Dr. Aditya Sarkar - Psychiatrist

Directions

Dr. Aditya Sarkar - Psychiatrist MBBS MD Psychiatry
Special interest in De-addiction Psychiatry

দি সরকার মেডিসিন & সরকার পলিক্লিনিক, এভি স্কুল মোড়, কৃষ্ণনগর, নদীয়া।প্রতি শুক্রবার সকাল  ৯টা থেকে।Dr. Aditya Kumar Sar...
18/09/2026

দি সরকার মেডিসিন & সরকার পলিক্লিনিক,
এভি স্কুল মোড়, কৃষ্ণনগর, নদীয়া।
প্রতি শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে।
Dr. Aditya Kumar Sarkar
MBBS, MD
Consultant Neuro-Psychiatrist
অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য যোগাযোগ করুন--
9474335551 / 8972284730 / 03472297028

🏥 বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস ২০২৬১৭ সেপ্টেম্বর | World Patient Safety Day🛡️ “নিরাপদ সেবা জীবনের জন্য!”“Safe care for life...
17/09/2026

🏥 বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস ২০২৬

১৭ সেপ্টেম্বর | World Patient Safety Day

🛡️ “নিরাপদ সেবা জীবনের জন্য!”
“Safe care for life!”

রোগীর নিরাপত্তা শুধু একটি হাসপাতাল বা চিকিৎসকের দায়িত্ব নয়—এটি রোগী, পরিবার এবং প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীর সম্মিলিত দায়িত্ব।

✅ সঠিক রোগী ও সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করুন
💊 ওষুধের সঠিক নাম, ডোজ ও অ্যালার্জি যাচাই করুন
🧼 সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতন থাকুন
💬 চিকিৎসক–রোগীর মধ্যে খোলামেলা যোগাযোগ বজায় রাখুন
❤️ নিরাপদ পরিবেশে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করুন

নিরাপদ চিকিৎসা, সঠিক তথ্য এবং সচেতন সিদ্ধান্ত—একটি স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের ভিত্তি।

— Dr. Aditya Kumar Sarkar
Consultant Psychiatrist
📱 Online & Offline Consultation Available
WhatsApp: 94775 80957

#নিরাপদচিকিৎসা #রোগীনিরাপত্তা #মানসিকস্বাস্থ্য

সুইসাইড শুধুমাত্র মেডিকাল ইস্যু নয়, এর সাথে জড়িত আছে পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি কমিউনিটি।তাই সুইসাইড প্রিভেনশান বিভিন্ন স্তর...
10/09/2026

সুইসাইড শুধুমাত্র মেডিকাল ইস্যু নয়, এর সাথে জড়িত আছে পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি কমিউনিটি।তাই সুইসাইড প্রিভেনশান বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন ভাবে হতে হবে কোনও একপাক্ষিক পরিকল্পনা এখানে কার্যকরী নয়!

*আপনি কী করতে পারেন?*



ব্যক্তিগত স্তরে-

খুব সক্রিয়তার সঙ্গে জিজ্ঞাসা করা, কোনও সুইসাইডাল ভাবনা আসছে কিনা! কোনও প্ল্যান আসছে কিনা! যদি আসে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের কথা বলা উপযুক্ত জায়গায় চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া।

প্রত্যেকে WHO নির্ধারিত গেট কিপার ট্রেইনিং প্রোগ্রাম(Gate Keeper Training Program), সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড ট্রেইনিং(Psychological first Aid) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করলে ও দক্ষ হয়ে উঠলে এই জায়গায় কীভাবে কথা বলতে হয় ও কী সিধান্ত নিতে হয়, বা কী করণীয় তা সম্বন্ধে সঠিক ধারণা তৈরি হয়!

প্রয়োজনে কোনও হেল্পলাইন নাম্বারে যুক্ত হওয়া বা নিজের অবসর সময়ে সেখানে সময় দেওয়া!



যা কখনই করব না!-

যদি কোনও ব্যক্তি কোনও মানসিক রোগের কারণে নিয়মিত ওষুধ খান, তাকে ওষুধ খেতে বারণ করব না!

কেউ সুইসাইড করার কথা বললে তাকে চ্যালেঞ্জ করব না! কেউ কখন সুইসাইড করার কথা বললে, বলব না- “তুই শুধু বলিস! করবি তো না! অত দম তোর নেই!” কিম্বা ‘অ্যাটেনশান পাওয়ার জন্যে এসব করছিস তুই’ এইসব বলব না।

যে সুইসাইড আটেম্পট করেছেন তাকে আলাদা করে স্টিগমাটাইস করব না! সেক্সুয়াল মাইনরিনিটি, জেন্ডার মাইনরিটি কিম্বা আর্থিক ভাবে দুর্বল বর্গের অথবা অন্য হাই রিস্ক পপুলেশানের লোকজনকে সবসময় বেশি কেয়ার নিয়ে কথা বলা উচিত!

কখনই নিজের ছেলেমেয়েদের অন্যদের সাথে তুলনা করব না! বিশেষ করে পড়াশুনায় পারফর্মেন্সের ক্ষেত্রে! তুলনা করার মানে হল আপনি একজন মানুষকে ইন্সাল্ট করছেন তাকে অযোগ্য প্রমানের চেষ্টা করছেন! বরঞ্চ তাকে জীবনে বিভিন্ন চ্যলেঞ্জের জন্যে প্রস্তুত করুন! জীবনের প্রথম দিকে তাকে সাপোর্ট করুন! পরীক্ষার আগে তাকে পাশ করলে এই গিফট দেব যেমন বলি! তেমনই ফেল করলে কী হবে, রেসাল্ট খারাপ হলে কী হবে, তার বন্ধু ফেল করলে কীভাবে কথা বলবে ওর সাথে! এই সব বিষয়েও শিক্ষা দেওয়া বাঞ্ছনীয়! ঠিক তেমনি নিজের বয়স্ক বাবা মায়ের সাথে রোজ যোগাযোগ রাখা খুব জরুরি!কারণ ছেলে মেয়ে এবং বয়স্ক দুজনের মধ্যেই সুইসাইডের প্রবণতা বেশি!

জীবনে কখন একা হয়ে যাবেন না! যোগাযোগ রাখুন লোকজনের সাথে, জীবনে খুব অল্প হলেও কয়েকটি সম্পর্ক যত্ন ও সময় নিয়ে গড়ে তুলুন! যে সম্পর্কগুলো আপনার মেন্টর হয়ে উঠবে!



কমিউনিটি লেভেল

কৃষক আত্মহত্যা ভারতে এখন জ্বলন্ত ইস্যু! বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আর্থিক চাপে পড়ে সন্ধ্যে কিম্বা রাতের দিকে কীটনাশক ওষুধ খেয়ে মারা যাচ্ছিলেন তারা!একে বন্ধ করার জন্যে কিছু প্রোগ্রাম নেওয়া হয়! ‘পেস্টিসাইড ব্যাঙ্ক’ বলে একটি প্রোগ্রাম চালু হয় যেখানে গ্রামের সমস্ত কৃষকের পেস্টিসাইড এক জায়গায় এনে রাখা হয়! যেখান থেকে রোজ সকালে প্রয়োজন মতো সবাই নিয়ে যেতে পারবেন না! এতের দেখা যায় সুইসাইড রেট কমছে!

মাইক্রো-ফিনান্সিং(সাময়িক অর্থ সাহায্য) খুব জরুরি হয়ে ওঠে মাঝে মাঝে! বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে তাঁদের দূরে রাখা! যেকোনো ডাটা ঘাটলেই বোঝা যাবে যে যারা সুইসাইড করছেন তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই নেশা জাতীয় দ্রব্য রোজ ব্যবহার করতেন!

কমিউনিটি লেভেলে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচার চালানো! সাহায্য চাওয়া মানেই যে দুর্বল হয়ে পড়া নয়, ‘পাগল হয়ে যাওয়া নয়’ তা লোকজনকে বোঝানো! সঠিক ভাবে নুন্যতম কাজের মজুরি ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার নীতি প্রণয়ন করানো!

প্রতিটি স্কুল কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে আলাদা করে সুইসাইড প্রিভেনশান প্রোগ্রাম চালু করা! লাইফ স্কিল ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করানো! স্কুল মেন্টাল হেলথ প্রোগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়! এখানে প্রতিটি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদেরও উপযুক্ত ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা আশু প্রয়োজন!

১৪০ কোটির দেশে সবাইকে ব্যক্তিগত স্তরে সাহায্য করা খুব কঠিন একটি কাজ! তাই পিয়ার টু পিয়ার (Peer to Peer)সংযোগ স্থাপন করে এই সাপোর্ট করা যেতে পারে! ট্রান্স-জেন্ডার কমিউনিটির একজন অন্য একজন ট্রান্স-জেন্ডার কে সাপোর্ট করছেন, একজন যিনি পারিবারিক হিংসার শিকার তিনি এই সমস্যায় ভুগছেন তার পাশে দাঁড়ালেন, একজন জেলের আসামি তিনিই তার অন্য বন্ধুকে সাহায্য করলেন, একজন সুইসাইড আটেম্পট করেছেন তিনি অন্য আর একজনকে নিজের গল্প শোনালেন এইভাবে চলতে থাকবে প্রতিটি গ্রুপের পারস্পরিক সহমর্মিতা।

কমিউনিটিতে সমস্ত সোশ্যাল গ্র্যাজুয়েট, অঙ্গনওয়ারী কর্মীরা, আশা কর্মীরা এই গেট কিপার ট্রেইনিং প্রোগ্রাম, সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড ট্রেইনিং এ অংশীদার হতে হবে। সমাজের সমস্ত স্তরের মানুশকেই এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করা উচিত!



ন্যাশানাল লেভেল

কী কী পলিসি সুইসাইড প্রিভেনশানের জন্যে নেওয়া দরকার!

বার বার বলছি এটা কোনও একটি ডিপার্টমেন্টের বিষয় নয়! স্বাস্থ্য, আইন, অর্থনীতি, সামাজিক কল্যানকর বিভাগ, পুলিশ, মহিলা ও শিশু কল্যাণকর বিভাগ, এরকম আরও অন্যান্য বিভাগ মিলিয়ে একটি সংযোগ স্থাপন করে একে প্রতিরোধ করতে হবে! কোনও একজন বিভাগের পক্ষে সুইসাইডকে আটকানো সম্ভব নয়! এটা আমাদের সবার মিলিত দায়িত্ব!

National Mental Health Program (NMHP) সমস্ত জায়গায় সমস্ত রকমভাবে চালু হওয়া দরকার! প্রতিটি জেলায় একে বাধ্যতামূলক করা দরকার! Mental Health Care Act,2017 সামগ্রিক ভাবে সস্মত জায়গায় লাগু করা উচিত! বিভিন্ন টেকনলজিকাল মডেল, হেল্প লাইন সব জায়গায় পৌঁছে দেওয়া!, অনালাইন কাউন্সেলিং টেলি সাইকিয়াট্রি পরিষেবা সমস্ত জায়গায় চালু করা দরকার!

মিডিয়ার ক্ষেত্রে খুব সংবেদনশীলভাবে এবং দায়িত্ব সহকারে রিপোর্ট করা উচিত! WHO এর গাইডলাইন মেনে রিপোর্টং করা দরকার। একটা বাজে দায়িত্বহীন মশালাদার গল্পের মতো রিপোর্টং সমাজে যেমন সঙ্ক্রামিত সুইসাইড বাড়িয়ে দিতে পারে(যাকে বলে Werther Effect) ঠিক তেমনি একটি মানবিক ও দায়িত্বপূর্ণ সচেতনমূলক রিপোর্টং অনেক সুইসাইড কমিয়ে আনতে পারে( যাকে বলে Papageno Effect)।

সুইসাইড নিয়ে অনেক কিছু মিথ আমদের মধ্যে আছে! মিথ আছে ডাক্তারদের মধ্যেও! মিথ ১যারা সুইসাইড করার কথা বলে তারা আসলে সুইসাইড ...
10/09/2026

সুইসাইড নিয়ে অনেক কিছু মিথ আমদের মধ্যে আছে! মিথ আছে ডাক্তারদের মধ্যেও!
মিথ ১
যারা সুইসাইড করার কথা বলে তারা আসলে সুইসাইড করেন না!
ফ্যাক্ট
বেশিরভাগ মানুষ সুইসাইড করার আগে বাড়ির লোকদের বা কাছের লোকেদের কিছু না কিছু বলেন।তাই সবসময় এই কথাগুলো গুরুত্ব সহকারে শোনা উচিত!
মিথ ২
বেশিরভাগ সুইসাইড আটেম্পট করা লোকজন আসলে মরতেই চায়!
ফ্যাক্ট
সুইসাইড করার আগে প্রত্যেকের একটা অসম্ভব মানসিক যন্ত্রণা হয়, সে কারও কাছেই সাহায্য চাইতে পারে না, বেঁচে থাকা আর মরে যাওয়া এর মধ্যে সুক্ষ রেখা এসে দাঁড়ায়! এই কষ্ট থেকে বাঁচার জন্যে তারা শেষ অবলম্বন বেঁছে নেয়, আর কিছু না পেয়ে! তাই মরার ইচ্ছে থেকেই এরকম করেন তা ভুল, বরঞ্চ বেঁচে থাকার কষ্ট থেকে পরিত্রান পাওয়ার অন্য কোনও উপায় আমরা তাকে বলে দিতে পারি কিনা তা গুরুত্বপূর্ণ!
মিথ ৩
ডিপ্রেশানে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তিকে সুইসাইড নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তার সুইসাইড করার সম্ভবনা বাড়বে!
ফ্যাক্ট
বিভিন্ন স্টাডি প্রমাণ করেছে কাউকে সুইসাইডাল চিন্তার কথা জিজ্ঞেস করলে তার সুইসাইড করার প্রবণতা বেড়ে যায় না! উলতে তাকে সাহায্য করা হয়!
মিথ ৪
একবার আটেম্পট করে নিয়েছে মানে আর করবে না!
ফ্যাক্ট
একদমই নয়।একবার সুইসাইডাল অ্যাটেম্পট করেছে মানে রিস্ক ফ্যাক্টর বেড়ে গেল! আগামী ১০ বছরে ১০% আবার সুইসাইডে আক্রান্ত হতে পারেন!
মিথ ৫
শহরের লোকেরা বেশি সুসাইড করে।
ফ্যাক্ট
গ্রামে সুইসাইড এর হার বেশি। তার কারণ পর্যাপ্ত মানসিক স্বাস্থ্যের পরিকাঠামোর অভাব,ক্ষতিকারক জিনিসের সহজলভ্যতা, আর আর্থিক দুর্বলতায় একজন ব্যক্তি সুইসাইডে আক্রান্ত হন।

🌿 বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস ২০২৬📅 ১০ সেপ্টেম্বর🎯 Theme: “Changing the Narrative on Suicide”আত্মহত্যা নিয়ে নীরবতা নয...
10/09/2026

🌿

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস ২০২৬
📅 ১০ সেপ্টেম্বর
🎯 Theme: “Changing the Narrative on Suicide”

আত্মহত্যা নিয়ে নীরবতা নয়—প্রয়োজন সহানুভূতি, সচেতনতা এবং খোলামেলা আলোচনা।

কেউ যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন তাঁর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হতে পারে—
👂 বিচার না করে মন দিয়ে শোনা
🤝 সহানুভূতির সঙ্গে পাশে থাকা
💬 নির্ভয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া
🩺 প্রয়োজনে পেশাদার সাহায্যের দিকে এগিয়ে দেওয়া

আত্মহত্যা নিয়ে কথা বলা ঝুঁকি বাড়ানোর বিষয় নয়; বরং সঠিকভাবে, সংবেদনশীলভাবে কথা বলা একজন মানুষের সাহায্য পাওয়ার পথ খুলে দিতে পারে।

কথোপকথনের ধরন বদলাই।
নীরবতার বদলে সহমর্মিতা বেছে নিই।
মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিই। ❤️

10/09/2026

আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস।

08/09/2026

Mental Health and Stigma
Dr. Aditya Sarkar
Consultant Psychiatrist
MBBS MD
Whatsapp-- 094775 80957

🧩 অটিজম চিকিৎসায় Hype নাকি New hope?? সম্প্রতি অটিজম গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি—L1-79, Yamo Pharmaceuticals-এর এ...
30/08/2026

🧩 অটিজম চিকিৎসায় Hype নাকি New hope??

সম্প্রতি অটিজম গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি—L1-79, Yamo Pharmaceuticals-এর একটি পরীক্ষাধীন ওষুধ, এখন Phase 3 clinical trial-এর দিকে এগোচ্ছে।

বর্তমান অনেক ওষুধ মূলত অটিজমের সঙ্গে যুক্ত কিছু উপসর্গ যেমন অতিরিক্ত উত্তেজনা, আগ্রাসন বা আচরণগত সমস্যা কমাতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু L1-79-কে এমন একটি চিকিৎসা হিসেবে বিকশিত করা হচ্ছে, যার লক্ষ্য Autism Spectrum Disorder (ASD)-এর core symptoms বা মূল বৈশিষ্ট্যগুলিকে সরাসরি প্রভাবিত করা।
তবে অনেকেই এই phase 2 trial নিয়ে বেশি মাতামাতি করছেন। এটা এখনো নির্ভরযোগ্য কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে নি। মাত্র 58 জনের মধ্যে এটিকে প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে, এখনও অনেক রিসার্চ বাকি তাই এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই যে Austim এর চিকিৎসা বা ওষুধ বেরিয়ে গেছে!

⚠️ L1-79 এখনও পরীক্ষাধীন এবং অটিজমের চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত ওষুধ নয়।

#অটিজম

29/08/2026

বুলিং

প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে।
26/08/2026

প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে।

Address

Dumdum
Kolkata
700074

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Aditya Sarkar - Psychiatrist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category