Dr.Soumik Sen

Directions

Dr.Soumik Sen Doctor

18/08/2026

চোখ বন্ধ করে শুনলেই মনে হয় অন্য এক জগতে হারিয়ে গেছি
শ্রীরামকৃষ্ণ আরাত্রিক ভজন।
সুপ্রভাত।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

13/08/2026

ঔঁ কৃষ্ণায়ঃ বাসুদেবায়ঃ হরায়ে পরমাত্মানে
প্রণতঃ ক্লেশ নাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।🙏🏻🙏🏻

🌼 **“পরনিন্দা অন্যকে নয়, প্রথমে নিজের মনকেই বিষাক্ত করে।”** 🌼একদিন শ্রী সারদা দেবী ভক্তদের একটি গভীর শিক্ষা দিয়েছিলেন।...
25/07/2026

🌼 **“পরনিন্দা অন্যকে নয়, প্রথমে নিজের মনকেই বিষাক্ত করে।”** 🌼

একদিন শ্রী সারদা দেবী ভক্তদের একটি গভীর শিক্ষা দিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন—

> **“পরনিন্দা, পরচর্চা কখনও করো না। ওতে নিজেরই ক্ষতি হয়।”**

কথাটা শুনতে খুব সাধারণ মনে হয়।

কিন্তু একটু ভেবে দেখুন—

যে মানুষ সারাদিন অন্যের দোষ নিয়েই ব্যস্ত থাকে, তার নিজের মন কখন শান্ত থাকবে?

ধীরে ধীরে সেই দোষ, সেই বিদ্বেষ, সেই রাগই তার নিজের চিন্তার অংশ হয়ে যায়।

মা তাই বলতেন—

**“কার কী দোষ আছে, তা দেখবার দরকার কী?”**

আমরা যদি মানুষের ভুল খুঁজতেই অভ্যস্ত হয়ে যাই, তাহলে একসময় পৃথিবীর সব মানুষই আমাদের কাছে খারাপ মনে হবে।

কিন্তু যে মানুষ অন্যের সামান্য গুণটুকুও দেখতে শেখে, তার হৃদয় ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।

মায়ের শিক্ষা ছিল—

🌿 **একটু গুণ থাকলেও তাকে বড় করে দেখো।**
🌿 **প্রশংসা করতে শেখো।**
🌿 **মানুষকে সম্মান দাও।**

কারণ—

**গুণের সম্মান মানুষকে আরও ভালো হতে উৎসাহ দেয়, আর দোষের আলোচনা শুধু অশান্তি বাড়ায়।**

আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়া হোক বা বাস্তব জীবন—

সমালোচনা করা খুব সহজ।

কিন্তু কাউকে উৎসাহ দেওয়া, তার ভালো দিকটি তুলে ধরা—সেটাই প্রকৃত সাধনা।

চলুন আজ একটি ছোট সংকল্প করি—

**আজ কারও দোষ নয়, অন্তত একজন মানুষের একটি ভালো গুণ খুঁজে তাকে আন্তরিকভাবে প্রশংসা করব।**

হয়তো এভাবেই আমাদের নিজের মনও আরও নির্মল হয়ে উঠবে।

সুপ্রভাত।🙏🏻🙏🏻

🌸 **জয় শ্রীশ্রী মা।**
🌸 **জয় শ্রী রামকৃষ্ণ।**

📖 **Source:**

* শ্রীশ্রীমায়ের কথা

“মা, বেড়ালের মধ্যেও কি তুমিই আছ?” — শ্রী রামকৃষ্ণের জীবনের এক মধুর ঘটনা 🌸একদিন শ্রী রামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরে গভ...
25/07/2026

“মা, বেড়ালের মধ্যেও কি তুমিই আছ?” — শ্রী রামকৃষ্ণের জীবনের এক মধুর ঘটনা 🌸

একদিন শ্রী রামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরে গভীর মাতৃভাবের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর কাছে জগৎ তখন আর নিছক জড়বস্তু নয়—সবকিছুর মধ্যেই তিনি জগজ্জননী মায়ের প্রকাশ অনুভব করতেন।

সেই সময় মন্দির প্রাঙ্গণে একটি বিড়াল ও তার বাচ্চারা ঘুরে বেড়াত। একদিন প্রসাদ নিবেদনের পর দেখা গেল, একটি বিড়াল এসে সেই প্রসাদ খেতে শুরু করেছে।

অনেকেই বিরক্ত হয়ে বিড়ালটিকে তাড়িয়ে দিতে চাইলেন। কিন্তু ঠাকুর তা দেখে বললেন—

> “ওকে তাড়িও না। মা-ই তো এই রূপে খাচ্ছেন!”

উপস্থিত সকলে বিস্মিত হলেন। যাঁরা শুধু একটি সাধারণ প্রাণী দেখছিলেন, ঠাকুর সেখানে দেখছিলেন জগজ্জননীরই এক প্রকাশ।

পরবর্তীকালে তিনি বলতেন—

> “যিনি মন্দিরে আছেন, তিনিই আবার জীবজগতে নানা রূপে প্রকাশিত হয়েছেন।”

এই ঘটনাটি আমাদের শেখায়—

ধর্ম শুধু মন্দিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
ঈশ্বর কেবল পূজার বেদীতেই নন, তিনি প্রকাশিত আছেন প্রতিটি জীবের মধ্যেই।

তাই সত্যিকারের ভক্তি মানে শুধু উপাসনা নয়—
ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং সকল প্রাণীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।
সুপ্রভাত।
🌸 জয় শ্রী রামকৃষ্ণ 🌸

📖 Source:
• শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ লীলাপ্রসঙ্গ
• শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত

*“আপনি কি ভগবানকে দেখেছেন?” — একটি প্রশ্ন, যা বদলে দিয়েছিল ভারতের ইতিহাস 🧡**১৮৮১ সালের কলকাতা।তরুণ নরেন্দ্রনাথ দত্ত তখন...
23/07/2026

*“আপনি কি ভগবানকে দেখেছেন?” — একটি প্রশ্ন, যা বদলে দিয়েছিল ভারতের ইতিহাস 🧡**

১৮৮১ সালের কলকাতা।

তরুণ নরেন্দ্রনাথ দত্ত তখন এক অদম্য সত্যসন্ধানী। বই পড়ছেন, দর্শন শিখছেন, পাশ্চাত্য যুক্তিবিদ্যা পড়ছেন। কিন্তু একটি প্রশ্ন তাঁকে দিনরাত তাড়া করে বেড়াচ্ছে—

**"ঈশ্বর যদি সত্যিই থাকেন, তাহলে তাঁকে কি দেখা যায়?"**

তিনি এই প্রশ্ন নিয়ে বহু পণ্ডিত, বহু ধর্মগুরুর কাছে গিয়েছিলেন।

কিন্তু উত্তর ছিল—

"শাস্ত্রে লেখা আছে..."
"বিশ্বাস করতে হবে..."
"একদিন বুঝবে..."

কেউ দৃঢ়ভাবে বলতে পারেননি—
**"হ্যাঁ, আমি ঈশ্বরকে দেখেছি।"**

অবশেষে তিনি পৌঁছালেন দক্ষিণেশ্বরে, শ্রী রামকৃষ্ণ-এর কাছে।

প্রথম সাক্ষাৎেই তিনি সরাসরি প্রশ্ন করলেন—

> **"মহাশয়, আপনি কি ঈশ্বরকে দেখেছেন?"**

এক মুহূর্তও দেরি না করে ঠাকুর উত্তর দিলেন—

> **"হ্যাঁ, দেখেছি। তোমাকে যেমন স্পষ্ট দেখছি, তার থেকেও স্পষ্টভাবে দেখেছি। তাঁর সঙ্গে কথা বলাও যায়।"**

এই একটি উত্তরই নরেন্দ্রনাথের জীবনকে আমূল বদলে দিল।

কারণ তিনি প্রথমবার এমন একজন মানুষকে পেলেন, যিনি ধর্ম নিয়ে তর্ক করেননি—

তিনি **অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।**

হয়তো আমাদের জীবনেও প্রশ্ন অনেক।

কিন্তু সব প্রশ্নের উত্তর বইয়ে মেলে না।

কিছু উত্তর মেলে—
একজন সত্য উপলব্ধি করা মানুষের কাছে।

সেই এক প্রশ্নের ফলেই জন্ম নিয়েছিল—

**স্বামী বিবেকানন্দ।**

আর সেই এক উত্তরের প্রভাব আজও সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে।

🌼 **জয় শ্রী রামকৃষ্ণ।**
🌼 **জয়তু স্বামী বিবেকানন্দ।**

সুপ্রভাত।🙏🏻🙏🏻
📖 **Source:**
• শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত
• The Life of Swami Vivekananda

**"সাপ নয়, ভয়ই ছিল আসল শত্রু" — স্বামী তুরীয়ানন্দের জীবনের এক শিক্ষামূলক ঘটনা** 🙏স্বামী তুরীয়ানন্দজী মহারাজ ছিলেন শ্...
22/07/2026

**"সাপ নয়, ভয়ই ছিল আসল শত্রু" — স্বামী তুরীয়ানন্দের জীবনের এক শিক্ষামূলক ঘটনা** 🙏

স্বামী তুরীয়ানন্দজী মহারাজ ছিলেন শ্রীশ্রীঠাকুরের অন্তরঙ্গ সন্ন্যাসী শিষ্যদের অন্যতম। কঠোর তপস্যা, নির্ভীকতা এবং ঈশ্বরে অটল বিশ্বাস ছিল তাঁর জীবনের মূল ভিত্তি।

হিমালয়ে তপস্যার সময়ের একটি ঘটনা।

একদিন সন্ধ্যাবেলা তিনি নির্জন বনের মধ্যে একটি কুটিরে ধ্যান করছিলেন। হঠাৎ কুটিরের বাইরে অদ্ভুত শব্দ শুনে তাঁর চোখ খুলে যায়। বাইরে তাকিয়ে দেখলেন, একটি বিষধর সাপ কুটিরের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

সাধারণ মানুষ হলে হয়তো আতঙ্কে ছুটে পালাত।

কিন্তু স্বামী তুরীয়ানন্দ শান্তভাবেই নিজের মনে বললেন—

**"যদি এই শরীর ভগবানের কাজে লাগে, তবে তিনি রক্ষা করবেন। আর যদি এই দেহের কাজ শেষ হয়ে থাকে, তবে ভয় করে কী হবে?"**

তিনি আবার চোখ বন্ধ করে জপে বসে গেলেন।

কিছুক্ষণ পরে যখন বাইরে তাকালেন, দেখলেন সাপটি চলে গেছে।

পরে তিনি বলেছিলেন—

**"ভয়ের কারণ বাইরের জগতে যতটা নয়, তার চেয়ে অনেক বেশি আমাদের নিজের মনে। যে মন ঈশ্বরের উপর নির্ভর করতে শেখে, তার কাছে ভয় ধীরে ধীরে শক্তি হারিয়ে ফেলে।"** *(ভাবার্থ)*

আমাদের জীবনেও কত "সাপ" আসে—

কখনও দুশ্চিন্তা,
কখনও রোগ,
কখনও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা,
কখনও মানুষের সমালোচনা।

কিন্তু সব ভয়ের মাঝেও যদি ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস অটুট থাকে, তবে মন ভেঙে পড়ে না।

স্বামী তুরীয়ানন্দের জীবন আমাদের শেখায়—

**পরিস্থিতির চেয়ে বড় হল মনের সাহস, আর সেই সাহসের উৎস হল ঈশ্বরের প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ।**

🌸 **জয় শ্রী রামকৃষ্ণ।**
🌸 **জয় শ্রীশ্রী মা।**
শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত
সুপ্রভাত।🙏🏻🙏🏻

21/07/2026

অসম্ভব বাস্তব সত্য কথা।🙏🏻🙏🏻

'ধুলোপায়ে রোজ যেতেন জগন্নাথদর্শনে' ―মা একবার পুরী গিয়েছিলেন কলকাতা থেকে চাঁদবালি বড় জাহাজে। চাঁদবালি থেকে কটক ক্যানাল-স্...
19/07/2026

'ধুলোপায়ে রোজ যেতেন জগন্নাথদর্শনে' ―
মা একবার পুরী গিয়েছিলেন কলকাতা থেকে চাঁদবালি বড় জাহাজে। চাঁদবালি থেকে কটক ক্যানাল-স্টিমারে, আর কটক থেকে গরুর গাড়িতে করে শ্রীক্ষেত্র। সাথে ছিলেন রাখাল মহারাজ, শরৎ মহারাজ, যোগানন্দ মহারাজ, যোগেন-মা।

বলরাম বসুর ভাই হরিবল্লভ বসু ছিলেন সে অঞ্চলের মস্ত বড় উকিল, খুব নামডাক ছিল। মন্দিরের পুরোতরা তাঁকে খুব সন্মান করতেন। পুরোতদের মধ্যে একজন প্রধান ছিলেন গোবিন্দ শিঙ্গারী― হরিবল্লভ বসুর অতিথি মাকে খাতির করে নিয়ে যেতে এসে বললেন― 'মন্দিরে নিয়ে যাবার জন্য পালকি নিয়ে আসব মা'। মধুর আর্তির সাথে মা বললেন– 'না গোবিন্দ, আমি হেঁটে যাব মন্দিরে। তুমি শুধু আমাকে আগেআগে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেও, তাতেই আমি প্রভুর মন্দিরে জগৎপতি জগন্নাথকে দর্শন করে আসতে পারব'।

রত্নবেদীতে পুরুষসিংহ দেখলেন মা। আবার দেখলেন লক্ষ শালগ্রাম শিলার উপর শিব বসে আছেন। স্বর্গলোকে দেবদেব, মর্তলোকে সদাশিব। ভক্তমধ্যে আশুতোষ, দীনমধ্যে দীননাথ।

ধুলোপায়ে রোজ যেতেন জগন্নাথদর্শনে, দর্শনান্তে আঁচলের গ্রন্থিতে বেঁধে নিতেন রাধুকে। ভিড়ের মধ্যে সে যেন হারিয়ে না যায়। একবার অখণ্ডলোকে মহামায়া, আবার জীবলোকে মায়াবিনী। একবার রাধা, আরেকবার রাধু।

যেটুকু হবার সেটুকুই হবে। পুরীতে মা যখন দেখলেন, এত লোক জগন্নাথ দর্শন করতে এসেছে, তখন আনন্দে কাঁদতে লাগলেন। 'আহা, এত লোক মুক্ত হয়ে যাবে' ! শেষে দেখলেন মুক্তি কি এতই সহজ ? শুধু যারা বাসনাশূন্য তারাই মুক্তি পাবে। তাদের সংখ্যা আর কটি ? চক্রের মত সৃষ্টি চলছে। যে জন্মে মন বীতকাম সেটিই তার শেষ জন্ম।

সংসার থেকে নিষ্কৃতি পাবার জন্য একটি ছেলে এসেছেন মায়ের কাছে। মা বললেন― 'ভগবান তোমায় কতগুলি পোষ্যের ভার দিয়েছেন, তাদের কি তুমি ফেলে যাবে ! তুমি ফেলে গেলে তাদে জন্য তো আমাকেই ভেবে ভেবে মরতে হবে। তাই বলছি― সংসার ছাড়বার দরকার নেই, আমার সংসার মনে করে থাকো'।

পরমাপ্রকৃতি শ্রীশ্রীসারদামণি ।।

শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত

Address

16/C NIMTALA GHAT Street
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Soumik Sen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category