Ramapada Acharjee রমাপদ আচার্য্য

Ramapada Acharjee রমাপদ আচার্য্য Astrology, Vastu, Ta**ra, Palmistry, Numerology. I have been practicing astrology since 1993. This art has been in my family since many previous generations.
(253)

Ramapada Acharjee – 35+ Years Experienced Spiritual Consultant
Vedic Astrology | Palmistry | Vastu Guidance
Personal, Relationship & Career Consultation
Online & Offline Consultation Available
Kolkata, India
🌐 ramapada.com My father was the one who started Astrological counseling in Kolkata's jewellers for the first time. It started in M.P Jewellers, located at 1, Vivekananda Road. It's two founders and my father belonged to the same place- Noakhali...and hence this choice. Many people, including other astrologers say that astrology is not considered a proper profession by the central government. I can prove all these people wrong by showing them my father's passport of the year 1952 where it is written that his profession IS astrology. I have learnt astrology from ancient books, scripts,etc.

কৌশিকী অমাবস্যার পুণ্য তিথিতে মা তারার অপূর্ব রূপ। 🙏🌺এই বিশেষ দিনে মায়ের দর্শনের মুহূর্তটা আমার কাছে প্রতিবারই অন্যরকম ...
12/09/2026

কৌশিকী অমাবস্যার পুণ্য তিথিতে মা তারার অপূর্ব রূপ। 🙏🌺
এই বিশেষ দিনে মায়ের দর্শনের মুহূর্তটা আমার কাছে প্রতিবারই অন্যরকম অনুভূতি নিয়ে আসে। যতবার দেখি, ততবারই মনে হয়—সবকিছু মায়ের ইচ্ছা, মায়ের কৃপা।
মা তারা সকলকে ভালো রাখুন, সকলের মঙ্গল করুন।
জয় মা তারা। 🙏🌺

#কৌশিকীঅমাবস্যা #তারাপীঠ #মাতারা #জয়মাতারা Tarapith MaaTara

Bhalo hotel tarapith e, ebar bari ferar pala
12/09/2026

Bhalo hotel tarapith e, ebar bari ferar pala

Kousiki Amabasya te tarapith e, Jai Maa Tara
12/09/2026

Kousiki Amabasya te tarapith e, Jai Maa Tara

12/09/2026

Tarapith e amabasya te home

জয় মা তারা 🙏🌺মায়ের ডাকে আবার তারাপীঠের পথে।এই মুহূর্তে ট্রেনে—গন্তব্য মা তারার পবিত্র ধাম। 🙏কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে...
09/09/2026

জয় মা তারা 🙏🌺

মায়ের ডাকে আবার তারাপীঠের পথে।
এই মুহূর্তে ট্রেনে—গন্তব্য মা তারার পবিত্র ধাম। 🙏

কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে কে কে আসছেন? দেখা হবে। 🌺

09/09/2026
OTP না দিলেও কি এখন ব্যাংকের টাকা নিরাপদ? কিছু কথা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাইকিছুদিন ধরে অনলাইন ব্যাংক জালিয়াতির খবর দ...
08/09/2026

OTP না দিলেও কি এখন ব্যাংকের টাকা নিরাপদ? কিছু কথা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই
কিছুদিন ধরে অনলাইন ব্যাংক জালিয়াতির খবর দেখে একটা বিষয় আমাকে সত্যিই ভাবাচ্ছে।
আগে আমিও মনে করতাম—OTP কাউকে না দিলেই ব্যাংকের টাকা নিরাপদ। কিন্তু এখন এমন অনেক ঘটনার কথা শুনছি, যেখানে মানুষ বলছেন তাঁরা কাউকে OTP দেননি, অথচ তাঁদের Bank Account থেকে টাকা চলে গেছে।
কোথাও Savings Account-এর টাকা, কোথাও বহু বছরের সঞ্চয়, আবার কোথাও FD নিয়েও সমস্যার কথা শোনা যাচ্ছে।
আমরা সারাজীবন পরিশ্রম করে একটু একটু করে টাকা জমাই। তাই আমার মনে হয়েছে, শুধু OTP গোপন রাখলেই এখন আর দায়িত্ব শেষ নয়। নিজের পুরো Digital Banking ব্যবস্থাটাকেই সুরক্ষিত রাখা দরকার।
আমি নিজেও কয়েকটি বিষয়ে এখন থেকে আরও বেশি সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
১. Public mobile number আর Banking number আলাদা রাখা
আমাদের অনেকেরই ব্যবসা বা পেশার কারণে mobile number Facebook, WhatsApp, website বা অন্য জায়গায় public থাকে। আমার নিজেরও পেশাগত কারণে contact details বহু জায়গায় প্রকাশিত।
তাই আমার মনে হয়, সম্ভব হলে Banking-এর জন্য একটি আলাদা private mobile number এবং আলাদা email ব্যবহার করা ভালো। সেই number বা email অপ্রয়োজনীয়ভাবে কোথাও প্রকাশ না করাই নিরাপদ।
২. UPI Account-এ প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা না রাখা
যে account থেকে প্রতিদিন UPI বা ছোটখাটো online payment করি, সেখানে খুব বেশি টাকা রাখার প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না।
বড় Savings ও FD-কে দৈনন্দিন লেনদেনের account থেকে যতটা সম্ভব আলাদা ও সুরক্ষিত রাখা ভালো।
৩. WhatsApp বা SMS-এ আসা অচেনা App/APK থেকে সাবধান
“KYC Update”, “Bank Update”, “Electricity Bill”, “Police Notice” ইত্যাদি নামে কোনও link বা APK এলেই বিশ্বাস করা উচিত নয়।
পরিচিত নাম বা logo দেখলেই যে সেটি আসল—তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।
৪. Screen Share বা Remote Access কখনও নয়
কেউ Bank বা Customer Care-এর লোক পরিচয় দিলেও mobile-এর screen share করা বা AnyDesk/TeamViewer-এর মতো remote-access app install করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
OTP, UPI PIN, ATM PIN, CVV এবং Banking Password—কোনোটাই কাউকে দেওয়া উচিত নয়।
আর একটা কথা বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার—
নিজের Account-এ টাকা গ্রহণ করার জন্য UPI PIN দিতে হয় না।
৫. ভয় দেখিয়ে টাকা চাইলে আগে যাচাই করুন
কেউ Police, CBI, ED, TRAI বা অন্য কোনও সরকারি সংস্থার নাম করে ফোন করে ভয় দেখাল—আর বলল এখনই টাকা পাঠাতে হবে—তাহলে আতঙ্কিত হয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
আজকাল “Digital Arrest”-এর ভয় দেখিয়েও প্রতারণার কথা শোনা যাচ্ছে।
ভয় এবং তাড়াহুড়ো—প্রতারকদের বড় অস্ত্র।
আমার মতে, বিশেষ করে যাঁদের phone number বা email পেশাগত কারণে public থাকে, তাঁরা এই সহজ ব্যবস্থাটি ভেবে দেখতে পারেন—
Public Number → সাধারণ ও পেশাগত যোগাযোগ
Private Number → শুধু Banking
Private Email → শুধু Banking ও Finance
UPI Account → সীমিত টাকা
Main Savings/FD → দৈনন্দিন লেনদেন থেকে যতটা সম্ভব আলাদা
আর দুর্ভাগ্যবশত কোনওদিন যদি দেখি আমার অজান্তে account থেকে টাকা চলে গেছে, তাহলে “কাল Bank-এ যাব” বলে অপেক্ষা করা উচিত নয়।
সঙ্গে সঙ্গে Bank-কে জানাতে হবে, প্রয়োজনীয় Banking Access/Card block করতে হবে এবং Cyber Crime Helpline 1930-এ যোগাযোগ করতে হবে।
আমার নিজের উপলব্ধি খুব সহজ—
আজকের দিনে শুধু OTP বাঁচানো নয়, নিজের Mobile Number, Email, UPI, Phone এবং Bank Account—সবকিছুকে একসঙ্গে সুরক্ষিত রাখার কথা ভাবতে হবে।
আমরা অনেকেই জীবনের ২০–৩০–৪০ বছরের পরিশ্রমে একটু একটু করে সঞ্চয় তৈরি করি। কয়েক মিনিটের অসাবধানতায় সেই সঞ্চয় যেন কোনও প্রতারকের হাতে না যায়।
তাই Digital Banking-কে ভয় পাওয়ার দরকার নেই, বন্ধ করে দেওয়ারও দরকার নেই।
দরকার শুধু সচেতনতা, কিছু নিয়ম এবং সময়মতো সতর্ক হওয়া।
আর বিশেষ করে বাড়ির বয়স্ক মানুষদের এই বিষয়গুলো বারবার বুঝিয়ে বলা দরকার। কারণ প্রযুক্তি প্রতিদিন বদলাচ্ছে, তার সঙ্গে প্রতারণার পদ্ধতিও বদলাচ্ছে।
আপনাদের পরিচিত কারও কি OTP না দেওয়া সত্ত্বেও Bank Account থেকে টাকা চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে?
হয়ে থাকলে কীভাবে ঘটেছিল, মন্তব্যে জানাতে পারেন। আপনার একটি অভিজ্ঞতা হয়তো অন্য একজন মানুষের বহু বছরের সঞ্চয় বাঁচাতে সাহায্য করবে।
— Ramapada Acharjee

ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী: অলৌকিক ক্ষমতা, নাকি আমাদের বিশ্বাস? গত কয়েক বছর ধরে বাগেশ্বর ধামের পণ্ডিত ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস...
06/09/2026

ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী: অলৌকিক ক্ষমতা, নাকি আমাদের বিশ্বাস?

গত কয়েক বছর ধরে বাগেশ্বর ধামের পণ্ডিত ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীকে নিয়ে ভারতজুড়ে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। একটা সময় আমি নিজেও তাঁর অনেক অনুষ্ঠান, দিব্য দরবার এবং ভিডিও দেখতাম। প্রথম দিকে স্বাভাবিকভাবেই আমারও কৌতূহল হয়েছিল—একজন মানুষ কীভাবে সামনে বসা ব্যক্তির মনের কথা বা সমস্যা তিনি বলার আগেই কাগজে লিখে দিতে পারেন?

পরে যত দেখেছি, ততই বিষয়টি নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আজ সেই ব্যক্তিগত উপলব্ধিটাই লিখছি। কারও ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য নয়।

কে এই ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী?

ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর জন্ম ৪ জুলাই ১৯৯৬ সালে মধ্যপ্রদেশের ছতরপুর জেলার গড়হা গ্রামে। তাঁর বাবা রামকৃপাল গর্গ এবং মা সরোজ গর্গ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁর শৈশবের আর্থিক কষ্ট এবং ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠার কথা পাওয়া যায়। পরবর্তীকালে তিনি বাগেশ্বর ধামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কথাবাচক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

তাঁর জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রধান কারণ “দিব্য দরবার”। সেখানে কোনও কোনও ব্যক্তিকে ডেকে তাঁদের ব্যক্তিগত সমস্যা, নাম বা মনের কথা আগেই কাগজে লিখে রাখার মতো ঘটনা দেখানো হয়। এই ধরনের প্রদর্শনই তাঁকে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র করে তুলেছে।

কিন্তু আমার প্রশ্নটা অন্য জায়গায়

আমি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী। ঈশ্বর, সাধনা বা আধ্যাত্মিকতার বিরোধিতা করার কোনও কারণ আমার নেই।

কিন্তু ধর্মে বিশ্বাস করা আর কোনও মানুষের অলৌকিক ক্ষমতার দাবিকে বিনা প্রশ্নে বিশ্বাস করা—দুটো এক বিষয় নয়।

কোনও ব্যক্তি যদি বলেন, তিনি অন্য মানুষের না-বলা কথা জানতে পারেন, তাহলে আমার মতে সেই ক্ষমতা যাচাই করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো controlled test।

ধরা যাক, সম্পূর্ণ স্বাধীন কয়েকজন ব্যক্তি ১০ জন অপরিচিত মানুষকে নির্বাচন করলেন। শাস্ত্রীজি বা তাঁর সহযোগীরা আগে তাঁদের দেখলেন না, নাম-ঠিকানা-ফোন নম্বর পেলেন না, তাঁদের সঙ্গে কোনও কথাও হলো না।

এবার যদি তাঁদের সামনে বসিয়ে শাস্ত্রীজি ধারাবাহিকভাবে তাঁদের নাম, ব্যক্তিগত তথ্য এবং নির্দিষ্ট সমস্যা আগেই লিখে দিতে পারেন—তাহলে অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবার যথেষ্ট কারণ থাকবে।

কিন্তু এমন স্বাধীন ও নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় ক্ষমতাটি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে একে প্রমাণিত অলৌকিক ক্ষমতা বলতে রাজি নই।

এখানেই শ্যাম মানবের challenge-এর কথা আসে

২০২৩ সালে যুক্তিবাদী ও অন্ধবিশ্বাস-বিরোধী কর্মী শ্যাম মানব ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীকে প্রকাশ্যে challenge করেছিলেন। প্রস্তাব ছিল—শ্যাম মানবের বেছে দেওয়া ব্যক্তিদের নাম, ফোন নম্বর এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য বলে দেখাতে হবে। সফল হলে পুরস্কারের কথাও বলা হয়েছিল। সেই নির্দিষ্ট controlled challenge শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।

এখানে আমি এটাও পরিষ্কার করে বলতে চাই—challenge গ্রহণ না করাটাই প্রমাণ করে না যে কোনও ব্যক্তি মিথ্যা বলছেন। কিন্তু একইভাবে মঞ্চের কয়েকটি সফল demonstration-ও অলৌকিক ক্ষমতার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হয়ে যায় না।

তারপর আমি Suhani Shah-কে দেখলাম

এখানেই আমার চিন্তাভাবনায় বড় পরিবর্তন আসে।

আমি Suhani Shah-এর বেশ কিছু অনুষ্ঠান দেখেছি। আমার ব্যক্তিগতভাবে তাঁর অনুষ্ঠান ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর অনুষ্ঠানের থেকেও বেশি ভালো লেগেছে।

কেন?

কারণ Suhani এমন অনেক কিছু করে দেখান যা সাধারণ দর্শকের চোখে প্রায় অলৌকিক মনে হয়—মানুষ কী ভাবছে অনুমান করা, কোনও নাম বলে দেওয়া, আগে থেকে prediction করা ইত্যাদি।

India Today Conclave-এও দর্শকদের মধ্য থেকে মানুষ নিয়ে তিনি এমন mind-reading ধরনের demonstration করেছিলেন।

কিন্তু পার্থক্যটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Suhani Shah এগুলোকে ঈশ্বরপ্রদত্ত অলৌকিক ক্ষমতা বলে দাবি করেন না।

তিনি একে mentalism, psychological illusion এবং একটি শেখা art form হিসেবেই উপস্থাপন করেন। তিনি নিজেই বলেছেন এর সঙ্গে supernatural power-এর সম্পর্ক নেই।

এই সততাটাই আমার ভালো লাগে।

তাহলে আমরা যা দেখি, তার সম্ভাব্য ব্যাখ্যা কী?

মানুষের আচরণ পর্যবেক্ষণ, body language, psychological cues, suggestion, probability, cold reading, mentalism এবং দীর্ঘদিনের practice—এসবের সাহায্যে এমন অনেক demonstration করা সম্ভব যা সাধারণ দর্শকের কাছে অবিশ্বাস্য বলে মনে হতে পারে।

Suhani Shah-সহ mentalist-দের demonstration দেখার পর অন্তত আমার কাছে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়েছে—

“আমি বুঝতে পারছি না কীভাবে করলেন”—এর অর্থ “অতএব অলৌকিক শক্তিতেই করেছেন” নয়।

এই দুটির মধ্যে বিশাল যুক্তিগত ব্যবধান আছে।

একজন magician যদি আমার চোখের সামনে একটা কয়েন অদৃশ্য করে দেন এবং আমি technique-টি ধরতে না পারি, তার অর্থ এই নয় যে পৃথিবীর পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম কয়েক সেকেন্ডের জন্য বদলে গেছে।

একই যুক্তি mind reading-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত

আমি ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর ধর্মীয় জ্ঞান, কথাবাচক হিসেবে দক্ষতা, জনপ্রিয়তা বা তাঁর ভক্তদের বিশ্বাস নিয়ে কোনও মন্তব্য করছি না। একজন ধর্মীয় বক্তা হিসেবে মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধা করতেই পারেন।

আমার আপত্তি শুধুমাত্র তখনই, যখন কোনও মানুষের অস্বাভাবিক কাজকে যাচাই ছাড়াই অলৌকিক ক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

আজ পর্যন্ত আমি এমন নির্ভরযোগ্য, স্বাধীন এবং controlled scientific evidence দেখিনি, যার ভিত্তিতে বলতে পারি ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী সত্যিই মানুষের মন অতিপ্রাকৃত উপায়ে পড়তে পারেন।

তাই আমার ব্যক্তিগত মত—

আমি তাঁকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বলে মনে করি না।

আমি ভুলও হতে পারি। যথাযথ প্রমাণ পেলে আমার মত পরিবর্তন করতেও আমার কোনও অসুবিধা নেই। কারণ বিশ্বাস আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচারবুদ্ধি ও প্রশ্ন করার ক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সনাতন ধর্ম এত দুর্বল নয় যে তাকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি unexplained ঘটনাকে “চমৎকার” বলে মেনে নিতে হবে।

ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখা যায়, আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাস রাখা যায়—আবার একই সঙ্গে প্রশ্নও করা যায়।

আমার কাছে এই দুইয়ের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই।

আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও মতামত — Ramapada Acharjee

Address

Patipukur, Lake Town
Kolkata
700048

Opening Hours

Monday 11am - 7pm
Tuesday 11am - 8pm
Wednesday 11am - 8pm
Friday 11am - 8pm
Saturday 11am - 8pm
Sunday 8am - 8pm

Telephone

+919874954063

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramapada Acharjee রমাপদ আচার্য্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ramapada Acharjee রমাপদ আচার্য্য:

Shortcuts

Share