতটা শক্তি, কতটা ঐক্য এবং কতটা মানুষের সমর্থন রয়েছে, সেটা বিচার করে—তখন মিছিলের দৈর্ঘ্যও একটা বার্তা দেয়।
আমরা পশ্চিমবঙ্গের নার্সরা একসঙ্গে রাস্তায় নেমে একটা বার্তা দিতে চাই নতুন সরকারকে আমরা বেতনে অমর্যাদার প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ ।
আমরা ন্যায্য পে স্কেল চাই এবং এই দাবি থেকে পিছিয়ে যাব না।
আর যদি আমরা নিজেরাই উপস্থিত না থাকি, তাহলে প্রশাসনের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে—
“নার্সদের মধ্যে হয়তো এখনও এই দাবিতে যথেষ্ট ঐক্য তৈরি হয়নি।”
আমরা যতটা এগিয়েছি, তার পরে বাকি অংশটুকু নিজেদের হাতে তুলে নিতে না পারা টা হবে আমাদেরই দুর্বলতা।
বেতনে পেশাগত অমর্যাদা—আজকের যুগে দাঁড়িয়েও যদি আমরা সমাধান করতে না পারি, সেটা শুধু হতাশার নয়, লজ্জারও।
আজ যখন নিজেদের ন্যায্য দাবি নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে কথা বলার এবং রাস্তায় নামার সুযোগ রয়েছে, তখন সেই সুযোগকে কাজে লাগানোও আমাদের দায়িত্ব।
তাই এবার প্রশ্ন একটাই—
ন্যায্য পে স্কেল কি সত্যিই আমরা চাই?
যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে সেই উত্তর শুধু ফেসবুক পোস্টে নয়—
২৫ সেপ্টেম্বরের মিছিলে আমাদের উপস্থিতিতেও দেখা যাক।
📍 গন্তব্য: NRS Gate
🗓️ ২৫ সেপ্টেম্বর
⏰ দুপুর ২টা
একটা দিন নিজের পেশার মর্যাদার জন্য দাও।
যে পেশা প্রতিদিন তোমার জীবিকা, পরিচয় এবং সম্মানকে বহন করে—
সেই পেশার ন্যায্য মর্যাদার জন্য এবার তোমার উপস্থিতিটাও জরুরি।
নার্স এক হলে দাবি শক্তিশালী হবে।
দাবি শক্তিশালী হলে সিদ্ধান্তের টেবিলেও তার প্রভাব পড়বে।
ন্যায্য পে স্কেলের দাবিতে—ঐক্যবদ্ধ হই।
— Nurses Unity