Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness This page to connect people who seek medical guidance on cancer

প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ে কাজ করা চিকিৎসকদের একটা বড় উদ্বেগ সবসময়ই ছিল—👉 চিকিৎসা সফল হওয়ার পরও যদি ক্যান্সার আবার ফির...
06/06/2026

প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ে কাজ করা চিকিৎসকদের একটা বড় উদ্বেগ সবসময়ই ছিল—

👉 চিকিৎসা সফল হওয়ার পরও যদি ক্যান্সার আবার ফিরে আসে?

অনেক রোগী রেডিয়েশন থেরাপি শেষ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। কিন্তু মনের ভেতর একটা প্রশ্ন থেকেই যায়—

“সব ঠিক হয়ে গেল তো?”

সম্প্রতি *The Lancet Oncology* (জুন ২০২৬)-এ প্রকাশিত একটি বড় গবেষণা সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পথে নতুন আশার আলো দেখিয়েছে।

গবেষণায় দেখা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড রেডিয়েশন থেরাপির সঙ্গে **CAN-2409** নামে একটি নতুন Gene Therapy যোগ করলে কী রোগীরা দীর্ঘ সময় ক্যান্সারমুক্ত থাকতে পারেন?

ফলাফল যথেষ্ট উৎসাহজনক।

যেসব রোগী Gene Therapy-এর সঙ্গে রেডিয়েশন নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ক্যান্সার ফিরে আসা বা মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় **৩০% কম** দেখা গেছে।

আরও ভালো খবর হল—

নতুন চিকিৎসা মানেই যে নতুন ভয়ঙ্কর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, এমনটা এখানে দেখা যায়নি।

গুরুতর side effect-এর হার দুই গ্রুপেই প্রায় একই ছিল। এমনকি চিকিৎসাজনিত কোনো মৃত্যুও রিপোর্ট হয়নি।

Cancer Awareness নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করতে গিয়ে আমি একটা বিষয় খুব কাছ থেকে দেখেছি—

রোগীরা শুধু চিকিৎসা চান না।
তারা চান চিকিৎসার পর একটা নিশ্চিন্ত আগামী।

এই গবেষণার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার কাছে সেখানেই।

এটা কোনো “ম্যাজিক কিউর” নয়।

কিন্তু এটা এমন একটি পদক্ষেপ, যা ভবিষ্যতে অনেক রোগীকে দীর্ঘ সময় ক্যান্সারমুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

ক্যান্সার চিকিৎসার ভবিষ্যৎ শুধু রোগ সারানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—

👉 রোগকে ফিরে আসতে না দেওয়া
👉 দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ
👉 এবং আরও ভালো মানের জীবন উপহার দেওয়া

এই দিকেই আজ বিজ্ঞান এগিয়ে চলেছে।

আর প্রতিটি নতুন গবেষণা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—

আশা এখনও বেঁচে আছে।
আর বিজ্ঞান প্রতিদিন সেই আশাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে।

📚 তথ্যসূত্র: *The Lancet Oncology*, জুন ২০২৬ — CAN-2409 Gene Therapy Phase-III Study

— Rana.B
Cancer Awareness Advocate

ক্যান্সার চিকিৎসার জগৎ খুব দ্রুত বদলাচ্ছে।আর সম্প্রতি একটি নতুন বিষয় আমার বিশেষভাবে নজর কেড়েছে —👉 “7-minute cancer sho...
24/05/2026

ক্যান্সার চিকিৎসার জগৎ খুব দ্রুত বদলাচ্ছে।
আর সম্প্রতি একটি নতুন বিষয় আমার বিশেষভাবে নজর কেড়েছে —
👉 “7-minute cancer shot”

সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, immunotherapy-র মতো গুরুত্বপূর্ণ cancer treatment এখন হয়তো আগের তুলনায় অনেক কম সময়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

যে চিকিৎসা আগে IV infusion-এর মাধ্যমে দিতে প্রায় এক ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগত,
সেটাই এখন কয়েক মিনিটের injection-এর মাধ্যমে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

রোগীদের জন্য এটা শুধু “সময় বাঁচানো” নয়।

👉 এর মানে কম hospital waiting ও খরচ কম হওয়া
👉 কম মানসিক ও শারীরিক চাপ
👉 day-care chemotherapy unit-এর উপর কম চাপ
👉 এবং আরও বেশি সংখ্যক রোগীর advanced treatment পাওয়ার সুযোগ

ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশে এই ধরনের advancement খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ cancer patient-এর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু treatment infrastructure-এর উপর চাপও একইভাবে বাড়ছে।

আমার সবচেয়ে ভালো লাগে একটা বিষয় দেখে—
Science এখন শুধু treatment effectiveness নিয়েই ভাবছে না…
রোগীর comfort এবং quality of life নিয়েও ভাবছে।

Cancer awareness ও patient guidance-এর সাথে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার কারণে আমি সবসময় মনে করি—

✔️ দ্রুত চিকিৎসা
✔️ সহজ accessibility
✔️ কম physical stress
✔️ কম emotional burden

— এগুলোও cancer care-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ক্যান্সার চিকিৎসা এখন শুধু laboratory-তে evolve করছে না…
এটা ধীরে ধীরে “patient-friendly treatment”-এর দিকেও এগোচ্ছে।

আর এটাই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় আশার জায়গা।

📚 তথ্যসূত্র: MSN Health-এ প্রকাশিত “7-minute cancer shot” সংক্রান্ত প্রতিবেদন।

— Rana Bhattacharyya
Cancer Awareness Advocate

গত কয়েক বছরে অনকোলজি জগতে একটা পরিবর্তন খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে—👉 কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার বেড়ে চলেছে।এক সময় col...
17/05/2026

গত কয়েক বছরে অনকোলজি জগতে একটা পরিবর্তন খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে—

👉 কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার বেড়ে চলেছে।

এক সময় colorectal, pancreatic, stomach বা breast cancer-কে মূলত বেশি বয়সের রোগ বলেই ধরা হত।
কিন্তু এখন প্রায়ই ৩০–৪০ বছরের রোগীদের মধ্যেও এই ক্যান্সারগুলো ধরা পড়ছে… কখনও কখনও আরও কম বয়সেও।

সম্প্রতি U.S. National Cancer Institute (NCI)-ও তাদের একটি প্রতিবেদনে “Early-Onset Cancer” বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সবচেয়ে চিন্তার বিষয় শুধু সংখ্যাটা নয়।
চিন্তার বিষয় হল—অনেক তরুণ-তরুণী এখনও ভাবেন—

“এই বয়সে ক্যান্সার হওয়ার কথা নয়।”

আর সেই ভুল ধারণার জন্যই diagnosis অনেক দেরিতে হয়।

গবেষকরা এখন বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ নিয়ে কাজ করছেন—
processed food, obesity, stress, sedentary lifestyle, poor sleep, pollution, gut microbiome-এর পরিবর্তনসহ আরও অনেক lifestyle-related factor নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

Science এখনও সব উত্তর খুঁজে পায়নি।
কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার—

👉 আজকের lifestyle আমাদের আগামী দিনের cancer risk অনেকটাই নির্ধারণ করছে।

Cancer awareness নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করতে গিয়ে আমি একটা বিষয় খুব অনুভব করি—

এখন সময় এসেছে “আমি এখনও ছোট, বেশি বয়স হয় নি, আমার কিছু হবে না” এই ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসার।

অনুগ্রহ করে এই লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না—
• দীর্ঘদিন পেটের সমস্যা বা bowel habit change
• অকারণে ওজন কমে যাওয়া
• দীর্ঘদিন acidity বা stomach discomfort
• অস্বাভাবিক bleeding
• দীর্ঘদিন ক্লান্তি বা দুর্বলতা

সব symptom মানেই cancer নয়।
কিন্তু সবকিছু ignore করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

ভালো খবর হল—
অনেক ক্যান্সারই early stage-এ ধরা পড়লে সফলভাবে চিকিৎসা সম্ভব।

আজ awareness আর optional বিষয় নয়…
এটা ধীরে ধীরে survival tool হয়ে উঠছে।

📚 তথ্যসূত্র:
U.S. National Cancer Institute (NCI) – “Why Is Early-Onset Cancer On the Rise?”

ধন্যবাদ।

ক্যান্সার ফাইটার রানা

সাপোর্ট লাইন : +91 090511 32231

আজকের গল্প বাঙালির বোধহীন CMC প্রীতি  নিয়ে। CMC যাওয়া সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ নয় কেনো ! আমি আমার দিক থেকে সংক্ষেপ...
06/05/2026

আজকের গল্প বাঙালির বোধহীন CMC প্রীতি নিয়ে।

CMC যাওয়া সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ নয় কেনো !

আমি আমার দিক থেকে সংক্ষেপে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি। কারোর পড়ে ভালো লাগতে পারে বা নাও লাগতে পারে, সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, কিন্তু সত্যি এটাই।

CMC একটা সময়ে ভালো ছিলো, তখন অন্য কোথাও আর কম খরচে সেই রকম ভালো চিকিৎসা ছিল না। এটা আজ থেকে 40 বছর আগেকার ফ্যাক্ট। কিন্তু বিগত 25 বছরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন হাসপাতাল অনেক বেশি দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সেবা মানে সার্টিফায়েড হয়ে চলে এসেছে।

তাও CMC মানুষকে আকর্ষণ করতো কারণ চিকিৎসা খরচ কম ছিলো কারণ খৃস্টান ট্রাস্টের ভর্তুকি তে চলতো। কিন্তু একটাই অসুবিধা যে সাধারণ চিকিৎসা করতে গিয়েও রুগী কে মাসের পর মাস থাকতে হতো।

কিন্তু বিগত 5 বছরে CMC এর ম্যানেজমেন্ট লেভেলে ও দর্শনে পরিবর্তন এসেছে। এখন আর সেই ভর্তুকি নেই। তাই ইনকাম বাড়ানোর জন্য ও এতো হিউজ সংখ্যক রুগীকে জায়গা দেবার জন্য তাদের নতুন নতুন বিল্ডিং বাড়িয়ে বেড সংখ্যা বাড়াতে হয়েছে। এর ফলে দৈনিক হাসপাতাল অপারেশন খরচ বেড়েছে ফলে সেই অপারেশন খরচের মোকাবিলা করতে গিয়ে তাদেরকেও খরচ বাড়াতে হয়েছে এবং এই মুহূর্তে তাদের ওখানে চিকিৎসার খরচ কোনো 250/ 300 বেডের হাসপাতালের থেকে কম নয়। কিন্তু সেটা মহাজ্ঞানী বাঙালিরা এখনো ধর্তব্যের মধ্যে ধরে নি। তাই পশ্চিম বঙ্গ, অসম ও বাংলাদেশের বাঙালিরা এখনো লাইন লাগিয়ে যায় , যখন বোঝে খরচ বেশি হচ্ছে, তখন কেউ কেউ বেরিয়ে অন্যান্য হাসপাতালে চলে যায়, আর অধিকাংশই যেতে পারে না কারণ তাদের কাছে ইতিমধ্যেই করে ফেলা রিপোর্টের কপি থাকে না কারণ হাসপাতাল থেকে দেওয়া হয় না।

অগত্যা যে চিকিৎসা উচ্চমানের বা সমমানের হাসপাতালে 10 দিন শেষ করে কেউ ফিরে যেতে পারে সেই চিকিৎসাই মোটামুটি একই খরচে করার জন্য তাদের দুই থেকে তিন মাস থেকে যেতে হয়, সাথে যোগ হয় বাসা ভাড়া, যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদির খরচ।

এর পূর্ণ সুবিধা পায় আশেপাশের প্রাইভেট হাসপাতালগুলো, যেখানে চিকিৎসা অতিরিক্ত কমার্শিয়াল কিন্তু কিছু ডক্টর তাদের পূর্ব সময়কালে CMC তে কাজ করে আসার ফলে রুগী স্বভাবতই সেই দিকে আকর্ষিত হয়।

CMC এখন একটি বাজার ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সেই বাজারের মালিক সমান ভাবে বাংলাদেশি ও ইন্ডিয়ান মধ্যভোগী কিছু মানুষ। ওখানে কেউ গিয়ে কমপক্ষে মাস তিন চার এর আগে ফিরতে পারবে না যদি চিকিৎসা শেষ করে আসতে হয়, আর এই সময়টা হোটেল ও লজের ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ে। শুধু লজ নয়, খাবার হোটেল, টিকেটিং এজেন্ট, ওষুধের দোকান, ছোটখাট ডায়াগনস্টিক ল্যাব প্রত্যেকে কমিশন দেয় আর সেই কমিশন মাসোহারার মতো চলে যায় লোকাল ইন্ডিয়ান ব্যবসায়ীর ( রুগী বন্ধু রুপী দালাল ) কাছে, তারা সেটা যে যার হিসেব মতো ভাগ করে নেন বাংলাদেশে বসে CMC বুঝিয়ে পাঠানো ব্যবসা পার্টনার দের সাথে যারা কেউ রুগীর চাচা, বন্ধু, প্রতিবেশী হিসেবে তাদের প্রভাবিত করেছেন সেখানে যাবার জন্য।

এ এক বিশাল চক্র। স্বাভাবিক ভাবেই আমার এই পোস্ট অধিকাংশ মানুষের ই পছন্দ হবে না এবং বেশ কয়েকটি বাজে কমেন্ট ও পড়বে, কিন্তু আমি চাই মানুষ সত্যি টা জানুন, আমার বক্তব্যের যুক্তি গুলো একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন।

যে রোগ গুলির জন্য ওখানে কখনোই যাবেন না , সেগুলি হলো -
১. ক্যান্সার
২. বোন ম্যারো ও অন্য যেকোনো ট্রান্সপ্ল্যান্ট
৩. স্পাইন অপারেশন
৪. জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজন এমন রোগ নিয়ে

তাই CMC যাবার আগে চোদ্দোবার ভাবুন যে আপনার টাকা ও সময়, উভয়েই সস্তা কি না ! "

ধন্যবাদ।

ক্যান্সার ফাইটার রানা রানা ক্যান্সার ফাইটার
Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

Support : +91 9051132231

" সবার জ্ঞাতার্থে নিচের এই লেখাটি সম্পূর্ণ নতুন একটা পোস্ট হিসাবে তুলে দিলাম , যাতে বাঙালি একটু পড়ে বোঝার চেষ্টা করতে প...
06/05/2026

" সবার জ্ঞাতার্থে নিচের এই লেখাটি সম্পূর্ণ নতুন একটা পোস্ট হিসাবে তুলে দিলাম , যাতে বাঙালি একটু পড়ে বোঝার চেষ্টা করতে পারে। একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে টাটা যাওয়া সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ নয় কেনো ! আমি আমার দিক থেকে সংক্ষেপে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি। কারোর পড়ে ভালো লাগতে পারে বা নাও লাগতে পারে, সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, কিন্তু সত্যি এটাই।

" Tata Hospital ক্যান্সারের জন্য যথেষ্ট ভাল একটি হাসপাতাল এবং ভারতবর্ষের প্রথম ক্যান্সার বিশেষ হাসপাতাল এই হাসপাতালটি হোমি অ্যাটোমিক রিসার্চ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে এবং টাটা ট্রাস্টের আন্ডারে চালিত হয়।।
টাটা হাসপাতাল আমাদের দেশে এসেছে প্রায় অর্ধ শতকেরও বেশি সময় আগে সেই সময় ক্যান্সার হাসপাতাল কোন না থাকার কারণে প্রথম থেকেই টাটা সবার কাছেই পরিচিত। কিন্তু এখন 2026 শে দাঁড়িয়ে বহু ক্যান্সার হাসপাতাল অবশ্যই প্রাইভেট সমান ভালোভাবে চিকিৎসা করছে এবং অনেক কম ও এভারেজ খরচে ক্যান্সার চিকিৎসা করা যাচ্ছে। অবশ্যই দামি হাসপাতালেও আছে যেখানে একই চিকিৎসা বহুগুণ বেশি দামে মানুষ ক্রয় করছে।। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে বাংলাদেশের তারা টাটা বা সিএমসির বাইরে কিছু জানেন না। সিএমসির ব্যাপারে না হয় অন্যদিন বলবো আজকে টাটার ব্যাপারে বলছি।। টাটা তে খুব কম খরচে চিকিৎসা হয় এই কথাটা একদিক দিয়ে সত্যিই আবার একদিক দিয়ে সত্যি নয়। কারণ কম খরচে চিকিৎসা হয় কেবলমাত্র ইন্ডিয়ানদের। বিদেশীদের নয়। বিদেশীদের সেখানে প্রাইভেট ওয়ার্ডে দেখাতে হয় এবং প্রথমেই লাখ দুয়েক টাকা জমা রেখে তবেই চিকিৎসা শুরু করতে হয় এবং মাঝপথে সব রিপোর্টও পাওয়া যায় না। তার ফলে আপনি ইচ্ছা থাকলেও বাইরে গিয়ে একটা সেকেন্ড ওপিনিয়ন নিতে পারবেন না। এরপরেও টাটাতে যাওয়ার পর তারা বাইরে রিপোর্ট একসেপ্ট করেন না ইন্টারনাল সমস্ত রিপোর্ট করতে করতে প্রায় ২৫-২৬ দিন লেগে যায় তারপরে সমস্ত রিপোর্ট এলে তারপর পরবর্তী স্পেশালিস্ট ডক্টর দেখেন এবং যদি সার্জারি লাগে তাহলে কম করে হলেও দেশ থেকে দু মাসের আগে ডেট পাওয়া যায় না আর কেমো বা রেডিয়েশন লাগলে সেই একই রকম দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে কয়েক মাস পরে তার ডেট পাওয়া যায়। সেই জন্যই অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকলে টাকা ভেতর থেকেই অন্যান্য প্রাইভেট হাসপাতালে রেফার করে দেন দ্রুত চিকিৎসা করানোর জন্য। কারণ ক্যান্সার কারো জন্য বসে থাকে না আপনি দেড় মাস বসে থাকতে পারেন রিপোর্টের জন্য কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে ক্যান্সার কিন্তু শরীরের মধ্যে ছড়াতে আরম্ভ করে। আর ক্যান্সার যত ছড়াবে তার চিকিৎসার খরচে তত বাড়বে এবং তার সাথে তার আউট কাম ও ততটাই কম ভালো হবে অর্থাৎ তার জীবনকাল ততটাই কমে আসবে এর পরেও আপনারা যারা টাটা - টাটা করেন বা যারা সি এম সি - সি এম সি করেন , আপনাদের রিকোয়েস্ট করব আপনারা বুদ্ধির গোড়ায় একটু সার দিন।
আপনার প্রিয়জনের ক্যান্সার তাকে মারবেন না কাটবেন না অর্ধমৃত করবেন সেটা অবশ্যই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার কিন্তু মানুষ হিসাবে এবং একজন ক্যান্সার চিকিৎসা এবং ক্যান্সার এওয়ারনেস প্রচারক হিসেবে মানুষের অকাল মৃত্যু দেখতে দেখতে আমি সত্যিই বিধ্বস্ত হয়ে গেছি।

বিশ্বাস করুন আপনাকে এতোটুকু বাড়িয়ে বলছি না যে টাকায় টাটাতে ট্রিটমেন্ট করেন বিদেশীরা সেই টাকাতেই ভারতবর্ষের বেশ কিছু ভালো হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে আপনারা মাস দেড়েকের মধ্যে দেশে ফিরে যেতে পারেন যেখানে টাটা থেকে ফিরতে কম করে হলেও পাঁচ থেকে ছয় মাস লাগে। এবার আপনাদের ভাবার পালা ভাবুন।"।

রানা ক্যান্সার ফাইটার ক্যান্সার ফাইটার রানা
Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness

Support on + 91 9051132231

🔬 ক্যান্সার ধরা পড়ার ধরণ বদলাচ্ছে… আর এখানেই বড় আশা লুকিয়ে আছেআমরা বেশিরভাগ সময় কী করি?যখন শরীরে সমস্যা শুরু হয়, তখ...
06/04/2026

🔬 ক্যান্সার ধরা পড়ার ধরণ বদলাচ্ছে… আর এখানেই বড় আশা লুকিয়ে আছে

আমরা বেশিরভাগ সময় কী করি?
যখন শরীরে সমস্যা শুরু হয়, তখন পরীক্ষা করি… তারপর ধরা পড়ে ক্যান্সার।
মানে, খেলা শুরু হওয়ার পর আমরা মাঠে নামি।

কিন্তু এখন বিজ্ঞান একটু অন্যভাবে ভাবছে—
ক্যান্সার শুরু হওয়ার আগেই, বা একদম শুরুর স্তরে ধরতে পারলে কেমন হয়?

সম্প্রতি Pharmabiz–এ প্রকাশিত একটি আপডেটে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে colorectal cancer (পেটের ক্যান্সারের একটি ধরন)–এর ক্ষেত্রে এখন নতুন ধরনের টেস্ট আসছে, যেগুলো সরাসরি DNA লেভেলে পরিবর্তন ধরতে পারে।

আমার সহজ ভাষায় বলি—
👉 আগে আমরা লক্ষণ দেখে আন্দাজ করতাম
👉 এখন আমরা সমস্যার “মূল কোড”-টাই ধরার চেষ্টা করছি

আর এখানেই আসল পরিবর্তন।

ভারতের জন্য বিষয়টা আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ—

• colorectal cancer ধীরে ধীরে বাড়ছে
• অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ছে
• এখন কম বয়সীদের মধ্যেও (৪০-এর নিচে) বাড়ছে

সংখ্যাটা শুনলে একটু থমকে যাবেন—
👉 বছরে প্রায় ৬৪,০০০ নতুন কেস
👉 প্রায় ৩৮,০০০ মৃত্যু

কিন্তু ভালো খবরও আছে…

যদি শুরুতেই ধরা যায়, তাহলে ৯০% পর্যন্ত রোগী ভালো থাকার সম্ভাবনা থাকে।

ভাবুন তো—একই রোগ, কিন্তু সময়টাই সব পার্থক্য তৈরি করছে।

এখন নতুন যেসব পদ্ধতি আসছে—

✔️ রক্তের মাধ্যমে DNA টেস্ট
✔️ স্টুল DNA টেস্ট (আগের থেকে বেশি সেনসিটিভ)
✔️ জেনেটিক রিস্ক প্রোফাইলিং

শুনতে একটু হাই-টেক লাগছে, কিন্তু আসলে উদ্দেশ্য একটাই—
আগে ধরা, সহজে ধরা, আর জীবন বাঁচানো।

Cancer Fighter হিসেবে আমি একটা কথাই বারবার বলি—
চিকিৎসা যতই উন্নত হোক,
যদি আমরা সময়মতো পরীক্ষা না করি, তাহলে সেই উন্নতির লাভটাই মিস হয়ে যায়।

তাই লক্ষণ না থাকলেও, সচেতন হোন।
কারণ ক্যান্সার অনেক সময় চুপচাপ আসে… কিন্তু আমরা যদি আগে থেকেই প্রস্তুত থাকি, লড়াইটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

সচেতন থাকুন, আগে ধরুন, ভালো থাকুন।

— Rana Bhattacharyya (Cancer Fighter)

📝 Source: Pharmabiz

Address

Kolkata
700036

Telephone

+919051132231

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rana Bhattacharyya & Cancer Awareness:

Share

Category