Students' Body RGKMCH

Directions

Students' Body RGKMCH OFFICIAL PAGE OF STUDENTS' BODY, RGKMCH
A democratic body serves as voice of the common students of R.G. Kar
Long Live students’ unity
Long Live Khalpar

Following the consistent efforts of the Students’ Body, RGKMCH, to uphold moral values and foster a culture of progressi...
27/09/2026

Following the consistent efforts of the Students’ Body, RGKMCH, to uphold moral values and foster a culture of progressive thought, we commemorate *Shaheed-e-Azam Bhagat Singh* on his birth anniversary through a cultural initiative and discussion on his life, ideas, struggles, and the broader questions of democracy and progressive values emerging from the uncompromising struggle of India’s freedom movement.

Join us as we remember his legacy and reflect on its relevance in our times.

*28 September 2026 | 12:30 PM*

Lecture Theatre, Platinum Jubilee Building, R.G. Kar Medical College

Speakers: *Dr. Aniket Mahata* & representatives of the Students’ Body, RGKMCH

*Students’ Body, RGKMCH*

LM Hostel এর 32 নম্বর ঘরে বিপজ্জনক পরিস্থিতি - ছাত্রদের নিরাপত্তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা অব্যাহত।RG Kar Medical Coll...
17/09/2026

LM Hostel এর 32 নম্বর ঘরে বিপজ্জনক পরিস্থিতি - ছাত্রদের নিরাপত্তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা অব্যাহত।

RG Kar Medical College এর LM Hostel এর 32 নম্বর ঘরে আজ সকালে সিলিং এর চাঙড় ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। কয়েক মাস আগে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা Ladies Hostel এর একটি বাথরুমের সিলিং থেকেও একইভাবে চাঙড় ভেঙে পড়েছিল। সেই ঘটনার পর Students' Body সহ কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের চাপে কর্তৃপক্ষ তৎপরতা দেখিয়ে কয়েকটি Hostel এ বিপজ্জনক অংশগুলি ভাঙা শুরু করলেও, বাস্তবে Hostel গুলির পরিকাঠামোগত পরিস্থিতির যে উল্লেখযোগ্য কোনও উন্নতি হয়নি, তা আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা। বরং মেরামতি না করে অবৈজ্ঞানিকভাবে জোড়াতালি দিয়ে রাখা হোস্টেলগুলি কার্যত 'মৃত্যুপুরী' হয়ে রয়েছে, LM Hostel-এর এই ঘটনা তারই প্রত্যক্ষ প্রমাণ।

দীর্ঘদিন ধরেই Students' Body-র সদস্য সহ, LM Hostel এর সাধারণ অধিবাসী ছাত্ররা নতুন পাইকপাড়া Hostel এ শিফ্ট করার দাবি জানিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার গিয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই নানা টালবাহানার মাধ্যমে শিফ্টিং প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছে। ফলে জীবনের ন্যূনতম সুরক্ষা ছাড়াই LM Hostel এর ছাত্রদের আশঙ্কাজনক পরিস্থিতির মধ্যে থাকতে হচ্ছে।

ছাত্রদের নিরাপত্তার মতো মৌলিক বিষয়েও কর্তৃপক্ষের এই দীর্ঘসূত্রিতা ও উদাসীনতার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে Students' Body

আমাদের দাবি—

১. অবিলম্বে LM Hostel-এর অধিবাসী ছাত্রদের নতুন Paikpara Hostel-এ শিফ্ট করার ব্যবস্থা করতে হবে।

২. RG Kar Medical College-এর প্রতিটি Hostel-এর পরিকাঠামোগত পরিস্থিতি অবিলম্বে পরিদর্শন করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা সমস্ত অংশের জরুরি ভিত্তিতে মেরামতির কাজ শুরু করতে হবে।

৩. Hostelগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

LM Hostel-এর অধিবাসী ছাত্রদের দীর্ঘদিনের এই ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের সঙ্গে কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বৃহত্তর নিরাপত্তার প্রশ্নটি অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। Students' Body এই আন্দোলনের পাশে থেকে ছাত্রদের নিরাপত্তা ও বাসযোগ্য Hostel-এর দাবিকে আরও জোরালো করার আহ্বান জানাচ্ছে।

এক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষের গা ছাড়া মনোভাব বজায় থাকলে, আগামী দিনে LM Hostel-এর ছাত্ররা সহ কলেজের সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানাই Students' Body-র পক্ষ থেকে।


05/09/2026
To teach is to inspire, to guide, and to awaken the courage to stand for what is right. With gratitude to every teacher ...
05/09/2026

To teach is to inspire, to guide, and to awaken the courage to stand for what is right. With gratitude to every teacher who shapes minds, strengthens character, and lights the way toward a better tomorrow.

Happy Teachers’ Day from Students’ Body, RGKMCH

সাম্প্রতিক কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা প্রসঙ্গেবিগত কয়েকদিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগু...
03/09/2026

সাম্প্রতিক কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা প্রসঙ্গে

বিগত কয়েকদিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলিতে একের পর এক উদ্বেগজনক ঘটনা আমাদের চোখে পড়েছে।

১৯–২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের বিধ্বংসী হামলা, নন্দলাল বসুর ঐতিহ্যবাহী এমব্লেম-সহ ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ; ৩০ আগস্ট যাদবপুরে রবীন্দ্রনাথের উদ্ধৃতি, চিত্তপ্রসাদের ছবি সহ ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন গ্রাফিতির উপর চুনকাম করে সেগুলি মুছে দেওয়া; ১ সেপ্টেম্বর আনন্দবাজার পত্রিকার কার্যালয়ের দেওয়ালে জোরপূর্বক রং চাপিয়ে দেওয়া; এবং ২ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র ডাক্তার ও ছাত্রছাত্রীদের অ্যাডমিশন হেল্পডেস্ক ও নেতাজির ছবি-উদ্ধৃতিসম্বলিত উপহার কর্মসূচিতে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নৃশংস হামলা— এই ঘটনাগুলি বিচ্ছিন্ন বলে উড়িয়ে দেওয়ার অবকাশ নেই। এই প্রতিটি ঘটনাতেই সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যমে অভিযোগের তীর উঠেছে শাসকদল, তাদের ঘনিষ্ঠ ছাত্রসংগঠনগুলি এবং বিভিন্ন গণসংগঠনের দিকে।

ভারতের নবজাগরণ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের উত্তরাধিকার, ছাত্রছাত্রীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ক্যাম্পাসের সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর আক্রমণের যে প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা সামগ্রিকভাবে গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত বহন করে।

মুক্তচিন্তা ও বিরুদ্ধমতকে স্তব্ধ করার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার যখন স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, তখনই তৈরি হয় ‘থ্রেট কালচার’-এর ভিত্তি। বিরোধী স্বরহীন, ভয় ও আনুগত্যনির্ভর একটি অগণতান্ত্রিক পরিসরই শেষ পর্যন্ত এমন এক পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে জন্ম নেয় সেই সমস্ত অপরাধী, যারা অভয়ার খুন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটানোর দুঃসাহস রাখে।

ইতিহাস আমাদের বারবার দেখিয়েছে—গায়ের জোর এবং ক্ষমতার ঔদ্ধত্য কোনওদিনই চিরস্থায়ী হয় না। মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা শেষ পর্যন্ত নিজের পথ তৈরি করে নেয়।

আমরা মনে করিয়ে দিতে চাই, ঐতিহাসিক অভয়া আন্দোলনের সময়ও ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়ে, ছাত্রছাত্রী, স্বাস্থ্যকর্মী ও জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলা করে এবং তাঁদের খুন-ধর্ষণের হুমকি দিয়ে রাজনৈতিক মদতপুষ্ট দুর্বৃত্তরা হাসপাতালের অভ্যন্তরে চলমান আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই রক্তহিম করা বর্বর আক্রমণের প্রতিস্পর্ধাতেই আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল মানুষের ন্যায়বিচারকামী দুর্বার চেতনা।

আজও সেই ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়—ভয় দেখিয়ে, হামলা চালিয়ে, দেওয়াল মুছে দিয়ে, কণ্ঠরোধ করে কোনও আন্দোলন বা গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে দীর্ঘদিন স্তব্ধ করে রাখা যায় না।

একইসঙ্গে, সাম্প্রতিক প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। কোথাও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকায়, কোথাও আবার এই উর্দিধারী বাহিনীই ভীষণ অগণতান্ত্রিক ও আক্রমণাত্মক।

যাদের দায়িত্ব সমাজে এবং ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অন্যায় ও অপরাধকে প্রতিহত করা; তাদের নিষ্ক্রিয়তা বা পক্ষপাত যেন আর কোনওভাবেই এই ধরনের ঘটনার সুযোগ তৈরি না করে। রাজনৈতিক রং, প্রশাসনিক চাপ কিংবা কোনও ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর প্রভাবের কাছে মাথা নত না করে পুলিশ ও প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা, নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—গণতন্ত্র, মুক্তচিন্তা এবং ছাত্রসমাজের প্রতিবাদী মননকে দমন করার যে কোনও প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। ভয় দেখিয়ে ছাত্রসমাজের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যায় না। প্রতিবাদী দেওয়াল লিখন মুছে ফেলা যায়, কিন্তু তার অন্তর্নিহিত চিন্তাকে মুছে ফেলা যায় না।

বিদ্রোহী কবি নজরুলের আহ্বান আমরা আজও প্রতিধ্বনিত করি

"মোদের চক্ষে জ্বলে
জ্ঞানের মশাল,
বক্ষে ভরা বাক্,
কন্ঠে মোদের কুন্ঠাবিহীন
নিত্য কালের ডাক।

আমরা তাজা খুনে
লাল ক’রেছি
সরস্বতীর শ্বেত কমল।
আমরা ছাত্রদল।।”



১৯০৫ সালের ২০ জুলাই ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের কথা জানালে, সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধে পুরো বাংলা গর্জে ওঠে। এই বিভে...
28/08/2026

১৯০৫ সালের ২০ জুলাই ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের কথা জানালে, সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধে পুরো বাংলা গর্জে ওঠে। এই বিভেদনীতির প্রতিবাদে এবং বর্ণ-ধর্ম-জাতপাত নির্বিশেষে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি ও বাঙালি জাতির অখণ্ডতা বজায় রাখতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মিলন দিবস ও রাখিবন্ধন উৎসব হিসেবে পালনের ঐতিহাসিক ডাক দেন। কবিগুরুর আহ্বানে প্রচারিত পত্রে বলা হয়, সেদিন বাংলার কোনো ঘরে উনুন জ্বলবে না। প্রতি বছর আমরা এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখব। রবীন্দ্রনাথের নেতৃত্বে কলকাতার রাজপথে এক বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়, যেখানে কবিগুরুর কণ্ঠে ধ্বনিত হয় তাঁর বিখ্যাত গান, "বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুণ্য হোক..."। প্রচুর মানুষ পরস্পরের হাতে হলুদ সুতো বা রাখি বেঁধে দেন। ঘরোয়া গ্রন্থে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মৃতিচারণ করেছেন, রবিকাকা সেদিন গঙ্গার ঘাটে ভিড়ের মধ্যে সর্বসাধারণ, বীরু মল্লিকের আস্তাবলের সহিসদের কোলাকুলি করে রাখি পরানো এমনকি চিৎপুরের বড় মসজিদে গিয়ে মৌলবীদের হাতে রাখি পরিয়ে দেন।

এই সম্প্রীতি বজায় রাখা আজও প্রতিটি ভারতবাসীর নৈতিক দায়িত্ব।


উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে কলকাতার প্লেগ মহামারী থেকে শুরু করে দেশীয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের সার্বিক বিকাশ প্রতিটি ক্ষেত্রেই অসাম...
23/08/2026

উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে কলকাতার প্লেগ মহামারী থেকে শুরু করে দেশীয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের সার্বিক বিকাশ প্রতিটি ক্ষেত্রেই অসামান্য দূরদর্শিতা ও আত্মত্যাগের স্বাক্ষর রেখে গেছেন ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর। ১৮৯৯ সালে কলকাতায় প্লেগের মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের সময় ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি উত্তর কলকাতার অলিতে-গলিতে রোগীদের সেবা করেছেন এবং নিজের অর্থ দিয়ে ওষুধ কিনেছেন। শত অপমান সহ্য করে এবং নিজস্ব অর্জিত অর্থ ঢেলে দিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এশিয়ার প্রথম বেসরকারি মেডিক্যাল স্কুল ও হাসপাতাল। মৃত্যুর আগে নিজের একমাত্র সম্বল বেলগাছিয়ার বাড়িটিও দান করে গিয়েছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের নামে। লিখেছেন মাতৃভাষায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনেকগুলি বই। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় যখন বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস করছেন, তখন তাকে সমৃদ্ধ করেছেন নানা পরামর্শ দিয়ে। যাতে সাধারণ মানুষকে চড়া দামে বিদেশি ওষুধ কিনতে না হয়। জীবন বিপন্ন করে জনসেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রসার ও দেশীয় ওষুধ তৈরির এই সমন্বয়ে ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর উনবিংশ শতাব্দীর বাংলার নবজাগরণের এক শ্রেষ্ঠ নক্ষত্র এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক।

21/08/2026

প্রতিবাদের ভাষা মুছে নয়—প্রতিবাদের কারণগুলির সমাধান করেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের দেওয়ালে অভয়ার ন্যায়বিচারের দাবিতে একাধিক স্লোগান লেখা হয়েছে—‘জাস্টিস ফর আরজি কর’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, " থ্রেট কালচার নিপাত যাক "-এর মতো প্রতিবাদী স্লোগান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই স্লোগানগুলি মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

আশা রাখব, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনা ও প্রত্যাহার করবেন। ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে থ্রেট কালচার, ভয় এবং দখলদারির পরিবর্তে আরও বিস্তৃত হোক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিসর।

অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করে এই গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করা হোক।

স্টুডেন্টস বডি প্রথম থেকেই কলেজ ও হোস্টেলের বিভিন্ন পরিকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। এ...
21/08/2026

স্টুডেন্টস বডি প্রথম থেকেই কলেজ ও হোস্টেলের বিভিন্ন পরিকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবিগুলি ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

যার জেরে হোস্টেলে ওয়াটার ফিল্টার স্থাপন, লাইব্রেরিতে ওয়াটার ফিল্টারের ব্যবস্থা এবং হোস্টেলের বিভিন্ন অংশে প্রয়োজনীয় মেরামতির কিছু কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

তবে এখনও লাইব্রেরির এসির সমস্যা, Pharma LT তে পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকা, বৃষ্টিতে কলেজে জল জমে যাওয়া, হোস্টেলের বিভিন্ন অংশে ছাদসহ বিভিন্ন পরিকাঠামোর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান হয়নি।

এই সমস্ত সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের দাবিতে স্টুডেন্টস বডি ভবিষ্যতেও তার ধারাবাহিক আন্দোলন ও উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে। কলেজ, হোস্টেলের পরিকাঠামো সংক্রান্ত ছাত্রছাত্রীদের ন্যায্য দাবিগুলির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Address

R. G. Kar Medical College & Hospital
Kolkata
700004

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Students' Body RGKMCH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category